সহিহ বুখারী > মশকের মুখ খুলে তাতে মুখ লাগিয়ে পান করা।
সহিহ বুখারী ৫৬২৫
آدم حدثنا ابن أبي ذئب عن الزهري عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة عن أبي سعيد الخدري قال نهٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن اختناث الأسقية يعني أن تكسر أفواهها فيشرب منها.
আবূ সা‘ইদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মশ্কের মুখ খুলে, তাতে মুখ লাগিয়ে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১০)
আবূ সা‘ইদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মশ্কের মুখ খুলে, তাতে মুখ লাগিয়ে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১০)
آدم حدثنا ابن أبي ذئب عن الزهري عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة عن أبي سعيد الخدري قال نهٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن اختناث الأسقية يعني أن تكسر أفواهها فيشرب منها.
সহিহ বুখারী ৫৬২৬
محمد بن مقاتل أخبرنا عبد الله أخبرنا يونس عن الزهري قال حدثني عبيد الله بن عبد الله أنه“ سمع أبا سعيد الخدري يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ينهٰى عن اختناث الأسقية قال عبد الله قال معمر أو غيره“ هو الشرب من أفواهها.
আবূ সা‘ইদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ‘ইখ্তিনাসিল আসকিয়া’ (মশ্কের মুখ খুলে তাতে মুখ লাগিয়ে পান করা) হতে নিষেধ করতে শুনেছি। ‘আবদুল্লাহ্ (রহঃ) বলেন, মা‘মার কিংবা অন্য কেউ বলেছেন, ‘ইখ্তিনাস’ হল মশ্কের মুখে মুখ লাগিয়ে তাথেকে পানি পান করা। [৫৬২৫; মুসলিম ৩৬/১৪, হাঃ ২০২৩, আহমাদ ১১৬৬২] আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১১)
আবূ সা‘ইদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ‘ইখ্তিনাসিল আসকিয়া’ (মশ্কের মুখ খুলে তাতে মুখ লাগিয়ে পান করা) হতে নিষেধ করতে শুনেছি। ‘আবদুল্লাহ্ (রহঃ) বলেন, মা‘মার কিংবা অন্য কেউ বলেছেন, ‘ইখ্তিনাস’ হল মশ্কের মুখে মুখ লাগিয়ে তাথেকে পানি পান করা। [৫৬২৫; মুসলিম ৩৬/১৪, হাঃ ২০২৩, আহমাদ ১১৬৬২] আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১১)
محمد بن مقاتل أخبرنا عبد الله أخبرنا يونس عن الزهري قال حدثني عبيد الله بن عبد الله أنه“ سمع أبا سعيد الخدري يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ينهٰى عن اختناث الأسقية قال عبد الله قال معمر أو غيره“ هو الشرب من أفواهها.
সহিহ বুখারী > মশ্কের মুখ থেকে পানি পান করা।
সহিহ বুখারী ৫৬২৮
مسدد حدثنا إسماعيل أخبرنا أيوب عن عكرمة عن أبي هريرة نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم أن يشرب من في السقاء.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মশকের মুখ থেকে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১৩)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মশকের মুখ থেকে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১৩)
مسدد حدثنا إسماعيل أخبرنا أيوب عن عكرمة عن أبي هريرة نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم أن يشرب من في السقاء.
সহিহ বুখারী ৫৬২৯
مسدد حدثنا يزيد بن زريع حدثنا خالد عن عكرمة عن ابن عباس قال نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم عن الشرب من في السقاء.
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মশ্কের মুখ থেকে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১৪)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মশ্কের মুখ থেকে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১৪)
مسدد حدثنا يزيد بن زريع حدثنا خالد عن عكرمة عن ابن عباس قال نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم عن الشرب من في السقاء.
সহিহ বুখারী ৫৬২৭
علي بن عبد الله حدثنا سفيان حدثنا أيوب قال لنا عكرمة ألا أخبركم بأشياء قصار حدثنا بها أبو هريرة نهٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الشرب من فم القربة أو السقاء وأن يمنع جاره“ أن يغرز خشبه“ في داره.
আইউব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইক্রামাহ (রাঃ) আমাদের বললেন, আমি তোমাদের সংক্ষিপ্ত এমন কতকগুলো কথা জানাব কি যেগুলো আমাদের কাছে আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন? (তা হল) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বড় কিংবা ছোট মশ্কের মুখে পানি পান করতে এবং প্রতিবেশীকে তার দেয়ালের উপর খুঁটি গাড়ার ব্যাপারে বাধা দিতে নিষেধ করেছেন। [৫১](আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১২)
আইউব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইক্রামাহ (রাঃ) আমাদের বললেন, আমি তোমাদের সংক্ষিপ্ত এমন কতকগুলো কথা জানাব কি যেগুলো আমাদের কাছে আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন? (তা হল) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বড় কিংবা ছোট মশ্কের মুখে পানি পান করতে এবং প্রতিবেশীকে তার দেয়ালের উপর খুঁটি গাড়ার ব্যাপারে বাধা দিতে নিষেধ করেছেন। [৫১](আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১২)
علي بن عبد الله حدثنا سفيان حدثنا أيوب قال لنا عكرمة ألا أخبركم بأشياء قصار حدثنا بها أبو هريرة نهٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الشرب من فم القربة أو السقاء وأن يمنع جاره“ أن يغرز خشبه“ في داره.
সহিহ বুখারী > পান পাত্রে নিঃশ্বাস ফেলা।
সহিহ বুখারী ৫৬৩০
أبو نعيم حدثنا شيبان عن يحيٰى عن عبد الله بن أبي قتادة عن أبيه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا شرب أحدكم فلا يتنفس في الإناء وإذا بال أحدكم فلا يمسح ذكره“ بيمينه„ وإذا تمسح أحدكم فلا يتمسح بيمينه.
‘আবদুল্লাহ্র পিতা আবূ ক্বাতাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কোন ব্যক্তি যখন পানি পান করবে সে যেন তখন পানির পাত্রে নিঃশ্বাস না ফেলে। আর তোমাদের কেউ যখন প্রস্রাব করে, সে যেন ডান হাতে তার লজ্জাস্থান স্পর্শ না করে এবং তোমাদের কেউ যখন শৌচ কার্য করে তখন সে যেন ডান হাতে তা না করে। [৫২](আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১৫)
‘আবদুল্লাহ্র পিতা আবূ ক্বাতাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কোন ব্যক্তি যখন পানি পান করবে সে যেন তখন পানির পাত্রে নিঃশ্বাস না ফেলে। আর তোমাদের কেউ যখন প্রস্রাব করে, সে যেন ডান হাতে তার লজ্জাস্থান স্পর্শ না করে এবং তোমাদের কেউ যখন শৌচ কার্য করে তখন সে যেন ডান হাতে তা না করে। [৫২](আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১৫)
أبو نعيم حدثنا شيبان عن يحيٰى عن عبد الله بن أبي قتادة عن أبيه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا شرب أحدكم فلا يتنفس في الإناء وإذا بال أحدكم فلا يمسح ذكره“ بيمينه„ وإذا تمسح أحدكم فلا يتمسح بيمينه.
সহিহ বুখারী > দুই কিংবা তিন নিঃশ্বাসে পানি পান করা।
সহিহ বুখারী ৫৬৩১
أبو عاصم وأبو نعيم قالا حدثنا عزرة بن ثابت قال أخبرني ثمامة بن عبد الله قال كان أنس يتنفس في الإناء مرتين أو ثلاثا وزعم أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يتنفس ثلاثا.
সুমামা ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আনাস (রাঃ)-এর নিয়ম ছিল, তিনি দুই কিংবা তিন নিঃশ্বাসে পাত্র হতে পানি পান করতেন। তিনি মনে করতেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিন নিঃশ্বাসে পানি পান করতেন। [৫৩]আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১৬)
সুমামা ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আনাস (রাঃ)-এর নিয়ম ছিল, তিনি দুই কিংবা তিন নিঃশ্বাসে পাত্র হতে পানি পান করতেন। তিনি মনে করতেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিন নিঃশ্বাসে পানি পান করতেন। [৫৩]আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১৬)
أبو عاصم وأبو نعيم قالا حدثنا عزرة بن ثابت قال أخبرني ثمامة بن عبد الله قال كان أنس يتنفس في الإناء مرتين أو ثلاثا وزعم أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يتنفس ثلاثا.