সহিহ বুখারী > যে ব্যক্তি সলাত আদায়ের পূর্বে যবহ্‌ করে সে যেন পুনরায় যবহ্‌ করে।

সহিহ বুখারী ৫৫৬২

آدم حدثنا شعبة حدثنا الأسود بن قيس سمعت جندب بن سفيان البجلي قال شهدت النبي صلى الله عليه وسلم يوم النحر فقال من ذبح قبل أن يصلي فليعد مكانها أخر‘ى ومن لم يذبح فليذبح.

জুনদুব ইবনু সুফ্‌ইয়ান বাজালী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি কুরবানীর দিন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট হাজির ছিলাম। তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তি সলাত আদায়ের আগে যবহ্‌ করেছে, সে যেন এর স্থলে আবার যবহ্‌ করে। আর যে ব্যক্তি যবহ্‌ করেনি, সে যেন যবহ্‌ করে নেয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫১)

জুনদুব ইবনু সুফ্‌ইয়ান বাজালী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি কুরবানীর দিন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট হাজির ছিলাম। তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তি সলাত আদায়ের আগে যবহ্‌ করেছে, সে যেন এর স্থলে আবার যবহ্‌ করে। আর যে ব্যক্তি যবহ্‌ করেনি, সে যেন যবহ্‌ করে নেয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫১)

آدم حدثنا شعبة حدثنا الأسود بن قيس سمعت جندب بن سفيان البجلي قال شهدت النبي صلى الله عليه وسلم يوم النحر فقال من ذبح قبل أن يصلي فليعد مكانها أخر‘ى ومن لم يذبح فليذبح.


সহিহ বুখারী ৫৫৬৩

موسٰى بن إسماعيل حدثنا أبو عوانة عن فراس عن عامر عن البراء قال صلٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم فقال من صلٰى صلاتنا واستقبل قبلتنا فلا يذبح حتٰى ينصرف فقام أبو بردة بن نيار فقال يا رسول الله فعلت فقال هو شيء عجلته“ قال فإن عندي جذعة هي خير من مسنتين آذبحها قال نعم ثم لا تجزي عن أحد بعدك قال عامر هي خير نسيكتيه.

বারা' (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায় করে বললেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের মত সালাত আদায় করে, আমাদের কিবলাকে কিবলা বলে গ্রহণ করে সে যেন (ঈদের সালাত) শেষ না করা পর্যন্ত যবহ্‌ না করে। তখন আবূ বুরদাহ ইবনু নিয়ার (রাঃ) দাঁড়িয়ে বললেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমিতো যবহ্‌ করে ফেলেছি। তিনি উত্তর দিলেনঃ এটি এমন জিনিস হল যা তুমি তাড়াহুড়ো করে ফেলেছ। আবূ বুরদাহ (রাঃ) বললেনঃ আমার কাছে একটি অল্প বয়সের ছাগল আছে। সেটি পূর্ণ বয়স্ক দ’টি ছাগলের চেয়ে উৎকৃষ্ট। আমি কি সেটি যবহ্‌ করতে পারি? তিনি উত্তর দিলেনঃ হাঁ। তবে তোমার পরে আর কারো জন্য তা যবহ্‌ করা যথেষ্ট হবে না। 'আমির (রহঃ) বলেনঃ এটি হল তাঁর উৎকৃষ্ট কুরবানী।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫২)

বারা' (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায় করে বললেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের মত সালাত আদায় করে, আমাদের কিবলাকে কিবলা বলে গ্রহণ করে সে যেন (ঈদের সালাত) শেষ না করা পর্যন্ত যবহ্‌ না করে। তখন আবূ বুরদাহ ইবনু নিয়ার (রাঃ) দাঁড়িয়ে বললেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমিতো যবহ্‌ করে ফেলেছি। তিনি উত্তর দিলেনঃ এটি এমন জিনিস হল যা তুমি তাড়াহুড়ো করে ফেলেছ। আবূ বুরদাহ (রাঃ) বললেনঃ আমার কাছে একটি অল্প বয়সের ছাগল আছে। সেটি পূর্ণ বয়স্ক দ’টি ছাগলের চেয়ে উৎকৃষ্ট। আমি কি সেটি যবহ্‌ করতে পারি? তিনি উত্তর দিলেনঃ হাঁ। তবে তোমার পরে আর কারো জন্য তা যবহ্‌ করা যথেষ্ট হবে না। 'আমির (রহঃ) বলেনঃ এটি হল তাঁর উৎকৃষ্ট কুরবানী।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫২)

موسٰى بن إسماعيل حدثنا أبو عوانة عن فراس عن عامر عن البراء قال صلٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم فقال من صلٰى صلاتنا واستقبل قبلتنا فلا يذبح حتٰى ينصرف فقام أبو بردة بن نيار فقال يا رسول الله فعلت فقال هو شيء عجلته“ قال فإن عندي جذعة هي خير من مسنتين آذبحها قال نعم ثم لا تجزي عن أحد بعدك قال عامر هي خير نسيكتيه.


সহিহ বুখারী ৫৫৬১

علي بن عبد الله حدثنا إسماعيل بن إبراهيم عن أيوب عن محمد عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من ذبح قبل الصلاة فليعد فقال رجل هٰذا يوم يشتهٰى فيه اللحم وذكر هنة من جيرانه„ فكأن النبي صلى الله عليه وسلم عذره“ وعندي جذعة خير من شاتين فرخص له النبي صلى الله عليه وسلم فلا أدري بلغت الرخصة أم لا ثم انكفأ إلٰى كبشين يعني فذبحهما ثم انكفأ الناس إلٰى غنيمة فذبحوها.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আনাস (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সলাত আদায়ের পূর্বে যবহ্‌ করেছে সে যেন আবার যবহ্‌ করে। তখন এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললঃ এটাতো এমন দিন যে দিন গোশ্‌ত খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা জাগে। সে তার প্রতিবেশীদের অভাবের কথাও উল্লেখ করল। নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেন তার ওজর উপলব্ধি করলেন। লোকটি বললঃ আমার কাছে এমন একটি ছাগলের বাচ্চা আছে যেটি দু’টি মাংসল বক্‌রীর চেয়ে উৎকৃষ্ট। নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন তাকে সেটি কুরবানী করার অনুমতি দান করলেন। (বর্ণনাকারী বলেনঃ ) আমি জানি না, এ অনুমতি অন্যদের জন্যেও কিনা। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভেড়া দু'টির দিকে ঝুঁকলেন অর্থাৎ তিনি সে দু'টিকে যবহ্‌ করলেন। এরপর লোকেরা ছাগলের ছোট একটি ক্ষুদ্র পালের দিকে গেল এবং সেগুলোকে যবহ্‌ করল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫০)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আনাস (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সলাত আদায়ের পূর্বে যবহ্‌ করেছে সে যেন আবার যবহ্‌ করে। তখন এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললঃ এটাতো এমন দিন যে দিন গোশ্‌ত খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা জাগে। সে তার প্রতিবেশীদের অভাবের কথাও উল্লেখ করল। নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেন তার ওজর উপলব্ধি করলেন। লোকটি বললঃ আমার কাছে এমন একটি ছাগলের বাচ্চা আছে যেটি দু’টি মাংসল বক্‌রীর চেয়ে উৎকৃষ্ট। নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন তাকে সেটি কুরবানী করার অনুমতি দান করলেন। (বর্ণনাকারী বলেনঃ ) আমি জানি না, এ অনুমতি অন্যদের জন্যেও কিনা। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভেড়া দু'টির দিকে ঝুঁকলেন অর্থাৎ তিনি সে দু'টিকে যবহ্‌ করলেন। এরপর লোকেরা ছাগলের ছোট একটি ক্ষুদ্র পালের দিকে গেল এবং সেগুলোকে যবহ্‌ করল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫০)

علي بن عبد الله حدثنا إسماعيل بن إبراهيم عن أيوب عن محمد عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من ذبح قبل الصلاة فليعد فقال رجل هٰذا يوم يشتهٰى فيه اللحم وذكر هنة من جيرانه„ فكأن النبي صلى الله عليه وسلم عذره“ وعندي جذعة خير من شاتين فرخص له النبي صلى الله عليه وسلم فلا أدري بلغت الرخصة أم لا ثم انكفأ إلٰى كبشين يعني فذبحهما ثم انكفأ الناس إلٰى غنيمة فذبحوها.


সহিহ বুখারী > যবহে্‌র পশুর পার্শ্বদেশ পায়ে চাপ দিয়ে ধরা।

সহিহ বুখারী ৫৫৬৪

حجاج بن منهال حدثنا همام عن قتادة حدثنا أنس أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يضحي بكبشين أملحين أقرنين ويضع رجله“ علٰى صفحتهما ويذبحهما بيده.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুটি শিংওয়ালা সাদা-কালো রঙের ভেড়া কুরবানী করতেন। তিনি পশুগুলোর পার্শ্ব তাঁর পায়ে চেপে ধরে সেগুলোকে নিজ হাতে যবহ্‌ করতেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫৩)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুটি শিংওয়ালা সাদা-কালো রঙের ভেড়া কুরবানী করতেন। তিনি পশুগুলোর পার্শ্ব তাঁর পায়ে চেপে ধরে সেগুলোকে নিজ হাতে যবহ্‌ করতেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫৩)

حجاج بن منهال حدثنا همام عن قتادة حدثنا أنس أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يضحي بكبشين أملحين أقرنين ويضع رجله“ علٰى صفحتهما ويذبحهما بيده.


সহিহ বুখারী > যবহ্‌ করার সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলা।

সহিহ বুখারী ৫৫৬৫

قتيبة حدثنا أبو عوانة عن قتادة عن أنس قال ضحٰى النبي صلى الله عليه وسلم بكبشين أملحين أقرنين ذبحهما بيده„ وسمٰى وكبر ووضع رجله“ علٰى صفاحهما.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুটি সাদা-কালো রং এর শিং ওয়ালা ভেড়া কুরবানী করেন। তিনি ভেড়া দু'টির পার্শ্বে তাঁর পা রেখে ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’ বলে স্বহস্তে সেই দু'টিকে যবহ্‌ করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫৪)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুটি সাদা-কালো রং এর শিং ওয়ালা ভেড়া কুরবানী করেন। তিনি ভেড়া দু'টির পার্শ্বে তাঁর পা রেখে ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’ বলে স্বহস্তে সেই দু'টিকে যবহ্‌ করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫৪)

قتيبة حدثنا أبو عوانة عن قتادة عن أنس قال ضحٰى النبي صلى الله عليه وسلم بكبشين أملحين أقرنين ذبحهما بيده„ وسمٰى وكبر ووضع رجله“ علٰى صفاحهما.


সহিহ বুখারী > যবহ্‌ করার জন্য কেউ হারামে কুরবানীর পশু পাঠিয়ে দিলে,তাঁর উপর ইহরামের বিধান থাকে না।

সহিহ বুখারী ৫৫৬৬

أحمد بن محمد أخبرنا عبد الله أخبرنا إسماعيل عن الشعبي عن مسروق أنه“ أتٰى عائشة فقال لها يا أم المؤمنين إن رجلا يبعث بالهدي إلى الكعبة ويجلس في المصر فيوصي أن تقلد بدنته“ فلا يزال من ذلك اليوم محرما حتٰى يحل الناس قال فسمعت تصفيقها من وراء الحجاب فقالت لقد كنت أفتل قلائد هدي رسول الله صلى الله عليه وسلم فيبعث هديه“ إلى الكعبة فما يحرم عليه مما حل للرجال من أهله„ حتٰى يرجع الناس.

মাসরূক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি 'আয়িশা (রাঃ)- এর কাছে এসে তাঁকে জিজ্ঞেস করলেনঃ হে উম্মুল মু’মিনীন! কোন ব্যক্তি যদি কা’বার উদ্দেশ্যে হাদী (কুরবানীর পশু) পাঠিয়ে দেয় এবং নিজে আপন শহরে অবস্থান করে নির্দেশ দেয় যে, তার হাদীকে যেন মালা পরিয়ে নেয়া হয়, তাহলে সেদিন থেকে লোকদের হালাল হওয়া পর্যন্ত কি সে ব্যক্তির ইহরামের হালাতে থাকতে হবে? মাসরূক বলেনঃ তখন আমি পর্দার আড়াল থেকে তাঁর ['আয়িশা (রাঃ)] হাতের উপর উপর হাত মারার শব্দ শুনলাম। তিনি বললেনঃ আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর হাদীর (কুরবানীর পশু) গলায় রশি পাকিয়ে পরিয়ে দিতাম। এরপর তিনি হাদীকে কা’বার উদ্দেশ্যে প্রেরণ করতেন। তখন স্বামী-স্ত্রীর বৈধ কাজ, লোকেরা ফিরে আসা পর্যন্ত নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর উপর হারাম হত না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫৫)

মাসরূক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি 'আয়িশা (রাঃ)- এর কাছে এসে তাঁকে জিজ্ঞেস করলেনঃ হে উম্মুল মু’মিনীন! কোন ব্যক্তি যদি কা’বার উদ্দেশ্যে হাদী (কুরবানীর পশু) পাঠিয়ে দেয় এবং নিজে আপন শহরে অবস্থান করে নির্দেশ দেয় যে, তার হাদীকে যেন মালা পরিয়ে নেয়া হয়, তাহলে সেদিন থেকে লোকদের হালাল হওয়া পর্যন্ত কি সে ব্যক্তির ইহরামের হালাতে থাকতে হবে? মাসরূক বলেনঃ তখন আমি পর্দার আড়াল থেকে তাঁর ['আয়িশা (রাঃ)] হাতের উপর উপর হাত মারার শব্দ শুনলাম। তিনি বললেনঃ আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর হাদীর (কুরবানীর পশু) গলায় রশি পাকিয়ে পরিয়ে দিতাম। এরপর তিনি হাদীকে কা’বার উদ্দেশ্যে প্রেরণ করতেন। তখন স্বামী-স্ত্রীর বৈধ কাজ, লোকেরা ফিরে আসা পর্যন্ত নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর উপর হারাম হত না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫৫)

أحمد بن محمد أخبرنا عبد الله أخبرنا إسماعيل عن الشعبي عن مسروق أنه“ أتٰى عائشة فقال لها يا أم المؤمنين إن رجلا يبعث بالهدي إلى الكعبة ويجلس في المصر فيوصي أن تقلد بدنته“ فلا يزال من ذلك اليوم محرما حتٰى يحل الناس قال فسمعت تصفيقها من وراء الحجاب فقالت لقد كنت أفتل قلائد هدي رسول الله صلى الله عليه وسلم فيبعث هديه“ إلى الكعبة فما يحرم عليه مما حل للرجال من أهله„ حتٰى يرجع الناس.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00