সহিহ বুখারী > শুভ-অশুভ আলামত।

সহিহ বুখারী ৫৭৫৫

عبد الله بن محمد أخبرنا هشام أخبرنا معمر عن الزهري عن عبيد الله بن عبد الله عن أبي هريرة قال قال النبي صلى الله عليه وسلم لا طيرة وخيرها الفأل قال وما الفأل يا رسول الله قال الكلمة الصالحة يسمعها أحدكم.

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শুভ-অশুভ বলে কিছু নেই এবং এর কল্যাণই হল শুভ আলামত। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! শুভ আলামত কি? তিনি বললেনঃ ভাল কথা, যা তোমাদের কেউ (বিপদের সময়) শুনে থাকে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৩১)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শুভ-অশুভ বলে কিছু নেই এবং এর কল্যাণই হল শুভ আলামত। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! শুভ আলামত কি? তিনি বললেনঃ ভাল কথা, যা তোমাদের কেউ (বিপদের সময়) শুনে থাকে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৩১)

عبد الله بن محمد أخبرنا هشام أخبرنا معمر عن الزهري عن عبيد الله بن عبد الله عن أبي هريرة قال قال النبي صلى الله عليه وسلم لا طيرة وخيرها الفأل قال وما الفأل يا رسول الله قال الكلمة الصالحة يسمعها أحدكم.


সহিহ বুখারী ৫৭৫৬

مسلم بن إبراهيم حدثنا هشام حدثنا قتادة عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا عدو‘ى ولا طيرة ويعجبني الفأل الصالح الكلمة الحسنة.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রোগের সংক্রমন ও শুভ-অশুভ বলতে কিছু নেই। শুভ আলামতই আমার নিকট পছন্দনীয়, আর তা হল উত্তম বাক্য। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৩২)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রোগের সংক্রমন ও শুভ-অশুভ বলতে কিছু নেই। শুভ আলামতই আমার নিকট পছন্দনীয়, আর তা হল উত্তম বাক্য। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৩২)

مسلم بن إبراهيم حدثنا هشام حدثنا قتادة عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا عدو‘ى ولا طيرة ويعجبني الفأل الصالح الكلمة الحسنة.


সহিহ বুখারী > পেঁচাতে অশুভ আলামত নেই।

সহিহ বুখারী ৫৭৫৭

محمد بن الحكم حدثنا النضر أخبرنا إسرائيل أخبرنا أبو حصين عن أبي صالح عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا عدو‘ى ولا طيرة ولا هامة ولا صفر.

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রোগে সংক্রমণ নেই; শুভ-অশুভ আলামত বলে কিছু নেই। পেঁচায় অশুভ আলামত নেই এবং সফর মাসে অকল্যাণ নেই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৩৩)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রোগে সংক্রমণ নেই; শুভ-অশুভ আলামত বলে কিছু নেই। পেঁচায় অশুভ আলামত নেই এবং সফর মাসে অকল্যাণ নেই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৩৩)

محمد بن الحكم حدثنا النضر أخبرنا إسرائيل أخبرنا أبو حصين عن أبي صالح عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا عدو‘ى ولا طيرة ولا هامة ولا صفر.


সহিহ বুখারী > গণনা বিদ্যা প্রসঙ্গে

সহিহ বুখারী ৫৭৫৯

قتيبة عن مالك عن ابن شهاب عن أبي سلمة عن أبي هريرة أن امرأتين رمت إحداهما الأخر‘ى بحجر فطرحت جنينها فقضٰى فيه النبي صلى الله عليه وسلم بغرة عبد أو وليدة.

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

দু’জন মহিলার একজন অন্যজনের প্রতি পাথর নিক্ষেপ করে। এতে সে তার গর্ভপাত ঘটায়। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ ঘটনার বিচারে গর্ভস্থ শিশুর বদলে একটি দাস বা দাসী দেয়ার ফয়সালা দেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৩৫)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

দু’জন মহিলার একজন অন্যজনের প্রতি পাথর নিক্ষেপ করে। এতে সে তার গর্ভপাত ঘটায়। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ ঘটনার বিচারে গর্ভস্থ শিশুর বদলে একটি দাস বা দাসী দেয়ার ফয়সালা দেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৩৫)

قتيبة عن مالك عن ابن شهاب عن أبي سلمة عن أبي هريرة أن امرأتين رمت إحداهما الأخر‘ى بحجر فطرحت جنينها فقضٰى فيه النبي صلى الله عليه وسلم بغرة عبد أو وليدة.


সহিহ বুখারী ৫৭৬০

وعن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضٰى في الجنين يقتل في بطن أمه بغرة عبد أو وليدة فقال الذي قضي عليه كيف أغرم ما لا أكل ولا شرب ولا نطق ولا استهل ومثل ذ‘لك يطل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنما هٰذا من إخوان الكهان.

সা‘ঈদ ইবনু মুসায়্যিব এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

যে গর্ভস্থ শিশুকে মায়ের গর্ভে থাকা অবস্থায় হত্যা করা হয়, তার ক্ষতিপূরণ হিসেবে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি দাস বা দাসী প্রদানের ফয়সালা দেন। যার বিপক্ষে এ ফয়সালা দেয়া হয়, সে বলেঃ আমি কীভাবে এমন শিশুর জরিমানা আদায় করি, যে পানাহার করেনি, কথা বলেনি এবং কান্নাকাটিও করেনি। এ রকম হত্যার জরিমানা প্রত্যাখ্যানযোগ্য। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এ তো দেখছি গণকদের ভাই। [৫৭৫৮; মুসলিম ২৮/১১, হাঃ ১৬৮১] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৩৫)

সা‘ঈদ ইবনু মুসায়্যিব এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

যে গর্ভস্থ শিশুকে মায়ের গর্ভে থাকা অবস্থায় হত্যা করা হয়, তার ক্ষতিপূরণ হিসেবে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি দাস বা দাসী প্রদানের ফয়সালা দেন। যার বিপক্ষে এ ফয়সালা দেয়া হয়, সে বলেঃ আমি কীভাবে এমন শিশুর জরিমানা আদায় করি, যে পানাহার করেনি, কথা বলেনি এবং কান্নাকাটিও করেনি। এ রকম হত্যার জরিমানা প্রত্যাখ্যানযোগ্য। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এ তো দেখছি গণকদের ভাই। [৫৭৫৮; মুসলিম ২৮/১১, হাঃ ১৬৮১] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৩৫)

وعن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضٰى في الجنين يقتل في بطن أمه بغرة عبد أو وليدة فقال الذي قضي عليه كيف أغرم ما لا أكل ولا شرب ولا نطق ولا استهل ومثل ذ‘لك يطل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنما هٰذا من إخوان الكهان.


সহিহ বুখারী ৫৭৬১

عبد الله بن محمد حدثنا ابن عيينة عن الزهري عن أبي بكر بن عبد الرحمٰن بن الحارث عن أبي مسعود قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن ثمن الكلب ومهر البغي وحلوان الكاهن.

আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুকুরের মূল্য, যিনাকারিণীর পারিশ্রমিক ও গণকের পারিশ্রমিক দিতে নিষেধ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৩৬)

আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুকুরের মূল্য, যিনাকারিণীর পারিশ্রমিক ও গণকের পারিশ্রমিক দিতে নিষেধ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৩৬)

عبد الله بن محمد حدثنا ابن عيينة عن الزهري عن أبي بكر بن عبد الرحمٰن بن الحارث عن أبي مسعود قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن ثمن الكلب ومهر البغي وحلوان الكاهن.


সহিহ বুখারী ৫৭৫৮

سعيد بن عفير حدثنا الليث قال حدثني عبد الرحمٰن بن خالد عن ابن شهاب عن أبي سلمة عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضٰى في امرأتين من هذيل اقتتلتا فرمت إحداهما الأخر‘ى بحجر فأصاب بطنها وهي حامل فقتلت ولدها الذي في بطنها فاختصموا إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقضٰى أن دية ما في بطنها غرة عبد أو أمة فقال ولي المرأة التي غرمت كيف أغرم يا رسول الله من لا شرب ولا أكل ولا نطق ولا استهل فمثل ذ‘لك يطل فقال النبي صلى الله عليه وسلم إنما هٰذا من إخوان الكهان.

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার হুযাইল গোত্রের দু’জন মহিলার মধ্যে বিচার করেন। তারা উভয়ে মারামারি করেছিল। তাদের একজন অন্যজনের উপর পাথর নিক্ষেপ করে। পাথর গিয়ে তার পেটে লাগে। সে ছিল গর্ভবতী। ফলে তার পেটের বাচ্চাকে সে হত্যা করে। তারপর তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট অভিযোগ দায়ের করে। তিনি ফায়সালা দেন যে, এর পেটের সন্তানের বদলে একটি পূর্ণ দাস অথবা দাসী দিতে হবে। জরিমানা আরোপকৃত মহিলার অভিভাবক বললঃ হে আল্লাহর রসূল! এমন সন্তানের জন্য আমার উপর জরিমানা কেন হবে, যে পান করেনি, খাদ্য খায়নি, কথা বলেনি এবং কান্নাকাটিও করেনি। এ অবস্থায় জরিমানা প্রত্যাখ্যানযোগ্য। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ তো (দেখছি) গণকদের ভাই। [৫৭৫৯, ৫৭৬০, ৬৭৪০, ৬৯০৪, ৬৯০৯, ৬৯১০; মুসলিম ২৮/১১, হাঃ ১৬৮১] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৩৪)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার হুযাইল গোত্রের দু’জন মহিলার মধ্যে বিচার করেন। তারা উভয়ে মারামারি করেছিল। তাদের একজন অন্যজনের উপর পাথর নিক্ষেপ করে। পাথর গিয়ে তার পেটে লাগে। সে ছিল গর্ভবতী। ফলে তার পেটের বাচ্চাকে সে হত্যা করে। তারপর তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট অভিযোগ দায়ের করে। তিনি ফায়সালা দেন যে, এর পেটের সন্তানের বদলে একটি পূর্ণ দাস অথবা দাসী দিতে হবে। জরিমানা আরোপকৃত মহিলার অভিভাবক বললঃ হে আল্লাহর রসূল! এমন সন্তানের জন্য আমার উপর জরিমানা কেন হবে, যে পান করেনি, খাদ্য খায়নি, কথা বলেনি এবং কান্নাকাটিও করেনি। এ অবস্থায় জরিমানা প্রত্যাখ্যানযোগ্য। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ তো (দেখছি) গণকদের ভাই। [৫৭৫৯, ৫৭৬০, ৬৭৪০, ৬৯০৪, ৬৯০৯, ৬৯১০; মুসলিম ২৮/১১, হাঃ ১৬৮১] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৩৪)

سعيد بن عفير حدثنا الليث قال حدثني عبد الرحمٰن بن خالد عن ابن شهاب عن أبي سلمة عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضٰى في امرأتين من هذيل اقتتلتا فرمت إحداهما الأخر‘ى بحجر فأصاب بطنها وهي حامل فقتلت ولدها الذي في بطنها فاختصموا إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقضٰى أن دية ما في بطنها غرة عبد أو أمة فقال ولي المرأة التي غرمت كيف أغرم يا رسول الله من لا شرب ولا أكل ولا نطق ولا استهل فمثل ذ‘لك يطل فقال النبي صلى الله عليه وسلم إنما هٰذا من إخوان الكهان.


সহিহ বুখারী ৫৭৬২

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا هشام بن يوسف، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن يحيى بن عروة بن الزبير، عن عروة، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم ناس عن الكهان‏.‏ فقال ‏"‏ ليس بشىء ‏"‏‏.‏ فقالوا يا رسول الله إنهم يحدثونا أحيانا بشىء فيكون حقا‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ تلك الكلمة من الحق، يخطفها من الجني، فيقرها في أذن وليه، فيخلطون معها مائة كذبة ‏"‏‏.‏ قال علي قال عبد الرزاق مرسل، الكلمة من الحق‏.‏ ثم بلغني أنه أسنده بعده‏.‏

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কতকগুলো লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট গণকদের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেনঃ এ কিছুই নয়। তারা বললঃ হে আল্লাহর রসূল! ওরা কখনও কখনও আমাদের এমন কথা শোনায়, যা সত্য হয়ে থাকে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সে কথা সত্য। জিনেরা তা ছোঁ মেরে নেয়। পরে তাদের বন্ধু (গণক) এর কানে ঢেলে দেয়। তারা এর সাথে শত মিথ্যা মিলায়। ‘আলী (রহঃ) বলেন, ‘আবদুর রায্‌যাক (রহঃ) বলেছেনঃ এ বাণী সত্য তবে মুরসাল। এরপর আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, পরে এটি তিনি মুসনাদ রূপে বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৩৭)

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কতকগুলো লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট গণকদের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেনঃ এ কিছুই নয়। তারা বললঃ হে আল্লাহর রসূল! ওরা কখনও কখনও আমাদের এমন কথা শোনায়, যা সত্য হয়ে থাকে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সে কথা সত্য। জিনেরা তা ছোঁ মেরে নেয়। পরে তাদের বন্ধু (গণক) এর কানে ঢেলে দেয়। তারা এর সাথে শত মিথ্যা মিলায়। ‘আলী (রহঃ) বলেন, ‘আবদুর রায্‌যাক (রহঃ) বলেছেনঃ এ বাণী সত্য তবে মুরসাল। এরপর আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, পরে এটি তিনি মুসনাদ রূপে বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৩৭)

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا هشام بن يوسف، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن يحيى بن عروة بن الزبير، عن عروة، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم ناس عن الكهان‏.‏ فقال ‏"‏ ليس بشىء ‏"‏‏.‏ فقالوا يا رسول الله إنهم يحدثونا أحيانا بشىء فيكون حقا‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ تلك الكلمة من الحق، يخطفها من الجني، فيقرها في أذن وليه، فيخلطون معها مائة كذبة ‏"‏‏.‏ قال علي قال عبد الرزاق مرسل، الكلمة من الحق‏.‏ ثم بلغني أنه أسنده بعده‏.‏


সহিহ বুখারী > যাদু সম্পর্কে

সহিহ বুখারী ৫৭৬৩

حدثنا إبراهيم بن موسى، أخبرنا عيسى بن يونس، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت سحر رسول الله صلى الله عليه وسلم رجل من بني زريق يقال له لبيد بن الأعصم، حتى كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يخيل إليه أنه يفعل الشىء وما فعله، حتى إذا كان ذات يوم أو ذات ليلة وهو عندي لكنه دعا ودعا ثم قال ‏"‏ يا عائشة، أشعرت أن الله أفتاني فيما استفتيته فيه، أتاني رجلان فقعد أحدهما عند رأسي، والآخر عند رجلى، فقال أحدهما لصاحبه ما وجع الرجل فقال مطبوب‏.‏ قال من طبه قال لبيد بن الأعصم‏.‏ قال في أى شىء قال في مشط ومشاطة، وجف طلع نخلة ذكر‏.‏ قال وأين هو قال في بئر ذروان ‏"‏‏.‏ فأتاها رسول الله صلى الله عليه وسلم في ناس من أصحابه فجاء فقال ‏"‏ يا عائشة كأن ماءها نقاعة الحناء، أو كأن رءوس نخلها رءوس الشياطين ‏"‏‏.‏ قلت يا رسول الله أفلا أستخرجه قال ‏"‏ قد عافاني الله، فكرهت أن أثور على الناس فيه شرا ‏"‏‏.‏ فأمر بها فدفنت‏.‏ تابعه أبو أسامة وأبو ضمرة وابن أبي الزناد عن هشام‏.‏ وقال الليث وابن عيينة عن هشام في مشط ومشاقة‏.‏ يقال المشاطة ما يخرج من الشعر إذا مشط، والمشاقة من مشاقة الكتان‏.‏

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ যুরাইক গোত্রের লাবীদ ইবনু আ‘সাম নামক এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে যাদু করে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর মনে হতো যেন তিনি একটি কাজ করেছেন, অথচ তা তিনি করেননি। একদিন বা একরাত্রি তিনি আমার কাছে ছিলেন। তিনি বার বার দু‘আ করতে থাকেন। তারপর তিনি বলেনঃ হে ‘আয়িশাহ! তুমি কি বুঝতে পেরেছ যে, আমি আল্লাহর কাছে যা জানতে চেয়েছিলাম, তিনি আমাকে তা জানিয়ে দিয়েছেন। স্বপ্নে দেখি) আমার নিকট দু’জন লোক আসেন। তাদের একজন আমার মাথার কাছে এবং অপরজন দু’পায়ের কাছে বসেন। একজন তাঁর সঙ্গীকে বলেনঃ এ লোকটির কী ব্যথা? তিনি বলেনঃ যাদু করা হয়েছে। প্রথম জন বলেনঃ কে যাদু করেছে? দ্বিতীয় জন বলেন, লাবীদ বিন আ’সাম। প্রথম জন জিজ্ঞেস করেনঃ কিসের মধ্যে? দ্বিতীয় জন উত্তর দেনঃ চিরুনী, মাথা আঁচড়ানোর সময় উঠা চুল এবং এক পুং খেজুর গাছের ‘জুব’-এর মধ্যে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কয়েকজন সহাবী সাথে নিয়ে সেখানে যান। পরে ফিরে এসে বলেনঃ হে ‘আয়িশাহ! সে কূপের পানি মেহদীর পানির মত লাল) এবং তার পাড়ের খেজুর গাছের মাথাগুলো শয়তানের মাথার মত। আমি বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি এ কথা প্রকাশ করে দিবেন না? তিনি বললেনঃ আল্লাহ আমাকে আরোগ্য দান করেছেন, আমি মানুষকে এমন বিষয়ে প্ররোচিত করতে পছন্দ করি না, যাতে অকল্যাণ রয়েছে। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নির্দেশ দিলে সেগুলো মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়। আবূ উসামাহ আবূ যামরাহ ও ইবনু আবূ যিনাদ (রহ.) হিশাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। লাইস ও ইবনু ‘উয়াইনাহ (রহ.) হিশাম থেকে বর্ণনা করেছেন, চিরুনী ও কাতানের টুকরায়। আবূ ‘আবদুল্লাহ (রহ.) বলেন, الْمُشَاطَةُ হল চিরুনী করার পর যে চুল বের হয়। مُشَاقَةِ হল কাতান। [৩১৭৫] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৩৮)

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ যুরাইক গোত্রের লাবীদ ইবনু আ‘সাম নামক এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে যাদু করে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর মনে হতো যেন তিনি একটি কাজ করেছেন, অথচ তা তিনি করেননি। একদিন বা একরাত্রি তিনি আমার কাছে ছিলেন। তিনি বার বার দু‘আ করতে থাকেন। তারপর তিনি বলেনঃ হে ‘আয়িশাহ! তুমি কি বুঝতে পেরেছ যে, আমি আল্লাহর কাছে যা জানতে চেয়েছিলাম, তিনি আমাকে তা জানিয়ে দিয়েছেন। স্বপ্নে দেখি) আমার নিকট দু’জন লোক আসেন। তাদের একজন আমার মাথার কাছে এবং অপরজন দু’পায়ের কাছে বসেন। একজন তাঁর সঙ্গীকে বলেনঃ এ লোকটির কী ব্যথা? তিনি বলেনঃ যাদু করা হয়েছে। প্রথম জন বলেনঃ কে যাদু করেছে? দ্বিতীয় জন বলেন, লাবীদ বিন আ’সাম। প্রথম জন জিজ্ঞেস করেনঃ কিসের মধ্যে? দ্বিতীয় জন উত্তর দেনঃ চিরুনী, মাথা আঁচড়ানোর সময় উঠা চুল এবং এক পুং খেজুর গাছের ‘জুব’-এর মধ্যে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কয়েকজন সহাবী সাথে নিয়ে সেখানে যান। পরে ফিরে এসে বলেনঃ হে ‘আয়িশাহ! সে কূপের পানি মেহদীর পানির মত লাল) এবং তার পাড়ের খেজুর গাছের মাথাগুলো শয়তানের মাথার মত। আমি বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি এ কথা প্রকাশ করে দিবেন না? তিনি বললেনঃ আল্লাহ আমাকে আরোগ্য দান করেছেন, আমি মানুষকে এমন বিষয়ে প্ররোচিত করতে পছন্দ করি না, যাতে অকল্যাণ রয়েছে। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নির্দেশ দিলে সেগুলো মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়। আবূ উসামাহ আবূ যামরাহ ও ইবনু আবূ যিনাদ (রহ.) হিশাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। লাইস ও ইবনু ‘উয়াইনাহ (রহ.) হিশাম থেকে বর্ণনা করেছেন, চিরুনী ও কাতানের টুকরায়। আবূ ‘আবদুল্লাহ (রহ.) বলেন, الْمُشَاطَةُ হল চিরুনী করার পর যে চুল বের হয়। مُشَاقَةِ হল কাতান। [৩১৭৫] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৩৮)

حدثنا إبراهيم بن موسى، أخبرنا عيسى بن يونس، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت سحر رسول الله صلى الله عليه وسلم رجل من بني زريق يقال له لبيد بن الأعصم، حتى كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يخيل إليه أنه يفعل الشىء وما فعله، حتى إذا كان ذات يوم أو ذات ليلة وهو عندي لكنه دعا ودعا ثم قال ‏"‏ يا عائشة، أشعرت أن الله أفتاني فيما استفتيته فيه، أتاني رجلان فقعد أحدهما عند رأسي، والآخر عند رجلى، فقال أحدهما لصاحبه ما وجع الرجل فقال مطبوب‏.‏ قال من طبه قال لبيد بن الأعصم‏.‏ قال في أى شىء قال في مشط ومشاطة، وجف طلع نخلة ذكر‏.‏ قال وأين هو قال في بئر ذروان ‏"‏‏.‏ فأتاها رسول الله صلى الله عليه وسلم في ناس من أصحابه فجاء فقال ‏"‏ يا عائشة كأن ماءها نقاعة الحناء، أو كأن رءوس نخلها رءوس الشياطين ‏"‏‏.‏ قلت يا رسول الله أفلا أستخرجه قال ‏"‏ قد عافاني الله، فكرهت أن أثور على الناس فيه شرا ‏"‏‏.‏ فأمر بها فدفنت‏.‏ تابعه أبو أسامة وأبو ضمرة وابن أبي الزناد عن هشام‏.‏ وقال الليث وابن عيينة عن هشام في مشط ومشاقة‏.‏ يقال المشاطة ما يخرج من الشعر إذا مشط، والمشاقة من مشاقة الكتان‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00