সহিহ বুখারী > এক কাপড়ে পেঁচিয়ে বসা প্রসঙ্গে।

সহিহ বুখারী ৫৮২২

محمد قال أخبرني مخلد أخبرنا ابن جريج قال أخبرني ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله عن أبي سعيد الخدري أن النبي صلى الله عليه وسلم نهٰى عن اشتمال الصماء وأن يحتبي الرجل في ثوب واحد ليس علٰى فرجه„ منه“ شيء.

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিষেধ করেছেন শরীরের এক পাশ খোলা রেখে অন্য পাশ ঢেকে পরতে। আর এক কাপড়ে পুরুষকে এমনভাবে ঢেকে বসতে, যাতে তার লজ্জাস্থানের উপর ঐ কাপড়ের কোন অংশ না থাকে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯২)

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিষেধ করেছেন শরীরের এক পাশ খোলা রেখে অন্য পাশ ঢেকে পরতে। আর এক কাপড়ে পুরুষকে এমনভাবে ঢেকে বসতে, যাতে তার লজ্জাস্থানের উপর ঐ কাপড়ের কোন অংশ না থাকে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯২)

محمد قال أخبرني مخلد أخبرنا ابن جريج قال أخبرني ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله عن أبي سعيد الخدري أن النبي صلى الله عليه وسلم نهٰى عن اشتمال الصماء وأن يحتبي الرجل في ثوب واحد ليس علٰى فرجه„ منه“ شيء.


সহিহ বুখারী ৫৮২১

إسماعيل قال حدثني مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة قال نهٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن لبستين أن يحتبي الرجل في الثوب الواحد ليس علٰى فرجه„ منه“ شيء وأن يشتمل بالثوب الواحد ليس علٰى أحد شقيه وعن الملامسة والمنابذة.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’ধরণের কাপড় পরতে নিষেধ করেছেন। একটি কাপড়ে পুরুষের এমনভাবে পেঁচিয়ে থাকা যে, তার লজ্জাস্থানের উপর সে কাপড়ের কোন অংশই থাকে না। আর একটি কাপড় এমনভাবে পেঁচিয়ে পরা যে, শরীরের এক অংশ খোলা থাকে। আর ‘মুলামাসাহ’ ও ‘মুনাবাযাহ’ থেকেও (তিনি নিষেধ করেছেন)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯১)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’ধরণের কাপড় পরতে নিষেধ করেছেন। একটি কাপড়ে পুরুষের এমনভাবে পেঁচিয়ে থাকা যে, তার লজ্জাস্থানের উপর সে কাপড়ের কোন অংশই থাকে না। আর একটি কাপড় এমনভাবে পেঁচিয়ে পরা যে, শরীরের এক অংশ খোলা থাকে। আর ‘মুলামাসাহ’ ও ‘মুনাবাযাহ’ থেকেও (তিনি নিষেধ করেছেন)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯১)

إسماعيل قال حدثني مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة قال نهٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن لبستين أن يحتبي الرجل في الثوب الواحد ليس علٰى فرجه„ منه“ شيء وأن يشتمل بالثوب الواحد ليس علٰى أحد شقيه وعن الملامسة والمنابذة.


সহিহ বুখারী > নকশাওয়ালা কালো চাদর প্রসঙ্গে।

সহিহ বুখারী ৫৮২৩

أبو نعيم حدثنا إسحاق بن سعيد عن أبيه سعيد بن فلان هو عمرو بن سعيد بن العاص عن أم خالد بنت خالد أتي النبي صلى الله عليه وسلم بثياب فيها خميصة سوداء صغيرة فقال من ترون أن نكسو هٰذه„ فسكت القوم قال ائتوني بأم خالد فأتي بها تحمل فأخذ الخميصة بيده„ فألبسها وقال أبلي وأخلقي وكان فيها علم أخضر أو أصفر فقال يا أم خالد هٰذا سناه وسناه بالحبشية حسن.

উম্মু খালিদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট কিছু কাপড় নিয়ে আসা হয়। তার মধ্যে কিছু কালো নক্শীদার ছোট চাদর ছিল। তিনি বললেনঃ আমরা এগুলো পরব, তোমাদের মত কী? উপস্থিত সকলে চুপ থাকল। তারপর তিনি বললেনঃ উম্মু খালিদকে আমার কাছে নিয়ে এসো। তাকে বহন করে আনা হল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের হাতে একটি চাদর নিলেন এবং তাকে পরিয়ে দিলেন। এরপর বললেনঃ এটি) তুমি পুরাতন কর ও ছিঁড়ে ফেল অর্থাৎ তুমি বহুদিন বাঁচ)। ঐ চাদরে সবুজ অথবা হলুদ রঙের নক্শী ছিল। তিনি বললেনঃ হে খালিদের মা!هٰذَا سَنَاهْঅর্থাৎ এটি কত সুন্দর! হাবশী ভাষায় সানাহ্ অর্থ সুন্দর। [৩০৭১] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯৩)

উম্মু খালিদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট কিছু কাপড় নিয়ে আসা হয়। তার মধ্যে কিছু কালো নক্শীদার ছোট চাদর ছিল। তিনি বললেনঃ আমরা এগুলো পরব, তোমাদের মত কী? উপস্থিত সকলে চুপ থাকল। তারপর তিনি বললেনঃ উম্মু খালিদকে আমার কাছে নিয়ে এসো। তাকে বহন করে আনা হল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের হাতে একটি চাদর নিলেন এবং তাকে পরিয়ে দিলেন। এরপর বললেনঃ এটি) তুমি পুরাতন কর ও ছিঁড়ে ফেল অর্থাৎ তুমি বহুদিন বাঁচ)। ঐ চাদরে সবুজ অথবা হলুদ রঙের নক্শী ছিল। তিনি বললেনঃ হে খালিদের মা!هٰذَا سَنَاهْঅর্থাৎ এটি কত সুন্দর! হাবশী ভাষায় সানাহ্ অর্থ সুন্দর। [৩০৭১] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯৩)

أبو نعيم حدثنا إسحاق بن سعيد عن أبيه سعيد بن فلان هو عمرو بن سعيد بن العاص عن أم خالد بنت خالد أتي النبي صلى الله عليه وسلم بثياب فيها خميصة سوداء صغيرة فقال من ترون أن نكسو هٰذه„ فسكت القوم قال ائتوني بأم خالد فأتي بها تحمل فأخذ الخميصة بيده„ فألبسها وقال أبلي وأخلقي وكان فيها علم أخضر أو أصفر فقال يا أم خالد هٰذا سناه وسناه بالحبشية حسن.


সহিহ বুখারী ৫৮২৪

محمد بن المثنٰى قال حدثني ابن أبي عدي عن ابن عون عن محمد عن أنس قال لما ولدت أم سليم قالت لي يا أنس انظر هٰذا الغلام فلا يصيبن شيئا حتٰى تغدو به„ إلى النبي صلى الله عليه وسلم يحنكه“ فغدوت به„ فإذا هو في حائط وعليه خميصة حريثية وهو يسم الظهر الذي قدم عليه في الفتح.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ উম্মু সুলাইম (রাঃ) যখন একটি সন্তান প্রসব করলেন তখন আমাকে জানালেন, হে আনাস! শিশুটিকে দেখ, যেন সে কিছু না খায়, যতক্ষন না তুমি একে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট নিয়ে যাও, তিনি এর তাহনীক করবেন। আমি তাকে নিয়ে গেলাম। দেখলাম, তিনি একটি বাগানে আছেন, আর তাঁর পরনে হুরাইসিয়া নামের চাদর আছে। তিনি যে উটে করে মাক্কাহ বিজয়ের দিনে অভিযানে গিয়েছিলেন তার পিঠে ছিলেন। [১৫০২; মুসলিম ৩৭/৩০, হাঃ ২১১৯] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯৪)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ উম্মু সুলাইম (রাঃ) যখন একটি সন্তান প্রসব করলেন তখন আমাকে জানালেন, হে আনাস! শিশুটিকে দেখ, যেন সে কিছু না খায়, যতক্ষন না তুমি একে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট নিয়ে যাও, তিনি এর তাহনীক করবেন। আমি তাকে নিয়ে গেলাম। দেখলাম, তিনি একটি বাগানে আছেন, আর তাঁর পরনে হুরাইসিয়া নামের চাদর আছে। তিনি যে উটে করে মাক্কাহ বিজয়ের দিনে অভিযানে গিয়েছিলেন তার পিঠে ছিলেন। [১৫০২; মুসলিম ৩৭/৩০, হাঃ ২১১৯] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯৪)

محمد بن المثنٰى قال حدثني ابن أبي عدي عن ابن عون عن محمد عن أنس قال لما ولدت أم سليم قالت لي يا أنس انظر هٰذا الغلام فلا يصيبن شيئا حتٰى تغدو به„ إلى النبي صلى الله عليه وسلم يحنكه“ فغدوت به„ فإذا هو في حائط وعليه خميصة حريثية وهو يسم الظهر الذي قدم عليه في الفتح.


সহিহ বুখারী > সবুজ পোশাক প্রসঙ্গে

সহিহ বুখারী ৫৮২৫

محمد بن بشار حدثنا عبد الوهاب أخبرنا أيوب عن عكرمة أن رفاعة طلق امرأته“ فتزوجها عبد الرحمٰن بن الزبير القرظي قالت عائشة وعليها خمار أخضر فشكت إليها وأرتها خضرة بجلدها فلما جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم والنساء ينصر بعضهن بعضا قالت عائشة ما رأيت مثل ما يلقى المؤمنات لجلدها أشد خضرة من ثوبها قال وسمع أنها قد أتت رسول الله صلى الله عليه وسلم فجاء ومعه ابنان له“ من غيرها قالت والله ما لي إليه من ذنب إلا أن ما معه“ ليس بأغنٰى عني من هٰذه„ وأخذت هدبة من ثوبها فقال كذبت والله يا رسول الله إني لأنفضها نفض الأديم ولٰكنها ناشز تريد رفاعة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم فإن كان ذلك لم تحلي له“ أو لم تصلحي له“ حتٰى يذوق من عسيلتك قال وأبصر معه ابنين له“ فقال بنوك هؤلاء قال نعم قال هٰذا الذي تزعمين ما تزعمين فوالله لهم أشبه“ به„ من الغراب بالغراب.

ইকরামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রিফা’আ তার স্ত্রীকে তালাক দেয়। পরে আবদুর রহমান কুরাযী তাকে বিবাহ করে। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, তার গায়ে একটি সবুজ রঙের উড়না ছিল। সে ‘আয়িশা (রাঃ) -এর নিকট অভিযোগ করল এবং (স্বামীর প্রহারজনিত) স্বীয় গাত্রের চামড়ার সবুজ বর্ণ দেখালো। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন এলেন, আর স্ত্রীগণ একে অন্যের সহযোগিতা করে থাকে, তখন ‘আয়িশা (রাঃ) বললেনঃ কোন মু’মিন মহিলাকে এমনভাবে প্রহার করতে আমি কখনও দেখিনি। মহিলাটির চামড়া তার কাপড়ের চেয়ে বেশি সবুজ হয়ে গেছে। বর্ণনাকারী বলেনঃ ‘আবদুর রহমান শুনতে পেল যে, তার স্ত্রী রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এসেছে। সুতরাং সেও তার অন্য স্ত্রীর দু’টি ছেলে সাথে করে এলো। স্ত্রী লোকটি বললঃ আল্লাহ্‌র কসম! তার উপর আমার এ ব্যতীত আর কোন অভিযোগ নেই যে, তার কাছে যা আছে তা আমাকে এ জিনিসের চেয়ে অধিক তৃপ্তি দেয় না। এ বলে তার কাপড়ের আঁচল ধরে দেখাল। ‘আবদুর রহমান বললঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! সে মিথ্যা বলছে, আমি তাকে ধোলাই করি চামড়া ধোলাই করার ন্যায় (দীর্ঘস্থায়ী সঙ্গম করি)। কিন্তু সে অবাধ্য স্ত্রী, রিফা’আর কাছে ফিরে যেতে চায়। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ব্যাপার যদি তাই হয় তাহলে রিফা’আ তোমার জন্য হালাল হবে না, অথবা তুমি তার যোগ্য হতে পার না, যতক্ষণ না ‘আবদুর রহমান তোমার সুধা আস্বাদন করবে। বর্ণনাকারী বলেনঃ রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আবদুর রহমানের সাথে তার পুত্রদ্বয়কে দেখে বললেন, এরা কি তোমার পুত্র? সে বললঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ এই আসল ঘটনা, যে জন্য স্ত্রী লোকটি এমন করেছে। আল্লাহ্‌র কসম! কাকের সাথে কাকের যেমন মিল থাকে, তার চেয়েও বেশি মিল আছে ওদের সাথে এর (অর্থাৎ ‘আবদুর রহমানের সাথে তাঁর পুত্রদের)। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯৫)

ইকরামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রিফা’আ তার স্ত্রীকে তালাক দেয়। পরে আবদুর রহমান কুরাযী তাকে বিবাহ করে। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, তার গায়ে একটি সবুজ রঙের উড়না ছিল। সে ‘আয়িশা (রাঃ) -এর নিকট অভিযোগ করল এবং (স্বামীর প্রহারজনিত) স্বীয় গাত্রের চামড়ার সবুজ বর্ণ দেখালো। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন এলেন, আর স্ত্রীগণ একে অন্যের সহযোগিতা করে থাকে, তখন ‘আয়িশা (রাঃ) বললেনঃ কোন মু’মিন মহিলাকে এমনভাবে প্রহার করতে আমি কখনও দেখিনি। মহিলাটির চামড়া তার কাপড়ের চেয়ে বেশি সবুজ হয়ে গেছে। বর্ণনাকারী বলেনঃ ‘আবদুর রহমান শুনতে পেল যে, তার স্ত্রী রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এসেছে। সুতরাং সেও তার অন্য স্ত্রীর দু’টি ছেলে সাথে করে এলো। স্ত্রী লোকটি বললঃ আল্লাহ্‌র কসম! তার উপর আমার এ ব্যতীত আর কোন অভিযোগ নেই যে, তার কাছে যা আছে তা আমাকে এ জিনিসের চেয়ে অধিক তৃপ্তি দেয় না। এ বলে তার কাপড়ের আঁচল ধরে দেখাল। ‘আবদুর রহমান বললঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! সে মিথ্যা বলছে, আমি তাকে ধোলাই করি চামড়া ধোলাই করার ন্যায় (দীর্ঘস্থায়ী সঙ্গম করি)। কিন্তু সে অবাধ্য স্ত্রী, রিফা’আর কাছে ফিরে যেতে চায়। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ব্যাপার যদি তাই হয় তাহলে রিফা’আ তোমার জন্য হালাল হবে না, অথবা তুমি তার যোগ্য হতে পার না, যতক্ষণ না ‘আবদুর রহমান তোমার সুধা আস্বাদন করবে। বর্ণনাকারী বলেনঃ রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আবদুর রহমানের সাথে তার পুত্রদ্বয়কে দেখে বললেন, এরা কি তোমার পুত্র? সে বললঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ এই আসল ঘটনা, যে জন্য স্ত্রী লোকটি এমন করেছে। আল্লাহ্‌র কসম! কাকের সাথে কাকের যেমন মিল থাকে, তার চেয়েও বেশি মিল আছে ওদের সাথে এর (অর্থাৎ ‘আবদুর রহমানের সাথে তাঁর পুত্রদের)। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯৫)

محمد بن بشار حدثنا عبد الوهاب أخبرنا أيوب عن عكرمة أن رفاعة طلق امرأته“ فتزوجها عبد الرحمٰن بن الزبير القرظي قالت عائشة وعليها خمار أخضر فشكت إليها وأرتها خضرة بجلدها فلما جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم والنساء ينصر بعضهن بعضا قالت عائشة ما رأيت مثل ما يلقى المؤمنات لجلدها أشد خضرة من ثوبها قال وسمع أنها قد أتت رسول الله صلى الله عليه وسلم فجاء ومعه ابنان له“ من غيرها قالت والله ما لي إليه من ذنب إلا أن ما معه“ ليس بأغنٰى عني من هٰذه„ وأخذت هدبة من ثوبها فقال كذبت والله يا رسول الله إني لأنفضها نفض الأديم ولٰكنها ناشز تريد رفاعة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم فإن كان ذلك لم تحلي له“ أو لم تصلحي له“ حتٰى يذوق من عسيلتك قال وأبصر معه ابنين له“ فقال بنوك هؤلاء قال نعم قال هٰذا الذي تزعمين ما تزعمين فوالله لهم أشبه“ به„ من الغراب بالغراب.


সহিহ বুখারী > সাদা পোশাক প্রসঙ্গে

সহিহ বুখারী ৫৮২৬

إسحاق بن إبراهيم الحنظلي أخبرنا محمد بن بشر حدثنا مسعر عن سعد بن إبراهيم عن أبيه عن سعد قال رأيت بشمال النبي صلى الله عليه وسلم ويمينه„ رجلين عليهما ثياب بيض يوم أحد ما رأيتهما قبل ولا بعد.

সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ উহুদের দিন আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ডানে ও বামে দু’জন পুরুষ লোককে দেখলাম। তাদের পরনে সাদা পোষাক ছিল। তাদের এর আগেও দেখিনি, আর পরেও দেখিনি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯৬)

সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ উহুদের দিন আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ডানে ও বামে দু’জন পুরুষ লোককে দেখলাম। তাদের পরনে সাদা পোষাক ছিল। তাদের এর আগেও দেখিনি, আর পরেও দেখিনি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯৬)

إسحاق بن إبراهيم الحنظلي أخبرنا محمد بن بشر حدثنا مسعر عن سعد بن إبراهيم عن أبيه عن سعد قال رأيت بشمال النبي صلى الله عليه وسلم ويمينه„ رجلين عليهما ثياب بيض يوم أحد ما رأيتهما قبل ولا بعد.


সহিহ বুখারী ৫৮২৭

أبو معمر حدثنا عبد الوارث عن الحسين عن عبد الله بن بريدة عن يحيٰى بن يعمر حدثه“ أن أبا الأسود الدؤلي حدثه“ أن أبا ذر حدثه“ قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم وعليه ثوب أبيض وهو نائم ثم أتيته“ وقد استيقظ فقال ما من عبد قال لا إلٰه إلا الله ثم مات علٰى ذ‘لك إلا دخل الجنة قلت وإن زنٰى وإن سرق قال وإن زنٰى وإن سرق قلت وإن زنٰى وإن سرق قال وإن زنٰى وإن سرق قلت وإن زنٰى وإن سرق قال وإن زنٰى وإن سرق علٰى رغم أنف أبي ذر وكان أبو ذر إذا حدث بهٰذا قال وإن رغم أنف أبي ذر قال أبو عبد الله هٰذا عند الموت أو قبله“ إذا تاب وندم وقال لا إلٰه إلا الله غفر له.

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট আসলাম। তাঁর পরনে তখন সাদা পোশাক ছিল। তখন তিনি ছিলেন নিদ্রিত। কিছুক্ষণ পর আবার এলাম, তখন তিনি জেগে গেছেন। তিনি বললেনঃ যে কোন বান্দা ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’ বলবে এবং এ অবস্থার উপরে মারা যাবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আমি বললামঃ সে যদি যিনা করে, সে যদি চুরি করে? তিনি বললেনঃ যদি সে যিনা করে, যদি সে চুরি করে তবুও। আমি জিজ্ঞেস করলামঃ সে যদি যিনা করে, সে যদি চুরি করে তবুও? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, সে যদি যিনা করে, সে যদি চুরি করে তবুও। আমি বললামঃ যদি সে যিনা করে, যদি সে চুরি করে তবুও? তিনি যদি সে যিনা করে, যদি সে চুরি করে তবুও। আবূ যারের নাক ধূলি ধুসরিত হলেও। আবূ যার (রাঃ) যখনই এ হাদীস বর্ণনা করতেন তখন আবূ যারের নাসিকা ধূলাচ্ছন্ন হলেও বাক্যটি বলতেন। আবূ ‘আবদুল্লাহ (ইমাম বুখারী) বলেনঃ এ কথা প্রযোজ্য হয় মৃত্যুর সময় বা তার পূর্বে যখন সে তাওবাহ করে ও লজ্জিত হয় এবং বলে ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’, তখন তার পূর্বের গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯৭)

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট আসলাম। তাঁর পরনে তখন সাদা পোশাক ছিল। তখন তিনি ছিলেন নিদ্রিত। কিছুক্ষণ পর আবার এলাম, তখন তিনি জেগে গেছেন। তিনি বললেনঃ যে কোন বান্দা ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’ বলবে এবং এ অবস্থার উপরে মারা যাবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আমি বললামঃ সে যদি যিনা করে, সে যদি চুরি করে? তিনি বললেনঃ যদি সে যিনা করে, যদি সে চুরি করে তবুও। আমি জিজ্ঞেস করলামঃ সে যদি যিনা করে, সে যদি চুরি করে তবুও? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, সে যদি যিনা করে, সে যদি চুরি করে তবুও। আমি বললামঃ যদি সে যিনা করে, যদি সে চুরি করে তবুও? তিনি যদি সে যিনা করে, যদি সে চুরি করে তবুও। আবূ যারের নাক ধূলি ধুসরিত হলেও। আবূ যার (রাঃ) যখনই এ হাদীস বর্ণনা করতেন তখন আবূ যারের নাসিকা ধূলাচ্ছন্ন হলেও বাক্যটি বলতেন। আবূ ‘আবদুল্লাহ (ইমাম বুখারী) বলেনঃ এ কথা প্রযোজ্য হয় মৃত্যুর সময় বা তার পূর্বে যখন সে তাওবাহ করে ও লজ্জিত হয় এবং বলে ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’, তখন তার পূর্বের গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯৭)

أبو معمر حدثنا عبد الوارث عن الحسين عن عبد الله بن بريدة عن يحيٰى بن يعمر حدثه“ أن أبا الأسود الدؤلي حدثه“ أن أبا ذر حدثه“ قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم وعليه ثوب أبيض وهو نائم ثم أتيته“ وقد استيقظ فقال ما من عبد قال لا إلٰه إلا الله ثم مات علٰى ذ‘لك إلا دخل الجنة قلت وإن زنٰى وإن سرق قال وإن زنٰى وإن سرق قلت وإن زنٰى وإن سرق قال وإن زنٰى وإن سرق قلت وإن زنٰى وإن سرق قال وإن زنٰى وإن سرق علٰى رغم أنف أبي ذر وكان أبو ذر إذا حدث بهٰذا قال وإن رغم أنف أبي ذر قال أبو عبد الله هٰذا عند الموت أو قبله“ إذا تاب وندم وقال لا إلٰه إلا الله غفر له.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00