সহিহ বুখারী > পিতা-মাতার নাফরমানী করা কবীরা গুনাহ।

সহিহ বুখারী ৫৯৭৫

حدثنا سعد بن حفص، حدثنا شيبان، عن منصور، عن المسيب، عن وراد، عن المغيرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن الله حرم عليكم عقوق الأمهات، ومنع وهات، ووأد البنات، وكره لكم قيل وقال، وكثرة السؤال، وإضاعة المال ‏"‏‏.‏

সা’দ ইবনু হাফ্‌স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আল্লাহ তা’আলা তোমাদের উপর হারাম করেছেন, মা-বাপের নাফরমানী করা, প্রাপকের প্রাপ্য আটক রাখা, যে জিনিস গ্রহণ করা তোমাদের জন্য ঠিক নয় তা তলব করা এবং কন্যা সন্তানকে জীবিত ক্ববর দেয়া। আর তিনি তোমাদের জন্য অপছন্দ করেছেন গল্প-গুজব করা, অতিরিক্ত প্রশ্ন করা ও সম্পদ অপচয় করা।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৩৭)

সা’দ ইবনু হাফ্‌স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আল্লাহ তা’আলা তোমাদের উপর হারাম করেছেন, মা-বাপের নাফরমানী করা, প্রাপকের প্রাপ্য আটক রাখা, যে জিনিস গ্রহণ করা তোমাদের জন্য ঠিক নয় তা তলব করা এবং কন্যা সন্তানকে জীবিত ক্ববর দেয়া। আর তিনি তোমাদের জন্য অপছন্দ করেছেন গল্প-গুজব করা, অতিরিক্ত প্রশ্ন করা ও সম্পদ অপচয় করা।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৩৭)

حدثنا سعد بن حفص، حدثنا شيبان، عن منصور، عن المسيب، عن وراد، عن المغيرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن الله حرم عليكم عقوق الأمهات، ومنع وهات، ووأد البنات، وكره لكم قيل وقال، وكثرة السؤال، وإضاعة المال ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৫৯৭৬

حدثني إسحاق، حدثنا خالد الواسطي، عن الجريري، عن عبد الرحمن بن أبي بكرة، عن أبيه ـ رضى الله عنه ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ألا أنبئكم بأكبر الكبائر ‏"‏‏.‏ قلنا بلى يا رسول الله‏.‏ قال ‏"‏ الإشراك بالله، وعقوق الوالدين ‏"‏‏.‏ وكان متكئا فجلس فقال ‏"‏ ألا وقول الزور وشهادة الزور، ألا وقول الزور وشهادة الزور ‏"‏‏.‏ فما زال يقولها حتى قلت لا يسكت‏.‏

আবূ বাক্‌রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আমি কি তোমাদের সব থেকে বড় গুনাহ সম্পর্কে সতর্ক করব না? আমরা বললাম: অবশ্যই সতর্ক করবেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! তিনি বললেনঃআল্লাহ্‌র সঙ্গে কোন কিছুকে অংশীদার গণ্য করা, পিতা-মাতার নাফরমানী করা। এ কথা বলার সময় তিনি হেলান দিয়ে উপবিষ্ট ছিলেন। এরপর (সোজা হয়ে) বসলেন এবং বললেনঃমিথ্যা বলা ও মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া, দু’বার করে বললেন এবং ক্রমাগত বলেই চললেন। এমনকি আমি বললাম, তিনি মনে হয় থামবেন না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৩৮)

আবূ বাক্‌রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আমি কি তোমাদের সব থেকে বড় গুনাহ সম্পর্কে সতর্ক করব না? আমরা বললাম: অবশ্যই সতর্ক করবেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! তিনি বললেনঃআল্লাহ্‌র সঙ্গে কোন কিছুকে অংশীদার গণ্য করা, পিতা-মাতার নাফরমানী করা। এ কথা বলার সময় তিনি হেলান দিয়ে উপবিষ্ট ছিলেন। এরপর (সোজা হয়ে) বসলেন এবং বললেনঃমিথ্যা বলা ও মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া, দু’বার করে বললেন এবং ক্রমাগত বলেই চললেন। এমনকি আমি বললাম, তিনি মনে হয় থামবেন না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৩৮)

حدثني إسحاق، حدثنا خالد الواسطي، عن الجريري، عن عبد الرحمن بن أبي بكرة، عن أبيه ـ رضى الله عنه ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ألا أنبئكم بأكبر الكبائر ‏"‏‏.‏ قلنا بلى يا رسول الله‏.‏ قال ‏"‏ الإشراك بالله، وعقوق الوالدين ‏"‏‏.‏ وكان متكئا فجلس فقال ‏"‏ ألا وقول الزور وشهادة الزور، ألا وقول الزور وشهادة الزور ‏"‏‏.‏ فما زال يقولها حتى قلت لا يسكت‏.‏


সহিহ বুখারী ৫৯৭৭

حدثني محمد بن الوليد، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال حدثني عبيد الله بن أبي بكر، قال سمعت أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم الكبائر، أو سئل عن الكبائر فقال ‏"‏ الشرك بالله، وقتل النفس، وعقوق الوالدين ‏"‏‏.‏ فقال ‏"‏ ألا أنبئكم بأكبر الكبائر ـ قال ـ قول الزور ـ أو قال ـ شهادة الزور ‏"‏‏.‏ قال شعبة وأكثر ظني أنه قال ‏"‏ شهادة الزور ‏"‏‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাবীরা গুনাহ্‌র কথা উল্লেখ করলেন অথবা তাঁকে কবীরা গুনাহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো। তখন তিনি বললেনঃ আল্লাহ্‌র সঙ্গে শারীক করা, মানুষ হত্যা করা ও মা-বাপের নাফরমানী করা। তারপর তিনি বললেনঃ আমি কি তোমাদের কবীরা গুনাহ্‌র অন্যতম গুনাহ হতে সতর্ক করবো না? পরে বললেনঃ মিথ্যা কথা বলা, অথবা বলেছেনঃ মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া। শু'বাহ (রহঃ) বলেন, আমার বেশি ধারণা হয় যে, তিনি বলেছেনঃ মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৩৯)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাবীরা গুনাহ্‌র কথা উল্লেখ করলেন অথবা তাঁকে কবীরা গুনাহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো। তখন তিনি বললেনঃ আল্লাহ্‌র সঙ্গে শারীক করা, মানুষ হত্যা করা ও মা-বাপের নাফরমানী করা। তারপর তিনি বললেনঃ আমি কি তোমাদের কবীরা গুনাহ্‌র অন্যতম গুনাহ হতে সতর্ক করবো না? পরে বললেনঃ মিথ্যা কথা বলা, অথবা বলেছেনঃ মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া। শু'বাহ (রহঃ) বলেন, আমার বেশি ধারণা হয় যে, তিনি বলেছেনঃ মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৩৯)

حدثني محمد بن الوليد، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال حدثني عبيد الله بن أبي بكر، قال سمعت أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم الكبائر، أو سئل عن الكبائر فقال ‏"‏ الشرك بالله، وقتل النفس، وعقوق الوالدين ‏"‏‏.‏ فقال ‏"‏ ألا أنبئكم بأكبر الكبائر ـ قال ـ قول الزور ـ أو قال ـ شهادة الزور ‏"‏‏.‏ قال شعبة وأكثر ظني أنه قال ‏"‏ شهادة الزور ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > মুশরিক পিতার সাথে সুসম্পর্ক রাখা।

সহিহ বুখারী ৫৯৭৮

حدثنا الحميدي، حدثنا سفيان، حدثنا هشام بن عروة، أخبرني أبي، أخبرتني أسماء ابنة أبي بكر ـ رضى الله عنهما ـ قالت أتتني أمي راغبة في عهد النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم فسألت النبي صلى الله عليه وسلم آصلها قال ‏"‏ نعم ‏"‏‏.‏ قال ابن عيينة فأنزل الله تعالى فيها ‏{‏لا ينهاكم الله عن الذين لم يقاتلوكم في الدين‏}‏

আবূ বাক্‌র (রাঃ) -এর কন্যা আসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর যুগে আমার অমুসলিম মা আমার কাছে এলেন। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট জিজ্ঞেস করলামঃ তার সঙ্গে ভাল ব্যবহার করবো কি না? তিনি বললেন, হাঁ। ইবনু ‘উয়াইনাহ (রহঃ) বলেন, এ ঘটনা প্রসঙ্গেই আল্লাহ তা‘আলা অবতীর্ণ করেনঃ “দ্বীনের ব্যাপারে যারা তোমাদের সাথে যুদ্ধ করেনি, আর তোমাদেরকে তোমাদের ঘর-বাড়ী থেকে বের ক’রে দেয়নি তাদের সঙ্গে সদয় ব্যবহার করতে আর ন্যায়নিষ্ঠ আচরণ করতে আল্লাহ নিষেধ করেননি।” (সূরাহ আল-মুমতাহিনাহ ৬০:৮)(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৪০)

আবূ বাক্‌র (রাঃ) -এর কন্যা আসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর যুগে আমার অমুসলিম মা আমার কাছে এলেন। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট জিজ্ঞেস করলামঃ তার সঙ্গে ভাল ব্যবহার করবো কি না? তিনি বললেন, হাঁ। ইবনু ‘উয়াইনাহ (রহঃ) বলেন, এ ঘটনা প্রসঙ্গেই আল্লাহ তা‘আলা অবতীর্ণ করেনঃ “দ্বীনের ব্যাপারে যারা তোমাদের সাথে যুদ্ধ করেনি, আর তোমাদেরকে তোমাদের ঘর-বাড়ী থেকে বের ক’রে দেয়নি তাদের সঙ্গে সদয় ব্যবহার করতে আর ন্যায়নিষ্ঠ আচরণ করতে আল্লাহ নিষেধ করেননি।” (সূরাহ আল-মুমতাহিনাহ ৬০:৮)(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৪০)

حدثنا الحميدي، حدثنا سفيان، حدثنا هشام بن عروة، أخبرني أبي، أخبرتني أسماء ابنة أبي بكر ـ رضى الله عنهما ـ قالت أتتني أمي راغبة في عهد النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم فسألت النبي صلى الله عليه وسلم آصلها قال ‏"‏ نعم ‏"‏‏.‏ قال ابن عيينة فأنزل الله تعالى فيها ‏{‏لا ينهاكم الله عن الذين لم يقاتلوكم في الدين‏}‏


সহিহ বুখারী > যে স্ত্রীর স্বামী আছে, ঐ স্ত্রীর পক্ষে তার নিজের মায়ের সঙ্গে ভাল ব্যবহার অক্ষুণ্ন রাখা।

সহিহ বুখারী ৫৯৭৯

وقال الليث حدثني هشام، عن عروة، عن أسماء، قالت قدمت أمي وهى مشركة في عهد قريش ومدتهم، إذ عاهدوا النبي صلى الله عليه وسلم مع أبيها، فاستفتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت إن أمي قدمت وهى راغبة ‏{‏أفأصلها‏}‏ قال ‏ "‏ نعم صلي أمك ‏"‏‏.‏

আসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ কুরাইশরা যে সময়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে সন্ধি চুক্তি করেছিল, ঐ চুক্তিবদ্ধ সময়ে আমার মা তাঁর পিতার সঙ্গে এলেন। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে জিজ্ঞেস করলামঃ আমার মা এসেছেন, তবে সে অমুসলিম। আমি কি তাঁর সঙ্গে উত্তম ব্যবহার করবো? তিনি বললেনঃ হাঁ। তোমার মায়ের সঙ্গে উত্তম ব্যবহার করো।(আধুনিক প্রকাশনী- অনুচ্ছেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- অনুচ্ছেদ)

আসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ কুরাইশরা যে সময়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে সন্ধি চুক্তি করেছিল, ঐ চুক্তিবদ্ধ সময়ে আমার মা তাঁর পিতার সঙ্গে এলেন। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে জিজ্ঞেস করলামঃ আমার মা এসেছেন, তবে সে অমুসলিম। আমি কি তাঁর সঙ্গে উত্তম ব্যবহার করবো? তিনি বললেনঃ হাঁ। তোমার মায়ের সঙ্গে উত্তম ব্যবহার করো।(আধুনিক প্রকাশনী- অনুচ্ছেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- অনুচ্ছেদ)

وقال الليث حدثني هشام، عن عروة، عن أسماء، قالت قدمت أمي وهى مشركة في عهد قريش ومدتهم، إذ عاهدوا النبي صلى الله عليه وسلم مع أبيها، فاستفتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت إن أمي قدمت وهى راغبة ‏{‏أفأصلها‏}‏ قال ‏ "‏ نعم صلي أمك ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৫৯৮০

حدثنا يحيى، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله، أن عبد الله بن عباس، أخبره أن أبا سفيان أخبره أن هرقل أرسل إليه فقال يعني النبي صلى الله عليه وسلم يأمرنا بالصلاة والصدقة والعفاف والصلة‏.‏

ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, আবূ সুফ্‌ইয়ান (রাঃ) থেকে জানিয়েছেন যে, (রোম সম্রাট) হিরাক্লিয়াস তাকে ডেকে পাঠায়। আবূ সুফ্‌ইয়ান (রাঃ) বললো যে, তিনি অর্থাৎ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সালাত আদায় করতে, যাকাত দিতে, পবিত্র থাকতে এবং রক্তের সম্পর্ক বজায় রাখতে নির্দেশ দেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৪১)

ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, আবূ সুফ্‌ইয়ান (রাঃ) থেকে জানিয়েছেন যে, (রোম সম্রাট) হিরাক্লিয়াস তাকে ডেকে পাঠায়। আবূ সুফ্‌ইয়ান (রাঃ) বললো যে, তিনি অর্থাৎ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সালাত আদায় করতে, যাকাত দিতে, পবিত্র থাকতে এবং রক্তের সম্পর্ক বজায় রাখতে নির্দেশ দেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৪১)

حدثنا يحيى، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله، أن عبد الله بن عباس، أخبره أن أبا سفيان أخبره أن هرقل أرسل إليه فقال يعني النبي صلى الله عليه وسلم يأمرنا بالصلاة والصدقة والعفاف والصلة‏.‏


সহিহ বুখারী > মুশরিক ভাইয়ের সঙ্গে উত্তম ব্যবহার করা।

সহিহ বুখারী ৫৯৮১

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا عبد العزيز بن مسلم، حدثنا عبد الله بن دينار، قال سمعت ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ يقول رأى عمر حلة سيراء تباع فقال يا رسول الله ابتع هذه، والبسها يوم الجمعة، وإذا جاءك الوفود‏.‏ قال ‏"‏ إنما يلبس هذه من لا خلاق له ‏"‏‏.‏ فأتي النبي صلى الله عليه وسلم منها بحلل، فأرسل إلى عمر بحلة فقال كيف ألبسها وقد قلت فيها ما قلت قال ‏"‏ إني لم أعطكها لتلبسها، ولكن تبيعها أو تكسوها ‏"‏‏.‏ فأرسل بها عمر إلى أخ له من أهل مكة قبل أن يسلم‏.‏

ইবনু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা 'উমার (রাঃ) এক জোড়া রেশমী ডোরাদার কাপড় বিক্রি হতে দেখেন। এরপর তিনি (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে) বললেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি এটা ক্রয় করুন, জুমু'আর দিনে, আর আপনার কাছে যখন প্রতিনিধি দল আসে তখন আপনি তা পরবেন। তিনি বললেনঃ এটা সে-ই পরতে পারে, যার জন্য কল্যাণের কোন হিস্যা নেই। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এ জাতীয় কারুকার্য খচিত কিছু কাপড় আসে। তিনি তা থেকে এক জোড়া কাপড় (হুল্লা) 'উমার (রাঃ) -এর নিকট পাঠিয়ে দেন। তিনি (এসে) বললেনঃ আমি কীভাবে এটা পরবো? অথচ এ সম্পর্কে আপনি যা বলার তা বলেছেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি তোমাকে এটি পরার জন্য দেইনি, বরং এ জন্যেই দিয়েছি যে, তুমি ওটা বিক্রি করে দেবে অথবা অন্যকে পরতে দেবে। তখন 'উমার (রাঃ) তা মক্কায় তার ভাইয়ের কাছে পাঠিয়ে দেন, যে তখনও ইসলাম গ্রহণ করেনি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৪২)

ইবনু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা 'উমার (রাঃ) এক জোড়া রেশমী ডোরাদার কাপড় বিক্রি হতে দেখেন। এরপর তিনি (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে) বললেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি এটা ক্রয় করুন, জুমু'আর দিনে, আর আপনার কাছে যখন প্রতিনিধি দল আসে তখন আপনি তা পরবেন। তিনি বললেনঃ এটা সে-ই পরতে পারে, যার জন্য কল্যাণের কোন হিস্যা নেই। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এ জাতীয় কারুকার্য খচিত কিছু কাপড় আসে। তিনি তা থেকে এক জোড়া কাপড় (হুল্লা) 'উমার (রাঃ) -এর নিকট পাঠিয়ে দেন। তিনি (এসে) বললেনঃ আমি কীভাবে এটা পরবো? অথচ এ সম্পর্কে আপনি যা বলার তা বলেছেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি তোমাকে এটি পরার জন্য দেইনি, বরং এ জন্যেই দিয়েছি যে, তুমি ওটা বিক্রি করে দেবে অথবা অন্যকে পরতে দেবে। তখন 'উমার (রাঃ) তা মক্কায় তার ভাইয়ের কাছে পাঠিয়ে দেন, যে তখনও ইসলাম গ্রহণ করেনি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৪২)

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا عبد العزيز بن مسلم، حدثنا عبد الله بن دينار، قال سمعت ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ يقول رأى عمر حلة سيراء تباع فقال يا رسول الله ابتع هذه، والبسها يوم الجمعة، وإذا جاءك الوفود‏.‏ قال ‏"‏ إنما يلبس هذه من لا خلاق له ‏"‏‏.‏ فأتي النبي صلى الله عليه وسلم منها بحلل، فأرسل إلى عمر بحلة فقال كيف ألبسها وقد قلت فيها ما قلت قال ‏"‏ إني لم أعطكها لتلبسها، ولكن تبيعها أو تكسوها ‏"‏‏.‏ فأرسل بها عمر إلى أخ له من أهل مكة قبل أن يسلم‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00