সহিহ বুখারী > রোগীর মুখে ঔষধ ঢেলে দেয়া।

সহিহ বুখারী ৫৭০৯

علي بن عبد الله حدثنا يحيٰى بن سعيد حدثنا سفيان قال حدثني موسٰى بن أبي عائشة عن عبيد الله بن عبد الله عن ابن عباس وعائشة أن أبا بكر قبل النبي صلى الله عليه وسلم وهو ميت.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) ও ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ বকর (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মৃতদেহে চুমু দিয়েছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯০)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) ও ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ বকর (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মৃতদেহে চুমু দিয়েছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯০)

علي بن عبد الله حدثنا يحيٰى بن سعيد حدثنا سفيان قال حدثني موسٰى بن أبي عائشة عن عبيد الله بن عبد الله عن ابن عباس وعائشة أن أبا بكر قبل النبي صلى الله عليه وسلم وهو ميت.


সহিহ বুখারী ৫৭১০

علي بن عبد الله حدثنا يحيٰى بن سعيد حدثنا سفيان قال حدثني موسٰى بن أبي عائشة عن عبيد الله بن عبد الله عن ابن عباس وعائشة أن أبا بكر قبل النبي صلى الله عليه وسلم وهو ميت.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) ও ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ বকর (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মৃতদেহে চুমু দিয়েছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯০)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) ও ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ বকর (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মৃতদেহে চুমু দিয়েছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯০)

علي بن عبد الله حدثنا يحيٰى بن سعيد حدثنا سفيان قال حدثني موسٰى بن أبي عائشة عن عبيد الله بن عبد الله عن ابن عباس وعائشة أن أبا بكر قبل النبي صلى الله عليه وسلم وهو ميت.


সহিহ বুখারী ৫৭১১

علي بن عبد الله حدثنا يحيٰى بن سعيد حدثنا سفيان قال حدثني موسٰى بن أبي عائشة عن عبيد الله بن عبد الله عن ابن عباس وعائشة أن أبا بكر قبل النبي صلى الله عليه وسلم وهو ميت.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) ও ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ বকর (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মৃতদেহে চুমু দিয়েছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯০)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) ও ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ বকর (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মৃতদেহে চুমু দিয়েছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯০)

علي بن عبد الله حدثنا يحيٰى بن سعيد حدثنا سفيان قال حدثني موسٰى بن أبي عائشة عن عبيد الله بن عبد الله عن ابن عباس وعائشة أن أبا بكر قبل النبي صلى الله عليه وسلم وهو ميت.


সহিহ বুখারী ৫৭১২

قال وقالت عائشة لددناه“ في مرضه„ فجعل يشير إلينا أن لا تلدوني فقلنا كراهية المريض للدواء فلما أفاق قال ألم أنهكم أن تلدوني قلنا كراهية المريض للدواء فقال لا يبقٰى في البيت أحد إلا لد وأنا أنظر إلا العباس فإنه“ لم يشهدكم.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) ও ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণনাকারী বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) আরো বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর অসুখের সময় আমরা তাঁর মুখে ঔষধ ঢেলে দিলাম। তখন তিনি আমাকে ইঙ্গিত দিতে থাকলেন যে, তোমরা আমার মুখে ঔষধ ঢেল না। আমরা মনে করলাম, এটা ঔষধের প্রতি একজন রোগীর স্বভাবজাত অনীহা মাত্র। এরপর তিনি যখন সুস্থবোধ করলেন তখন বললেনঃ আমি কি তোমাদের আমার মুখে ঔষধ ঢেলে দিতে নিষেধ করিনি? আমরা বললামঃ আমরাতো ঔষধের প্রতি রোগীর স্বভাবজাত অনীহা ভেবেছিলাম। তখন তিনি বললেনঃ আমি এখন যাদেরকে এ ঘরে দেখতে পাচ্ছি তাদের সবার মুখে ওষুধ ঢালা হবে। ‘আব্বাস (রাঃ) ছাড়া কেউ বাদ যাবে না। কেননা, তিনি তোমাদের সাথে উপস্থিত ছিলেন না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯০)]

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) ও ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণনাকারী বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) আরো বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর অসুখের সময় আমরা তাঁর মুখে ঔষধ ঢেলে দিলাম। তখন তিনি আমাকে ইঙ্গিত দিতে থাকলেন যে, তোমরা আমার মুখে ঔষধ ঢেল না। আমরা মনে করলাম, এটা ঔষধের প্রতি একজন রোগীর স্বভাবজাত অনীহা মাত্র। এরপর তিনি যখন সুস্থবোধ করলেন তখন বললেনঃ আমি কি তোমাদের আমার মুখে ঔষধ ঢেলে দিতে নিষেধ করিনি? আমরা বললামঃ আমরাতো ঔষধের প্রতি রোগীর স্বভাবজাত অনীহা ভেবেছিলাম। তখন তিনি বললেনঃ আমি এখন যাদেরকে এ ঘরে দেখতে পাচ্ছি তাদের সবার মুখে ওষুধ ঢালা হবে। ‘আব্বাস (রাঃ) ছাড়া কেউ বাদ যাবে না। কেননা, তিনি তোমাদের সাথে উপস্থিত ছিলেন না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯০)]

قال وقالت عائشة لددناه“ في مرضه„ فجعل يشير إلينا أن لا تلدوني فقلنا كراهية المريض للدواء فلما أفاق قال ألم أنهكم أن تلدوني قلنا كراهية المريض للدواء فقال لا يبقٰى في البيت أحد إلا لد وأنا أنظر إلا العباس فإنه“ لم يشهدكم.


সহিহ বুখারী ৫৭১৩

علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن الزهري أخبرني عبيد الله بن عبد الله عن أم قيس قالت دخلت بابن لي علٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد أعلقت عليه من العذرة فقال علٰى ما تدغرن أولادكن بهٰذا العلاق عليكن بهٰذا العود الهندي فإن فيه سبعة أشفية منها ذات الجنب يسعط من العذرة ويلد من ذات الجنب فسمعت الزهري يقول بين لنا اثنين ولم يبين لنا خمسة. قلت لسفيان فإن معمرا يقول أعلقت عليه قال لم يحفظ إنما قال أعلقت عنه“ حفظته“ من في الزهري ووصف سفيان الغلام يحنك بالإصبع وأدخل سفيان في حنكه„ إنما يعني رفع حنكه„ بإصبعه„ ولم يقل أعلقوا عنه“ شيئا.

উম্মু কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আমার এক পুত্র সন্তানকে নিয়ে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট গেলাম। ছেলেটির আলাজিহবা ফোলার কারণে আমি তা দাবিয়ে দিয়েছিলাম। তখন তিনি বললেনঃ এ রকম রোগ-ব্যাধি দমনে তোমরা নিজেদের সন্তানদের কেন কষ্ট দিয়ে থাক? তোমরা ভারতীয় চন্দন কাঠ ব্যবহার কর। কেননা, তাতে সাত রকমের নিরাময় আছে। তার মধ্যে পাঁজরের ব্যথা বা পক্ষাঘাত রোগ অন্যতম। আলাজিহবা ফোলার কারণে এটির ধোঁয়া নাক দিয়ে টেনে নেয়া যায়। পাঁজরের ব্যথার রুগী বা পক্ষাঘাত রুগীকে তা সেবন করানো যায়। সুফিয়ান বলেনঃ আমি যুহরীকে বলতে শুনেছি যে, তিনি আমাদের কাছে দু’টির কথা বর্ণনা করেছেন। আর পাঁচটির কথা বর্ণনা করেননি। বর্ণনাকারী ‘আলী বলেনঃ আমি সুফ্ইয়ানকে বললাম মা‘মার স্মরণ রাখতে পারেননি। তিনি বলেছেন أَعْلَقْتُ عَلَيْهِ আর যুহরী তো বলেছেন, أَعْلَقْتُ عَنْه” শব্দ দ্বারা। আমি যুহরীর মুখ থেকে শুনে মুখস্থ করেছি। আর সুফ্ইয়ানেররিওয়ায়াতে তিনি ছেলেটির অবস্থার বর্ণনা দিয়েছেন যে, আঙ্গুল দিয়ে তার তালু দাবিয়ে দেয়া হয়েছে। এ সময় সুফ্ইয়ান নিজের তালুতে আঙ্গুল প্রবেশ করিয়ে দেখিয়েছেন অর্থাৎ তিনি তাঁর আঙ্গুলের দ্বারা তালুকে তুলে ধরেছিলেন। কিন্তু أَعْلِقُوا عَنْه” شَيْئًا এভাবে কেউই বর্ণনা করেননি। [৫৬৯২] আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯১)

উম্মু কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আমার এক পুত্র সন্তানকে নিয়ে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট গেলাম। ছেলেটির আলাজিহবা ফোলার কারণে আমি তা দাবিয়ে দিয়েছিলাম। তখন তিনি বললেনঃ এ রকম রোগ-ব্যাধি দমনে তোমরা নিজেদের সন্তানদের কেন কষ্ট দিয়ে থাক? তোমরা ভারতীয় চন্দন কাঠ ব্যবহার কর। কেননা, তাতে সাত রকমের নিরাময় আছে। তার মধ্যে পাঁজরের ব্যথা বা পক্ষাঘাত রোগ অন্যতম। আলাজিহবা ফোলার কারণে এটির ধোঁয়া নাক দিয়ে টেনে নেয়া যায়। পাঁজরের ব্যথার রুগী বা পক্ষাঘাত রুগীকে তা সেবন করানো যায়। সুফিয়ান বলেনঃ আমি যুহরীকে বলতে শুনেছি যে, তিনি আমাদের কাছে দু’টির কথা বর্ণনা করেছেন। আর পাঁচটির কথা বর্ণনা করেননি। বর্ণনাকারী ‘আলী বলেনঃ আমি সুফ্ইয়ানকে বললাম মা‘মার স্মরণ রাখতে পারেননি। তিনি বলেছেন أَعْلَقْتُ عَلَيْهِ আর যুহরী তো বলেছেন, أَعْلَقْتُ عَنْه” শব্দ দ্বারা। আমি যুহরীর মুখ থেকে শুনে মুখস্থ করেছি। আর সুফ্ইয়ানেররিওয়ায়াতে তিনি ছেলেটির অবস্থার বর্ণনা দিয়েছেন যে, আঙ্গুল দিয়ে তার তালু দাবিয়ে দেয়া হয়েছে। এ সময় সুফ্ইয়ান নিজের তালুতে আঙ্গুল প্রবেশ করিয়ে দেখিয়েছেন অর্থাৎ তিনি তাঁর আঙ্গুলের দ্বারা তালুকে তুলে ধরেছিলেন। কিন্তু أَعْلِقُوا عَنْه” شَيْئًا এভাবে কেউই বর্ণনা করেননি। [৫৬৯২] আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯১)

علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن الزهري أخبرني عبيد الله بن عبد الله عن أم قيس قالت دخلت بابن لي علٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد أعلقت عليه من العذرة فقال علٰى ما تدغرن أولادكن بهٰذا العلاق عليكن بهٰذا العود الهندي فإن فيه سبعة أشفية منها ذات الجنب يسعط من العذرة ويلد من ذات الجنب فسمعت الزهري يقول بين لنا اثنين ولم يبين لنا خمسة. قلت لسفيان فإن معمرا يقول أعلقت عليه قال لم يحفظ إنما قال أعلقت عنه“ حفظته“ من في الزهري ووصف سفيان الغلام يحنك بالإصبع وأدخل سفيان في حنكه„ إنما يعني رفع حنكه„ بإصبعه„ ولم يقل أعلقوا عنه“ شيئا.


সহিহ বুখারী > ৭৬/২২. অধ্যায়ঃ

সহিহ বুখারী ৫৭১৪

حدثنا بشر بن محمد، أخبرنا عبد الله، أخبرنا معمر، ويونس، قال الزهري أخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، أن عائشة ـ رضى الله عنها ـ زوج النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قالت لما ثقل رسول الله صلى الله عليه وسلم واشتد وجعه، استأذن أزواجه في أن يمرض في بيتي، فأذن، فخرج بين رجلين، تخط رجلاه في الأرض بين عباس وآخر‏.‏ فأخبرت ابن عباس قال هل تدري من الرجل الآخر الذي لم تسم عائشة قلت لا‏.‏ قال هو علي‏.‏ قالت عائشة فقال النبي صلى الله عليه وسلم بعد ما دخل بيتها واشتد به وجعه ‏ "‏ هريقوا على من سبع قرب لم تحلل أوكيتهن، لعلي أعهد إلى الناس ‏"‏‏.‏ قالت فأجلسناه في مخضب لحفصة زوج النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم ثم طفقنا نصب عليه من تلك القرب، حتى جعل يشير إلينا أن قد فعلتن‏.‏ قالت وخرج إلى الناس فصلى لهم وخطبهم‏.‏

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্ত্রী ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর বয়স বেড়ে গেল এবং রোগ-যন্ত্রনা তীব্র আকার ধারণ করল, তখন তিনি তাঁর স্ত্রীদের কাছে অনুমতি চাইলেন যে, তিনি যেন আমার গৃহে অসুস্থ কালীন সময় অবস্থান করতে পারেন। এরপর তাঁরা অনুমতি দিলে তিনি দু’ব্যাক্তি অর্থাৎ ‘আব্বাস (রাঃ) ও আরেকজনের সাহায্যে এভাবে বেরিয়ে আসলেন যে, মাটির উপর তাঁর দু’পা হেঁচড়াতে ছিল। (বর্ণনাকারী বলেন) আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) -কে হাদীসটি জানালে তিনি বলেনঃ আপনি কি জানেন, আরেক ব্যাক্তি যার নাম ‘আয়িশা (রাঃ) উল্লেখ করেননি, তিনি কে ছিলেন? আমি উত্তর দিলামঃ না। তিনি বললেনঃ তিনি হলেন ‘আলী (রাঃ)। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ যখন তাঁর রোগ-যন্ত্রণা আরো তীব্র হল তখন তিনি বললেন, যে সব মশ্‌কের মুখ এখনো খোলা হয়নি এমন সাত মশ্‌ক পানি আমার গায়ে ঢেলে দাও। আমি লোকজনের কাছে কিছু অসীয়ত করে আসার ইচ্ছে পোষণ করেছি। তিনি বলেন, তখন আমরা তাঁকে তাঁর স্ত্রী হাফসা (রাঃ) -এর একটি কাপড় কাচার জায়গায় নিয়ে গিয়ে বসালাম। এরপর তাঁর পায়ের উপর সেই মশকগুলো থেকে পানি ঢালতে লাগলাম। অবশেষে তিনি আমাদের দিকে ইশারা দিলেন যে, তোমরা তোমাদের কাজ করেছ। তিনি বলেনঃ এরপর তিনি লোকজনের দিকে বেরিয়ে গেলেন। আর তাদের নিয়ে সলাত আদায় করলেন এবং তাদের সম্মুখে খুত্‌বা দিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯২)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্ত্রী ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর বয়স বেড়ে গেল এবং রোগ-যন্ত্রনা তীব্র আকার ধারণ করল, তখন তিনি তাঁর স্ত্রীদের কাছে অনুমতি চাইলেন যে, তিনি যেন আমার গৃহে অসুস্থ কালীন সময় অবস্থান করতে পারেন। এরপর তাঁরা অনুমতি দিলে তিনি দু’ব্যাক্তি অর্থাৎ ‘আব্বাস (রাঃ) ও আরেকজনের সাহায্যে এভাবে বেরিয়ে আসলেন যে, মাটির উপর তাঁর দু’পা হেঁচড়াতে ছিল। (বর্ণনাকারী বলেন) আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) -কে হাদীসটি জানালে তিনি বলেনঃ আপনি কি জানেন, আরেক ব্যাক্তি যার নাম ‘আয়িশা (রাঃ) উল্লেখ করেননি, তিনি কে ছিলেন? আমি উত্তর দিলামঃ না। তিনি বললেনঃ তিনি হলেন ‘আলী (রাঃ)। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ যখন তাঁর রোগ-যন্ত্রণা আরো তীব্র হল তখন তিনি বললেন, যে সব মশ্‌কের মুখ এখনো খোলা হয়নি এমন সাত মশ্‌ক পানি আমার গায়ে ঢেলে দাও। আমি লোকজনের কাছে কিছু অসীয়ত করে আসার ইচ্ছে পোষণ করেছি। তিনি বলেন, তখন আমরা তাঁকে তাঁর স্ত্রী হাফসা (রাঃ) -এর একটি কাপড় কাচার জায়গায় নিয়ে গিয়ে বসালাম। এরপর তাঁর পায়ের উপর সেই মশকগুলো থেকে পানি ঢালতে লাগলাম। অবশেষে তিনি আমাদের দিকে ইশারা দিলেন যে, তোমরা তোমাদের কাজ করেছ। তিনি বলেনঃ এরপর তিনি লোকজনের দিকে বেরিয়ে গেলেন। আর তাদের নিয়ে সলাত আদায় করলেন এবং তাদের সম্মুখে খুত্‌বা দিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯২)

حدثنا بشر بن محمد، أخبرنا عبد الله، أخبرنا معمر، ويونس، قال الزهري أخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، أن عائشة ـ رضى الله عنها ـ زوج النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قالت لما ثقل رسول الله صلى الله عليه وسلم واشتد وجعه، استأذن أزواجه في أن يمرض في بيتي، فأذن، فخرج بين رجلين، تخط رجلاه في الأرض بين عباس وآخر‏.‏ فأخبرت ابن عباس قال هل تدري من الرجل الآخر الذي لم تسم عائشة قلت لا‏.‏ قال هو علي‏.‏ قالت عائشة فقال النبي صلى الله عليه وسلم بعد ما دخل بيتها واشتد به وجعه ‏ "‏ هريقوا على من سبع قرب لم تحلل أوكيتهن، لعلي أعهد إلى الناس ‏"‏‏.‏ قالت فأجلسناه في مخضب لحفصة زوج النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم ثم طفقنا نصب عليه من تلك القرب، حتى جعل يشير إلينا أن قد فعلتن‏.‏ قالت وخرج إلى الناس فصلى لهم وخطبهم‏.‏


সহিহ বুখারী > উযরা-আলাজিহ্বা যন্ত্রণার বর্ণনা।

সহিহ বুখারী ৫৭১৫

أبو اليمان أخبرنا شعيب عن الزهري قال أخبرني عبيد الله بن عبد الله أن أم قيس بنت محصن الأسدية أسد خزيمة وكانت من المهاجرات الأول اللاتي بايعن النبي صلى الله عليه وسلم وهي أخت عكاشة أخبرته“ أنها أتت رسول الله صلى الله عليه وسلم بابن لها قد أعلقت عليه من العذرة فقال النبي صلى الله عليه وسلم علٰى ما تدغرن أولادكن بهٰذا العلاق عليكم بهٰذا العود الهندي فإن فيه سبعة أشفية منها ذات الجنب يريد الكست وهو العود الهندي وقال يونس وإسحاق بن راشد عن الزهري علقت عليه.

‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আসাদ গোত্রের অর্থাৎ আসাদে খুযাইমা গোত্রের উম্মু কায়স বিন্ত মিহসান আসাদিয়া ছিলেন প্রথম যুগের হিজরাতকারীদের অন্তর্ভুক্ত, যাঁরা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট বাই‘আত গ্রহণ করেছিলেন। আর তিনি ছিলেন ‘উকাশাহ -এর বোন। তিনি বলেছেন যে, তিনি তাঁর এক ছেলেকে নিয়ে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এসেছিলেন। ছেলেটির আলাজিহবা ফুলে যাওয়ার কারণে তিনি তা দাবিয়ে দিয়েছিলেন। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা এ সব রোগ দমনে তোমাদের সন্তানদের কেন কষ্ট দাও? তোমরা এই ভারতীয় চন্দন কাঠ সংগ্রহ করে রেখে দিও। কেননা এতে সাত রকমের আরোগ্য আছে। তার মধ্যে একটি হল পাঁজর ব্যথা।এর দ্বারা তিনি বুঝিয়েছেন কোস্ত। আর কোস্ত হল ভারতীয় চন্দন কাঠ। আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯৭) ইউনুস ও ইসহাক ইবনু রাশিদ-যুহরী থেকে عَلَّقَتْ عَلَيْهِ শব্দে বর্ণনা করেছেন। [৫৬৯২]ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯৩)

‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আসাদ গোত্রের অর্থাৎ আসাদে খুযাইমা গোত্রের উম্মু কায়স বিন্ত মিহসান আসাদিয়া ছিলেন প্রথম যুগের হিজরাতকারীদের অন্তর্ভুক্ত, যাঁরা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট বাই‘আত গ্রহণ করেছিলেন। আর তিনি ছিলেন ‘উকাশাহ -এর বোন। তিনি বলেছেন যে, তিনি তাঁর এক ছেলেকে নিয়ে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এসেছিলেন। ছেলেটির আলাজিহবা ফুলে যাওয়ার কারণে তিনি তা দাবিয়ে দিয়েছিলেন। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা এ সব রোগ দমনে তোমাদের সন্তানদের কেন কষ্ট দাও? তোমরা এই ভারতীয় চন্দন কাঠ সংগ্রহ করে রেখে দিও। কেননা এতে সাত রকমের আরোগ্য আছে। তার মধ্যে একটি হল পাঁজর ব্যথা।এর দ্বারা তিনি বুঝিয়েছেন কোস্ত। আর কোস্ত হল ভারতীয় চন্দন কাঠ। আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯৭) ইউনুস ও ইসহাক ইবনু রাশিদ-যুহরী থেকে عَلَّقَتْ عَلَيْهِ শব্দে বর্ণনা করেছেন। [৫৬৯২]ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯৩)

أبو اليمان أخبرنا شعيب عن الزهري قال أخبرني عبيد الله بن عبد الله أن أم قيس بنت محصن الأسدية أسد خزيمة وكانت من المهاجرات الأول اللاتي بايعن النبي صلى الله عليه وسلم وهي أخت عكاشة أخبرته“ أنها أتت رسول الله صلى الله عليه وسلم بابن لها قد أعلقت عليه من العذرة فقال النبي صلى الله عليه وسلم علٰى ما تدغرن أولادكن بهٰذا العلاق عليكم بهٰذا العود الهندي فإن فيه سبعة أشفية منها ذات الجنب يريد الكست وهو العود الهندي وقال يونس وإسحاق بن راشد عن الزهري علقت عليه.


সহিহ বুখারী > পেটের পীড়ার চিকিৎসা।

সহিহ বুখারী ৫৭১৬

محمد بن بشار حدثنا محمد بن جعفر حدثنا شعبة عن قتادة عن أبي المتوكل عن أبي سعيد قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال إن أخي استطلق بطنه“ فقال اسقه„ عسلا فسقاه“ فقال إني سقيته“ فلم يزده“ إلا استطلاقا فقال صدق الله وكذب بطن أخيك تابعه النضر عن شعبة.

আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যাক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এসে বলল যে, আমার ভাইয়ের পেট খারাপ হয়েছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাকে মধু পান করাও। সে তাকে মধু সেবন করাল। এরপর বলল, আমি তাকে মধু পান করিয়েছি কিন্তু আসুখ আরো বাড়ছে। তিনি বললেনঃ আল্লাহ সত্য বলেছেন, কিন্তু তোমার ভাইয়ের পেট তা মিথ্যা প্রতিপন্ন করতে চায়। নযর (রহঃ) শু’বাহ থেকে এ রকমই বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯৪)

আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যাক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এসে বলল যে, আমার ভাইয়ের পেট খারাপ হয়েছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাকে মধু পান করাও। সে তাকে মধু সেবন করাল। এরপর বলল, আমি তাকে মধু পান করিয়েছি কিন্তু আসুখ আরো বাড়ছে। তিনি বললেনঃ আল্লাহ সত্য বলেছেন, কিন্তু তোমার ভাইয়ের পেট তা মিথ্যা প্রতিপন্ন করতে চায়। নযর (রহঃ) শু’বাহ থেকে এ রকমই বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৯৪)

محمد بن بشار حدثنا محمد بن جعفر حدثنا شعبة عن قتادة عن أبي المتوكل عن أبي سعيد قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال إن أخي استطلق بطنه“ فقال اسقه„ عسلا فسقاه“ فقال إني سقيته“ فلم يزده“ إلا استطلاقا فقال صدق الله وكذب بطن أخيك تابعه النضر عن شعبة.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00