সহিহ বুখারী > মুরগীর গোশ্ত
সহিহ বুখারী ৫৫১৭
يحيٰى حدثنا وكيع عن سفيان عن أيوب عن أبي قلابة عن زهدم الجرمي عن أبي موسٰى يعني الأشعري قال رأيت النبي صلى الله عليه وسلم يأكل دجاجا.
আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মুরগীর গোশ্ত খেতে দেখেছি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০৮)
আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মুরগীর গোশ্ত খেতে দেখেছি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০৮)
يحيٰى حدثنا وكيع عن سفيان عن أيوب عن أبي قلابة عن زهدم الجرمي عن أبي موسٰى يعني الأشعري قال رأيت النبي صلى الله عليه وسلم يأكل دجاجا.
সহিহ বুখারী ৫৫১৮
أبو معمر حدثنا عبد الوارث حدثنا أيوب بن أبي تميمة عن القاسم عن زهدم قال كنا عند أبي موسٰى الأشعري وكان بيننا وبين هٰذا الحي من جرم إخاء فأتي بطعام فيه لحم دجاج وفي القوم رجل جالس أحمر فلم يدن من طعامه„ قال ادن فقد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يأكل منه“ قال إني رأيته“ أكل شيئا فقذرته“ فحلفت أن لا آكله“ فقال ادن أخبرك أو أحدثك إني أتيت النبي صلى الله عليه وسلم في نفر من الأشعريين فوافقته“ وهو غضبان وهو يقسم نعما من نعم الصدقة فاستحملناه“ فحلف أن لا يحملنا قال ما عندي ما أحملكم عليه ثم أتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بنهب من إبل فقال أين الأشعريون أين الأشعريون قال فأعطانا خمس ذود غر الذر‘ى فلبثنا غير بعيد فقلت لأصحابي نسي رسول الله صلى الله عليه وسلم يمينه“ فوالله لئن تغفلنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يمينه“ لا نفلح أبدا فرجعنا إلى النبيصلى الله عليه وسلم فقلنا يا رسول الله إنا استحملناك فحلفت أن لا تحملنا فظننا أنك نسيت يمينك فقال إن الله هو حملكم إني والله إن شاء الله لا أحلف علٰى يمين فأر‘ى غيرها خيرا منها إلا أتيت الذي هو خير وتحللتها.
আবূ মা‘মার (রহঃ)... যাহদাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ)-এর কাছে ছিলাম। জারমের এ গোত্র ও আমাদের মাঝে ভ্রাতৃত্ব ছিল। আমাদের কাছে খাদ্য আনা হল। তাতে ছিল মোরগের গোশ্ত। দলের মধ্যে লাল রংয়ের এক ব্যক্তি বসা ছিল। সে খাবারের কাছে গেল না। আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) তখন বললেনঃ এগিয়ে এসো, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মোরগের গোশ্ত খেতে দেখেছি। সে বললঃ আমি এটিকে এমন কিছু খেতে দেখেছি, যে কারণে তা খেতে আমি অপছন্দ করি। তখন আমি কসম করেছি যে, আমি তা খাব না। তিনি বললেনঃ এগিয়ে এসো, আমি তোমাকে জানাব, কিংবা তিনি বললেন, আমি তোমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করব। আমি আশ‘আরীদের একদলসহ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এলাম। এরপর আমি তাঁর সামনে এসে হাজির হই যখন তিনি ছিলেন ক্রোধান্বিত। তখন তিনি বন্টন করছিলেন সদাকাহ্র কিছু জানোয়ার। আমরা তাঁর কাছে সাওয়ারী চাইলাম। তখন তিনি কসম করে বললেনঃ আমাদের কোন সাওয়ারী দেবেন না এবং বললেনঃ তোমাদেরকে সাওয়ারীর জন্য দিতে পারি এমন কোন পশু আমার কাছে নেই। তারপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গনীমতের কিছু উট আনা হল। তিনি বললেনঃ আশ‘আরীগণ কোথায়? আশ‘আরীগণ কোথায়? আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) বলেনঃ এরপর তিনি আমাদের সাদা চূড়ওয়ালা বলিষ্ঠ পাঁচটি উট দিলেন। আমরা কিছু দূরে গিয়ে অবস্থান করলাম। তখন আমি আমার সাথীদের বললামঃ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কসমের কথা ভুলে গিয়েছিলেন। আল্লাহ্র কসম! যদি আমরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর কসমের ব্যাপারে গাফিল রাখি, তাহলে আমরা কোন দিন সফলকাম হব না। তাই আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ফিরে গেলাম। তাঁকে বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আমরা আপনার নিকট সাওয়ারী চেয়েছিলাম, তখন আপনি আমাদের সাওয়ারী দেবেন না বলে শপথ করেছিলেন। আমাদের মনে হয়, আপনি আপনার শপথের কথা ভুলে গেছেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ নিজেই তো আমাদের সাওয়ারীর জানোয়ার দিয়েছেন। আল্লাহ্র কসম, আমি যখন কোন বিষয়ে শপথ করি, এরপর শপথের বিপরীত কাজ অধিক কল্যাণকর মনে করি, তখন আমি কল্যাণকর কাজটিই করি এবং কাফ্ফারা দিয়ে হালাল হয়ে যাই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০৮)
আবূ মা‘মার (রহঃ)... যাহদাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ)-এর কাছে ছিলাম। জারমের এ গোত্র ও আমাদের মাঝে ভ্রাতৃত্ব ছিল। আমাদের কাছে খাদ্য আনা হল। তাতে ছিল মোরগের গোশ্ত। দলের মধ্যে লাল রংয়ের এক ব্যক্তি বসা ছিল। সে খাবারের কাছে গেল না। আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) তখন বললেনঃ এগিয়ে এসো, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মোরগের গোশ্ত খেতে দেখেছি। সে বললঃ আমি এটিকে এমন কিছু খেতে দেখেছি, যে কারণে তা খেতে আমি অপছন্দ করি। তখন আমি কসম করেছি যে, আমি তা খাব না। তিনি বললেনঃ এগিয়ে এসো, আমি তোমাকে জানাব, কিংবা তিনি বললেন, আমি তোমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করব। আমি আশ‘আরীদের একদলসহ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এলাম। এরপর আমি তাঁর সামনে এসে হাজির হই যখন তিনি ছিলেন ক্রোধান্বিত। তখন তিনি বন্টন করছিলেন সদাকাহ্র কিছু জানোয়ার। আমরা তাঁর কাছে সাওয়ারী চাইলাম। তখন তিনি কসম করে বললেনঃ আমাদের কোন সাওয়ারী দেবেন না এবং বললেনঃ তোমাদেরকে সাওয়ারীর জন্য দিতে পারি এমন কোন পশু আমার কাছে নেই। তারপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গনীমতের কিছু উট আনা হল। তিনি বললেনঃ আশ‘আরীগণ কোথায়? আশ‘আরীগণ কোথায়? আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) বলেনঃ এরপর তিনি আমাদের সাদা চূড়ওয়ালা বলিষ্ঠ পাঁচটি উট দিলেন। আমরা কিছু দূরে গিয়ে অবস্থান করলাম। তখন আমি আমার সাথীদের বললামঃ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কসমের কথা ভুলে গিয়েছিলেন। আল্লাহ্র কসম! যদি আমরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর কসমের ব্যাপারে গাফিল রাখি, তাহলে আমরা কোন দিন সফলকাম হব না। তাই আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ফিরে গেলাম। তাঁকে বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আমরা আপনার নিকট সাওয়ারী চেয়েছিলাম, তখন আপনি আমাদের সাওয়ারী দেবেন না বলে শপথ করেছিলেন। আমাদের মনে হয়, আপনি আপনার শপথের কথা ভুলে গেছেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ নিজেই তো আমাদের সাওয়ারীর জানোয়ার দিয়েছেন। আল্লাহ্র কসম, আমি যখন কোন বিষয়ে শপথ করি, এরপর শপথের বিপরীত কাজ অধিক কল্যাণকর মনে করি, তখন আমি কল্যাণকর কাজটিই করি এবং কাফ্ফারা দিয়ে হালাল হয়ে যাই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০৮)
أبو معمر حدثنا عبد الوارث حدثنا أيوب بن أبي تميمة عن القاسم عن زهدم قال كنا عند أبي موسٰى الأشعري وكان بيننا وبين هٰذا الحي من جرم إخاء فأتي بطعام فيه لحم دجاج وفي القوم رجل جالس أحمر فلم يدن من طعامه„ قال ادن فقد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يأكل منه“ قال إني رأيته“ أكل شيئا فقذرته“ فحلفت أن لا آكله“ فقال ادن أخبرك أو أحدثك إني أتيت النبي صلى الله عليه وسلم في نفر من الأشعريين فوافقته“ وهو غضبان وهو يقسم نعما من نعم الصدقة فاستحملناه“ فحلف أن لا يحملنا قال ما عندي ما أحملكم عليه ثم أتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بنهب من إبل فقال أين الأشعريون أين الأشعريون قال فأعطانا خمس ذود غر الذر‘ى فلبثنا غير بعيد فقلت لأصحابي نسي رسول الله صلى الله عليه وسلم يمينه“ فوالله لئن تغفلنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يمينه“ لا نفلح أبدا فرجعنا إلى النبيصلى الله عليه وسلم فقلنا يا رسول الله إنا استحملناك فحلفت أن لا تحملنا فظننا أنك نسيت يمينك فقال إن الله هو حملكم إني والله إن شاء الله لا أحلف علٰى يمين فأر‘ى غيرها خيرا منها إلا أتيت الذي هو خير وتحللتها.
সহিহ বুখারী > ঘোড়ার গোশ্ত
সহিহ বুখারী ৫৫১৯
الحميدي حدثنا سفيان حدثنا هشام عن فاطمة عن أسماء قالت نحرنا فرسا علٰى عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فأكلناه.
আসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে আমরা একটি ঘোড়া নহর করলাম এবং সেটি খেলাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০৯)
আসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে আমরা একটি ঘোড়া নহর করলাম এবং সেটি খেলাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০০৯)
الحميدي حدثنا سفيان حدثنا هشام عن فاطمة عن أسماء قالت نحرنا فرسا علٰى عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فأكلناه.
সহিহ বুখারী ৫৫২০
مسدد حدثنا حماد بن زيد عن عمرو بن دينار عن محمد بن علي عن جابر بن عبد الله قال نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم يوم خيبر عن لحوم الحمر ورخص في لحوم الخيل.
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ খাইবারের দিনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গাধার গোশ্ত খেতে নিষেধ করেছেন। আর ঘোড়ার গোশ্তের ব্যাপারে তিনি অনুমতি প্রদান করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০১০)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ খাইবারের দিনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গাধার গোশ্ত খেতে নিষেধ করেছেন। আর ঘোড়ার গোশ্তের ব্যাপারে তিনি অনুমতি প্রদান করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০১০)
مسدد حدثنا حماد بن زيد عن عمرو بن دينار عن محمد بن علي عن جابر بن عبد الله قال نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم يوم خيبر عن لحوم الحمر ورخص في لحوم الخيل.
সহিহ বুখারী > গৃহপালিত গাধার গোশ্ত
সহিহ বুখারী ৫৫২১
صدقة أخبرنا عبدة عن عبيد الله عن سالم ونافع عن ابن عمر نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم عن لحوم الحمر الأهلية يوم خيبر
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
খাইবারের দিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গৃহপালিত গাধার গোশ্ত খেতে নিষেধ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০১১)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
খাইবারের দিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গৃহপালিত গাধার গোশ্ত খেতে নিষেধ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০১১)
صدقة أخبرنا عبدة عن عبيد الله عن سالم ونافع عن ابن عمر نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم عن لحوم الحمر الأهلية يوم خيبر
সহিহ বুখারী ৫৫২৩
حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن ابن شهاب، عن عبد الله، والحسن، ابنى محمد بن علي عن أبيهما، عن علي ـ رضى الله عنهم ـ قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن المتعة عام خيبر ولحوم حمر الإنسية.
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, খাইবারের বছর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুত্‘আ (স্বল্পকালীন বিয়ে) থেকে এবং গৃহপালিত গাধার গোশ্ত খেতে নিষেধ করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০১৩)
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, খাইবারের বছর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুত্‘আ (স্বল্পকালীন বিয়ে) থেকে এবং গৃহপালিত গাধার গোশ্ত খেতে নিষেধ করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০১৩)
حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن ابن شهاب، عن عبد الله، والحسن، ابنى محمد بن علي عن أبيهما، عن علي ـ رضى الله عنهم ـ قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن المتعة عام خيبر ولحوم حمر الإنسية.
সহিহ বুখারী ৫৫২৪
سليمان بن حرب حدثنا حماد عن عمرو عن محمد بن علي عن جابر بن عبد الله قال نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم يوم خيبر عن لحوم الحمر ورخص في لحوم الخيل.
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ খাইবারের দিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গাধার গোশ্ত খেতে নিষেধ করেছেন। তবে ঘোড়ার গোশ্ত খেতে অনুমতি প্রদান করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০১৪)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ খাইবারের দিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গাধার গোশ্ত খেতে নিষেধ করেছেন। তবে ঘোড়ার গোশ্ত খেতে অনুমতি প্রদান করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০১৪)
سليمان بن حرب حدثنا حماد عن عمرو عن محمد بن علي عن جابر بن عبد الله قال نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم يوم خيبر عن لحوم الحمر ورخص في لحوم الخيل.
সহিহ বুখারী ৫৫২৫
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن شعبة، قال حدثني عدي، عن البراء، وابن أبي أوفى، رضى الله عنهم قالا نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن لحوم الحمر.
বারাআ ও ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁরা বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গাধার গোশ্ত খেতে নিষেধ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০১৫)
বারাআ ও ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁরা বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গাধার গোশ্ত খেতে নিষেধ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০১৫)
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن شعبة، قال حدثني عدي، عن البراء، وابن أبي أوفى، رضى الله عنهم قالا نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن لحوم الحمر.
সহিহ বুখারী ৫৫২২
مسدد حدثنا يحيٰى عن عبيد الله حدثني نافع عن عبد الله قال نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم عن لحوم الحمر الأهلية تابعه ابن المبارك عن عبيد الله عن نافع وقال أبو أسامة عن عبيد الله عن سالم.
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গৃহপালিত গাধার গোশ্ত খেতে নিষেধ করেছেন। ইবনু মুবারক, উবাইদুল্লাহ (রহঃ) সূত্রে নাফি’ থেকে এ রকমই বর্ণনা করেছেন। ‘উবাইদুল্লাহ্ সালিম সূত্রে আবূ উসামাহ (রহঃ) এ রকমই বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০১২)
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গৃহপালিত গাধার গোশ্ত খেতে নিষেধ করেছেন। ইবনু মুবারক, উবাইদুল্লাহ (রহঃ) সূত্রে নাফি’ থেকে এ রকমই বর্ণনা করেছেন। ‘উবাইদুল্লাহ্ সালিম সূত্রে আবূ উসামাহ (রহঃ) এ রকমই বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০১২)
مسدد حدثنا يحيٰى عن عبيد الله حدثني نافع عن عبد الله قال نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم عن لحوم الحمر الأهلية تابعه ابن المبارك عن عبيد الله عن نافع وقال أبو أسامة عن عبيد الله عن سالم.
সহিহ বুখারী ৫৫২৬
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن شعبة، قال حدثني عدي، عن البراء، وابن أبي أوفى، رضى الله عنهم قالا نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن لحوم الحمر.
বারাআ ও ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁরা বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গাধার গোশ্ত খেতে নিষেধ করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০১৫)
বারাআ ও ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁরা বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গাধার গোশ্ত খেতে নিষেধ করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০১৫)
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن شعبة، قال حدثني عدي، عن البراء، وابن أبي أوفى، رضى الله عنهم قالا نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن لحوم الحمر.
সহিহ বুখারী ৫৫২৭
إسحاق أخبرنا يعقوب بن إبراهيم حدثنا أبي عن صالح عن ابن شهاب أن أبا إدريس أخبره“ أن أبا ثعلبة قال حرم رسول الله صلى الله عليه وسلم لحوم الحمر الأهلية تابعه الزبيدي وعقيل عن ابن شهاب وقال مالك ومعمر والماجشون ويونس وابن إسحاق عن الزهري نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم عن كل ذي ناب من السباع.
আবূ সা’লাবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গৃহপালিত গাধার গোশ্ত খাওয়া হারাম করেছেন। ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে যুবাইদী ও উকাইল এ রকমই বর্ণনা করেছেন। যুহরীর বরাত দিয়ে মালিক, মা’মার, মাজিশুন, ইউনুস ও ইবনু ইসহাক বলেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁতওয়ালা যাবতীয় হিংস্র জন্তু খেতে নিষেধ করেছেন।[মুসলিম ৩৪/৫, হাঃ ১৯৩২, আহমাদ] আধুনিক প্রকাশনী- ৫১২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০১৬)
আবূ সা’লাবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গৃহপালিত গাধার গোশ্ত খাওয়া হারাম করেছেন। ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে যুবাইদী ও উকাইল এ রকমই বর্ণনা করেছেন। যুহরীর বরাত দিয়ে মালিক, মা’মার, মাজিশুন, ইউনুস ও ইবনু ইসহাক বলেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁতওয়ালা যাবতীয় হিংস্র জন্তু খেতে নিষেধ করেছেন।[মুসলিম ৩৪/৫, হাঃ ১৯৩২, আহমাদ] আধুনিক প্রকাশনী- ৫১২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০১৬)
إسحاق أخبرنا يعقوب بن إبراهيم حدثنا أبي عن صالح عن ابن شهاب أن أبا إدريس أخبره“ أن أبا ثعلبة قال حرم رسول الله صلى الله عليه وسلم لحوم الحمر الأهلية تابعه الزبيدي وعقيل عن ابن شهاب وقال مالك ومعمر والماجشون ويونس وابن إسحاق عن الزهري نهٰى النبي صلى الله عليه وسلم عن كل ذي ناب من السباع.
সহিহ বুখারী ৫৫২৮
محمد بن سلام أخبرنا عبد الوهاب الثقفي عن أيوب عن محمد عن أنس بن مالك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم جاءه“ جاء فقال أكلت الحمر ثم جاءه“ جاء فقال أكلت الحمر ثم جاءه“ جاء فقال أفنيت الحمر فأمر مناديا فناد‘ى في الناس إن الله ورسوله“ ينهيانكم عن لحوم الحمر الأهلية فإنها رجس فأكفئت القدور وإنها لتفور باللحم.
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এক আগন্তুক এসে বললঃ গাধাগুলো খেয়ে ফেলা হচ্ছে। তারপর আরেক আগন্তুক এসে বললঃ গাধাগুলো খেয়ে ফেলা হচ্ছে। তারপর আরেক আগন্তুক এসে বললঃ গাধাগুলোকে শেষ করা হচ্ছে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোষণাকারীকে ঘোষণার আদেশ দিলেন। সে লোকজনের মধ্যে ঘোষণা দিলঃ আল্লাহ ও তাঁর রসূল তোমাদেরকে গৃহপালিত গাধার গোশ্ত খেতে নিষেধ করেছেন। কেননা, এগুলো ঘৃণ্য। তখন ডেকচিগুলো উল্টে ফেলা হল, আর তাতে গোশ্ত টগবগ করে ফুটছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- , ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০১৭)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এক আগন্তুক এসে বললঃ গাধাগুলো খেয়ে ফেলা হচ্ছে। তারপর আরেক আগন্তুক এসে বললঃ গাধাগুলো খেয়ে ফেলা হচ্ছে। তারপর আরেক আগন্তুক এসে বললঃ গাধাগুলোকে শেষ করা হচ্ছে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোষণাকারীকে ঘোষণার আদেশ দিলেন। সে লোকজনের মধ্যে ঘোষণা দিলঃ আল্লাহ ও তাঁর রসূল তোমাদেরকে গৃহপালিত গাধার গোশ্ত খেতে নিষেধ করেছেন। কেননা, এগুলো ঘৃণ্য। তখন ডেকচিগুলো উল্টে ফেলা হল, আর তাতে গোশ্ত টগবগ করে ফুটছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- , ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০১৭)
محمد بن سلام أخبرنا عبد الوهاب الثقفي عن أيوب عن محمد عن أنس بن مالك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم جاءه“ جاء فقال أكلت الحمر ثم جاءه“ جاء فقال أكلت الحمر ثم جاءه“ جاء فقال أفنيت الحمر فأمر مناديا فناد‘ى في الناس إن الله ورسوله“ ينهيانكم عن لحوم الحمر الأهلية فإنها رجس فأكفئت القدور وإنها لتفور باللحم.
সহিহ বুখারী ৫৫২৯
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، قال عمرو قلت لجابر بن زيد يزعمون أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن حمر الأهلية فقال قد كان يقول ذاك الحكم بن عمرو الغفاري عندنا بالبصرة، ولكن أبى ذاك البحر ابن عباس وقرأ {قل لا أجد فيما أوحي إلى محرما}
‘আম্র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি জাবির ইবনু যায়দকে জিজ্ঞেস করলামঃ লোকে ধারণা করে যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গৃহপালিত গাধার গোশ্ত খেতে নিষেধ করেছেন। তিনি বললেনঃ হাকাম ইবনু আম্র গিফারীও বসরায় আমাদের কাছে এ কথা বলতেন। কিন্তু জ্ঞান সমৃদ্ধ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) তা অস্বীকার করেছেন। তারপর তিনি এ আয়াতটি তিলাওয়াত করেছেনঃ বল, আমার প্রতি যে ওয়াহী করা হয়েছে তাতে মানুষ যা আহার করে তার কিছুই নিষিদ্ধ পাই না”। (সূরাহ আল-আন’আম ৬/১৪৫)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০১৮)
‘আম্র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি জাবির ইবনু যায়দকে জিজ্ঞেস করলামঃ লোকে ধারণা করে যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গৃহপালিত গাধার গোশ্ত খেতে নিষেধ করেছেন। তিনি বললেনঃ হাকাম ইবনু আম্র গিফারীও বসরায় আমাদের কাছে এ কথা বলতেন। কিন্তু জ্ঞান সমৃদ্ধ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) তা অস্বীকার করেছেন। তারপর তিনি এ আয়াতটি তিলাওয়াত করেছেনঃ বল, আমার প্রতি যে ওয়াহী করা হয়েছে তাতে মানুষ যা আহার করে তার কিছুই নিষিদ্ধ পাই না”। (সূরাহ আল-আন’আম ৬/১৪৫)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০১৮)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، قال عمرو قلت لجابر بن زيد يزعمون أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن حمر الأهلية فقال قد كان يقول ذاك الحكم بن عمرو الغفاري عندنا بالبصرة، ولكن أبى ذاك البحر ابن عباس وقرأ {قل لا أجد فيما أوحي إلى محرما}
সহিহ বুখারী > গোশ্তভোজী যাবতীয় হিংস্র জন্তু খাওয়া প্রসঙ্গে।
সহিহ বুখারী ৫৫৩০
عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن ابن شهاب عن أبي إدريس الخولاني عن أبي ثعلبة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهٰى عن أكل كل ذي ناب من السباع تابعه“ يونس ومعمر وابن عيينة والماجشون عن الزهري.
আবূ সা’লাবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁতওয়ালা যাবতীয় হিংস্র জন্তু খেতে নিষেধ করেছেন। যুহরী থেকে ইউনুস, মা’মার ইবনু উয়াইনা ও মাজিশূন এ রকমই বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০১৯)
আবূ সা’লাবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁতওয়ালা যাবতীয় হিংস্র জন্তু খেতে নিষেধ করেছেন। যুহরী থেকে ইউনুস, মা’মার ইবনু উয়াইনা ও মাজিশূন এ রকমই বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০১৯)
عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن ابن شهاب عن أبي إدريس الخولاني عن أبي ثعلبة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهٰى عن أكل كل ذي ناب من السباع تابعه“ يونس ومعمر وابن عيينة والماجشون عن الزهري.