সহিহ বুখারী > জামা পরিধান করা।

সহিহ বুখারী ৫৭৯৪

قتيبة حدثنا حماد عن أيوب عن نافع عن ابن عمر أن رجلا قال يا رسول الله ما يلبس المحرم من الثياب فقال النبي صلى الله عليه وسلم لا يلبس المحرم القميص ولا السراويل ولا البرنس ولا الخفين إلا أن لا يجد النعلين فليلبس ما هو أسفل من الكعبين.

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলোঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! মুহ্‌রিম কি কাপড় পরবে? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মুহ্‌রিম জামা, পায়জামা, টুপি এবং মোজা পরবে না। তবে যদি সে জুতা না পায়, তা হলে পায়ের গোড়ালির নীচে পর্যন্ত (মোজা) পরতে পারবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৬৬)

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলোঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! মুহ্‌রিম কি কাপড় পরবে? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মুহ্‌রিম জামা, পায়জামা, টুপি এবং মোজা পরবে না। তবে যদি সে জুতা না পায়, তা হলে পায়ের গোড়ালির নীচে পর্যন্ত (মোজা) পরতে পারবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৬৬)

قتيبة حدثنا حماد عن أيوب عن نافع عن ابن عمر أن رجلا قال يا رسول الله ما يلبس المحرم من الثياب فقال النبي صلى الله عليه وسلم لا يلبس المحرم القميص ولا السراويل ولا البرنس ولا الخفين إلا أن لا يجد النعلين فليلبس ما هو أسفل من الكعبين.


সহিহ বুখারী ৫৭৯৫

عبد الله بن عثمان أخبرنا ابن عيينة عن عمرو سمع جابر بن عبد الله قال أتى النبي صلى الله عليه وسلم عبد الله بن أبي بعد ما أدخل قبره“ فأمر به„ فأخرج ووضع علٰى ركبتيه ونفث عليه من ريقه„ وألبسه“ قميصه“ فالله أعلم.

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু উবাইকে কবরে রাখার পর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেখানে এলেন। তিনি তার লাশ কবর থেকে উঠানোর নির্দেশ দিলেন। তখন লাশ কবর থেকে উঠান হল এবং তাঁর দু’হাঁটুর উপর রাখা হল। তিনি তার উপর থুথু প্রদান করলেন এবং তাকে নিজের জামা পরিয়ে দিলেন। আল্লাহই বেশী জানেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৬৭)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু উবাইকে কবরে রাখার পর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেখানে এলেন। তিনি তার লাশ কবর থেকে উঠানোর নির্দেশ দিলেন। তখন লাশ কবর থেকে উঠান হল এবং তাঁর দু’হাঁটুর উপর রাখা হল। তিনি তার উপর থুথু প্রদান করলেন এবং তাকে নিজের জামা পরিয়ে দিলেন। আল্লাহই বেশী জানেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৬৭)

عبد الله بن عثمان أخبرنا ابن عيينة عن عمرو سمع جابر بن عبد الله قال أتى النبي صلى الله عليه وسلم عبد الله بن أبي بعد ما أدخل قبره“ فأمر به„ فأخرج ووضع علٰى ركبتيه ونفث عليه من ريقه„ وألبسه“ قميصه“ فالله أعلم.


সহিহ বুখারী ৫৭৯৬

حدثنا صدقة، أخبرنا يحيى بن سعيد، عن عبيد الله، قال أخبرني نافع، عن عبد الله، قال لما توفي عبد الله بن أبى جاء ابنه إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله أعطني قميصك أكفنه فيه، وصل عليه، واستغفر له، فأعطاه قميصه، وقال ‏"‏ إذا فرغت فآذنا ‏"‏‏.‏ فلما فرغ آذنه، فجاء ليصلي عليه، فجذبه عمر فقال أليس قد نهاك الله أن تصلي على المنافقين فقال ‏{‏استغفر لهم أو لا تستغفر لهم إن تستغفر لهم سبعين مرة فلن يغفر الله لهم‏}‏‏.‏ فنزلت ‏{‏ولا تصل على أحد منهم مات أبدا‏}‏ فترك الصلاة عليهم‏.‏

আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ যখন ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু উবাই মারা গেল, তখন তার ছেলে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট আসল। সে বললঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনার জামাটি আমাকে দিন। আমি এটা দিয়ে তাকে কাফন দিব। আর তার জানাযাহর সলাত আপনি আদায় করবেন এবং তার জন্য ইস্তিগফার করবেন। তিনি নিজের জামাটি তাকে দিয়ে দেন এবং বলেন যে, তুমি (কাফন পরানো) শেষ করে আমাকে খবর দিবে। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার জানাযাহ্‌র সলাত আদায় করতে এলেন। ‘উমার (রাঃ) তাঁকে টেনে ধরে বললেনঃ আল্লাহ কি আপনাকে মুনাফিকদের (জানাযাহ্‌র) সলাত আদায় করতে নিষেধ করেননি? তিনি এ আয়াতটি পড়লেনঃ “তুমি তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর বা না কর (উভয়ই সমান), তুমি তাদের জন্য সত্তর বার ক্ষমা প্রার্থনা করলেও আল্লাহ কক্ষনো তাদেরকে ক্ষমা করবেন না।” – (সূরাহ আত-তাওবাহ ৯/৮০)। তখন অবতীর্ণ হয়ঃ “তাদের কেউ মারা গেলে তুমি কক্ষনো তাদের জন্য (জানাযার) সলাত পড়বে না, আর তাদের কবরের পাশে দণ্ডায়মান হবে না।” - (সূরাহ আত-তাওবাহ ৯/৮৪)। এরপর থেকে তিনি তাদের জানাযার সলাত আদায় করা বর্জন করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৬৮)

আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ যখন ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু উবাই মারা গেল, তখন তার ছেলে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট আসল। সে বললঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনার জামাটি আমাকে দিন। আমি এটা দিয়ে তাকে কাফন দিব। আর তার জানাযাহর সলাত আপনি আদায় করবেন এবং তার জন্য ইস্তিগফার করবেন। তিনি নিজের জামাটি তাকে দিয়ে দেন এবং বলেন যে, তুমি (কাফন পরানো) শেষ করে আমাকে খবর দিবে। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার জানাযাহ্‌র সলাত আদায় করতে এলেন। ‘উমার (রাঃ) তাঁকে টেনে ধরে বললেনঃ আল্লাহ কি আপনাকে মুনাফিকদের (জানাযাহ্‌র) সলাত আদায় করতে নিষেধ করেননি? তিনি এ আয়াতটি পড়লেনঃ “তুমি তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর বা না কর (উভয়ই সমান), তুমি তাদের জন্য সত্তর বার ক্ষমা প্রার্থনা করলেও আল্লাহ কক্ষনো তাদেরকে ক্ষমা করবেন না।” – (সূরাহ আত-তাওবাহ ৯/৮০)। তখন অবতীর্ণ হয়ঃ “তাদের কেউ মারা গেলে তুমি কক্ষনো তাদের জন্য (জানাযার) সলাত পড়বে না, আর তাদের কবরের পাশে দণ্ডায়মান হবে না।” - (সূরাহ আত-তাওবাহ ৯/৮৪)। এরপর থেকে তিনি তাদের জানাযার সলাত আদায় করা বর্জন করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৬৮)

حدثنا صدقة، أخبرنا يحيى بن سعيد، عن عبيد الله، قال أخبرني نافع، عن عبد الله، قال لما توفي عبد الله بن أبى جاء ابنه إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله أعطني قميصك أكفنه فيه، وصل عليه، واستغفر له، فأعطاه قميصه، وقال ‏"‏ إذا فرغت فآذنا ‏"‏‏.‏ فلما فرغ آذنه، فجاء ليصلي عليه، فجذبه عمر فقال أليس قد نهاك الله أن تصلي على المنافقين فقال ‏{‏استغفر لهم أو لا تستغفر لهم إن تستغفر لهم سبعين مرة فلن يغفر الله لهم‏}‏‏.‏ فنزلت ‏{‏ولا تصل على أحد منهم مات أبدا‏}‏ فترك الصلاة عليهم‏.‏


সহিহ বুখারী > মাথা বের করার জন্য জামা ও অন্য পোশাকে বুকের অংশ ফাঁক রাখা প্রসঙ্গে।

সহিহ বুখারী ৫৭৯৭

حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا أبو عامر، حدثنا إبراهيم بن نافع، عن الحسن، عن طاوس، عن أبي هريرة، قال ضرب رسول الله صلى الله عليه وسلم مثل البخيل والمتصدق، كمثل رجلين عليهما جبتان من حديد، قد اضطرت أيديهما إلى ثديهما وتراقيهما، فجعل المتصدق كلما تصدق بصدقة انبسطت عنه حتى تغشى أنامله وتعفو أثره، وجعل البخيل كلما هم بصدقة قلصت، وأخذت كل حلقة بمكانها‏.‏ قال أبو هريرة فأنا رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول بإصبعه هكذا في جيبه، فلو رأيته يوسعها ولا تتوسع‏.‏ تابعه ابن طاوس عن أبيه وأبو الزناد عن الأعرج في الجبتين‏.‏ وقال حنظلة سمعت طاوسا سمعت أبا هريرة يقول جبتان‏.‏ وقال جعفر عن الأعرج جبتان‏.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার কৃপণ ও দানশীল ব্যক্তিকে এমন দু’ব্যক্তির সাথে তুলনা করেন, যাদের পরনে লোহার দু’টি বর্ম আছে। তাদের দু’ হাতই বুক ও ঘাড় পর্যন্ত পৌঁছে আছে। দানশীল ব্যক্তি যখন দান করে তখন তার বর্মটি এমনভাবে প্রশস্ত হয় যে, তার পায়ের আঙ্গুলের মাথা পর্যন্ত ঢেকে ফেলে এবং প্রলম্বিত বর্মটি) পদচিহ্ন মুছে ফেলে। আর কৃপণ লোক যখন দান করতে ইচ্ছে করে, তখন তার বর্মটি শক্ত হয়ে যায় ও এক অংশ অন্য অংশের সাথে মিশে থাকে এবং প্রতিটি অংশ আপন স্থানে থেকে যায়। আবূ হুরাইরাহ বলেনঃ আমি দেখলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কেতাঁর আঙ্গুল এভাবে বুকের দিক দিয়ে খোলা অংশের মধ্যে রেখে বলতে দেখেছি, তুমি যদি তা দেখতে যে, তিনি তা প্রশস্ত করতে চাইলেন কিন্তু প্রশস্ত হল না। [১৪৪৩] ইবনু তাউস তার পিতা থেকে এবং আবূ যিনাদ, আ’রাজ থেকে এভাবে جُبَّتَيْنِ বর্ণনা করেন। আর জা‘ফর আ‘রাজ এর সূত্রে جُبَّتَانِ বর্ণনা করেছেন। হানযালা (রহ.) বলেনঃ আমি তাউসকে আবূ হুরাইরাহ থেকে جُبَّتَانِ বলতে শুনেছি। আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৬৯)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার কৃপণ ও দানশীল ব্যক্তিকে এমন দু’ব্যক্তির সাথে তুলনা করেন, যাদের পরনে লোহার দু’টি বর্ম আছে। তাদের দু’ হাতই বুক ও ঘাড় পর্যন্ত পৌঁছে আছে। দানশীল ব্যক্তি যখন দান করে তখন তার বর্মটি এমনভাবে প্রশস্ত হয় যে, তার পায়ের আঙ্গুলের মাথা পর্যন্ত ঢেকে ফেলে এবং প্রলম্বিত বর্মটি) পদচিহ্ন মুছে ফেলে। আর কৃপণ লোক যখন দান করতে ইচ্ছে করে, তখন তার বর্মটি শক্ত হয়ে যায় ও এক অংশ অন্য অংশের সাথে মিশে থাকে এবং প্রতিটি অংশ আপন স্থানে থেকে যায়। আবূ হুরাইরাহ বলেনঃ আমি দেখলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কেতাঁর আঙ্গুল এভাবে বুকের দিক দিয়ে খোলা অংশের মধ্যে রেখে বলতে দেখেছি, তুমি যদি তা দেখতে যে, তিনি তা প্রশস্ত করতে চাইলেন কিন্তু প্রশস্ত হল না। [১৪৪৩] ইবনু তাউস তার পিতা থেকে এবং আবূ যিনাদ, আ’রাজ থেকে এভাবে جُبَّتَيْنِ বর্ণনা করেন। আর জা‘ফর আ‘রাজ এর সূত্রে جُبَّتَانِ বর্ণনা করেছেন। হানযালা (রহ.) বলেনঃ আমি তাউসকে আবূ হুরাইরাহ থেকে جُبَّتَانِ বলতে শুনেছি। আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৬৯)

حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا أبو عامر، حدثنا إبراهيم بن نافع، عن الحسن، عن طاوس، عن أبي هريرة، قال ضرب رسول الله صلى الله عليه وسلم مثل البخيل والمتصدق، كمثل رجلين عليهما جبتان من حديد، قد اضطرت أيديهما إلى ثديهما وتراقيهما، فجعل المتصدق كلما تصدق بصدقة انبسطت عنه حتى تغشى أنامله وتعفو أثره، وجعل البخيل كلما هم بصدقة قلصت، وأخذت كل حلقة بمكانها‏.‏ قال أبو هريرة فأنا رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول بإصبعه هكذا في جيبه، فلو رأيته يوسعها ولا تتوسع‏.‏ تابعه ابن طاوس عن أبيه وأبو الزناد عن الأعرج في الجبتين‏.‏ وقال حنظلة سمعت طاوسا سمعت أبا هريرة يقول جبتان‏.‏ وقال جعفر عن الأعرج جبتان‏.


সহিহ বুখারী > যিনি সফরে সরু হাতওয়ালা জুববা পরেন।

সহিহ বুখারী ৫৭৯৮

قيس بن حفص حدثنا عبد الواحد حدثنا الأعمش قال حدثني أبو الضحٰى قال حدثني مسروق قال حدثني المغيرة بن شعبة قال انطلق النبي صلى الله عليه وسلم لحاجته„ ثم أقبل فتلقيته“ بماء فتوضأ وعليه جبة شأمية فمضمض واستنشق وغسل وجهه“ فذهب يخرج يديه من كميه فكانا ضيقين فأخرج يديه من تحت الجبة فغسلهما ومسح برأسه„ وعلٰى خفيه.

মুগীরাহ ইবনু শু’বাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রাকৃতিক প্রয়োজনে বাইরে যান এবং তারপর ফিরে আসেন। আমি তাঁর নিকট পানি নিয়ে পৌঁছি। তিনি অযূ করেন। তখন তাঁর পরনে শাম দেশীয় জুব্বা ছিল। তিনি কুলি করেন, নাক পরিষ্কার করেন এবং তাঁর মুখমণ্ডল ধৌত করেন। এরপর তিনি আস্তিন থেকে দু’হাত বের করতে থাকেন, কিন্তু আস্তিন দু’টি ছিল সরু, তাই তিনি হাত দু’টি জামার নিচ দিয়ে বের করে দু’ হাত ধৌত করেন। এরপর মাথা মাসেহ করেন এবং মোজার উপর মাসেহ করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৭০)

মুগীরাহ ইবনু শু’বাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রাকৃতিক প্রয়োজনে বাইরে যান এবং তারপর ফিরে আসেন। আমি তাঁর নিকট পানি নিয়ে পৌঁছি। তিনি অযূ করেন। তখন তাঁর পরনে শাম দেশীয় জুব্বা ছিল। তিনি কুলি করেন, নাক পরিষ্কার করেন এবং তাঁর মুখমণ্ডল ধৌত করেন। এরপর তিনি আস্তিন থেকে দু’হাত বের করতে থাকেন, কিন্তু আস্তিন দু’টি ছিল সরু, তাই তিনি হাত দু’টি জামার নিচ দিয়ে বের করে দু’ হাত ধৌত করেন। এরপর মাথা মাসেহ করেন এবং মোজার উপর মাসেহ করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৭০)

قيس بن حفص حدثنا عبد الواحد حدثنا الأعمش قال حدثني أبو الضحٰى قال حدثني مسروق قال حدثني المغيرة بن شعبة قال انطلق النبي صلى الله عليه وسلم لحاجته„ ثم أقبل فتلقيته“ بماء فتوضأ وعليه جبة شأمية فمضمض واستنشق وغسل وجهه“ فذهب يخرج يديه من كميه فكانا ضيقين فأخرج يديه من تحت الجبة فغسلهما ومسح برأسه„ وعلٰى خفيه.


সহিহ বুখারী > যুদ্ধকালে পশমী জামা পরিধান প্রসঙ্গে।

সহিহ বুখারী ৫৭৯৯

أبو نعيم حدثنا زكرياء عن عامر عن عروة بن المغيرة عن أبيه قال كنت مع النبي صلى الله عليه وسلم ذات ليلة في سفر فقال أمعك ماء قلت نعم فنزل عن راحلته„ فمشٰى حتٰى توار‘ى عني في سواد الليل ثم جاء فأفرغت عليه الإداوة فغسل وجهه“ ويديه وعليه جبة من صوف فلم يستطع أن يخرج ذراعيه منها حتٰى أخرجهما من أسفل الجبة فغسل ذراعيه ثم مسح برأسه„ ثم أهويت لأنزع خفيه فقال دعهما فإني أدخلتهما طاهرتين فمسح عليهما.

মুগীরাহ ইবনু শু’বাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সফরে এক রাত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি বললেনঃ তোমার সঙ্গে পানি আছে কি? আমি বললামঃ হাঁ। তখন তিনি বাহন থেকে নামলেন এবং হেঁটে যেতে লাগলেন। তিনি এতদূর গেলেন যে, রাতের অন্ধকারে আমার নিকট থেকে অদৃশ্য হয়ে পড়লেন। তারপর তিনি ফিরে এলেন। আমি পাত্র থেকে তাঁর (উযূর) পানি ঢালতে লাগলাম। তিনি মুখমণ্ডল ও দু’হাত ধুলেন। তিনি পশমের জামা পরিহিত অবস্থায় ছিলন। তিনি তাত্থেকে হাত বের করতে পারলেন না, তাই জামার নীচ দিয়ে বের করে দু’হাত ধুলেন। তারপর মাথা মাস্‌হ করলেন। তারপর আমি তাঁর মোজা দু’টি খুলতে ইচ্ছে করলাম। তিনি বললেনঃ ছেড়ে দাও। কেননা, আমি পবিত্র অবস্থায় ও দু’টি পরেছি। তারপর ও দু’টির উপর মাসহ করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৭১)

মুগীরাহ ইবনু শু’বাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সফরে এক রাত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি বললেনঃ তোমার সঙ্গে পানি আছে কি? আমি বললামঃ হাঁ। তখন তিনি বাহন থেকে নামলেন এবং হেঁটে যেতে লাগলেন। তিনি এতদূর গেলেন যে, রাতের অন্ধকারে আমার নিকট থেকে অদৃশ্য হয়ে পড়লেন। তারপর তিনি ফিরে এলেন। আমি পাত্র থেকে তাঁর (উযূর) পানি ঢালতে লাগলাম। তিনি মুখমণ্ডল ও দু’হাত ধুলেন। তিনি পশমের জামা পরিহিত অবস্থায় ছিলন। তিনি তাত্থেকে হাত বের করতে পারলেন না, তাই জামার নীচ দিয়ে বের করে দু’হাত ধুলেন। তারপর মাথা মাস্‌হ করলেন। তারপর আমি তাঁর মোজা দু’টি খুলতে ইচ্ছে করলাম। তিনি বললেনঃ ছেড়ে দাও। কেননা, আমি পবিত্র অবস্থায় ও দু’টি পরেছি। তারপর ও দু’টির উপর মাসহ করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৭১)

أبو نعيم حدثنا زكرياء عن عامر عن عروة بن المغيرة عن أبيه قال كنت مع النبي صلى الله عليه وسلم ذات ليلة في سفر فقال أمعك ماء قلت نعم فنزل عن راحلته„ فمشٰى حتٰى توار‘ى عني في سواد الليل ثم جاء فأفرغت عليه الإداوة فغسل وجهه“ ويديه وعليه جبة من صوف فلم يستطع أن يخرج ذراعيه منها حتٰى أخرجهما من أسفل الجبة فغسل ذراعيه ثم مسح برأسه„ ثم أهويت لأنزع خفيه فقال دعهما فإني أدخلتهما طاهرتين فمسح عليهما.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00