সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহর বাণীঃ আল্লাহর ন্যায়-বিচার, সদাচরণ ও আত্মীয়দেরকে দেয়ার হুকুম দিচ্ছেন..... গ্রহন কর পর্যন্ত” (সূরাহ নাহল ১৬/৯০)। এবং আল্লাহর বাণীঃ “তোমাদের এ বিদ্রোহ তো (প্রকৃতপক্ষে) তোমাদের নিজেদেরই বিপক্ষে” (সূরাহ ইউনুস ১০/২৩)। “যার উপর যুল্ম করা হয়, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাকে সাহায্য করেন।” (সূরাহ হাজ্জ ২২/৬০)। আর মুসলিম অথবা কাফিরের কু-কর্ম প্রচার থেকে বিরত থাকা।

সহিহ বুখারী ৬০৬৩

حدثنا الحميدي، حدثنا سفيان، حدثنا هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت مكث النبي صلى الله عليه وسلم كذا وكذا يخيل إليه أنه يأتي أهله ولا يأتي، قالت عائشة فقال لي ذات يوم ‏"‏ يا عائشة إن الله أفتاني في أمر استفتيته فيه، أتاني رجلان، فجلس أحدهما عند رجلى والآخر عند رأسي، فقال الذي عند رجلى للذي عند رأسي ما بال الرجل قال مطبوب‏.‏ يعني مسحورا‏.‏ قال ومن طبه قال لبيد بن أعصم‏.‏ قال وفيم قال في جف طلعة ذكر في مشط ومشاقة، تحت رعوفة في بئر ذروان ‏"‏‏.‏ فجاء النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ هذه البئر التي أريتها كأن رءوس نخلها رءوس الشياطين، وكأن ماءها نقاعة الحناء ‏"‏‏.‏ فأمر به النبي صلى الله عليه وسلم فأخرج‏.‏ قالت عائشة فقلت يا رسول الله فهلا ـ تعني ـ تنشرت فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أما الله فقد شفاني، وأما أنا فأكره أن أثير على الناس شرا ‏"‏‏.‏ قالت ولبيد بن أعصم رجل من بني زريق حليف ليهود‏.‏

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এত এত দিন এমন অবস্থায় অতিবাহিত করছিলেন যে, তাঁর খেয়াল হতো যেন তিনি তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে, অথচ তিনি মিলিত হননি। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, অতঃপর তিনি আমাকে বললেনঃ হে আয়িশাহ! আমি যে ব্যাপারে জানতে চেয়েছিলাম, সে বিষয়ে আল্লাহ আমাকে জানিয়ে দিয়েছেন। (আমি স্বপ্নে দেখলাম) আমার কাছে দু‘জন লোক আসল। একজন বসলো আমার পায়ের কাছে এবং আরেকজন মাথার কাছে। পায়ের কাছে বসা ব্যক্তি মাথার কাছে বসা ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করলঃ এ ব্যক্তির অবস্থা কী? সে বললঃ তাঁকে যাদু করা হয়েছে। সে আবার জিজ্ঞেস করলঃ তাঁকে কে যাদু করেছে? সে বললঃ লাবীদ ইবনু আ‘সাম। সে আবার জিজ্ঞেস করলঃ কিসের মধ্যে? সে বলল, নর খেজুর গাছের খোসার ভিতরে তারঁ চিরুনীর এক টুকরা ও আঁচড়ানো চুল ঢুকিয়ে দিয়ে ‘যারওয়ান’ কূপের মধ্যে একটা পাথরের নীচে রেখেছে। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (সেখানে) গিয়ে দেখে বললেনঃ এ সেই কূপ যা আমাকে স্বপ্নে দেখানো হয়েছে। সেখানের খেজুর গাছের মাথাগুলো যেন শয়তানের মাথা এবং সে কুপের পানি যেন মেহেদী ভেজা পানি। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর হুকুমে তা কূপ থেকে বের করা হলো। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, তখন আমি বললাম। হে আল্লাহর রসূল! আপনি কেন অর্থাৎ এটি প্রকাশ করলেন না? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ তো আমাকে আরোগ্য করে দিয়েছেন, আর আমি মানুষের নিকট কারো দুষ্কর্ম ছড়িয়ে দেয়া পছন্দ করি না। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ লাবীদ্ ইবনু আ‘সাম ছিল ইয়াহূদীদের মিত্র বনূ যুরায়কের এক ব্যক্তি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫২৪)

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এত এত দিন এমন অবস্থায় অতিবাহিত করছিলেন যে, তাঁর খেয়াল হতো যেন তিনি তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে, অথচ তিনি মিলিত হননি। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, অতঃপর তিনি আমাকে বললেনঃ হে আয়িশাহ! আমি যে ব্যাপারে জানতে চেয়েছিলাম, সে বিষয়ে আল্লাহ আমাকে জানিয়ে দিয়েছেন। (আমি স্বপ্নে দেখলাম) আমার কাছে দু‘জন লোক আসল। একজন বসলো আমার পায়ের কাছে এবং আরেকজন মাথার কাছে। পায়ের কাছে বসা ব্যক্তি মাথার কাছে বসা ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করলঃ এ ব্যক্তির অবস্থা কী? সে বললঃ তাঁকে যাদু করা হয়েছে। সে আবার জিজ্ঞেস করলঃ তাঁকে কে যাদু করেছে? সে বললঃ লাবীদ ইবনু আ‘সাম। সে আবার জিজ্ঞেস করলঃ কিসের মধ্যে? সে বলল, নর খেজুর গাছের খোসার ভিতরে তারঁ চিরুনীর এক টুকরা ও আঁচড়ানো চুল ঢুকিয়ে দিয়ে ‘যারওয়ান’ কূপের মধ্যে একটা পাথরের নীচে রেখেছে। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (সেখানে) গিয়ে দেখে বললেনঃ এ সেই কূপ যা আমাকে স্বপ্নে দেখানো হয়েছে। সেখানের খেজুর গাছের মাথাগুলো যেন শয়তানের মাথা এবং সে কুপের পানি যেন মেহেদী ভেজা পানি। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর হুকুমে তা কূপ থেকে বের করা হলো। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, তখন আমি বললাম। হে আল্লাহর রসূল! আপনি কেন অর্থাৎ এটি প্রকাশ করলেন না? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ তো আমাকে আরোগ্য করে দিয়েছেন, আর আমি মানুষের নিকট কারো দুষ্কর্ম ছড়িয়ে দেয়া পছন্দ করি না। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ লাবীদ্ ইবনু আ‘সাম ছিল ইয়াহূদীদের মিত্র বনূ যুরায়কের এক ব্যক্তি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫২৪)

حدثنا الحميدي، حدثنا سفيان، حدثنا هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت مكث النبي صلى الله عليه وسلم كذا وكذا يخيل إليه أنه يأتي أهله ولا يأتي، قالت عائشة فقال لي ذات يوم ‏"‏ يا عائشة إن الله أفتاني في أمر استفتيته فيه، أتاني رجلان، فجلس أحدهما عند رجلى والآخر عند رأسي، فقال الذي عند رجلى للذي عند رأسي ما بال الرجل قال مطبوب‏.‏ يعني مسحورا‏.‏ قال ومن طبه قال لبيد بن أعصم‏.‏ قال وفيم قال في جف طلعة ذكر في مشط ومشاقة، تحت رعوفة في بئر ذروان ‏"‏‏.‏ فجاء النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ هذه البئر التي أريتها كأن رءوس نخلها رءوس الشياطين، وكأن ماءها نقاعة الحناء ‏"‏‏.‏ فأمر به النبي صلى الله عليه وسلم فأخرج‏.‏ قالت عائشة فقلت يا رسول الله فهلا ـ تعني ـ تنشرت فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أما الله فقد شفاني، وأما أنا فأكره أن أثير على الناس شرا ‏"‏‏.‏ قالت ولبيد بن أعصم رجل من بني زريق حليف ليهود‏.‏


সহিহ বুখারী > একে অন্যের প্রতি বিদ্বেষ রাখা এবং পরস্পর বিরোধিতা করা নিষিদ্ধ।

সহিহ বুখারী ৬০৬৪

حدثنا بشر بن محمد، أخبرنا عبد الله، أخبرنا معمر، عن همام بن منبه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إياكم والظن، فإن الظن أكذب الحديث، ولا تحسسوا، ولا تجسسوا، ولا تحاسدوا، ولا تدابروا، ولا تباغضوا، وكونوا عباد الله إخوانا ‏"‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা ধারণা করা থেকে বিরত থাকো। ধারণা বড় মিথ্যা ব্যাপার। তোমরা দোষ তালাশ করো না, গোয়েন্দাগিরি করো না, পরস্পর হিংসা পোষণ করো না, একে অন্যের প্রতি বিদ্বেষভাব পোষন করো না এবং পরস্পর বিরোধে লিপ্ত হয়ো না; বরং তোমরা সবাই আল্লাহ্‌র বান্দা ভাই ভাই হয়ে যাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫২৫)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা ধারণা করা থেকে বিরত থাকো। ধারণা বড় মিথ্যা ব্যাপার। তোমরা দোষ তালাশ করো না, গোয়েন্দাগিরি করো না, পরস্পর হিংসা পোষণ করো না, একে অন্যের প্রতি বিদ্বেষভাব পোষন করো না এবং পরস্পর বিরোধে লিপ্ত হয়ো না; বরং তোমরা সবাই আল্লাহ্‌র বান্দা ভাই ভাই হয়ে যাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫২৫)

حدثنا بشر بن محمد، أخبرنا عبد الله، أخبرنا معمر، عن همام بن منبه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إياكم والظن، فإن الظن أكذب الحديث، ولا تحسسوا، ولا تجسسوا، ولا تحاسدوا، ولا تدابروا، ولا تباغضوا، وكونوا عباد الله إخوانا ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬০৬৫

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، قال حدثني أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا تباغضوا، ولا تحاسدوا، ولا تدابروا، وكونوا عباد الله إخوانا، ولا يحل لمسلم أن يهجر أخاه فوق ثلاثة أيام ‏"‏‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা পরস্পর বিদ্বেষপূর্ণ মনোভাব পোষন করো না, পরস্পর হিংসা করো না, একে অন্যের বিরুদ্ধাচরণ করো না। তোমরা সবাই আল্লাহর বান্দা ভাই ভাই হয়ে যাও। কোন মুসলিমের জন্য তিন দিনের অধিক তার ভাইকে ত্যাগ করা থাকা বৈধ নয়।[৬০৭৬; মুসলিম ৪৫/৭, হাঃ ২৫৫৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫২৬)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা পরস্পর বিদ্বেষপূর্ণ মনোভাব পোষন করো না, পরস্পর হিংসা করো না, একে অন্যের বিরুদ্ধাচরণ করো না। তোমরা সবাই আল্লাহর বান্দা ভাই ভাই হয়ে যাও। কোন মুসলিমের জন্য তিন দিনের অধিক তার ভাইকে ত্যাগ করা থাকা বৈধ নয়।[৬০৭৬; মুসলিম ৪৫/৭, হাঃ ২৫৫৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫২৬)

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، قال حدثني أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا تباغضوا، ولا تحاسدوا، ولا تدابروا، وكونوا عباد الله إخوانا، ولا يحل لمسلم أن يهجر أخاه فوق ثلاثة أيام ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহর বাণীঃ হে মু‘মিনগণ! তোমরা অধিকাংশ অনুমান হতে বিরত থাক.......... আয়াতের শেষ পর্যন্ত। (সূরাহ আল-হুজরাত ৪৯/১২)

সহিহ বুখারী ৬০৬৬

حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إياكم والظن، فإن الظن أكذب الحديث، ولا تحسسوا، ولا تجسسوا، ولا تناجشوا، ولا تحاسدوا، ولا تباغضوا، ولا تدابروا، وكونوا عباد الله إخوانا ‏"‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা অনুমান থেকে বেঁচে চলো। কারণ অনুমান বড় মিথ্যা ব্যাপার। আর কারো দোষ খুঁজে বেড়িও না, গোয়েন্দাগিরি করো না, পরস্পরকে ধোঁকা দিও না, আর পরস্পরকে হিংসা করো না, একে অন্যের প্রতি বিদ্বেষপূর্ণ মনোভাব পোষন করো না এবং পরস্পরের বিরুদ্ধাচরণ করো না। বরং সবাই আল্লাহর বান্দা ভাই ভাই হয়ে যাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫২৭)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা অনুমান থেকে বেঁচে চলো। কারণ অনুমান বড় মিথ্যা ব্যাপার। আর কারো দোষ খুঁজে বেড়িও না, গোয়েন্দাগিরি করো না, পরস্পরকে ধোঁকা দিও না, আর পরস্পরকে হিংসা করো না, একে অন্যের প্রতি বিদ্বেষপূর্ণ মনোভাব পোষন করো না এবং পরস্পরের বিরুদ্ধাচরণ করো না। বরং সবাই আল্লাহর বান্দা ভাই ভাই হয়ে যাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫২৭)

حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إياكم والظن، فإن الظن أكذب الحديث، ولا تحسسوا، ولا تجسسوا، ولا تناجشوا، ولا تحاسدوا، ولا تباغضوا، ولا تدابروا، وكونوا عباد الله إخوانا ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > কেমন ধারণা করা যেতে পারে।

সহিহ বুখারী ৬০৬৭

حدثنا سعيد بن عفير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عائشة، قالت قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ما أظن فلانا وفلانا يعرفان من ديننا شيئا ‏"‏‏.‏ قال الليث كانا رجلين من المنافقين‏.‏

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অমুক অমুক ব্যক্তি আমাদের দ্বীনের ব্যাপারে কিছু জানে বলে আমি ধারণা করি না। রাবী লায়স বর্ণনা করেন যে, লোক দু‘টি মুনাফিক ছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫২৮)

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অমুক অমুক ব্যক্তি আমাদের দ্বীনের ব্যাপারে কিছু জানে বলে আমি ধারণা করি না। রাবী লায়স বর্ণনা করেন যে, লোক দু‘টি মুনাফিক ছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫২৮)

حدثنا سعيد بن عفير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عائشة، قالت قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ما أظن فلانا وفلانا يعرفان من ديننا شيئا ‏"‏‏.‏ قال الليث كانا رجلين من المنافقين‏.‏


সহিহ বুখারী ৬০৬৮

حدثنا ابن بكير، حدثنا الليث، بهذا وقالت دخل على النبي صلى الله عليه وسلم يوما وقال"‏ يا عائشة ما أظن فلانا وفلانا يعرفان ديننا الذي نحن عليه ‏"‏‏.‏

ইয়াহ্ইয়া ইবনু বুকায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, লায়স আমাদের কাছে উক্ত হাদীস বর্ণনা করেন। (এতে রয়েছে) ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, একদিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট এসে বললেনঃ হে ‘আয়িশা! অমুক অমুক লোক আমাদের দীন, যার উপর আমরা রয়েছি, সে সম্পর্কে কিছু জানে বলে আমি ধারণা করি না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫২৯)

ইয়াহ্ইয়া ইবনু বুকায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, লায়স আমাদের কাছে উক্ত হাদীস বর্ণনা করেন। (এতে রয়েছে) ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, একদিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট এসে বললেনঃ হে ‘আয়িশা! অমুক অমুক লোক আমাদের দীন, যার উপর আমরা রয়েছি, সে সম্পর্কে কিছু জানে বলে আমি ধারণা করি না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫২৯)

حدثنا ابن بكير، حدثنا الليث، بهذا وقالت دخل على النبي صلى الله عليه وسلم يوما وقال"‏ يا عائشة ما أظن فلانا وفلانا يعرفان ديننا الذي نحن عليه ‏"‏‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00