সহিহ বুখারী > সবুজ পোশাক প্রসঙ্গে

সহিহ বুখারী ৫৮২৫

محمد بن بشار حدثنا عبد الوهاب أخبرنا أيوب عن عكرمة أن رفاعة طلق امرأته“ فتزوجها عبد الرحمٰن بن الزبير القرظي قالت عائشة وعليها خمار أخضر فشكت إليها وأرتها خضرة بجلدها فلما جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم والنساء ينصر بعضهن بعضا قالت عائشة ما رأيت مثل ما يلقى المؤمنات لجلدها أشد خضرة من ثوبها قال وسمع أنها قد أتت رسول الله صلى الله عليه وسلم فجاء ومعه ابنان له“ من غيرها قالت والله ما لي إليه من ذنب إلا أن ما معه“ ليس بأغنٰى عني من هٰذه„ وأخذت هدبة من ثوبها فقال كذبت والله يا رسول الله إني لأنفضها نفض الأديم ولٰكنها ناشز تريد رفاعة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم فإن كان ذلك لم تحلي له“ أو لم تصلحي له“ حتٰى يذوق من عسيلتك قال وأبصر معه ابنين له“ فقال بنوك هؤلاء قال نعم قال هٰذا الذي تزعمين ما تزعمين فوالله لهم أشبه“ به„ من الغراب بالغراب.

ইকরামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রিফা’আ তার স্ত্রীকে তালাক দেয়। পরে আবদুর রহমান কুরাযী তাকে বিবাহ করে। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, তার গায়ে একটি সবুজ রঙের উড়না ছিল। সে ‘আয়িশা (রাঃ) -এর নিকট অভিযোগ করল এবং (স্বামীর প্রহারজনিত) স্বীয় গাত্রের চামড়ার সবুজ বর্ণ দেখালো। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন এলেন, আর স্ত্রীগণ একে অন্যের সহযোগিতা করে থাকে, তখন ‘আয়িশা (রাঃ) বললেনঃ কোন মু’মিন মহিলাকে এমনভাবে প্রহার করতে আমি কখনও দেখিনি। মহিলাটির চামড়া তার কাপড়ের চেয়ে বেশি সবুজ হয়ে গেছে। বর্ণনাকারী বলেনঃ ‘আবদুর রহমান শুনতে পেল যে, তার স্ত্রী রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এসেছে। সুতরাং সেও তার অন্য স্ত্রীর দু’টি ছেলে সাথে করে এলো। স্ত্রী লোকটি বললঃ আল্লাহ্‌র কসম! তার উপর আমার এ ব্যতীত আর কোন অভিযোগ নেই যে, তার কাছে যা আছে তা আমাকে এ জিনিসের চেয়ে অধিক তৃপ্তি দেয় না। এ বলে তার কাপড়ের আঁচল ধরে দেখাল। ‘আবদুর রহমান বললঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! সে মিথ্যা বলছে, আমি তাকে ধোলাই করি চামড়া ধোলাই করার ন্যায় (দীর্ঘস্থায়ী সঙ্গম করি)। কিন্তু সে অবাধ্য স্ত্রী, রিফা’আর কাছে ফিরে যেতে চায়। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ব্যাপার যদি তাই হয় তাহলে রিফা’আ তোমার জন্য হালাল হবে না, অথবা তুমি তার যোগ্য হতে পার না, যতক্ষণ না ‘আবদুর রহমান তোমার সুধা আস্বাদন করবে। বর্ণনাকারী বলেনঃ রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আবদুর রহমানের সাথে তার পুত্রদ্বয়কে দেখে বললেন, এরা কি তোমার পুত্র? সে বললঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ এই আসল ঘটনা, যে জন্য স্ত্রী লোকটি এমন করেছে। আল্লাহ্‌র কসম! কাকের সাথে কাকের যেমন মিল থাকে, তার চেয়েও বেশি মিল আছে ওদের সাথে এর (অর্থাৎ ‘আবদুর রহমানের সাথে তাঁর পুত্রদের)। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯৫)

ইকরামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রিফা’আ তার স্ত্রীকে তালাক দেয়। পরে আবদুর রহমান কুরাযী তাকে বিবাহ করে। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, তার গায়ে একটি সবুজ রঙের উড়না ছিল। সে ‘আয়িশা (রাঃ) -এর নিকট অভিযোগ করল এবং (স্বামীর প্রহারজনিত) স্বীয় গাত্রের চামড়ার সবুজ বর্ণ দেখালো। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন এলেন, আর স্ত্রীগণ একে অন্যের সহযোগিতা করে থাকে, তখন ‘আয়িশা (রাঃ) বললেনঃ কোন মু’মিন মহিলাকে এমনভাবে প্রহার করতে আমি কখনও দেখিনি। মহিলাটির চামড়া তার কাপড়ের চেয়ে বেশি সবুজ হয়ে গেছে। বর্ণনাকারী বলেনঃ ‘আবদুর রহমান শুনতে পেল যে, তার স্ত্রী রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এসেছে। সুতরাং সেও তার অন্য স্ত্রীর দু’টি ছেলে সাথে করে এলো। স্ত্রী লোকটি বললঃ আল্লাহ্‌র কসম! তার উপর আমার এ ব্যতীত আর কোন অভিযোগ নেই যে, তার কাছে যা আছে তা আমাকে এ জিনিসের চেয়ে অধিক তৃপ্তি দেয় না। এ বলে তার কাপড়ের আঁচল ধরে দেখাল। ‘আবদুর রহমান বললঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! সে মিথ্যা বলছে, আমি তাকে ধোলাই করি চামড়া ধোলাই করার ন্যায় (দীর্ঘস্থায়ী সঙ্গম করি)। কিন্তু সে অবাধ্য স্ত্রী, রিফা’আর কাছে ফিরে যেতে চায়। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ব্যাপার যদি তাই হয় তাহলে রিফা’আ তোমার জন্য হালাল হবে না, অথবা তুমি তার যোগ্য হতে পার না, যতক্ষণ না ‘আবদুর রহমান তোমার সুধা আস্বাদন করবে। বর্ণনাকারী বলেনঃ রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আবদুর রহমানের সাথে তার পুত্রদ্বয়কে দেখে বললেন, এরা কি তোমার পুত্র? সে বললঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ এই আসল ঘটনা, যে জন্য স্ত্রী লোকটি এমন করেছে। আল্লাহ্‌র কসম! কাকের সাথে কাকের যেমন মিল থাকে, তার চেয়েও বেশি মিল আছে ওদের সাথে এর (অর্থাৎ ‘আবদুর রহমানের সাথে তাঁর পুত্রদের)। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯৫)

محمد بن بشار حدثنا عبد الوهاب أخبرنا أيوب عن عكرمة أن رفاعة طلق امرأته“ فتزوجها عبد الرحمٰن بن الزبير القرظي قالت عائشة وعليها خمار أخضر فشكت إليها وأرتها خضرة بجلدها فلما جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم والنساء ينصر بعضهن بعضا قالت عائشة ما رأيت مثل ما يلقى المؤمنات لجلدها أشد خضرة من ثوبها قال وسمع أنها قد أتت رسول الله صلى الله عليه وسلم فجاء ومعه ابنان له“ من غيرها قالت والله ما لي إليه من ذنب إلا أن ما معه“ ليس بأغنٰى عني من هٰذه„ وأخذت هدبة من ثوبها فقال كذبت والله يا رسول الله إني لأنفضها نفض الأديم ولٰكنها ناشز تريد رفاعة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم فإن كان ذلك لم تحلي له“ أو لم تصلحي له“ حتٰى يذوق من عسيلتك قال وأبصر معه ابنين له“ فقال بنوك هؤلاء قال نعم قال هٰذا الذي تزعمين ما تزعمين فوالله لهم أشبه“ به„ من الغراب بالغراب.


সহিহ বুখারী > সাদা পোশাক প্রসঙ্গে

সহিহ বুখারী ৫৮২৬

إسحاق بن إبراهيم الحنظلي أخبرنا محمد بن بشر حدثنا مسعر عن سعد بن إبراهيم عن أبيه عن سعد قال رأيت بشمال النبي صلى الله عليه وسلم ويمينه„ رجلين عليهما ثياب بيض يوم أحد ما رأيتهما قبل ولا بعد.

সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ উহুদের দিন আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ডানে ও বামে দু’জন পুরুষ লোককে দেখলাম। তাদের পরনে সাদা পোষাক ছিল। তাদের এর আগেও দেখিনি, আর পরেও দেখিনি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯৬)

সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ উহুদের দিন আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ডানে ও বামে দু’জন পুরুষ লোককে দেখলাম। তাদের পরনে সাদা পোষাক ছিল। তাদের এর আগেও দেখিনি, আর পরেও দেখিনি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯৬)

إسحاق بن إبراهيم الحنظلي أخبرنا محمد بن بشر حدثنا مسعر عن سعد بن إبراهيم عن أبيه عن سعد قال رأيت بشمال النبي صلى الله عليه وسلم ويمينه„ رجلين عليهما ثياب بيض يوم أحد ما رأيتهما قبل ولا بعد.


সহিহ বুখারী ৫৮২৭

أبو معمر حدثنا عبد الوارث عن الحسين عن عبد الله بن بريدة عن يحيٰى بن يعمر حدثه“ أن أبا الأسود الدؤلي حدثه“ أن أبا ذر حدثه“ قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم وعليه ثوب أبيض وهو نائم ثم أتيته“ وقد استيقظ فقال ما من عبد قال لا إلٰه إلا الله ثم مات علٰى ذ‘لك إلا دخل الجنة قلت وإن زنٰى وإن سرق قال وإن زنٰى وإن سرق قلت وإن زنٰى وإن سرق قال وإن زنٰى وإن سرق قلت وإن زنٰى وإن سرق قال وإن زنٰى وإن سرق علٰى رغم أنف أبي ذر وكان أبو ذر إذا حدث بهٰذا قال وإن رغم أنف أبي ذر قال أبو عبد الله هٰذا عند الموت أو قبله“ إذا تاب وندم وقال لا إلٰه إلا الله غفر له.

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট আসলাম। তাঁর পরনে তখন সাদা পোশাক ছিল। তখন তিনি ছিলেন নিদ্রিত। কিছুক্ষণ পর আবার এলাম, তখন তিনি জেগে গেছেন। তিনি বললেনঃ যে কোন বান্দা ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’ বলবে এবং এ অবস্থার উপরে মারা যাবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আমি বললামঃ সে যদি যিনা করে, সে যদি চুরি করে? তিনি বললেনঃ যদি সে যিনা করে, যদি সে চুরি করে তবুও। আমি জিজ্ঞেস করলামঃ সে যদি যিনা করে, সে যদি চুরি করে তবুও? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, সে যদি যিনা করে, সে যদি চুরি করে তবুও। আমি বললামঃ যদি সে যিনা করে, যদি সে চুরি করে তবুও? তিনি যদি সে যিনা করে, যদি সে চুরি করে তবুও। আবূ যারের নাক ধূলি ধুসরিত হলেও। আবূ যার (রাঃ) যখনই এ হাদীস বর্ণনা করতেন তখন আবূ যারের নাসিকা ধূলাচ্ছন্ন হলেও বাক্যটি বলতেন। আবূ ‘আবদুল্লাহ (ইমাম বুখারী) বলেনঃ এ কথা প্রযোজ্য হয় মৃত্যুর সময় বা তার পূর্বে যখন সে তাওবাহ করে ও লজ্জিত হয় এবং বলে ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’, তখন তার পূর্বের গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯৭)

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট আসলাম। তাঁর পরনে তখন সাদা পোশাক ছিল। তখন তিনি ছিলেন নিদ্রিত। কিছুক্ষণ পর আবার এলাম, তখন তিনি জেগে গেছেন। তিনি বললেনঃ যে কোন বান্দা ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’ বলবে এবং এ অবস্থার উপরে মারা যাবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আমি বললামঃ সে যদি যিনা করে, সে যদি চুরি করে? তিনি বললেনঃ যদি সে যিনা করে, যদি সে চুরি করে তবুও। আমি জিজ্ঞেস করলামঃ সে যদি যিনা করে, সে যদি চুরি করে তবুও? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, সে যদি যিনা করে, সে যদি চুরি করে তবুও। আমি বললামঃ যদি সে যিনা করে, যদি সে চুরি করে তবুও? তিনি যদি সে যিনা করে, যদি সে চুরি করে তবুও। আবূ যারের নাক ধূলি ধুসরিত হলেও। আবূ যার (রাঃ) যখনই এ হাদীস বর্ণনা করতেন তখন আবূ যারের নাসিকা ধূলাচ্ছন্ন হলেও বাক্যটি বলতেন। আবূ ‘আবদুল্লাহ (ইমাম বুখারী) বলেনঃ এ কথা প্রযোজ্য হয় মৃত্যুর সময় বা তার পূর্বে যখন সে তাওবাহ করে ও লজ্জিত হয় এবং বলে ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’, তখন তার পূর্বের গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯৭)

أبو معمر حدثنا عبد الوارث عن الحسين عن عبد الله بن بريدة عن يحيٰى بن يعمر حدثه“ أن أبا الأسود الدؤلي حدثه“ أن أبا ذر حدثه“ قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم وعليه ثوب أبيض وهو نائم ثم أتيته“ وقد استيقظ فقال ما من عبد قال لا إلٰه إلا الله ثم مات علٰى ذ‘لك إلا دخل الجنة قلت وإن زنٰى وإن سرق قال وإن زنٰى وإن سرق قلت وإن زنٰى وإن سرق قال وإن زنٰى وإن سرق قلت وإن زنٰى وإن سرق قال وإن زنٰى وإن سرق علٰى رغم أنف أبي ذر وكان أبو ذر إذا حدث بهٰذا قال وإن رغم أنف أبي ذر قال أبو عبد الله هٰذا عند الموت أو قبله“ إذا تاب وندم وقال لا إلٰه إلا الله غفر له.


সহিহ বুখারী > পুরুষের জন্য রেশমী পোশাক পরা, রেশমী চাদর বিছানো এবং কী পরিমাণ রেশমী কাপড় ব্যবহার জায়িয।

সহিহ বুখারী ৫৮৩৩

سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن ثابت قال سمعت ابن الزبير يخطب يقول قال محمد صلى الله عليه وسلم من لبس الحرير في الدنيا لم يلبسه“ في الآخرة.

খালীফাহ ইবনু কা’ব থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবাইরকে খুতবায় বলতে শুনেছি। তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে লোক দুনিয়ায় রেশমী কাপড় পরবে, আখিরাতে সে তা পরতে পারবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- নাই)

খালীফাহ ইবনু কা’ব থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবাইরকে খুতবায় বলতে শুনেছি। তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে লোক দুনিয়ায় রেশমী কাপড় পরবে, আখিরাতে সে তা পরতে পারবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- নাই)

سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن ثابت قال سمعت ابن الزبير يخطب يقول قال محمد صلى الله عليه وسلم من لبس الحرير في الدنيا لم يلبسه“ في الآخرة.


সহিহ বুখারী ৫৮২৮

آدم حدثنا شعبة حدثنا قتادة قال سمعت أبا عثمان النهدي أتانا كتاب عمر ونحن مع عتبة بن فرقد بأذربيجان أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهٰى عن الحرير إلا هٰكذا وأشار بإصبعيه اللتين تليان الإبهام قال فيما علمنا أنه“ يعني الأعلام.

ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ ‘উসমান নাহদী (রাঃ) -এর থেকে শুনেছি, তিনি বলেছেনঃ আমাদের কাছে ‘উমার (রাঃ) -এর পক্ষ থেকে এক পত্র আসে, এ সময় আমরা ‘উত্‌বাহ ইবনু ফারকাদের সঙ্গে আযারবাইজানে অবস্থান করছিলাম। (পত্রে লেখা ছিলঃ) রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রেশম ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন, তবে এটুকু এবং ইঙ্গিত দিলেন বুড়ো আঙ্গুলের সাথে মিলিত দু’আঙ্গুল দ্বারা (বর্ণনাকারী বলেনঃ ) আমরা বুঝতে পারলাম যে (কতটুকু জায়িয তা) জানিয়ে তিনি পাড় ইত্যাদি বুঝাতে চেয়েছেন।[৫৮২৯, ৫৮৩০, ৫৮৩৪, ৫৮৩৫; মুসলিম পর্ব ৩৭/হাঃ ২০৬৯, আহমাদ ৩৬৫] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯৮)

ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ ‘উসমান নাহদী (রাঃ) -এর থেকে শুনেছি, তিনি বলেছেনঃ আমাদের কাছে ‘উমার (রাঃ) -এর পক্ষ থেকে এক পত্র আসে, এ সময় আমরা ‘উত্‌বাহ ইবনু ফারকাদের সঙ্গে আযারবাইজানে অবস্থান করছিলাম। (পত্রে লেখা ছিলঃ) রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রেশম ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন, তবে এটুকু এবং ইঙ্গিত দিলেন বুড়ো আঙ্গুলের সাথে মিলিত দু’আঙ্গুল দ্বারা (বর্ণনাকারী বলেনঃ ) আমরা বুঝতে পারলাম যে (কতটুকু জায়িয তা) জানিয়ে তিনি পাড় ইত্যাদি বুঝাতে চেয়েছেন।[৫৮২৯, ৫৮৩০, ৫৮৩৪, ৫৮৩৫; মুসলিম পর্ব ৩৭/হাঃ ২০৬৯, আহমাদ ৩৬৫] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯৮)

آدم حدثنا شعبة حدثنا قتادة قال سمعت أبا عثمان النهدي أتانا كتاب عمر ونحن مع عتبة بن فرقد بأذربيجان أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهٰى عن الحرير إلا هٰكذا وأشار بإصبعيه اللتين تليان الإبهام قال فيما علمنا أنه“ يعني الأعلام.


সহিহ বুখারী ৫৮২৯

أحمد بن يونس حدثنا زهير حدثنا عاصم عن أبي عثمان قال كتب إلينا عمر ونحن بأذربيجان أن النبي صلى الله عليه وسلم نهٰى عن لبس الحرير إلا هٰكذا وصف لنا النبي صلى الله عليه وسلم إصبعيه ورفع زهير الوسطٰى والسبابة.

আবূ ‘উসমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা আযারবাইজানে অবস্থান করছিলাম। এ সময় ‘উমার (রাঃ) আমাদের কাছে লিখে পাঠান যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রেশমী কাপড় পরতে নিষেধ করেছেন; কিন্তু এটুকু এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর দু’আঙ্গুল দিয়ে এর পরিমাণ আমাদের বলে দিয়েছেন। যুহাইর মধ্যমা ও শাহাদাত আঙ্গুল তুলে দেখিয়েছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯৯)

আবূ ‘উসমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা আযারবাইজানে অবস্থান করছিলাম। এ সময় ‘উমার (রাঃ) আমাদের কাছে লিখে পাঠান যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রেশমী কাপড় পরতে নিষেধ করেছেন; কিন্তু এটুকু এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর দু’আঙ্গুল দিয়ে এর পরিমাণ আমাদের বলে দিয়েছেন। যুহাইর মধ্যমা ও শাহাদাত আঙ্গুল তুলে দেখিয়েছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯৯)

أحمد بن يونس حدثنا زهير حدثنا عاصم عن أبي عثمان قال كتب إلينا عمر ونحن بأذربيجان أن النبي صلى الله عليه وسلم نهٰى عن لبس الحرير إلا هٰكذا وصف لنا النبي صلى الله عليه وسلم إصبعيه ورفع زهير الوسطٰى والسبابة.


সহিহ বুখারী ৫৮৩০

مسدد حدثنا يحيٰى عن التيمي عن أبي عثمان قال كنا مع عتبة فكتب إليه عمر أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا يلبس الحرير في الدنيا إلا لم يلبس في الآخرة منه“ الحسن بن عمر حدثنا معتمر حدثنا أبي حدثنا أبو عثمان وأشار أبو عثمان بإصبعيه المسبحة والوسطى.

আবূ ‘উসমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, আমরা উত্‌বাহ্‌র সাথে ছিলাম। ‘উমার (রাঃ) তার কাছে লিখে পাঠান যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যাকে আখিরাতে রেশম পরানো হবে না, সে ব্যতীত অন্য কেউ দুনিয়ায় রেশম পরবে না। আবূ ‘উসমান (রহঃ) তার দু’আঙ্গুল অর্থাৎ শাহাদাত ও মধ্যমা দ্বারা ইশারা করলেন। [৫৮২৮; মুসলিম পর্ব ৩৭/হাঃ ২০৬৯, আহমাদ ৩৬৫]] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩০০)

আবূ ‘উসমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, আমরা উত্‌বাহ্‌র সাথে ছিলাম। ‘উমার (রাঃ) তার কাছে লিখে পাঠান যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যাকে আখিরাতে রেশম পরানো হবে না, সে ব্যতীত অন্য কেউ দুনিয়ায় রেশম পরবে না। আবূ ‘উসমান (রহঃ) তার দু’আঙ্গুল অর্থাৎ শাহাদাত ও মধ্যমা দ্বারা ইশারা করলেন। [৫৮২৮; মুসলিম পর্ব ৩৭/হাঃ ২০৬৯, আহমাদ ৩৬৫]] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩০০)

مسدد حدثنا يحيٰى عن التيمي عن أبي عثمان قال كنا مع عتبة فكتب إليه عمر أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا يلبس الحرير في الدنيا إلا لم يلبس في الآخرة منه“ الحسن بن عمر حدثنا معتمر حدثنا أبي حدثنا أبو عثمان وأشار أبو عثمان بإصبعيه المسبحة والوسطى.


সহিহ বুখারী ৫৮৩২

آدم حدثنا شعبة حدثنا عبد العزيز بن صهيب قال سمعت أنس بن مالك قال شعبة فقلت أعن النبي صلى الله عليه وسلم فقال شديدا عن النبي صلى الله عليه وسلم فقال من لبس الحرير في الدنيا فلن يلبسه“ في الآخرة.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

শু’বাহ (রহঃ) বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলামঃ এ কথা কি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত? তিনি জোর দিয়ে বললেনঃ হ্যাঁ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। যে ব্যক্তি দুনিয়ায় রেশমী কাপড় পরবে, সে আখিরাতে তা কখনও পরতে পারবে না। [মুসলিম পর্ব ৩৭/হাঃ ৬০৭৩, আহমাদ ১১৯৮৫] আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩০৩)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

শু’বাহ (রহঃ) বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলামঃ এ কথা কি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত? তিনি জোর দিয়ে বললেনঃ হ্যাঁ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। যে ব্যক্তি দুনিয়ায় রেশমী কাপড় পরবে, সে আখিরাতে তা কখনও পরতে পারবে না। [মুসলিম পর্ব ৩৭/হাঃ ৬০৭৩, আহমাদ ১১৯৮৫] আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩০৩)

آدم حدثنا شعبة حدثنا عبد العزيز بن صهيب قال سمعت أنس بن مالك قال شعبة فقلت أعن النبي صلى الله عليه وسلم فقال شديدا عن النبي صلى الله عليه وسلم فقال من لبس الحرير في الدنيا فلن يلبسه“ في الآخرة.


সহিহ বুখারী ৫৮৩১

سليمان بن حرب حدثنا شعبة عن الحكم عن ابن أبي ليلٰى قال كان حذيفة بالمداين فاستسقٰى فأتاه“ دهقان بماء في إناء من فضة فرماه“ به„ وقال إني لم أرمه„ إلا أني نهيته“ فلم ينته قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الذهب والفضة والحرير والديباج هي لهم في الدنيا ولكم في الآخرة.

ইবনু আবূ লাইলা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হুযাইফাহ (রাঃ) মাদাইনে অবস্থান করেছিলেন। তিনি পানি পান করতে চাইলেন। এক গ্রাম্য লোক একটি রৌপ্য পাত্রে কিছু পানি নিয়ে আসল। হুযাইফা (রাঃ) তা ছুঁড়ে ফেললেন এবং বললেনঃ আমি ছুঁড়ে ফেলতাম না; কিন্তু আমি তাকে নিষেধ করেছি, সে নিবৃত হয়নি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ স্বর্ণ, রৌপ্য, পাতলা ও মোটা রেশম তাদের (অর্থাৎ কাফিরদের জন্য) দুনিয়ায় এবং তোমাদের (মুসলিমদের) জন্য আখিরাতে। [১](আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩০২ [১])

ইবনু আবূ লাইলা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হুযাইফাহ (রাঃ) মাদাইনে অবস্থান করেছিলেন। তিনি পানি পান করতে চাইলেন। এক গ্রাম্য লোক একটি রৌপ্য পাত্রে কিছু পানি নিয়ে আসল। হুযাইফা (রাঃ) তা ছুঁড়ে ফেললেন এবং বললেনঃ আমি ছুঁড়ে ফেলতাম না; কিন্তু আমি তাকে নিষেধ করেছি, সে নিবৃত হয়নি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ স্বর্ণ, রৌপ্য, পাতলা ও মোটা রেশম তাদের (অর্থাৎ কাফিরদের জন্য) দুনিয়ায় এবং তোমাদের (মুসলিমদের) জন্য আখিরাতে। [১](আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩০২ [১])

سليمان بن حرب حدثنا شعبة عن الحكم عن ابن أبي ليلٰى قال كان حذيفة بالمداين فاستسقٰى فأتاه“ دهقان بماء في إناء من فضة فرماه“ به„ وقال إني لم أرمه„ إلا أني نهيته“ فلم ينته قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الذهب والفضة والحرير والديباج هي لهم في الدنيا ولكم في الآخرة.


সহিহ বুখারী ৫৮৩৪

علي بن الجعد أخبرنا شعبة عن أبي ذبيان خليفة بن كعب قال سمعت ابن الزبير يقول سمعت عمر يقول قال النبي صلى الله عليه وسلم من لبس الحرير في الدنيا لم يلبسه“ في الآخرة وقال لنا أبو معمر حدثنا عبد الوارث عن يزيد قالت معاذة أخبرتني أم عمرو بنت عبد الله سمعت عبد الله بن الزبير سمع عمر سمع النبي صلى الله عليه وسلم نحوه.

উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে লোক দুনিয়ায় রেশমী কাপড় পরবে, আখিরাতে সে তা পরতে পারবে না। (আ. প্র. ৫৪০৮, ই. ফা. ৫৩০৪) আবূ মা’মার আমাদের বলেছেন .................. ‘উমার (রাঃ) নবী হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- নাই)

উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে লোক দুনিয়ায় রেশমী কাপড় পরবে, আখিরাতে সে তা পরতে পারবে না। (আ. প্র. ৫৪০৮, ই. ফা. ৫৩০৪) আবূ মা’মার আমাদের বলেছেন .................. ‘উমার (রাঃ) নবী হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- নাই)

علي بن الجعد أخبرنا شعبة عن أبي ذبيان خليفة بن كعب قال سمعت ابن الزبير يقول سمعت عمر يقول قال النبي صلى الله عليه وسلم من لبس الحرير في الدنيا لم يلبسه“ في الآخرة وقال لنا أبو معمر حدثنا عبد الوارث عن يزيد قالت معاذة أخبرتني أم عمرو بنت عبد الله سمعت عبد الله بن الزبير سمع عمر سمع النبي صلى الله عليه وسلم نحوه.


সহিহ বুখারী ৫৮৩৫

محمد بن بشار حدثنا عثمان بن عمر حدثنا علي بن المبارك عن يحيٰى بن أبي كثير عن عمران بن حطان قال سألت عائشة عن الحرير فقالت ائت ابن عباس فسله“ قال فسألته“ فقال سل ابن عمر قال فسألت ابن عمر فقال أخبرني أبو حفص يعني عمر بن الخطاب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إنما يلبس الحرير في الدنيا من لا خلاق له“ في الآخرة فقلت صدق وما كذب أبو حفص علٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال عبد الله بن رجاء حدثنا حرب عن يحيٰى حدثني عمران وقص الحديث.

ইমরান ইবনু হিত্তান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ) -এর নিকট রেশম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেনঃ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) -এর নিকট যাও এবং তাকে জিজ্ঞেস কর। আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলামঃ তিনি বললেন, ইবনু ‘উমারের নিকট জিজ্ঞেস কর। ইবনু ‘উমারকে জিজ্ঞেস করলাম; তিনি বললেন, আবূ হাফস অর্থাৎ ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) বলেছেন যে, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দুনিয়ায় যে ব্যক্তিই রেশমী কাপড় পরবে, তার আখিরাতে কোন অংশ নেই। আমি বললামঃ তিনি সত্য বলেছেন। আবূ হাফ্‌স রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর উপর মিথ্যারোপ করেননি। ‘ইমরানের সূত্রে ঐ রকমই হাদীস বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩০৫)

ইমরান ইবনু হিত্তান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ) -এর নিকট রেশম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেনঃ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) -এর নিকট যাও এবং তাকে জিজ্ঞেস কর। আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলামঃ তিনি বললেন, ইবনু ‘উমারের নিকট জিজ্ঞেস কর। ইবনু ‘উমারকে জিজ্ঞেস করলাম; তিনি বললেন, আবূ হাফস অর্থাৎ ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) বলেছেন যে, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দুনিয়ায় যে ব্যক্তিই রেশমী কাপড় পরবে, তার আখিরাতে কোন অংশ নেই। আমি বললামঃ তিনি সত্য বলেছেন। আবূ হাফ্‌স রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর উপর মিথ্যারোপ করেননি। ‘ইমরানের সূত্রে ঐ রকমই হাদীস বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩০৫)

محمد بن بشار حدثنا عثمان بن عمر حدثنا علي بن المبارك عن يحيٰى بن أبي كثير عن عمران بن حطان قال سألت عائشة عن الحرير فقالت ائت ابن عباس فسله“ قال فسألته“ فقال سل ابن عمر قال فسألت ابن عمر فقال أخبرني أبو حفص يعني عمر بن الخطاب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إنما يلبس الحرير في الدنيا من لا خلاق له“ في الآخرة فقلت صدق وما كذب أبو حفص علٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال عبد الله بن رجاء حدثنا حرب عن يحيٰى حدثني عمران وقص الحديث.


সহিহ বুখারী > পরিধান না করে রেশমী কাপড় স্পর্শ করা।

সহিহ বুখারী ৫৮৩৬

عبيد الله بن موسٰى عن إسرائيل عن أبي إسحاق عن البراء قال أهدي للنبي صلى الله عليه وسلم ثوب حرير فجعلنا نلمسه“ ونتعجب منه“ فقال النبي صلى الله عليه وسلم أتعجبون من هٰذا قلنا نعم قال مناديل سعد بن معاذ في الجنة خير من هٰذا.

বারা’আ’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জন্যে একখানা রেশমী বস্ত্র উপহার পাঠানো হয়। আমরা তা স্পর্শ করলাম এবং বিস্ময় প্রকাশ করলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা এতে বিস্ময় প্রকাশ করছো? আমরা বললামঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ জান্নাতে সা’দ ইবনু মু’আযের রুমাল এর চেয়ে উৎকৃষ্ট হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩০৬)

বারা’আ’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জন্যে একখানা রেশমী বস্ত্র উপহার পাঠানো হয়। আমরা তা স্পর্শ করলাম এবং বিস্ময় প্রকাশ করলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা এতে বিস্ময় প্রকাশ করছো? আমরা বললামঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ জান্নাতে সা’দ ইবনু মু’আযের রুমাল এর চেয়ে উৎকৃষ্ট হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩০৬)

عبيد الله بن موسٰى عن إسرائيل عن أبي إسحاق عن البراء قال أهدي للنبي صلى الله عليه وسلم ثوب حرير فجعلنا نلمسه“ ونتعجب منه“ فقال النبي صلى الله عليه وسلم أتعجبون من هٰذا قلنا نعم قال مناديل سعد بن معاذ في الجنة خير من هٰذا.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00