সহিহ বুখারী > মুমিনদের পারস্পরিক সহযোগিতা ।
সহিহ বুখারী ৬০২৬
حدثنا محمد بن يوسف، حدثنا سفيان، عن أبي بردة، بريد بن أبي بردة قال أخبرني جدي أبو بردة، عن أبيه أبي موسى، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " المؤمن للمؤمن كالبنيان، يشد بعضه بعضا ". ثم شبك بين أصابعه.
আবূ মূসা (আশ'আরী) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: মু'মিন মু'মিনের জন্য ইমারাত সদৃশ, যার একাংশ অন্য অংশকে মযবূত করে। এরপর তিনি (হাতের) আঙ্গুলগুলো (অন্য হাতের) আঙ্গুলে (এ ফাঁকে) ঢুকালেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৮৮)
আবূ মূসা (আশ'আরী) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: মু'মিন মু'মিনের জন্য ইমারাত সদৃশ, যার একাংশ অন্য অংশকে মযবূত করে। এরপর তিনি (হাতের) আঙ্গুলগুলো (অন্য হাতের) আঙ্গুলে (এ ফাঁকে) ঢুকালেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৮৮)
حدثنا محمد بن يوسف، حدثنا سفيان، عن أبي بردة، بريد بن أبي بردة قال أخبرني جدي أبو بردة، عن أبيه أبي موسى، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " المؤمن للمؤمن كالبنيان، يشد بعضه بعضا ". ثم شبك بين أصابعه.
সহিহ বুখারী ৬০২৭
وكان النبي صلى الله عليه وسلم جالسا إذ جاء رجل يسأل أو طالب حاجة أقبل علينا بوجهه فقال " اشفعوا فلتؤجروا، وليقض الله على لسان نبيه ما شاء ".
আবূ মূসা (আশ'আরী) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপবিষ্ট ছিলেন। ইতোমধ্যে এক ব্যক্তি কিছু প্রশ্ন করার জন্য কিংবা কোন প্রয়োজনে আসলো। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের দিকে ফিরে চাইলেন এবং বললেনঃ তোমরা তার জন্য (তাকে কিছু দেয়ার) সুপারিশ করো। এতে তোমাদেরকে প্রতিদান দেয়া হবে। আল্লাহ তাঁর নবীর দু'আ অনুসারে যা ইচ্ছে তা করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৮৮)
আবূ মূসা (আশ'আরী) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপবিষ্ট ছিলেন। ইতোমধ্যে এক ব্যক্তি কিছু প্রশ্ন করার জন্য কিংবা কোন প্রয়োজনে আসলো। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের দিকে ফিরে চাইলেন এবং বললেনঃ তোমরা তার জন্য (তাকে কিছু দেয়ার) সুপারিশ করো। এতে তোমাদেরকে প্রতিদান দেয়া হবে। আল্লাহ তাঁর নবীর দু'আ অনুসারে যা ইচ্ছে তা করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৮৮)
وكان النبي صلى الله عليه وسلم جالسا إذ جاء رجل يسأل أو طالب حاجة أقبل علينا بوجهه فقال " اشفعوا فلتؤجروا، وليقض الله على لسان نبيه ما شاء ".
সহিহ বুখারী > আল্লাহ তা'আলার বাণীঃ ''যে ব্যক্তি ভাল কাজের জন্য সুপারিশ করবে, তার জন্য তাতে (সাওয়াবের) অংশ আছে এবং যে মন্দ কাজের জন্যে সুপারিশ করবে, তার জন্য তাতে অংশ আছে, আল্লাহ সকল বিষয়ে খোঁজ রাখেন।'' [সুরাহ আন্-নিসা: ৪/৮৫]
সহিহ বুখারী ৬০২৮
حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا أبو أسامة، عن بريد، عن أبي بردة، عن أبي موسى، عن النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم أنه كان إذا أتاه السائل أو صاحب الحاجة قال " اشفعوا فلتؤجروا، وليقض الله على لسان رسوله ما شاء ".
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে কোন ভিখারী অথবা অভাবগ্রস্ত লোক এলে তিনি বলতেনঃ তোমরা সুপারিশ করো, তাহলে তোমরা সাওয়াব পাবে। অবশ্য আল্লাহ তা'আলা তাঁর রসূলের দু'আ অনুযায়ী যা ইচ্ছে তা করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৮৯)
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে কোন ভিখারী অথবা অভাবগ্রস্ত লোক এলে তিনি বলতেনঃ তোমরা সুপারিশ করো, তাহলে তোমরা সাওয়াব পাবে। অবশ্য আল্লাহ তা'আলা তাঁর রসূলের দু'আ অনুযায়ী যা ইচ্ছে তা করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৮৯)
حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا أبو أسامة، عن بريد، عن أبي بردة، عن أبي موسى، عن النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم أنه كان إذا أتاه السائل أو صاحب الحاجة قال " اشفعوا فلتؤجروا، وليقض الله على لسان رسوله ما شاء ".
সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অশালীন ছিলেন না, আর ইচ্ছে করে অশালীন কথা বলতেন না।
সহিহ বুখারী ৬০৩১
حدثنا أصبغ، قال أخبرني ابن وهب، أخبرنا أبو يحيى، هو فليح بن سليمان عن هلال بن أسامة، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال لم يكن النبي صلى الله عليه وسلم سبابا ولا فحاشا ولا لعانا، كان يقول لأحدنا عند المعتبة " ما له، ترب جبينه ".
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গালি-গালাজকারী, অশালীন ও লা'নতকারী ছিলেন না। তিনি আমাদের কারো উপর অসন্তুষ্ট হলে, শুধু এতটুকু বলতেন, তার কী হলো। তার কপাল ধূলিমলিন হোক।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৯২)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গালি-গালাজকারী, অশালীন ও লা'নতকারী ছিলেন না। তিনি আমাদের কারো উপর অসন্তুষ্ট হলে, শুধু এতটুকু বলতেন, তার কী হলো। তার কপাল ধূলিমলিন হোক।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৯২)
حدثنا أصبغ، قال أخبرني ابن وهب، أخبرنا أبو يحيى، هو فليح بن سليمان عن هلال بن أسامة، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال لم يكن النبي صلى الله عليه وسلم سبابا ولا فحاشا ولا لعانا، كان يقول لأحدنا عند المعتبة " ما له، ترب جبينه ".
সহিহ বুখারী ৬০২৯
حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن سليمان، سمعت أبا وائل، سمعت مسروقا، قال قال عبد الله بن عمرو. حدثنا قتيبة، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن شقيق بن سلمة، عن مسروق، قال دخلنا على عبد الله بن عمرو حين قدم مع معاوية إلى الكوفة فذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال لم يكن فاحشا ولا متفحشا، وقال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن من أخيركم أحسنكم خلقا ".
ইবনু মাসরূক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা 'আবদুল্লাহ ইবনু 'আম্র -এর নিকট গেলাম, যখন তিনি মু'আবিয়াহ (রহঃ) -এর সাথে কুফায় পদার্পণ করেন। তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কথা উল্লেখ করতেন। অতঃপর বললেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বভাবগতভাবে অশালীন ছিলেন না, আর ইচ্ছে করে অশালীন কথা বলতেন না। তিনি আরও বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে ঐ ব্যক্তি সর্বোত্তম স্বভাবে যে সবচেয়ে উত্তম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৯০)
ইবনু মাসরূক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা 'আবদুল্লাহ ইবনু 'আম্র -এর নিকট গেলাম, যখন তিনি মু'আবিয়াহ (রহঃ) -এর সাথে কুফায় পদার্পণ করেন। তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কথা উল্লেখ করতেন। অতঃপর বললেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বভাবগতভাবে অশালীন ছিলেন না, আর ইচ্ছে করে অশালীন কথা বলতেন না। তিনি আরও বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে ঐ ব্যক্তি সর্বোত্তম স্বভাবে যে সবচেয়ে উত্তম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৯০)
حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن سليمان، سمعت أبا وائل، سمعت مسروقا، قال قال عبد الله بن عمرو. حدثنا قتيبة، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن شقيق بن سلمة، عن مسروق، قال دخلنا على عبد الله بن عمرو حين قدم مع معاوية إلى الكوفة فذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال لم يكن فاحشا ولا متفحشا، وقال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن من أخيركم أحسنكم خلقا ".
সহিহ বুখারী ৬০৩০
حدثنا محمد بن سلام، أخبرنا عبد الوهاب، عن أيوب، عن عبد الله بن أبي مليكة، عن عائشة ـ رضى الله عنها أن يهود، أتوا النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا السام عليكم. فقالت عائشة عليكم، ولعنكم الله، وغضب الله عليكم. قال " مهلا يا عائشة، عليك بالرفق، وإياك والعنف والفحش ". قالت أولم تسمع ما قالوا قال " أولم تسمعي ما قلت رددت عليهم، فيستجاب لي فيهم، ولا يستجاب لهم في ".
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার একদল ইয়াহূদী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললঃ আস্-সামু 'আলাইকুম! (তোমার মরণ হোক)। 'আয়িশাহ (রাঃ) বললেনঃ তোমাদের উপরই এবং তোমাদের উপর আল্লাহ্র লা'নত ও গযব পড়ুক। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে 'আয়িশাহ! একটু থামো। নম্রতা অবলম্বন করা তোমাদের কর্তব্য। রূঢ়তা ও অশালীনতা বর্জন করো। 'আয়িশাহ (রাঃ) বললেনঃ তারা যা বলেছে তা কি আপনি শোনেননি? তিনি বললেনঃ আমি যা বললাম, তুমি কি তা শোননি? কথাটি তাদের উপরই ফিরিয়ে দিয়েছি। সুতরাং তাদের ব্যাপারে (আল্লাহর কাছে) আমার কথাই কবুল হবে আর আমার সম্পর্কে তাদের কথা কবুল হবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৯১)
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার একদল ইয়াহূদী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললঃ আস্-সামু 'আলাইকুম! (তোমার মরণ হোক)। 'আয়িশাহ (রাঃ) বললেনঃ তোমাদের উপরই এবং তোমাদের উপর আল্লাহ্র লা'নত ও গযব পড়ুক। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে 'আয়িশাহ! একটু থামো। নম্রতা অবলম্বন করা তোমাদের কর্তব্য। রূঢ়তা ও অশালীনতা বর্জন করো। 'আয়িশাহ (রাঃ) বললেনঃ তারা যা বলেছে তা কি আপনি শোনেননি? তিনি বললেনঃ আমি যা বললাম, তুমি কি তা শোননি? কথাটি তাদের উপরই ফিরিয়ে দিয়েছি। সুতরাং তাদের ব্যাপারে (আল্লাহর কাছে) আমার কথাই কবুল হবে আর আমার সম্পর্কে তাদের কথা কবুল হবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৯১)
حدثنا محمد بن سلام، أخبرنا عبد الوهاب، عن أيوب، عن عبد الله بن أبي مليكة، عن عائشة ـ رضى الله عنها أن يهود، أتوا النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا السام عليكم. فقالت عائشة عليكم، ولعنكم الله، وغضب الله عليكم. قال " مهلا يا عائشة، عليك بالرفق، وإياك والعنف والفحش ". قالت أولم تسمع ما قالوا قال " أولم تسمعي ما قلت رددت عليهم، فيستجاب لي فيهم، ولا يستجاب لهم في ".
সহিহ বুখারী ৬০৩২
حدثنا عمرو بن عيسى، حدثنا محمد بن سواء، حدثنا روح بن القاسم، عن محمد بن المنكدر، عن عروة، عن عائشة، أن رجلا، استأذن على النبي صلى الله عليه وسلم فلما رآه قال " بئس أخو العشيرة، وبئس ابن العشيرة ". فلما جلس تطلق النبي صلى الله عليه وسلم في وجهه وانبسط إليه، فلما انطلق الرجل قالت له عائشة يا رسول الله حين رأيت الرجل قلت له كذا وكذا، ثم تطلقت في وجهه وانبسطت إليه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا عائشة متى عهدتني فحاشا، إن شر الناس عند الله منزلة يوم القيامة من تركه الناس اتقاء شره ".
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট প্রবেশের অনুমতি চাইল। তিনি লোকটিকে দেখে বললেনঃ সে সমাজের নিকৃষ্ট লোক এবং সমাজের দুষ্ট সন্তান। এরপর সে যখন এসে বলল, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আনন্দ সহকারে তার সাথে মেলামেশা করলেন। লোকটি চলে গেলে 'আয়িশাহ (রাঃ) তাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ হে আল্লাহর রসূল! যখন আপনি লোকটিকে দেখলেন তখন তার ব্যাপারে এমন বললেন, পরে তার সাথে আপনি আনন্দচিত্তে সাক্ষাৎ করলেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে 'আয়িশাহ! তুমি কখন আমাকে অশালীন দেখেছ? ক্বিয়ামতের দিন আল্লাহ্র কাছে মর্যাদার দিক দিয়ে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট সেই ব্যক্তি, যার দুষ্টামির কারণে মানুষ তাকে ত্যাগ করে।[৬০৫৪, ৬৪৩১; মুসলিম ৪৫/২০, হাঃ ২৫৯১, আহমাদ ২৪১৬১] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৯৩)
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট প্রবেশের অনুমতি চাইল। তিনি লোকটিকে দেখে বললেনঃ সে সমাজের নিকৃষ্ট লোক এবং সমাজের দুষ্ট সন্তান। এরপর সে যখন এসে বলল, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আনন্দ সহকারে তার সাথে মেলামেশা করলেন। লোকটি চলে গেলে 'আয়িশাহ (রাঃ) তাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ হে আল্লাহর রসূল! যখন আপনি লোকটিকে দেখলেন তখন তার ব্যাপারে এমন বললেন, পরে তার সাথে আপনি আনন্দচিত্তে সাক্ষাৎ করলেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে 'আয়িশাহ! তুমি কখন আমাকে অশালীন দেখেছ? ক্বিয়ামতের দিন আল্লাহ্র কাছে মর্যাদার দিক দিয়ে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট সেই ব্যক্তি, যার দুষ্টামির কারণে মানুষ তাকে ত্যাগ করে।[৬০৫৪, ৬৪৩১; মুসলিম ৪৫/২০, হাঃ ২৫৯১, আহমাদ ২৪১৬১] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৯৩)
حدثنا عمرو بن عيسى، حدثنا محمد بن سواء، حدثنا روح بن القاسم، عن محمد بن المنكدر، عن عروة، عن عائشة، أن رجلا، استأذن على النبي صلى الله عليه وسلم فلما رآه قال " بئس أخو العشيرة، وبئس ابن العشيرة ". فلما جلس تطلق النبي صلى الله عليه وسلم في وجهه وانبسط إليه، فلما انطلق الرجل قالت له عائشة يا رسول الله حين رأيت الرجل قلت له كذا وكذا، ثم تطلقت في وجهه وانبسطت إليه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا عائشة متى عهدتني فحاشا، إن شر الناس عند الله منزلة يوم القيامة من تركه الناس اتقاء شره ".
সহিহ বুখারী > সচ্চরিত্রতা, দানশীলতা সম্পর্কে ও কৃপণতা ঘৃণ্য হওয়া সম্পর্কে।
সহিহ বুখারী ৬০৩৪
حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، عن ابن المنكدر، قال سمعت جابرا ـ رضى الله عنه ـ يقول ما سئل النبي صلى الله عليه وسلم عن شىء قط فقال لا.
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট কোন জিনিস চাওয়া হলে, তিনি কক্ষনো 'না' বলেননি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৯৫)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট কোন জিনিস চাওয়া হলে, তিনি কক্ষনো 'না' বলেননি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৯৫)
حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، عن ابن المنكدر، قال سمعت جابرا ـ رضى الله عنه ـ يقول ما سئل النبي صلى الله عليه وسلم عن شىء قط فقال لا.
সহিহ বুখারী ৬০৩৮
حدثنا موسى بن إسماعيل، سمع سلام بن مسكين، قال سمعت ثابتا، يقول حدثنا أنس ـ رضى الله عنه ـ قال خدمت النبي صلى الله عليه وسلم عشر سنين، فما قال لي أف. ولا لم صنعت ولا ألا صنعت.
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি দশটি বছর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর খিদমত করেছি। কিন্তু তিনি কক্ষনো আমার প্রতি উঃ শব্দটি করেননি। এ কথা জিজ্ঞেস করেননি, তুমি এ কাজ কেন করলে এবং কেন করলে না? [২৭৬৮; মুসলিম ৪৩/১৩, হাঃ ২৩০৯, আহমাদ ১৩০২০] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৯৯)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি দশটি বছর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর খিদমত করেছি। কিন্তু তিনি কক্ষনো আমার প্রতি উঃ শব্দটি করেননি। এ কথা জিজ্ঞেস করেননি, তুমি এ কাজ কেন করলে এবং কেন করলে না? [২৭৬৮; মুসলিম ৪৩/১৩, হাঃ ২৩০৯, আহমাদ ১৩০২০] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৯৯)
حدثنا موسى بن إسماعيل، سمع سلام بن مسكين، قال سمعت ثابتا، يقول حدثنا أنس ـ رضى الله عنه ـ قال خدمت النبي صلى الله عليه وسلم عشر سنين، فما قال لي أف. ولا لم صنعت ولا ألا صنعت.
সহিহ বুখারী ৬০৩৩
حدثنا عمرو بن عون، حدثنا حماد ـ هو ابن زيد ـ عن ثابت، عن أنس، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم أحسن الناس وأجود الناس وأشجع الناس، ولقد فزع أهل المدينة ذات ليلة فانطلق الناس قبل الصوت، فاستقبلهم النبي صلى الله عليه وسلم قد سبق الناس إلى الصوت وهو يقول " لن تراعوا، لن تراعوا ". وهو على فرس لأبي طلحة عرى ما عليه سرج، في عنقه سيف فقال " لقد وجدته بحرا ". أو " إنه لبحر ".
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মানুষের মধ্যে সর্বাপেক্ষা সুন্দর, সর্বাপেক্ষা অধিক দানশীল এবং লোকদের মধ্যে সর্বাধিক সাহসী ছিলেন। একবার রাত্রিবেলা (বিরাট শব্দে) মাদীনাহ্বাসীরা ভীত-শঙ্কিত হয়ে পড়ে। তাই লোকেরা সেই শব্দের দিকে রওয়ানা হয়। তখন তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে সম্মুখেই পেলেন, তিনি সেই শব্দের দিকে লোকদের আগেই বের হয়ে গিয়েছিলেন। তিনি বলতে লাগলেনঃ তোমরা ভয় পেয়ো না, তোমরা ভয় পেয়ো না। এ সময় তিনি আবূ ত্বলহা (রাঃ) –এর জিন বিহীন অশ্বোপরি সাওয়ার ছিলেন। আর তাঁর স্কন্ধে একখানা তলোয়ার ঝুলছিল। এরপর তিনি বলতেনঃ এ ঘোড়াটিকে তো আমি সমুদ্রের মত (দ্রুত ধাবমান) পেয়েছি। অথবা বললেনঃ এ ঘোড়াটিতো একটি সমুদ্র।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৯৪)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মানুষের মধ্যে সর্বাপেক্ষা সুন্দর, সর্বাপেক্ষা অধিক দানশীল এবং লোকদের মধ্যে সর্বাধিক সাহসী ছিলেন। একবার রাত্রিবেলা (বিরাট শব্দে) মাদীনাহ্বাসীরা ভীত-শঙ্কিত হয়ে পড়ে। তাই লোকেরা সেই শব্দের দিকে রওয়ানা হয়। তখন তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে সম্মুখেই পেলেন, তিনি সেই শব্দের দিকে লোকদের আগেই বের হয়ে গিয়েছিলেন। তিনি বলতে লাগলেনঃ তোমরা ভয় পেয়ো না, তোমরা ভয় পেয়ো না। এ সময় তিনি আবূ ত্বলহা (রাঃ) –এর জিন বিহীন অশ্বোপরি সাওয়ার ছিলেন। আর তাঁর স্কন্ধে একখানা তলোয়ার ঝুলছিল। এরপর তিনি বলতেনঃ এ ঘোড়াটিকে তো আমি সমুদ্রের মত (দ্রুত ধাবমান) পেয়েছি। অথবা বললেনঃ এ ঘোড়াটিতো একটি সমুদ্র।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৯৪)
حدثنا عمرو بن عون، حدثنا حماد ـ هو ابن زيد ـ عن ثابت، عن أنس، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم أحسن الناس وأجود الناس وأشجع الناس، ولقد فزع أهل المدينة ذات ليلة فانطلق الناس قبل الصوت، فاستقبلهم النبي صلى الله عليه وسلم قد سبق الناس إلى الصوت وهو يقول " لن تراعوا، لن تراعوا ". وهو على فرس لأبي طلحة عرى ما عليه سرج، في عنقه سيف فقال " لقد وجدته بحرا ". أو " إنه لبحر ".
সহিহ বুখারী ৬০৩৫
حدثنا عمر بن حفص، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، قال حدثني شقيق، عن مسروق، قال كنا جلوسا مع عبد الله بن عمرو يحدثنا إذ قال لم يكن رسول الله صلى الله عليه وسلم فاحشا ولا متفحشا، وإنه كان يقول " إن خياركم أحاسنكم أخلاقا ".
মাসরূক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ একবার আমরা 'আবদুল্লাহ ইবনু 'আম্র (রাঃ) -এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। তিনি আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করছিলেন। তিনি বললেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বভাবগতভাবে অশালীন ছিলেন না এবং তিনি ইচ্ছে করে অশালীন কথা বলতেন না। তিনি বলতেনঃ তোমাদের মধ্যে যার স্বভাব-চরিত্র উত্তম, সেই তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৯৬)
মাসরূক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ একবার আমরা 'আবদুল্লাহ ইবনু 'আম্র (রাঃ) -এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। তিনি আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করছিলেন। তিনি বললেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বভাবগতভাবে অশালীন ছিলেন না এবং তিনি ইচ্ছে করে অশালীন কথা বলতেন না। তিনি বলতেনঃ তোমাদের মধ্যে যার স্বভাব-চরিত্র উত্তম, সেই তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৯৬)
حدثنا عمر بن حفص، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، قال حدثني شقيق، عن مسروق، قال كنا جلوسا مع عبد الله بن عمرو يحدثنا إذ قال لم يكن رسول الله صلى الله عليه وسلم فاحشا ولا متفحشا، وإنه كان يقول " إن خياركم أحاسنكم أخلاقا ".
সহিহ বুখারী ৬০৩৭
حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، قال أخبرني حميد بن عبد الرحمن، أن أبا هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يتقارب الزمان وينقص العمل، ويلقى الشح ويكثر الهرج ". قالوا وما الهرج قال " القتل، القتل ".
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন কিয়ামত সন্নিকট হচ্ছে, ‘আমাল কমে যাবে, অন্তরে কৃপণতা ঢেলে দেয়া হবে এবং হারজ বেড়ে যাবে। সাহাবাগণ জিজ্ঞেস করলেনঃ হারজ’ কী? তিনি বললেনঃ হত্যা, হত্যা।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৯৮)
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন কিয়ামত সন্নিকট হচ্ছে, ‘আমাল কমে যাবে, অন্তরে কৃপণতা ঢেলে দেয়া হবে এবং হারজ বেড়ে যাবে। সাহাবাগণ জিজ্ঞেস করলেনঃ হারজ’ কী? তিনি বললেনঃ হত্যা, হত্যা।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৯৮)
حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، قال أخبرني حميد بن عبد الرحمن، أن أبا هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يتقارب الزمان وينقص العمل، ويلقى الشح ويكثر الهرج ". قالوا وما الهرج قال " القتل، القتل ".
সহিহ বুখারী ৬০৩৬
حدثنا سعيد بن أبي مريم، حدثنا أبو غسان، قال حدثني أبو حازم، عن سهل بن سعد، قال جاءت امرأة إلى النبي صلى الله عليه وسلم ببردة. فقال سهل للقوم أتدرون ما البردة فقال القوم هي شملة. فقال سهل هي شملة منسوجة فيها حاشيتها ـ فقالت يا رسول الله أكسوك هذه. فأخذها النبي صلى الله عليه وسلم محتاجا إليها، فلبسها، فرآها عليه رجل من الصحابة فقال يا رسول الله ما أحسن هذه فاكسنيها. فقال " نعم ". فلما قام النبي صلى الله عليه وسلم لامه أصحابه قالوا ما أحسنت حين رأيت النبي صلى الله عليه وسلم أخذها محتاجا إليها، ثم سألته إياها، وقد عرفت أنه لا يسأل شيئا فيمنعه. فقال رجوت بركتها حين لبسها النبي صلى الله عليه وسلم لعلي أكفن فيها.
সাহ্ল ইবনু সা'দ (রাঃ থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ এক মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট একখানা বুরদাহ্ নিয়ে আসলেন। সাহ্ল (রাঃ) লোকজনকে জিজ্ঞেস করলেনঃ আপনারা কি জানেন বুরদাহ্ কী? তাঁরা বললেনঃ তা চাদর। সাহ্ল (রাঃ) বললেনঃ এটি এমন চাদর যা ঝালরসহ বোনা। এরপর সেই মহিলা আরয করলেনঃ হে আল্লাহর রসূল! আমি আপনাকে এটি পরার জন্য দিলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চাদরখানা এমনভাবে গ্রহন করলেন, যেন তাঁর এটির দরকার ছিল। এরপর তিনি এটি পরলেন। এরপর সহাবীদের মধ্যে এক ব্যক্তি সেটি তাঁর দেহে দেখে বললঃ হে আল্লাহ্র রসূল! এটা কতই না সুন্দর! আপনি এটি আমাকে দিয়ে দিন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ 'হাঁ' (দিয়ে দিব)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উঠে চলে গেলে, অন্যান্য সহাবীরা তাঁকে দোষারোপ করে বললেনঃ তুমি ভাল কাজ করোনি। যখন তুমি দেখলে যে, এটি তাঁর প্রয়োজন ছিল বলেই তিনি চাদরখানা এমনভাবে গ্রহন করেছেন। এরপরও তুমি সেটা চাইলে। অথচ তুমি অবশ্যই জানো যে, তাঁর কাছে কোন জিনিস চাওয়া হলে তিনি কাউকে কখনো বিমুখ করেন না। তখন সেই ব্যক্তি বললঃ যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এটি পরেছেন, তখন তাঁর বারাকাত লাভের জন্যই আমি এ কাজ করেছি, যাতে এ চাদরে আমার কাফন হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৯৭)
সাহ্ল ইবনু সা'দ (রাঃ থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ এক মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট একখানা বুরদাহ্ নিয়ে আসলেন। সাহ্ল (রাঃ) লোকজনকে জিজ্ঞেস করলেনঃ আপনারা কি জানেন বুরদাহ্ কী? তাঁরা বললেনঃ তা চাদর। সাহ্ল (রাঃ) বললেনঃ এটি এমন চাদর যা ঝালরসহ বোনা। এরপর সেই মহিলা আরয করলেনঃ হে আল্লাহর রসূল! আমি আপনাকে এটি পরার জন্য দিলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চাদরখানা এমনভাবে গ্রহন করলেন, যেন তাঁর এটির দরকার ছিল। এরপর তিনি এটি পরলেন। এরপর সহাবীদের মধ্যে এক ব্যক্তি সেটি তাঁর দেহে দেখে বললঃ হে আল্লাহ্র রসূল! এটা কতই না সুন্দর! আপনি এটি আমাকে দিয়ে দিন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ 'হাঁ' (দিয়ে দিব)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উঠে চলে গেলে, অন্যান্য সহাবীরা তাঁকে দোষারোপ করে বললেনঃ তুমি ভাল কাজ করোনি। যখন তুমি দেখলে যে, এটি তাঁর প্রয়োজন ছিল বলেই তিনি চাদরখানা এমনভাবে গ্রহন করেছেন। এরপরও তুমি সেটা চাইলে। অথচ তুমি অবশ্যই জানো যে, তাঁর কাছে কোন জিনিস চাওয়া হলে তিনি কাউকে কখনো বিমুখ করেন না। তখন সেই ব্যক্তি বললঃ যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এটি পরেছেন, তখন তাঁর বারাকাত লাভের জন্যই আমি এ কাজ করেছি, যাতে এ চাদরে আমার কাফন হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৯৭)
حدثنا سعيد بن أبي مريم، حدثنا أبو غسان، قال حدثني أبو حازم، عن سهل بن سعد، قال جاءت امرأة إلى النبي صلى الله عليه وسلم ببردة. فقال سهل للقوم أتدرون ما البردة فقال القوم هي شملة. فقال سهل هي شملة منسوجة فيها حاشيتها ـ فقالت يا رسول الله أكسوك هذه. فأخذها النبي صلى الله عليه وسلم محتاجا إليها، فلبسها، فرآها عليه رجل من الصحابة فقال يا رسول الله ما أحسن هذه فاكسنيها. فقال " نعم ". فلما قام النبي صلى الله عليه وسلم لامه أصحابه قالوا ما أحسنت حين رأيت النبي صلى الله عليه وسلم أخذها محتاجا إليها، ثم سألته إياها، وقد عرفت أنه لا يسأل شيئا فيمنعه. فقال رجوت بركتها حين لبسها النبي صلى الله عليه وسلم لعلي أكفن فيها.