সহিহ বুখারী > তোমরা আমার কাছ থেকে উঠে যাও, রোগীর এ কথা বলা।

সহিহ বুখারী ৫৬৬৯

إبراهيم بن موسٰى حدثنا هشام عن معمر و حدثني عبد الله بن محمد حدثنا عبد الرزاق أخبرنا معمر عن الزهري عن عبيد الله بن عبد الله عن ابن عباس قال لما حضر رسول الله صلى الله عليه وسلم وفي البيت رجال فيهم عمر بن الخطاب قال النبي صلى الله عليه وسلم هلم أكتب لكم كتابا لا تضلوا بعده“ فقال عمر إن النبي صلى الله عليه وسلم قد غلب عليه الوجع وعندكم القرآن حسبنا كتاب الله فاختلف أهل البيت فاختصموا منهم من يقول قربوا يكتب لكم النبي صلى الله عليه وسلم كتابا لن تضلوا بعده“ ومنهم من يقول ما قال عمر فلما أكثروا اللغو والاختلاف عند النبيصلى الله عليه وسلم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قوموا قال عبيد الله فكان ابن عباس يقول إن الرزية كل الرزية ما حال بين رسول الله صلى الله عليه وسلم وبين أن يكتب لهم ذ‘لك الكتاب من اختلافهم ولغطهم.

আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ইন্তিকালের সময় আগত হল, তখন ঘরের মধ্যে অনেক মানুষের জমায়েত ছিল। যাঁদের মধ্যে ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) -ও ছিলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (রোগ কাতর অবস্থায়) বললেনঃ লও, আমি তোমাদের জন্য কিছু লিখে দেব, যাতে পরবর্তীতে তোমরা পথভ্রষ্ট না হও। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর উপর রোগ যন্ত্রণা তীব্র হয়ে উঠেছে, আর তোমাদের কাছে কুরআন মাওজুদ। আর আল্লাহ্‌র কিতাবই আমাদের জন্য যথেষ্ট। এ সময় আহলে বাইতের মধ্যে মতানৈক্যের সৃষ্টি হল। তাঁরা বাদানুবাদে প্রবৃত্ত হলেন, তন্মধ্যে কেউ কেউ বলতে লাগলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে কাগজ পৌঁছে দাও এবং তিনি তোমাদের জন্য কিছু লিখে দেবেন, যাতে পরবর্তীতে তোমরা কখনো পথভ্রষ্ট না হও। আবার তাদের মধ্যে ‘উমার (রাঃ) যা বললেন, তা বলে যেতে লাগলেন। এভাবে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে তাঁদের বাকবিতন্ডা ও মতভেদ বেড়ে চলল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা উঠে যাও। ‘উবাইদুল্লাহ (রাঃ) বলেনঃ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলতেন, বড় মুসীবত হল লোকজনের সেই মতভেদ ও তর্ক-বিতর্ক, যা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সেই লিখে দেয়ার মধ্যে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৫৪)

আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ইন্তিকালের সময় আগত হল, তখন ঘরের মধ্যে অনেক মানুষের জমায়েত ছিল। যাঁদের মধ্যে ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) -ও ছিলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (রোগ কাতর অবস্থায়) বললেনঃ লও, আমি তোমাদের জন্য কিছু লিখে দেব, যাতে পরবর্তীতে তোমরা পথভ্রষ্ট না হও। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর উপর রোগ যন্ত্রণা তীব্র হয়ে উঠেছে, আর তোমাদের কাছে কুরআন মাওজুদ। আর আল্লাহ্‌র কিতাবই আমাদের জন্য যথেষ্ট। এ সময় আহলে বাইতের মধ্যে মতানৈক্যের সৃষ্টি হল। তাঁরা বাদানুবাদে প্রবৃত্ত হলেন, তন্মধ্যে কেউ কেউ বলতে লাগলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে কাগজ পৌঁছে দাও এবং তিনি তোমাদের জন্য কিছু লিখে দেবেন, যাতে পরবর্তীতে তোমরা কখনো পথভ্রষ্ট না হও। আবার তাদের মধ্যে ‘উমার (রাঃ) যা বললেন, তা বলে যেতে লাগলেন। এভাবে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে তাঁদের বাকবিতন্ডা ও মতভেদ বেড়ে চলল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা উঠে যাও। ‘উবাইদুল্লাহ (রাঃ) বলেনঃ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলতেন, বড় মুসীবত হল লোকজনের সেই মতভেদ ও তর্ক-বিতর্ক, যা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সেই লিখে দেয়ার মধ্যে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৫৪)

إبراهيم بن موسٰى حدثنا هشام عن معمر و حدثني عبد الله بن محمد حدثنا عبد الرزاق أخبرنا معمر عن الزهري عن عبيد الله بن عبد الله عن ابن عباس قال لما حضر رسول الله صلى الله عليه وسلم وفي البيت رجال فيهم عمر بن الخطاب قال النبي صلى الله عليه وسلم هلم أكتب لكم كتابا لا تضلوا بعده“ فقال عمر إن النبي صلى الله عليه وسلم قد غلب عليه الوجع وعندكم القرآن حسبنا كتاب الله فاختلف أهل البيت فاختصموا منهم من يقول قربوا يكتب لكم النبي صلى الله عليه وسلم كتابا لن تضلوا بعده“ ومنهم من يقول ما قال عمر فلما أكثروا اللغو والاختلاف عند النبيصلى الله عليه وسلم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قوموا قال عبيد الله فكان ابن عباس يقول إن الرزية كل الرزية ما حال بين رسول الله صلى الله عليه وسلم وبين أن يكتب لهم ذ‘لك الكتاب من اختلافهم ولغطهم.


সহিহ বুখারী > দু’আ নেয়ার উদ্দেশে অসুস্থ শিশুকে নিয়ে যাওয়া।

সহিহ বুখারী ৫৬৭০

إبراهيم بن حمزة حدثنا حاتم هو ابن إسماعيل عن الجعيد قال سمعت السائب يقول ذهبت بي خالتي إلٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله إن ابن أختي وجع فمسح رأسي ودعا لي بالبركة ثم توضأ فشربت من وضوئه„ وقمت خلف ظهره„ فنظرت إلٰى خاتم النبوة بين كتفيه مثل زر الحجلة.

সায়িব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার খালা আমাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে নিয়ে গেলেন। এরপর তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার বোনের ছেলে পীড়িত। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার মাথায় হাত বুলালেন এবং আমার জন্য বারাকাতের দু’আ করলেন। এরপর তিনি অযূ করলেন। আমি তাঁর অযূর বেঁচে যাওয়া পানি পান করলাম এবং তাঁর পৃষ্ঠের পশ্চাতে গিয়ে দাঁড়ালাম। তখন আমি মোহরে নবুওয়াতের পানে চেয়ে দেখলাম। সেটি তাঁর দু’স্কন্ধের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত এবং খাটিয়ার গোলাকৃতি ঘুন্টির মত।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৫৫)

সায়িব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার খালা আমাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে নিয়ে গেলেন। এরপর তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার বোনের ছেলে পীড়িত। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার মাথায় হাত বুলালেন এবং আমার জন্য বারাকাতের দু’আ করলেন। এরপর তিনি অযূ করলেন। আমি তাঁর অযূর বেঁচে যাওয়া পানি পান করলাম এবং তাঁর পৃষ্ঠের পশ্চাতে গিয়ে দাঁড়ালাম। তখন আমি মোহরে নবুওয়াতের পানে চেয়ে দেখলাম। সেটি তাঁর দু’স্কন্ধের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত এবং খাটিয়ার গোলাকৃতি ঘুন্টির মত।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৫৫)

إبراهيم بن حمزة حدثنا حاتم هو ابن إسماعيل عن الجعيد قال سمعت السائب يقول ذهبت بي خالتي إلٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله إن ابن أختي وجع فمسح رأسي ودعا لي بالبركة ثم توضأ فشربت من وضوئه„ وقمت خلف ظهره„ فنظرت إلٰى خاتم النبوة بين كتفيه مثل زر الحجلة.


সহিহ বুখারী > রোগী কর্তৃক মৃত্যু কামনা করা।

সহিহ বুখারী ৫৬৭৪

حدثنا عبد الله بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، عن هشام، عن عباد بن عبد الله بن الزبير، قال سمعت عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت سمعت النبي صلى الله عليه وسلم وهو مستند إلى يقول ‏ "‏ اللهم اغفر لي وارحمني وألحقني بالرفيق الأعلى ‏"‏‏.‏

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে আমার পায়ের উপর হেলান দেয়া অবস্থায় বলতে শুনেছিঃ হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা কর, আমার প্রতি দয়া কর, আর আমাকে মহান বন্ধুর সঙ্গে মিলিত কর।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৫৯)

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে আমার পায়ের উপর হেলান দেয়া অবস্থায় বলতে শুনেছিঃ হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা কর, আমার প্রতি দয়া কর, আর আমাকে মহান বন্ধুর সঙ্গে মিলিত কর।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৫৯)

حدثنا عبد الله بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، عن هشام، عن عباد بن عبد الله بن الزبير، قال سمعت عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت سمعت النبي صلى الله عليه وسلم وهو مستند إلى يقول ‏ "‏ اللهم اغفر لي وارحمني وألحقني بالرفيق الأعلى ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৫৬৭১

آدم حدثنا شعبة حدثنا ثابت البناني عن أنس بن مالك قال النبي صلى الله عليه وسلم لا يتمنين أحدكم الموت من ضر أصابه“ فإن كان لا بد فاعلا فليقل اللهم أحيني ما كانت الحياة خيرا لي وتوفني إذا كانت الوفاة خيرا لي.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ দুঃখ কষ্টে পতিত হবার কারণে যেন মৃত্যু কামনা না করে। যদি কিছু করতেই চায়, তা হলে সে যেন বলেঃ হে আল্লাহ! আমাকে জীবিত রাখ, যতদিন আমার জন্য বেঁচে থাকা কল্যাণকর হয় এবং আমাকে মৃত্যু দাও, যখন আমার জন্য মরে যাওয়া কল্যাণকর হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৫৬)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ দুঃখ কষ্টে পতিত হবার কারণে যেন মৃত্যু কামনা না করে। যদি কিছু করতেই চায়, তা হলে সে যেন বলেঃ হে আল্লাহ! আমাকে জীবিত রাখ, যতদিন আমার জন্য বেঁচে থাকা কল্যাণকর হয় এবং আমাকে মৃত্যু দাও, যখন আমার জন্য মরে যাওয়া কল্যাণকর হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৫৬)

آدم حدثنا شعبة حدثنا ثابت البناني عن أنس بن مالك قال النبي صلى الله عليه وسلم لا يتمنين أحدكم الموت من ضر أصابه“ فإن كان لا بد فاعلا فليقل اللهم أحيني ما كانت الحياة خيرا لي وتوفني إذا كانت الوفاة خيرا لي.


সহিহ বুখারী ৫৬৭২

آدم حدثنا شعبة عن إسماعيل بن أبي خالد عن قيس بن أبي حازم قال دخلنا علٰى خباب نعوده“ وقد اكتو‘ى سبع كيات فقال إن أصحابنا الذين سلفوا مضوا ولم تنقصهم الدنيا وإنا أصبنا ما لا نجد له“ موضعا إلا التراب ولولا أن النبي صلى الله عليه وسلم نهانا أن ندعو بالموت لدعوت به„ ثم أتيناه“ مرة أخر‘ى وهو يبني حائطا له“ فقال إن المسلم ليؤجر في كل شيء ينفقه“ إلا في شيء يجعله“ في هٰذا التراب.

কায়স ইবনু আবূ হাযিম (রহ:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা অসুস্থ খব্বাব (রাঃ) -কে দেখতে গেলাম। এ সময় (চিকিৎসার জন্য তাঁকে) সাতবার দাগ লাগানো হয়েছিল। তখন তিনি বললেনঃ আমাদের সাথীরা ইন্তিকাল করেছেন। তাঁরা এমন অবস্থায় চলে গেছেন যে, দুনিয়া তাঁদের ‘আমলের সাওয়াবে কোন রকম কমতি করতে পারেনি। আর আমরা এমন জিনিস লাভ করেছি, যা মাটি ভিন্ন অন্য কোথাও রাখার জায়গা পাচ্ছি না। যদি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মৃত্যুর জন্য দু’আ কামনা করতে নিষেধ না করতেন, তবে আমি মৃত্যুর জন্য দু’আ করতাম। অতঃপর আমরা আরেকবার তাঁর কাছে এসেছিলাম। তখন তিনি তাঁর বাগানের দেয়াল তৈরী করছিলেন। তিনি বললেনঃ মুসলিমকে তাঁর যাবতীয় ব্যয়ের জন্য সাওয়াব দান করা হয়, তবে এ মাটিতে স্থাপিত জিনিসের কথা আলাদা।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৫৭)

কায়স ইবনু আবূ হাযিম (রহ:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা অসুস্থ খব্বাব (রাঃ) -কে দেখতে গেলাম। এ সময় (চিকিৎসার জন্য তাঁকে) সাতবার দাগ লাগানো হয়েছিল। তখন তিনি বললেনঃ আমাদের সাথীরা ইন্তিকাল করেছেন। তাঁরা এমন অবস্থায় চলে গেছেন যে, দুনিয়া তাঁদের ‘আমলের সাওয়াবে কোন রকম কমতি করতে পারেনি। আর আমরা এমন জিনিস লাভ করেছি, যা মাটি ভিন্ন অন্য কোথাও রাখার জায়গা পাচ্ছি না। যদি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মৃত্যুর জন্য দু’আ কামনা করতে নিষেধ না করতেন, তবে আমি মৃত্যুর জন্য দু’আ করতাম। অতঃপর আমরা আরেকবার তাঁর কাছে এসেছিলাম। তখন তিনি তাঁর বাগানের দেয়াল তৈরী করছিলেন। তিনি বললেনঃ মুসলিমকে তাঁর যাবতীয় ব্যয়ের জন্য সাওয়াব দান করা হয়, তবে এ মাটিতে স্থাপিত জিনিসের কথা আলাদা।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৫৭)

آدم حدثنا شعبة عن إسماعيل بن أبي خالد عن قيس بن أبي حازم قال دخلنا علٰى خباب نعوده“ وقد اكتو‘ى سبع كيات فقال إن أصحابنا الذين سلفوا مضوا ولم تنقصهم الدنيا وإنا أصبنا ما لا نجد له“ موضعا إلا التراب ولولا أن النبي صلى الله عليه وسلم نهانا أن ندعو بالموت لدعوت به„ ثم أتيناه“ مرة أخر‘ى وهو يبني حائطا له“ فقال إن المسلم ليؤجر في كل شيء ينفقه“ إلا في شيء يجعله“ في هٰذا التراب.


সহিহ বুখারী ৫৬৭৩

أبو اليمان أخبرنا شعيب عن الزهري قال أخبرني أبو عبيد مولٰى عبد الرحمٰن بن عوف أن أبا هريرة قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلميقول لن يدخل أحدا عمله الجنة قالوا ولا أنت يا رسول الله قال لا ولا أنا إلا أن يتغمدني الله بفضل ورحمة فسددوا وقاربوا ولا يتمنين أحدكم الموت إما محسنا فلعله“ أن يزداد خيرا وإما مسيئا فلعله“ أن يستعتب.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের কোন ব্যক্তিকে তার নেক ‘আমাল জান্নাতে প্রবেশ করাতে পারবে না। লোকজন প্রশ্ন করলঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনাকেও নয়? তিনি বললেনঃ আমাকেও নয়, যতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ আমাকে তাঁর করুণা ও দয়া দিয়ে আবৃত না করেন। কাজেই মধ্যমপন্থা গ্রহণ কর এবং নৈকট্য লাভের চেষ্টা চালিয়ে যাও। আর তোমাদের মধ্যে কেউ যেন মৃত্যু কামনা না করে। কেননা, সে ভাল লোক হলে (বয়স দ্বারা) তার নেক ‘আমাল বৃদ্ধি হতে পারে। আর খারাপ লোক হলে সে তাওবাহ করার সুযোগ পাবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৫৮)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের কোন ব্যক্তিকে তার নেক ‘আমাল জান্নাতে প্রবেশ করাতে পারবে না। লোকজন প্রশ্ন করলঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনাকেও নয়? তিনি বললেনঃ আমাকেও নয়, যতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ আমাকে তাঁর করুণা ও দয়া দিয়ে আবৃত না করেন। কাজেই মধ্যমপন্থা গ্রহণ কর এবং নৈকট্য লাভের চেষ্টা চালিয়ে যাও। আর তোমাদের মধ্যে কেউ যেন মৃত্যু কামনা না করে। কেননা, সে ভাল লোক হলে (বয়স দ্বারা) তার নেক ‘আমাল বৃদ্ধি হতে পারে। আর খারাপ লোক হলে সে তাওবাহ করার সুযোগ পাবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৫৮)

أبو اليمان أخبرنا شعيب عن الزهري قال أخبرني أبو عبيد مولٰى عبد الرحمٰن بن عوف أن أبا هريرة قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلميقول لن يدخل أحدا عمله الجنة قالوا ولا أنت يا رسول الله قال لا ولا أنا إلا أن يتغمدني الله بفضل ورحمة فسددوا وقاربوا ولا يتمنين أحدكم الموت إما محسنا فلعله“ أن يزداد خيرا وإما مسيئا فلعله“ أن يستعتب.


সহিহ বুখারী > রোগীর জন্য শুশ্রুষাকারীর দু’আ করা।

সহিহ বুখারী ৫৬৭৫

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا أبو عوانة، عن منصور، عن إبراهيم، عن مسروق، عن عائشة ـ رضى الله عنها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا أتى مريضا ـ أو أتي به ـ قال ‏ "‏ أذهب الباس رب الناس، اشف وأنت الشافي لا شفاء إلا شفاؤك، شفاء لا يغادر سقما ‏"‏‏.‏ قال عمرو بن أبي قيس وإبراهيم بن طهمان عن منصور عن إبراهيم وأبي الضحى إذا أتي بالمريض، وقال جرير عن منصور عن أبي الضحى وحده، وقال إذا أتى مريضا‏.‏

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিয়ম ছিল, তিনি যখন কোন রোগীর কাছে আসতেন কিংবা তাঁর নিকট যখন কোন রোগীকে আনা হত, তখন তিনি বলতেনঃ কষ্ট দূর করে দাও। হে মানুষের রব, আরোগ্য দান কর, তুমিই একমাত্র আরোগ্যদানকারী। তোমার আরোগ্য ছাড়া অন্য কোন আরোগ্য নেই। এমন আরোগ্য দান কর যা সামান্যতম রোগকেও অবশিষ্ট না রাখে। [৫৭৪৩, ৫৭৪৪, ৫৭৫০; মুসলিম ৩৯/১৯, হাঃ ২১৯১, আহমাদ ২৪২৩০] ‘আমর ইবনু আবূ কায়স ও ইবরাহীম ইব্‌নু তুহমান হাদীসটি মানসূর, ইবরাহীম ও আবুয্ যুহা থেকে إِذَا أُتِيَ بِالْمَرِيضِ ‘‘যখন কোন রোগীকে আনা হত’’, এভাবে বর্ণনা করেছেন। জারীর হাদীসটি মানসূর, আবুয্ যুহা সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি إِذَا أَتٰى مَرِيضًا ‘‘যখন রোগীর কাছে আসতেন’’ এ শব্দসহ বর্ণনা করেছেন। আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৬০)

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিয়ম ছিল, তিনি যখন কোন রোগীর কাছে আসতেন কিংবা তাঁর নিকট যখন কোন রোগীকে আনা হত, তখন তিনি বলতেনঃ কষ্ট দূর করে দাও। হে মানুষের রব, আরোগ্য দান কর, তুমিই একমাত্র আরোগ্যদানকারী। তোমার আরোগ্য ছাড়া অন্য কোন আরোগ্য নেই। এমন আরোগ্য দান কর যা সামান্যতম রোগকেও অবশিষ্ট না রাখে। [৫৭৪৩, ৫৭৪৪, ৫৭৫০; মুসলিম ৩৯/১৯, হাঃ ২১৯১, আহমাদ ২৪২৩০] ‘আমর ইবনু আবূ কায়স ও ইবরাহীম ইব্‌নু তুহমান হাদীসটি মানসূর, ইবরাহীম ও আবুয্ যুহা থেকে إِذَا أُتِيَ بِالْمَرِيضِ ‘‘যখন কোন রোগীকে আনা হত’’, এভাবে বর্ণনা করেছেন। জারীর হাদীসটি মানসূর, আবুয্ যুহা সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি إِذَا أَتٰى مَرِيضًا ‘‘যখন রোগীর কাছে আসতেন’’ এ শব্দসহ বর্ণনা করেছেন। আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৬০)

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا أبو عوانة، عن منصور، عن إبراهيم، عن مسروق، عن عائشة ـ رضى الله عنها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا أتى مريضا ـ أو أتي به ـ قال ‏ "‏ أذهب الباس رب الناس، اشف وأنت الشافي لا شفاء إلا شفاؤك، شفاء لا يغادر سقما ‏"‏‏.‏ قال عمرو بن أبي قيس وإبراهيم بن طهمان عن منصور عن إبراهيم وأبي الضحى إذا أتي بالمريض، وقال جرير عن منصور عن أبي الضحى وحده، وقال إذا أتى مريضا‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00