সহিহ বুখারী > নহর ও যবহ্‌ করা

সহিহ বুখারী ৫৫১০

خلاد بن يحيٰى حدثنا سفيان حدثنا هشام بن عروة قال أخبرتني فاطمة بنت المنذر امرأتي عن أسماء بنت أبي بكر قالت نحرنا علٰى عهد النبي صلى الله عليه وسلم فرسا فأكلناه.

আসমা বিন্‌ত আবূ বাক্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আমলে আমরা একটি ঘোড়া নহর করে সেটা খেয়েছি। [৫৫১১, ৫৫১২, ৫৫১৯; মুসলিম ৩৪/৬, হাঃ ১৯৪২, আহমাদ ২৬৯৮৫] আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০১)

আসমা বিন্‌ত আবূ বাক্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আমলে আমরা একটি ঘোড়া নহর করে সেটা খেয়েছি। [৫৫১১, ৫৫১২, ৫৫১৯; মুসলিম ৩৪/৬, হাঃ ১৯৪২, আহমাদ ২৬৯৮৫] আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০১)

خلاد بن يحيٰى حدثنا سفيان حدثنا هشام بن عروة قال أخبرتني فاطمة بنت المنذر امرأتي عن أسماء بنت أبي بكر قالت نحرنا علٰى عهد النبي صلى الله عليه وسلم فرسا فأكلناه.


সহিহ বুখারী ৫৫১১

إسحاق سمع عبدة عن هشام عن فاطمة عن أسماء قالت ذبحنا علٰى عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فرسا ونحن بالمدينة فأكلناه.

আসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আমলে আমরা একটি ঘোড়া যবহ্‌ করেছি। তখন আমরা মদীনায় থাকতাম। পরে আমরা সেটি খেয়েছি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০২)

আসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আমলে আমরা একটি ঘোড়া যবহ্‌ করেছি। তখন আমরা মদীনায় থাকতাম। পরে আমরা সেটি খেয়েছি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০২)

إسحاق سمع عبدة عن هشام عن فاطمة عن أسماء قالت ذبحنا علٰى عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فرسا ونحن بالمدينة فأكلناه.


সহিহ বুখারী ৫৫১২

قتيبة حدثنا جرير عن هشام عن فاطمة بنت المنذر أن أسماء بنت أبي بكر قالت نحرنا علٰى عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فرسا فأكلناه“ تابعه“ وكيع وابن عيينة عن هشام في النحر.

আসমা বিন্‌ত আবূ বাক্‌র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আমলে আমরা একটি ঘোড়া নহর করেছি। এরপর তা খেয়েছি। ‘নহর’ কথাটির বর্ণনা এ সঙ্গে হিশামের সূত্র দিয়ে ওয়াকী’ ও ইবনু ‘উয়াইনাহ এ রকমই বর্ণনা করেছেন। [৫৫১০; মুসলিম ৩৪/৬, হাঃ ১৯৪২, আহমাদ ২৬৯৮৫] আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০৩)

আসমা বিন্‌ত আবূ বাক্‌র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আমলে আমরা একটি ঘোড়া নহর করেছি। এরপর তা খেয়েছি। ‘নহর’ কথাটির বর্ণনা এ সঙ্গে হিশামের সূত্র দিয়ে ওয়াকী’ ও ইবনু ‘উয়াইনাহ এ রকমই বর্ণনা করেছেন। [৫৫১০; মুসলিম ৩৪/৬, হাঃ ১৯৪২, আহমাদ ২৬৯৮৫] আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০৩)

قتيبة حدثنا جرير عن هشام عن فاطمة بنت المنذر أن أسماء بنت أبي بكر قالت نحرنا علٰى عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فرسا فأكلناه“ تابعه“ وكيع وابن عيينة عن هشام في النحر.


সহিহ বুখারী > পশুর অঙ্গহানি করা, বেঁধে তীর দ্বারা হত্যা করা ও চাঁদমারি করা মাকরূহ।

সহিহ বুখারী ৫৫১৩

أبو الوليد حدثنا شعبة عن هشام بن زيد قال دخلت مع أنس على الحكم بن أيوب فرأٰى غلمانا أو فتيانا نصبوا دجاجة يرمونها فقال أنس نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم أن تصبر البهائم.

হিশাম ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আনাস (রাঃ)-এর সঙ্গে হাকাম ইবনু আইয়ূবের কাছে গেলাম। তখন আনাস (রাঃ) দেখলেন, কয়েকটি বালক কিংবা বর্ণনাকারী বলেছেন, কয়েকজন তরুণ একটি মুরগী বেঁধে তার দিকে তীর ছুঁড়ছে। আনাস (রাঃ) বললেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জীবজন্তুকে বেঁধে এভাবে তীর ছুঁড়তে নিষেধ করেছেন। [মুসলিম ৩৪/১২, হাঃ ১৯৫৬, আহমাদ ১২১৬২] আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০৪)

হিশাম ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আনাস (রাঃ)-এর সঙ্গে হাকাম ইবনু আইয়ূবের কাছে গেলাম। তখন আনাস (রাঃ) দেখলেন, কয়েকটি বালক কিংবা বর্ণনাকারী বলেছেন, কয়েকজন তরুণ একটি মুরগী বেঁধে তার দিকে তীর ছুঁড়ছে। আনাস (রাঃ) বললেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জীবজন্তুকে বেঁধে এভাবে তীর ছুঁড়তে নিষেধ করেছেন। [মুসলিম ৩৪/১২, হাঃ ১৯৫৬, আহমাদ ১২১৬২] আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০৪)

أبو الوليد حدثنا شعبة عن هشام بن زيد قال دخلت مع أنس على الحكم بن أيوب فرأٰى غلمانا أو فتيانا نصبوا دجاجة يرمونها فقال أنس نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم أن تصبر البهائم.


সহিহ বুখারী ৫৫১৫

أبو النعمان حدثنا أبو عوانة عن أبي بشر عن سعيد بن جبير قال كنت عند ابن عمر فمروا بفتية أو بنفر نصبوا دجاجة يرمونها فلما رأوا ابن عمر تفرقوا عنها وقال ابن عمر من فعل هٰذا إن النبي صلى الله عليه وسلم لعن من فعل هٰذا تابعه“ سليمان عن شعبة حدثنا المنهال عن سعيد عن ابن عمر لعن النبي صلى الله عليه وسلم من مثل بالحيوان وقال عدي عن سعيد عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم.

সা'ঈদ ইবনু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বললেনঃ আমি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর কাছে ছিলাম। এরপর আমরা একদল তরুণ কিংবা তিনি বলেছেন, একদল মানুষের কাছ দিয়ে যাবার সময় দেখলাম, তারা একটি মুরগী বেঁধে তার দিকে তীর ছুঁড়ছে। তারা যখন ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে দেখতে পেল, তখন তারা তা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেনঃ এ কাজ কে করেছে? এ কাজ যে করে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উপর অভিশাপ দিয়েছেন। শু‘বাহ (রহ.) থেকে সুলাইমান এ রকমই বর্ণনা করেছেন। মিনহাল ইবনু ‘উমার -এর সূত্রে বলেন, যে ব্যক্তি জীব-জন্তুর অঙ্গহানি করে তাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লা‘নাত করেছেন। আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০৬)

সা'ঈদ ইবনু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বললেনঃ আমি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর কাছে ছিলাম। এরপর আমরা একদল তরুণ কিংবা তিনি বলেছেন, একদল মানুষের কাছ দিয়ে যাবার সময় দেখলাম, তারা একটি মুরগী বেঁধে তার দিকে তীর ছুঁড়ছে। তারা যখন ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে দেখতে পেল, তখন তারা তা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেনঃ এ কাজ কে করেছে? এ কাজ যে করে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উপর অভিশাপ দিয়েছেন। শু‘বাহ (রহ.) থেকে সুলাইমান এ রকমই বর্ণনা করেছেন। মিনহাল ইবনু ‘উমার -এর সূত্রে বলেন, যে ব্যক্তি জীব-জন্তুর অঙ্গহানি করে তাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লা‘নাত করেছেন। আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০৬)

أبو النعمان حدثنا أبو عوانة عن أبي بشر عن سعيد بن جبير قال كنت عند ابن عمر فمروا بفتية أو بنفر نصبوا دجاجة يرمونها فلما رأوا ابن عمر تفرقوا عنها وقال ابن عمر من فعل هٰذا إن النبي صلى الله عليه وسلم لعن من فعل هٰذا تابعه“ سليمان عن شعبة حدثنا المنهال عن سعيد عن ابن عمر لعن النبي صلى الله عليه وسلم من مثل بالحيوان وقال عدي عن سعيد عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم.


সহিহ বুখারী ৫৫১৪

أحمد بن يعقوب أخبرنا إسحاق بن سعيد بن عمرو عن أبيه أنه“ سمعه“ يحدث عن ابن عمر أنه“ دخل علٰى يحيٰى بن سعيد وغلام من بني يحيٰى رابط دجاجة يرميها فمشٰى إليها ابن عمر حتٰى حلها ثم أقبل بها وبالغلام معه“ فقال ازجروا غلامكم عن أن يصبر هٰذا الطير للقتل فإني سمعت النبي صلى الله عليه وسلم نهٰى أن تصبر بهيمة أو غيرها للقتل.

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু সাঈদের কাছে গিয়েছিলেন। এ সময় ইয়াহ্‌ইয়া পরিবারের একটি বালক একটি মুরগীকে বেঁধে তার দিকে তীর ছুঁড়ছিল। ইবনু ‘উমার (রাঃ) মুরগীটির দিকে এগিয়ে গিয়ে সেটি মুক্ত করে দিলেন। তারপর মুরগী ও বালকটিকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে গিয়ে বললেন, হত্যার উদ্দেশ্যে এভাবে বেঁধে পাখি মারতে তোমরা তোমাদের বালকদের বাধা দিও। কেননা, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছিঃ তিনি হত্যার উদ্দেশ্যে জন্তু জানোয়ার বেঁধে তীর নিক্ষেপ করতে নিষেধ করেছেন।[মুসলিম ৩৪/১২, হাঃ ১৯৫৭, ১৯৫৮] আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০৫)

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু সাঈদের কাছে গিয়েছিলেন। এ সময় ইয়াহ্‌ইয়া পরিবারের একটি বালক একটি মুরগীকে বেঁধে তার দিকে তীর ছুঁড়ছিল। ইবনু ‘উমার (রাঃ) মুরগীটির দিকে এগিয়ে গিয়ে সেটি মুক্ত করে দিলেন। তারপর মুরগী ও বালকটিকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে গিয়ে বললেন, হত্যার উদ্দেশ্যে এভাবে বেঁধে পাখি মারতে তোমরা তোমাদের বালকদের বাধা দিও। কেননা, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছিঃ তিনি হত্যার উদ্দেশ্যে জন্তু জানোয়ার বেঁধে তীর নিক্ষেপ করতে নিষেধ করেছেন।[মুসলিম ৩৪/১২, হাঃ ১৯৫৭, ১৯৫৮] আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০৫)

أحمد بن يعقوب أخبرنا إسحاق بن سعيد بن عمرو عن أبيه أنه“ سمعه“ يحدث عن ابن عمر أنه“ دخل علٰى يحيٰى بن سعيد وغلام من بني يحيٰى رابط دجاجة يرميها فمشٰى إليها ابن عمر حتٰى حلها ثم أقبل بها وبالغلام معه“ فقال ازجروا غلامكم عن أن يصبر هٰذا الطير للقتل فإني سمعت النبي صلى الله عليه وسلم نهٰى أن تصبر بهيمة أو غيرها للقتل.


সহিহ বুখারী ৫৫১৬

حجاج بن منهال حدثنا شعبة قال أخبرني عدي بن ثابت قال سمعت عبد الله بن يزيد عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه“ نهٰى عن النهبة والمثلة.

'আব্দুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লুটতরাজ ও অঙ্গহানি করতে নিষেধ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০৭)

'আব্দুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লুটতরাজ ও অঙ্গহানি করতে নিষেধ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০৭)

حجاج بن منهال حدثنا شعبة قال أخبرني عدي بن ثابت قال سمعت عبد الله بن يزيد عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه“ نهٰى عن النهبة والمثلة.


সহিহ বুখারী > মুরগীর গোশ্‌ত

সহিহ বুখারী ৫৫১৭

يحيٰى حدثنا وكيع عن سفيان عن أيوب عن أبي قلابة عن زهدم الجرمي عن أبي موسٰى يعني الأشعري قال رأيت النبي صلى الله عليه وسلم يأكل دجاجا.

আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মুরগীর গোশ্‌ত খেতে দেখেছি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০৮)

আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মুরগীর গোশ্‌ত খেতে দেখেছি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০৮)

يحيٰى حدثنا وكيع عن سفيان عن أيوب عن أبي قلابة عن زهدم الجرمي عن أبي موسٰى يعني الأشعري قال رأيت النبي صلى الله عليه وسلم يأكل دجاجا.


সহিহ বুখারী ৫৫১৮

أبو معمر حدثنا عبد الوارث حدثنا أيوب بن أبي تميمة عن القاسم عن زهدم قال كنا عند أبي موسٰى الأشعري وكان بيننا وبين هٰذا الحي من جرم إخاء فأتي بطعام فيه لحم دجاج وفي القوم رجل جالس أحمر فلم يدن من طعامه„ قال ادن فقد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يأكل منه“ قال إني رأيته“ أكل شيئا فقذرته“ فحلفت أن لا آكله“ فقال ادن أخبرك أو أحدثك إني أتيت النبي صلى الله عليه وسلم في نفر من الأشعريين فوافقته“ وهو غضبان وهو يقسم نعما من نعم الصدقة فاستحملناه“ فحلف أن لا يحملنا قال ما عندي ما أحملكم عليه ثم أتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بنهب من إبل فقال أين الأشعريون أين الأشعريون قال فأعطانا خمس ذود غر الذر‘ى فلبثنا غير بعيد فقلت لأصحابي نسي رسول الله صلى الله عليه وسلم يمينه“ فوالله لئن تغفلنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يمينه“ لا نفلح أبدا فرجعنا إلى النبيصلى الله عليه وسلم فقلنا يا رسول الله إنا استحملناك فحلفت أن لا تحملنا فظننا أنك نسيت يمينك فقال إن الله هو حملكم إني والله إن شاء الله لا أحلف علٰى يمين فأر‘ى غيرها خيرا منها إلا أتيت الذي هو خير وتحللتها.

আবূ মা‘মার (রহঃ)... যাহদাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ)-এর কাছে ছিলাম। জারমের এ গোত্র ও আমাদের মাঝে ভ্রাতৃত্ব ছিল। আমাদের কাছে খাদ্য আনা হল। তাতে ছিল মোরগের গোশ্‌ত। দলের মধ্যে লাল রংয়ের এক ব্যক্তি বসা ছিল। সে খাবারের কাছে গেল না। আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) তখন বললেনঃ এগিয়ে এসো, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মোরগের গোশ্‌ত খেতে দেখেছি। সে বললঃ আমি এটিকে এমন কিছু খেতে দেখেছি, যে কারণে তা খেতে আমি অপছন্দ করি। তখন আমি কসম করেছি যে, আমি তা খাব না। তিনি বললেনঃ এগিয়ে এসো, আমি তোমাকে জানাব, কিংবা তিনি বললেন, আমি তোমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করব। আমি আশ‘আরীদের একদলসহ রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এলাম। এরপর আমি তাঁর সামনে এসে হাজির হই যখন তিনি ছিলেন ক্রোধান্বিত। তখন তিনি বন্টন করছিলেন সদাকাহ্‌র কিছু জানোয়ার। আমরা তাঁর কাছে সাওয়ারী চাইলাম। তখন তিনি কসম করে বললেনঃ আমাদের কোন সাওয়ারী দেবেন না এবং বললেনঃ তোমাদেরকে সাওয়ারীর জন্য দিতে পারি এমন কোন পশু আমার কাছে নেই। তারপর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গনীমতের কিছু উট আনা হল। তিনি বললেনঃ আশ‘আরীগণ কোথায়? আশ‘আরীগণ কোথায়? আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) বলেনঃ এরপর তিনি আমাদের সাদা চূড়ওয়ালা বলিষ্ঠ পাঁচটি উট দিলেন। আমরা কিছু দূরে গিয়ে অবস্থান করলাম। তখন আমি আমার সাথীদের বললামঃ রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কসমের কথা ভুলে গিয়েছিলেন। আল্লাহ্‌র কসম! যদি আমরা রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর কসমের ব্যাপারে গাফিল রাখি, তাহলে আমরা কোন দিন সফলকাম হব না। তাই আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ফিরে গেলাম। তাঁকে বললামঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমরা আপনার নিকট সাওয়ারী চেয়েছিলাম, তখন আপনি আমাদের সাওয়ারী দেবেন না বলে শপথ করেছিলেন। আমাদের মনে হয়, আপনি আপনার শপথের কথা ভুলে গেছেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ নিজেই তো আমাদের সাওয়ারীর জানোয়ার দিয়েছেন। আল্লাহ্‌র কসম, আমি যখন কোন বিষয়ে শপথ করি, এরপর শপথের বিপরীত কাজ অধিক কল্যাণকর মনে করি, তখন আমি কল্যাণকর কাজটিই করি এবং কাফ্‌ফারা দিয়ে হালাল হয়ে যাই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০৮)

আবূ মা‘মার (রহঃ)... যাহদাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ)-এর কাছে ছিলাম। জারমের এ গোত্র ও আমাদের মাঝে ভ্রাতৃত্ব ছিল। আমাদের কাছে খাদ্য আনা হল। তাতে ছিল মোরগের গোশ্‌ত। দলের মধ্যে লাল রংয়ের এক ব্যক্তি বসা ছিল। সে খাবারের কাছে গেল না। আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) তখন বললেনঃ এগিয়ে এসো, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মোরগের গোশ্‌ত খেতে দেখেছি। সে বললঃ আমি এটিকে এমন কিছু খেতে দেখেছি, যে কারণে তা খেতে আমি অপছন্দ করি। তখন আমি কসম করেছি যে, আমি তা খাব না। তিনি বললেনঃ এগিয়ে এসো, আমি তোমাকে জানাব, কিংবা তিনি বললেন, আমি তোমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করব। আমি আশ‘আরীদের একদলসহ রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এলাম। এরপর আমি তাঁর সামনে এসে হাজির হই যখন তিনি ছিলেন ক্রোধান্বিত। তখন তিনি বন্টন করছিলেন সদাকাহ্‌র কিছু জানোয়ার। আমরা তাঁর কাছে সাওয়ারী চাইলাম। তখন তিনি কসম করে বললেনঃ আমাদের কোন সাওয়ারী দেবেন না এবং বললেনঃ তোমাদেরকে সাওয়ারীর জন্য দিতে পারি এমন কোন পশু আমার কাছে নেই। তারপর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গনীমতের কিছু উট আনা হল। তিনি বললেনঃ আশ‘আরীগণ কোথায়? আশ‘আরীগণ কোথায়? আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) বলেনঃ এরপর তিনি আমাদের সাদা চূড়ওয়ালা বলিষ্ঠ পাঁচটি উট দিলেন। আমরা কিছু দূরে গিয়ে অবস্থান করলাম। তখন আমি আমার সাথীদের বললামঃ রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কসমের কথা ভুলে গিয়েছিলেন। আল্লাহ্‌র কসম! যদি আমরা রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর কসমের ব্যাপারে গাফিল রাখি, তাহলে আমরা কোন দিন সফলকাম হব না। তাই আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ফিরে গেলাম। তাঁকে বললামঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমরা আপনার নিকট সাওয়ারী চেয়েছিলাম, তখন আপনি আমাদের সাওয়ারী দেবেন না বলে শপথ করেছিলেন। আমাদের মনে হয়, আপনি আপনার শপথের কথা ভুলে গেছেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ নিজেই তো আমাদের সাওয়ারীর জানোয়ার দিয়েছেন। আল্লাহ্‌র কসম, আমি যখন কোন বিষয়ে শপথ করি, এরপর শপথের বিপরীত কাজ অধিক কল্যাণকর মনে করি, তখন আমি কল্যাণকর কাজটিই করি এবং কাফ্‌ফারা দিয়ে হালাল হয়ে যাই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০৮)

أبو معمر حدثنا عبد الوارث حدثنا أيوب بن أبي تميمة عن القاسم عن زهدم قال كنا عند أبي موسٰى الأشعري وكان بيننا وبين هٰذا الحي من جرم إخاء فأتي بطعام فيه لحم دجاج وفي القوم رجل جالس أحمر فلم يدن من طعامه„ قال ادن فقد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يأكل منه“ قال إني رأيته“ أكل شيئا فقذرته“ فحلفت أن لا آكله“ فقال ادن أخبرك أو أحدثك إني أتيت النبي صلى الله عليه وسلم في نفر من الأشعريين فوافقته“ وهو غضبان وهو يقسم نعما من نعم الصدقة فاستحملناه“ فحلف أن لا يحملنا قال ما عندي ما أحملكم عليه ثم أتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بنهب من إبل فقال أين الأشعريون أين الأشعريون قال فأعطانا خمس ذود غر الذر‘ى فلبثنا غير بعيد فقلت لأصحابي نسي رسول الله صلى الله عليه وسلم يمينه“ فوالله لئن تغفلنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يمينه“ لا نفلح أبدا فرجعنا إلى النبيصلى الله عليه وسلم فقلنا يا رسول الله إنا استحملناك فحلفت أن لا تحملنا فظننا أنك نسيت يمينك فقال إن الله هو حملكم إني والله إن شاء الله لا أحلف علٰى يمين فأر‘ى غيرها خيرا منها إلا أتيت الذي هو خير وتحللتها.


সহিহ বুখারী > ঘোড়ার গোশ্‌ত

সহিহ বুখারী ৫৫১৯

الحميدي حدثنا سفيان حدثنا هشام عن فاطمة عن أسماء قالت نحرنا فرسا علٰى عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فأكلناه.

আসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে আমরা একটি ঘোড়া নহর করলাম এবং সেটি খেলাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০৯)

আসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে আমরা একটি ঘোড়া নহর করলাম এবং সেটি খেলাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০৯)

الحميدي حدثنا سفيان حدثنا هشام عن فاطمة عن أسماء قالت نحرنا فرسا علٰى عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فأكلناه.


সহিহ বুখারী ৫৫২০

مسدد حدثنا حماد بن زيد عن عمرو بن دينار عن محمد بن علي عن جابر بن عبد الله قال نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم يوم خيبر عن لحوم الحمر ورخص في لحوم الخيل.

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ খাইবারের দিনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গাধার গোশ্‌ত খেতে নিষেধ করেছেন। আর ঘোড়ার গোশ্‌তের ব্যাপারে তিনি অনুমতি প্রদান করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০১০)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ খাইবারের দিনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গাধার গোশ্‌ত খেতে নিষেধ করেছেন। আর ঘোড়ার গোশ্‌তের ব্যাপারে তিনি অনুমতি প্রদান করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০১০)

مسدد حدثنا حماد بن زيد عن عمرو بن دينار عن محمد بن علي عن جابر بن عبد الله قال نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم يوم خيبر عن لحوم الحمر ورخص في لحوم الخيل.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00