সহিহ বুখারী > কেউ যদি কাউকে না জেনে কিংবা নিজ ধারণা অনুযায়ী (কাফির বা মুনাফিক) সম্বোধন করে, তাকে কাফির বলা যাবে না।
সহিহ বুখারী ৬১০৭
حدثني إسحاق، أخبرنا أبو المغيرة، حدثنا الأوزاعي، حدثنا الزهري، عن حميد، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من حلف منكم فقال في حلفه باللات والعزى. فليقل لا إله إلا الله. ومن قال لصاحبه تعال أقامرك، فليتصدق ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যদি কসম করে এবং লাত্ ও উয্যার কসম করে, তবে সে যেন لاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللهُবলে। আর যদি কেউ তার সঙ্গীকে বলে, এসো আমরা জুয়া খেলি, তবে সে যেন সদাকাহ করে। [৪৮৬০] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬৪)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যদি কসম করে এবং লাত্ ও উয্যার কসম করে, তবে সে যেন لاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللهُবলে। আর যদি কেউ তার সঙ্গীকে বলে, এসো আমরা জুয়া খেলি, তবে সে যেন সদাকাহ করে। [৪৮৬০] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬৪)
حدثني إسحاق، أخبرنا أبو المغيرة، حدثنا الأوزاعي، حدثنا الزهري، عن حميد، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من حلف منكم فقال في حلفه باللات والعزى. فليقل لا إله إلا الله. ومن قال لصاحبه تعال أقامرك، فليتصدق ".
সহিহ বুখারী ৬১০৮
حدثنا قتيبة، حدثنا ليث، عن نافع، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما أنه أدرك عمر بن الخطاب في ركب وهو يحلف بأبيه، فناداهم رسول الله صلى الله عليه وسلم" ألا إن الله ينهاكم أن تحلفوا بآبائكم، فمن كان حالفا فليحلف بالله، وإلا فليصمت ".
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্নিত যে, তিনি ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) -কে একদিন আরোহীর মাঝে এমন সময় পেলেন, যখন তিনি তাঁর পিতার নামে শপথ করছিলেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উচ্চৈঃস্বরে তাদের বললেনঃ জেনে রাখ! আল্লাহ তোমাদের নিজের পিতার নামে শপথ করতে নিষেধ করেছেন। যদি কাউকে শপথ করতেই হয়, তবে সে যেন আল্লাহ্র নামেই শপথ করে, তা না হলে সে যেন চুপ থাকে। [২৬৭৮; মুসলিম ১/২৭, হাঃ ১৬৪৬, আহমাদ ৬২৯৬] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬৫)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্নিত যে, তিনি ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) -কে একদিন আরোহীর মাঝে এমন সময় পেলেন, যখন তিনি তাঁর পিতার নামে শপথ করছিলেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উচ্চৈঃস্বরে তাদের বললেনঃ জেনে রাখ! আল্লাহ তোমাদের নিজের পিতার নামে শপথ করতে নিষেধ করেছেন। যদি কাউকে শপথ করতেই হয়, তবে সে যেন আল্লাহ্র নামেই শপথ করে, তা না হলে সে যেন চুপ থাকে। [২৬৭৮; মুসলিম ১/২৭, হাঃ ১৬৪৬, আহমাদ ৬২৯৬] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬৫)
حدثنا قتيبة، حدثنا ليث، عن نافع، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما أنه أدرك عمر بن الخطاب في ركب وهو يحلف بأبيه، فناداهم رسول الله صلى الله عليه وسلم" ألا إن الله ينهاكم أن تحلفوا بآبائكم، فمن كان حالفا فليحلف بالله، وإلا فليصمت ".
সহিহ বুখারী ৬১০৬
حدثنا محمد بن عبادة، أخبرنا يزيد، أخبرنا سليم، حدثنا عمرو بن دينار، حدثنا جابر بن عبد الله، أن معاذ بن جبل ـ رضى الله عنه ـ كان يصلي مع النبي صلى الله عليه وسلم ثم يأتي قومه فيصلي بهم الصلاة، فقرأ بهم البقرة ـ قال ـ فتجوز رجل فصلى صلاة خفيفة، فبلغ ذلك معاذا فقال إنه منافق. فبلغ ذلك الرجل، فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إنا قوم نعمل بأيدينا، ونسقي بنواضحنا، وإن معاذا صلى بنا البارحة، فقرأ البقرة فتجوزت، فزعم أني منافق. فقال النبي صلى الله عليه وسلم " يا معاذ أفتان أنت ـ ثلاثا ـ اقرأ {والشمس وضحاها} و{سبح اسم ربك الأعلى} ونحوها ".
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মু‘আয ইবনু জাবাল নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে সালাত আদায় করতেন। অতঃপর আবার তিনি নিজ কাওমের নিকট এসে তাদের নিয়ে সালাত আদায় করতেন। একবার তিনি তাদের নিয়ে সালাতে সূরা আল-বাক্বারাহ পড়লেন। তখন এক ব্যক্তি সালাত সংক্ষেপ করতে চাইল। কাজেই সে আলাদা হয়ে) সংক্ষেপে সালাত আদায় করলো। এ খবর মু‘আয -এর কাছ পৌঁছলে তিনি বললেনঃ সে মুনাফিক। লোকটির কাছে এ সংবাদ পৌঁছলে সে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এসে বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমরা এমন এক কাওমের লোক, যারা নিজের হাতে কাজ করি, আর নিজের উট দিয়ে সেচের কাজ করি। মু‘আয গত রাতে সূরা আল-বাকারাহ দিয়ে সালাত আদায় করতে শুরু করলেন, তখন আমি সংক্ষেপে সালাত আদায় করে নিলাম। এতে মু‘আয বললেন যে, আমি মুনাফিক। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে মু‘আয! তুমি কি লোকেদের) দ্বীনের ব্যাপারে অনাগ্রহী করতে চাও? এ কথাটি তিনি তিনবার বললেন। পরে তিনি তাকে বললেনঃ وَالشَّمْسِوَضُحَاهَا)এবং سَبِّحِاسْمَرَبِّكَالأَعْلٰى) তুমি এবং এর মত ছোট সূরা পড়বে। [৭০০] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬৩)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মু‘আয ইবনু জাবাল নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে সালাত আদায় করতেন। অতঃপর আবার তিনি নিজ কাওমের নিকট এসে তাদের নিয়ে সালাত আদায় করতেন। একবার তিনি তাদের নিয়ে সালাতে সূরা আল-বাক্বারাহ পড়লেন। তখন এক ব্যক্তি সালাত সংক্ষেপ করতে চাইল। কাজেই সে আলাদা হয়ে) সংক্ষেপে সালাত আদায় করলো। এ খবর মু‘আয -এর কাছ পৌঁছলে তিনি বললেনঃ সে মুনাফিক। লোকটির কাছে এ সংবাদ পৌঁছলে সে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এসে বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমরা এমন এক কাওমের লোক, যারা নিজের হাতে কাজ করি, আর নিজের উট দিয়ে সেচের কাজ করি। মু‘আয গত রাতে সূরা আল-বাকারাহ দিয়ে সালাত আদায় করতে শুরু করলেন, তখন আমি সংক্ষেপে সালাত আদায় করে নিলাম। এতে মু‘আয বললেন যে, আমি মুনাফিক। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে মু‘আয! তুমি কি লোকেদের) দ্বীনের ব্যাপারে অনাগ্রহী করতে চাও? এ কথাটি তিনি তিনবার বললেন। পরে তিনি তাকে বললেনঃ وَالشَّمْسِوَضُحَاهَا)এবং سَبِّحِاسْمَرَبِّكَالأَعْلٰى) তুমি এবং এর মত ছোট সূরা পড়বে। [৭০০] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬৩)
حدثنا محمد بن عبادة، أخبرنا يزيد، أخبرنا سليم، حدثنا عمرو بن دينار، حدثنا جابر بن عبد الله، أن معاذ بن جبل ـ رضى الله عنه ـ كان يصلي مع النبي صلى الله عليه وسلم ثم يأتي قومه فيصلي بهم الصلاة، فقرأ بهم البقرة ـ قال ـ فتجوز رجل فصلى صلاة خفيفة، فبلغ ذلك معاذا فقال إنه منافق. فبلغ ذلك الرجل، فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إنا قوم نعمل بأيدينا، ونسقي بنواضحنا، وإن معاذا صلى بنا البارحة، فقرأ البقرة فتجوزت، فزعم أني منافق. فقال النبي صلى الله عليه وسلم " يا معاذ أفتان أنت ـ ثلاثا ـ اقرأ {والشمس وضحاها} و{سبح اسم ربك الأعلى} ونحوها ".
সহিহ বুখারী > আল্লাহ্র বিধি-নিষেধের ব্যাপারে রাগ করা ও কঠোরতা অবলম্বন করা জায়িয।
সহিহ বুখারী ৬১০৯
حدثنا يسرة بن صفوان، حدثنا إبراهيم، عن الزهري، عن القاسم، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت دخل على النبي صلى الله عليه وسلم وفي البيت قرام فيه صور، فتلون وجهه، ثم تناول الستر فهتكه، وقالت قال النبي صلى الله عليه وسلم" من أشد الناس عذابا يوم القيامة الذين يصورون هذه الصور ".
আয়িশা (রাঃ থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট আসলেন। তখন ঘরে একখান পর্দা ঝুলানো ছিল। যাতে ছবি ছিল। তা দেখে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর চেহারার রং পরিবর্তিত হয়ে গেল। এরপর তিনি পর্দাখানা হাতে নিয়ে ছিঁড়ে ফেললেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকেদের মধ্যে বললেনঃ কিয়ামাতের দিন সবচেয়ে কঠিন শাস্তি হবে ঐসব লোকের যারা এ সব ছবি অঙ্কণ করে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬৬)
আয়িশা (রাঃ থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট আসলেন। তখন ঘরে একখান পর্দা ঝুলানো ছিল। যাতে ছবি ছিল। তা দেখে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর চেহারার রং পরিবর্তিত হয়ে গেল। এরপর তিনি পর্দাখানা হাতে নিয়ে ছিঁড়ে ফেললেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকেদের মধ্যে বললেনঃ কিয়ামাতের দিন সবচেয়ে কঠিন শাস্তি হবে ঐসব লোকের যারা এ সব ছবি অঙ্কণ করে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬৬)
حدثنا يسرة بن صفوان، حدثنا إبراهيم، عن الزهري، عن القاسم، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت دخل على النبي صلى الله عليه وسلم وفي البيت قرام فيه صور، فتلون وجهه، ثم تناول الستر فهتكه، وقالت قال النبي صلى الله عليه وسلم" من أشد الناس عذابا يوم القيامة الذين يصورون هذه الصور ".
সহিহ বুখারী ৬১১০
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن إسماعيل بن أبي خالد، حدثنا قيس بن أبي حازم، عن أبي مسعود ـ رضى الله عنه ـ قال أتى رجل النبي صلى الله عليه وسلم فقال إني لأتأخر عن صلاة الغداة من أجل فلان مما يطيل بنا قال فما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم قط أشد غضبا في موعظة منه يومئذ قال فقال " يا أيها الناس إن منكم منفرين، فأيكم ما صلى بالناس فليتجوز، فإن فيهم المريض والكبير وذا الحاجة ".
আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললেনঃ অমুক ব্যক্তি সলাত দীর্ঘ করে। যে কারণে আমি ফাজ্রের সলাত থেকে পিছনে থাকি। বর্ণনাকারী বলেনঃ আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে কোন ওয়াজের মধ্যে সেদিনের চেয়ে অধিক রাগান্বিত হতে দেখিনি। রাবী বলেন, এরপর তিনি বললেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ ঘৃণা সৃষ্টিকারী আছে। সুতরাং তোমাদের যে কেউ লোকেদের নিয়ে সলাত আদায় করে, সে যেন সংক্ষেপ করে। কারণ তাদের মধ্যে রোগী, বৃদ্ধ এবং কাজের লোক থাকে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬৭)
আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললেনঃ অমুক ব্যক্তি সলাত দীর্ঘ করে। যে কারণে আমি ফাজ্রের সলাত থেকে পিছনে থাকি। বর্ণনাকারী বলেনঃ আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে কোন ওয়াজের মধ্যে সেদিনের চেয়ে অধিক রাগান্বিত হতে দেখিনি। রাবী বলেন, এরপর তিনি বললেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ ঘৃণা সৃষ্টিকারী আছে। সুতরাং তোমাদের যে কেউ লোকেদের নিয়ে সলাত আদায় করে, সে যেন সংক্ষেপ করে। কারণ তাদের মধ্যে রোগী, বৃদ্ধ এবং কাজের লোক থাকে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬৭)
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن إسماعيل بن أبي خالد، حدثنا قيس بن أبي حازم، عن أبي مسعود ـ رضى الله عنه ـ قال أتى رجل النبي صلى الله عليه وسلم فقال إني لأتأخر عن صلاة الغداة من أجل فلان مما يطيل بنا قال فما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم قط أشد غضبا في موعظة منه يومئذ قال فقال " يا أيها الناس إن منكم منفرين، فأيكم ما صلى بالناس فليتجوز، فإن فيهم المريض والكبير وذا الحاجة ".
সহিহ বুখারী ৬১১১
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا جويرية، عن نافع، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ قال بينا النبي صلى الله عليه وسلم يصلي رأى في قبلة المسجد نخامة، فحكها بيده، فتغيظ ثم قال " إن أحدكم إذا كان في الصلاة فإن الله حيال وجهه، فلا يتنخمن حيال وجهه في الصلاة ".
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায় করলেন। তখন তিনি মাসজিদের কিব্লার দিকে নাকের শ্লেষ্মা দেখতে পান। এরপর তিনি তা নিজ হাতে খুঁচিয়ে সাফ করলেন এবং রাগান্বিত হয়ে বললেনঃ তোমাদের কেউ যতক্ষণ সলাতে থাকে, ততক্ষণ আল্লাহ তার চেহারার সম্মুখে থাকেন। কাজেই সলাতরত অবস্থায় কখনো সামনের দিকে নাকের শ্লেষ্মা ফেলবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬৮)
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায় করলেন। তখন তিনি মাসজিদের কিব্লার দিকে নাকের শ্লেষ্মা দেখতে পান। এরপর তিনি তা নিজ হাতে খুঁচিয়ে সাফ করলেন এবং রাগান্বিত হয়ে বললেনঃ তোমাদের কেউ যতক্ষণ সলাতে থাকে, ততক্ষণ আল্লাহ তার চেহারার সম্মুখে থাকেন। কাজেই সলাতরত অবস্থায় কখনো সামনের দিকে নাকের শ্লেষ্মা ফেলবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬৮)
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا جويرية، عن نافع، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ قال بينا النبي صلى الله عليه وسلم يصلي رأى في قبلة المسجد نخامة، فحكها بيده، فتغيظ ثم قال " إن أحدكم إذا كان في الصلاة فإن الله حيال وجهه، فلا يتنخمن حيال وجهه في الصلاة ".
সহিহ বুখারী ৬১১২
حدثنا محمد، حدثنا إسماعيل بن جعفر، أخبرنا ربيعة بن أبي عبد الرحمن، عن يزيد، مولى المنبعث عن زيد بن خالد الجهني، أن رجلا، سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن اللقطة فقال " عرفها سنة، ثم اعرف وكاءها وعفاصها، ثم استنفق بها، فإن جاء ربها فأدها إليه ". قال يا رسول الله فضالة الغنم قال " خذها، فإنما هي لك، أو لأخيك، أو للذئب ". قال يا رسول الله فضالة الإبل قال فغضب رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى احمرت وجنتاه ـ أو احمر وجهه ـ ثم قال " مالك ولها، معها حذاؤها وسقاؤها، حتى يلقاها ربها ".
যায়দ ইবনু খালিদ জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে পথে পড়ে থাকা বস্তু সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। তিনি বললেনঃ তুমি তা এক বছর পর্যন্ত প্রচার করতে থাকো, তারপর তার বাঁধন থলে চিনে রাখ। তারপর তা তুমি ব্যয় কর। এরপর যদি এর মালিক এসে যায়, তবে তুমি তাকে ফিরিয়ে দাও। লোকটি আবার জিজ্ঞেস করলঃ হে আল্লাহ্র রসূল! হারিয়ে যাওয়া ছাগলের কী হুকুম? তিনি বললেনঃ সেটা তুমি নিয়ে যাও। কারণ এটা হয়ত তোমার জন্য অথবা তোমার কোন ভাই এর অথবা চিতা বাঘের। লোকটি আবার জিজ্ঞেস করলঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আর হারানো উটের কী হুকুম? তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাগান্বিত হলেন। এমন কি তাঁর গাল দু’টি লাল হয়ে গেল। তিনি বললেনঃ তাতে তোমার কী? তার সাথেই তার পা ও পানি রয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত সেটি তার মালিকের নাগাল পেয়ে যাবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬৯)
যায়দ ইবনু খালিদ জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে পথে পড়ে থাকা বস্তু সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। তিনি বললেনঃ তুমি তা এক বছর পর্যন্ত প্রচার করতে থাকো, তারপর তার বাঁধন থলে চিনে রাখ। তারপর তা তুমি ব্যয় কর। এরপর যদি এর মালিক এসে যায়, তবে তুমি তাকে ফিরিয়ে দাও। লোকটি আবার জিজ্ঞেস করলঃ হে আল্লাহ্র রসূল! হারিয়ে যাওয়া ছাগলের কী হুকুম? তিনি বললেনঃ সেটা তুমি নিয়ে যাও। কারণ এটা হয়ত তোমার জন্য অথবা তোমার কোন ভাই এর অথবা চিতা বাঘের। লোকটি আবার জিজ্ঞেস করলঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আর হারানো উটের কী হুকুম? তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাগান্বিত হলেন। এমন কি তাঁর গাল দু’টি লাল হয়ে গেল। তিনি বললেনঃ তাতে তোমার কী? তার সাথেই তার পা ও পানি রয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত সেটি তার মালিকের নাগাল পেয়ে যাবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬৯)
حدثنا محمد، حدثنا إسماعيل بن جعفر، أخبرنا ربيعة بن أبي عبد الرحمن، عن يزيد، مولى المنبعث عن زيد بن خالد الجهني، أن رجلا، سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن اللقطة فقال " عرفها سنة، ثم اعرف وكاءها وعفاصها، ثم استنفق بها، فإن جاء ربها فأدها إليه ". قال يا رسول الله فضالة الغنم قال " خذها، فإنما هي لك، أو لأخيك، أو للذئب ". قال يا رسول الله فضالة الإبل قال فغضب رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى احمرت وجنتاه ـ أو احمر وجهه ـ ثم قال " مالك ولها، معها حذاؤها وسقاؤها، حتى يلقاها ربها ".
সহিহ বুখারী ৬১১৩
وقال المكي حدثنا عبد الله بن سعيد،. وحدثني محمد بن زياد، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا عبد الله بن سعيد، قال حدثني سالم أبو النضر، مولى عمر بن عبيد الله عن بسر بن سعيد، عن زيد بن ثابت ـ رضى الله عنه ـ قال احتجر رسول الله صلى الله عليه وسلم حجيرة مخصفة أو حصيرا، فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي فيها، فتتبع إليه رجال وجاءوا يصلون بصلاته، ثم جاءوا ليلة فحضروا وأبطأ رسول الله صلى الله عليه وسلم عنهم، فلم يخرج إليهم فرفعوا أصواتهم وحصبوا الباب، فخرج إليهم مغضبا فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما زال بكم صنيعكم حتى ظننت أنه سيكتب عليكم، فعليكم بالصلاة في بيوتكم، فإن خير صلاة المرء في بيته، إلا الصلاة المكتوبة ".
যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খেজুরের পাতা দিয়ে, অথবা চাটাই দিয়ে একটি ছোট হুজরা তৈরী করলেন এবং ঘর থেকে বেরিয়ে এসে ঐ হুজরায় (রাতে নফল) সলাত আদায় করতে লাগলেন। তখন একদল লোক তাঁর খোঁজে এসে তাঁর সঙ্গে সলাত আদায় করতে লাগল। পরবর্তী রাতেও লোকজন সেখানে এসে হাযির হল। কিন্তু রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দেরী করলেন এবং তাদের দিকে বেরিয়ে আসলেন না। তারা উচ্চৈঃস্বরে আওয়াজ দিতে লাগল এবং ঘরের দরজায় কংকর নিক্ষেপ করল। তখন তিনি রাগান্বিত হয়ে তাদের কাছে বেরিয়ে এসে বললেনঃ তোমরা যা করছ তাতে আমি ভয় করছি যে, এটি না তোমাদের উপর ফরয করে দেয়া হয়। সুতরাং তোমাদের উচিত যে, তোমরা ঘরেই সলাত আদায় করবে। কারণ ফরয ছাড়া অন্য সলাত নিজ নিজ ঘরে পড়াই উত্তম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭০)
যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খেজুরের পাতা দিয়ে, অথবা চাটাই দিয়ে একটি ছোট হুজরা তৈরী করলেন এবং ঘর থেকে বেরিয়ে এসে ঐ হুজরায় (রাতে নফল) সলাত আদায় করতে লাগলেন। তখন একদল লোক তাঁর খোঁজে এসে তাঁর সঙ্গে সলাত আদায় করতে লাগল। পরবর্তী রাতেও লোকজন সেখানে এসে হাযির হল। কিন্তু রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দেরী করলেন এবং তাদের দিকে বেরিয়ে আসলেন না। তারা উচ্চৈঃস্বরে আওয়াজ দিতে লাগল এবং ঘরের দরজায় কংকর নিক্ষেপ করল। তখন তিনি রাগান্বিত হয়ে তাদের কাছে বেরিয়ে এসে বললেনঃ তোমরা যা করছ তাতে আমি ভয় করছি যে, এটি না তোমাদের উপর ফরয করে দেয়া হয়। সুতরাং তোমাদের উচিত যে, তোমরা ঘরেই সলাত আদায় করবে। কারণ ফরয ছাড়া অন্য সলাত নিজ নিজ ঘরে পড়াই উত্তম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭০)
وقال المكي حدثنا عبد الله بن سعيد،. وحدثني محمد بن زياد، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا عبد الله بن سعيد، قال حدثني سالم أبو النضر، مولى عمر بن عبيد الله عن بسر بن سعيد، عن زيد بن ثابت ـ رضى الله عنه ـ قال احتجر رسول الله صلى الله عليه وسلم حجيرة مخصفة أو حصيرا، فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي فيها، فتتبع إليه رجال وجاءوا يصلون بصلاته، ثم جاءوا ليلة فحضروا وأبطأ رسول الله صلى الله عليه وسلم عنهم، فلم يخرج إليهم فرفعوا أصواتهم وحصبوا الباب، فخرج إليهم مغضبا فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما زال بكم صنيعكم حتى ظننت أنه سيكتب عليكم، فعليكم بالصلاة في بيوتكم، فإن خير صلاة المرء في بيته، إلا الصلاة المكتوبة ".
সহিহ বুখারী > ক্রোধ থেকে বেঁচে থাকা।
সহিহ বুখারী ৬১১৪
حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ليس الشديد بالصرعة، إنما الشديد الذي يملك نفسه عند الغضب ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রকৃত বীর সে নয়, যে কাউকে কুস্তিতে হারিয়ে দেয়। বরং সেই আসল বীর, যে রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে।[মুসলিম৪৫/৩০, হাঃ ২৬০৯, আহমাদ ৭২২৩] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭১)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রকৃত বীর সে নয়, যে কাউকে কুস্তিতে হারিয়ে দেয়। বরং সেই আসল বীর, যে রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে।[মুসলিম৪৫/৩০, হাঃ ২৬০৯, আহমাদ ৭২২৩] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭১)
حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ليس الشديد بالصرعة، إنما الشديد الذي يملك نفسه عند الغضب ".
সহিহ বুখারী ৬১১৫
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن عدي بن ثابت، حدثنا سليمان بن صرد، قال استب رجلان عند النبي صلى الله عليه وسلم ونحن عنده جلوس، وأحدهما يسب صاحبه مغضبا قد احمر وجهه فقال النبي صلى الله عليه وسلم" إني لأعلم كلمة لو قالها لذهب عنه ما يجد لو قال أعوذ بالله من الشيطان الرجيم ". فقالوا للرجل ألا تسمع ما يقول النبي صلى الله عليه وسلم قال إني لست بمجنون.
সুলাইমান ইবনু সুরদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সম্মুখেই দু’ব্যক্তি গালাগালি করছিল। আমরাও তাঁর কাছেই উপবিষ্ট ছিলাম, তাদের একজন অপর জনকে এত রেগে গিয়ে গালি দিচ্ছিল যে, তার চেহারা রক্তিম হয়ে গিয়েছিল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি একটি কালিমা জানি, যদি এ লোকটি তা পড়তো, তবে তার রাগ দূর হয়ে যেত। অর্থাৎ যদি লোকটি ‘আউযু বিল্লাহি মিনাশ্শাইত্বনির রাজীম’ পড়তো। তখন লোকেরা সে ব্যক্তিকে বলল, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কী বলেছেন, তা কি তুমি শুনছো না? সে বললঃ আমি নিশ্চয়ই পাগল নই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭২)
সুলাইমান ইবনু সুরদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সম্মুখেই দু’ব্যক্তি গালাগালি করছিল। আমরাও তাঁর কাছেই উপবিষ্ট ছিলাম, তাদের একজন অপর জনকে এত রেগে গিয়ে গালি দিচ্ছিল যে, তার চেহারা রক্তিম হয়ে গিয়েছিল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি একটি কালিমা জানি, যদি এ লোকটি তা পড়তো, তবে তার রাগ দূর হয়ে যেত। অর্থাৎ যদি লোকটি ‘আউযু বিল্লাহি মিনাশ্শাইত্বনির রাজীম’ পড়তো। তখন লোকেরা সে ব্যক্তিকে বলল, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কী বলেছেন, তা কি তুমি শুনছো না? সে বললঃ আমি নিশ্চয়ই পাগল নই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭২)
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن عدي بن ثابت، حدثنا سليمان بن صرد، قال استب رجلان عند النبي صلى الله عليه وسلم ونحن عنده جلوس، وأحدهما يسب صاحبه مغضبا قد احمر وجهه فقال النبي صلى الله عليه وسلم" إني لأعلم كلمة لو قالها لذهب عنه ما يجد لو قال أعوذ بالله من الشيطان الرجيم ". فقالوا للرجل ألا تسمع ما يقول النبي صلى الله عليه وسلم قال إني لست بمجنون.
সহিহ বুখারী ৬১১৬
حدثني يحيى بن يوسف، أخبرنا أبو بكر ـ هو ابن عياش ـ عن أبي حصين، عن أبي صالح، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن رجلا، قال للنبي صلى الله عليه وسلم أوصني. قال " لا تغضب ". فردد مرارا، قال " لا تغضب ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট বললঃ আপনি আমাকে অসিয়ত করুন। তিনি বললেনঃ তুমি রাগ করো না।। লোকটি কয়েকবার তা বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রত্যেক বারেই বললেনঃ রাগ করো না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৩)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট বললঃ আপনি আমাকে অসিয়ত করুন। তিনি বললেনঃ তুমি রাগ করো না।। লোকটি কয়েকবার তা বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রত্যেক বারেই বললেনঃ রাগ করো না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৩)
حدثني يحيى بن يوسف، أخبرنا أبو بكر ـ هو ابن عياش ـ عن أبي حصين، عن أبي صالح، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن رجلا، قال للنبي صلى الله عليه وسلم أوصني. قال " لا تغضب ". فردد مرارا، قال " لا تغضب ".
সহিহ বুখারী > লজ্জাশীলতা
সহিহ বুখারী ৬১১৯
حدثنا علي بن الجعد، أخبرنا شعبة، عن قتادة، عن مولى، أنس ـ قال أبو عبد الله اسمه عبد الله بن أبي عتبة ـ سمعت أبا سعيد، يقول كان النبي صلى الله عليه وسلم أشد حياء من العذراء في خدرها.
আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজ গৃহে অবস্থানকারিনী কুমারী মেয়ের চেয়েও অধিক লজ্জাশীল ছিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৬)
আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজ গৃহে অবস্থানকারিনী কুমারী মেয়ের চেয়েও অধিক লজ্জাশীল ছিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৬)
حدثنا علي بن الجعد، أخبرنا شعبة، عن قتادة، عن مولى، أنس ـ قال أبو عبد الله اسمه عبد الله بن أبي عتبة ـ سمعت أبا سعيد، يقول كان النبي صلى الله عليه وسلم أشد حياء من العذراء في خدرها.
সহিহ বুখারী ৬১১৭
حدثنا آدم، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن أبي السوار العدوي، قال سمعت عمران بن حصين، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " الحياء لا يأتي إلا بخير ". فقال بشير بن كعب مكتوب في الحكمة إن من الحياء وقارا، وإن من الحياء سكينة. فقال له عمران أحدثك عن رسول الله صلى الله عليه وسلم وتحدثني عن صحيفتك.
ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলছেনঃ লজ্জাশীলতা কল্যাণ ছাড়া কোন কিছুই নিয়ে আনে না। তখন বুশায়র ইবনু কা’ব (রাঃ) বললেনঃ হিকমাতের পুস্তকে লিখা আছে যে, কোন্ কোন্ লজ্জাশীলতা ধৈর্যশীলতা বয়ে আনে। আর কোন্ কোন্ লজ্জাশীলতা এনে দেয় শান্তি ও সুখ। তখন ‘ইমরান (রাঃ) বললেনঃ আমি তোমার কাছে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করছি। আর তুমি কিনা (তার স্থলে) আমাকে তোমার পুস্তিকা থেকে বর্ণনা করছ।(মুসলিম১/১২, হাঃ ৩৭, আহমাদ ২০০১৯] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৪)
ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলছেনঃ লজ্জাশীলতা কল্যাণ ছাড়া কোন কিছুই নিয়ে আনে না। তখন বুশায়র ইবনু কা’ব (রাঃ) বললেনঃ হিকমাতের পুস্তকে লিখা আছে যে, কোন্ কোন্ লজ্জাশীলতা ধৈর্যশীলতা বয়ে আনে। আর কোন্ কোন্ লজ্জাশীলতা এনে দেয় শান্তি ও সুখ। তখন ‘ইমরান (রাঃ) বললেনঃ আমি তোমার কাছে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করছি। আর তুমি কিনা (তার স্থলে) আমাকে তোমার পুস্তিকা থেকে বর্ণনা করছ।(মুসলিম১/১২, হাঃ ৩৭, আহমাদ ২০০১৯] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৪)
حدثنا آدم، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن أبي السوار العدوي، قال سمعت عمران بن حصين، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " الحياء لا يأتي إلا بخير ". فقال بشير بن كعب مكتوب في الحكمة إن من الحياء وقارا، وإن من الحياء سكينة. فقال له عمران أحدثك عن رسول الله صلى الله عليه وسلم وتحدثني عن صحيفتك.
সহিহ বুখারী ৬১১৮
حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا عبد العزيز بن أبي سلمة، حدثنا ابن شهاب، عن سالم، عن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما مر النبي صلى الله عليه وسلم على رجل وهو يعاتب في الحياء يقول إنك لتستحيي. حتى كأنه يقول قد أضر بك. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم" دعه فإن الحياء من الإيمان ".
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তির পার্শ্ব দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় লোকটি (তার ভাইকে) লজ্জা সম্পর্কে ভর্ৎসনা করছিল এবং বলছিল যে, তুমি অধিক লজ্জা করছ, এমনকি সে যেন এ কথাও বলছিল যে, এটা তোমাকে ক্ষতির সম্মুখীন করেছে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাকে তার অবস্থার উপর ছেড়ে দাও। কারণ নিশ্চয়ই লজ্জা হল ঈমানের অঙ্গ।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৫)
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তির পার্শ্ব দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় লোকটি (তার ভাইকে) লজ্জা সম্পর্কে ভর্ৎসনা করছিল এবং বলছিল যে, তুমি অধিক লজ্জা করছ, এমনকি সে যেন এ কথাও বলছিল যে, এটা তোমাকে ক্ষতির সম্মুখীন করেছে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাকে তার অবস্থার উপর ছেড়ে দাও। কারণ নিশ্চয়ই লজ্জা হল ঈমানের অঙ্গ।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৫)
حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا عبد العزيز بن أبي سلمة، حدثنا ابن شهاب، عن سالم، عن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما مر النبي صلى الله عليه وسلم على رجل وهو يعاتب في الحياء يقول إنك لتستحيي. حتى كأنه يقول قد أضر بك. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم" دعه فإن الحياء من الإيمان ".