সহিহ বুখারী > কুরবানীর দিন গোশ্ত খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা।
সহিহ বুখারী ৫৫৪৯
صدقة أخبرنا ابن علية عن أيوب عن ابن سيرين عن أنس بن مالك قال قال النبي صلى الله عليه وسلم يوم النحر من كان ذبح قبل الصلاة فليعد فقام رجل فقال يا رسول الله إن هٰذا يوم يشتهٰى فيه اللحم وذكر جيرانه“ وعندي جذعة خير من شاتي لحم فرخص له“ في ذ‘لك فلا أدري بلغت الرخصة من سواه“ أم لا ثم انكفأ النبي صلى الله عليه وسلم إلٰى كبشين فذبحهما وقام الناس إلٰى غنيمة فتوزعوها أو قال فتجزعوها.
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কুরবানীর দিন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সলাত আদায়ের পুর্বে যবহ্ করেছে, সে যেন পুনরায় যবহ্ করে। তখন এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললঃ হে আল্লাহ্র রসূল! এটাতো এমন দিন যাতে গোশ্ত খাওয়ার প্রতি ইচ্ছা জাগে। তখন সে তার প্রতিবেশীদের কথাও উল্লেখ করল এবং বললঃ আমার কাছে এমন একটি বক্রীর বাচ্চা আছে যেটি গোশ্তের ক্ষেত্রে দু'টি বক্রীর চেয়েও উত্তম। নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে সেটিই কুরবানী করতে অনুমতি প্রদান করলেন। আনাস (রাঃ) বলেনঃ আমি জানি না, এ অনুমতি এ ব্যক্তি ছাড়া অন্যের জন্যেও প্রযোজ্য কিনা? এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু'টি ভেড়ার দিকে এগিয়ে গেলেন এবং সে দু'টিকে যবহ্ করলেন। লোকজন ছোট একটি বক্রীর পালের দিকে উঠে গেল। এরপর ওগুলোকে বন্টন করল কিংবা তিনি বলেছেনঃ সেগুলোকে তারা যবহ্ করে টুকরো টুকরো করে কাটলো।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৩৮)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কুরবানীর দিন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সলাত আদায়ের পুর্বে যবহ্ করেছে, সে যেন পুনরায় যবহ্ করে। তখন এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললঃ হে আল্লাহ্র রসূল! এটাতো এমন দিন যাতে গোশ্ত খাওয়ার প্রতি ইচ্ছা জাগে। তখন সে তার প্রতিবেশীদের কথাও উল্লেখ করল এবং বললঃ আমার কাছে এমন একটি বক্রীর বাচ্চা আছে যেটি গোশ্তের ক্ষেত্রে দু'টি বক্রীর চেয়েও উত্তম। নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে সেটিই কুরবানী করতে অনুমতি প্রদান করলেন। আনাস (রাঃ) বলেনঃ আমি জানি না, এ অনুমতি এ ব্যক্তি ছাড়া অন্যের জন্যেও প্রযোজ্য কিনা? এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু'টি ভেড়ার দিকে এগিয়ে গেলেন এবং সে দু'টিকে যবহ্ করলেন। লোকজন ছোট একটি বক্রীর পালের দিকে উঠে গেল। এরপর ওগুলোকে বন্টন করল কিংবা তিনি বলেছেনঃ সেগুলোকে তারা যবহ্ করে টুকরো টুকরো করে কাটলো।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৩৮)
صدقة أخبرنا ابن علية عن أيوب عن ابن سيرين عن أنس بن مالك قال قال النبي صلى الله عليه وسلم يوم النحر من كان ذبح قبل الصلاة فليعد فقام رجل فقال يا رسول الله إن هٰذا يوم يشتهٰى فيه اللحم وذكر جيرانه“ وعندي جذعة خير من شاتي لحم فرخص له“ في ذ‘لك فلا أدري بلغت الرخصة من سواه“ أم لا ثم انكفأ النبي صلى الله عليه وسلم إلٰى كبشين فذبحهما وقام الناس إلٰى غنيمة فتوزعوها أو قال فتجزعوها.
সহিহ বুখারী > যারা বলে যে, ইয়াওমুননাহারই কুরবানীর দিন।
সহিহ বুখারী ৫৫৫০
محمد بن سلام حدثنا عبد الوهاب حدثنا أيوب عن محمد عن ابن أبي بكرة عن أبي بكرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إن الزمان قد استدار كهيئته„ يوم خلق الله السموات والأرض السنة اثنا عشر شهرا منها أربعة حرم ثلاث متواليات ذو القعدة وذو الحجة والمحرم ورجب مضر الذي بين جماد‘ى وشعبان أي شهر هٰذا قلنا الله ورسوله“ أعلم فسكت حتٰى ظننا أنه“ سيسميه بغير اسمه„ قال أليس ذا الحجة قلنا بلٰى قال أي بلد هٰذا قلنا الله ورسوله“ أعلم فسكت حتٰى ظننا أنه“ سيسميه بغير اسمه„ قال أليس البلدة قلنا بلٰى قال فأي يوم هٰذا قلنا الله ورسوله“ أعلم فسكت حتٰى ظننا أنه“ سيسميه بغير اسمه„ قال أليس يوم النحر قلنا بلٰى قال فإن دماءكم وأموالكم قال محمد وأحسبه“ قال وأعراضكم عليكم حرام كحرمة يومكم هٰذا في بلدكم هٰذا في شهركم هٰذا وستلقون ربكم فيسألكم عن أعمالكم ألا فلا ترجعوا بعدي ضلالا يضرب بعضكم رقاب بعض ألا ليبلغ الشاهد الغائب فلعل بعض من يبلغه“ أن يكون أوعٰى له“ من بعض من سمعه“ وكان محمد إذا ذكره“ قال صدق النبي صلى الله عليه وسلم ثم قال ألا هل بلغت ألا هل بلغت.
আবূ বাক্রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বাক্রাহ (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত যে, নবী বলেছেনঃ কাল আবর্তিত হয়েছে তার সেই অবস্থানের উপর, যেভাবে আল্লাহ আকাশসমুহ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছিলেন। বছর বার মাসের। তার মাঝে চারটি মাস সম্মানিত। তিনটি পরপরঃ যুল কা’দা, যুল-হাজ্জাহ্ ও মুহাররম। আরেকটি মুদার গোত্রের রজব মাস, সেটি জুমাদা ও শা’বানের মাঝখানে। (এরপর তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ) এটি কোন্ মাস? আমরা বললামঃ আল্লাহ ও তাঁর রসূল অধিক জানেন। তখন তিনি নীরব রইলেন। এমনকি আমরা ভাবলাম যে, তিনি এটিকে অন্য নামে নাম দিবেন। তিনি বললেনঃ এটি কি যুল-হাজ্জ মাস নয়? আমরা বললামঃ হাঁ। তিনি আবার বললেনঃ এটি কোন্ শহর? আমরা বললামঃ আল্লাহ ও তাঁর রসূল অধিক জানেন। তিনি নীরব রইলেন, এমনকি আমরা ভাবতে লাগলাম, হয়ত তিনি এটির অন্য কোন নাম দিবেন। তিনি বললেনঃ এটি কি মাক্কাহ নগর নয়? আমরা বললামঃ হাঁ। তিনি বললেনঃ এটি কোন দিন? আমরা বললামঃ আল্লাহ ও তাঁর রসূল অধিক জানেন। তিনি নীরব রইলেন। এমনকি আমরা ধারণা করলাম যে, হয়ত তিনি এর নামের পরিবর্তে অন্য নাম দিবেন। তিনি বললেনঃ এটা কি কুরবানীর দিন নয়? আমরা উত্তর করলামঃ হাঁ। এরপর তিনি বললেনঃ তোমাদের রক্ত, তোমাদের ধন-সম্পদ, বর্ননাকারী মুহাম্মাদ বলেন, সম্ভবতঃ আবু বাক্রাহ (রাঃ) বলেছেন, “এবং তোমাদের ইয্যত তোমাদের পরস্পরের উপর এমন সম্মানিত, যেমন সম্মানিত তোমাদের এই দিন, তোমাদের এই শহর, তোমাদের এই মাস। শীঘ্রই তোমরা তোমাদের রবের সাথে সাক্ষাত করবে। তখন তিনি তোমাদের সম্পর্কে তোমাদের জিজ্ঞেস করবেন। সাবধান! আমার পরে তোমরা পথভ্রষ্ট হয়ে ফিরে যেয়ো না। তোমাদের কেউ যেন কাউকে হত্যা না করে। মনে রেখ, উপস্থিত ব্যক্তি যেন অনুপস্থির ব্যক্তির কাছে (আমার বাণী) পৌঁছে দেয়। হয়ত যাদের কাছে পৌঁছানো হবে তাদের কেউ কেউ বর্তমানে যারা শুনেছে তাদের কারো চেয়ে বেশী সংরক্ষণকারী হবে। রাবী মুহাম্মাদ যখন এ হাদীস উল্লেখ করতেন, তখন বলতেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সত্যই বলেছেন। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ দেখ, আমি কি পৌঁছে দিয়েছি? দেখ, আমি কি পৌঁছে দিয়েছি? [৬৭](আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৩৯)
আবূ বাক্রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বাক্রাহ (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত যে, নবী বলেছেনঃ কাল আবর্তিত হয়েছে তার সেই অবস্থানের উপর, যেভাবে আল্লাহ আকাশসমুহ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছিলেন। বছর বার মাসের। তার মাঝে চারটি মাস সম্মানিত। তিনটি পরপরঃ যুল কা’দা, যুল-হাজ্জাহ্ ও মুহাররম। আরেকটি মুদার গোত্রের রজব মাস, সেটি জুমাদা ও শা’বানের মাঝখানে। (এরপর তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ) এটি কোন্ মাস? আমরা বললামঃ আল্লাহ ও তাঁর রসূল অধিক জানেন। তখন তিনি নীরব রইলেন। এমনকি আমরা ভাবলাম যে, তিনি এটিকে অন্য নামে নাম দিবেন। তিনি বললেনঃ এটি কি যুল-হাজ্জ মাস নয়? আমরা বললামঃ হাঁ। তিনি আবার বললেনঃ এটি কোন্ শহর? আমরা বললামঃ আল্লাহ ও তাঁর রসূল অধিক জানেন। তিনি নীরব রইলেন, এমনকি আমরা ভাবতে লাগলাম, হয়ত তিনি এটির অন্য কোন নাম দিবেন। তিনি বললেনঃ এটি কি মাক্কাহ নগর নয়? আমরা বললামঃ হাঁ। তিনি বললেনঃ এটি কোন দিন? আমরা বললামঃ আল্লাহ ও তাঁর রসূল অধিক জানেন। তিনি নীরব রইলেন। এমনকি আমরা ধারণা করলাম যে, হয়ত তিনি এর নামের পরিবর্তে অন্য নাম দিবেন। তিনি বললেনঃ এটা কি কুরবানীর দিন নয়? আমরা উত্তর করলামঃ হাঁ। এরপর তিনি বললেনঃ তোমাদের রক্ত, তোমাদের ধন-সম্পদ, বর্ননাকারী মুহাম্মাদ বলেন, সম্ভবতঃ আবু বাক্রাহ (রাঃ) বলেছেন, “এবং তোমাদের ইয্যত তোমাদের পরস্পরের উপর এমন সম্মানিত, যেমন সম্মানিত তোমাদের এই দিন, তোমাদের এই শহর, তোমাদের এই মাস। শীঘ্রই তোমরা তোমাদের রবের সাথে সাক্ষাত করবে। তখন তিনি তোমাদের সম্পর্কে তোমাদের জিজ্ঞেস করবেন। সাবধান! আমার পরে তোমরা পথভ্রষ্ট হয়ে ফিরে যেয়ো না। তোমাদের কেউ যেন কাউকে হত্যা না করে। মনে রেখ, উপস্থিত ব্যক্তি যেন অনুপস্থির ব্যক্তির কাছে (আমার বাণী) পৌঁছে দেয়। হয়ত যাদের কাছে পৌঁছানো হবে তাদের কেউ কেউ বর্তমানে যারা শুনেছে তাদের কারো চেয়ে বেশী সংরক্ষণকারী হবে। রাবী মুহাম্মাদ যখন এ হাদীস উল্লেখ করতেন, তখন বলতেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সত্যই বলেছেন। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ দেখ, আমি কি পৌঁছে দিয়েছি? দেখ, আমি কি পৌঁছে দিয়েছি? [৬৭](আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৩৯)
محمد بن سلام حدثنا عبد الوهاب حدثنا أيوب عن محمد عن ابن أبي بكرة عن أبي بكرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إن الزمان قد استدار كهيئته„ يوم خلق الله السموات والأرض السنة اثنا عشر شهرا منها أربعة حرم ثلاث متواليات ذو القعدة وذو الحجة والمحرم ورجب مضر الذي بين جماد‘ى وشعبان أي شهر هٰذا قلنا الله ورسوله“ أعلم فسكت حتٰى ظننا أنه“ سيسميه بغير اسمه„ قال أليس ذا الحجة قلنا بلٰى قال أي بلد هٰذا قلنا الله ورسوله“ أعلم فسكت حتٰى ظننا أنه“ سيسميه بغير اسمه„ قال أليس البلدة قلنا بلٰى قال فأي يوم هٰذا قلنا الله ورسوله“ أعلم فسكت حتٰى ظننا أنه“ سيسميه بغير اسمه„ قال أليس يوم النحر قلنا بلٰى قال فإن دماءكم وأموالكم قال محمد وأحسبه“ قال وأعراضكم عليكم حرام كحرمة يومكم هٰذا في بلدكم هٰذا في شهركم هٰذا وستلقون ربكم فيسألكم عن أعمالكم ألا فلا ترجعوا بعدي ضلالا يضرب بعضكم رقاب بعض ألا ليبلغ الشاهد الغائب فلعل بعض من يبلغه“ أن يكون أوعٰى له“ من بعض من سمعه“ وكان محمد إذا ذكره“ قال صدق النبي صلى الله عليه وسلم ثم قال ألا هل بلغت ألا هل بلغت.
সহিহ বুখারী > ঈদগাহে নহর ও কুরবানী করা।
সহিহ বুখারী ৫৫৫১
محمد بن أبي بكر المقدمي حدثنا خالد بن الحارث حدثنا عبيد الله عن نافع قال كان عبد الله ينحر في المنحر قال عبيد الله يعني منحر النبي صلى الله عليه وسلم.
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, 'আব্দুল্লাহ (রহঃ) কুরবানী করার জায়গায় কুরবানী করতেন। উবাইদুল্লাহ বলেনঃ অর্থাৎ নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কুরবানী করার জায়গায়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৪০)
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, 'আব্দুল্লাহ (রহঃ) কুরবানী করার জায়গায় কুরবানী করতেন। উবাইদুল্লাহ বলেনঃ অর্থাৎ নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কুরবানী করার জায়গায়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৪০)
محمد بن أبي بكر المقدمي حدثنا خالد بن الحارث حدثنا عبيد الله عن نافع قال كان عبد الله ينحر في المنحر قال عبيد الله يعني منحر النبي صلى الله عليه وسلم.
সহিহ বুখারী ৫৫৫২
يحيٰى بن بكير حدثنا الليث عن كثير بن فرقد عن نافع أن ابن عمر أخبره“ قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يذبح وينحر بالمصلى.
ইবনু 'উমর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঈদগাহে যবহ্ করতেন ও নহর করতেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৪১)
ইবনু 'উমর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঈদগাহে যবহ্ করতেন ও নহর করতেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৪১)
يحيٰى بن بكير حدثنا الليث عن كثير بن فرقد عن نافع أن ابن عمر أخبره“ قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يذبح وينحر بالمصلى.
সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর দুটি শিং বিশিষ্ট মেষ কুরবানী করা। যে দুটি মোটাতাজা ছিলো বলেও উল্লেখিত হয়েছে।
সহিহ বুখারী ৫৫৫৩
آدم بن أبي إياس حدثنا شعبة حدثنا عبد العزيز بن صهيب قال سمعت أنس بن مالك قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يضحي بكبشين وأنا أضحي بكبشين.
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু'টি মেষ দিয়ে কুরবানী আদায় করতেন। আমিও কুরবানী আদায় করতাম দু'টি মেষ দিয়ে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৪২)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু'টি মেষ দিয়ে কুরবানী আদায় করতেন। আমিও কুরবানী আদায় করতাম দু'টি মেষ দিয়ে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৪২)
آدم بن أبي إياس حدثنا شعبة حدثنا عبد العزيز بن صهيب قال سمعت أنس بن مالك قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يضحي بكبشين وأنا أضحي بكبشين.
সহিহ বুখারী ৫৫৫৪
قتيبة بن سعيد حدثنا عبد الوهاب حدثنا أيوب عن أبي قلابة عن أنس أن رسول الله صلى الله عليه وسلم انكفأ إلٰى كبشين أقرنين أملحين فذبحهما بيده„ تابعه“ وهيب عن أيوب وقال إسماعيل وحاتم بن وردان عن أيوب عن ابن سيرين عن أنس.
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু'টি সাদা কালো রং এর শিংওয়ালা ভেড়ার দিকে এগিয়ে গেলেন এবং নিজ হাত দিয়ে সে দু'টিকে যবহ্ করলেন। ইসমাঈল ও হাতিম ইবনু ওয়ারদান এ হাদীসটি আইউব, ইবনু সীরীন, আনাস (রাঃ) সূত্রে বর্ননা করেছেন। আইয়্যূব থেকেও এরকমই বর্ননা করেছেন।[৫৫৫৩; মুসলিম ৩৫/৩, হাঃ ১৯৬৬, আহমাদ ১২১৪৮] আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৪৩)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু'টি সাদা কালো রং এর শিংওয়ালা ভেড়ার দিকে এগিয়ে গেলেন এবং নিজ হাত দিয়ে সে দু'টিকে যবহ্ করলেন। ইসমাঈল ও হাতিম ইবনু ওয়ারদান এ হাদীসটি আইউব, ইবনু সীরীন, আনাস (রাঃ) সূত্রে বর্ননা করেছেন। আইয়্যূব থেকেও এরকমই বর্ননা করেছেন।[৫৫৫৩; মুসলিম ৩৫/৩, হাঃ ১৯৬৬, আহমাদ ১২১৪৮] আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৪৩)
قتيبة بن سعيد حدثنا عبد الوهاب حدثنا أيوب عن أبي قلابة عن أنس أن رسول الله صلى الله عليه وسلم انكفأ إلٰى كبشين أقرنين أملحين فذبحهما بيده„ تابعه“ وهيب عن أيوب وقال إسماعيل وحاتم بن وردان عن أيوب عن ابن سيرين عن أنس.
সহিহ বুখারী ৫৫৫৫
عمرو بن خالد حدثنا الليث عن يزيد عن أبي الخير عن عقبة بن عامر أن النبي صلى الله عليه وسلم أعطاه“ غنما يقسمها علٰى صحابته„ ضحايا فبقي عتود فذكره“ للنبيصلى الله عليه وسلم فقال ضح أنت به.
উকবাহ ইবনু আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নাবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর পশু হিসেবে সহাবীদের মধ্যে বন্টন করে দেয়ার জন্য তাকে এক পাল বকরী দান করেন। তাত্থেকে একটি বক্রীর বাচ্চা বাকী থেকে গেলে তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট তা ব্যক্ত করেন। নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তুমি নিজে তা কুরবানী করে দাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৪৪)
উকবাহ ইবনু আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নাবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর পশু হিসেবে সহাবীদের মধ্যে বন্টন করে দেয়ার জন্য তাকে এক পাল বকরী দান করেন। তাত্থেকে একটি বক্রীর বাচ্চা বাকী থেকে গেলে তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট তা ব্যক্ত করেন। নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তুমি নিজে তা কুরবানী করে দাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৪৪)
عمرو بن خالد حدثنا الليث عن يزيد عن أبي الخير عن عقبة بن عامر أن النبي صلى الله عليه وسلم أعطاه“ غنما يقسمها علٰى صحابته„ ضحايا فبقي عتود فذكره“ للنبيصلى الله عليه وسلم فقال ضح أنت به.