সহিহ বুখারী > কম্বল ও কারুকার্যপূর্ণ চাদর পরিধান প্রসঙ্গে।

সহিহ বুখারী ৫৮১৮

مسدد حدثنا إسماعيل حدثنا أيوب عن حميد بن هلال عن أبي بردة قال أخرجت إلينا عائشة كساء وإزارا غليظا فقالت قبض روح النبي صلى الله عليه وسلم في هذين.

আবূ বুরদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) একবার একখানি কম্বল ও মোটা ইযার নিয়ে আমাদের কাছে আসেন এবং তিনি বললেনঃ এ দু’টি পরা অবস্থায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর রূহ কবয করা হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৮৭)

আবূ বুরদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) একবার একখানি কম্বল ও মোটা ইযার নিয়ে আমাদের কাছে আসেন এবং তিনি বললেনঃ এ দু’টি পরা অবস্থায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর রূহ কবয করা হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৮৭)

مسدد حدثنا إسماعيل حدثنا أيوب عن حميد بن هلال عن أبي بردة قال أخرجت إلينا عائشة كساء وإزارا غليظا فقالت قبض روح النبي صلى الله عليه وسلم في هذين.


সহিহ বুখারী ৫৮১৫

حدثني يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، قال أخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، أن عائشة، وعبد الله بن عباس، رضى الله عنهم قالا لما نزل برسول الله صلى الله عليه وسلم طفق يطرح خميصة له على وجهه، فإذا اغتم كشفها عن وجهه، فقال وهو كذلك ‏ "‏ لعنة الله على اليهود والنصارى اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد ‏"‏‏.‏ يحذر ما صنعوا‏.‏

আয়িশা ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা উভয়ে বলেনঃ রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মৃত্যু শয্যায় শায়িত, তখন তিনি তাঁর কারুকার্যপূর্ণ চাদর দ্বারা মুখ ঢেকে রাখেন। যখন তাঁর শ্বাসরোধ হয়ে আসত তখন তাঁর মুখ থেকে তা সরিয়ে নিতেন। এ অবস্থায় তিনি বলতেনঃ ইয়াহূদী ও নাসারাদের উপর আল্লাহ্‌র লা’নাত, তারা তাদের নবীদের কবরগুলোকে মাসজিদ বানিয়ে নিয়েছে। তাদের কাজের কথা উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করছিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৮৬)

আয়িশা ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা উভয়ে বলেনঃ রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মৃত্যু শয্যায় শায়িত, তখন তিনি তাঁর কারুকার্যপূর্ণ চাদর দ্বারা মুখ ঢেকে রাখেন। যখন তাঁর শ্বাসরোধ হয়ে আসত তখন তাঁর মুখ থেকে তা সরিয়ে নিতেন। এ অবস্থায় তিনি বলতেনঃ ইয়াহূদী ও নাসারাদের উপর আল্লাহ্‌র লা’নাত, তারা তাদের নবীদের কবরগুলোকে মাসজিদ বানিয়ে নিয়েছে। তাদের কাজের কথা উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করছিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৮৬)

حدثني يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، قال أخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، أن عائشة، وعبد الله بن عباس، رضى الله عنهم قالا لما نزل برسول الله صلى الله عليه وسلم طفق يطرح خميصة له على وجهه، فإذا اغتم كشفها عن وجهه، فقال وهو كذلك ‏ "‏ لعنة الله على اليهود والنصارى اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد ‏"‏‏.‏ يحذر ما صنعوا‏.‏


সহিহ বুখারী ৫৮১৬

حدثني يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، قال أخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، أن عائشة، وعبد الله بن عباس، رضى الله عنهم قالا لما نزل برسول الله صلى الله عليه وسلم طفق يطرح خميصة له على وجهه، فإذا اغتم كشفها عن وجهه، فقال وهو كذلك ‏ "‏ لعنة الله على اليهود والنصارى اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد ‏"‏‏.‏ يحذر ما صنعوا‏.‏

আয়িশা ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা উভয়ে বলেনঃ রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মৃত্যু শয্যায় শায়িত, তখন তিনি তাঁর কারুকার্যপূর্ণ চাদর দ্বারা মুখ ঢেকে রাখেন। যখন তাঁর শ্বাসরোধ হয়ে আসত তখন তাঁর মুখ থেকে তা সরিয়ে নিতেন। এ অবস্থায় তিনি বলতেনঃ ইয়াহূদী ও নাসারাদের উপর আল্লাহ্‌র লা’নাত, তারা তাদের নবীদের কবরগুলোকে মাসজিদ বানিয়ে নিয়েছে। তাদের কাজের কথা উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করছিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৮৬)

আয়িশা ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা উভয়ে বলেনঃ রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মৃত্যু শয্যায় শায়িত, তখন তিনি তাঁর কারুকার্যপূর্ণ চাদর দ্বারা মুখ ঢেকে রাখেন। যখন তাঁর শ্বাসরোধ হয়ে আসত তখন তাঁর মুখ থেকে তা সরিয়ে নিতেন। এ অবস্থায় তিনি বলতেনঃ ইয়াহূদী ও নাসারাদের উপর আল্লাহ্‌র লা’নাত, তারা তাদের নবীদের কবরগুলোকে মাসজিদ বানিয়ে নিয়েছে। তাদের কাজের কথা উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করছিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৮৬)

حدثني يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، قال أخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، أن عائشة، وعبد الله بن عباس، رضى الله عنهم قالا لما نزل برسول الله صلى الله عليه وسلم طفق يطرح خميصة له على وجهه، فإذا اغتم كشفها عن وجهه، فقال وهو كذلك ‏ "‏ لعنة الله على اليهود والنصارى اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد ‏"‏‏.‏ يحذر ما صنعوا‏.‏


সহিহ বুখারী ৫৮১৭

موسٰى بن إسماعيل حدثنا إبراهيم بن سعد حدثنا ابن شهاب عن عروة عن عائشة قالت صلٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم في خميصة له“ لها أعلام فنظر إلٰى أعلامها نظرة فلما سلم قال اذهبوا بخميصتي هٰذه„ إلٰى أبي جهم فإنها ألهتني آنفا عن صلاتي وأتوني بأنبجانية أبي جهم بن حذيفة بن غانم من بني عدي بن كعب.

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর চাদর গায়ে দিয়ে সলাত আদায় করলেন। চাদরটি ছিল কারুকার্যপূর্ণ। তিনি কারুকার্যের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকালেন, তারপর সালাম ফিরিয়ে বললেনঃ এ চাদরটি আবূ জাহমের কাছে নিয়ে যাও। কারণ, এখনই তা আমাকে সলাত থেকে অন্যমনস্ক করে দিয়েছে। আর আবূ জাহম ইবনু হুযাইফার ‘আনবিজানিয়্যা’ (কারুকার্যবিহীন চাদর) -টি আমার জন্যে নিয়ে এসো। সে হচ্ছে আদী ইবনু কা’ব গোত্রের লোক।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৮৮)

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর চাদর গায়ে দিয়ে সলাত আদায় করলেন। চাদরটি ছিল কারুকার্যপূর্ণ। তিনি কারুকার্যের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকালেন, তারপর সালাম ফিরিয়ে বললেনঃ এ চাদরটি আবূ জাহমের কাছে নিয়ে যাও। কারণ, এখনই তা আমাকে সলাত থেকে অন্যমনস্ক করে দিয়েছে। আর আবূ জাহম ইবনু হুযাইফার ‘আনবিজানিয়্যা’ (কারুকার্যবিহীন চাদর) -টি আমার জন্যে নিয়ে এসো। সে হচ্ছে আদী ইবনু কা’ব গোত্রের লোক।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৮৮)

موسٰى بن إسماعيل حدثنا إبراهيم بن سعد حدثنا ابن شهاب عن عروة عن عائشة قالت صلٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم في خميصة له“ لها أعلام فنظر إلٰى أعلامها نظرة فلما سلم قال اذهبوا بخميصتي هٰذه„ إلٰى أبي جهم فإنها ألهتني آنفا عن صلاتي وأتوني بأنبجانية أبي جهم بن حذيفة بن غانم من بني عدي بن كعب.


সহিহ বুখারী > কাপড় মুড়ি দিয়ে বসা প্রসঙ্গে।

সহিহ বুখারী ৫৮১৯

محمد بن بشار حدثنا عبد الوهاب حدثنا عبيد الله عن خبيب عن حفص بن عاصم عن أبي هريرة قال نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم عن الملامسة والمنابذة وعن صلاتين بعد الفجر حتٰى ترتفع الشمس وبعد العصر حتٰى تغيب وأن يحتبي بالثوب الواحد ليس علٰى فرجه„ منه“ شيء بينه“ وبين السماء وأن يشتمل الصماء.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘মুলামাসাহ’ ও ‘মুনাবাযাহ’ থেকে নিষেধ করেছেন এবং দু’সময়ে সলাত আদায় করা থেকেও অর্থাৎ ফাজরের (সলাতের) পর সূর্য উপরে উঠা পর্যন্ত এবং আসরের (সলাতের) পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত। আরও নিষেধ করেছেন একটি মাত্র কাপড় এমনভাবে পরতে, যাতে লজ্জাস্থানের উপরে তার ও আকাশের মধ্যস্থলে আর কিছুই থাকে না। আর তিনি কাপড় মুড়ি দিয়ে বসতে নিষেধ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৮৯)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘মুলামাসাহ’ ও ‘মুনাবাযাহ’ থেকে নিষেধ করেছেন এবং দু’সময়ে সলাত আদায় করা থেকেও অর্থাৎ ফাজরের (সলাতের) পর সূর্য উপরে উঠা পর্যন্ত এবং আসরের (সলাতের) পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত। আরও নিষেধ করেছেন একটি মাত্র কাপড় এমনভাবে পরতে, যাতে লজ্জাস্থানের উপরে তার ও আকাশের মধ্যস্থলে আর কিছুই থাকে না। আর তিনি কাপড় মুড়ি দিয়ে বসতে নিষেধ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৮৯)

محمد بن بشار حدثنا عبد الوهاب حدثنا عبيد الله عن خبيب عن حفص بن عاصم عن أبي هريرة قال نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم عن الملامسة والمنابذة وعن صلاتين بعد الفجر حتٰى ترتفع الشمس وبعد العصر حتٰى تغيب وأن يحتبي بالثوب الواحد ليس علٰى فرجه„ منه“ شيء بينه“ وبين السماء وأن يشتمل الصماء.


সহিহ বুখারী ৫৮২০

يحيٰى بن بكير حدثنا الليث عن يونس عن ابن شهاب قال أخبرني عامر بن سعد أن أبا سعيد الخدري قال نهٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن لبستين وعن بيعتين نهٰى عن الملامسة والمنابذة في البيع والملامسة لمس الرجل ثوب الآخر بيده„ بالليل أو بالنهار ولا يقلبه“ إلا بذ‘لك والمنابذة أن ينبذ الرجل إلٰى الرجل بثوبه„ وينبذ الآخر ثوبه“ ويكون ذ‘لك بيعهما عن غير نظر ولا تراض واللبستين اشتمال الصماء والصماء أن يجعل ثوبه“ علٰى أحد عاتقيه فيبدو أحد شقيه ليس عليه ثوب واللبسة الأخرى احتباؤه“ بثوبه„ وهو جالس ليس علٰى فرجه„ منه“ شيء.

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’প্রকার কাপড় পরিধান করতে ও দু’প্রকার ক্রয়-বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। ক্রয়-বিক্রয়ে তিনি ‘মুলামাসা’ ও ‘মুনাবাযা’ থেকে নিষেধ করেছেন। মুলামাসা হল রাতে বা দিনে একজন অপর জনের কাপড় হাত দিয়ে স্পর্শ করা। এটুকু বাদে তা আর উলট-পালট করে দেখে না। আর মুনাবাযা হল- এক লোক অন্য লোকের প্রতি তার কাপড় নিক্ষেপ করা। আর দ্বিতীয় ব্যক্তিও তার কাপড় নিক্ষেপ করা এবং এর দ্বারাই তাদের ক্রয়-বিক্রয় সম্পন্ন হওয়া, দেখা ও পারস্পরিক সম্মতি ব্যতিরেকেই। আর দু’প্রকার পোশাক পরিধানের (এর এক প্রকার) হল- ইশ্‌তিমালুস-সাম্মা’। সাম্মা হল এক কাঁধের উপর কাপড় এমনভাবে রাখা যাতে অন্য কাঁধ খালি থাকে, কোন কাপড় থাকে না। পোশাক পরার অন্য ধরণ হচ্ছে- উপবিষ্ট অবস্থায় নিজের কাপড় দ্বারা নিজেকে এমনভাবে ঘিরে রাখা, যাতে লজ্জাস্থানের উপর কাপড়ের কোন অংশ না থাকে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯০)

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’প্রকার কাপড় পরিধান করতে ও দু’প্রকার ক্রয়-বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। ক্রয়-বিক্রয়ে তিনি ‘মুলামাসা’ ও ‘মুনাবাযা’ থেকে নিষেধ করেছেন। মুলামাসা হল রাতে বা দিনে একজন অপর জনের কাপড় হাত দিয়ে স্পর্শ করা। এটুকু বাদে তা আর উলট-পালট করে দেখে না। আর মুনাবাযা হল- এক লোক অন্য লোকের প্রতি তার কাপড় নিক্ষেপ করা। আর দ্বিতীয় ব্যক্তিও তার কাপড় নিক্ষেপ করা এবং এর দ্বারাই তাদের ক্রয়-বিক্রয় সম্পন্ন হওয়া, দেখা ও পারস্পরিক সম্মতি ব্যতিরেকেই। আর দু’প্রকার পোশাক পরিধানের (এর এক প্রকার) হল- ইশ্‌তিমালুস-সাম্মা’। সাম্মা হল এক কাঁধের উপর কাপড় এমনভাবে রাখা যাতে অন্য কাঁধ খালি থাকে, কোন কাপড় থাকে না। পোশাক পরার অন্য ধরণ হচ্ছে- উপবিষ্ট অবস্থায় নিজের কাপড় দ্বারা নিজেকে এমনভাবে ঘিরে রাখা, যাতে লজ্জাস্থানের উপর কাপড়ের কোন অংশ না থাকে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯০)

يحيٰى بن بكير حدثنا الليث عن يونس عن ابن شهاب قال أخبرني عامر بن سعد أن أبا سعيد الخدري قال نهٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن لبستين وعن بيعتين نهٰى عن الملامسة والمنابذة في البيع والملامسة لمس الرجل ثوب الآخر بيده„ بالليل أو بالنهار ولا يقلبه“ إلا بذ‘لك والمنابذة أن ينبذ الرجل إلٰى الرجل بثوبه„ وينبذ الآخر ثوبه“ ويكون ذ‘لك بيعهما عن غير نظر ولا تراض واللبستين اشتمال الصماء والصماء أن يجعل ثوبه“ علٰى أحد عاتقيه فيبدو أحد شقيه ليس عليه ثوب واللبسة الأخرى احتباؤه“ بثوبه„ وهو جالس ليس علٰى فرجه„ منه“ شيء.


সহিহ বুখারী > এক কাপড়ে পেঁচিয়ে বসা প্রসঙ্গে।

সহিহ বুখারী ৫৮২২

محمد قال أخبرني مخلد أخبرنا ابن جريج قال أخبرني ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله عن أبي سعيد الخدري أن النبي صلى الله عليه وسلم نهٰى عن اشتمال الصماء وأن يحتبي الرجل في ثوب واحد ليس علٰى فرجه„ منه“ شيء.

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিষেধ করেছেন শরীরের এক পাশ খোলা রেখে অন্য পাশ ঢেকে পরতে। আর এক কাপড়ে পুরুষকে এমনভাবে ঢেকে বসতে, যাতে তার লজ্জাস্থানের উপর ঐ কাপড়ের কোন অংশ না থাকে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯২)

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিষেধ করেছেন শরীরের এক পাশ খোলা রেখে অন্য পাশ ঢেকে পরতে। আর এক কাপড়ে পুরুষকে এমনভাবে ঢেকে বসতে, যাতে তার লজ্জাস্থানের উপর ঐ কাপড়ের কোন অংশ না থাকে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯২)

محمد قال أخبرني مخلد أخبرنا ابن جريج قال أخبرني ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله عن أبي سعيد الخدري أن النبي صلى الله عليه وسلم نهٰى عن اشتمال الصماء وأن يحتبي الرجل في ثوب واحد ليس علٰى فرجه„ منه“ شيء.


সহিহ বুখারী ৫৮২১

إسماعيل قال حدثني مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة قال نهٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن لبستين أن يحتبي الرجل في الثوب الواحد ليس علٰى فرجه„ منه“ شيء وأن يشتمل بالثوب الواحد ليس علٰى أحد شقيه وعن الملامسة والمنابذة.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’ধরণের কাপড় পরতে নিষেধ করেছেন। একটি কাপড়ে পুরুষের এমনভাবে পেঁচিয়ে থাকা যে, তার লজ্জাস্থানের উপর সে কাপড়ের কোন অংশই থাকে না। আর একটি কাপড় এমনভাবে পেঁচিয়ে পরা যে, শরীরের এক অংশ খোলা থাকে। আর ‘মুলামাসাহ’ ও ‘মুনাবাযাহ’ থেকেও (তিনি নিষেধ করেছেন)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯১)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’ধরণের কাপড় পরতে নিষেধ করেছেন। একটি কাপড়ে পুরুষের এমনভাবে পেঁচিয়ে থাকা যে, তার লজ্জাস্থানের উপর সে কাপড়ের কোন অংশই থাকে না। আর একটি কাপড় এমনভাবে পেঁচিয়ে পরা যে, শরীরের এক অংশ খোলা থাকে। আর ‘মুলামাসাহ’ ও ‘মুনাবাযাহ’ থেকেও (তিনি নিষেধ করেছেন)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯১)

إسماعيل قال حدثني مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة قال نهٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن لبستين أن يحتبي الرجل في الثوب الواحد ليس علٰى فرجه„ منه“ شيء وأن يشتمل بالثوب الواحد ليس علٰى أحد شقيه وعن الملامسة والمنابذة.


সহিহ বুখারী > নকশাওয়ালা কালো চাদর প্রসঙ্গে।

সহিহ বুখারী ৫৮২৩

أبو نعيم حدثنا إسحاق بن سعيد عن أبيه سعيد بن فلان هو عمرو بن سعيد بن العاص عن أم خالد بنت خالد أتي النبي صلى الله عليه وسلم بثياب فيها خميصة سوداء صغيرة فقال من ترون أن نكسو هٰذه„ فسكت القوم قال ائتوني بأم خالد فأتي بها تحمل فأخذ الخميصة بيده„ فألبسها وقال أبلي وأخلقي وكان فيها علم أخضر أو أصفر فقال يا أم خالد هٰذا سناه وسناه بالحبشية حسن.

উম্মু খালিদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট কিছু কাপড় নিয়ে আসা হয়। তার মধ্যে কিছু কালো নক্শীদার ছোট চাদর ছিল। তিনি বললেনঃ আমরা এগুলো পরব, তোমাদের মত কী? উপস্থিত সকলে চুপ থাকল। তারপর তিনি বললেনঃ উম্মু খালিদকে আমার কাছে নিয়ে এসো। তাকে বহন করে আনা হল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের হাতে একটি চাদর নিলেন এবং তাকে পরিয়ে দিলেন। এরপর বললেনঃ এটি) তুমি পুরাতন কর ও ছিঁড়ে ফেল অর্থাৎ তুমি বহুদিন বাঁচ)। ঐ চাদরে সবুজ অথবা হলুদ রঙের নক্শী ছিল। তিনি বললেনঃ হে খালিদের মা!هٰذَا سَنَاهْঅর্থাৎ এটি কত সুন্দর! হাবশী ভাষায় সানাহ্ অর্থ সুন্দর। [৩০৭১] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯৩)

উম্মু খালিদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট কিছু কাপড় নিয়ে আসা হয়। তার মধ্যে কিছু কালো নক্শীদার ছোট চাদর ছিল। তিনি বললেনঃ আমরা এগুলো পরব, তোমাদের মত কী? উপস্থিত সকলে চুপ থাকল। তারপর তিনি বললেনঃ উম্মু খালিদকে আমার কাছে নিয়ে এসো। তাকে বহন করে আনা হল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের হাতে একটি চাদর নিলেন এবং তাকে পরিয়ে দিলেন। এরপর বললেনঃ এটি) তুমি পুরাতন কর ও ছিঁড়ে ফেল অর্থাৎ তুমি বহুদিন বাঁচ)। ঐ চাদরে সবুজ অথবা হলুদ রঙের নক্শী ছিল। তিনি বললেনঃ হে খালিদের মা!هٰذَا سَنَاهْঅর্থাৎ এটি কত সুন্দর! হাবশী ভাষায় সানাহ্ অর্থ সুন্দর। [৩০৭১] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯৩)

أبو نعيم حدثنا إسحاق بن سعيد عن أبيه سعيد بن فلان هو عمرو بن سعيد بن العاص عن أم خالد بنت خالد أتي النبي صلى الله عليه وسلم بثياب فيها خميصة سوداء صغيرة فقال من ترون أن نكسو هٰذه„ فسكت القوم قال ائتوني بأم خالد فأتي بها تحمل فأخذ الخميصة بيده„ فألبسها وقال أبلي وأخلقي وكان فيها علم أخضر أو أصفر فقال يا أم خالد هٰذا سناه وسناه بالحبشية حسن.


সহিহ বুখারী ৫৮২৪

محمد بن المثنٰى قال حدثني ابن أبي عدي عن ابن عون عن محمد عن أنس قال لما ولدت أم سليم قالت لي يا أنس انظر هٰذا الغلام فلا يصيبن شيئا حتٰى تغدو به„ إلى النبي صلى الله عليه وسلم يحنكه“ فغدوت به„ فإذا هو في حائط وعليه خميصة حريثية وهو يسم الظهر الذي قدم عليه في الفتح.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ উম্মু সুলাইম (রাঃ) যখন একটি সন্তান প্রসব করলেন তখন আমাকে জানালেন, হে আনাস! শিশুটিকে দেখ, যেন সে কিছু না খায়, যতক্ষন না তুমি একে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট নিয়ে যাও, তিনি এর তাহনীক করবেন। আমি তাকে নিয়ে গেলাম। দেখলাম, তিনি একটি বাগানে আছেন, আর তাঁর পরনে হুরাইসিয়া নামের চাদর আছে। তিনি যে উটে করে মাক্কাহ বিজয়ের দিনে অভিযানে গিয়েছিলেন তার পিঠে ছিলেন। [১৫০২; মুসলিম ৩৭/৩০, হাঃ ২১১৯] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯৪)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ উম্মু সুলাইম (রাঃ) যখন একটি সন্তান প্রসব করলেন তখন আমাকে জানালেন, হে আনাস! শিশুটিকে দেখ, যেন সে কিছু না খায়, যতক্ষন না তুমি একে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট নিয়ে যাও, তিনি এর তাহনীক করবেন। আমি তাকে নিয়ে গেলাম। দেখলাম, তিনি একটি বাগানে আছেন, আর তাঁর পরনে হুরাইসিয়া নামের চাদর আছে। তিনি যে উটে করে মাক্কাহ বিজয়ের দিনে অভিযানে গিয়েছিলেন তার পিঠে ছিলেন। [১৫০২; মুসলিম ৩৭/৩০, হাঃ ২১১৯] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৯৪)

محمد بن المثنٰى قال حدثني ابن أبي عدي عن ابن عون عن محمد عن أنس قال لما ولدت أم سليم قالت لي يا أنس انظر هٰذا الغلام فلا يصيبن شيئا حتٰى تغدو به„ إلى النبي صلى الله عليه وسلم يحنكه“ فغدوت به„ فإذا هو في حائط وعليه خميصة حريثية وهو يسم الظهر الذي قدم عليه في الفتح.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00