সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহ্র ইরশাদঃ তোমাদের জন্য সমুদ্রের শিকার হালাল করা হয়েছে . . .. . . .. . . .. . । (সূরাহ আল-মায়িদাহ ৫/৯৬)
সহিহ বুখারী ৫৪৯৪
عبد الله بن محمد أخبرنا سفيان عن عمرو قال سمعت جابرا يقول بعثنا النبي صلى الله عليه وسلم ثلاث مائة راكب وأميرنا أبو عبيدة نرصد عيرا لقريش فأصابنا جوع شديد حتٰى أكلنا الخبط فسمي جيش الخبط وألقى البحر حوتا يقال له العنبر فأكلنا نصف شهر وادهنا بودكه„ حتٰى صلحت أجسامنا قال فأخذ أبو عبيدة ضلعا من أضلاعه„ فنصبه“ فمر الراكب تحته“ وكان فينا رجل فلما اشتد الجوع نحر ثلاث جزائر ثم ثلاث جزائر ثم نهاه“ أبو عبيدة.
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের তিনশ’ সাওয়ার পাঠালেন- আমাদের সেনাপতি ছিলেন আবূ ‘উবাদাহ (রাঃ)। উদ্দেশ্য ছিল আমরা যেন কুরাইশদের একটি কাফেলার অপেক্ষা করি। তখন আমাদের অত্যান্ত ক্ষিধে পেল। এমন কি আমরা ............ (গাছের পাতা) খেতে আরম্ভ করলাম। ফলে এ বাহিনীর নামকরণ করা হয় “জায়শুল খাবত”। তখন সমুদ্র আম্বর নামক একটি মাছ পাড়ে নিক্ষেপ করে। আমরা এটি অর্ধমাস আহার করলাম। আমরা এর চর্বি তেল রুপে গায়ে মাখতাম। ফলে আমাদের শরীর সতেজ হতে উঠে। আবূ ‘উবাইদাহ (রাঃ) মাছটির পাঁজরের কাঁটাগুলোর একটি খাড়া করে ধরলেন, তখন একজন আশ্বারোহী তার নিচ দিয়ে অতিক্রম করে গেল। আমাদের মধ্যে (কায়েস ইবনু না’দ) এক ব্যাক্তি ছিলেন, খাদ্যাভাব তখন ভীষণ আকার ধারণ করেছিল। তখন তিনি তিনটি উট যবাহ করেন। তারপর আরো তিনটি যবহ করেন। এরপর আবূ ‘উবাইদাহ (রাঃ) তাঁকে নিষেধ করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৮৫)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের তিনশ’ সাওয়ার পাঠালেন- আমাদের সেনাপতি ছিলেন আবূ ‘উবাদাহ (রাঃ)। উদ্দেশ্য ছিল আমরা যেন কুরাইশদের একটি কাফেলার অপেক্ষা করি। তখন আমাদের অত্যান্ত ক্ষিধে পেল। এমন কি আমরা ............ (গাছের পাতা) খেতে আরম্ভ করলাম। ফলে এ বাহিনীর নামকরণ করা হয় “জায়শুল খাবত”। তখন সমুদ্র আম্বর নামক একটি মাছ পাড়ে নিক্ষেপ করে। আমরা এটি অর্ধমাস আহার করলাম। আমরা এর চর্বি তেল রুপে গায়ে মাখতাম। ফলে আমাদের শরীর সতেজ হতে উঠে। আবূ ‘উবাইদাহ (রাঃ) মাছটির পাঁজরের কাঁটাগুলোর একটি খাড়া করে ধরলেন, তখন একজন আশ্বারোহী তার নিচ দিয়ে অতিক্রম করে গেল। আমাদের মধ্যে (কায়েস ইবনু না’দ) এক ব্যাক্তি ছিলেন, খাদ্যাভাব তখন ভীষণ আকার ধারণ করেছিল। তখন তিনি তিনটি উট যবাহ করেন। তারপর আরো তিনটি যবহ করেন। এরপর আবূ ‘উবাইদাহ (রাঃ) তাঁকে নিষেধ করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৮৫)
عبد الله بن محمد أخبرنا سفيان عن عمرو قال سمعت جابرا يقول بعثنا النبي صلى الله عليه وسلم ثلاث مائة راكب وأميرنا أبو عبيدة نرصد عيرا لقريش فأصابنا جوع شديد حتٰى أكلنا الخبط فسمي جيش الخبط وألقى البحر حوتا يقال له العنبر فأكلنا نصف شهر وادهنا بودكه„ حتٰى صلحت أجسامنا قال فأخذ أبو عبيدة ضلعا من أضلاعه„ فنصبه“ فمر الراكب تحته“ وكان فينا رجل فلما اشتد الجوع نحر ثلاث جزائر ثم ثلاث جزائر ثم نهاه“ أبو عبيدة.
সহিহ বুখারী ৫৪৯৩
مسدد حدثنا يحيٰى عن ابن جريج قال أخبرني عمرو أنه“ سمع جابرا يقول غزونا جيش الخبط وأمر أبو عبيدة فجعنا جوعا شديدا فألقى البحر حوتا ميتا لم ير مثله“ يقال له العنبر فأكلنا منه“ نصف شهر فأخذ أبو عبيدة عظما من عظامه„ فمر الراكب تحته.
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা ‘জায়শুল খাবত’ অভিযানে ছিলাম। আমাদের সেনাপতি করা হয়েছিল আবূ ‘উবাইদাহ (রাঃ)-কে। এক সময় আমরা অত্যাধিক ক্ষুধার্ত হয়ে পড়লে, সমুদ্র এমন একটি মৃত মাছ তীরে নিক্ষেপ করল যে, এত বড় মাছ কখনো দেখা যায়নি। এটকে ‘আম্বর’ বলা হয়। আমরা অর্ধমাস এটি খেলাম। আবূ ‘উবাদাহ (রাঃ) এর একটি হাড় তুলে ধরলেন এবং এর নীচে দিয়ে একজন অশ্বারোহী (অনায়াসে) অতিক্রম করে গেল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৮৪)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা ‘জায়শুল খাবত’ অভিযানে ছিলাম। আমাদের সেনাপতি করা হয়েছিল আবূ ‘উবাইদাহ (রাঃ)-কে। এক সময় আমরা অত্যাধিক ক্ষুধার্ত হয়ে পড়লে, সমুদ্র এমন একটি মৃত মাছ তীরে নিক্ষেপ করল যে, এত বড় মাছ কখনো দেখা যায়নি। এটকে ‘আম্বর’ বলা হয়। আমরা অর্ধমাস এটি খেলাম। আবূ ‘উবাদাহ (রাঃ) এর একটি হাড় তুলে ধরলেন এবং এর নীচে দিয়ে একজন অশ্বারোহী (অনায়াসে) অতিক্রম করে গেল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৮৪)
مسدد حدثنا يحيٰى عن ابن جريج قال أخبرني عمرو أنه“ سمع جابرا يقول غزونا جيش الخبط وأمر أبو عبيدة فجعنا جوعا شديدا فألقى البحر حوتا ميتا لم ير مثله“ يقال له العنبر فأكلنا منه“ نصف شهر فأخذ أبو عبيدة عظما من عظامه„ فمر الراكب تحته.
সহিহ বুখারী > ফড়িং খাওয়া
সহিহ বুখারী ৫৪৯৫
ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সাতটি কিংবা ছয়টি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করি। আমরা তাঁর সঙ্গে ফড়িংও খাই। সুফ্ইয়ান, আবূ আওয়ানা ও ইসরাঈল এরা আবূ ইয়াফূর ইবনু আওফার সূত্রে বর্ণনা করেছেন সাতটি যুদ্ধে।
ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সাতটি কিংবা ছয়টি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করি। আমরা তাঁর সঙ্গে ফড়িংও খাই। সুফ্ইয়ান, আবূ আওয়ানা ও ইসরাঈল এরা আবূ ইয়াফূর ইবনু আওফার সূত্রে বর্ণনা করেছেন সাতটি যুদ্ধে।
সহিহ বুখারী > অগ্নিপূজকদের বাসনপত্র ও মৃত জানোয়ার
সহিহ বুখারী ৫৪৯৬
أبو عاصم عن حيوة بن شريح قال حدثني ربيعة بن يزيد الدمشقي قال حدثني أبو إدريس الخولاني قال حدثني أبو ثعلبة الخشني قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله إنا بأرض أهل الكتاب فنأكل في آنيتهم وبأرض صيد أصيد بقوسي وأصيد بكلبي المعلم وبكلبي الذي ليس بمعلم فقال النبي صلى الله عليه وسلم أما ما ذكرت أنك بأرض أهل كتاب فلا تأكلوا في آنيتهم إلا أن لا تجدوا بدا فإن لم تجدوا بدا فاغسلوها وكلوا وأما ما ذكرت أنكم بأرض صيد فما صدت بقوسك فاذكر اسم الله وكل وما صدت بكلبك المعلم فاذكر اسم الله وكل وما صدت بكلبك الذي ليس بمعلم فأدركت ذكاته“ فكله.
আবূ সা’লাবা খুশানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আমরা আহলে কিতাবের এলাকায় বাস করি, তাদের পাত্রে খাই এবং আমরা শিকারের এলাকায় বাস করি, তীর ধনুকের সাহায্যে শিকার করি এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর ও প্রশিক্ষণবিহীন কুকুরের সাহায্যে শিকার করি। নবী বললেনঃ তুমি যে বললে তোমরা আহলে কিতাবের ভূখন্ডে থাক, অপারগ না হলে তাদের বাসনপত্রে খেও না, যদি কোন উপায় না পাও তাহলে সেগুলো ধুয়ে তাতে খেয়ো। আর তুমি যে বললে, তোমরা শিকারের এলাকায় বাস কর, যদি তোমার তীরের দ্বারা যা শিকার করতে চাও, সেখানে আল্লাহ্র নাম নাও এবং খাও। আর তুমি যা তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরের দ্বারা শিকার কর, সেখানে আল্লাহ্র নাম নাও এবং খাও। আর তুমি যা শিকার কর তোমার প্রশিক্ষণবিহীন কুকুরের দ্বারা এবং যবহ করতে পার তবে তা যবহ্ করে খাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৮৭)
আবূ সা’লাবা খুশানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আমরা আহলে কিতাবের এলাকায় বাস করি, তাদের পাত্রে খাই এবং আমরা শিকারের এলাকায় বাস করি, তীর ধনুকের সাহায্যে শিকার করি এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর ও প্রশিক্ষণবিহীন কুকুরের সাহায্যে শিকার করি। নবী বললেনঃ তুমি যে বললে তোমরা আহলে কিতাবের ভূখন্ডে থাক, অপারগ না হলে তাদের বাসনপত্রে খেও না, যদি কোন উপায় না পাও তাহলে সেগুলো ধুয়ে তাতে খেয়ো। আর তুমি যে বললে, তোমরা শিকারের এলাকায় বাস কর, যদি তোমার তীরের দ্বারা যা শিকার করতে চাও, সেখানে আল্লাহ্র নাম নাও এবং খাও। আর তুমি যা তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরের দ্বারা শিকার কর, সেখানে আল্লাহ্র নাম নাও এবং খাও। আর তুমি যা শিকার কর তোমার প্রশিক্ষণবিহীন কুকুরের দ্বারা এবং যবহ করতে পার তবে তা যবহ্ করে খাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৮৭)
أبو عاصم عن حيوة بن شريح قال حدثني ربيعة بن يزيد الدمشقي قال حدثني أبو إدريس الخولاني قال حدثني أبو ثعلبة الخشني قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله إنا بأرض أهل الكتاب فنأكل في آنيتهم وبأرض صيد أصيد بقوسي وأصيد بكلبي المعلم وبكلبي الذي ليس بمعلم فقال النبي صلى الله عليه وسلم أما ما ذكرت أنك بأرض أهل كتاب فلا تأكلوا في آنيتهم إلا أن لا تجدوا بدا فإن لم تجدوا بدا فاغسلوها وكلوا وأما ما ذكرت أنكم بأرض صيد فما صدت بقوسك فاذكر اسم الله وكل وما صدت بكلبك المعلم فاذكر اسم الله وكل وما صدت بكلبك الذي ليس بمعلم فأدركت ذكاته“ فكله.
সহিহ বুখারী ৫৪৯৭
المكي بن إبراهيم قال حدثني يزيد بن أبي عبيد عن سلمة بن الأكوع قال لما أمسوا يوم فتحوا خيبر أوقدوا النيران قال النبي صلى الله عليه وسلم علام أوقدتم هٰذه النيران قالوا لحوم الحمر الإنسية قال أهريقوا ما فيها واكسروا قدورها فقام رجل من القوم فقال نهريق ما فيها ونغسلها فقال النبي صلى الله عليه وسلم أو ذاك.
সালামাহ ইবনু আকওয়া’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, খাইবার বিজয়ের দিন সন্ধ্যায় মুসলিমগণ আগুন জ্বালালেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা কি জন্য এ সব আগুন জ্বালিয়েছ? তারা বললঃ গৃহপালিত গাধার গোশ্ত। তিনি বললেনঃ হাঁড়ির সব কিছু ফেলে দাও এবং হাঁড়িগুলো ভেঙ্গে ফেল। দলের একজন দাঁড়িয়ে বললঃ হাঁড়ির সব কিছু ফেলে দেই এবং হাঁড়িগুলো ধুয়ে নেই। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাও করতে পার।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৮৮)
সালামাহ ইবনু আকওয়া’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, খাইবার বিজয়ের দিন সন্ধ্যায় মুসলিমগণ আগুন জ্বালালেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা কি জন্য এ সব আগুন জ্বালিয়েছ? তারা বললঃ গৃহপালিত গাধার গোশ্ত। তিনি বললেনঃ হাঁড়ির সব কিছু ফেলে দাও এবং হাঁড়িগুলো ভেঙ্গে ফেল। দলের একজন দাঁড়িয়ে বললঃ হাঁড়ির সব কিছু ফেলে দেই এবং হাঁড়িগুলো ধুয়ে নেই। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাও করতে পার।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৮৮)
المكي بن إبراهيم قال حدثني يزيد بن أبي عبيد عن سلمة بن الأكوع قال لما أمسوا يوم فتحوا خيبر أوقدوا النيران قال النبي صلى الله عليه وسلم علام أوقدتم هٰذه النيران قالوا لحوم الحمر الإنسية قال أهريقوا ما فيها واكسروا قدورها فقام رجل من القوم فقال نهريق ما فيها ونغسلها فقال النبي صلى الله عليه وسلم أو ذاك.
সহিহ বুখারী > যবহের বস্তুর উপর বিসমিল্লাহ বলা এবং ইচ্ছাকৃতভাবে যে বিসমিল্লাহ তরক করে।
সহিহ বুখারী ৫৪৯৮
موسٰى بن إسماعيل حدثنا أبو عوانة عن سعيد بن مسروق عن عباية بن رفاعة بن رافع عن جده„ رافع بن خديج قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم بذي الحليفة فأصاب الناس جوع فأصبنا إبلا وغنما وكان النبي صلى الله عليه وسلم في أخريات الناس فعجلوا فنصبوا القدور فدفع إليهم النبي صلى الله عليه وسلم فأمر بالقدور فأكفئت ثم قسم فعدل عشرة من الغنم ببعير فند منها بعير وكان في القوم خيل يسيرة فطلبوه“ فأعياهم فأهو‘ى إليه رجل بسهم فحبسه الله فقال النبي صلى الله عليه وسلم إن لهٰذه البهائم أوابد كأوابد الوحش فما ند عليكم منها فاصنعوا به„ هٰكذا قال وقال جدي إنا لنرجو أو نخاف أن نلقى العدو غدا وليس معنا مدى أفنذبح بالقصب فقال ما أنهر الدم وذكر اسم الله عليه فكل ليس السن والظفر وسأخبركم عنه“ أما السن فعظم وأما الظفر فمدى الحبشة.
রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ‘যুল হুলাইফা’য় ছিলাম। লোকজন ক্ষুধার্ত হয়ে যায়। তখন আমরা কিছু সংখ্যক উট ও বুকরী (গনীমত হিসেবে) লাভ করি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ছিলেন সকলের পেছনে। সবাই তাড়াতাড়ি করল এবং হাঁড়ি চড়িয়ে দিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের কাছে এসে পৌঁছালেন। তখন তিনি হাঁড়িগুলো ঢেকে দিতে নির্দেশ দিলেন। হাঁড়িগুলো ঢেকে দেয়া হল। তারপর তিনি (প্রাপ্ত গানীমাত) বন্টন করলেন। দশটি বকরী একটি উটের সমান গণ্য করলেন। এ সময়ে একটি উট পালিয়ে গেল। দলে অশ্বারোহীর সংখ্যা ছিল খুব কম। তারা উটটির পেছনে ছুটল কিন্তু তারা সেটি কাবু করতে অসমর্থ হল। অবশেষে একজন উটটির প্রতি তীর ছুঁড়লে আল্লাহ উটটিকে থামিয়ে দিলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ সকল চতুষ্পদ প্রাণির মধ্যে বন্য জন্তুর মত পালিয়ে যাবার স্বভাব আছে। কাজেই যখন কোন প্রাণী তোমাদের থেকে পালিয়ে যায়, তখন তার সঙ্গে তোমরা তেমনই ব্যবহার করবে। বর্ণনাকারী বলেন, আমার দাদা বলেছেন, আমরা আশা করছিলাম কিংবা তিনি বলেছেন, আমরা আশঙ্কা করছিলাম যে, আগামীকাল আমরা শত্রুদের সম্মুখীন হতে পারি। অথচ আমাদের নিকট কোন ছুরি নেই। তাহলে আমরা কি বাঁশের (রাখারী) দিয়ে যবহ করব? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে জিনিস রক্ত প্রবাহিত করে দেয় এবং তাতে বিসমিল্লাহ বলা হয় তা খাও। তবে দাঁত ও নখ দিয়ে নয়। এ সম্পর্কে আমি তোমাদের জ্ঞাত করছি যে, দাঁত হল হাড় বিশেষ, আর নখ হল হাবশী সম্প্রদায়ের ছুরি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৮৯)
রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ‘যুল হুলাইফা’য় ছিলাম। লোকজন ক্ষুধার্ত হয়ে যায়। তখন আমরা কিছু সংখ্যক উট ও বুকরী (গনীমত হিসেবে) লাভ করি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ছিলেন সকলের পেছনে। সবাই তাড়াতাড়ি করল এবং হাঁড়ি চড়িয়ে দিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের কাছে এসে পৌঁছালেন। তখন তিনি হাঁড়িগুলো ঢেকে দিতে নির্দেশ দিলেন। হাঁড়িগুলো ঢেকে দেয়া হল। তারপর তিনি (প্রাপ্ত গানীমাত) বন্টন করলেন। দশটি বকরী একটি উটের সমান গণ্য করলেন। এ সময়ে একটি উট পালিয়ে গেল। দলে অশ্বারোহীর সংখ্যা ছিল খুব কম। তারা উটটির পেছনে ছুটল কিন্তু তারা সেটি কাবু করতে অসমর্থ হল। অবশেষে একজন উটটির প্রতি তীর ছুঁড়লে আল্লাহ উটটিকে থামিয়ে দিলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ সকল চতুষ্পদ প্রাণির মধ্যে বন্য জন্তুর মত পালিয়ে যাবার স্বভাব আছে। কাজেই যখন কোন প্রাণী তোমাদের থেকে পালিয়ে যায়, তখন তার সঙ্গে তোমরা তেমনই ব্যবহার করবে। বর্ণনাকারী বলেন, আমার দাদা বলেছেন, আমরা আশা করছিলাম কিংবা তিনি বলেছেন, আমরা আশঙ্কা করছিলাম যে, আগামীকাল আমরা শত্রুদের সম্মুখীন হতে পারি। অথচ আমাদের নিকট কোন ছুরি নেই। তাহলে আমরা কি বাঁশের (রাখারী) দিয়ে যবহ করব? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে জিনিস রক্ত প্রবাহিত করে দেয় এবং তাতে বিসমিল্লাহ বলা হয় তা খাও। তবে দাঁত ও নখ দিয়ে নয়। এ সম্পর্কে আমি তোমাদের জ্ঞাত করছি যে, দাঁত হল হাড় বিশেষ, আর নখ হল হাবশী সম্প্রদায়ের ছুরি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৮৯)
موسٰى بن إسماعيل حدثنا أبو عوانة عن سعيد بن مسروق عن عباية بن رفاعة بن رافع عن جده„ رافع بن خديج قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم بذي الحليفة فأصاب الناس جوع فأصبنا إبلا وغنما وكان النبي صلى الله عليه وسلم في أخريات الناس فعجلوا فنصبوا القدور فدفع إليهم النبي صلى الله عليه وسلم فأمر بالقدور فأكفئت ثم قسم فعدل عشرة من الغنم ببعير فند منها بعير وكان في القوم خيل يسيرة فطلبوه“ فأعياهم فأهو‘ى إليه رجل بسهم فحبسه الله فقال النبي صلى الله عليه وسلم إن لهٰذه البهائم أوابد كأوابد الوحش فما ند عليكم منها فاصنعوا به„ هٰكذا قال وقال جدي إنا لنرجو أو نخاف أن نلقى العدو غدا وليس معنا مدى أفنذبح بالقصب فقال ما أنهر الدم وذكر اسم الله عليه فكل ليس السن والظفر وسأخبركم عنه“ أما السن فعظم وأما الظفر فمدى الحبشة.