সহিহ বুখারী > যবহ্‌ করার সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলা।

সহিহ বুখারী ৫৫৬৫

قتيبة حدثنا أبو عوانة عن قتادة عن أنس قال ضحٰى النبي صلى الله عليه وسلم بكبشين أملحين أقرنين ذبحهما بيده„ وسمٰى وكبر ووضع رجله“ علٰى صفاحهما.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুটি সাদা-কালো রং এর শিং ওয়ালা ভেড়া কুরবানী করেন। তিনি ভেড়া দু'টির পার্শ্বে তাঁর পা রেখে ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’ বলে স্বহস্তে সেই দু'টিকে যবহ্‌ করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫৪)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুটি সাদা-কালো রং এর শিং ওয়ালা ভেড়া কুরবানী করেন। তিনি ভেড়া দু'টির পার্শ্বে তাঁর পা রেখে ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’ বলে স্বহস্তে সেই দু'টিকে যবহ্‌ করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫৪)

قتيبة حدثنا أبو عوانة عن قتادة عن أنس قال ضحٰى النبي صلى الله عليه وسلم بكبشين أملحين أقرنين ذبحهما بيده„ وسمٰى وكبر ووضع رجله“ علٰى صفاحهما.


সহিহ বুখারী > যবহ্‌ করার জন্য কেউ হারামে কুরবানীর পশু পাঠিয়ে দিলে,তাঁর উপর ইহরামের বিধান থাকে না।

সহিহ বুখারী ৫৫৬৬

أحمد بن محمد أخبرنا عبد الله أخبرنا إسماعيل عن الشعبي عن مسروق أنه“ أتٰى عائشة فقال لها يا أم المؤمنين إن رجلا يبعث بالهدي إلى الكعبة ويجلس في المصر فيوصي أن تقلد بدنته“ فلا يزال من ذلك اليوم محرما حتٰى يحل الناس قال فسمعت تصفيقها من وراء الحجاب فقالت لقد كنت أفتل قلائد هدي رسول الله صلى الله عليه وسلم فيبعث هديه“ إلى الكعبة فما يحرم عليه مما حل للرجال من أهله„ حتٰى يرجع الناس.

মাসরূক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি 'আয়িশা (রাঃ)- এর কাছে এসে তাঁকে জিজ্ঞেস করলেনঃ হে উম্মুল মু’মিনীন! কোন ব্যক্তি যদি কা’বার উদ্দেশ্যে হাদী (কুরবানীর পশু) পাঠিয়ে দেয় এবং নিজে আপন শহরে অবস্থান করে নির্দেশ দেয় যে, তার হাদীকে যেন মালা পরিয়ে নেয়া হয়, তাহলে সেদিন থেকে লোকদের হালাল হওয়া পর্যন্ত কি সে ব্যক্তির ইহরামের হালাতে থাকতে হবে? মাসরূক বলেনঃ তখন আমি পর্দার আড়াল থেকে তাঁর ['আয়িশা (রাঃ)] হাতের উপর উপর হাত মারার শব্দ শুনলাম। তিনি বললেনঃ আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর হাদীর (কুরবানীর পশু) গলায় রশি পাকিয়ে পরিয়ে দিতাম। এরপর তিনি হাদীকে কা’বার উদ্দেশ্যে প্রেরণ করতেন। তখন স্বামী-স্ত্রীর বৈধ কাজ, লোকেরা ফিরে আসা পর্যন্ত নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর উপর হারাম হত না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫৫)

মাসরূক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি 'আয়িশা (রাঃ)- এর কাছে এসে তাঁকে জিজ্ঞেস করলেনঃ হে উম্মুল মু’মিনীন! কোন ব্যক্তি যদি কা’বার উদ্দেশ্যে হাদী (কুরবানীর পশু) পাঠিয়ে দেয় এবং নিজে আপন শহরে অবস্থান করে নির্দেশ দেয় যে, তার হাদীকে যেন মালা পরিয়ে নেয়া হয়, তাহলে সেদিন থেকে লোকদের হালাল হওয়া পর্যন্ত কি সে ব্যক্তির ইহরামের হালাতে থাকতে হবে? মাসরূক বলেনঃ তখন আমি পর্দার আড়াল থেকে তাঁর ['আয়িশা (রাঃ)] হাতের উপর উপর হাত মারার শব্দ শুনলাম। তিনি বললেনঃ আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর হাদীর (কুরবানীর পশু) গলায় রশি পাকিয়ে পরিয়ে দিতাম। এরপর তিনি হাদীকে কা’বার উদ্দেশ্যে প্রেরণ করতেন। তখন স্বামী-স্ত্রীর বৈধ কাজ, লোকেরা ফিরে আসা পর্যন্ত নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর উপর হারাম হত না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫৫)

أحمد بن محمد أخبرنا عبد الله أخبرنا إسماعيل عن الشعبي عن مسروق أنه“ أتٰى عائشة فقال لها يا أم المؤمنين إن رجلا يبعث بالهدي إلى الكعبة ويجلس في المصر فيوصي أن تقلد بدنته“ فلا يزال من ذلك اليوم محرما حتٰى يحل الناس قال فسمعت تصفيقها من وراء الحجاب فقالت لقد كنت أفتل قلائد هدي رسول الله صلى الله عليه وسلم فيبعث هديه“ إلى الكعبة فما يحرم عليه مما حل للرجال من أهله„ حتٰى يرجع الناس.


সহিহ বুখারী > কুরবানীর গোশ্ত থেকে কতটুকু খাওয়া যাবে, আর কতটুকু সঞ্চয় করে রাখা যাবে।

সহিহ বুখারী ৫৫৬৭

علي بن عبد الله حدثنا سفيان قال عمرو أخبرني عطاء سمع جابر بن عبد الله قال كنا نتزود لحوم الأضاحي علٰى عهد النبي صلى الله عليه وسلم إلى المدينة وقال غير مرة لحوم الهدي.

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর যুগে আমরা মদিনা্য় ফিরে আসা পর্যন্ত কুরবানীর গোশ্ত সঞ্চয় করে রাখতাম। রাবী সুফ্ইয়ান ইবনু ‘উইয়াইনাহ একাধিকবার لُحُومَ الأَضَاحِيِّ এর জায়গায় لُحُومُ الْهَدْيِ বলেছেন। [১৭১৯] আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫৬)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর যুগে আমরা মদিনা্য় ফিরে আসা পর্যন্ত কুরবানীর গোশ্ত সঞ্চয় করে রাখতাম। রাবী সুফ্ইয়ান ইবনু ‘উইয়াইনাহ একাধিকবার لُحُومَ الأَضَاحِيِّ এর জায়গায় لُحُومُ الْهَدْيِ বলেছেন। [১৭১৯] আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫৬)

علي بن عبد الله حدثنا سفيان قال عمرو أخبرني عطاء سمع جابر بن عبد الله قال كنا نتزود لحوم الأضاحي علٰى عهد النبي صلى الله عليه وسلم إلى المدينة وقال غير مرة لحوم الهدي.


সহিহ বুখারী ৫৫৬৮

إسماعيل قال حدثني سليمان عن يحيٰى بن سعيد عن القاسم أن ابن خباب أخبره“ أنه“ سمع أبا سعيد يحدث أنه“ كان غائبا فقدم فقدم إليه لحم قالوا هٰذا من لحم ضحايانا فقال أخروه“ لا أذوقه“ قال ثم قمت فخرجت حتٰى آتي أخي أبا قتادة وكان أخاه“ لأ÷مه„ وكان بدريا فذكرت ذ‘لك له“ فقال إنه“ قد حدث بعدك أمر

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বর্ণনা করেন যে, তিনি (দীর্ঘিদিন) বাইরে ছিলেন। পরে ফিরে আসলে তাঁর সম্মুখে গোশ্ত পেশ করা হল। তিনি বললেনঃ এটি কি আমাদের কুরবানীর গোশ্ত? এরপর তিনি বললেনঃ এটি সরিয়ে দাও, আমি তা খাব না। তিনি বলেন, এরপর আমি উঠে গেলাম এবং বেরিয়ে গিয়ে আমার ভাই আবূ ক্বাতাদাহ ইবনু নু’মান- এর নিকট এলাম। আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) ছিলেন আমার বৈপিত্রেয় ভাই এবং তিনি ছিলেন বদরী সহাবী। (তিনি বলেন) অতঃপর বিষয়টি আমি তাকে জানালে তিনি বললেনঃ তোমার অনুপস্থিতির সময় এরূপ বিধান চালু হয়েছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫৭)

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বর্ণনা করেন যে, তিনি (দীর্ঘিদিন) বাইরে ছিলেন। পরে ফিরে আসলে তাঁর সম্মুখে গোশ্ত পেশ করা হল। তিনি বললেনঃ এটি কি আমাদের কুরবানীর গোশ্ত? এরপর তিনি বললেনঃ এটি সরিয়ে দাও, আমি তা খাব না। তিনি বলেন, এরপর আমি উঠে গেলাম এবং বেরিয়ে গিয়ে আমার ভাই আবূ ক্বাতাদাহ ইবনু নু’মান- এর নিকট এলাম। আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) ছিলেন আমার বৈপিত্রেয় ভাই এবং তিনি ছিলেন বদরী সহাবী। (তিনি বলেন) অতঃপর বিষয়টি আমি তাকে জানালে তিনি বললেনঃ তোমার অনুপস্থিতির সময় এরূপ বিধান চালু হয়েছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫৭)

إسماعيل قال حدثني سليمان عن يحيٰى بن سعيد عن القاسم أن ابن خباب أخبره“ أنه“ سمع أبا سعيد يحدث أنه“ كان غائبا فقدم فقدم إليه لحم قالوا هٰذا من لحم ضحايانا فقال أخروه“ لا أذوقه“ قال ثم قمت فخرجت حتٰى آتي أخي أبا قتادة وكان أخاه“ لأ÷مه„ وكان بدريا فذكرت ذ‘لك له“ فقال إنه“ قد حدث بعدك أمر


সহিহ বুখারী ৫৫৬৯

أبو عاصم عن يزيد بن أبي عبيد عن سلمة بن الأكوع قال قال النبي صلى الله عليه وسلم من ضحٰى منكم فلا يصبحن بعد ثالثة وبقي في بيته„ منه“ شيء فلما كان العام المقبل قالوا يا رسول الله نفعل كما فعلنا عام الماضي قال كلوا وأطعموا وادخروا فإن ذ‘لك العام كان بالناس جهد فأردت أن تعينوا فيها.

সালামাহ ইবনু আকওয়া' (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের যে লোক কুরবানী করেছে, সে যেন তৃতীয় দিনে এমন অবস্থায় সকাল অতিবাহিত না করে যে, তার ঘরে কুরবানীর গোশ্ত কিছু থেকে যায়। পরবর্তী বছর আসলে, সাহাবীগণ বললেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমরা কি তেমন করব, যেমন গত বছর করেছিলাম? তখন তিনি বললেনঃ তোমরা নিজেরা খাও, অন্যকে খাওয়াও এবং সঞ্চয় করে রাখ, কারণ গত বছর মানুষের মধ্যে ছিল অনটন। তাই আমি চেয়েছিলাম, তোমরা তাতে সহযোগিতা কর।[মুসলিম ৩৫/৫, হাঃ ১৯৭৪] আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫৮)

সালামাহ ইবনু আকওয়া' (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের যে লোক কুরবানী করেছে, সে যেন তৃতীয় দিনে এমন অবস্থায় সকাল অতিবাহিত না করে যে, তার ঘরে কুরবানীর গোশ্ত কিছু থেকে যায়। পরবর্তী বছর আসলে, সাহাবীগণ বললেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমরা কি তেমন করব, যেমন গত বছর করেছিলাম? তখন তিনি বললেনঃ তোমরা নিজেরা খাও, অন্যকে খাওয়াও এবং সঞ্চয় করে রাখ, কারণ গত বছর মানুষের মধ্যে ছিল অনটন। তাই আমি চেয়েছিলাম, তোমরা তাতে সহযোগিতা কর।[মুসলিম ৩৫/৫, হাঃ ১৯৭৪] আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫৮)

أبو عاصم عن يزيد بن أبي عبيد عن سلمة بن الأكوع قال قال النبي صلى الله عليه وسلم من ضحٰى منكم فلا يصبحن بعد ثالثة وبقي في بيته„ منه“ شيء فلما كان العام المقبل قالوا يا رسول الله نفعل كما فعلنا عام الماضي قال كلوا وأطعموا وادخروا فإن ذ‘لك العام كان بالناس جهد فأردت أن تعينوا فيها.


সহিহ বুখারী ৫৫৭০

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মদিনায় অবস্থান কালে আমরা কুরবানীর গোশ্তের মধ্যে লবণ মিশিয়ে রেখে দিতাম। এরপর তা নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সম্মুখে পেশ করতাম। তিনি বলতেনঃ তোমরা তিন দিনের বেশি খাবে না। তবে এটি বড় ব্যাপার নয়। বরং তিনি তাত্থেকে অন্যদেরকেও খাওয়াতে চেয়েছেন। আল্লাহই বেশি জানেন।

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মদিনায় অবস্থান কালে আমরা কুরবানীর গোশ্তের মধ্যে লবণ মিশিয়ে রেখে দিতাম। এরপর তা নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সম্মুখে পেশ করতাম। তিনি বলতেনঃ তোমরা তিন দিনের বেশি খাবে না। তবে এটি বড় ব্যাপার নয়। বরং তিনি তাত্থেকে অন্যদেরকেও খাওয়াতে চেয়েছেন। আল্লাহই বেশি জানেন।


সহিহ বুখারী ৫৫৭১

حبان بن موسٰى أخبرنا عبد الله قال أخبرني يونس عن الزهري قال حدثني أبو عبيد مولٰى ابن أزهر أنه“ شهد العيد يوم الأضحٰى مع عمر بن الخطاب فصلٰى قبل الخطبة ثم خطب الناس فقال يا أيها الناس إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد نهاكم عن صيام هٰذين العيدين أما أحدهما فيوم فطركم من صيامكم وأما الآخر فيوم تأكلون من نسككم.

ইবনু আযহাবের আযাদকৃত দাস আবূ ‘উবায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ‘উমর ইবনু খত্তাব (রাঃ)- এর সঙ্গে কুরবানীর ঈদের দিন ঈদগাহে হাযির ছিলেন। ‘উমর (রাঃ) খুতবার পূর্বে সলাত আদায় করেন। এরপর উপস্থিত জনতার সামনে খুতবা দেন। তখন তিনি বলেনঃ হে লোক সকল! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ দু’ ঈদের দিনে সিয়াম পালন করতে নিষেধ করেছেন। তার মধ্যে একটি হল, তোমাদের সিয়াম ভঙ্গ করার দিন ( অর্থাৎ ঈদুল ফিতর)। আর অন্যটি হল, এমন দিন যেদিন তোমরা তোমাদের কুরবানীর পশুর গোশ্ত খাবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৬০)

ইবনু আযহাবের আযাদকৃত দাস আবূ ‘উবায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ‘উমর ইবনু খত্তাব (রাঃ)- এর সঙ্গে কুরবানীর ঈদের দিন ঈদগাহে হাযির ছিলেন। ‘উমর (রাঃ) খুতবার পূর্বে সলাত আদায় করেন। এরপর উপস্থিত জনতার সামনে খুতবা দেন। তখন তিনি বলেনঃ হে লোক সকল! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ দু’ ঈদের দিনে সিয়াম পালন করতে নিষেধ করেছেন। তার মধ্যে একটি হল, তোমাদের সিয়াম ভঙ্গ করার দিন ( অর্থাৎ ঈদুল ফিতর)। আর অন্যটি হল, এমন দিন যেদিন তোমরা তোমাদের কুরবানীর পশুর গোশ্ত খাবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৬০)

حبان بن موسٰى أخبرنا عبد الله قال أخبرني يونس عن الزهري قال حدثني أبو عبيد مولٰى ابن أزهر أنه“ شهد العيد يوم الأضحٰى مع عمر بن الخطاب فصلٰى قبل الخطبة ثم خطب الناس فقال يا أيها الناس إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد نهاكم عن صيام هٰذين العيدين أما أحدهما فيوم فطركم من صيامكم وأما الآخر فيوم تأكلون من نسككم.


সহিহ বুখারী ৫৫৭২

قال أبو عبيد ثم شهدت العيد مع عثمان بن عفان فكان ذ‘لك يوم الجمعة فصلٰى قبل الخطبة ثم خطب فقال يا أيها الناس إن هٰذا يوم قد اجتمع لكم فيه عيدان فمن أحب أن ينتظر الجمعة من أهل العوالي فلينتظر ومن أحب أن يرجع فقد أذنت له.

আবূ ‘উবায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ ‘উবায়দ বলেনঃ এরপর আমি ‘উসমান ইবনু আফ্ফান (রাঃ)’র সময়ও হাযির হয়েছি। সেদিন ছিল জুমু’আর দিন। তিনি খুতবা দানের আগে সলাত আদায় করলেন। এরপর তিনি খুতবাহ দিতে দাঁড়িয়ে বললেনঃ হে লোক সকল ! এটি এমন দিন, যে দিন তোমাদের জন্য দু’টি ঈদ একত্রে হয়ে গেছে। কাজেই তোমাদের মধ্যে আওয়ালী (মদীনার চার মাইল পূর্বে অবস্থিত) এলাকার যে ব্যক্তি জুমু’আর সলাতের অপেক্ষা করতে চায়, সে যেন অপেক্ষা করে। আর যে ফিরে যেতে চায়, তার জন্য আমি অনুমতি প্রদান করলাম। [১](আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৬০)

আবূ ‘উবায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ ‘উবায়দ বলেনঃ এরপর আমি ‘উসমান ইবনু আফ্ফান (রাঃ)’র সময়ও হাযির হয়েছি। সেদিন ছিল জুমু’আর দিন। তিনি খুতবা দানের আগে সলাত আদায় করলেন। এরপর তিনি খুতবাহ দিতে দাঁড়িয়ে বললেনঃ হে লোক সকল ! এটি এমন দিন, যে দিন তোমাদের জন্য দু’টি ঈদ একত্রে হয়ে গেছে। কাজেই তোমাদের মধ্যে আওয়ালী (মদীনার চার মাইল পূর্বে অবস্থিত) এলাকার যে ব্যক্তি জুমু’আর সলাতের অপেক্ষা করতে চায়, সে যেন অপেক্ষা করে। আর যে ফিরে যেতে চায়, তার জন্য আমি অনুমতি প্রদান করলাম। [১](আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৬০)

قال أبو عبيد ثم شهدت العيد مع عثمان بن عفان فكان ذ‘لك يوم الجمعة فصلٰى قبل الخطبة ثم خطب فقال يا أيها الناس إن هٰذا يوم قد اجتمع لكم فيه عيدان فمن أحب أن ينتظر الجمعة من أهل العوالي فلينتظر ومن أحب أن يرجع فقد أذنت له.


সহিহ বুখারী ৫৫৭৩

قال أبو عبيد ثم شهدته“ مع علي بن أبي طالب فصلٰى قبل الخطبة ثم خطب الناس فقال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهاكم أن تأكلوا لحوم نسككم فوق ثلاث وعن معمر عن الزهري عن أبي عبيد نحوه.

আবূ ‘উবায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ ‘উবায়দ বলেনঃ এরপর ঈদগাহে উপস্থিত হয়েছি ‘আলী ইবনু আবূ ত্বলিব (রাঃ)- এর সময়ে। তিনি খুতবার আগে সলাত আদায় করেন। এরপর লোকজনের উদ্দেশ্যে খুতবাহ দেন। তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমাদের কুরবানীর পশুর গোশ্ত তিন দিনের বেশি সময় খেতে নিষেধ করেছেন। মা’মার, যুহরী, ‘উবায়দ (রহঃ) থেকে এরকমই বর্ণিত আছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৬০)

আবূ ‘উবায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ ‘উবায়দ বলেনঃ এরপর ঈদগাহে উপস্থিত হয়েছি ‘আলী ইবনু আবূ ত্বলিব (রাঃ)- এর সময়ে। তিনি খুতবার আগে সলাত আদায় করেন। এরপর লোকজনের উদ্দেশ্যে খুতবাহ দেন। তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমাদের কুরবানীর পশুর গোশ্ত তিন দিনের বেশি সময় খেতে নিষেধ করেছেন। মা’মার, যুহরী, ‘উবায়দ (রহঃ) থেকে এরকমই বর্ণিত আছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৬০)

قال أبو عبيد ثم شهدته“ مع علي بن أبي طالب فصلٰى قبل الخطبة ثم خطب الناس فقال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهاكم أن تأكلوا لحوم نسككم فوق ثلاث وعن معمر عن الزهري عن أبي عبيد نحوه.


সহিহ বুখারী ৫৫৭৪

محمد بن عبد الرحيم أخبرنا يعقوب بن إبراهيم بن سعد عن ابن أخي ابن شهاب عن عمه„ ابن شهاب عن سالم عن عبد الله بن عمر قال رسول الله صلى الله عليه وسلم كلوا من الأضاحي ثلاثا وكان عبد الله يأكل بالزيت حين ينفر من منى من أجل لحوم الهدي.

আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কুরবানীর গোশ্ত থেকে তোমরা তিন দিন পর্যন্ত খাও। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) মিনা থেকে প্রত্যাবর্তন কালে কুরবানীর গোশ্ত খাওয়া থেকে বিরত থাকার কারণে যায়তুন খাদ্য গ্রহণ করতেন।[মুসলিম ৩৫/৫, হাঃ ১৯৭০] আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৬১)

আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কুরবানীর গোশ্ত থেকে তোমরা তিন দিন পর্যন্ত খাও। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) মিনা থেকে প্রত্যাবর্তন কালে কুরবানীর গোশ্ত খাওয়া থেকে বিরত থাকার কারণে যায়তুন খাদ্য গ্রহণ করতেন।[মুসলিম ৩৫/৫, হাঃ ১৯৭০] আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৬১)

محمد بن عبد الرحيم أخبرنا يعقوب بن إبراهيم بن سعد عن ابن أخي ابن شهاب عن عمه„ ابن شهاب عن سالم عن عبد الله بن عمر قال رسول الله صلى الله عليه وسلم كلوا من الأضاحي ثلاثا وكان عبد الله يأكل بالزيت حين ينفر من منى من أجل لحوم الهدي.


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00