সহিহ বুখারী > মুশরিক রোগীর দেখাশুনা করা।

সহিহ বুখারী ৫৬৫৭

سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن ثابت عن أنس أن غلاما ليهود كان يخدم النبي صلى الله عليه وسلم فمرض فأتاه النبي صلى الله عليه وسلم يعوده“ فقال أسلم فأسلم وقال سعيد بن المسيب عن أبيه لما حضر أبو طالب جاءه النبي صلى الله عليه وسلم.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ইয়াহূদীর ছেলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সেবা করত। ছেলেটির অসুখ হলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)) তাঁর অসুখের খোঁজ নিতে এলেন। এরপর তিনি বললেনঃ তুমি ইসলাম গ্রহণ কর। সে ইসলাম গ্রহণ করল। সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহ:) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আবূ ত্বলিব মারা গেলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কাছে এসেছিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৪২)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ইয়াহূদীর ছেলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সেবা করত। ছেলেটির অসুখ হলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)) তাঁর অসুখের খোঁজ নিতে এলেন। এরপর তিনি বললেনঃ তুমি ইসলাম গ্রহণ কর। সে ইসলাম গ্রহণ করল। সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহ:) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আবূ ত্বলিব মারা গেলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কাছে এসেছিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৪২)

سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن ثابت عن أنس أن غلاما ليهود كان يخدم النبي صلى الله عليه وسلم فمرض فأتاه النبي صلى الله عليه وسلم يعوده“ فقال أسلم فأسلم وقال سعيد بن المسيب عن أبيه لما حضر أبو طالب جاءه النبي صلى الله عليه وسلم.


সহিহ বুখারী > কোন রোগীকে দেখতে গিয়ে সলাতের সময় হলে সেখানেই উপস্থিত লোকদের নিয়ে জামা’আতবদ্ধ সলাত আদায় করা।

সহিহ বুখারী ৫৬৫৮

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى، حدثنا هشام، قال أخبرني أبي، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل عليه ناس يعودونه في مرضه فصلى بهم جالسا فجعلوا يصلون قياما، فأشار إليهم اجلسوا، فلما فرغ قال ‏ "‏ إن الإمام ليؤتم به، فإذا ركع فاركعوا وإذا رفع فارفعوا، وإن صلى جالسا فصلوا جلوسا ‏"‏‏.‏ قال أبو عبد الله قال الحميدي هذا الحديث منسوخ لأن النبي صلى الله عليه وسلم آخر ما صلى صلى قاعدا والناس خلفه قيام‏.‏

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর অসুস্থতার সময় লোকজন তাঁকে দেখার জন্য তাঁর কাছে আসলে তিনি তাঁদের নিয়ে বসা অবস্থায় সলাত আদায় করেন। লোকজন দাঁড়িয়ে সলাত শুরু করেছিল, ফলে তিনি তাদের ইঙ্গিত করলেন, বসে যাও। সলাত শেষ করে তিনি বলেনঃ ইমাম হল এমন ব্যক্তি যাকে অনুসরণ করতে হয়। সে রুকু করলে তোমরাও রুকু করবে। সে যখন মাথা উঠাবে, তোমরাও মাখা উঠাবে। সে যখন বসে সলাত আদায় করবে, তখন তোমরাও বসে সলাত আদায় করবে। হুমাইদী (রহ:) বলেছেনঃ এ হাদীসটি রহিত হয়ে গেছে। আবূ ‘আবদুল্লাহ বুখারী (রহ:) বলেন, কেননা, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জীবনে শেষ যে সলাত আদায় করেন তাতে তিনি নিজে বসে সলাত আদায় করেন আর লোকজন তাঁর পেছনে দাঁড়ানো অবস্থায় ছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৪৩)

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর অসুস্থতার সময় লোকজন তাঁকে দেখার জন্য তাঁর কাছে আসলে তিনি তাঁদের নিয়ে বসা অবস্থায় সলাত আদায় করেন। লোকজন দাঁড়িয়ে সলাত শুরু করেছিল, ফলে তিনি তাদের ইঙ্গিত করলেন, বসে যাও। সলাত শেষ করে তিনি বলেনঃ ইমাম হল এমন ব্যক্তি যাকে অনুসরণ করতে হয়। সে রুকু করলে তোমরাও রুকু করবে। সে যখন মাথা উঠাবে, তোমরাও মাখা উঠাবে। সে যখন বসে সলাত আদায় করবে, তখন তোমরাও বসে সলাত আদায় করবে। হুমাইদী (রহ:) বলেছেনঃ এ হাদীসটি রহিত হয়ে গেছে। আবূ ‘আবদুল্লাহ বুখারী (রহ:) বলেন, কেননা, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জীবনে শেষ যে সলাত আদায় করেন তাতে তিনি নিজে বসে সলাত আদায় করেন আর লোকজন তাঁর পেছনে দাঁড়ানো অবস্থায় ছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৪৩)

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى، حدثنا هشام، قال أخبرني أبي، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل عليه ناس يعودونه في مرضه فصلى بهم جالسا فجعلوا يصلون قياما، فأشار إليهم اجلسوا، فلما فرغ قال ‏ "‏ إن الإمام ليؤتم به، فإذا ركع فاركعوا وإذا رفع فارفعوا، وإن صلى جالسا فصلوا جلوسا ‏"‏‏.‏ قال أبو عبد الله قال الحميدي هذا الحديث منسوخ لأن النبي صلى الله عليه وسلم آخر ما صلى صلى قاعدا والناس خلفه قيام‏.‏


সহিহ বুখারী > রোগীর দেহে হাত রাখা।

সহিহ বুখারী ৫৬৬০

قتيبة حدثنا جرير عن الأعمش عن إبراهيم التيمي عن الحارث بن سويد قال قال عبد الله بن مسعود دخلت علٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يوعك وعكا شديدا فمسسته“ بيدي فقلت يا رسول الله إنك لتوعك وعكا شديدا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أجل إني أوعك كما يوعك رجلان منكم فقلت ذ‘لك أن لك أجرين فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أجل ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما من مسلم يصيبه“ أذى مرض فما سواه“ إلا حط الله له“ سيئاته„ كما تحط الشجرة ورقها.

আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে প্রবেশ করলাম। তখন তিনি ভয়ানক জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন। আমি তাঁর গায়ে হাত বুলিয়ে দিলাম এবং বললামঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি ভীষণ জ্বরে আক্রান্ত। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ আমি এমন কঠিন জ্বরে আক্রান্ত হই, যা তোমাদের দু’জনের হয়ে থাকে। আমি বললামঃ এটা এজন্য যে, আপনার জন্য বিনিময়ও দ্বিগুণ। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ! এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে কোন মুসলিমের উপর কোন কষ্ট বা রোগ-ব্যাধি হলে আল্লাহ তাঁর গুনাহগুলো ঝরিয়ে দেন, যেমনভাবে গাছ তার পাতাগুলো ঝরিয়ে দেয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৪৫)

আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে প্রবেশ করলাম। তখন তিনি ভয়ানক জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন। আমি তাঁর গায়ে হাত বুলিয়ে দিলাম এবং বললামঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি ভীষণ জ্বরে আক্রান্ত। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ আমি এমন কঠিন জ্বরে আক্রান্ত হই, যা তোমাদের দু’জনের হয়ে থাকে। আমি বললামঃ এটা এজন্য যে, আপনার জন্য বিনিময়ও দ্বিগুণ। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ! এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে কোন মুসলিমের উপর কোন কষ্ট বা রোগ-ব্যাধি হলে আল্লাহ তাঁর গুনাহগুলো ঝরিয়ে দেন, যেমনভাবে গাছ তার পাতাগুলো ঝরিয়ে দেয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৪৫)

قتيبة حدثنا جرير عن الأعمش عن إبراهيم التيمي عن الحارث بن سويد قال قال عبد الله بن مسعود دخلت علٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يوعك وعكا شديدا فمسسته“ بيدي فقلت يا رسول الله إنك لتوعك وعكا شديدا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أجل إني أوعك كما يوعك رجلان منكم فقلت ذ‘لك أن لك أجرين فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أجل ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما من مسلم يصيبه“ أذى مرض فما سواه“ إلا حط الله له“ سيئاته„ كما تحط الشجرة ورقها.


সহিহ বুখারী ৫৬৫৯

المكي بن إبراهيم أخبرنا الجعيد عن عائشة بنت سعد أن أباها قال تشكيت بمكة شكوا شديدا فجاءني النبي صلى الله عليه وسلم يعودني فقلت يا نبي الله إني أترك مالا وإني لم أترك إلا ابنة واحدة فأوصي بثلثي مالي وأترك الثلث فقال لا قلت فأوصي بالنصف وأترك النصف قال لا قلت فأوصي بالثلث وأترك لها الثلثين قال الثلث والثلث كثير ثم وضع يده“ علٰى جبهته„ ثم مسح يده“ علٰى وجهي وبطني ثم قال اللهم اشف سعدا وأتمم له“ هجرته“ فما زلت أجد برده“ علٰى كبدي فيما يخال إلي حتٰى الساعة.

আয়িশা বিন্‌ত সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর পিতা বলেছেন, আমি যখন মক্কায় ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়ি তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দেখার জন্য আসেন। আমি বললামঃ হে আল্লাহ্‌র নবী! আমি সম্পদ রেখে যাচ্ছি। আর আমার একটি মাত্র কন্যা ব্যতীত আর কেউ নেই। এ অবস্থায় আমি কি আমার দু’তৃতীয়াংশ সম্পদ অসীয়ত করে এক-তৃতীয়াংশ রেখে যাব? তিনি উত্তর দিলেনঃ না। আমি বললামঃ তা হলে অর্ধেক রেখে দিয়ে আর অর্ধেক অসীয়ত করে যেতে পারি? তিনি বললেনঃ না। আমি বললামঃ তাহলে দু’তৃতীয়াংশ রেখে দিয়ে এক-তৃতীয়াংশ অসীয়ত করে যেতে পারি? তিনি উত্তর দিলেনঃ এক-তৃতীয়াংশ পার, তবে এক-তৃতীয়াংশও অনেক। তারপর তিনি আমার কপালের উপর তাঁর হাত রাখলেন এবং আমার চেহারা ও পেটের উপর তাঁর হাত বুলিয়ে বললেনঃ হে আল্লাহ, সা’দকে তুমি আরোগ্য কর। তাঁর হিজরাত পূর্ণ করে দাও। আমি তাঁর হাতের শীতল স্পর্শ এখনও পাচ্ছি এবং মনে করি আমি তা ক্বিয়ামাত পর্যন্ত পাব।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৪৪)

আয়িশা বিন্‌ত সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর পিতা বলেছেন, আমি যখন মক্কায় ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়ি তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দেখার জন্য আসেন। আমি বললামঃ হে আল্লাহ্‌র নবী! আমি সম্পদ রেখে যাচ্ছি। আর আমার একটি মাত্র কন্যা ব্যতীত আর কেউ নেই। এ অবস্থায় আমি কি আমার দু’তৃতীয়াংশ সম্পদ অসীয়ত করে এক-তৃতীয়াংশ রেখে যাব? তিনি উত্তর দিলেনঃ না। আমি বললামঃ তা হলে অর্ধেক রেখে দিয়ে আর অর্ধেক অসীয়ত করে যেতে পারি? তিনি বললেনঃ না। আমি বললামঃ তাহলে দু’তৃতীয়াংশ রেখে দিয়ে এক-তৃতীয়াংশ অসীয়ত করে যেতে পারি? তিনি উত্তর দিলেনঃ এক-তৃতীয়াংশ পার, তবে এক-তৃতীয়াংশও অনেক। তারপর তিনি আমার কপালের উপর তাঁর হাত রাখলেন এবং আমার চেহারা ও পেটের উপর তাঁর হাত বুলিয়ে বললেনঃ হে আল্লাহ, সা’দকে তুমি আরোগ্য কর। তাঁর হিজরাত পূর্ণ করে দাও। আমি তাঁর হাতের শীতল স্পর্শ এখনও পাচ্ছি এবং মনে করি আমি তা ক্বিয়ামাত পর্যন্ত পাব।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৪৪)

المكي بن إبراهيم أخبرنا الجعيد عن عائشة بنت سعد أن أباها قال تشكيت بمكة شكوا شديدا فجاءني النبي صلى الله عليه وسلم يعودني فقلت يا نبي الله إني أترك مالا وإني لم أترك إلا ابنة واحدة فأوصي بثلثي مالي وأترك الثلث فقال لا قلت فأوصي بالنصف وأترك النصف قال لا قلت فأوصي بالثلث وأترك لها الثلثين قال الثلث والثلث كثير ثم وضع يده“ علٰى جبهته„ ثم مسح يده“ علٰى وجهي وبطني ثم قال اللهم اشف سعدا وأتمم له“ هجرته“ فما زلت أجد برده“ علٰى كبدي فيما يخال إلي حتٰى الساعة.


সহিহ বুখারী > রোগীর সামনে কী বলতে হবে এবং তাকে কী জবাব দিতে হবে।

সহিহ বুখারী ৫৬৬১

قبيصة حدثنا سفيان عن الأعمش عن إبراهيم التيمي عن الحارث بن سويد عن عبد الله قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم في مرضه„ فمسسته“ وهو يوعك وعكا شديدا فقلت إنك لتوعك وعكا شديدا وذ‘لك أن لك أجرين قال أجل وما من مسلم يصيبه“ أذى إلا حاتت عنه“ خطاياه“ كما تحات ورق الشجر.

আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর অসুস্থতার সময় তাঁর কাছে এলাম। এরপর তাঁর শরীরে হাত বুলিয়ে দিলাম। এ সময় তিনি ভীষণ জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন। আমি বললামঃ আপনি ভীষণ জ্বরে আক্রান্ত এবং এটা এজন্য যে, আপনার জন্য আছে দ্বিগুণ সাওয়াব। তিনি বললেনঃ হাঁ! কোন মুসলিমের উপর কোন কষ্ট আপতিত হলে তাত্থেকে গুনাহ্‌গুলো এমনভাবে ঝরে যায়, যেভাবে গাছ হতে পাতা ঝরে যায়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৪৬)

আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর অসুস্থতার সময় তাঁর কাছে এলাম। এরপর তাঁর শরীরে হাত বুলিয়ে দিলাম। এ সময় তিনি ভীষণ জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন। আমি বললামঃ আপনি ভীষণ জ্বরে আক্রান্ত এবং এটা এজন্য যে, আপনার জন্য আছে দ্বিগুণ সাওয়াব। তিনি বললেনঃ হাঁ! কোন মুসলিমের উপর কোন কষ্ট আপতিত হলে তাত্থেকে গুনাহ্‌গুলো এমনভাবে ঝরে যায়, যেভাবে গাছ হতে পাতা ঝরে যায়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৪৬)

قبيصة حدثنا سفيان عن الأعمش عن إبراهيم التيمي عن الحارث بن سويد عن عبد الله قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم في مرضه„ فمسسته“ وهو يوعك وعكا شديدا فقلت إنك لتوعك وعكا شديدا وذ‘لك أن لك أجرين قال أجل وما من مسلم يصيبه“ أذى إلا حاتت عنه“ خطاياه“ كما تحات ورق الشجر.


সহিহ বুখারী ৫৬৬২

إسحاق حدثنا خالد بن عبد الله عن خالد عن عكرمة عن ابن عباس أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل علٰى رجل يعوده“ فقال لا بأس طهور إن شاء الله فقال كلا بل حمٰى تفور علٰى شيخ كبير كيما تزيره القبور قال النبي صلى الله عليه وسلم فنعم إذا.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক রোগীকে দেখার জন্য তার কাছে প্রবেশ করলেন। তখন তিনি বলেনঃ কোন ক্ষতি নেই, ইন্‌শাআল্লাহ গুনাহ থেকে তুমি পবিত্রতা লাভ করবে। রোগী বলে উঠলঃ কক্ষনো না বরং এটি এমন জ্বর, যা এক অতি বৃদ্ধের শরীরে টগবগ করে ফুটছে এন তাকে কবরে পৌঁছাবে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হাঁ, তবে তাই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৪৭)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক রোগীকে দেখার জন্য তার কাছে প্রবেশ করলেন। তখন তিনি বলেনঃ কোন ক্ষতি নেই, ইন্‌শাআল্লাহ গুনাহ থেকে তুমি পবিত্রতা লাভ করবে। রোগী বলে উঠলঃ কক্ষনো না বরং এটি এমন জ্বর, যা এক অতি বৃদ্ধের শরীরে টগবগ করে ফুটছে এন তাকে কবরে পৌঁছাবে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হাঁ, তবে তাই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৪৭)

إسحاق حدثنا خالد بن عبد الله عن خالد عن عكرمة عن ابن عباس أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل علٰى رجل يعوده“ فقال لا بأس طهور إن شاء الله فقال كلا بل حمٰى تفور علٰى شيخ كبير كيما تزيره القبور قال النبي صلى الله عليه وسلم فنعم إذا.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00