সহিহ বুখারী > পশুর মুখে চিহ্ন লাগানো ও দাগানো

সহিহ বুখারী ৫৫৪১

عبيد الله بن موسٰى عن حنظلة عن سالم عن ابن عمر أنه“ كره أن تعلم الصورة وقال ابن عمر نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم أن تضرب تابعه“ قتيبة حدثنا العنقزي عن حنظلة وقال تضرب الصورة.

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি জানোয়ারের মুখে চিহ্ন লাগানোকে অপছন্দ করতেন। ইবনু ‘উমার আরো বলেছেনঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানোয়ারের মুখে মারতে নিষেধ করেছেন। আনকাযী (রহ.) হানযালী সূত্রে কুতাইবাহ (রহ.) এরকমই বর্ণনা করেন। তিনি বলনঃ تُضْرَبُ الصُّورَةُ অর্থাৎ চেহারায় মারতে নিষেধ করেছেন। আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৩০)

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি জানোয়ারের মুখে চিহ্ন লাগানোকে অপছন্দ করতেন। ইবনু ‘উমার আরো বলেছেনঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানোয়ারের মুখে মারতে নিষেধ করেছেন। আনকাযী (রহ.) হানযালী সূত্রে কুতাইবাহ (রহ.) এরকমই বর্ণনা করেন। তিনি বলনঃ تُضْرَبُ الصُّورَةُ অর্থাৎ চেহারায় মারতে নিষেধ করেছেন। আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৩০)

عبيد الله بن موسٰى عن حنظلة عن سالم عن ابن عمر أنه“ كره أن تعلم الصورة وقال ابن عمر نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم أن تضرب تابعه“ قتيبة حدثنا العنقزي عن حنظلة وقال تضرب الصورة.


সহিহ বুখারী ৫৫৪২

أبو الوليد حدثنا شعبة عن هشام بن زيد عن أنس قال دخلت على النبي صلى الله عليه وسلم بأخ لي يحنكه“ وهو في مربد له“ فرأيته“ يسم شاة حسبته“ قال في آذانها.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন আমি আমার এক ভাইকে নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গেলাম, যেন তিনি তাকে তাহনীক করেন অর্থাৎ খেজুর বা অন্য কিছু চিবিয়ে তার মুখে দেন। এ সময়ে তিনি তাঁর ঊট বাঁধার জায়গায় ছিলেন। তখন আমি তাঁকে দেখলাম তিনি একটি বক্‌রীর গায়ে চিহ্ন লাগাচ্ছেন। বর্ননাকারী বলেন, আমার মনে হয় তিনি (হিশাম) বলেছেনঃ ‘বক্‌রীর কানে চিহ্ন লাগাচ্ছেন’।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৩১)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন আমি আমার এক ভাইকে নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গেলাম, যেন তিনি তাকে তাহনীক করেন অর্থাৎ খেজুর বা অন্য কিছু চিবিয়ে তার মুখে দেন। এ সময়ে তিনি তাঁর ঊট বাঁধার জায়গায় ছিলেন। তখন আমি তাঁকে দেখলাম তিনি একটি বক্‌রীর গায়ে চিহ্ন লাগাচ্ছেন। বর্ননাকারী বলেন, আমার মনে হয় তিনি (হিশাম) বলেছেনঃ ‘বক্‌রীর কানে চিহ্ন লাগাচ্ছেন’।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৩১)

أبو الوليد حدثنا شعبة عن هشام بن زيد عن أنس قال دخلت على النبي صلى الله عليه وسلم بأخ لي يحنكه“ وهو في مربد له“ فرأيته“ يسم شاة حسبته“ قال في آذانها.


সহিহ বুখারী > কোন দল মালে গনিমত লাভ করার পর যদি তাদের কেউ সাথীদের অনুমতি ব্যাতীত কোন বক্‌রী কিংবা উট যবহ্‌ করে ফেলে, তাহলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত রাফি’ (রাঃ) এর হাদীস অনুসারে সেই ‎গোশ্‌ত খাওয়া যাবে না।

সহিহ বুখারী ৫৫৪৩

مسدد حدثنا أبو الأحوص حدثنا سعيد بن مسروق عن عباية بن رفاعة عن أبيه عن جده„ رافع بن خديج قال قلت للنبي صلى الله عليه وسلم إننا نلقى العدو غدا وليس معنا مدى فقال ما أنهر الدم وذكر اسم الله فكلوه“ ما لم يكن سن ولا ظفر وسأحدثكم عن ذ‘لك أما السن فعظم وأما الظفر فمدى الحبشة وتقدم سرعان الناس فأصابوا من الغنائم والنبي صلى الله عليه وسلم في آخر الناس فنصبوا قدورا فأمر بها فأكفئت وقسم بينهم وعدل بعيرا بعشر شياه ثم ند بعير من أوائل القوم ولم يكن معهم خيل فرماه“ رجل بسهم فحبسه الله فقال إن لهٰذه البهائم أوابد كأوابد الوحش فما فعل منها هٰذا فافعلوا مثل هذا.

রাফি’ ইবনু খাদিজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বললেন আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বললাম। আগামী দিন আমরা শত্রুর সম্মুখিন হব অথচ আমাদের সাথে কোন ছুরি নেই। তিনি বললেনঃ সতর্ক দৃষ্টি রাখ অথবা তিনি বলেছেন, জলদি কর। যে জিনিস রক্ত প্রবাহিত করে এবং যাতে আল্লাহ্‌র নাম নেয়া হয়, সেটি খাও। যতক্ষন না সেটি দাঁত কিংবা নখ হয়। এ ব্যাপারে তোমাদের জানাচ্ছি, দাঁত হল হাড়, আর নখ হল হাবশীদের ছুরি। দলের দ্রুতগতি লোকেরা আগে বেড়ে গেল এবং গনীমতের মালামাল লাভ করল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ছিলেন তাদের পিছনে। তারা ডেকচি চড়িয়ে দিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে তা উল্টে দেয়ার আদেশ দিলেন, অতঃপর সেগুলো উল্টে দেয়া হল। এরপর তিনি তাদের মধ্যে মালে গনীমত বন্টন করলেন এবং দশটি বক্‌রীকে একটি উটের সমান গন্য করলেন। দলের অগ্রভাগের নিকট থেকে একটি উট ছুটে গিয়েছিল। অথচ তাদের সঙ্গে কোন অশ্বারোহী ছিল না। এ অবস্থায় এক ব্যক্তি উটটির দিকে তীর ছুঁড়লে আল্লাহ উটটিকে থামিয়ে দিলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ সকল চতুষ্পদ জীবের মধ্যে বন্য পশুর স্বভাব আছে। কাজেই, এগুলোর কোনটি যদি এমন করে, তাহলে তার সঙ্গে এরকমই ব্যাবহার করবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৩২)

রাফি’ ইবনু খাদিজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বললেন আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বললাম। আগামী দিন আমরা শত্রুর সম্মুখিন হব অথচ আমাদের সাথে কোন ছুরি নেই। তিনি বললেনঃ সতর্ক দৃষ্টি রাখ অথবা তিনি বলেছেন, জলদি কর। যে জিনিস রক্ত প্রবাহিত করে এবং যাতে আল্লাহ্‌র নাম নেয়া হয়, সেটি খাও। যতক্ষন না সেটি দাঁত কিংবা নখ হয়। এ ব্যাপারে তোমাদের জানাচ্ছি, দাঁত হল হাড়, আর নখ হল হাবশীদের ছুরি। দলের দ্রুতগতি লোকেরা আগে বেড়ে গেল এবং গনীমতের মালামাল লাভ করল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ছিলেন তাদের পিছনে। তারা ডেকচি চড়িয়ে দিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে তা উল্টে দেয়ার আদেশ দিলেন, অতঃপর সেগুলো উল্টে দেয়া হল। এরপর তিনি তাদের মধ্যে মালে গনীমত বন্টন করলেন এবং দশটি বক্‌রীকে একটি উটের সমান গন্য করলেন। দলের অগ্রভাগের নিকট থেকে একটি উট ছুটে গিয়েছিল। অথচ তাদের সঙ্গে কোন অশ্বারোহী ছিল না। এ অবস্থায় এক ব্যক্তি উটটির দিকে তীর ছুঁড়লে আল্লাহ উটটিকে থামিয়ে দিলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ সকল চতুষ্পদ জীবের মধ্যে বন্য পশুর স্বভাব আছে। কাজেই, এগুলোর কোনটি যদি এমন করে, তাহলে তার সঙ্গে এরকমই ব্যাবহার করবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৩২)

مسدد حدثنا أبو الأحوص حدثنا سعيد بن مسروق عن عباية بن رفاعة عن أبيه عن جده„ رافع بن خديج قال قلت للنبي صلى الله عليه وسلم إننا نلقى العدو غدا وليس معنا مدى فقال ما أنهر الدم وذكر اسم الله فكلوه“ ما لم يكن سن ولا ظفر وسأحدثكم عن ذ‘لك أما السن فعظم وأما الظفر فمدى الحبشة وتقدم سرعان الناس فأصابوا من الغنائم والنبي صلى الله عليه وسلم في آخر الناس فنصبوا قدورا فأمر بها فأكفئت وقسم بينهم وعدل بعيرا بعشر شياه ثم ند بعير من أوائل القوم ولم يكن معهم خيل فرماه“ رجل بسهم فحبسه الله فقال إن لهٰذه البهائم أوابد كأوابد الوحش فما فعل منها هٰذا فافعلوا مثل هذا.


সহিহ বুখারী > কোন দলের উট ছুটে গেলে তাদের কেউ যদি সেটিকে তাদের উপকারের নিয়্যাতে তীর ছুঁড়ে মারে এবং হত্যা করে, তাহলে রাফি’ (রাঃ) থেকে বর্ণিত নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর হাদীস অনুযায়ী তা জায়েজ

সহিহ বুখারী ৫৫৪৪

محمد بن سلام أخبرنا عمر بن عبيد الطنافسي عن سعيد بن مسروق عن عباية بن رفاعة عن جده„ رافع بن خديج قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر فند بعير من الإبل قال فرماه“ رجل بسهم فحبسه“ قال ثم قال إن لها أوابد كأوابد الوحش فما غلبكم منها فاصنعوا به„ هٰكذا قال قلت يا رسول الله إنا نكون في المغازي والأسفار فنريد أن نذبح فلا تكون مدى قال أرن ما نهر أو أنهر الدم وذكر اسم الله فكل غير السن والظفر فإن السن عظم والظفر مدى الحبشة.

রাফী’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক সফরে আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম। তখন উটগুলোর মধ্য থেকে একটি উট পালিয়ে যায়। তিনি বলেন, তখন এক ব্যক্তি সেটির দিকে তীর ছুঁড়লে আল্লাহ সেটিকে থামিয়ে দেন। তিনি বলেন, এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ সব পশুর মধ্যে বন্য পশুর স্বভাব আছে। সুতরাং তার মধ্যে কোনটি তোমাদের উপর বেয়াড়া হয়ে উঠলে তার সঙ্গে সেরকমই ব্যাবহার কর। তিনি বলেন, আমি বললামঃ হে আল্লাহ্‌র রসুল! আমরা অনেক সময় যুদ্ধ অভিযানে বা সফরে থাকি, যবহ্‌ করতে ইচ্ছে করি কিন্তু ছুরি থাকে না। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আঘাত করো এমন বস্তু দিয়ে যা রক্ত ঝরায় অথবা তিনি বলেছেনঃ এমন বস্তু দিয়ে যা রক্ত ঝরায় এবং যার উপরে আল্লাহ্‌র নাম নেয়া হয়েছে সেটি খাও, তবে দাঁত ও নখ বাদে। কারন দাঁত হল হাড়, আর নখ হল হাবশীদের ছুরি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৩৩)

রাফী’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক সফরে আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম। তখন উটগুলোর মধ্য থেকে একটি উট পালিয়ে যায়। তিনি বলেন, তখন এক ব্যক্তি সেটির দিকে তীর ছুঁড়লে আল্লাহ সেটিকে থামিয়ে দেন। তিনি বলেন, এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ সব পশুর মধ্যে বন্য পশুর স্বভাব আছে। সুতরাং তার মধ্যে কোনটি তোমাদের উপর বেয়াড়া হয়ে উঠলে তার সঙ্গে সেরকমই ব্যাবহার কর। তিনি বলেন, আমি বললামঃ হে আল্লাহ্‌র রসুল! আমরা অনেক সময় যুদ্ধ অভিযানে বা সফরে থাকি, যবহ্‌ করতে ইচ্ছে করি কিন্তু ছুরি থাকে না। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আঘাত করো এমন বস্তু দিয়ে যা রক্ত ঝরায় অথবা তিনি বলেছেনঃ এমন বস্তু দিয়ে যা রক্ত ঝরায় এবং যার উপরে আল্লাহ্‌র নাম নেয়া হয়েছে সেটি খাও, তবে দাঁত ও নখ বাদে। কারন দাঁত হল হাড়, আর নখ হল হাবশীদের ছুরি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৩৩)

محمد بن سلام أخبرنا عمر بن عبيد الطنافسي عن سعيد بن مسروق عن عباية بن رفاعة عن جده„ رافع بن خديج قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر فند بعير من الإبل قال فرماه“ رجل بسهم فحبسه“ قال ثم قال إن لها أوابد كأوابد الوحش فما غلبكم منها فاصنعوا به„ هٰكذا قال قلت يا رسول الله إنا نكون في المغازي والأسفار فنريد أن نذبح فلا تكون مدى قال أرن ما نهر أو أنهر الدم وذكر اسم الله فكل غير السن والظفر فإن السن عظم والظفر مدى الحبشة.


সহিহ বুখারী > নিরুপায় ব্যক্তির খাওয়া

এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00