সহিহ বুখারী > শিকারী কুকুর যদি শিকারের কিছুটা খেয়ে ফেলে
সহিহ বুখারী ৫৪৮৩
قتيبة بن سعيد حدثنا محمد بن فضيل عن بيان عن الشعبي عن عدي بن حاتم قال سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت إنا قوم نصيد بهٰذه الكلاب فقال إذا أرسلت كلابك المعلمة وذكرت اسم الله فكل مما أمسكن عليكم وإن قتلن إلا أن يأكل الكلب فإني أخاف أن يكون إنما أمسكه“ علٰى نفسه„ وإن خالطها كلاب من غيرها فلا تأكل.
আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলামঃ আমরা এমন সম্প্রদায়, যারা এ সকল কুকুরের দ্বারা শিকার করে থাকি। তিনি বললেনঃ তুমি যদি তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরগুলোকে বিসমিল্লাহ পড়ে পাঠিয়ে থাক তাহলে ওরা যেগুলো তোমাদের জন্য ধরে রাখে, তা খাও; যদিও শিকারকে কুকুর হত্যা করে ফেলে। তবে যদি কুকুর শিকারের কিছুটা খেয়ে ফেলে (তাহলে খাবে না)। কেননা, তখন আমার আশঙ্কা হয় যে, সে শিকার নিজেরই উদ্দেশ্যে ধরেছে। আর যদি তার সঙ্গে অন্য কুকুর মিলে যায়, তাহলে খাবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৭৫)
আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলামঃ আমরা এমন সম্প্রদায়, যারা এ সকল কুকুরের দ্বারা শিকার করে থাকি। তিনি বললেনঃ তুমি যদি তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরগুলোকে বিসমিল্লাহ পড়ে পাঠিয়ে থাক তাহলে ওরা যেগুলো তোমাদের জন্য ধরে রাখে, তা খাও; যদিও শিকারকে কুকুর হত্যা করে ফেলে। তবে যদি কুকুর শিকারের কিছুটা খেয়ে ফেলে (তাহলে খাবে না)। কেননা, তখন আমার আশঙ্কা হয় যে, সে শিকার নিজেরই উদ্দেশ্যে ধরেছে। আর যদি তার সঙ্গে অন্য কুকুর মিলে যায়, তাহলে খাবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৭৫)
قتيبة بن سعيد حدثنا محمد بن فضيل عن بيان عن الشعبي عن عدي بن حاتم قال سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت إنا قوم نصيد بهٰذه الكلاب فقال إذا أرسلت كلابك المعلمة وذكرت اسم الله فكل مما أمسكن عليكم وإن قتلن إلا أن يأكل الكلب فإني أخاف أن يكون إنما أمسكه“ علٰى نفسه„ وإن خالطها كلاب من غيرها فلا تأكل.
সহিহ বুখারী > শিকার যদি দু’ বা তিনদিন শিকারী থেকে অদৃশ্য থাকে।
সহিহ বুখারী ৫৪৮৫
وقال عبد الأعلٰى عن داود عن عامر عن عدي أنه“ قال للنبي صلى الله عليه وسلم يرمي الصيد فيقتفر أثره اليومين والثلاثة ثم يجده“ ميتا وفيه سهمه“ قال يأكل إن شاء.
‘আবদুল ‘আলা দাঊদ সূত্রে আদী থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করেছিলেনঃ যদি কোন ব্যাক্তি শিকারের প্রতি তীর নিক্ষেপ করে এবং দু’ তিন দিন পর্যন্ত সেই শিকারের খোঁজ করার পর মৃত অবস্থায় পায় এবং দেখে যে, তার গায়ে তার তীর লেগে আছে (তখন সে কী করবে?) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ইচ্ছা করলে সে খেতে পারে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৭৬)
‘আবদুল ‘আলা দাঊদ সূত্রে আদী থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করেছিলেনঃ যদি কোন ব্যাক্তি শিকারের প্রতি তীর নিক্ষেপ করে এবং দু’ তিন দিন পর্যন্ত সেই শিকারের খোঁজ করার পর মৃত অবস্থায় পায় এবং দেখে যে, তার গায়ে তার তীর লেগে আছে (তখন সে কী করবে?) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ইচ্ছা করলে সে খেতে পারে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৭৬)
وقال عبد الأعلٰى عن داود عن عامر عن عدي أنه“ قال للنبي صلى الله عليه وسلم يرمي الصيد فيقتفر أثره اليومين والثلاثة ثم يجده“ ميتا وفيه سهمه“ قال يأكل إن شاء.
সহিহ বুখারী ৫৪৮৪
موسٰى بن إسماعيل حدثنا ثابت بن يزيد حدثنا عاصم عن الشعبي عن عدي بن حاتم عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا أرسلت كلبك وسميت فأمسك وقتل فكل وإن أكل فلا تأكل فإنما أمسك علٰى نفسه„ وإذا خالط كلابا لم يذكر اسم الله عليها فأمسكن وقتلن فلا تأكل فإنك لا تدري أيها قتل وإن رميت الصيد فوجدته“ بعد يوم أو يومين ليس به„ إلا أثر سهمك فكل وإن وقع في الماء فلا تأكل.
আদী ইবনু হাতিম (রহঃ)-এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেনঃ তুমি যদি তোমার কুকুরকে বিসমিল্লাহ পড়ে পাঠাও, এরপর কুকুর শিকার পাকড়াও করে এবং মেরে ফেলে, তবে তুমি তা খেতে পার। আর যদি কুকুর কিছুটা খেয়ে ফেলে, তাহলে খাবে না। কেননা, সে তো নিজের জন্যই ধরেছে। আর যদি এমন কুকুরের সঙ্গে মিশে যায়, যাদের উপর বিসমিল্লাহ পড়া হয়নি এবং সেগুলো শিকার ধরে মেরে ফেলে, তাহলে তা খাবে না। কেননা, তুমি তো জান না যে, কোন কুকুরটি হত্যা করেছে? আর যদি তুমি শিকারের প্রতি তীর নিক্ষেপ করে থাক; এরপর তা একদিন বা দু’দিন পর এমন অবস্থায় হাতে পাও যে, তার গায়ে তোমার তীরের আঘাত ব্যাতীত অন্য কিছু নেই, তাহলে খাও। আর যদি তা পানির মধ্যে পড়ে থাকে, তাহলে খাবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৭৬)
আদী ইবনু হাতিম (রহঃ)-এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেনঃ তুমি যদি তোমার কুকুরকে বিসমিল্লাহ পড়ে পাঠাও, এরপর কুকুর শিকার পাকড়াও করে এবং মেরে ফেলে, তবে তুমি তা খেতে পার। আর যদি কুকুর কিছুটা খেয়ে ফেলে, তাহলে খাবে না। কেননা, সে তো নিজের জন্যই ধরেছে। আর যদি এমন কুকুরের সঙ্গে মিশে যায়, যাদের উপর বিসমিল্লাহ পড়া হয়নি এবং সেগুলো শিকার ধরে মেরে ফেলে, তাহলে তা খাবে না। কেননা, তুমি তো জান না যে, কোন কুকুরটি হত্যা করেছে? আর যদি তুমি শিকারের প্রতি তীর নিক্ষেপ করে থাক; এরপর তা একদিন বা দু’দিন পর এমন অবস্থায় হাতে পাও যে, তার গায়ে তোমার তীরের আঘাত ব্যাতীত অন্য কিছু নেই, তাহলে খাও। আর যদি তা পানির মধ্যে পড়ে থাকে, তাহলে খাবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৭৬)
موسٰى بن إسماعيل حدثنا ثابت بن يزيد حدثنا عاصم عن الشعبي عن عدي بن حاتم عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا أرسلت كلبك وسميت فأمسك وقتل فكل وإن أكل فلا تأكل فإنما أمسك علٰى نفسه„ وإذا خالط كلابا لم يذكر اسم الله عليها فأمسكن وقتلن فلا تأكل فإنك لا تدري أيها قتل وإن رميت الصيد فوجدته“ بعد يوم أو يومين ليس به„ إلا أثر سهمك فكل وإن وقع في الماء فلا تأكل.
সহিহ বুখারী > শিকারের সঙ্গে যদি অন্য কুকুর পাওয়া যায়
সহিহ বুখারী ৫৪৮৬
آدم حدثنا شعبة عن عبد الله بن أبي السفر عن الشعبي عن عدي بن حاتم قال قلت يا رسول الله إني أرسل كلبي وأسمي فقال النبي صلى الله عليه وسلم إذا أرسلت كلبك وسميت فأخذ فقتل فأكل فلا تأكل فإنما أمسك علٰى نفسه„ قلت إني أرسل كلبي أجد معه“ كلبا آخر لا أدري أيهما أخذه“ فقال لا تأكل فإنما سميت علٰى كلبك ولم تسم علٰى غيره„ وسألته“ عن صيد المعراض فقال إذا أصبت بحده„ فكل وإذا أصبت بعرضه„ فقتل فإنه“ وقيذ فلا تأكل.
আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আমি ‘বিসমিল্লাহ’ পড়ে আমার কুকুরকে পাঠিয়ে থাকি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি যদি বিসমিল্লাহ পড়ে তোমার কুকুরটিকে পাঠিয়ে থাক, এরপর সে শিকার ধরে মেরে ফেলে এবং কিছুটা খেয়ে নেয়, তা হলে তুমি খেয়ো না। কেননা, সে তো নিজের জন্যই তা ধরেছে। আমি বললামঃ আমি আমার কুকুরটিকে পাঠালাম, পরে তার সঙ্গে অন্য কুকুরও দেখতে পেলাম। আমি জানি না উভয়ের কে শিকার ধরেছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তা খেয়ো না। কেননা, তুমি তো তোমার কুকুরের উপরই ‘বিসমিল্লাহ’ পড়েছ, অন্যটির উপর পড়নি। আমি তাঁকে তীরের শিকার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেনঃ যদি তুমি তীরের ধার দিয়ে আঘাত করে থাক, তাহলে খাও। আর যদি পার্শ্বের দ্বারা আঘাত কর আর তাতে তা মারা যায়, তাহলে সেটি ওয়াকীয- থেতলে মারার মধ্যে গণ্য হবে। কাজেই তা খেয়ো না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৭৭)
আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আমি ‘বিসমিল্লাহ’ পড়ে আমার কুকুরকে পাঠিয়ে থাকি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি যদি বিসমিল্লাহ পড়ে তোমার কুকুরটিকে পাঠিয়ে থাক, এরপর সে শিকার ধরে মেরে ফেলে এবং কিছুটা খেয়ে নেয়, তা হলে তুমি খেয়ো না। কেননা, সে তো নিজের জন্যই তা ধরেছে। আমি বললামঃ আমি আমার কুকুরটিকে পাঠালাম, পরে তার সঙ্গে অন্য কুকুরও দেখতে পেলাম। আমি জানি না উভয়ের কে শিকার ধরেছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তা খেয়ো না। কেননা, তুমি তো তোমার কুকুরের উপরই ‘বিসমিল্লাহ’ পড়েছ, অন্যটির উপর পড়নি। আমি তাঁকে তীরের শিকার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেনঃ যদি তুমি তীরের ধার দিয়ে আঘাত করে থাক, তাহলে খাও। আর যদি পার্শ্বের দ্বারা আঘাত কর আর তাতে তা মারা যায়, তাহলে সেটি ওয়াকীয- থেতলে মারার মধ্যে গণ্য হবে। কাজেই তা খেয়ো না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৭৭)
آدم حدثنا شعبة عن عبد الله بن أبي السفر عن الشعبي عن عدي بن حاتم قال قلت يا رسول الله إني أرسل كلبي وأسمي فقال النبي صلى الله عليه وسلم إذا أرسلت كلبك وسميت فأخذ فقتل فأكل فلا تأكل فإنما أمسك علٰى نفسه„ قلت إني أرسل كلبي أجد معه“ كلبا آخر لا أدري أيهما أخذه“ فقال لا تأكل فإنما سميت علٰى كلبك ولم تسم علٰى غيره„ وسألته“ عن صيد المعراض فقال إذا أصبت بحده„ فكل وإذا أصبت بعرضه„ فقتل فإنه“ وقيذ فلا تأكل.
সহিহ বুখারী > শিকারে অভ্যস্ত হওয়া সম্পর্কে
সহিহ বুখারী ৫৪৯১
إسماعيل قال حدثني مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار عن أبي قتادة مثله“ إلا أنه“ قال هل معكم من لحمه„ شيء.
আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
এতে আছে যে, তিনি বললেনঃ তোমাদের সঙ্গে কি তার কিছু গোশ্ত আছে?(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৮২)
আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
এতে আছে যে, তিনি বললেনঃ তোমাদের সঙ্গে কি তার কিছু গোশ্ত আছে?(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৮২)
إسماعيل قال حدثني مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار عن أبي قتادة مثله“ إلا أنه“ قال هل معكم من لحمه„ شيء.
সহিহ বুখারী ৫৪৮৭
محمد أخبرني ابن فضيل عن بيان عن عامر عن عدي بن حاتم قال سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت إنا قوم نتصيد بهٰذه الكلاب فقال إذا أرسلت كلابك المعلمة وذكرت اسم الله فكل مما أمسكن عليك إلا أن يأكل الكلب فلا تأكل فإني أخاف أن يكون إنما أمسك علٰى نفسه„ وإن خالطها كلب من غيرها فلا تأكل.
আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করে বললামঃ আমরা এমন এক সম্প্রদায়, যারা এ সকল কুকুরের দ্বারা শিকার করতে অভ্যস্ত। তিনি বললেনঃ তুমি যদি আল্লাহ্র নাম উচ্চারণ করে (বিসমিল্লাহ বলে) তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরগুলোকে পাঠাও, তাহলে কুকুরগুলো তোমার জন্য যা ধরে রাখবে, তুমি তা খেতে পার। তবে কুকুর যদি কিছুটা খেয়ে ফেলে, তাহলে খেয়ো না। কেননা, আমার আশঙ্কা হয় যে, সে তখন নিজের জন্যই ধরেছে। আর যদি তার সঙ্গে অন্যান্য কুকুর শামিল হয়, তাহলেও খেয়ো না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৭৮)
আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করে বললামঃ আমরা এমন এক সম্প্রদায়, যারা এ সকল কুকুরের দ্বারা শিকার করতে অভ্যস্ত। তিনি বললেনঃ তুমি যদি আল্লাহ্র নাম উচ্চারণ করে (বিসমিল্লাহ বলে) তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরগুলোকে পাঠাও, তাহলে কুকুরগুলো তোমার জন্য যা ধরে রাখবে, তুমি তা খেতে পার। তবে কুকুর যদি কিছুটা খেয়ে ফেলে, তাহলে খেয়ো না। কেননা, আমার আশঙ্কা হয় যে, সে তখন নিজের জন্যই ধরেছে। আর যদি তার সঙ্গে অন্যান্য কুকুর শামিল হয়, তাহলেও খেয়ো না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৭৮)
محمد أخبرني ابن فضيل عن بيان عن عامر عن عدي بن حاتم قال سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت إنا قوم نتصيد بهٰذه الكلاب فقال إذا أرسلت كلابك المعلمة وذكرت اسم الله فكل مما أمسكن عليك إلا أن يأكل الكلب فلا تأكل فإني أخاف أن يكون إنما أمسك علٰى نفسه„ وإن خالطها كلب من غيرها فلا تأكل.
সহিহ বুখারী ৫৪৮৯
مسدد حدثنا يحيٰى عن شعبة قال حدثني هشام بن زيد عن أنس بن مالك قال أنفجنا أرنبا بمر الظهران فسعوا عليها حتٰى لغبوا فسعيت عليها حتٰى أخذتها فجئت بها إلٰى أبي طلحة فبعث إلى النبي صلى الله عليه وسلم بوركيها أو فخذيها فقبله.
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা মাররুয যাহরান নামক স্থানে একটি খরগোশের পেছনে ধাওয়া করলাম। লোকজন তার পেছনে ছুটল এবং তারা ব্যার্থ হয়। এরপর আমি পেছনে ছুটলাম। অবশেষে সেটি ধরে ফেললাম। তারপর আমি এটিকে আবূ ত্বালহার নিকট নিয়ে এলাম। তিনি এটির উভয় রান ও নিতম্ব নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পাঠালেন। তিনি তা গ্রহণ করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৮০)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা মাররুয যাহরান নামক স্থানে একটি খরগোশের পেছনে ধাওয়া করলাম। লোকজন তার পেছনে ছুটল এবং তারা ব্যার্থ হয়। এরপর আমি পেছনে ছুটলাম। অবশেষে সেটি ধরে ফেললাম। তারপর আমি এটিকে আবূ ত্বালহার নিকট নিয়ে এলাম। তিনি এটির উভয় রান ও নিতম্ব নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পাঠালেন। তিনি তা গ্রহণ করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৮০)
مسدد حدثنا يحيٰى عن شعبة قال حدثني هشام بن زيد عن أنس بن مالك قال أنفجنا أرنبا بمر الظهران فسعوا عليها حتٰى لغبوا فسعيت عليها حتٰى أخذتها فجئت بها إلٰى أبي طلحة فبعث إلى النبي صلى الله عليه وسلم بوركيها أو فخذيها فقبله.
সহিহ বুখারী ৫৪৮৮
أبو عاصم عن حيوة بن شريح ح و حدثني أحمد ابن أبي رجاء حدثنا سلمة بن سليمان عن ابن المبارك عن حيوة بن شريح قال سمعت ربيعة بن يزيد الدمشقي قال أخبرني أبو إدريس عائذ الله قال سمعت أبا ثعلبة الخشني يقول أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله إنا بأرض قوم أهل الكتاب نأكل في آنيتهم وأرض صيد أصيد بقوسي وأصيد بكلبي المعلم والذي ليس معلما فأخبرني ما الذي يحل لنا من ذ‘لك فقال أما ما ذكرت أنك بأرض قوم أهل الكتاب تأكل في آنيتهم فإن وجدتم غير آنيتهم فلا تأكلوا فيها وإن لم تجدوا فاغسلوها ثم كلوا فيها وأما ما ذكرت أنك بأرض صيد فما صدت بقوسك فاذكر اسم الله ثم كل وما صدت بكلبك المعلم فاذكر اسم الله ثم كل وما صدت بكلبك الذي ليس معلما فأدركت ذكاته“ فكل.
আবূ সা’লাবা খুশানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আমরা আহলে কিতাব সম্প্রদায়ের এলাকায় বাস করি, তাদের পাত্রে আহার করি। আর আমরা শিকারের অঞ্চলে থাকি, শিকার করি তীর ধনুক দিয়ে, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর দিয়ে এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নয় এমন কুকুর দিয়েও। অতএব আমাকে বলে দিন, এর মধ্যে আমাদের জন্য কোন্টি হালাল? তিনি বললেনঃ তুমি যা উল্লেখ করেছ, তুমি আহলে কিতাব সম্প্রদায়ের এলাকায় বসবাস কর, তাদের পাত্রে খানা খাও। তবে যদি তাদের পাত্র ব্যাতীত অন্য পাত্রে পাও, তাহলে তাদের পাত্রে আহার কর না। আর যদি না পাও, তাহলে ঐগুলো ধুয়ে নিয়ে তাতে আহার করবে। আর তুমি উল্লেখ করেছ যে তুমি শিকারের অঞ্চলে থাক। তুমি যা তীর ধনুক দ্বারা শিকার কর, তাতে তুমি বিসমিল্লাহ পড়বে এবং তা খাবে। তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর দিয়ে যা শিকার কর, তাতে বিসমিল্লাহ পড়বে এবং তা খাবে। আর তুমি যদি প্রশিক্ষণহীন কুকুর দ্বারা শিকার কর, সেক্ষেত্রে যদি যবহ করা যায়, তাহলে খেতে পার।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৭৯)
আবূ সা’লাবা খুশানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আমরা আহলে কিতাব সম্প্রদায়ের এলাকায় বাস করি, তাদের পাত্রে আহার করি। আর আমরা শিকারের অঞ্চলে থাকি, শিকার করি তীর ধনুক দিয়ে, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর দিয়ে এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নয় এমন কুকুর দিয়েও। অতএব আমাকে বলে দিন, এর মধ্যে আমাদের জন্য কোন্টি হালাল? তিনি বললেনঃ তুমি যা উল্লেখ করেছ, তুমি আহলে কিতাব সম্প্রদায়ের এলাকায় বসবাস কর, তাদের পাত্রে খানা খাও। তবে যদি তাদের পাত্র ব্যাতীত অন্য পাত্রে পাও, তাহলে তাদের পাত্রে আহার কর না। আর যদি না পাও, তাহলে ঐগুলো ধুয়ে নিয়ে তাতে আহার করবে। আর তুমি উল্লেখ করেছ যে তুমি শিকারের অঞ্চলে থাক। তুমি যা তীর ধনুক দ্বারা শিকার কর, তাতে তুমি বিসমিল্লাহ পড়বে এবং তা খাবে। তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর দিয়ে যা শিকার কর, তাতে বিসমিল্লাহ পড়বে এবং তা খাবে। আর তুমি যদি প্রশিক্ষণহীন কুকুর দ্বারা শিকার কর, সেক্ষেত্রে যদি যবহ করা যায়, তাহলে খেতে পার।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৭৯)
أبو عاصم عن حيوة بن شريح ح و حدثني أحمد ابن أبي رجاء حدثنا سلمة بن سليمان عن ابن المبارك عن حيوة بن شريح قال سمعت ربيعة بن يزيد الدمشقي قال أخبرني أبو إدريس عائذ الله قال سمعت أبا ثعلبة الخشني يقول أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله إنا بأرض قوم أهل الكتاب نأكل في آنيتهم وأرض صيد أصيد بقوسي وأصيد بكلبي المعلم والذي ليس معلما فأخبرني ما الذي يحل لنا من ذ‘لك فقال أما ما ذكرت أنك بأرض قوم أهل الكتاب تأكل في آنيتهم فإن وجدتم غير آنيتهم فلا تأكلوا فيها وإن لم تجدوا فاغسلوها ثم كلوا فيها وأما ما ذكرت أنك بأرض صيد فما صدت بقوسك فاذكر اسم الله ثم كل وما صدت بكلبك المعلم فاذكر اسم الله ثم كل وما صدت بكلبك الذي ليس معلما فأدركت ذكاته“ فكل.
সহিহ বুখারী ৫৪৯০
إسماعيل قال حدثني مالك عن أبي النضر مولٰى عمر بن عبيد الله عن نافع مولٰى أبي قتادة عن أبي قتادة أنه“ كان مع رسول الله صلى الله عليه وسلم حتٰى إذا كان ببعض طريق مكة تخلف مع أصحاب له“ محرمين وهو غير محرم فرأٰى حمارا وحشيا فاستو‘ى علٰى فرسه„ ثم سأل أصحابه“ أن يناولوه“ سوطا فأبوا فسألهم رمحه“ فأبوا فأخذه“ ثم شد على الحمار فقتله“ فأكل منه“ بعض أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبٰى بعضهم فلما أدركوا رسول الله صلى الله عليه وسلم سألوه“ عن ذ‘لك فقال إنما هي طعمة أطعمكموها الله.
আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলেন। অবশেষে তিনি মক্কার কোন রাস্তা পর্যন্ত পৌঁছালে তিনি তাঁর কয়েকজন সঙ্গীসহ পেছনে পড়ে গেলেন। তাঁরা ছিলে ইহরাম বাঁধা অবস্থায়। আর তিনি ছিলেন ইহ্রাম বিহীন। তিনি একটি বন্য গাধা দেখতে পেয়ে তার ঘোড়ার উপর উঠলেন। তারপর সাথীদেরকে অনুরোধ করলেন তাঁর হাতে তাঁর চাবুক তুলে দিতে। তাঁরা অস্বীকার করলেন। অবশেষে তিনি নিজেই সেটি তুলে নিলেন এবং গাধাটির পিছনে দ্রুত গতিতে ছুটলেন এবং সেটিকে হত্যা করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীদের কেউ কেউ তা খেলেন, আবার কেউ কেউ তা খেতে অস্বীকার করলেন। পরিশেষে তাঁরা যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে পৌঁছালেন তখন তাঁরা এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলেন। তিনি বললেনঃ এটি তো এমন খাদ্য যা আল্লাহ তা’আলা তোমাদের খাওয়ার জন্য দিয়েছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৮১)
আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলেন। অবশেষে তিনি মক্কার কোন রাস্তা পর্যন্ত পৌঁছালে তিনি তাঁর কয়েকজন সঙ্গীসহ পেছনে পড়ে গেলেন। তাঁরা ছিলে ইহরাম বাঁধা অবস্থায়। আর তিনি ছিলেন ইহ্রাম বিহীন। তিনি একটি বন্য গাধা দেখতে পেয়ে তার ঘোড়ার উপর উঠলেন। তারপর সাথীদেরকে অনুরোধ করলেন তাঁর হাতে তাঁর চাবুক তুলে দিতে। তাঁরা অস্বীকার করলেন। অবশেষে তিনি নিজেই সেটি তুলে নিলেন এবং গাধাটির পিছনে দ্রুত গতিতে ছুটলেন এবং সেটিকে হত্যা করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীদের কেউ কেউ তা খেলেন, আবার কেউ কেউ তা খেতে অস্বীকার করলেন। পরিশেষে তাঁরা যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে পৌঁছালেন তখন তাঁরা এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলেন। তিনি বললেনঃ এটি তো এমন খাদ্য যা আল্লাহ তা’আলা তোমাদের খাওয়ার জন্য দিয়েছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৮১)
إسماعيل قال حدثني مالك عن أبي النضر مولٰى عمر بن عبيد الله عن نافع مولٰى أبي قتادة عن أبي قتادة أنه“ كان مع رسول الله صلى الله عليه وسلم حتٰى إذا كان ببعض طريق مكة تخلف مع أصحاب له“ محرمين وهو غير محرم فرأٰى حمارا وحشيا فاستو‘ى علٰى فرسه„ ثم سأل أصحابه“ أن يناولوه“ سوطا فأبوا فسألهم رمحه“ فأبوا فأخذه“ ثم شد على الحمار فقتله“ فأكل منه“ بعض أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبٰى بعضهم فلما أدركوا رسول الله صلى الله عليه وسلم سألوه“ عن ذ‘لك فقال إنما هي طعمة أطعمكموها الله.