সহিহ বুখারী > ভারতীয় ও সামুদ্রিক এলাকার চন্দন কাঠের (ধোঁয়ার) সাহায্যে নাকে ঔষধ টেনে নেয়া।

সহিহ বুখারী ৫৬৯২

صدقة بن الفضل أخبرنا ابن عيينة قال سمعت الزهري عن عبيد الله عن أم قيس بنت محصن قالت سمعت النبي صلى الله عليه وسلميقول عليكم بهٰذا العود الهندي فإن فيه سبعة أشفية يستعط به„ من العذرة ويلد به„ من ذات الجنب.

উম্মু কায়স বিন্‌ত মিহসান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছিঃ তোমরা ভারতীয় এই চন্দন কাঠ ব্যবহার করবে। কেননা তাতে সাতটি আরোগ্য রয়েছে। শ্বাসনালীর ব্যথার জন্য এর (ধোঁয়া) নাক দিয়ে টেনে নেয়া যায়, পাঁজরের ব্যথা বা পক্ষাঘাত রোগ দূর করার জন্যও তা ব্যবহার করা যায়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৭৭)

উম্মু কায়স বিন্‌ত মিহসান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছিঃ তোমরা ভারতীয় এই চন্দন কাঠ ব্যবহার করবে। কেননা তাতে সাতটি আরোগ্য রয়েছে। শ্বাসনালীর ব্যথার জন্য এর (ধোঁয়া) নাক দিয়ে টেনে নেয়া যায়, পাঁজরের ব্যথা বা পক্ষাঘাত রোগ দূর করার জন্যও তা ব্যবহার করা যায়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৭৭)

صدقة بن الفضل أخبرنا ابن عيينة قال سمعت الزهري عن عبيد الله عن أم قيس بنت محصن قالت سمعت النبي صلى الله عليه وسلميقول عليكم بهٰذا العود الهندي فإن فيه سبعة أشفية يستعط به„ من العذرة ويلد به„ من ذات الجنب.


সহিহ বুখারী ৫৬৯৩

ودخلت على النبيصلى الله عليه وسلم بابن لي لم يأكل الطعام فبال عليه فدعا بماء فرش عليه.

উম্মু কায়স বিন্‌ত মিহসান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণনাকারী বলেনঃ আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে আমার এক শিশু পুত্রকে নিয়ে এলাম, সে খাবার খেতে চাইত না। এ সময় সে তাঁর কাপড়ে পেশাব করে দিল। তিনি পানি চেয়ে পাঠালেন। তারপর কাপড়ে পানি ছিটিয়ে দিলেন।[২২৩; মুসলিম ৩৯/২৮, হাঃ ২২১৪, আহমাদ ২৭০৬৫] আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৭৭)

উম্মু কায়স বিন্‌ত মিহসান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণনাকারী বলেনঃ আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে আমার এক শিশু পুত্রকে নিয়ে এলাম, সে খাবার খেতে চাইত না। এ সময় সে তাঁর কাপড়ে পেশাব করে দিল। তিনি পানি চেয়ে পাঠালেন। তারপর কাপড়ে পানি ছিটিয়ে দিলেন।[২২৩; মুসলিম ৩৯/২৮, হাঃ ২২১৪, আহমাদ ২৭০৬৫] আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৭৭)

ودخلت على النبيصلى الله عليه وسلم بابن لي لم يأكل الطعام فبال عليه فدعا بماء فرش عليه.


সহিহ বুখারী > কোন্‌ সময় শিঙ্গা লাগাতে হয়।

সহিহ বুখারী ৫৬৯৪

أبو معمر حدثنا عبد الوارث حدثنا أيوب عن عكرمة عن ابن عباس قال احتجم النبي صلى الله عليه وسلم وهو صائم.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমরত অবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়েছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৭৮)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমরত অবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়েছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৭৮)

أبو معمر حدثنا عبد الوارث حدثنا أيوب عن عكرمة عن ابن عباس قال احتجم النبي صلى الله عليه وسلم وهو صائم.


সহিহ বুখারী > সফরে ও ইহ্‌রামের অবস্থায় শিঙ্গা লাগানো।

সহিহ বুখারী ৫৬৯৫

مسدد حدثنا سفيان عن عمرو عن طاوس وعطاء عن ابن عباس قال احتجم النبي صلى الله عليه وسلم وهو محرم.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহরামের অবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়েছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৭৯)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহরামের অবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়েছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৭৯)

مسدد حدثنا سفيان عن عمرو عن طاوس وعطاء عن ابن عباس قال احتجم النبي صلى الله عليه وسلم وهو محرم.


সহিহ বুখারী > রোগের চিকিৎসার জন্য শিঙ্গা লাগানো।

সহিহ বুখারী ৫৬৯৬

محمد بن مقاتل أخبرنا عبد الله أخبرنا حميد الطويل عن أنس أنه“ سئل عن أجر الحجام فقال احتجم رسول الله صلى الله عليه وسلم حجمه“ أبو طيبة وأعطاه“ صاعين من طعام وكلم مواليه“ فخففوا عنه“ وقال إن أمثل ما تداويتم به الحجامة والقسط البحري وقال لا تعذبوا صبيانكم بالغمز من العذرة وعليكم بالقسط.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁকে শিঙ্গা লাগানোর পারিশ্রমিক দেয়ার ব্যাপারে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তখন তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শিঙ্গা লাগিয়েছেন। আবূ তাইবা তাঁকে শিঙ্গা লাগায়। এরপর তিনি তাকে দু সা‘ খাদ্যবস্তু প্রদান করেন। সে তার মালিকের সঙ্গে এ সম্পর্কে কথা বললে, তারা তাঁর থেকে পারিশ্রমিক কমিয়ে দেয়। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরো বলেনঃ তোমরা যে সব জিনিস দিয়ে চিকিৎসা কর, সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উত্তম হল শিঙ্গা লাগানো এবং সামুদ্রিক চন্দন কাঠ। তিনি আরো বলেছেনঃ তোমরা তোমাদের বাচ্চাদের জিহ্বা, তালু টিপে কষ্ট দিও না। বরং তোমরা চন্দন কাঠ দিয়ে চিকিৎসা কর।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৮০)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁকে শিঙ্গা লাগানোর পারিশ্রমিক দেয়ার ব্যাপারে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তখন তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শিঙ্গা লাগিয়েছেন। আবূ তাইবা তাঁকে শিঙ্গা লাগায়। এরপর তিনি তাকে দু সা‘ খাদ্যবস্তু প্রদান করেন। সে তার মালিকের সঙ্গে এ সম্পর্কে কথা বললে, তারা তাঁর থেকে পারিশ্রমিক কমিয়ে দেয়। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরো বলেনঃ তোমরা যে সব জিনিস দিয়ে চিকিৎসা কর, সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উত্তম হল শিঙ্গা লাগানো এবং সামুদ্রিক চন্দন কাঠ। তিনি আরো বলেছেনঃ তোমরা তোমাদের বাচ্চাদের জিহ্বা, তালু টিপে কষ্ট দিও না। বরং তোমরা চন্দন কাঠ দিয়ে চিকিৎসা কর।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৮০)

محمد بن مقاتل أخبرنا عبد الله أخبرنا حميد الطويل عن أنس أنه“ سئل عن أجر الحجام فقال احتجم رسول الله صلى الله عليه وسلم حجمه“ أبو طيبة وأعطاه“ صاعين من طعام وكلم مواليه“ فخففوا عنه“ وقال إن أمثل ما تداويتم به الحجامة والقسط البحري وقال لا تعذبوا صبيانكم بالغمز من العذرة وعليكم بالقسط.


সহিহ বুখারী ৫৬৯৭

سعيد بن تليد قال حدثني ابن وهب قال أخبرني عمرو وغيره“ أن بكيرا حدثه“ أن عاصم بن عمر بن قتادة حدثه“ أن جابر بن عبد الله عاد المقنع ثم قال لا أبرح حتٰى تحتجم فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلميقول إن فيه شفاء.

আসিম ইবনু ‘উমর ইবনু ক্বাতাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) অসুস্থ মুকান্নাকে দেখতে যান। এরপর তিনি বলেনঃ আমি হাটবো না, যতক্ষণ না তুমি শিঙ্গা লাগাবে। কেননা, আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছিঃ নিশ্চয় এতে আছে নিরাময়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৮১)

আসিম ইবনু ‘উমর ইবনু ক্বাতাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) অসুস্থ মুকান্নাকে দেখতে যান। এরপর তিনি বলেনঃ আমি হাটবো না, যতক্ষণ না তুমি শিঙ্গা লাগাবে। কেননা, আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছিঃ নিশ্চয় এতে আছে নিরাময়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৮১)

سعيد بن تليد قال حدثني ابن وهب قال أخبرني عمرو وغيره“ أن بكيرا حدثه“ أن عاصم بن عمر بن قتادة حدثه“ أن جابر بن عبد الله عاد المقنع ثم قال لا أبرح حتٰى تحتجم فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلميقول إن فيه شفاء.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00