সহিহ বুখারী > বিভিন্ন ধরনের বরতন ও পাত্র ব্যবহার নিষেধ করার পর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পক্ষ থেকে পুনঃ অনুমতি প্রদান।

সহিহ বুখারী ৫৫৯২

يوسف بن موسٰى حدثنا محمد بن عبد الله أبو أحمد الزبيري حدثنا سفيان عن منصور عن سالم عن جابر قال نهٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الظروف فقالت الأنصار إنه“ لا بد لنا منها قال فلا إذا وقال خليفة حدثنا يحيٰى بن سعيد حدثنا سفيان عن منصور عن سالم بن أبي الجعد عن جابر بهٰذا حدثنا عبد الله بن محمد حدثنا سفيان بهٰذا وقال فيه لما نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم عن الأوعية.

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কতগুলো পাত্রের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেন। তখন আনসারগণ বললেনঃ সেগুলো ছাড়া আমাদের কোন গত্যন্তর নেই। তিনি বললেনঃ তাহলে ব্যবহার করতে পার। খালীফাহ (রাঃ) বলেন, ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা'ঈদ আমাদের কাছে সুফিয়ান, মানসূর, সালিম ইবনু আবুল জাদ-জাবির (রহঃ) থেকে এরকমই বর্ণনা করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৭৯)

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কতগুলো পাত্রের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেন। তখন আনসারগণ বললেনঃ সেগুলো ছাড়া আমাদের কোন গত্যন্তর নেই। তিনি বললেনঃ তাহলে ব্যবহার করতে পার। খালীফাহ (রাঃ) বলেন, ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা'ঈদ আমাদের কাছে সুফিয়ান, মানসূর, সালিম ইবনু আবুল জাদ-জাবির (রহঃ) থেকে এরকমই বর্ণনা করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৭৯)

يوسف بن موسٰى حدثنا محمد بن عبد الله أبو أحمد الزبيري حدثنا سفيان عن منصور عن سالم عن جابر قال نهٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الظروف فقالت الأنصار إنه“ لا بد لنا منها قال فلا إذا وقال خليفة حدثنا يحيٰى بن سعيد حدثنا سفيان عن منصور عن سالم بن أبي الجعد عن جابر بهٰذا حدثنا عبد الله بن محمد حدثنا سفيان بهٰذا وقال فيه لما نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم عن الأوعية.


সহিহ বুখারী ৫৫৯৪

مسدد حدثنا يحيٰى عن سفيان حدثني سليمان عن إبراهيم التيمي عن الحارث بن سويد عن علي نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم عن الدباء والمزفت حدثنا عثمان حدثنا جرير عن الأعمش بهٰذا.

'আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুব্বা ও মুযাফ্‌ফাত ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন। 'উসমান (রহঃ) বলেন, জারীর (রহঃ) সূত্রে এরকমই বর্ণনা করেছেন। [মুসলিম ৩৬/৬, হাঃ ১৯৯৪, আহমাদ ৬৩৪]আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮০)

'আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুব্বা ও মুযাফ্‌ফাত ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন। 'উসমান (রহঃ) বলেন, জারীর (রহঃ) সূত্রে এরকমই বর্ণনা করেছেন। [মুসলিম ৩৬/৬, হাঃ ১৯৯৪, আহমাদ ৬৩৪]আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮০)

مسدد حدثنا يحيٰى عن سفيان حدثني سليمان عن إبراهيم التيمي عن الحارث بن سويد عن علي نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم عن الدباء والمزفت حدثنا عثمان حدثنا جرير عن الأعمش بهٰذا.


সহিহ বুখারী ৫৫৯৬

موسٰى بن إسماعيل حدثنا عبد الواحد حدثنا الشيباني قال سمعت عبد الله بن أبي أوفٰى قال نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم عن الجرالأخضر قلت أنشرب في الأبيض قال لا.

মূসা বিন ইসমাঈল (রহঃ)......... 'আবদুল্লাহ্‌ ইবনু আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সবুজ রং এর কলসী ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন। আমি বললামঃ তাহলে সাদা রং এর পাত্রে (নবীয) পান করা যাবে কি? তিনি বললেনঃ না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮২)

মূসা বিন ইসমাঈল (রহঃ)......... 'আবদুল্লাহ্‌ ইবনু আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সবুজ রং এর কলসী ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন। আমি বললামঃ তাহলে সাদা রং এর পাত্রে (নবীয) পান করা যাবে কি? তিনি বললেনঃ না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮২)

موسٰى بن إسماعيل حدثنا عبد الواحد حدثنا الشيباني قال سمعت عبد الله بن أبي أوفٰى قال نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم عن الجرالأخضر قلت أنشرب في الأبيض قال لا.


সহিহ বুখারী ৫৫৯৩

علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن سليمان بن أبي مسلم الأحول عن مجاهد عن أبي عياض عن عبد الله بن عمرو قال لما نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم عن الأسقية قيل للنبي صلى الله عليه وسلم ليس كل الناس يجد سقاء فرخص لهم في الجر غير المزفت.

'আবদুল্লাহ্‌ ইবনু 'আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক রকমের পাত্রের ব্যবহার নিষিদ্ধ করলেন, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলা হল, সব মানুষের নিকট তো মশ্‌ক মওজুদ নেই। ফলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের কলসীর জন্য অনুমতি দেন, তবে আলকাতরার প্রলেপ দেয়া পাত্রের জন্য অনুমতি দেননি।[মুসলিম ৩৬/৬, হাঃ ২০০০]আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৭৯)

'আবদুল্লাহ্‌ ইবনু 'আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক রকমের পাত্রের ব্যবহার নিষিদ্ধ করলেন, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলা হল, সব মানুষের নিকট তো মশ্‌ক মওজুদ নেই। ফলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের কলসীর জন্য অনুমতি দেন, তবে আলকাতরার প্রলেপ দেয়া পাত্রের জন্য অনুমতি দেননি।[মুসলিম ৩৬/৬, হাঃ ২০০০]আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৭৯)

علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن سليمان بن أبي مسلم الأحول عن مجاهد عن أبي عياض عن عبد الله بن عمرو قال لما نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم عن الأسقية قيل للنبي صلى الله عليه وسلم ليس كل الناس يجد سقاء فرخص لهم في الجر غير المزفت.


সহিহ বুখারী ৫৫৯৫

عثمان حدثنا جرير عن منصور عن إبراهيم قلت للأسود هل سألت عائشة أم المؤمنين عما يكره“ أن ينتبذ فيه فقال نعم قلت يا أم المؤمنين عم نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم أن ينتبذ فيه قالت نهانا في ذ‘لك أهل البيت أن ننتبذ في الدباء والمزفت قلت أما ذكرت الجر والحنتم قال إنما أحدثك ما سمعت أفأحدث ما لم أسمع.

ইবরাহীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আসওয়াদকে জিজ্ঞেস করলাম যে, আপনি কি উম্মুল মু'মিনীন ‘আয়িশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে, কোন্ কোন্ পাত্রের মধ্যে 'নবীয' তৈরী করা মাকরূহ। তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। আমি বলেছিলাম, হে উম্মুল মু'মিনীন! কোন্ কোন্ পাত্রের মধ্যে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নবীয তৈরী করতে নিষেধ করেছেন? তখন তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের অর্থাৎ আহলে বায়তকে দুব্বা ও মুযাফফাত নামক পাত্রে নবীয তৈরী করতে নিষেধ করেছেন। (ইবরাহীম বলেন) আমি বললামঃ ‘আয়িশা (রাঃ) কি জার (মাটির কলসী) ও হানতাম (মাটির সবুজ পাত্র) এর কথা উল্লেখ করেননি? তিনি বললেন, আমি যা শুনেছি কেবল তাই তোমাকে বর্ণনা করেছি। আমি যা শুনিনি তাও কি আমি তোমাদের কাছে বর্ণনা করব?[মুসলিম ৩৬/৬, হাঃ ১৯৯৫, আহমাদ ২৪২৫৬]আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮১)

ইবরাহীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আসওয়াদকে জিজ্ঞেস করলাম যে, আপনি কি উম্মুল মু'মিনীন ‘আয়িশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে, কোন্ কোন্ পাত্রের মধ্যে 'নবীয' তৈরী করা মাকরূহ। তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। আমি বলেছিলাম, হে উম্মুল মু'মিনীন! কোন্ কোন্ পাত্রের মধ্যে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নবীয তৈরী করতে নিষেধ করেছেন? তখন তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের অর্থাৎ আহলে বায়তকে দুব্বা ও মুযাফফাত নামক পাত্রে নবীয তৈরী করতে নিষেধ করেছেন। (ইবরাহীম বলেন) আমি বললামঃ ‘আয়িশা (রাঃ) কি জার (মাটির কলসী) ও হানতাম (মাটির সবুজ পাত্র) এর কথা উল্লেখ করেননি? তিনি বললেন, আমি যা শুনেছি কেবল তাই তোমাকে বর্ণনা করেছি। আমি যা শুনিনি তাও কি আমি তোমাদের কাছে বর্ণনা করব?[মুসলিম ৩৬/৬, হাঃ ১৯৯৫, আহমাদ ২৪২৫৬]আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮১)

عثمان حدثنا جرير عن منصور عن إبراهيم قلت للأسود هل سألت عائشة أم المؤمنين عما يكره“ أن ينتبذ فيه فقال نعم قلت يا أم المؤمنين عم نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم أن ينتبذ فيه قالت نهانا في ذ‘لك أهل البيت أن ننتبذ في الدباء والمزفت قلت أما ذكرت الجر والحنتم قال إنما أحدثك ما سمعت أفأحدث ما لم أسمع.


সহিহ বুখারী > শুকনো খেজুরের রস যতক্ষণ তা নেশা না সৃষ্টি করে।

সহিহ বুখারী ৫৫৯৭

يحيٰى بن بكير حدثنا يعقوب بن عبد الرحمٰن القاري عن أبي حازم قال سمعت سهل بن سعد الساعدي أن أبا أسيد الساعدي دعا النبي صلى الله عليه وسلم لعرسه„ فكانت امرأته“ خادمهم يومئذ وهي العروس فقالت ما تدرون ما أنقعت لرسول الله صلى الله عليه وسلم أنقعت له“ تمرات من الليل في تور.

সাহল ইবনু সা'দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ উসাইদ সা'ঈদী (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর ওলীমার দাওয়াত করেছিলেন। সেদিন তার স্ত্রী নববধু অবস্থায় সবার খিদমত করছিলেন। তিনি বললেনঃ আপনারা কি জানেন, আমি রসূলল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কিসের রস পান করতে দিয়েছিলাম? আমি তাঁর জন্য রাতে কতকগুলো খেজুর পাত্রে ভিজিয়ে রেখেছিলাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮৩)

সাহল ইবনু সা'দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ উসাইদ সা'ঈদী (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর ওলীমার দাওয়াত করেছিলেন। সেদিন তার স্ত্রী নববধু অবস্থায় সবার খিদমত করছিলেন। তিনি বললেনঃ আপনারা কি জানেন, আমি রসূলল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কিসের রস পান করতে দিয়েছিলাম? আমি তাঁর জন্য রাতে কতকগুলো খেজুর পাত্রে ভিজিয়ে রেখেছিলাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮৩)

يحيٰى بن بكير حدثنا يعقوب بن عبد الرحمٰن القاري عن أبي حازم قال سمعت سهل بن سعد الساعدي أن أبا أسيد الساعدي دعا النبي صلى الله عليه وسلم لعرسه„ فكانت امرأته“ خادمهم يومئذ وهي العروس فقالت ما تدرون ما أنقعت لرسول الله صلى الله عليه وسلم أنقعت له“ تمرات من الليل في تور.


সহিহ বুখারী > 'বাযাক' (অর্থাৎ আঙ্গুরের হালকা জাল দেয়া রস)-এর বর্ণনা।

সহিহ বুখারী ৫৫৯৮

محمد بن كثير أخبرنا سفيان عن أبي الجويرية قال سألت ابن عباس عن الباذق فقال سبق محمد صلى الله عليه وسلم الباذق فما أسكر فهو حرام قال الشراب الحلال الطيب قال ليس بعد الحلال الطيب إلا الحرام الخبيث.

আবুল জুওয়াইরিয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ইবনু 'আব্বাস (রাঃ)-কে 'বাযাক' সম্বন্ধে প্রশ্ন করেছিলাম। তিনি উত্তর দিলেনঃ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) 'বাযাক' উৎপাদনের আগে বিদায় হয়ে গেছেন। কাজেই যে বস্তু নেশা জন্মায় তা-ই হারাম। তিনি বলেন, হালাল পানীয় পবিত্র। তিনি বলেন, হালাল ও পবিত্র পানীয় ছাড়া অন্য সব পানীয় ঘৃণ্য হারাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮৪)

আবুল জুওয়াইরিয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ইবনু 'আব্বাস (রাঃ)-কে 'বাযাক' সম্বন্ধে প্রশ্ন করেছিলাম। তিনি উত্তর দিলেনঃ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) 'বাযাক' উৎপাদনের আগে বিদায় হয়ে গেছেন। কাজেই যে বস্তু নেশা জন্মায় তা-ই হারাম। তিনি বলেন, হালাল পানীয় পবিত্র। তিনি বলেন, হালাল ও পবিত্র পানীয় ছাড়া অন্য সব পানীয় ঘৃণ্য হারাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮৪)

محمد بن كثير أخبرنا سفيان عن أبي الجويرية قال سألت ابن عباس عن الباذق فقال سبق محمد صلى الله عليه وسلم الباذق فما أسكر فهو حرام قال الشراب الحلال الطيب قال ليس بعد الحلال الطيب إلا الحرام الخبيث.


সহিহ বুখারী ৫৫৯৯

حدثنا عبد الله بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، حدثنا هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يحب الحلواء والعسل‏.‏

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিষ্টি ও মধু পছন্দ করতেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮৫)

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিষ্টি ও মধু পছন্দ করতেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮৫)

حدثنا عبد الله بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، حدثنا هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يحب الحلواء والعسل‏.‏


সহিহ বুখারী > যারা মনে করেন নেশাদার হবার পর কাঁচা ও পাকা খেজুর একসঙ্গে মিশানো ঠিক নয় এবং উভয়ের রসকে একত্র করা ঠিক নয়।

সহিহ বুখারী ৫৬০০

مسلم حدثنا هشام حدثنا قتادة عن أنس قال إني لأسقي أبا طلحة وأبا دجانة وسهيل بن البيضاء خليط بسر وتمر إذ حرمت الخمر فقذفتها وأنا ساقيهم وأصغرهم وإنا نعدها يومئذ الخمر وقال عمرو بن الحارث حدثنا قتادة سمع أنسا.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ ত্বলহা, আবূ দুজনা এবং সুহাইল ইবনু বাইযা -কে কাঁচা ও শুকনো খেজুরের মেশানো রস পান করাচ্ছিলাম। এ সময়ে মদ হারাম করা হল, তখন আমি তা ফেলে দিলাম। আমি ছিলাম তাঁদের পরিবেশনকারী এবং তাঁদের সবার ছোট। সে সময় আমরা এটিকে মদ গণ্য করতাম। ‘আমর ইবনু হারিস বলেনঃ ক্বাতাদাহ (রহ.) আমাদের নিকট عَنْ أَنَسٍ এর স্থলে سَمِعَ أَنَساً বর্ণনা করেছেন। [২৪৬৪] আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮৬

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ ত্বলহা, আবূ দুজনা এবং সুহাইল ইবনু বাইযা -কে কাঁচা ও শুকনো খেজুরের মেশানো রস পান করাচ্ছিলাম। এ সময়ে মদ হারাম করা হল, তখন আমি তা ফেলে দিলাম। আমি ছিলাম তাঁদের পরিবেশনকারী এবং তাঁদের সবার ছোট। সে সময় আমরা এটিকে মদ গণ্য করতাম। ‘আমর ইবনু হারিস বলেনঃ ক্বাতাদাহ (রহ.) আমাদের নিকট عَنْ أَنَسٍ এর স্থলে سَمِعَ أَنَساً বর্ণনা করেছেন। [২৪৬৪] আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮৬

مسلم حدثنا هشام حدثنا قتادة عن أنس قال إني لأسقي أبا طلحة وأبا دجانة وسهيل بن البيضاء خليط بسر وتمر إذ حرمت الخمر فقذفتها وأنا ساقيهم وأصغرهم وإنا نعدها يومئذ الخمر وقال عمرو بن الحارث حدثنا قتادة سمع أنسا.


সহিহ বুখারী ৫৬০১

أبو عاصم عن ابن جريج أخبرني عطاء أنه“ سمع جابرا يقول نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم عن الزبيب والتمر والبسر والرطب.

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিসমিস, শুকনো খেজুর, কাঁচা ও পাকা খেজুর মিশাতে নিষেধ করেছেন। [মুসলিম ৩৬/৫, হাঃ ১৯৮৬, আহমাদ ১৪২০৩]আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮৭)

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিসমিস, শুকনো খেজুর, কাঁচা ও পাকা খেজুর মিশাতে নিষেধ করেছেন। [মুসলিম ৩৬/৫, হাঃ ১৯৮৬, আহমাদ ১৪২০৩]আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮৭)

أبو عاصم عن ابن جريج أخبرني عطاء أنه“ سمع جابرا يقول نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم عن الزبيب والتمر والبسر والرطب.


সহিহ বুখারী ৫৬০২

مسلم حدثنا هشام أخبرنا يحيٰى بن أبي كثير عن عبد الله بن أبي قتادة عن أبيه قال نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم أن يجمع بين التمر والزهو والتمر والزبيب ولينبذ كل واحد منهما علٰى حدة.

আবূ ক্বাতাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুরমা ও আধাপাকা খেজুর এবং খুরমা ও কিসমিস একত্র করতে নিষেধ করেছেন। আর এগুলোর প্রত্যেকটিকে আলাদাভাবে ভিজিয়ে 'নবীয' তৈরী করা যাবে।[মুসলিম ৩৬/৫, হাঃ ১৯৮৮, আহমাদ ২২৬৯২]আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮৮)

আবূ ক্বাতাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুরমা ও আধাপাকা খেজুর এবং খুরমা ও কিসমিস একত্র করতে নিষেধ করেছেন। আর এগুলোর প্রত্যেকটিকে আলাদাভাবে ভিজিয়ে 'নবীয' তৈরী করা যাবে।[মুসলিম ৩৬/৫, হাঃ ১৯৮৮, আহমাদ ২২৬৯২]আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৮৮)

مسلم حدثنا هشام أخبرنا يحيٰى بن أبي كثير عن عبد الله بن أبي قتادة عن أبيه قال نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم أن يجمع بين التمر والزهو والتمر والزبيب ولينبذ كل واحد منهما علٰى حدة.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00