সহিহ বুখারী > ভ্রাতৃত্বের ও প্রতিশ্রুতির বন্ধন স্থাপন।

সহিহ বুখারী ৬০৮২

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن حميد، عن أنس، قال لما قدم علينا عبد الرحمن فآخى النبي صلى الله عليه وسلم بينه وبين سعد بن الربيع فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أولم ولو بشاة ‏"‏‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) আমাদের নিকট আসলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ও সা’দ ইবনু রাবী -এর মধ্যে ভ্রাতৃ বন্ধন জুড়ে দেন। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বিয়ের পর তাঁকে বললেনঃ তুমি ‘ওয়ালিমা’ করো, কমপক্ষে একটি ছাগল দিয়ে হলেও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৪০)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) আমাদের নিকট আসলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ও সা’দ ইবনু রাবী -এর মধ্যে ভ্রাতৃ বন্ধন জুড়ে দেন। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বিয়ের পর তাঁকে বললেনঃ তুমি ‘ওয়ালিমা’ করো, কমপক্ষে একটি ছাগল দিয়ে হলেও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৪০)

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن حميد، عن أنس، قال لما قدم علينا عبد الرحمن فآخى النبي صلى الله عليه وسلم بينه وبين سعد بن الربيع فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أولم ولو بشاة ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬০৮৩

حدثنا محمد بن صباح، حدثنا إسماعيل بن زكرياء، حدثنا عاصم، قال قلت لأنس بن مالك أبلغك أن النبي صلى الله عليه وسلم قال"‏ لا حلف في الإسلام ‏"‏‏.‏ فقال قد حالف النبي صلى الله عليه وسلم بين قريش والأنصار في داري‏.‏

আসিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) -কে জিজ্ঞেস করলাম আপনি জানেন কি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইসলামে প্রতিশ্রুতি নেই? তিনি বললেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তো আমার ঘরেই কুরায়শ আর আনসারদের মাঝে পারস্পরিক প্রতিশ্রুতির বন্ধন জুড়ে দেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৪১)

আসিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) -কে জিজ্ঞেস করলাম আপনি জানেন কি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইসলামে প্রতিশ্রুতি নেই? তিনি বললেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তো আমার ঘরেই কুরায়শ আর আনসারদের মাঝে পারস্পরিক প্রতিশ্রুতির বন্ধন জুড়ে দেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৪১)

حدثنا محمد بن صباح، حدثنا إسماعيل بن زكرياء، حدثنا عاصم، قال قلت لأنس بن مالك أبلغك أن النبي صلى الله عليه وسلم قال"‏ لا حلف في الإسلام ‏"‏‏.‏ فقال قد حالف النبي صلى الله عليه وسلم بين قريش والأنصار في داري‏.‏


সহিহ বুখারী > মুচ্‌কি হাসি ও হাসি প্রসঙ্গে

সহিহ বুখারী ৬০৮৯

حدثنا ابن نمير، حدثنا ابن إدريس، عن إسماعيل، عن قيس، عن جرير، قال ما حجبني النبي صلى الله عليه وسلم منذ أسلمت، ولا رآني إلا تبسم في وجهي‏.

জারীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি ইসলাম গ্রহণ করার পর থেকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তাঁর কাছে যেকে বাধা দেননি। তিনি আমাকে দেখলেই আমার সামনে মুচকি হাসতেন।

জারীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি ইসলাম গ্রহণ করার পর থেকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তাঁর কাছে যেকে বাধা দেননি। তিনি আমাকে দেখলেই আমার সামনে মুচকি হাসতেন।

حدثنا ابن نمير، حدثنا ابن إدريس، عن إسماعيل، عن قيس، عن جرير، قال ما حجبني النبي صلى الله عليه وسلم منذ أسلمت، ولا رآني إلا تبسم في وجهي‏.


সহিহ বুখারী ৬০৮৬

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا سفيان، عن عمرو، عن أبي العباس، عن عبد الله بن عمرو، قال لما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم بالطائف قال ‏"‏ إنا قافلون غدا إن شاء الله ‏"‏‏.‏ فقال ناس من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم لا نبرح أو نفتحها‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فاغدوا على القتال ‏"‏‏.‏ قال فغدوا فقاتلوهم قتالا شديدا وكثر فيهم الجراحات فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إنا قافلون غدا إن شاء الله ‏"‏‏.‏ قال فسكتوا فضحك رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏ قال الحميدي حدثنا سفيان بالخبر‏ كله.‏

কুতাইবাহ ইবনু সা’ঈদ (রহঃ) ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তায়েফে (অবরোধ করে) ছিলেন, তখন একদিন তিনি বললেনঃ ইন্‌শাআল্লাহ আগামীকাল আমরা ফিরে যাব। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কয়েকজন সহাবী বললেনঃ আমরা তায়েফ জয় নয়া করা পর্যন্ত এ স্থান ত্যাগ করবো না। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তবে সকাল হলেই তোমরা যুদ্ধে নেমে পড়বে। রাবী বলেনঃ তাঁরা ভোর থেকেই তাদের সাথে ভয়ানক যুদ্ধ শুরু করলেন। এতে তাদের বহুলোক আহত হয়ে গেলেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ইনশাআল্লাহ আমরা আগামীকাল ফিরে চলে যাবো এবং তাঁরা সবাই নিশ্চুপ থাকলেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হেসে দিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৪৪)

কুতাইবাহ ইবনু সা’ঈদ (রহঃ) ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তায়েফে (অবরোধ করে) ছিলেন, তখন একদিন তিনি বললেনঃ ইন্‌শাআল্লাহ আগামীকাল আমরা ফিরে যাব। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কয়েকজন সহাবী বললেনঃ আমরা তায়েফ জয় নয়া করা পর্যন্ত এ স্থান ত্যাগ করবো না। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তবে সকাল হলেই তোমরা যুদ্ধে নেমে পড়বে। রাবী বলেনঃ তাঁরা ভোর থেকেই তাদের সাথে ভয়ানক যুদ্ধ শুরু করলেন। এতে তাদের বহুলোক আহত হয়ে গেলেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ইনশাআল্লাহ আমরা আগামীকাল ফিরে চলে যাবো এবং তাঁরা সবাই নিশ্চুপ থাকলেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হেসে দিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৪৪)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا سفيان، عن عمرو، عن أبي العباس، عن عبد الله بن عمرو، قال لما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم بالطائف قال ‏"‏ إنا قافلون غدا إن شاء الله ‏"‏‏.‏ فقال ناس من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم لا نبرح أو نفتحها‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فاغدوا على القتال ‏"‏‏.‏ قال فغدوا فقاتلوهم قتالا شديدا وكثر فيهم الجراحات فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إنا قافلون غدا إن شاء الله ‏"‏‏.‏ قال فسكتوا فضحك رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏ قال الحميدي حدثنا سفيان بالخبر‏ كله.‏


সহিহ বুখারী ৬০৮৮

حدثنا عبد العزيز بن عبد الله الأويسي، حدثنا مالك، عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، عن أنس بن مالك، قال كنت أمشي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وعليه برد نجراني غليظ الحاشية، فأدركه أعرابي فجبذ بردائه جبذة شديدة ـ قال أنس فنظرت إلى صفحة عاتق النبي صلى الله عليه وسلم وقد أثرت بها حاشية الرداء من شدة جبذته ـ ثم قال يا محمد مر لي من مال الله الذي عندك‏.‏ فالتفت إليه فضحك، ثم أمر له بعطاء‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ একবার আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে হাঁটছিলাম। তখন তাঁর গায়ে একখানা গাঢ় পাড়যুক্ত নাজরানী চাদর ছিল। এক বেদুঈন তাঁকে পেয়ে চাদরখানা ধরে খুব জোরে টান দিল। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাঁধের উপর তাকিয়ে দেখলাম যে, জোরে চাদরখানা টানার কারণে তাঁর কাঁধে চাদরের পাড়ের দাগ বসে গেছে। তারপর বেদুঈন বললঃ হে মুহাম্মাদ! তোমার কাছে আল্লাহ্‌র দেয়া যে সম্পদ আছে, তাত্থেকে আমাকে দেয়ার আদেশ কর। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার দিকে তাকিয়ে হেসে দিলেন এবং তাকে কিছু দান করার আদেশ করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৪৬)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ একবার আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে হাঁটছিলাম। তখন তাঁর গায়ে একখানা গাঢ় পাড়যুক্ত নাজরানী চাদর ছিল। এক বেদুঈন তাঁকে পেয়ে চাদরখানা ধরে খুব জোরে টান দিল। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাঁধের উপর তাকিয়ে দেখলাম যে, জোরে চাদরখানা টানার কারণে তাঁর কাঁধে চাদরের পাড়ের দাগ বসে গেছে। তারপর বেদুঈন বললঃ হে মুহাম্মাদ! তোমার কাছে আল্লাহ্‌র দেয়া যে সম্পদ আছে, তাত্থেকে আমাকে দেয়ার আদেশ কর। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার দিকে তাকিয়ে হেসে দিলেন এবং তাকে কিছু দান করার আদেশ করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৪৬)

حدثنا عبد العزيز بن عبد الله الأويسي، حدثنا مالك، عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، عن أنس بن مالك، قال كنت أمشي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وعليه برد نجراني غليظ الحاشية، فأدركه أعرابي فجبذ بردائه جبذة شديدة ـ قال أنس فنظرت إلى صفحة عاتق النبي صلى الله عليه وسلم وقد أثرت بها حاشية الرداء من شدة جبذته ـ ثم قال يا محمد مر لي من مال الله الذي عندك‏.‏ فالتفت إليه فضحك، ثم أمر له بعطاء‏.‏


সহিহ বুখারী ৬০৮৪

حدثنا حبان بن موسى، أخبرنا عبد الله، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ أن رفاعة، القرظي طلق امرأته فبت طلاقها، فتزوجها بعده عبد الرحمن بن الزبير، فجاءت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله إنها كانت عند رفاعة فطلقها آخر ثلاث تطليقات، فتزوجها بعده عبد الرحمن بن الزبير، وإنه والله ما معه يا رسول الله إلا مثل هذه الهدبة، لهدبة أخذتها من جلبابها‏.‏ قال وأبو بكر جالس عند النبي صلى الله عليه وسلم وابن سعيد بن العاص جالس بباب الحجرة ليؤذن له، فطفق خالد ينادي أبا بكر، يا أبا بكر ألا تزجر هذه عما تجهر به عند رسول الله صلى الله عليه وسلم وما يزيد رسول الله صلى الله عليه وسلم على التبسم ثم قال ‏ "‏ لعلك تريدين أن ترجعي إلى رفاعة، لا، حتى تذوقي عسيلته، ويذوق عسيلتك ‏"‏‏.‏

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, রিফাআ’ কুরাযী (রাঃ) তার স্ত্রীকে ত্বলাক দেন এবং অকাট্য ত্বলাক দেন। এরপর ‘আরদুর রহমান ইবনু যুবায়র তাকে বিয়ে করেন। পরে তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এসে বলেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! তিনি রিফাআ’র কাছে ছিলেন এবং রিফাআ’ তাকে শেষ তিন ত্বলাক দেন এবং তাঁকে ‘আবদুর রহমান ইবনু যুবায়র বিয়ে করেন। আল্লাহ্‌র কসম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! এর কাছে তো কেবল এই কাপড়ের মত আছে। (এ কথা বলে) তিনি তার ওড়নার আঁচল ধরে উঠালেন। রাবী বলেনঃ তখন আবূ বকর (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট উপবিষ্ট ছিলেন এবং সা’ঈদ ইবনু আ’সও ভেতরে প্রবেশ করার অনুমতি লাভের জন্য হুজরার দরজার কাছে উপবিষ্ট ছিলেন। তখন সা’দ (রাঃ) আবূ বকর (রাঃ) -কে উচ্চৈঃস্বরে ডেকে বললেনঃ হে আবূ বাক্‌র! আপনি এই স্ত্রী লোকটিকে কেন ধমক দিচ্ছেন না, যে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সামনে (প্রকাশ্যে) এসব কথাবার্তা বলছে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কেবল মুচকি হাসছিলেন। তারপর রসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সম্ভবতঃ তুমি আবার রিফাআ’ (রাঃ) -এর নিকট ফিরে যেতে চাও। তা হবে না। যতক্ষণ না তুমি তার এবং সে তোমার মিলনের আস্বাদ গ্রহন করবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৪২)

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, রিফাআ’ কুরাযী (রাঃ) তার স্ত্রীকে ত্বলাক দেন এবং অকাট্য ত্বলাক দেন। এরপর ‘আরদুর রহমান ইবনু যুবায়র তাকে বিয়ে করেন। পরে তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এসে বলেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! তিনি রিফাআ’র কাছে ছিলেন এবং রিফাআ’ তাকে শেষ তিন ত্বলাক দেন এবং তাঁকে ‘আবদুর রহমান ইবনু যুবায়র বিয়ে করেন। আল্লাহ্‌র কসম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! এর কাছে তো কেবল এই কাপড়ের মত আছে। (এ কথা বলে) তিনি তার ওড়নার আঁচল ধরে উঠালেন। রাবী বলেনঃ তখন আবূ বকর (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট উপবিষ্ট ছিলেন এবং সা’ঈদ ইবনু আ’সও ভেতরে প্রবেশ করার অনুমতি লাভের জন্য হুজরার দরজার কাছে উপবিষ্ট ছিলেন। তখন সা’দ (রাঃ) আবূ বকর (রাঃ) -কে উচ্চৈঃস্বরে ডেকে বললেনঃ হে আবূ বাক্‌র! আপনি এই স্ত্রী লোকটিকে কেন ধমক দিচ্ছেন না, যে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সামনে (প্রকাশ্যে) এসব কথাবার্তা বলছে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কেবল মুচকি হাসছিলেন। তারপর রসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সম্ভবতঃ তুমি আবার রিফাআ’ (রাঃ) -এর নিকট ফিরে যেতে চাও। তা হবে না। যতক্ষণ না তুমি তার এবং সে তোমার মিলনের আস্বাদ গ্রহন করবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৪২)

حدثنا حبان بن موسى، أخبرنا عبد الله، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ أن رفاعة، القرظي طلق امرأته فبت طلاقها، فتزوجها بعده عبد الرحمن بن الزبير، فجاءت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله إنها كانت عند رفاعة فطلقها آخر ثلاث تطليقات، فتزوجها بعده عبد الرحمن بن الزبير، وإنه والله ما معه يا رسول الله إلا مثل هذه الهدبة، لهدبة أخذتها من جلبابها‏.‏ قال وأبو بكر جالس عند النبي صلى الله عليه وسلم وابن سعيد بن العاص جالس بباب الحجرة ليؤذن له، فطفق خالد ينادي أبا بكر، يا أبا بكر ألا تزجر هذه عما تجهر به عند رسول الله صلى الله عليه وسلم وما يزيد رسول الله صلى الله عليه وسلم على التبسم ثم قال ‏ "‏ لعلك تريدين أن ترجعي إلى رفاعة، لا، حتى تذوقي عسيلته، ويذوق عسيلتك ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬০৮৫

حدثنا إسماعيل، حدثنا إبراهيم، عن صالح بن كيسان، عن ابن شهاب، عن عبد الحميد بن عبد الرحمن بن زيد بن الخطاب، عن محمد بن سعد، عن أبيه، قال استأذن عمر بن الخطاب ـ رضى الله عنه ـ على رسول الله صلى الله عليه وسلم وعنده نسوة من قريش يسألنه ويستكثرنه، عالية أصواتهن على صوته، فلما استأذن عمر تبادرن الحجاب، فأذن له النبي صلى الله عليه وسلم فدخل والنبي صلى الله عليه وسلم يضحك فقال أضحك الله سنك يا رسول الله بأبي أنت وأمي فقال ‏"‏ عجبت من هؤلاء اللاتي كن عندي، لما سمعن صوتك تبادرن الحجاب ‏"‏‏.‏ فقال أنت أحق أن يهبن يا رسول الله‏.‏ ثم أقبل عليهن فقال يا عدوات أنفسهن أتهبنني ولم تهبن رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلن إنك أفظ وأغلظ من رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إيه يا ابن الخطاب، والذي نفسي بيده ما لقيك الشيطان سالكا فجا إلا سلك فجا غير فجك ‏"‏‏.‏

ইসমা’ঈল (রহঃ) সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর নিকট (প্রবেশের) অনুমতি চাইলেন। তখন তাঁর নিকট কুরাইশের কয়েকজন মহিলা প্রশ্নাদি করছিলেন এবং তাদের আওয়াজ তাঁর আওয়াজের চেয়ে উচ্চ ছিল। যখন ‘উমার (রাঃ) অনুমিত চাইলেন, তখন তাঁরা জলদি পর্দার আড়ালে চলে গেলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে অনুমতি দেয়ার পর যখন তিনি ভিতরে প্রবেশ করলেন, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাসছিলেন। ‘উমার (রাঃ) বললেনঃ আল্লাহ আপনাকে হাসি মুখে রাখুন; হে আল্লাহ্‌র রসূল! তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমার নিকট যে সব মহিলা ছিলেন, তাদের প্রতি আমি আশ্চর্য হচ্ছি যে, তাঁরা তোমার আওয়াজ শোনা মাত্রই জলদি পর্দার আড়ালে চলে গেলেন। ‘উমার (রাঃ) বললেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! এদের ভয় করার ব্যাপারে আপনার হকই বেশি। এরপর তিনি মহিলাদেরকে লক্ষ্য করে বললেনঃ হে নিজের জানের দুশমনরা! তোমরা কি আমাকে ভয় কর, আর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে ভয় কর না? তাঁরা জবাব দিলেনঃ আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনেক অধিক শক্ত ও কঠোর লোক। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে ইবনু খাত্তাব! সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার জীবন, যখনই শয়তার পথ চললেত চলতে তোমার সামনে আসে, তখনই সে তোমার রাস্তা বাদ দিয়ে অন্য রাস্তা ধরে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৪৩)

ইসমা’ঈল (রহঃ) সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর নিকট (প্রবেশের) অনুমতি চাইলেন। তখন তাঁর নিকট কুরাইশের কয়েকজন মহিলা প্রশ্নাদি করছিলেন এবং তাদের আওয়াজ তাঁর আওয়াজের চেয়ে উচ্চ ছিল। যখন ‘উমার (রাঃ) অনুমিত চাইলেন, তখন তাঁরা জলদি পর্দার আড়ালে চলে গেলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে অনুমতি দেয়ার পর যখন তিনি ভিতরে প্রবেশ করলেন, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাসছিলেন। ‘উমার (রাঃ) বললেনঃ আল্লাহ আপনাকে হাসি মুখে রাখুন; হে আল্লাহ্‌র রসূল! তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমার নিকট যে সব মহিলা ছিলেন, তাদের প্রতি আমি আশ্চর্য হচ্ছি যে, তাঁরা তোমার আওয়াজ শোনা মাত্রই জলদি পর্দার আড়ালে চলে গেলেন। ‘উমার (রাঃ) বললেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! এদের ভয় করার ব্যাপারে আপনার হকই বেশি। এরপর তিনি মহিলাদেরকে লক্ষ্য করে বললেনঃ হে নিজের জানের দুশমনরা! তোমরা কি আমাকে ভয় কর, আর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে ভয় কর না? তাঁরা জবাব দিলেনঃ আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনেক অধিক শক্ত ও কঠোর লোক। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে ইবনু খাত্তাব! সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার জীবন, যখনই শয়তার পথ চললেত চলতে তোমার সামনে আসে, তখনই সে তোমার রাস্তা বাদ দিয়ে অন্য রাস্তা ধরে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৪৩)

حدثنا إسماعيل، حدثنا إبراهيم، عن صالح بن كيسان، عن ابن شهاب، عن عبد الحميد بن عبد الرحمن بن زيد بن الخطاب، عن محمد بن سعد، عن أبيه، قال استأذن عمر بن الخطاب ـ رضى الله عنه ـ على رسول الله صلى الله عليه وسلم وعنده نسوة من قريش يسألنه ويستكثرنه، عالية أصواتهن على صوته، فلما استأذن عمر تبادرن الحجاب، فأذن له النبي صلى الله عليه وسلم فدخل والنبي صلى الله عليه وسلم يضحك فقال أضحك الله سنك يا رسول الله بأبي أنت وأمي فقال ‏"‏ عجبت من هؤلاء اللاتي كن عندي، لما سمعن صوتك تبادرن الحجاب ‏"‏‏.‏ فقال أنت أحق أن يهبن يا رسول الله‏.‏ ثم أقبل عليهن فقال يا عدوات أنفسهن أتهبنني ولم تهبن رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلن إنك أفظ وأغلظ من رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إيه يا ابن الخطاب، والذي نفسي بيده ما لقيك الشيطان سالكا فجا إلا سلك فجا غير فجك ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬০৮৭

حدثنا موسى، حدثنا إبراهيم، أخبرنا ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن، أن أبا هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال أتى رجل النبي صلى الله عليه وسلم فقال هلكت وقعت على أهلي في رمضان‏.‏ قال ‏"‏ أعتق رقبة ‏"‏‏.‏ قال ليس لي‏.‏ قال ‏"‏ فصم شهرين متتابعين ‏"‏‏.‏ قال لا أستطيع‏.‏ قال ‏"‏ فأطعم ستين مسكينا ‏"‏‏.‏ قال لا أجد‏.‏ فأتي بعرق فيه تمر ـ قال إبراهيم العرق المكتل فقال ‏"‏ أين السائل تصدق بها ‏"‏‏.‏ قال على أفقر مني والله ما بين لابتيها أهل بيت أفقر منا‏.‏ فضحك النبي صلى الله عليه وسلم حتى بدت نواجذه‏.‏ قال ‏"‏ فأنتم إذا ‏"‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বললেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললঃ আমি ধ্বংস হয়ে গেছি। আমি রমাযানে (দিনে) আমার স্ত্রীর সাথে যৌন সঙ্গম করে ফেলেছি। তিনি বললেনঃ তুমি একটি গোলাম আযাদ করে দাও। সে বললঃ আমার গোলাম নেই। তিনি বললেনঃ তাহলে এক নাগাড়ে দু’মাস সিয়াম পালন কর। সে বললঃ এতেও আমি অপারগ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তবে ষাটজন মিস্‌কীনকে খাদ্য দাও। সে বললঃ তারও ব্যবস্থা নাই। তখন এক ঝুড়ি খেজুর এল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ প্রশ্নকারী কোথায়? এইটি নিয়ে সদাকাহ করে দাও। লোকটা বললঃ আমার চেয়েও অধিক অভাবগ্রস্ত আবার কে? আল্লাহ্‌র কসম! মাদীনাহ্‌র দু’প্রান্তের মাঝে এমন কোন পরিবার নেই, যে আমাদের থেকে অধিক অভাবগ্রস্ত। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমনভাবে হেসে দিলেন যে, তাঁর চোয়ালের দাঁতগুলো প্রকাশ পেল এবং তিনি বললেনঃ তাহলে এখন এটা তোমরাই খাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৪৫)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বললেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললঃ আমি ধ্বংস হয়ে গেছি। আমি রমাযানে (দিনে) আমার স্ত্রীর সাথে যৌন সঙ্গম করে ফেলেছি। তিনি বললেনঃ তুমি একটি গোলাম আযাদ করে দাও। সে বললঃ আমার গোলাম নেই। তিনি বললেনঃ তাহলে এক নাগাড়ে দু’মাস সিয়াম পালন কর। সে বললঃ এতেও আমি অপারগ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তবে ষাটজন মিস্‌কীনকে খাদ্য দাও। সে বললঃ তারও ব্যবস্থা নাই। তখন এক ঝুড়ি খেজুর এল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ প্রশ্নকারী কোথায়? এইটি নিয়ে সদাকাহ করে দাও। লোকটা বললঃ আমার চেয়েও অধিক অভাবগ্রস্ত আবার কে? আল্লাহ্‌র কসম! মাদীনাহ্‌র দু’প্রান্তের মাঝে এমন কোন পরিবার নেই, যে আমাদের থেকে অধিক অভাবগ্রস্ত। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমনভাবে হেসে দিলেন যে, তাঁর চোয়ালের দাঁতগুলো প্রকাশ পেল এবং তিনি বললেনঃ তাহলে এখন এটা তোমরাই খাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৪৫)

حدثنا موسى، حدثنا إبراهيم، أخبرنا ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن، أن أبا هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال أتى رجل النبي صلى الله عليه وسلم فقال هلكت وقعت على أهلي في رمضان‏.‏ قال ‏"‏ أعتق رقبة ‏"‏‏.‏ قال ليس لي‏.‏ قال ‏"‏ فصم شهرين متتابعين ‏"‏‏.‏ قال لا أستطيع‏.‏ قال ‏"‏ فأطعم ستين مسكينا ‏"‏‏.‏ قال لا أجد‏.‏ فأتي بعرق فيه تمر ـ قال إبراهيم العرق المكتل فقال ‏"‏ أين السائل تصدق بها ‏"‏‏.‏ قال على أفقر مني والله ما بين لابتيها أهل بيت أفقر منا‏.‏ فضحك النبي صلى الله عليه وسلم حتى بدت نواجذه‏.‏ قال ‏"‏ فأنتم إذا ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬০৯০

ولقد شكوت إليه أني لا أثبت على الخيل، فضرب بيده في صدري وقال"‏ اللهم ثبته واجعله هاديا مهديا ‏"‏‏.‏

জারীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদিন আমি অভিযোগ করে বললামঃ আমি ঘোড়ার পিঠে চেপে বসে আঁকড়ে ধরে থাকতে পারি না। তখন তিনি আমার বুকে হাত রেখে দু’আ করলেন। হে আল্লাহ! তাকে দৃঢ়চিত্ত করুন এবং তাকে সঠিক পথের সন্ধানদাতা ও সৎপথপ্রাপ্ত বানিয়ে দিন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৪৭)

জারীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদিন আমি অভিযোগ করে বললামঃ আমি ঘোড়ার পিঠে চেপে বসে আঁকড়ে ধরে থাকতে পারি না। তখন তিনি আমার বুকে হাত রেখে দু’আ করলেন। হে আল্লাহ! তাকে দৃঢ়চিত্ত করুন এবং তাকে সঠিক পথের সন্ধানদাতা ও সৎপথপ্রাপ্ত বানিয়ে দিন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৪৭)

ولقد شكوت إليه أني لا أثبت على الخيل، فضرب بيده في صدري وقال"‏ اللهم ثبته واجعله هاديا مهديا ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬০৯১

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى، عن هشام، قال أخبرني أبي، عن زينب بنت أم سلمة، عن أم سلمة، أن أم سليم، قالت يا رسول الله إن الله لا يستحي من الحق، هل على المرأة غسل إذا احتلمت قال ‏"‏ نعم إذا رأت الماء ‏"‏‏.‏ فضحكت أم سلمة فقالت أتحتلم المرأة فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فبم شبه الولد ‏"‏‏.‏

যাইনাব ইবনু উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত যে, একবার উম্মু সুলায়ম (রাঃ) বললেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আল্লাহ তো সত্য কথা বলতে লজ্জা করেন না। মেয়ে লোকের স্বপ্নদোষ হলে তাদেরও কি গোসল করতে হবে? তিনি বললেনঃ হাঁ। যদি সে পানি (বীর্য) দেখতে পায়। তখন উম্মু সালামাহ (রাঃ) হেসে দিলেন এবং জিজ্ঞেস করলেনঃ মেয়ে লোকেরও কি স্বপ্নদোষ হয়? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তা না হলে সন্তানের সঙ্গে সাদৃশ্য হয় কীভাবে?(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৪৮)

যাইনাব ইবনু উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত যে, একবার উম্মু সুলায়ম (রাঃ) বললেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আল্লাহ তো সত্য কথা বলতে লজ্জা করেন না। মেয়ে লোকের স্বপ্নদোষ হলে তাদেরও কি গোসল করতে হবে? তিনি বললেনঃ হাঁ। যদি সে পানি (বীর্য) দেখতে পায়। তখন উম্মু সালামাহ (রাঃ) হেসে দিলেন এবং জিজ্ঞেস করলেনঃ মেয়ে লোকেরও কি স্বপ্নদোষ হয়? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তা না হলে সন্তানের সঙ্গে সাদৃশ্য হয় কীভাবে?(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৪৮)

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى، عن هشام، قال أخبرني أبي، عن زينب بنت أم سلمة، عن أم سلمة، أن أم سليم، قالت يا رسول الله إن الله لا يستحي من الحق، هل على المرأة غسل إذا احتلمت قال ‏"‏ نعم إذا رأت الماء ‏"‏‏.‏ فضحكت أم سلمة فقالت أتحتلم المرأة فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فبم شبه الولد ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬০৯২

حدثنا يحيى بن سليمان، قال حدثني ابن وهب، أخبرنا عمرو، أن أبا النضر، حدثه عن سليمان بن يسار، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت ما رأيت النبي صلى الله عليه وسلم مستجمعا قط ضاحكا حتى أرى منه لهواته، إنما كان يتبسم‏.‏

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে এমনভাবে হাঁ করে দেখিনি যে, তাঁর আলা জিহ্বা দেখা যেত। তিনি কেবল মুচকি হাসতেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৪৯)

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে এমনভাবে হাঁ করে দেখিনি যে, তাঁর আলা জিহ্বা দেখা যেত। তিনি কেবল মুচকি হাসতেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৪৯)

حدثنا يحيى بن سليمان، قال حدثني ابن وهب، أخبرنا عمرو، أن أبا النضر، حدثه عن سليمان بن يسار، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت ما رأيت النبي صلى الله عليه وسلم مستجمعا قط ضاحكا حتى أرى منه لهواته، إنما كان يتبسم‏.‏


সহিহ বুখারী ৬০৯৩

حدثنا محمد بن محبوب، حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن أنس،‏.‏ وقال لي خليفة حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا سعيد، عن قتادة، عن أنس ـ رضى الله عنه أن رجلا، جاء إلى النبي صلى الله عليه وسلم يوم الجمعة وهو يخطب بالمدينة فقال قحط المطر فاستسق ربك، فنظر إلى السماء وما نرى من سحاب، فاستسقى فنشأ السحاب بعضه إلى بعض، ثم مطروا حتى سالت مثاعب المدينة، فما زالت إلى الجمعة المقبلة ما تقلع، ثم قام ذلك الرجل أو غيره والنبي صلى الله عليه وسلم يخطب فقال غرقنا فادع ربك يحبسها عنا‏.‏ فضحك ثم قال ‏ "‏ اللهم حوالينا ولا علينا ‏"‏‏.‏ مرتين أو ثلاثا‏.‏ فجعل السحاب يتصدع عن المدينة يمينا وشمالا، يمطر ما حوالينا، ولا يمطر منها شىء، يريهم الله كرامة نبيه صلى الله عليه وسلم وإجابة دعوته‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট জুমা’আহ্‌র দিন মদিনায় এল, যখন তিনি খুত্‌বাহ দিচ্ছিলেন। সে বললঃ বৃষ্টি বন্ধ হয়ে গেছে, আপনি বৃষ্টির জন্য আপনার প্রতিপালকের নিকট দু’আ করুন। তখন তিনি আকাশের দিকে তাকালেন তখন আমরা আকাশে কোন মেঘ দেখলাম না। তখন তিনি বৃষ্টির জন্য দু’আ করলেন। এ সময় মেঘ এসে মিলিত হতে লাগলো। তারপর এমন বৃষ্টি হলো যে, মাদীনাহ্‌র খাল-নালাগুলো প্রবাহিত হতে লাগল এবং ক্রমাগত পরবর্তী জুমু’আহ পর্যন্ত বৃষ্টি হতে থাকল, মাঝে আর বিরতি হয়নি। পরবর্তী জুমু’আহ্‌য় যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুত্‌বাহ দিচ্ছিলেন, তখন ঐ ব্যক্তি অথবা অন্য এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল, আমরা তো ডুবে গেছি। আপনি আপনার প্রতিপালকের নিকট দু’আ করুন, যেন তিনি আমাদের উপর থেকে বৃষ্টি বন্ধ করে দেন। তখন তিনি হেসে দিলেন এবং দু’বার অথবা তিনবার দু’আ করলেন। হে আল্লাহ! (বৃষ্টি) আশে-পাশ নিয়ে যান, আমাদের উপর নয়। তখন মেঘপুঞ্জ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়ে মাদীনাহ্‌র আশে-পাশে বর্ষণ করতে লাগল। আমাদের উপর আর বর্ষিত হলো না। এতে আল্লাহ তাঁর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কারামাত ও তাঁর দু’আ কবূল হবার দৃষ্টান্ত প্রদর্শন করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫০)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট জুমা’আহ্‌র দিন মদিনায় এল, যখন তিনি খুত্‌বাহ দিচ্ছিলেন। সে বললঃ বৃষ্টি বন্ধ হয়ে গেছে, আপনি বৃষ্টির জন্য আপনার প্রতিপালকের নিকট দু’আ করুন। তখন তিনি আকাশের দিকে তাকালেন তখন আমরা আকাশে কোন মেঘ দেখলাম না। তখন তিনি বৃষ্টির জন্য দু’আ করলেন। এ সময় মেঘ এসে মিলিত হতে লাগলো। তারপর এমন বৃষ্টি হলো যে, মাদীনাহ্‌র খাল-নালাগুলো প্রবাহিত হতে লাগল এবং ক্রমাগত পরবর্তী জুমু’আহ পর্যন্ত বৃষ্টি হতে থাকল, মাঝে আর বিরতি হয়নি। পরবর্তী জুমু’আহ্‌য় যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুত্‌বাহ দিচ্ছিলেন, তখন ঐ ব্যক্তি অথবা অন্য এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল, আমরা তো ডুবে গেছি। আপনি আপনার প্রতিপালকের নিকট দু’আ করুন, যেন তিনি আমাদের উপর থেকে বৃষ্টি বন্ধ করে দেন। তখন তিনি হেসে দিলেন এবং দু’বার অথবা তিনবার দু’আ করলেন। হে আল্লাহ! (বৃষ্টি) আশে-পাশ নিয়ে যান, আমাদের উপর নয়। তখন মেঘপুঞ্জ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়ে মাদীনাহ্‌র আশে-পাশে বর্ষণ করতে লাগল। আমাদের উপর আর বর্ষিত হলো না। এতে আল্লাহ তাঁর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কারামাত ও তাঁর দু’আ কবূল হবার দৃষ্টান্ত প্রদর্শন করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫০)

حدثنا محمد بن محبوب، حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن أنس،‏.‏ وقال لي خليفة حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا سعيد، عن قتادة، عن أنس ـ رضى الله عنه أن رجلا، جاء إلى النبي صلى الله عليه وسلم يوم الجمعة وهو يخطب بالمدينة فقال قحط المطر فاستسق ربك، فنظر إلى السماء وما نرى من سحاب، فاستسقى فنشأ السحاب بعضه إلى بعض، ثم مطروا حتى سالت مثاعب المدينة، فما زالت إلى الجمعة المقبلة ما تقلع، ثم قام ذلك الرجل أو غيره والنبي صلى الله عليه وسلم يخطب فقال غرقنا فادع ربك يحبسها عنا‏.‏ فضحك ثم قال ‏ "‏ اللهم حوالينا ولا علينا ‏"‏‏.‏ مرتين أو ثلاثا‏.‏ فجعل السحاب يتصدع عن المدينة يمينا وشمالا، يمطر ما حوالينا، ولا يمطر منها شىء، يريهم الله كرامة نبيه صلى الله عليه وسلم وإجابة دعوته‏.‏


সহিহ বুখারী > আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ “ওহে বিশ্বাসীগণ! তোমরা আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং সত্যপন্থীদের অন্তর্ভূক্ত হও”।– (সুরাহ আত্‌-তাওবাহ ৯/১১৯)। মিথ্যা কথা বলা নিষিদ্ধ প্রসঙ্গে।

সহিহ বুখারী ৬০৯৫

حدثنا ابن سلام، حدثنا إسماعيل بن جعفر، عن أبي سهيل، نافع بن مالك بن أبي عامر عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ آية المنافق ثلاث إذا حدث كذب، وإذا وعد أخلف، وإذا اؤتمن خان ‏"‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুনাফিকের চিহ্ন তিনটিঃ যখন সে কথা বলে, তখন মিথ্যা বলে, যখন সে ওয়াদা করে, তখন তা ভঙ্গ করে, আর যখন তার কাছে আমানত রাখা হয় সে তাতে খিয়ানাত করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫২)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুনাফিকের চিহ্ন তিনটিঃ যখন সে কথা বলে, তখন মিথ্যা বলে, যখন সে ওয়াদা করে, তখন তা ভঙ্গ করে, আর যখন তার কাছে আমানত রাখা হয় সে তাতে খিয়ানাত করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫২)

حدثنا ابن سلام، حدثنا إسماعيل بن جعفر، عن أبي سهيل، نافع بن مالك بن أبي عامر عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ آية المنافق ثلاث إذا حدث كذب، وإذا وعد أخلف، وإذا اؤتمن خان ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬০৯৪

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن أبي وائل، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن الصدق يهدي إلى البر، وإن البر يهدي إلى الجنة، وإن الرجل ليصدق حتى يكون صديقا، وإن الكذب يهدي إلى الفجور، وإن الفجور يهدي إلى النار، وإن الرجل ليكذب، حتى يكتب عند الله كذابا ‏"‏‏.‏

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সত্য নেকীর দিকে পরিচালিত করে আর নেকী জান্নাতে পৌঁছায়। আর মানুষ সত্যের উপর কায়িম থেকে অবশেষে সিদ্দীক -এর দরজা লাভ করে। আর মিথ্যা মানুষকে পাপের দিকে নিয়ে যায়, পাপ তাকে জাহান্নামে নিয়ে যায়। আর মানুষ মিথ্যা কথা বলতে বলতে অবশেষে আল্লাহ্‌র কাছে মহামিথ্যাচারী প্রতিপন্ন হয়ে যায়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫১)

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সত্য নেকীর দিকে পরিচালিত করে আর নেকী জান্নাতে পৌঁছায়। আর মানুষ সত্যের উপর কায়িম থেকে অবশেষে সিদ্দীক -এর দরজা লাভ করে। আর মিথ্যা মানুষকে পাপের দিকে নিয়ে যায়, পাপ তাকে জাহান্নামে নিয়ে যায়। আর মানুষ মিথ্যা কথা বলতে বলতে অবশেষে আল্লাহ্‌র কাছে মহামিথ্যাচারী প্রতিপন্ন হয়ে যায়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫১)

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن أبي وائل، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن الصدق يهدي إلى البر، وإن البر يهدي إلى الجنة، وإن الرجل ليصدق حتى يكون صديقا، وإن الكذب يهدي إلى الفجور، وإن الفجور يهدي إلى النار، وإن الرجل ليكذب، حتى يكتب عند الله كذابا ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬০৯৬

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا جرير، حدثنا أبو رجاء، عن سمرة بن جندب ـ رضى الله عنه ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ رأيت رجلين أتياني قالا الذي رأيته يشق شدقه فكذاب يكذب بالكذبة تحمل عنه حتى تبلغ الآفاق فيصنع به إلى يوم القيامة ‏"‏‏.‏

সামুরাহ ইবনু জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি আজ রাতে (স্বপ্নে), দু’জন লোককে দেখলাম। তাঁরা বললঃ আপনি যে লোকটির গাল চিরে ফেলতে দেখলেন, সে বড়ই মিথ্যাচারী, সে এমন মিথ্যা বলত যে, দুনিয়ার সর্বত্র তা ছড়িয়ে দিত। ফলে, ক্বিয়ামত পর্যন্ত তার সাথে এ রকম ব্যবহার চলতে থাকবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৩)

সামুরাহ ইবনু জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি আজ রাতে (স্বপ্নে), দু’জন লোককে দেখলাম। তাঁরা বললঃ আপনি যে লোকটির গাল চিরে ফেলতে দেখলেন, সে বড়ই মিথ্যাচারী, সে এমন মিথ্যা বলত যে, দুনিয়ার সর্বত্র তা ছড়িয়ে দিত। ফলে, ক্বিয়ামত পর্যন্ত তার সাথে এ রকম ব্যবহার চলতে থাকবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৩)

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا جرير، حدثنا أبو رجاء، عن سمرة بن جندب ـ رضى الله عنه ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ رأيت رجلين أتياني قالا الذي رأيته يشق شدقه فكذاب يكذب بالكذبة تحمل عنه حتى تبلغ الآفاق فيصنع به إلى يوم القيامة ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > উত্তম চরিত্র।

সহিহ বুখারী ৬০৯৮

حدثنا أبو الوليد، حدثنا شعبة، عن مخارق، سمعت طارقا، قال قال عبد الله إن أحسن الحديث كتاب الله، وأحسن الهدى هدى محمد صلى الله عليه وسلم‏.‏

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ উত্তম বাণী হল আল্লাহ্‌র কিতাব। আর সবচেয়ে উত্তম পথ প্রদর্শন হলো, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পথ প্রদর্শন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৫)

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ উত্তম বাণী হল আল্লাহ্‌র কিতাব। আর সবচেয়ে উত্তম পথ প্রদর্শন হলো, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পথ প্রদর্শন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৫)

حدثنا أبو الوليد، حدثنا شعبة، عن مخارق، سمعت طارقا، قال قال عبد الله إن أحسن الحديث كتاب الله، وأحسن الهدى هدى محمد صلى الله عليه وسلم‏.‏


সহিহ বুখারী ৬০৯৭

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، قال قلت لأبي أسامة حدثكم الأعمش، سمعت شقيقا، قال سمعت حذيفة، يقول إن أشبه الناس دلا وسمتا وهديا برسول الله صلى الله عليه وسلم لابن أم عبد، من حين يخرج من بيته إلى أن يرجع إليه، لا ندري ما يصنع في أهله إذا خلا‏.‏

হুযাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, মানুষের মধ্যে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে চাল-চলনে, নীতিতে ও চরিত্রে, যার সবচেয়ে অধিক মিল ছিল, তিনি হলেন ইবনু উম্মু আব্‌দ। যখন তিনি নিজ ঘর থেকে বের হন, তখন থেকে ঘরে ফিরে আসা পর্যন্ত এ মিল দেখা যায়। তবে তিনি একা নিজ গৃহে কেমন ব্যবহার করেন, তা আমরা জানি না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৪)

হুযাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, মানুষের মধ্যে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে চাল-চলনে, নীতিতে ও চরিত্রে, যার সবচেয়ে অধিক মিল ছিল, তিনি হলেন ইবনু উম্মু আব্‌দ। যখন তিনি নিজ ঘর থেকে বের হন, তখন থেকে ঘরে ফিরে আসা পর্যন্ত এ মিল দেখা যায়। তবে তিনি একা নিজ গৃহে কেমন ব্যবহার করেন, তা আমরা জানি না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৪)

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، قال قلت لأبي أسامة حدثكم الأعمش، سمعت شقيقا، قال سمعت حذيفة، يقول إن أشبه الناس دلا وسمتا وهديا برسول الله صلى الله عليه وسلم لابن أم عبد، من حين يخرج من بيته إلى أن يرجع إليه، لا ندري ما يصنع في أهله إذا خلا‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00