সহিহ বুখারী > মশ্কের মুখ থেকে পানি পান করা।
সহিহ বুখারী ৫৬২৮
مسدد حدثنا إسماعيل أخبرنا أيوب عن عكرمة عن أبي هريرة نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم أن يشرب من في السقاء.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মশকের মুখ থেকে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১৩)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মশকের মুখ থেকে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১৩)
مسدد حدثنا إسماعيل أخبرنا أيوب عن عكرمة عن أبي هريرة نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم أن يشرب من في السقاء.
সহিহ বুখারী ৫৬২৯
مسدد حدثنا يزيد بن زريع حدثنا خالد عن عكرمة عن ابن عباس قال نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم عن الشرب من في السقاء.
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মশ্কের মুখ থেকে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১৪)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মশ্কের মুখ থেকে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১৪)
مسدد حدثنا يزيد بن زريع حدثنا خالد عن عكرمة عن ابن عباس قال نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم عن الشرب من في السقاء.
সহিহ বুখারী ৫৬২৭
علي بن عبد الله حدثنا سفيان حدثنا أيوب قال لنا عكرمة ألا أخبركم بأشياء قصار حدثنا بها أبو هريرة نهٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الشرب من فم القربة أو السقاء وأن يمنع جاره“ أن يغرز خشبه“ في داره.
আইউব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইক্রামাহ (রাঃ) আমাদের বললেন, আমি তোমাদের সংক্ষিপ্ত এমন কতকগুলো কথা জানাব কি যেগুলো আমাদের কাছে আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন? (তা হল) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বড় কিংবা ছোট মশ্কের মুখে পানি পান করতে এবং প্রতিবেশীকে তার দেয়ালের উপর খুঁটি গাড়ার ব্যাপারে বাধা দিতে নিষেধ করেছেন। [৫১](আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১২)
আইউব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইক্রামাহ (রাঃ) আমাদের বললেন, আমি তোমাদের সংক্ষিপ্ত এমন কতকগুলো কথা জানাব কি যেগুলো আমাদের কাছে আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন? (তা হল) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বড় কিংবা ছোট মশ্কের মুখে পানি পান করতে এবং প্রতিবেশীকে তার দেয়ালের উপর খুঁটি গাড়ার ব্যাপারে বাধা দিতে নিষেধ করেছেন। [৫১](আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১২)
علي بن عبد الله حدثنا سفيان حدثنا أيوب قال لنا عكرمة ألا أخبركم بأشياء قصار حدثنا بها أبو هريرة نهٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الشرب من فم القربة أو السقاء وأن يمنع جاره“ أن يغرز خشبه“ في داره.
সহিহ বুখারী > পান পাত্রে নিঃশ্বাস ফেলা।
সহিহ বুখারী ৫৬৩০
أبو نعيم حدثنا شيبان عن يحيٰى عن عبد الله بن أبي قتادة عن أبيه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا شرب أحدكم فلا يتنفس في الإناء وإذا بال أحدكم فلا يمسح ذكره“ بيمينه„ وإذا تمسح أحدكم فلا يتمسح بيمينه.
‘আবদুল্লাহ্র পিতা আবূ ক্বাতাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কোন ব্যক্তি যখন পানি পান করবে সে যেন তখন পানির পাত্রে নিঃশ্বাস না ফেলে। আর তোমাদের কেউ যখন প্রস্রাব করে, সে যেন ডান হাতে তার লজ্জাস্থান স্পর্শ না করে এবং তোমাদের কেউ যখন শৌচ কার্য করে তখন সে যেন ডান হাতে তা না করে। [৫২](আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১৫)
‘আবদুল্লাহ্র পিতা আবূ ক্বাতাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কোন ব্যক্তি যখন পানি পান করবে সে যেন তখন পানির পাত্রে নিঃশ্বাস না ফেলে। আর তোমাদের কেউ যখন প্রস্রাব করে, সে যেন ডান হাতে তার লজ্জাস্থান স্পর্শ না করে এবং তোমাদের কেউ যখন শৌচ কার্য করে তখন সে যেন ডান হাতে তা না করে। [৫২](আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১৫)
أبو نعيم حدثنا شيبان عن يحيٰى عن عبد الله بن أبي قتادة عن أبيه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا شرب أحدكم فلا يتنفس في الإناء وإذا بال أحدكم فلا يمسح ذكره“ بيمينه„ وإذا تمسح أحدكم فلا يتمسح بيمينه.
সহিহ বুখারী > দুই কিংবা তিন নিঃশ্বাসে পানি পান করা।
সহিহ বুখারী ৫৬৩১
أبو عاصم وأبو نعيم قالا حدثنا عزرة بن ثابت قال أخبرني ثمامة بن عبد الله قال كان أنس يتنفس في الإناء مرتين أو ثلاثا وزعم أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يتنفس ثلاثا.
সুমামা ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আনাস (রাঃ)-এর নিয়ম ছিল, তিনি দুই কিংবা তিন নিঃশ্বাসে পাত্র হতে পানি পান করতেন। তিনি মনে করতেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিন নিঃশ্বাসে পানি পান করতেন। [৫৩]আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১৬)
সুমামা ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আনাস (রাঃ)-এর নিয়ম ছিল, তিনি দুই কিংবা তিন নিঃশ্বাসে পাত্র হতে পানি পান করতেন। তিনি মনে করতেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিন নিঃশ্বাসে পানি পান করতেন। [৫৩]আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১৬)
أبو عاصم وأبو نعيم قالا حدثنا عزرة بن ثابت قال أخبرني ثمامة بن عبد الله قال كان أنس يتنفس في الإناء مرتين أو ثلاثا وزعم أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يتنفس ثلاثا.
সহিহ বুখারী > স্বর্ণের পাত্রে পানি পান করা
সহিহ বুখারী ৫৬৩২
حفص بن عمر حدثنا شعبة عن الحكم عن ابن أبي ليلٰى قال كان حذيفة بالمداين فاستسقٰى فأتاه“ دهقان بقدح فضة فرماه“ به„ فقال إني لم أرمه„ إلا أني نهيته“ فلم ينته وإن النبي صلى الله عليه وسلم نهانا عن الحرير والديباج والشرب في آنية الذهب والفضة وقال هن لهم في الدنيا وهي لكم في الآخرة.
ইবনু আবূ লাইলা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হুযাইফা (রাঃ) মাদায়েন অঞ্চলে অবস্থান করছিলেন। এ সময় তিনি পানি পান করতে চাইলেন। তখন এক গ্রামবাসী একটি রূপার পাত্রে পানি এনে তাঁকে দিল। তিনি পানি সহ পেয়ালাটি ছুঁড়ে মারলেন। এরপর তিনি বললেনঃ আমি এটি ছুঁড়ে ফেলতাম না, কিন্তু আমি তাকে নিষেধ করার পরও সে তা থেকে বিরত হয়নি। অথচ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিষেধ করেছেন মোটা ও পাতলা রেশমের কাপড় পরতে, স্বর্ণ ও রৌপ্যের পান-পাত্র ব্যবহার করতে। তিনি আরো বলেছেনঃ উল্লেখিত বস্তুগুলো হ’ল দুনিয়াতে কাফির সম্প্রদায়ের জন্য; আর আখিরাতে তোমাদের জন্য।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১৭)
ইবনু আবূ লাইলা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হুযাইফা (রাঃ) মাদায়েন অঞ্চলে অবস্থান করছিলেন। এ সময় তিনি পানি পান করতে চাইলেন। তখন এক গ্রামবাসী একটি রূপার পাত্রে পানি এনে তাঁকে দিল। তিনি পানি সহ পেয়ালাটি ছুঁড়ে মারলেন। এরপর তিনি বললেনঃ আমি এটি ছুঁড়ে ফেলতাম না, কিন্তু আমি তাকে নিষেধ করার পরও সে তা থেকে বিরত হয়নি। অথচ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিষেধ করেছেন মোটা ও পাতলা রেশমের কাপড় পরতে, স্বর্ণ ও রৌপ্যের পান-পাত্র ব্যবহার করতে। তিনি আরো বলেছেনঃ উল্লেখিত বস্তুগুলো হ’ল দুনিয়াতে কাফির সম্প্রদায়ের জন্য; আর আখিরাতে তোমাদের জন্য।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১৭)
حفص بن عمر حدثنا شعبة عن الحكم عن ابن أبي ليلٰى قال كان حذيفة بالمداين فاستسقٰى فأتاه“ دهقان بقدح فضة فرماه“ به„ فقال إني لم أرمه„ إلا أني نهيته“ فلم ينته وإن النبي صلى الله عليه وسلم نهانا عن الحرير والديباج والشرب في آنية الذهب والفضة وقال هن لهم في الدنيا وهي لكم في الآخرة.