সহিহ বুখারী > ধৈর্যধারণ ও কষ্ট দেয়া। আল্লাহ্‌র বাণীঃ নিশ্চয়ই ধৈর্যশীলদের অগণিত প্রতিদান দেয়া হবে। (সূরাহ আয্‌-যুমার ৩৯/১০)

সহিহ বুখারী ৬০৯৯

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى بن سعيد، عن سفيان، قال حدثني الأعمش، عن سعيد بن جبير، عن أبي عبد الرحمن السلمي، عن أبي موسى ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ليس أحد ـ أو ليس شىء ـ أصبر على أذى سمعه من الله، إنهم ليدعون له ولدا، وإنه ليعافيهم ويرزقهم ‏"‏‏.‏

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কষ্টদায়ক কথা শোনার পর আল্লাহ তা’আলার চেয়ে বেশি ধৈর্যধারণকারী কেউ বা কোন কিছুই নেই। লোকেরা তাঁর জন্য সন্তান সাব্যস্ত করে, এরপরেও তিনি তাদের বিপদ মুক্ত রাখেন এবং রিয্‌ক দান করেন। [৭৩৭৮; মুসলিম ৫০/৯, হাঃ ২৮০৪, আহমাদ ১৯৫৪৪] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৬)

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কষ্টদায়ক কথা শোনার পর আল্লাহ তা’আলার চেয়ে বেশি ধৈর্যধারণকারী কেউ বা কোন কিছুই নেই। লোকেরা তাঁর জন্য সন্তান সাব্যস্ত করে, এরপরেও তিনি তাদের বিপদ মুক্ত রাখেন এবং রিয্‌ক দান করেন। [৭৩৭৮; মুসলিম ৫০/৯, হাঃ ২৮০৪, আহমাদ ১৯৫৪৪] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৬)

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى بن سعيد، عن سفيان، قال حدثني الأعمش، عن سعيد بن جبير، عن أبي عبد الرحمن السلمي، عن أبي موسى ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ليس أحد ـ أو ليس شىء ـ أصبر على أذى سمعه من الله، إنهم ليدعون له ولدا، وإنه ليعافيهم ويرزقهم ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬১০০

حدثنا عمر بن حفص، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، قال سمعت شقيقا، يقول قال عبد الله قسم النبي صلى الله عليه وسلم قسمة كبعض ما كان يقسم، فقال رجل من الأنصار والله إنها لقسمة ما أريد بها وجه الله‏.‏ قلت أما أنا لأقولن للنبي صلى الله عليه وسلم فأتيته وهو في أصحابه فساررته فشق ذلك على النبي صلى الله عليه وسلم وتغير وجهه وغضب، حتى وددت أني لم أكن أخبرته ثم قال ‏ "‏ قد أوذي موسى بأكثر من ذلك فصبر ‏"‏‏.‏

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গানীমাতের মাল বণ্টন করলেন। তখন এক আনসারী ব্যক্তি বললঃ আল্লাহ্‌র কসম! এ বণ্টনে আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টি কামনা করা হয়নি। তখন আমি বললামঃ জেনে রেখো, আমি নিশ্চয়ই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এ কথা বলব। সুতরাং আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে আসলাম। তখন তিনি তাঁর সাহাবীগণের মধ্যে ছিলেন। এজন্য তাঁর কাছে কথাটা চুপে চুপে বললাম। এ কথাটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে খুবই কষ্টদায়ক ঠেকল, তাঁর চেহারার রং বদলে গেল এবং তিনি এতই রাগান্বিত হলেন যে, আমি ভাবলাম, হায়! যদি আমি তাঁর কাছে এ খবর না দিতাম, তবে কতই না ভাল হত! এরপর তিনি বললেনঃ মূসা (‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে এর চেয়েও অধিক কষ্ট দেয়া হয়েছে। তারপরও তিনি ধৈর্যধারণ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৭)

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গানীমাতের মাল বণ্টন করলেন। তখন এক আনসারী ব্যক্তি বললঃ আল্লাহ্‌র কসম! এ বণ্টনে আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টি কামনা করা হয়নি। তখন আমি বললামঃ জেনে রেখো, আমি নিশ্চয়ই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এ কথা বলব। সুতরাং আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে আসলাম। তখন তিনি তাঁর সাহাবীগণের মধ্যে ছিলেন। এজন্য তাঁর কাছে কথাটা চুপে চুপে বললাম। এ কথাটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে খুবই কষ্টদায়ক ঠেকল, তাঁর চেহারার রং বদলে গেল এবং তিনি এতই রাগান্বিত হলেন যে, আমি ভাবলাম, হায়! যদি আমি তাঁর কাছে এ খবর না দিতাম, তবে কতই না ভাল হত! এরপর তিনি বললেনঃ মূসা (‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে এর চেয়েও অধিক কষ্ট দেয়া হয়েছে। তারপরও তিনি ধৈর্যধারণ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৭)

حدثنا عمر بن حفص، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، قال سمعت شقيقا، يقول قال عبد الله قسم النبي صلى الله عليه وسلم قسمة كبعض ما كان يقسم، فقال رجل من الأنصار والله إنها لقسمة ما أريد بها وجه الله‏.‏ قلت أما أنا لأقولن للنبي صلى الله عليه وسلم فأتيته وهو في أصحابه فساررته فشق ذلك على النبي صلى الله عليه وسلم وتغير وجهه وغضب، حتى وددت أني لم أكن أخبرته ثم قال ‏ "‏ قد أوذي موسى بأكثر من ذلك فصبر ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > কারো মুখোমুখী তিরস্কার না করা প্রসঙ্গে।

সহিহ বুখারী ৬১০২

حدثنا عبدان، أخبرنا عبد الله، أخبرنا شعبة، عن قتادة، سمعت عبد الله ـ هو ابن أبي عتبة مولى أنس ـ عن أبي سعيد الخدري، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم أشد حياء من العذراء في خدرها، فإذا رأى شيئا يكرهه عرفناه في وجهه‏.‏

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ পর্দার অন্তরালের কুমারীদের চেয়েও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অধিক লজ্জাশীল ছিলেন। যখন তিনি তাঁর কাছে অপছন্দনীয় কিছু দেখতেন, তখন আমরা তাঁর চেহারা দেখেই তা বুঝতে পারতাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৯)

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ পর্দার অন্তরালের কুমারীদের চেয়েও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অধিক লজ্জাশীল ছিলেন। যখন তিনি তাঁর কাছে অপছন্দনীয় কিছু দেখতেন, তখন আমরা তাঁর চেহারা দেখেই তা বুঝতে পারতাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৯)

حدثنا عبدان، أخبرنا عبد الله، أخبرنا شعبة، عن قتادة، سمعت عبد الله ـ هو ابن أبي عتبة مولى أنس ـ عن أبي سعيد الخدري، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم أشد حياء من العذراء في خدرها، فإذا رأى شيئا يكرهه عرفناه في وجهه‏.‏


সহিহ বুখারী ৬১০১

حدثنا عمر بن حفص، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، حدثنا مسلم، عن مسروق، قالت عائشة صنع النبي صلى الله عليه وسلم شيئا فرخص فيه فتنزه عنه قوم فبلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم فخطب فحمد الله ثم قال ‏ "‏ ما بال أقوام يتنزهون عن الشىء أصنعه، فوالله إني لأعلمهم بالله وأشدهم له خشية ‏"‏‏.‏

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজে কোন কাজ করলেন এবং অন্যদের সেটা করার অনুমতি দিলেন। তা সত্ত্বেও একদল লোক তাত্থেকে বিরত রইল। এ সংবাদ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে পৌঁছলে তিনি ভাষণ দিলেন এবং আল্লাহ্‌র প্রশংসার পর বললেনঃ কিছু লোকের কী হয়েছে, তারা এমন কাজ থেকে বিরত থাকতে চায়, যা আমি নিজে করছি। আল্লাহ্‌র কসম! আমি আল্লাহ্‌র সম্পর্কে তাদের থেকে বেশি জানি এবং আমি তাদের চেয়ে অনেক অধিক তাঁকে ভয় করি। [৭৩০১; মুসলিম ৪৩/৩৫, হাঃ ২৩৫৬, আহমাদ ২৫৫৩৮] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৮)

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজে কোন কাজ করলেন এবং অন্যদের সেটা করার অনুমতি দিলেন। তা সত্ত্বেও একদল লোক তাত্থেকে বিরত রইল। এ সংবাদ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে পৌঁছলে তিনি ভাষণ দিলেন এবং আল্লাহ্‌র প্রশংসার পর বললেনঃ কিছু লোকের কী হয়েছে, তারা এমন কাজ থেকে বিরত থাকতে চায়, যা আমি নিজে করছি। আল্লাহ্‌র কসম! আমি আল্লাহ্‌র সম্পর্কে তাদের থেকে বেশি জানি এবং আমি তাদের চেয়ে অনেক অধিক তাঁকে ভয় করি। [৭৩০১; মুসলিম ৪৩/৩৫, হাঃ ২৩৫৬, আহমাদ ২৫৫৩৮] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৮)

حدثنا عمر بن حفص، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، حدثنا مسلم، عن مسروق، قالت عائشة صنع النبي صلى الله عليه وسلم شيئا فرخص فيه فتنزه عنه قوم فبلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم فخطب فحمد الله ثم قال ‏ "‏ ما بال أقوام يتنزهون عن الشىء أصنعه، فوالله إني لأعلمهم بالله وأشدهم له خشية ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > কেউ তার মুসলিম ভাইকে অকারণে কাফির বললে সে নিজেই তা যা সে বলেছে।

সহিহ বুখারী ৬১০৩

حدثنا محمد، وأحمد بن سعيد، قالا حدثنا عثمان بن عمر، أخبرنا علي بن المبارك، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا قال الرجل لأخيه يا كافر فقد باء به أحدهما ‏"‏‏.‏ وقال عكرمة بن عمار عن يحيى، عن عبد الله بن يزيد، سمع أبا سلمة، سمع أبا هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন কেউ তার মুসলিম ভাইকে ‘হে কাফির’ বলে ডাকে, তখন তা তাদের দু’জনের কোন একজনের উপর বর্তায়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬০)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন কেউ তার মুসলিম ভাইকে ‘হে কাফির’ বলে ডাকে, তখন তা তাদের দু’জনের কোন একজনের উপর বর্তায়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬০)

حدثنا محمد، وأحمد بن سعيد، قالا حدثنا عثمان بن عمر، أخبرنا علي بن المبارك، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا قال الرجل لأخيه يا كافر فقد باء به أحدهما ‏"‏‏.‏ وقال عكرمة بن عمار عن يحيى، عن عبد الله بن يزيد، سمع أبا سلمة، سمع أبا هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏


সহিহ বুখারী ৬১০৪

حدثنا إسماعيل، قال حدثني مالك، عن عبد الله بن دينار، عن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال"‏ أيما رجل قال لأخيه يا كافر‏.‏ فقد باء بها أحدهما ‏"‏‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ তার ভাইকে কাফির বললে, তাদের দু’জনের একজনের উপর তা বর্তাবে।[মুসলিম১/২৬, হাঃ ৬০, আহমাদ ৫২৫৯] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬১)

আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ তার ভাইকে কাফির বললে, তাদের দু’জনের একজনের উপর তা বর্তাবে।[মুসলিম১/২৬, হাঃ ৬০, আহমাদ ৫২৫৯] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬১)

حدثنا إسماعيل، قال حدثني مالك، عن عبد الله بن دينار، عن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال"‏ أيما رجل قال لأخيه يا كافر‏.‏ فقد باء بها أحدهما ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬১০৫

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا وهيب، حدثنا أيوب، عن أبي قلابة، عن ثابت بن الضحاك، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من حلف بملة غير الإسلام كاذبا فهو كما قال، ومن قتل نفسه بشىء عذب به في نار جهنم، ولعن المؤمن كقتله، ومن رمى مؤمنا بكفر فهو كقتله ‏"‏‏.‏

সাবিত ইবনু যাহ্‌হাক (রাঃ থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে কেউ ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্মের মিথ্যা শপথ করে, সে যা বলে তা-ই হবে। আর যে বস্তু দিয়ে কেউ আত্মহত্যা করবে, জাহান্নামের আগুনে তাকে সেই বন্তু দিয়েই শাস্তি দেয়া হবে। ঈমানদারকে লা’নাত করা, তাকে হত্যা করার সমতুল্য। আর কেউ কোন ঈমানদারকে কুফ্‌রীর অপবাদ দিলে, তাও তাকে হত্যা করার সমতুল্য হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬২)

সাবিত ইবনু যাহ্‌হাক (রাঃ থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে কেউ ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্মের মিথ্যা শপথ করে, সে যা বলে তা-ই হবে। আর যে বস্তু দিয়ে কেউ আত্মহত্যা করবে, জাহান্নামের আগুনে তাকে সেই বন্তু দিয়েই শাস্তি দেয়া হবে। ঈমানদারকে লা’নাত করা, তাকে হত্যা করার সমতুল্য। আর কেউ কোন ঈমানদারকে কুফ্‌রীর অপবাদ দিলে, তাও তাকে হত্যা করার সমতুল্য হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬২)

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا وهيب، حدثنا أيوب، عن أبي قلابة، عن ثابت بن الضحاك، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من حلف بملة غير الإسلام كاذبا فهو كما قال، ومن قتل نفسه بشىء عذب به في نار جهنم، ولعن المؤمن كقتله، ومن رمى مؤمنا بكفر فهو كقتله ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > কেউ যদি কাউকে না জেনে কিংবা নিজ ধারণা অনুযায়ী (কাফির বা মুনাফিক) সম্বোধন করে, তাকে কাফির বলা যাবে না।

সহিহ বুখারী ৬১০৭

حدثني إسحاق، أخبرنا أبو المغيرة، حدثنا الأوزاعي، حدثنا الزهري، عن حميد، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم "‏ من حلف منكم فقال في حلفه باللات والعزى‏.‏ فليقل لا إله إلا الله‏.‏ ومن قال لصاحبه تعال أقامرك، فليتصدق ‏"‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যদি কসম করে এবং লাত্ ও উয্যার কসম করে, তবে সে যেন لاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللهُবলে। আর যদি কেউ তার সঙ্গীকে বলে, এসো আমরা জুয়া খেলি, তবে সে যেন সদাকাহ করে। [৪৮৬০] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬৪)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যদি কসম করে এবং লাত্ ও উয্যার কসম করে, তবে সে যেন لاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللهُবলে। আর যদি কেউ তার সঙ্গীকে বলে, এসো আমরা জুয়া খেলি, তবে সে যেন সদাকাহ করে। [৪৮৬০] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬৪)

حدثني إسحاق، أخبرنا أبو المغيرة، حدثنا الأوزاعي، حدثنا الزهري، عن حميد، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم "‏ من حلف منكم فقال في حلفه باللات والعزى‏.‏ فليقل لا إله إلا الله‏.‏ ومن قال لصاحبه تعال أقامرك، فليتصدق ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬১০৮

حدثنا قتيبة، حدثنا ليث، عن نافع، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما أنه أدرك عمر بن الخطاب في ركب وهو يحلف بأبيه، فناداهم رسول الله صلى الله عليه وسلم"‏ ألا إن الله ينهاكم أن تحلفوا بآبائكم، فمن كان حالفا فليحلف بالله، وإلا فليصمت ‏"‏‏.‏

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্নিত যে, তিনি ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) -কে একদিন আরোহীর মাঝে এমন সময় পেলেন, যখন তিনি তাঁর পিতার নামে শপথ করছিলেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উচ্চৈঃস্বরে তাদের বললেনঃ জেনে রাখ! আল্লাহ তোমাদের নিজের পিতার নামে শপথ করতে নিষেধ করেছেন। যদি কাউকে শপথ করতেই হয়, তবে সে যেন আল্লাহ্‌র নামেই শপথ করে, তা না হলে সে যেন চুপ থাকে। [২৬৭৮; মুসলিম ১/২৭, হাঃ ১৬৪৬, আহমাদ ৬২৯৬] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬৫)

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্নিত যে, তিনি ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) -কে একদিন আরোহীর মাঝে এমন সময় পেলেন, যখন তিনি তাঁর পিতার নামে শপথ করছিলেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উচ্চৈঃস্বরে তাদের বললেনঃ জেনে রাখ! আল্লাহ তোমাদের নিজের পিতার নামে শপথ করতে নিষেধ করেছেন। যদি কাউকে শপথ করতেই হয়, তবে সে যেন আল্লাহ্‌র নামেই শপথ করে, তা না হলে সে যেন চুপ থাকে। [২৬৭৮; মুসলিম ১/২৭, হাঃ ১৬৪৬, আহমাদ ৬২৯৬] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬৫)

حدثنا قتيبة، حدثنا ليث، عن نافع، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما أنه أدرك عمر بن الخطاب في ركب وهو يحلف بأبيه، فناداهم رسول الله صلى الله عليه وسلم"‏ ألا إن الله ينهاكم أن تحلفوا بآبائكم، فمن كان حالفا فليحلف بالله، وإلا فليصمت ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬১০৬

حدثنا محمد بن عبادة، أخبرنا يزيد، أخبرنا سليم، حدثنا عمرو بن دينار، حدثنا جابر بن عبد الله، أن معاذ بن جبل ـ رضى الله عنه ـ كان يصلي مع النبي صلى الله عليه وسلم ثم يأتي قومه فيصلي بهم الصلاة، فقرأ بهم البقرة ـ قال ـ فتجوز رجل فصلى صلاة خفيفة، فبلغ ذلك معاذا فقال إنه منافق‏.‏ فبلغ ذلك الرجل، فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إنا قوم نعمل بأيدينا، ونسقي بنواضحنا، وإن معاذا صلى بنا البارحة، فقرأ البقرة فتجوزت، فزعم أني منافق‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يا معاذ أفتان أنت ـ ثلاثا ـ اقرأ ‏{‏والشمس وضحاها‏}‏ و‏{‏سبح اسم ربك الأعلى‏}‏ ونحوها ‏"‏‏.‏

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মু‘আয ইবনু জাবাল নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে সালাত আদায় করতেন। অতঃপর আবার তিনি নিজ কাওমের নিকট এসে তাদের নিয়ে সালাত আদায় করতেন। একবার তিনি তাদের নিয়ে সালাতে সূরা আল-বাক্বারাহ পড়লেন। তখন এক ব্যক্তি সালাত সংক্ষেপ করতে চাইল। কাজেই সে আলাদা হয়ে) সংক্ষেপে সালাত আদায় করলো। এ খবর মু‘আয -এর কাছ পৌঁছলে তিনি বললেনঃ সে মুনাফিক। লোকটির কাছে এ সংবাদ পৌঁছলে সে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এসে বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমরা এমন এক কাওমের লোক, যারা নিজের হাতে কাজ করি, আর নিজের উট দিয়ে সেচের কাজ করি। মু‘আয গত রাতে সূরা আল-বাকারাহ দিয়ে সালাত আদায় করতে শুরু করলেন, তখন আমি সংক্ষেপে সালাত আদায় করে নিলাম। এতে মু‘আয বললেন যে, আমি মুনাফিক। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে মু‘আয! তুমি কি লোকেদের) দ্বীনের ব্যাপারে অনাগ্রহী করতে চাও? এ কথাটি তিনি তিনবার বললেন। পরে তিনি তাকে বললেনঃ وَالشَّمْسِوَضُحَاهَا)এবং سَبِّحِاسْمَرَبِّكَالأَعْلٰى) তুমি এবং এর মত ছোট সূরা পড়বে। [৭০০] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬৩)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মু‘আয ইবনু জাবাল নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে সালাত আদায় করতেন। অতঃপর আবার তিনি নিজ কাওমের নিকট এসে তাদের নিয়ে সালাত আদায় করতেন। একবার তিনি তাদের নিয়ে সালাতে সূরা আল-বাক্বারাহ পড়লেন। তখন এক ব্যক্তি সালাত সংক্ষেপ করতে চাইল। কাজেই সে আলাদা হয়ে) সংক্ষেপে সালাত আদায় করলো। এ খবর মু‘আয -এর কাছ পৌঁছলে তিনি বললেনঃ সে মুনাফিক। লোকটির কাছে এ সংবাদ পৌঁছলে সে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এসে বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমরা এমন এক কাওমের লোক, যারা নিজের হাতে কাজ করি, আর নিজের উট দিয়ে সেচের কাজ করি। মু‘আয গত রাতে সূরা আল-বাকারাহ দিয়ে সালাত আদায় করতে শুরু করলেন, তখন আমি সংক্ষেপে সালাত আদায় করে নিলাম। এতে মু‘আয বললেন যে, আমি মুনাফিক। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে মু‘আয! তুমি কি লোকেদের) দ্বীনের ব্যাপারে অনাগ্রহী করতে চাও? এ কথাটি তিনি তিনবার বললেন। পরে তিনি তাকে বললেনঃ وَالشَّمْسِوَضُحَاهَا)এবং سَبِّحِاسْمَرَبِّكَالأَعْلٰى) তুমি এবং এর মত ছোট সূরা পড়বে। [৭০০] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬৩)

حدثنا محمد بن عبادة، أخبرنا يزيد، أخبرنا سليم، حدثنا عمرو بن دينار، حدثنا جابر بن عبد الله، أن معاذ بن جبل ـ رضى الله عنه ـ كان يصلي مع النبي صلى الله عليه وسلم ثم يأتي قومه فيصلي بهم الصلاة، فقرأ بهم البقرة ـ قال ـ فتجوز رجل فصلى صلاة خفيفة، فبلغ ذلك معاذا فقال إنه منافق‏.‏ فبلغ ذلك الرجل، فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إنا قوم نعمل بأيدينا، ونسقي بنواضحنا، وإن معاذا صلى بنا البارحة، فقرأ البقرة فتجوزت، فزعم أني منافق‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يا معاذ أفتان أنت ـ ثلاثا ـ اقرأ ‏{‏والشمس وضحاها‏}‏ و‏{‏سبح اسم ربك الأعلى‏}‏ ونحوها ‏"‏‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00