সহিহ বুখারী > স্বর্ণ ও রৌপ্য পাত্রে পানি পান করা।
সহিহ বুখারী ৫৬৩৩
محمد بن المثنٰى حدثنا ابن أبي عدي عن ابن عون عن مجاهد عن ابن أبي ليلٰى قال خرجنا مع حذيفة وذكر النبي صلى الله عليه وسلم قال لا تشربوا في آنية الذهب والفضة ولا تلبسوا الحرير والديباج فإنها لهم في الدنيا ولكم في الآخرة.
ইবনু আবূ লাইলা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা হুযাইফা (রাঃ)-এর সঙ্গে বাইরে বের হলাম। এ সময় তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কথা আলোচনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা স্বর্ণ ও রৌপ্য পাত্রে পান করবে না। আর মোটা বা পাতলা রেশম বস্ত্র পরিধান করবে না। কেননা, এগুলো দুনিয়াতে তাদের (অর্থাৎ অমুসলিমদের) জন্য ভোগ্যবস্তু। আর তোমাদের জন্য হল আখিরাতের ভোগ্যবস্তু।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১৮)
ইবনু আবূ লাইলা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা হুযাইফা (রাঃ)-এর সঙ্গে বাইরে বের হলাম। এ সময় তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কথা আলোচনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা স্বর্ণ ও রৌপ্য পাত্রে পান করবে না। আর মোটা বা পাতলা রেশম বস্ত্র পরিধান করবে না। কেননা, এগুলো দুনিয়াতে তাদের (অর্থাৎ অমুসলিমদের) জন্য ভোগ্যবস্তু। আর তোমাদের জন্য হল আখিরাতের ভোগ্যবস্তু।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১৮)
محمد بن المثنٰى حدثنا ابن أبي عدي عن ابن عون عن مجاهد عن ابن أبي ليلٰى قال خرجنا مع حذيفة وذكر النبي صلى الله عليه وسلم قال لا تشربوا في آنية الذهب والفضة ولا تلبسوا الحرير والديباج فإنها لهم في الدنيا ولكم في الآخرة.
সহিহ বুখারী ৫৬৩৪
إسماعيل قال حدثني مالك بن أنس عن نافع عن زيد بن عبد الله بن عمر عن عبد الله بن عبد الرحمٰن بن أبي بكر الصديق عن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الذي يشرب في إناء الفضة إنما يجرجر في بطنه„ نار جهنم.
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিনী উম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রৌপ্য পাত্রে পান করে সে তো তার উদরে জাহান্নামের অগ্নি প্রবিষ্ট করায়।[মুসলিম ৩৭/১, হাঃ ২০৬৫, আহমাদ ২৬৬৪৪] আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১৯)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিনী উম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রৌপ্য পাত্রে পান করে সে তো তার উদরে জাহান্নামের অগ্নি প্রবিষ্ট করায়।[মুসলিম ৩৭/১, হাঃ ২০৬৫, আহমাদ ২৬৬৪৪] আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১৯)
إسماعيل قال حدثني مالك بن أنس عن نافع عن زيد بن عبد الله بن عمر عن عبد الله بن عبد الرحمٰن بن أبي بكر الصديق عن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الذي يشرب في إناء الفضة إنما يجرجر في بطنه„ نار جهنم.
সহিহ বুখারী ৫৬৩৫
موسٰى بن إسماعيل حدثنا أبو عوانة عن الأشعث بن سليم عن معاوية بن سويد بن مقرن عن البراء بن عازب قال أمرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم بسبع ونهانا عن سبع أمرنا بعيادة المريض واتباع الجنازة وتشميت العاطس وإجابة الداعي وإفشاء السلام ونصر المظلوم وإبرار المقسم ونهانا عن خواتيم الذهب وعن الشرب في الفضة أو قال آنية الفضة وعن المياثر والقسي وعن لبس الحرير والديباج والإستبرق.
বারা’ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সাতটি বিষয়ের হুকুম দিয়েছেন এবং সাতটি বিষয় থেকে নিষেধ করেছেন। তিনি আমাদের হুকুম দিয়েছেনঃ রোগীর সেবা শুশ্রুষা করতে, জানাযার পেছনে যেতে, হাঁচি প্রদানকারীর জবাব দিতে, দাওয়াতদাতার দাওয়াত গ্রহণ করতে, সালামের প্রসার ঘটাতে, অত্যাচারিতকে সাহায্য করতে এবং শপথকারীকে শপথ রক্ষার সুযোগ করে দিতে। আর আমাদের তিনি নিষেধ করেছেনঃ স্বর্ণের আংটি ব্যবহার করতে, কিংবা তিনি বলেছেন, রৌপ্য পাত্রে পানি পান করতে, মায়াসির অর্থাৎ এক প্রকার নরম ও মসৃণ রেশমী কাপড় কালসী অর্থাৎ রেশম মিশ্রিত কাপড় ব্যবহার করতে এবং পাতলা কিংবা মোটা এবং অলঙ্কার খচিত রেশমী বস্ত্র পরিধান করতে। [১২৩৯; মুসলিম ৩৭/১, হাঃ ২০৬৬, আহমাদ ১৮৫৩০] আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১২০)
বারা’ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সাতটি বিষয়ের হুকুম দিয়েছেন এবং সাতটি বিষয় থেকে নিষেধ করেছেন। তিনি আমাদের হুকুম দিয়েছেনঃ রোগীর সেবা শুশ্রুষা করতে, জানাযার পেছনে যেতে, হাঁচি প্রদানকারীর জবাব দিতে, দাওয়াতদাতার দাওয়াত গ্রহণ করতে, সালামের প্রসার ঘটাতে, অত্যাচারিতকে সাহায্য করতে এবং শপথকারীকে শপথ রক্ষার সুযোগ করে দিতে। আর আমাদের তিনি নিষেধ করেছেনঃ স্বর্ণের আংটি ব্যবহার করতে, কিংবা তিনি বলেছেন, রৌপ্য পাত্রে পানি পান করতে, মায়াসির অর্থাৎ এক প্রকার নরম ও মসৃণ রেশমী কাপড় কালসী অর্থাৎ রেশম মিশ্রিত কাপড় ব্যবহার করতে এবং পাতলা কিংবা মোটা এবং অলঙ্কার খচিত রেশমী বস্ত্র পরিধান করতে। [১২৩৯; মুসলিম ৩৭/১, হাঃ ২০৬৬, আহমাদ ১৮৫৩০] আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১২০)
موسٰى بن إسماعيل حدثنا أبو عوانة عن الأشعث بن سليم عن معاوية بن سويد بن مقرن عن البراء بن عازب قال أمرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم بسبع ونهانا عن سبع أمرنا بعيادة المريض واتباع الجنازة وتشميت العاطس وإجابة الداعي وإفشاء السلام ونصر المظلوم وإبرار المقسم ونهانا عن خواتيم الذهب وعن الشرب في الفضة أو قال آنية الفضة وعن المياثر والقسي وعن لبس الحرير والديباج والإستبرق.
সহিহ বুখারী > পেয়ালায় পান করা
সহিহ বুখারী ৫৬৩৬
عمرو بن عباس حدثنا عبد الرحمٰن حدثنا سفيان عن سالم أبي النضر عن عمير مولٰى أم الفضل عن أم الفضل أنهم شكوا في صوم النبي صلى الله عليه وسلم يوم عرفة فبعثت إليه بقدح من لبن فشربه.
উম্মুল ফায্ল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
লোকজন ‘আরাফাহ’র দিনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সিয়াম পালন সম্পর্কে সন্দেহ করল। তখন আমি তাঁর নিকট একটি পেয়ালায় কিছু দুধ পাঠালাম। তিনি তা পান করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১২১)
উম্মুল ফায্ল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
লোকজন ‘আরাফাহ’র দিনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সিয়াম পালন সম্পর্কে সন্দেহ করল। তখন আমি তাঁর নিকট একটি পেয়ালায় কিছু দুধ পাঠালাম। তিনি তা পান করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১২১)
عمرو بن عباس حدثنا عبد الرحمٰن حدثنا سفيان عن سالم أبي النضر عن عمير مولٰى أم الفضل عن أم الفضل أنهم شكوا في صوم النبي صلى الله عليه وسلم يوم عرفة فبعثت إليه بقدح من لبن فشربه.
সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সালাম)-এর ব্যবহৃত পেয়ালায় পান করা এবং তাঁর পাত্রসমূহের বর্ণনা।
সহিহ বুখারী ৫৬৩৭
سعيد بن أبي مريم حدثنا أبو غسان قال حدثني أبو حازم عن سهل بن سعد قال ذكر للنبيصلى الله عليه وسلم امرأة من العرب فأمر أبا أسيد الساعدي أن يرسل إليها فأرسل إليها فقدمت فنزلت في أجم بني ساعدة فخرج النبي صلى الله عليه وسلم حتٰى جاءها فدخل عليها فإذا امرأة منكسة رأسها فلما كلمها النبي صلى الله عليه وسلم قالت أعوذ بالله منك فقال قد أعذتك مني فقالوا لها أتدرين من هٰذا قالت لا قالوا هٰذا رسول الله صلى الله عليه وسلم جاء ليخطبك قالت كنت أنا أشقٰى من ذ‘لك فأقبل النبي صلى الله عليه وسلم يومئذ حتٰى جلس في سقيفة بني ساعدة هو وأصحابه“ ثم قال اسقنا يا سهل فخرجت لهم بهٰذا القدح فأسقيتهم فيه فأخرج لنا سهل ذ‘لك القدح فشربنا منه“ قال ثم استوهبه“ عمر بن عبد العزيز بعد ذ‘لك فوهبه“ له.
সাহ্ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আরবের এক মহিলার কথা আলোচনা করা হলে, তিনি আবূ উসাইদ সা’ঈদী (রাঃ)-কে আদেশ দিলেন, সেই মহিলার নিকট কাউকে পাঠাতে। তখন তিনি তার নিকট একজনকে পাঠালে সে আসলো এবং সায়িদা গোত্রের দূর্গে অবতরণ করল। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বেরিয়ে এসে তার কাছে গেলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দূর্গে তার কাছে প্রবেশ করে দেখলেন, এক স্ত্রীলোক মাথা ঝুঁকিয়ে বসে আছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তার সঙ্গে কথাবার্তা বললেন, তখন সে বলে উঠল, আমি আপনার থেকে আল্লাহ্র নিকট পানাহ চাই। তখন তিনি বললেনঃ আমি তোমাকে পানাহ দিলাম। তখন লোকেরা তাকে বলল, তুমি কি জান ইনি কে? সে বললঃ না। তারা বললঃ ইনি তো আল্লাহ্র রসূল। তোমাকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে এসেছিলেন। সে বলল, এ মর্যাদা থেকে আমি চিরদিনের জন্য বঞ্চিতা। এরপর সেই দিনই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এগিয়ে গেলেন এবং তিনি ও তাঁর সাহাবীগণ অবশেষে বানী সায়িদার চত্বরে এসে বসে পড়লেন। এরপর বললেনঃ হে সাহল! আমাদের পানি পান করাও। সাহ্ল (রাঃ) বলেন, তখন আমি তাঁদের জন্য এ পেয়ালাটিই বের করে আনি এবং তা দিয়ে তাঁদের পান করাই। বর্ণনাকারী বলেন, সাহ্ল (রাঃ) তখন আমাদের কাছে সেই পেয়ালা বের করে আনলে আমরা তাতে করে পানি পান করি। তিনি বলেছেনঃ পরবর্তীতে ‘উমর ইবনু ‘আব্দুল ‘আযীয (রহঃ) তাঁর নিকট হতে সেটি দান হিসাবে পেতে চাইলে, তিনি তাঁকে তা হেবা করে দেন। [৫২৫৬; মুসলিম ৩৬/৯, হাঃ ২০০৭] আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১২২)
সাহ্ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আরবের এক মহিলার কথা আলোচনা করা হলে, তিনি আবূ উসাইদ সা’ঈদী (রাঃ)-কে আদেশ দিলেন, সেই মহিলার নিকট কাউকে পাঠাতে। তখন তিনি তার নিকট একজনকে পাঠালে সে আসলো এবং সায়িদা গোত্রের দূর্গে অবতরণ করল। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বেরিয়ে এসে তার কাছে গেলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দূর্গে তার কাছে প্রবেশ করে দেখলেন, এক স্ত্রীলোক মাথা ঝুঁকিয়ে বসে আছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তার সঙ্গে কথাবার্তা বললেন, তখন সে বলে উঠল, আমি আপনার থেকে আল্লাহ্র নিকট পানাহ চাই। তখন তিনি বললেনঃ আমি তোমাকে পানাহ দিলাম। তখন লোকেরা তাকে বলল, তুমি কি জান ইনি কে? সে বললঃ না। তারা বললঃ ইনি তো আল্লাহ্র রসূল। তোমাকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে এসেছিলেন। সে বলল, এ মর্যাদা থেকে আমি চিরদিনের জন্য বঞ্চিতা। এরপর সেই দিনই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এগিয়ে গেলেন এবং তিনি ও তাঁর সাহাবীগণ অবশেষে বানী সায়িদার চত্বরে এসে বসে পড়লেন। এরপর বললেনঃ হে সাহল! আমাদের পানি পান করাও। সাহ্ল (রাঃ) বলেন, তখন আমি তাঁদের জন্য এ পেয়ালাটিই বের করে আনি এবং তা দিয়ে তাঁদের পান করাই। বর্ণনাকারী বলেন, সাহ্ল (রাঃ) তখন আমাদের কাছে সেই পেয়ালা বের করে আনলে আমরা তাতে করে পানি পান করি। তিনি বলেছেনঃ পরবর্তীতে ‘উমর ইবনু ‘আব্দুল ‘আযীয (রহঃ) তাঁর নিকট হতে সেটি দান হিসাবে পেতে চাইলে, তিনি তাঁকে তা হেবা করে দেন। [৫২৫৬; মুসলিম ৩৬/৯, হাঃ ২০০৭] আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১২২)
سعيد بن أبي مريم حدثنا أبو غسان قال حدثني أبو حازم عن سهل بن سعد قال ذكر للنبيصلى الله عليه وسلم امرأة من العرب فأمر أبا أسيد الساعدي أن يرسل إليها فأرسل إليها فقدمت فنزلت في أجم بني ساعدة فخرج النبي صلى الله عليه وسلم حتٰى جاءها فدخل عليها فإذا امرأة منكسة رأسها فلما كلمها النبي صلى الله عليه وسلم قالت أعوذ بالله منك فقال قد أعذتك مني فقالوا لها أتدرين من هٰذا قالت لا قالوا هٰذا رسول الله صلى الله عليه وسلم جاء ليخطبك قالت كنت أنا أشقٰى من ذ‘لك فأقبل النبي صلى الله عليه وسلم يومئذ حتٰى جلس في سقيفة بني ساعدة هو وأصحابه“ ثم قال اسقنا يا سهل فخرجت لهم بهٰذا القدح فأسقيتهم فيه فأخرج لنا سهل ذ‘لك القدح فشربنا منه“ قال ثم استوهبه“ عمر بن عبد العزيز بعد ذ‘لك فوهبه“ له.
সহিহ বুখারী ৫৬৩৮
الحسن بن مدرك قال حدثني يحيٰى بن حماد أخبرنا أبو عوانة عن عاصم الأحول قال رأيت قدح النبي صلى الله عليه وسلم عند أنس بن مالك وكان قد انصدع فسلسله“ بفضة قال وهو قدح جيد عريض من نضار قال قال أنس لقد سقيت رسول الله صلى الله عليه وسلم في هٰذا القدح أكثر من كذا وكذا قال وقال ابن سيرين إنه“ كان فيه حلقة من حديد فأراد أنس أن يجعل مكانها حلقة من ذهب أو فضة فقال له“ أبو طلحة لا تغيرن شيئا صنعه“ رسول الله صلى الله عليه وسلم فتركه.
আসিম আহওয়াল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-এর কাছে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কর্তৃক ব্যবহৃত একটি পেয়ালা দেখেছি। সেটি ফেটে গিয়েছিল। এরপর তিনি তা রূপা দিয়ে জোড়া দেন। বর্ণনাকারী আসিম বলেন, সেটি ছিল উৎকৃষ্ট, চওড়া ও নুযর কাঠের তৈরি। আসিম বলেন, আনাস (রাঃ) বলেছেনঃ আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ পেয়ালায় বহুবার পানি পান করিয়েছি। আসিম বলেন, ইবনু সীরীন (রাঃ) বলেছেনঃ পেয়ালাটিতে বৃত্তাকারে লোহা বসানো ছিল। তাই আনাস (রাঃ) ইচ্ছে করেছিলেন, লোহার বৃত্তের জায়গায় সোনা বা রূপার একটি বৃত্ত বসাতে। তখন আবূ তালহা (রাঃ) তাঁকে বললেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেভাবে বানিয়েছেন, তাতে কোন পরিবর্তন করো না। ফলে তিনি তার ইচ্ছে পরিত্যাগ করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১২৩)
আসিম আহওয়াল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-এর কাছে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কর্তৃক ব্যবহৃত একটি পেয়ালা দেখেছি। সেটি ফেটে গিয়েছিল। এরপর তিনি তা রূপা দিয়ে জোড়া দেন। বর্ণনাকারী আসিম বলেন, সেটি ছিল উৎকৃষ্ট, চওড়া ও নুযর কাঠের তৈরি। আসিম বলেন, আনাস (রাঃ) বলেছেনঃ আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ পেয়ালায় বহুবার পানি পান করিয়েছি। আসিম বলেন, ইবনু সীরীন (রাঃ) বলেছেনঃ পেয়ালাটিতে বৃত্তাকারে লোহা বসানো ছিল। তাই আনাস (রাঃ) ইচ্ছে করেছিলেন, লোহার বৃত্তের জায়গায় সোনা বা রূপার একটি বৃত্ত বসাতে। তখন আবূ তালহা (রাঃ) তাঁকে বললেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেভাবে বানিয়েছেন, তাতে কোন পরিবর্তন করো না। ফলে তিনি তার ইচ্ছে পরিত্যাগ করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১২৩)
الحسن بن مدرك قال حدثني يحيٰى بن حماد أخبرنا أبو عوانة عن عاصم الأحول قال رأيت قدح النبي صلى الله عليه وسلم عند أنس بن مالك وكان قد انصدع فسلسله“ بفضة قال وهو قدح جيد عريض من نضار قال قال أنس لقد سقيت رسول الله صلى الله عليه وسلم في هٰذا القدح أكثر من كذا وكذا قال وقال ابن سيرين إنه“ كان فيه حلقة من حديد فأراد أنس أن يجعل مكانها حلقة من ذهب أو فضة فقال له“ أبو طلحة لا تغيرن شيئا صنعه“ رسول الله صلى الله عليه وسلم فتركه.
সহিহ বুখারী > বরকত পান করা ও বরকতযুক্ত পানির বর্ণনা।
সহিহ বুখারী ৫৬৩৯
قتيبة بن سعيد حدثنا جرير عن الأعمش قال حدثني سالم بن أبي الجعد عن جابر بن عبد الله هٰذا الحديث قال قد رأيتني مع النبي صلى الله عليه وسلم وقد حضرت العصر وليس معنا ماء غير فضلة فجعل في إناء فأتي النبي صلى الله عليه وسلمبه„ فأدخل يده“ فيه وفرج أصابعه“ ثم قال حي علٰى أهل الوضوء البركة من الله فلقد رأيت الماء يتفجر من بين أصابعه„ فتوضأ الناس وشربوا فجعلت لا آلوا ما جعلت في بطني منه“ فعلمت أنه“ بركة قلت لجابر كم كنتم يومئذ قال ألفا وأربع مائة تابعه“ عمرو بن دينار عن جابر وقال حصين وعمرو بن مرة عن سالم عن جابر خمس عشرة مائة وتابعه“ سعيد بن المسيب عن جابر.
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম, তখন আসরের ওয়াক্ত। অথচ আমাদের সাথে বেঁচে যাওয়া অল্প পানি ছাড়া কিছুই ছিল না। তখন সেটুকু একটি পাত্রে রেখে পাত্রটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে পেশ করা হল। তিনি পাত্রটির মধ্যে নিজের হাত প্রবেশ করালেন এবং আঙ্গুলগুলো ছড়িয়ে দিলেন। এরপর বললেনঃ এসো, যাদের অযূর দরকার আছে। বরকত তো আসে আল্লাহ্র নিকট হতে। জাবির (রাঃ) বলেন, তখন আমি দেখলাম নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আঙ্গুলগুলোর ফাঁক থেকে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। লোকজন অযূ করল এবং পানি পান করল। আমিও আমার পেটে যতটুকু সম্ভব ছিল ততটুকু পান করতে কসুর করলাম না। কেননা, আমি জানতাম এটি বরকতের পানি। রাবী বলেন, আমি জাবির (রাঃ)-কে বললামঃ সে দিন আপনারা কত জন ছিলেন? তিনি বললেনঃ এক হাজার চারশ’ জন। জাবির (রাঃ)-এর সূত্রে ‘আম্র এরকমই বর্ণনা করেছেন। সালিম, জাবিরের (রাঃ) সূত্রের মাধ্যমে হুসাইন ও ‘আম্র ইবনু মুররা চৌদ্দশ’র জায়গায় পনেরশ’র কথা বলেছেন। সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যাব জাবির (রাঃ) থেকে এরকমই বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১২৪)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম, তখন আসরের ওয়াক্ত। অথচ আমাদের সাথে বেঁচে যাওয়া অল্প পানি ছাড়া কিছুই ছিল না। তখন সেটুকু একটি পাত্রে রেখে পাত্রটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে পেশ করা হল। তিনি পাত্রটির মধ্যে নিজের হাত প্রবেশ করালেন এবং আঙ্গুলগুলো ছড়িয়ে দিলেন। এরপর বললেনঃ এসো, যাদের অযূর দরকার আছে। বরকত তো আসে আল্লাহ্র নিকট হতে। জাবির (রাঃ) বলেন, তখন আমি দেখলাম নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আঙ্গুলগুলোর ফাঁক থেকে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। লোকজন অযূ করল এবং পানি পান করল। আমিও আমার পেটে যতটুকু সম্ভব ছিল ততটুকু পান করতে কসুর করলাম না। কেননা, আমি জানতাম এটি বরকতের পানি। রাবী বলেন, আমি জাবির (রাঃ)-কে বললামঃ সে দিন আপনারা কত জন ছিলেন? তিনি বললেনঃ এক হাজার চারশ’ জন। জাবির (রাঃ)-এর সূত্রে ‘আম্র এরকমই বর্ণনা করেছেন। সালিম, জাবিরের (রাঃ) সূত্রের মাধ্যমে হুসাইন ও ‘আম্র ইবনু মুররা চৌদ্দশ’র জায়গায় পনেরশ’র কথা বলেছেন। সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যাব জাবির (রাঃ) থেকে এরকমই বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১২৪)
قتيبة بن سعيد حدثنا جرير عن الأعمش قال حدثني سالم بن أبي الجعد عن جابر بن عبد الله هٰذا الحديث قال قد رأيتني مع النبي صلى الله عليه وسلم وقد حضرت العصر وليس معنا ماء غير فضلة فجعل في إناء فأتي النبي صلى الله عليه وسلمبه„ فأدخل يده“ فيه وفرج أصابعه“ ثم قال حي علٰى أهل الوضوء البركة من الله فلقد رأيت الماء يتفجر من بين أصابعه„ فتوضأ الناس وشربوا فجعلت لا آلوا ما جعلت في بطني منه“ فعلمت أنه“ بركة قلت لجابر كم كنتم يومئذ قال ألفا وأربع مائة تابعه“ عمرو بن دينار عن جابر وقال حصين وعمرو بن مرة عن سالم عن جابر خمس عشرة مائة وتابعه“ سعيد بن المسيب عن جابر.