সহিহ বুখারী > ভালবাসা আসে আল্লাহ তা’আলার তরফ থেকে।

সহিহ বুখারী ৬০৪০

حدثنا عمرو بن علي، حدثنا أبو عاصم، عن ابن جريج، قال أخبرني موسى بن عقبة، عن نافع، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا أحب الله عبدا نادى جبريل إن الله يحب فلانا، فأحبه‏.‏ فيحبه جبريل، فينادي جبريل في أهل السماء إن الله يحب فلانا، فأحبوه‏.‏ فيحبه أهل السماء، ثم يوضع له القبول في أهل الأرض ‏"‏‏.‏

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন আল্লাহ তা’আলা কোন বান্দাকে ভালবাসেন, তখন তিনি জিবরীল (আঃ) -কে ডেকে বলেন, আল্লাহ তা’আলা অমুক বান্দাকে ভালবাসেন, তুমিও তাকে ভালবাসবে। তখন জিবরীল (আঃ) তাকে ভালবাসেন এবং তিনি আসমানবাসীদের ডেকে বলেন, আল্লাহ তা’আলা অমুককে ভালবাসেন, অতএব তোমরাও তাকে ভালবাসবে। তখন আসমানবাসীরাও তাকে ভালবাসে। তারপর আল্লাহ তা’আলার পক্ষ হতে দুনিয়াবাসীদের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা সৃষ্টি করা হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫০১)

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন আল্লাহ তা’আলা কোন বান্দাকে ভালবাসেন, তখন তিনি জিবরীল (আঃ) -কে ডেকে বলেন, আল্লাহ তা’আলা অমুক বান্দাকে ভালবাসেন, তুমিও তাকে ভালবাসবে। তখন জিবরীল (আঃ) তাকে ভালবাসেন এবং তিনি আসমানবাসীদের ডেকে বলেন, আল্লাহ তা’আলা অমুককে ভালবাসেন, অতএব তোমরাও তাকে ভালবাসবে। তখন আসমানবাসীরাও তাকে ভালবাসে। তারপর আল্লাহ তা’আলার পক্ষ হতে দুনিয়াবাসীদের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা সৃষ্টি করা হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫০১)

حدثنا عمرو بن علي، حدثنا أبو عاصم، عن ابن جريج، قال أخبرني موسى بن عقبة، عن نافع، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا أحب الله عبدا نادى جبريل إن الله يحب فلانا، فأحبه‏.‏ فيحبه جبريل، فينادي جبريل في أهل السماء إن الله يحب فلانا، فأحبوه‏.‏ فيحبه أهل السماء، ثم يوضع له القبول في أهل الأرض ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > আল্লাহ তা’আলার সন্তুষ্টির উদ্দেশে ভালবাসা।

সহিহ বুখারী ৬০৪১

حدثنا آدم، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا يجد أحد حلاوة الإيمان حتى يحب المرء، لا يحبه إلا لله، وحتى أن يقذف في النار أحب إليه من أن يرجع إلى الكفر، بعد إذ أنقذه الله، وحتى يكون الله ورسوله أحب إليه مما سواهما ‏"‏‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি ঈমানের স্বাদ পাবে না, যতক্ষণ না সে কোন মানুষকে একমাত্র আল্লাহ্‌র উদ্দেশে ভালবাসবে, আর যতক্ষণ না সে যে কুফরী থেকে আল্লাহ তাকে উদ্ধার করেছেন, তার দিকে ফিরে যাবার চেয়ে আগুনে নিক্ষিপ্ত হওয়াকে অধিক প্রিয় মনে না করবে এবং যতক্ষণ না আল্লাহ ও তাঁর রসূল তার কাছে অন্য সব কিছুর চেয়ে অধিক প্রিয় না হবেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫০২)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি ঈমানের স্বাদ পাবে না, যতক্ষণ না সে কোন মানুষকে একমাত্র আল্লাহ্‌র উদ্দেশে ভালবাসবে, আর যতক্ষণ না সে যে কুফরী থেকে আল্লাহ তাকে উদ্ধার করেছেন, তার দিকে ফিরে যাবার চেয়ে আগুনে নিক্ষিপ্ত হওয়াকে অধিক প্রিয় মনে না করবে এবং যতক্ষণ না আল্লাহ ও তাঁর রসূল তার কাছে অন্য সব কিছুর চেয়ে অধিক প্রিয় না হবেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫০২)

حدثنا آدم، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا يجد أحد حلاوة الإيمان حتى يحب المرء، لا يحبه إلا لله، وحتى أن يقذف في النار أحب إليه من أن يرجع إلى الكفر، بعد إذ أنقذه الله، وحتى يكون الله ورسوله أحب إليه مما سواهما ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ হে মু’মিনগণ! কোন সম্প্রদায় যেন অন্য সম্প্রদায়কে ঠাট্রা-বিদ্রুপ না করে, হতে পারে তারা বিদ্রুপকারীদের চেয়ে উত্তম ...... (এ সব হতে) যারা তওবাহ না করে তারাই যালিম। (সূরাহ আল-হুজুরাত ৪৯/১১)

সহিহ বুখারী ৬০৪২

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، عن هشام، عن أبيه، عن عبد الله بن زمعة، قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم أن يضحك الرجل مما يخرج من الأنفس وقال ‏"‏ بم يضرب أحدكم امرأته ضرب الفحل، ثم لعله يعانقها ‏"‏‏.‏ وقال الثوري ووهيب وأبو معاوية عن هشام ‏"‏ جلد العبد ‏"‏‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু যাম্‌’আহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মানুষের বায়ু নির্গমনে কাউকে হাসতে নিষেধ করেছেন। তিনি আরও বলেছেনঃ তোমাদের কেউ কেন স্ত্রীকে ষাঁড় পিটানোর মত পিটাবে? পরে হয়ত, সে আবার তার সাথে গলাগলিও করবে। সাওরী, ওহায়ব ও আবূ মু’আবিয়াহ (রহঃ) হিশাম (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন, ‘ষাঁড় পিটানোর’ স্থলে ‘দাসকে বেত্রাঘাত করার ন্যায়’।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫০৩)

আবদুল্লাহ ইবনু যাম্‌’আহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মানুষের বায়ু নির্গমনে কাউকে হাসতে নিষেধ করেছেন। তিনি আরও বলেছেনঃ তোমাদের কেউ কেন স্ত্রীকে ষাঁড় পিটানোর মত পিটাবে? পরে হয়ত, সে আবার তার সাথে গলাগলিও করবে। সাওরী, ওহায়ব ও আবূ মু’আবিয়াহ (রহঃ) হিশাম (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন, ‘ষাঁড় পিটানোর’ স্থলে ‘দাসকে বেত্রাঘাত করার ন্যায়’।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫০৩)

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، عن هشام، عن أبيه، عن عبد الله بن زمعة، قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم أن يضحك الرجل مما يخرج من الأنفس وقال ‏"‏ بم يضرب أحدكم امرأته ضرب الفحل، ثم لعله يعانقها ‏"‏‏.‏ وقال الثوري ووهيب وأبو معاوية عن هشام ‏"‏ جلد العبد ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬০৪৩

حدثني محمد بن المثنى، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا عاصم بن محمد بن زيد، عن أبيه، عن ابن عمر، رضى الله عنهما قال قال النبي صلى الله عليه وسلم بمنى ‏"‏ أتدرون أى يوم هذا ‏"‏‏.‏ قالوا الله ورسوله أعلم‏.‏ قال ‏"‏ فإن هذا يوم حرام، أفتدرون أى بلد هذا ‏"‏‏.‏ قالوا الله ورسوله أعلم‏.‏ قال ‏"‏ بلد حرام، أتدرون أى شهر هذا ‏"‏‏.‏ قالوا الله ورسوله أعلم‏.‏ قال ‏"‏ شهر حرام ‏"‏‏.‏ قال ‏"‏ فإن الله حرم عليكم دماءكم وأموالكم وأعراضكم، كحرمة يومكم هذا في شهركم هذا في بلدكم هذا ‏"‏‏.‏

ইবনু ‘উমার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিনায় (খুতবার কালে) জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা কি জান আজ কোন্‌ দিন? সকলেই বললেনঃ আল্লাহ ও তাঁর রসূলই বেশী জানেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আজ সম্মানিত দিন। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা জান, এটি কোন্‌ শহর? সবাই জবাব দিলেনঃ আল্লাহ ও তাঁর রসূলই আধিক জানেন। তখন তিনি বললেনঃ এটি সম্মানিত শহর। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা কি জান, এটা কোন্‌ মাস? তাঁরা বললেনঃ আল্লাহ ও তাঁর রসূলই আধিক জানেন। তখন তিনি বললেনঃ এটা সম্মানিত মাস। তারপর তিনি বললেনঃ আল্লাহ তা’আলা তোমাদের (পরস্পরের) জান, মাল ও ইজ্জতকে হারাম করেছেন, যেমন হারাম তোমাদের এ দিন, তোমাদের এ মাস, তোমাদের এ শহর।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫০৪)

ইবনু ‘উমার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিনায় (খুতবার কালে) জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা কি জান আজ কোন্‌ দিন? সকলেই বললেনঃ আল্লাহ ও তাঁর রসূলই বেশী জানেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আজ সম্মানিত দিন। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা জান, এটি কোন্‌ শহর? সবাই জবাব দিলেনঃ আল্লাহ ও তাঁর রসূলই আধিক জানেন। তখন তিনি বললেনঃ এটি সম্মানিত শহর। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা কি জান, এটা কোন্‌ মাস? তাঁরা বললেনঃ আল্লাহ ও তাঁর রসূলই আধিক জানেন। তখন তিনি বললেনঃ এটা সম্মানিত মাস। তারপর তিনি বললেনঃ আল্লাহ তা’আলা তোমাদের (পরস্পরের) জান, মাল ও ইজ্জতকে হারাম করেছেন, যেমন হারাম তোমাদের এ দিন, তোমাদের এ মাস, তোমাদের এ শহর।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫০৪)

حدثني محمد بن المثنى، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا عاصم بن محمد بن زيد، عن أبيه، عن ابن عمر، رضى الله عنهما قال قال النبي صلى الله عليه وسلم بمنى ‏"‏ أتدرون أى يوم هذا ‏"‏‏.‏ قالوا الله ورسوله أعلم‏.‏ قال ‏"‏ فإن هذا يوم حرام، أفتدرون أى بلد هذا ‏"‏‏.‏ قالوا الله ورسوله أعلم‏.‏ قال ‏"‏ بلد حرام، أتدرون أى شهر هذا ‏"‏‏.‏ قالوا الله ورسوله أعلم‏.‏ قال ‏"‏ شهر حرام ‏"‏‏.‏ قال ‏"‏ فإن الله حرم عليكم دماءكم وأموالكم وأعراضكم، كحرمة يومكم هذا في شهركم هذا في بلدكم هذا ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > গালি ও অভিশাপ দেয়া নিষিদ্ধ।

সহিহ বুখারী ৬০৪৪

حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا شعبة، عن منصور، قال سمعت أبا وائل، يحدث عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم"‏ سباب المسلم فسوق، وقتاله كفر ‏"‏‏.‏ تابعه غندر عن شعبة‏.‏

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলিমকে গালি দেয়া ফাসিকী এবং তাকে হত্যা করা কুফুরী। শু’বাহ (রহঃ) সূত্রে গুনদারও এ রকম বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫০৫)

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলিমকে গালি দেয়া ফাসিকী এবং তাকে হত্যা করা কুফুরী। শু’বাহ (রহঃ) সূত্রে গুনদারও এ রকম বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫০৫)

حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا شعبة، عن منصور، قال سمعت أبا وائل، يحدث عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم"‏ سباب المسلم فسوق، وقتاله كفر ‏"‏‏.‏ تابعه غندر عن شعبة‏.‏


সহিহ বুখারী ৬০৪৫

حدثنا أبو معمر، حدثنا عبد الوارث، عن الحسين، عن عبد الله بن بريدة، حدثني يحيى بن يعمر، أن أبا الأسود الديلي، حدثه عن أبي ذر ـ رضى الله عنه ـ أنه سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لا يرمي رجل رجلا بالفسوق، ولا يرميه بالكفر، إلا ارتدت عليه، إن لم يكن صاحبه كذلك ‏"‏‏.‏

আবূ যার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একজন অপর জনকে ফাসিক বলে যেন গালি না দেয় এবং একজন অন্যজনকে কাফির বলে অপবাদ না দেয়। কেননা, অপরজন যদি তা না হয়, তবে সে অপবাদ তার নিজের উপরই আপতিত হবে।[৩৫০৮; মুসলিম ১/২৭, হাঃ ৬১, আহমাদ ২১৫২১] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫০৬)

আবূ যার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একজন অপর জনকে ফাসিক বলে যেন গালি না দেয় এবং একজন অন্যজনকে কাফির বলে অপবাদ না দেয়। কেননা, অপরজন যদি তা না হয়, তবে সে অপবাদ তার নিজের উপরই আপতিত হবে।[৩৫০৮; মুসলিম ১/২৭, হাঃ ৬১, আহমাদ ২১৫২১] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫০৬)

حدثنا أبو معمر، حدثنا عبد الوارث، عن الحسين، عن عبد الله بن بريدة، حدثني يحيى بن يعمر، أن أبا الأسود الديلي، حدثه عن أبي ذر ـ رضى الله عنه ـ أنه سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لا يرمي رجل رجلا بالفسوق، ولا يرميه بالكفر، إلا ارتدت عليه، إن لم يكن صاحبه كذلك ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬০৪৬

حدثنا محمد بن سنان، حدثنا فليح بن سليمان، حدثنا هلال بن علي، عن أنس، قال لم يكن رسول الله صلى الله عليه وسلم فاحشا ولا لعانا ولا سبابا، كان يقول عند المعتبة ‏ "‏ ما له، ترب جبينه ‏"‏‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অশালীন, লা’নতকারী ও গালিদাতা ছিলেন না। তিনি কাউকে তিরস্কার করার সময় শুধু এটুকু বলতেনঃ তার কী হলো? তার কপাল ধুলিমলিন হোক।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫০৭)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অশালীন, লা’নতকারী ও গালিদাতা ছিলেন না। তিনি কাউকে তিরস্কার করার সময় শুধু এটুকু বলতেনঃ তার কী হলো? তার কপাল ধুলিমলিন হোক।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫০৭)

حدثنا محمد بن سنان، حدثنا فليح بن سليمان، حدثنا هلال بن علي، عن أنس، قال لم يكن رسول الله صلى الله عليه وسلم فاحشا ولا لعانا ولا سبابا، كان يقول عند المعتبة ‏ "‏ ما له، ترب جبينه ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬০৪৭

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عثمان بن عمر، حدثنا علي بن المبارك، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي قلابة، أن ثابت بن الضحاك، وكان، من أصحاب الشجرة حدثه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ من حلف على ملة غير الإسلام فهو كما قال، وليس على ابن آدم نذر فيما لا يملك، ومن قتل نفسه بشىء في الدنيا عذب به يوم القيامة، ومن لعن مؤمنا فهو كقتله، ومن قذف مؤمنا بكفر فهو كقتله ‏"‏‏.‏

সাবিত ইবনু যাহ্হাক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি গাছের নীচে বাই‘আত গ্রহণকারীদের অন্যতম সহাবী ছিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন দলের উপর কসম খাবে, সে ঐ দলেরই শামিল হয়ে যাবে। আর মানুষ যে জিনিসের মালিক নয়, এমন জিনিসের নযর আদায় করা তার উপর ওয়াজিব নয়। আর কোন লোক দুনিয়াতে যে জিনিস দিয়ে আত্মহত্যা করবে, ক্বিয়ামতের দিন সে জিনিস দিয়েই তাকে ‘আযাব দেয়া হবে। কোন লোক কোন মু‘মিনের উপর অভিশাপ দিলে, তা তাকে হত্যা করারই শামিল হবে। আর কোন মু‘মিনকে কাফির বললে, তাও তাকে হত্যা করার মতই হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫০৮)

সাবিত ইবনু যাহ্হাক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি গাছের নীচে বাই‘আত গ্রহণকারীদের অন্যতম সহাবী ছিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন দলের উপর কসম খাবে, সে ঐ দলেরই শামিল হয়ে যাবে। আর মানুষ যে জিনিসের মালিক নয়, এমন জিনিসের নযর আদায় করা তার উপর ওয়াজিব নয়। আর কোন লোক দুনিয়াতে যে জিনিস দিয়ে আত্মহত্যা করবে, ক্বিয়ামতের দিন সে জিনিস দিয়েই তাকে ‘আযাব দেয়া হবে। কোন লোক কোন মু‘মিনের উপর অভিশাপ দিলে, তা তাকে হত্যা করারই শামিল হবে। আর কোন মু‘মিনকে কাফির বললে, তাও তাকে হত্যা করার মতই হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫০৮)

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عثمان بن عمر، حدثنا علي بن المبارك، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي قلابة، أن ثابت بن الضحاك، وكان، من أصحاب الشجرة حدثه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ من حلف على ملة غير الإسلام فهو كما قال، وليس على ابن آدم نذر فيما لا يملك، ومن قتل نفسه بشىء في الدنيا عذب به يوم القيامة، ومن لعن مؤمنا فهو كقتله، ومن قذف مؤمنا بكفر فهو كقتله ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬০৪৮

حدثنا عمر بن حفص، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، قال حدثني عدي بن ثابت، قال سمعت سليمان بن صرد، رجلا من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قال استب رجلان عند النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم فغضب أحدهما، فاشتد غضبه حتى انتفخ وجهه وتغير، فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إني لأعلم كلمة لو قالها لذهب عنه الذي يجد ‏"‏‏.‏ فانطلق إليه الرجل فأخبره بقول النبي صلى الله عليه وسلم وقال تعوذ بالله من الشيطان‏.‏ فقال أترى بي بأس أمجنون أنا اذهب‏.‏

সুলাইমান ইবনু সুরাদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সুলাইমান ইবনু সুরাদ (রাঃ) নামক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর এক সহাবী হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ দু‘জন লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সম্মুখে পরস্পর গালাগালি করছিল। তাদের একজন এতই রাগান্বিত হয়েছি যে, তার চেহারা ফুলে বিগড়ে গিয়েছিল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি অবশ্যই একটিই কালেমা জানি। সে ঐ কালেমাটি পড়লে তার রাগ চলে যেত। তখন এক লোক তার কাছে গিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ঐ কথাটি তাকে জানালো আর বললো যে, তুমি শয়তান থেকে আশ্রয় চাও। তখন সে বললোঃ আমার মধ্যে কি কোন রোগ দেখতে পাচ্ছ? আমি কি পাগল? চলে যাও তুমি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫০৯)

সুলাইমান ইবনু সুরাদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সুলাইমান ইবনু সুরাদ (রাঃ) নামক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর এক সহাবী হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ দু‘জন লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সম্মুখে পরস্পর গালাগালি করছিল। তাদের একজন এতই রাগান্বিত হয়েছি যে, তার চেহারা ফুলে বিগড়ে গিয়েছিল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি অবশ্যই একটিই কালেমা জানি। সে ঐ কালেমাটি পড়লে তার রাগ চলে যেত। তখন এক লোক তার কাছে গিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ঐ কথাটি তাকে জানালো আর বললো যে, তুমি শয়তান থেকে আশ্রয় চাও। তখন সে বললোঃ আমার মধ্যে কি কোন রোগ দেখতে পাচ্ছ? আমি কি পাগল? চলে যাও তুমি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫০৯)

حدثنا عمر بن حفص، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، قال حدثني عدي بن ثابت، قال سمعت سليمان بن صرد، رجلا من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قال استب رجلان عند النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم فغضب أحدهما، فاشتد غضبه حتى انتفخ وجهه وتغير، فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إني لأعلم كلمة لو قالها لذهب عنه الذي يجد ‏"‏‏.‏ فانطلق إليه الرجل فأخبره بقول النبي صلى الله عليه وسلم وقال تعوذ بالله من الشيطان‏.‏ فقال أترى بي بأس أمجنون أنا اذهب‏.‏


সহিহ বুখারী ৬০৪৯

حدثنا مسدد، حدثنا بشر بن المفضل، عن حميد، قال قال أنس حدثني عبادة بن الصامت، قال خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم ليخبر الناس بليلة القدر، فتلاحى رجلان من المسلمين، قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ خرجت لأخبركم، فتلاحى فلان وفلان وإنها رفعت، وعسى أن يكون خيرا لكم، فالتمسوها في التاسعة والسابعة والخامسة ‏"‏‏.‏

উবাদাহ ইবনু সমিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের ‘লাইলাতুল কাদ্র’ সম্বন্ধে অবহিত করার জন্য বের হলেন। তখন দু‘জন মুসলিম ঝগড়া করছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, : আমি ‘লাইলাতুল কাদ্‌র’ সম্পর্কে তোমাদের খবর দিতে বেরিয়ে এসেছিলাম। এ সময় অমুক, অমুক ঝগড়া করছিল। এজন্য ঐ খবরের ‘ইল্‌ম’ আমার থেকে তুলে নেয়া হয়েছে। এটা হয়ত তোমাদের জন্য ভালোই হবে। অতএব তোমরা তা রমাযানের শেষ দশকের নবম, সপ্তম ও পঞ্চম রাতে খোঁজ করবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫১০)

উবাদাহ ইবনু সমিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের ‘লাইলাতুল কাদ্র’ সম্বন্ধে অবহিত করার জন্য বের হলেন। তখন দু‘জন মুসলিম ঝগড়া করছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, : আমি ‘লাইলাতুল কাদ্‌র’ সম্পর্কে তোমাদের খবর দিতে বেরিয়ে এসেছিলাম। এ সময় অমুক, অমুক ঝগড়া করছিল। এজন্য ঐ খবরের ‘ইল্‌ম’ আমার থেকে তুলে নেয়া হয়েছে। এটা হয়ত তোমাদের জন্য ভালোই হবে। অতএব তোমরা তা রমাযানের শেষ দশকের নবম, সপ্তম ও পঞ্চম রাতে খোঁজ করবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫১০)

حدثنا مسدد، حدثنا بشر بن المفضل، عن حميد، قال قال أنس حدثني عبادة بن الصامت، قال خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم ليخبر الناس بليلة القدر، فتلاحى رجلان من المسلمين، قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ خرجت لأخبركم، فتلاحى فلان وفلان وإنها رفعت، وعسى أن يكون خيرا لكم، فالتمسوها في التاسعة والسابعة والخامسة ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬০৫০

حدثنا عمر بن حفص، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، عن المعرور، عن أبي ذر، قال رأيت عليه بردا وعلى غلامه بردا فقلت لو أخذت هذا فلبسته كانت حلة، وأعطيته ثوبا آخر‏.‏ فقال كان بيني وبين رجل كلام، وكانت أمه أعجمية، فنلت منها فذكرني إلى النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم فقال لي ‏"‏ أساببت فلانا ‏"‏‏.‏ قلت نعم‏.‏ قال ‏"‏ أفنلت من أمه ‏"‏‏.‏ قلت نعم‏.‏ قال ‏"‏ إنك امرؤ فيك جاهلية ‏"‏‏.‏ قلت على حين ساعتي هذه من كبر السن قال ‏"‏ نعم، هم إخوانكم، جعلهم الله تحت أيديكم، فمن جعل الله أخاه تحت يده فليطعمه مما يأكل، وليلبسه مما يلبس، ولا يكلفه من العمل ما يغلبه، فإن كلفه ما يغلبه فليعنه عليه ‏"‏‏

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ তাঁর উপর একখানা চাদর ও তাঁর গোলামের গায়ে একখানা চাদর দেখে বললাম, যদি আপনি ঐ চাদরটি নিতেন ও পরতেন, তাহলে আপনার এক জোড়া হয়ে যেত আর গোলামকে অন্য কাপড় দিয়ে দিতেন। তখন আবূ যার (রাঃ) বললেনঃ একদিন আমার ও আরেক লোকের মধ্যে কথাবার্তা চলছিল। তার মা ছিল জনৈকা অনারব মহিলা। আমি তার মা তুলে গালি দিলাম। তখন লোকটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট তা বলল। তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি অমুককে গালি দিয়েছ? আমি বললামঃ হাঁ। তিনি বললেনঃ তুমি কি তার মা তুলে গালি দিয়েছ? আমি বললামঃ হাঁ। তিনি বললেনঃ নিশ্চয়ই তুমি তো এমন লোক যার মধ্যে জাহিলী যুগের স্বভাব আছে। আমি বললামঃ এখনো? এ বৃদ্ধ বয়সেও? তিনি বললেনঃ হাঁ! তারা তোমাদেরই ভাই। আল্লাহ তা‘আলা ওদের তোমাদের অধীন করেছেন। সুতরাং আল্লাহ তা‘আলা যার ভাইকে তার অধীন করে দেন সে নিজে যা খায়, তাকেও যেন তা খাওয়ায়। সে নিজে যা পরে, তাকেও যেন তা পরায়। আর তার উপর যেন এমন কোন কাজ না চাপায়, যা তার শক্তির বাইরে। আর যদি তার উপর এমন কোন কঠিন ভার দিতেই হয়, তাহলে সে নিজেও যেন তাকে সাহায্য করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫১১)

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ তাঁর উপর একখানা চাদর ও তাঁর গোলামের গায়ে একখানা চাদর দেখে বললাম, যদি আপনি ঐ চাদরটি নিতেন ও পরতেন, তাহলে আপনার এক জোড়া হয়ে যেত আর গোলামকে অন্য কাপড় দিয়ে দিতেন। তখন আবূ যার (রাঃ) বললেনঃ একদিন আমার ও আরেক লোকের মধ্যে কথাবার্তা চলছিল। তার মা ছিল জনৈকা অনারব মহিলা। আমি তার মা তুলে গালি দিলাম। তখন লোকটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট তা বলল। তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি অমুককে গালি দিয়েছ? আমি বললামঃ হাঁ। তিনি বললেনঃ তুমি কি তার মা তুলে গালি দিয়েছ? আমি বললামঃ হাঁ। তিনি বললেনঃ নিশ্চয়ই তুমি তো এমন লোক যার মধ্যে জাহিলী যুগের স্বভাব আছে। আমি বললামঃ এখনো? এ বৃদ্ধ বয়সেও? তিনি বললেনঃ হাঁ! তারা তোমাদেরই ভাই। আল্লাহ তা‘আলা ওদের তোমাদের অধীন করেছেন। সুতরাং আল্লাহ তা‘আলা যার ভাইকে তার অধীন করে দেন সে নিজে যা খায়, তাকেও যেন তা খাওয়ায়। সে নিজে যা পরে, তাকেও যেন তা পরায়। আর তার উপর যেন এমন কোন কাজ না চাপায়, যা তার শক্তির বাইরে। আর যদি তার উপর এমন কোন কঠিন ভার দিতেই হয়, তাহলে সে নিজেও যেন তাকে সাহায্য করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫১১)

حدثنا عمر بن حفص، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، عن المعرور، عن أبي ذر، قال رأيت عليه بردا وعلى غلامه بردا فقلت لو أخذت هذا فلبسته كانت حلة، وأعطيته ثوبا آخر‏.‏ فقال كان بيني وبين رجل كلام، وكانت أمه أعجمية، فنلت منها فذكرني إلى النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم فقال لي ‏"‏ أساببت فلانا ‏"‏‏.‏ قلت نعم‏.‏ قال ‏"‏ أفنلت من أمه ‏"‏‏.‏ قلت نعم‏.‏ قال ‏"‏ إنك امرؤ فيك جاهلية ‏"‏‏.‏ قلت على حين ساعتي هذه من كبر السن قال ‏"‏ نعم، هم إخوانكم، جعلهم الله تحت أيديكم، فمن جعل الله أخاه تحت يده فليطعمه مما يأكل، وليلبسه مما يلبس، ولا يكلفه من العمل ما يغلبه، فإن كلفه ما يغلبه فليعنه عليه ‏"‏‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00