সহিহ বুখারী > উত্তম চরিত্র।
সহিহ বুখারী ৬০৯৮
حدثنا أبو الوليد، حدثنا شعبة، عن مخارق، سمعت طارقا، قال قال عبد الله إن أحسن الحديث كتاب الله، وأحسن الهدى هدى محمد صلى الله عليه وسلم.
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ উত্তম বাণী হল আল্লাহ্র কিতাব। আর সবচেয়ে উত্তম পথ প্রদর্শন হলো, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পথ প্রদর্শন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৫)
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ উত্তম বাণী হল আল্লাহ্র কিতাব। আর সবচেয়ে উত্তম পথ প্রদর্শন হলো, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পথ প্রদর্শন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৫)
حدثنا أبو الوليد، حدثنا شعبة، عن مخارق، سمعت طارقا، قال قال عبد الله إن أحسن الحديث كتاب الله، وأحسن الهدى هدى محمد صلى الله عليه وسلم.
সহিহ বুখারী ৬০৯৭
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، قال قلت لأبي أسامة حدثكم الأعمش، سمعت شقيقا، قال سمعت حذيفة، يقول إن أشبه الناس دلا وسمتا وهديا برسول الله صلى الله عليه وسلم لابن أم عبد، من حين يخرج من بيته إلى أن يرجع إليه، لا ندري ما يصنع في أهله إذا خلا.
হুযাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, মানুষের মধ্যে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে চাল-চলনে, নীতিতে ও চরিত্রে, যার সবচেয়ে অধিক মিল ছিল, তিনি হলেন ইবনু উম্মু আব্দ। যখন তিনি নিজ ঘর থেকে বের হন, তখন থেকে ঘরে ফিরে আসা পর্যন্ত এ মিল দেখা যায়। তবে তিনি একা নিজ গৃহে কেমন ব্যবহার করেন, তা আমরা জানি না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৪)
হুযাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, মানুষের মধ্যে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে চাল-চলনে, নীতিতে ও চরিত্রে, যার সবচেয়ে অধিক মিল ছিল, তিনি হলেন ইবনু উম্মু আব্দ। যখন তিনি নিজ ঘর থেকে বের হন, তখন থেকে ঘরে ফিরে আসা পর্যন্ত এ মিল দেখা যায়। তবে তিনি একা নিজ গৃহে কেমন ব্যবহার করেন, তা আমরা জানি না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৪)
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، قال قلت لأبي أسامة حدثكم الأعمش، سمعت شقيقا، قال سمعت حذيفة، يقول إن أشبه الناس دلا وسمتا وهديا برسول الله صلى الله عليه وسلم لابن أم عبد، من حين يخرج من بيته إلى أن يرجع إليه، لا ندري ما يصنع في أهله إذا خلا.
সহিহ বুখারী > ধৈর্যধারণ ও কষ্ট দেয়া। আল্লাহ্র বাণীঃ নিশ্চয়ই ধৈর্যশীলদের অগণিত প্রতিদান দেয়া হবে। (সূরাহ আয্-যুমার ৩৯/১০)
সহিহ বুখারী ৬০৯৯
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى بن سعيد، عن سفيان، قال حدثني الأعمش، عن سعيد بن جبير، عن أبي عبد الرحمن السلمي، عن أبي موسى ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ليس أحد ـ أو ليس شىء ـ أصبر على أذى سمعه من الله، إنهم ليدعون له ولدا، وإنه ليعافيهم ويرزقهم ".
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কষ্টদায়ক কথা শোনার পর আল্লাহ তা’আলার চেয়ে বেশি ধৈর্যধারণকারী কেউ বা কোন কিছুই নেই। লোকেরা তাঁর জন্য সন্তান সাব্যস্ত করে, এরপরেও তিনি তাদের বিপদ মুক্ত রাখেন এবং রিয্ক দান করেন। [৭৩৭৮; মুসলিম ৫০/৯, হাঃ ২৮০৪, আহমাদ ১৯৫৪৪] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৬)
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কষ্টদায়ক কথা শোনার পর আল্লাহ তা’আলার চেয়ে বেশি ধৈর্যধারণকারী কেউ বা কোন কিছুই নেই। লোকেরা তাঁর জন্য সন্তান সাব্যস্ত করে, এরপরেও তিনি তাদের বিপদ মুক্ত রাখেন এবং রিয্ক দান করেন। [৭৩৭৮; মুসলিম ৫০/৯, হাঃ ২৮০৪, আহমাদ ১৯৫৪৪] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৬)
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى بن سعيد، عن سفيان، قال حدثني الأعمش، عن سعيد بن جبير، عن أبي عبد الرحمن السلمي، عن أبي موسى ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ليس أحد ـ أو ليس شىء ـ أصبر على أذى سمعه من الله، إنهم ليدعون له ولدا، وإنه ليعافيهم ويرزقهم ".
সহিহ বুখারী ৬১০০
حدثنا عمر بن حفص، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، قال سمعت شقيقا، يقول قال عبد الله قسم النبي صلى الله عليه وسلم قسمة كبعض ما كان يقسم، فقال رجل من الأنصار والله إنها لقسمة ما أريد بها وجه الله. قلت أما أنا لأقولن للنبي صلى الله عليه وسلم فأتيته وهو في أصحابه فساررته فشق ذلك على النبي صلى الله عليه وسلم وتغير وجهه وغضب، حتى وددت أني لم أكن أخبرته ثم قال " قد أوذي موسى بأكثر من ذلك فصبر ".
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গানীমাতের মাল বণ্টন করলেন। তখন এক আনসারী ব্যক্তি বললঃ আল্লাহ্র কসম! এ বণ্টনে আল্লাহ্র সন্তুষ্টি কামনা করা হয়নি। তখন আমি বললামঃ জেনে রেখো, আমি নিশ্চয়ই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এ কথা বলব। সুতরাং আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে আসলাম। তখন তিনি তাঁর সাহাবীগণের মধ্যে ছিলেন। এজন্য তাঁর কাছে কথাটা চুপে চুপে বললাম। এ কথাটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে খুবই কষ্টদায়ক ঠেকল, তাঁর চেহারার রং বদলে গেল এবং তিনি এতই রাগান্বিত হলেন যে, আমি ভাবলাম, হায়! যদি আমি তাঁর কাছে এ খবর না দিতাম, তবে কতই না ভাল হত! এরপর তিনি বললেনঃ মূসা (‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে এর চেয়েও অধিক কষ্ট দেয়া হয়েছে। তারপরও তিনি ধৈর্যধারণ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৭)
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গানীমাতের মাল বণ্টন করলেন। তখন এক আনসারী ব্যক্তি বললঃ আল্লাহ্র কসম! এ বণ্টনে আল্লাহ্র সন্তুষ্টি কামনা করা হয়নি। তখন আমি বললামঃ জেনে রেখো, আমি নিশ্চয়ই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এ কথা বলব। সুতরাং আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে আসলাম। তখন তিনি তাঁর সাহাবীগণের মধ্যে ছিলেন। এজন্য তাঁর কাছে কথাটা চুপে চুপে বললাম। এ কথাটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে খুবই কষ্টদায়ক ঠেকল, তাঁর চেহারার রং বদলে গেল এবং তিনি এতই রাগান্বিত হলেন যে, আমি ভাবলাম, হায়! যদি আমি তাঁর কাছে এ খবর না দিতাম, তবে কতই না ভাল হত! এরপর তিনি বললেনঃ মূসা (‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে এর চেয়েও অধিক কষ্ট দেয়া হয়েছে। তারপরও তিনি ধৈর্যধারণ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৭)
حدثنا عمر بن حفص، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، قال سمعت شقيقا، يقول قال عبد الله قسم النبي صلى الله عليه وسلم قسمة كبعض ما كان يقسم، فقال رجل من الأنصار والله إنها لقسمة ما أريد بها وجه الله. قلت أما أنا لأقولن للنبي صلى الله عليه وسلم فأتيته وهو في أصحابه فساررته فشق ذلك على النبي صلى الله عليه وسلم وتغير وجهه وغضب، حتى وددت أني لم أكن أخبرته ثم قال " قد أوذي موسى بأكثر من ذلك فصبر ".
সহিহ বুখারী > কারো মুখোমুখী তিরস্কার না করা প্রসঙ্গে।
সহিহ বুখারী ৬১০২
حدثنا عبدان، أخبرنا عبد الله، أخبرنا شعبة، عن قتادة، سمعت عبد الله ـ هو ابن أبي عتبة مولى أنس ـ عن أبي سعيد الخدري، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم أشد حياء من العذراء في خدرها، فإذا رأى شيئا يكرهه عرفناه في وجهه.
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ পর্দার অন্তরালের কুমারীদের চেয়েও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অধিক লজ্জাশীল ছিলেন। যখন তিনি তাঁর কাছে অপছন্দনীয় কিছু দেখতেন, তখন আমরা তাঁর চেহারা দেখেই তা বুঝতে পারতাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৯)
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ পর্দার অন্তরালের কুমারীদের চেয়েও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অধিক লজ্জাশীল ছিলেন। যখন তিনি তাঁর কাছে অপছন্দনীয় কিছু দেখতেন, তখন আমরা তাঁর চেহারা দেখেই তা বুঝতে পারতাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৯)
حدثنا عبدان، أخبرنا عبد الله، أخبرنا شعبة، عن قتادة، سمعت عبد الله ـ هو ابن أبي عتبة مولى أنس ـ عن أبي سعيد الخدري، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم أشد حياء من العذراء في خدرها، فإذا رأى شيئا يكرهه عرفناه في وجهه.
সহিহ বুখারী ৬১০১
حدثنا عمر بن حفص، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، حدثنا مسلم، عن مسروق، قالت عائشة صنع النبي صلى الله عليه وسلم شيئا فرخص فيه فتنزه عنه قوم فبلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم فخطب فحمد الله ثم قال " ما بال أقوام يتنزهون عن الشىء أصنعه، فوالله إني لأعلمهم بالله وأشدهم له خشية ".
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজে কোন কাজ করলেন এবং অন্যদের সেটা করার অনুমতি দিলেন। তা সত্ত্বেও একদল লোক তাত্থেকে বিরত রইল। এ সংবাদ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে পৌঁছলে তিনি ভাষণ দিলেন এবং আল্লাহ্র প্রশংসার পর বললেনঃ কিছু লোকের কী হয়েছে, তারা এমন কাজ থেকে বিরত থাকতে চায়, যা আমি নিজে করছি। আল্লাহ্র কসম! আমি আল্লাহ্র সম্পর্কে তাদের থেকে বেশি জানি এবং আমি তাদের চেয়ে অনেক অধিক তাঁকে ভয় করি। [৭৩০১; মুসলিম ৪৩/৩৫, হাঃ ২৩৫৬, আহমাদ ২৫৫৩৮] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৮)
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজে কোন কাজ করলেন এবং অন্যদের সেটা করার অনুমতি দিলেন। তা সত্ত্বেও একদল লোক তাত্থেকে বিরত রইল। এ সংবাদ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে পৌঁছলে তিনি ভাষণ দিলেন এবং আল্লাহ্র প্রশংসার পর বললেনঃ কিছু লোকের কী হয়েছে, তারা এমন কাজ থেকে বিরত থাকতে চায়, যা আমি নিজে করছি। আল্লাহ্র কসম! আমি আল্লাহ্র সম্পর্কে তাদের থেকে বেশি জানি এবং আমি তাদের চেয়ে অনেক অধিক তাঁকে ভয় করি। [৭৩০১; মুসলিম ৪৩/৩৫, হাঃ ২৩৫৬, আহমাদ ২৫৫৩৮] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৮)
حدثنا عمر بن حفص، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، حدثنا مسلم، عن مسروق، قالت عائشة صنع النبي صلى الله عليه وسلم شيئا فرخص فيه فتنزه عنه قوم فبلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم فخطب فحمد الله ثم قال " ما بال أقوام يتنزهون عن الشىء أصنعه، فوالله إني لأعلمهم بالله وأشدهم له خشية ".
সহিহ বুখারী > কেউ তার মুসলিম ভাইকে অকারণে কাফির বললে সে নিজেই তা যা সে বলেছে।
সহিহ বুখারী ৬১০৩
حدثنا محمد، وأحمد بن سعيد، قالا حدثنا عثمان بن عمر، أخبرنا علي بن المبارك، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إذا قال الرجل لأخيه يا كافر فقد باء به أحدهما ". وقال عكرمة بن عمار عن يحيى، عن عبد الله بن يزيد، سمع أبا سلمة، سمع أبا هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন কেউ তার মুসলিম ভাইকে ‘হে কাফির’ বলে ডাকে, তখন তা তাদের দু’জনের কোন একজনের উপর বর্তায়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬০)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন কেউ তার মুসলিম ভাইকে ‘হে কাফির’ বলে ডাকে, তখন তা তাদের দু’জনের কোন একজনের উপর বর্তায়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬০)
حدثنا محمد، وأحمد بن سعيد، قالا حدثنا عثمان بن عمر، أخبرنا علي بن المبارك، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إذا قال الرجل لأخيه يا كافر فقد باء به أحدهما ". وقال عكرمة بن عمار عن يحيى، عن عبد الله بن يزيد، سمع أبا سلمة، سمع أبا هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم.
সহিহ বুখারী ৬১০৪
حدثنا إسماعيل، قال حدثني مالك، عن عبد الله بن دينار، عن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال" أيما رجل قال لأخيه يا كافر. فقد باء بها أحدهما ".
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ তার ভাইকে কাফির বললে, তাদের দু’জনের একজনের উপর তা বর্তাবে।[মুসলিম১/২৬, হাঃ ৬০, আহমাদ ৫২৫৯] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬১)
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ তার ভাইকে কাফির বললে, তাদের দু’জনের একজনের উপর তা বর্তাবে।[মুসলিম১/২৬, হাঃ ৬০, আহমাদ ৫২৫৯] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬১)
حدثنا إسماعيل، قال حدثني مالك، عن عبد الله بن دينار، عن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال" أيما رجل قال لأخيه يا كافر. فقد باء بها أحدهما ".
সহিহ বুখারী ৬১০৫
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا وهيب، حدثنا أيوب، عن أبي قلابة، عن ثابت بن الضحاك، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من حلف بملة غير الإسلام كاذبا فهو كما قال، ومن قتل نفسه بشىء عذب به في نار جهنم، ولعن المؤمن كقتله، ومن رمى مؤمنا بكفر فهو كقتله ".
সাবিত ইবনু যাহ্হাক (রাঃ থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে কেউ ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্মের মিথ্যা শপথ করে, সে যা বলে তা-ই হবে। আর যে বস্তু দিয়ে কেউ আত্মহত্যা করবে, জাহান্নামের আগুনে তাকে সেই বন্তু দিয়েই শাস্তি দেয়া হবে। ঈমানদারকে লা’নাত করা, তাকে হত্যা করার সমতুল্য। আর কেউ কোন ঈমানদারকে কুফ্রীর অপবাদ দিলে, তাও তাকে হত্যা করার সমতুল্য হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬২)
সাবিত ইবনু যাহ্হাক (রাঃ থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে কেউ ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্মের মিথ্যা শপথ করে, সে যা বলে তা-ই হবে। আর যে বস্তু দিয়ে কেউ আত্মহত্যা করবে, জাহান্নামের আগুনে তাকে সেই বন্তু দিয়েই শাস্তি দেয়া হবে। ঈমানদারকে লা’নাত করা, তাকে হত্যা করার সমতুল্য। আর কেউ কোন ঈমানদারকে কুফ্রীর অপবাদ দিলে, তাও তাকে হত্যা করার সমতুল্য হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬২)
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا وهيب، حدثنا أيوب، عن أبي قلابة، عن ثابت بن الضحاك، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من حلف بملة غير الإسلام كاذبا فهو كما قال، ومن قتل نفسه بشىء عذب به في نار جهنم، ولعن المؤمن كقتله، ومن رمى مؤمنا بكفر فهو كقتله ".