সহিহ বুখারী > শিকারের সঙ্গে যদি অন্য কুকুর পাওয়া যায়
সহিহ বুখারী ৫৪৮৬
آدم حدثنا شعبة عن عبد الله بن أبي السفر عن الشعبي عن عدي بن حاتم قال قلت يا رسول الله إني أرسل كلبي وأسمي فقال النبي صلى الله عليه وسلم إذا أرسلت كلبك وسميت فأخذ فقتل فأكل فلا تأكل فإنما أمسك علٰى نفسه„ قلت إني أرسل كلبي أجد معه“ كلبا آخر لا أدري أيهما أخذه“ فقال لا تأكل فإنما سميت علٰى كلبك ولم تسم علٰى غيره„ وسألته“ عن صيد المعراض فقال إذا أصبت بحده„ فكل وإذا أصبت بعرضه„ فقتل فإنه“ وقيذ فلا تأكل.
আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আমি ‘বিসমিল্লাহ’ পড়ে আমার কুকুরকে পাঠিয়ে থাকি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি যদি বিসমিল্লাহ পড়ে তোমার কুকুরটিকে পাঠিয়ে থাক, এরপর সে শিকার ধরে মেরে ফেলে এবং কিছুটা খেয়ে নেয়, তা হলে তুমি খেয়ো না। কেননা, সে তো নিজের জন্যই তা ধরেছে। আমি বললামঃ আমি আমার কুকুরটিকে পাঠালাম, পরে তার সঙ্গে অন্য কুকুরও দেখতে পেলাম। আমি জানি না উভয়ের কে শিকার ধরেছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তা খেয়ো না। কেননা, তুমি তো তোমার কুকুরের উপরই ‘বিসমিল্লাহ’ পড়েছ, অন্যটির উপর পড়নি। আমি তাঁকে তীরের শিকার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেনঃ যদি তুমি তীরের ধার দিয়ে আঘাত করে থাক, তাহলে খাও। আর যদি পার্শ্বের দ্বারা আঘাত কর আর তাতে তা মারা যায়, তাহলে সেটি ওয়াকীয- থেতলে মারার মধ্যে গণ্য হবে। কাজেই তা খেয়ো না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৭৭)
আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আমি ‘বিসমিল্লাহ’ পড়ে আমার কুকুরকে পাঠিয়ে থাকি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি যদি বিসমিল্লাহ পড়ে তোমার কুকুরটিকে পাঠিয়ে থাক, এরপর সে শিকার ধরে মেরে ফেলে এবং কিছুটা খেয়ে নেয়, তা হলে তুমি খেয়ো না। কেননা, সে তো নিজের জন্যই তা ধরেছে। আমি বললামঃ আমি আমার কুকুরটিকে পাঠালাম, পরে তার সঙ্গে অন্য কুকুরও দেখতে পেলাম। আমি জানি না উভয়ের কে শিকার ধরেছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তা খেয়ো না। কেননা, তুমি তো তোমার কুকুরের উপরই ‘বিসমিল্লাহ’ পড়েছ, অন্যটির উপর পড়নি। আমি তাঁকে তীরের শিকার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেনঃ যদি তুমি তীরের ধার দিয়ে আঘাত করে থাক, তাহলে খাও। আর যদি পার্শ্বের দ্বারা আঘাত কর আর তাতে তা মারা যায়, তাহলে সেটি ওয়াকীয- থেতলে মারার মধ্যে গণ্য হবে। কাজেই তা খেয়ো না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৭৭)
آدم حدثنا شعبة عن عبد الله بن أبي السفر عن الشعبي عن عدي بن حاتم قال قلت يا رسول الله إني أرسل كلبي وأسمي فقال النبي صلى الله عليه وسلم إذا أرسلت كلبك وسميت فأخذ فقتل فأكل فلا تأكل فإنما أمسك علٰى نفسه„ قلت إني أرسل كلبي أجد معه“ كلبا آخر لا أدري أيهما أخذه“ فقال لا تأكل فإنما سميت علٰى كلبك ولم تسم علٰى غيره„ وسألته“ عن صيد المعراض فقال إذا أصبت بحده„ فكل وإذا أصبت بعرضه„ فقتل فإنه“ وقيذ فلا تأكل.
সহিহ বুখারী > শিকারে অভ্যস্ত হওয়া সম্পর্কে
সহিহ বুখারী ৫৪৯১
إسماعيل قال حدثني مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار عن أبي قتادة مثله“ إلا أنه“ قال هل معكم من لحمه„ شيء.
আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
এতে আছে যে, তিনি বললেনঃ তোমাদের সঙ্গে কি তার কিছু গোশ্ত আছে?(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৮২)
আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
এতে আছে যে, তিনি বললেনঃ তোমাদের সঙ্গে কি তার কিছু গোশ্ত আছে?(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৮২)
إسماعيل قال حدثني مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار عن أبي قتادة مثله“ إلا أنه“ قال هل معكم من لحمه„ شيء.
সহিহ বুখারী ৫৪৮৭
محمد أخبرني ابن فضيل عن بيان عن عامر عن عدي بن حاتم قال سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت إنا قوم نتصيد بهٰذه الكلاب فقال إذا أرسلت كلابك المعلمة وذكرت اسم الله فكل مما أمسكن عليك إلا أن يأكل الكلب فلا تأكل فإني أخاف أن يكون إنما أمسك علٰى نفسه„ وإن خالطها كلب من غيرها فلا تأكل.
আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করে বললামঃ আমরা এমন এক সম্প্রদায়, যারা এ সকল কুকুরের দ্বারা শিকার করতে অভ্যস্ত। তিনি বললেনঃ তুমি যদি আল্লাহ্র নাম উচ্চারণ করে (বিসমিল্লাহ বলে) তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরগুলোকে পাঠাও, তাহলে কুকুরগুলো তোমার জন্য যা ধরে রাখবে, তুমি তা খেতে পার। তবে কুকুর যদি কিছুটা খেয়ে ফেলে, তাহলে খেয়ো না। কেননা, আমার আশঙ্কা হয় যে, সে তখন নিজের জন্যই ধরেছে। আর যদি তার সঙ্গে অন্যান্য কুকুর শামিল হয়, তাহলেও খেয়ো না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৭৮)
আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করে বললামঃ আমরা এমন এক সম্প্রদায়, যারা এ সকল কুকুরের দ্বারা শিকার করতে অভ্যস্ত। তিনি বললেনঃ তুমি যদি আল্লাহ্র নাম উচ্চারণ করে (বিসমিল্লাহ বলে) তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরগুলোকে পাঠাও, তাহলে কুকুরগুলো তোমার জন্য যা ধরে রাখবে, তুমি তা খেতে পার। তবে কুকুর যদি কিছুটা খেয়ে ফেলে, তাহলে খেয়ো না। কেননা, আমার আশঙ্কা হয় যে, সে তখন নিজের জন্যই ধরেছে। আর যদি তার সঙ্গে অন্যান্য কুকুর শামিল হয়, তাহলেও খেয়ো না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৭৮)
محمد أخبرني ابن فضيل عن بيان عن عامر عن عدي بن حاتم قال سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت إنا قوم نتصيد بهٰذه الكلاب فقال إذا أرسلت كلابك المعلمة وذكرت اسم الله فكل مما أمسكن عليك إلا أن يأكل الكلب فلا تأكل فإني أخاف أن يكون إنما أمسك علٰى نفسه„ وإن خالطها كلب من غيرها فلا تأكل.
সহিহ বুখারী ৫৪৮৯
مسدد حدثنا يحيٰى عن شعبة قال حدثني هشام بن زيد عن أنس بن مالك قال أنفجنا أرنبا بمر الظهران فسعوا عليها حتٰى لغبوا فسعيت عليها حتٰى أخذتها فجئت بها إلٰى أبي طلحة فبعث إلى النبي صلى الله عليه وسلم بوركيها أو فخذيها فقبله.
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা মাররুয যাহরান নামক স্থানে একটি খরগোশের পেছনে ধাওয়া করলাম। লোকজন তার পেছনে ছুটল এবং তারা ব্যার্থ হয়। এরপর আমি পেছনে ছুটলাম। অবশেষে সেটি ধরে ফেললাম। তারপর আমি এটিকে আবূ ত্বালহার নিকট নিয়ে এলাম। তিনি এটির উভয় রান ও নিতম্ব নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পাঠালেন। তিনি তা গ্রহণ করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৮০)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা মাররুয যাহরান নামক স্থানে একটি খরগোশের পেছনে ধাওয়া করলাম। লোকজন তার পেছনে ছুটল এবং তারা ব্যার্থ হয়। এরপর আমি পেছনে ছুটলাম। অবশেষে সেটি ধরে ফেললাম। তারপর আমি এটিকে আবূ ত্বালহার নিকট নিয়ে এলাম। তিনি এটির উভয় রান ও নিতম্ব নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পাঠালেন। তিনি তা গ্রহণ করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৮০)
مسدد حدثنا يحيٰى عن شعبة قال حدثني هشام بن زيد عن أنس بن مالك قال أنفجنا أرنبا بمر الظهران فسعوا عليها حتٰى لغبوا فسعيت عليها حتٰى أخذتها فجئت بها إلٰى أبي طلحة فبعث إلى النبي صلى الله عليه وسلم بوركيها أو فخذيها فقبله.
সহিহ বুখারী ৫৪৮৮
أبو عاصم عن حيوة بن شريح ح و حدثني أحمد ابن أبي رجاء حدثنا سلمة بن سليمان عن ابن المبارك عن حيوة بن شريح قال سمعت ربيعة بن يزيد الدمشقي قال أخبرني أبو إدريس عائذ الله قال سمعت أبا ثعلبة الخشني يقول أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله إنا بأرض قوم أهل الكتاب نأكل في آنيتهم وأرض صيد أصيد بقوسي وأصيد بكلبي المعلم والذي ليس معلما فأخبرني ما الذي يحل لنا من ذ‘لك فقال أما ما ذكرت أنك بأرض قوم أهل الكتاب تأكل في آنيتهم فإن وجدتم غير آنيتهم فلا تأكلوا فيها وإن لم تجدوا فاغسلوها ثم كلوا فيها وأما ما ذكرت أنك بأرض صيد فما صدت بقوسك فاذكر اسم الله ثم كل وما صدت بكلبك المعلم فاذكر اسم الله ثم كل وما صدت بكلبك الذي ليس معلما فأدركت ذكاته“ فكل.
আবূ সা’লাবা খুশানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আমরা আহলে কিতাব সম্প্রদায়ের এলাকায় বাস করি, তাদের পাত্রে আহার করি। আর আমরা শিকারের অঞ্চলে থাকি, শিকার করি তীর ধনুক দিয়ে, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর দিয়ে এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নয় এমন কুকুর দিয়েও। অতএব আমাকে বলে দিন, এর মধ্যে আমাদের জন্য কোন্টি হালাল? তিনি বললেনঃ তুমি যা উল্লেখ করেছ, তুমি আহলে কিতাব সম্প্রদায়ের এলাকায় বসবাস কর, তাদের পাত্রে খানা খাও। তবে যদি তাদের পাত্র ব্যাতীত অন্য পাত্রে পাও, তাহলে তাদের পাত্রে আহার কর না। আর যদি না পাও, তাহলে ঐগুলো ধুয়ে নিয়ে তাতে আহার করবে। আর তুমি উল্লেখ করেছ যে তুমি শিকারের অঞ্চলে থাক। তুমি যা তীর ধনুক দ্বারা শিকার কর, তাতে তুমি বিসমিল্লাহ পড়বে এবং তা খাবে। তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর দিয়ে যা শিকার কর, তাতে বিসমিল্লাহ পড়বে এবং তা খাবে। আর তুমি যদি প্রশিক্ষণহীন কুকুর দ্বারা শিকার কর, সেক্ষেত্রে যদি যবহ করা যায়, তাহলে খেতে পার।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৭৯)
আবূ সা’লাবা খুশানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আমরা আহলে কিতাব সম্প্রদায়ের এলাকায় বাস করি, তাদের পাত্রে আহার করি। আর আমরা শিকারের অঞ্চলে থাকি, শিকার করি তীর ধনুক দিয়ে, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর দিয়ে এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নয় এমন কুকুর দিয়েও। অতএব আমাকে বলে দিন, এর মধ্যে আমাদের জন্য কোন্টি হালাল? তিনি বললেনঃ তুমি যা উল্লেখ করেছ, তুমি আহলে কিতাব সম্প্রদায়ের এলাকায় বসবাস কর, তাদের পাত্রে খানা খাও। তবে যদি তাদের পাত্র ব্যাতীত অন্য পাত্রে পাও, তাহলে তাদের পাত্রে আহার কর না। আর যদি না পাও, তাহলে ঐগুলো ধুয়ে নিয়ে তাতে আহার করবে। আর তুমি উল্লেখ করেছ যে তুমি শিকারের অঞ্চলে থাক। তুমি যা তীর ধনুক দ্বারা শিকার কর, তাতে তুমি বিসমিল্লাহ পড়বে এবং তা খাবে। তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর দিয়ে যা শিকার কর, তাতে বিসমিল্লাহ পড়বে এবং তা খাবে। আর তুমি যদি প্রশিক্ষণহীন কুকুর দ্বারা শিকার কর, সেক্ষেত্রে যদি যবহ করা যায়, তাহলে খেতে পার।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৭৯)
أبو عاصم عن حيوة بن شريح ح و حدثني أحمد ابن أبي رجاء حدثنا سلمة بن سليمان عن ابن المبارك عن حيوة بن شريح قال سمعت ربيعة بن يزيد الدمشقي قال أخبرني أبو إدريس عائذ الله قال سمعت أبا ثعلبة الخشني يقول أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله إنا بأرض قوم أهل الكتاب نأكل في آنيتهم وأرض صيد أصيد بقوسي وأصيد بكلبي المعلم والذي ليس معلما فأخبرني ما الذي يحل لنا من ذ‘لك فقال أما ما ذكرت أنك بأرض قوم أهل الكتاب تأكل في آنيتهم فإن وجدتم غير آنيتهم فلا تأكلوا فيها وإن لم تجدوا فاغسلوها ثم كلوا فيها وأما ما ذكرت أنك بأرض صيد فما صدت بقوسك فاذكر اسم الله ثم كل وما صدت بكلبك المعلم فاذكر اسم الله ثم كل وما صدت بكلبك الذي ليس معلما فأدركت ذكاته“ فكل.
সহিহ বুখারী ৫৪৯০
إسماعيل قال حدثني مالك عن أبي النضر مولٰى عمر بن عبيد الله عن نافع مولٰى أبي قتادة عن أبي قتادة أنه“ كان مع رسول الله صلى الله عليه وسلم حتٰى إذا كان ببعض طريق مكة تخلف مع أصحاب له“ محرمين وهو غير محرم فرأٰى حمارا وحشيا فاستو‘ى علٰى فرسه„ ثم سأل أصحابه“ أن يناولوه“ سوطا فأبوا فسألهم رمحه“ فأبوا فأخذه“ ثم شد على الحمار فقتله“ فأكل منه“ بعض أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبٰى بعضهم فلما أدركوا رسول الله صلى الله عليه وسلم سألوه“ عن ذ‘لك فقال إنما هي طعمة أطعمكموها الله.
আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলেন। অবশেষে তিনি মক্কার কোন রাস্তা পর্যন্ত পৌঁছালে তিনি তাঁর কয়েকজন সঙ্গীসহ পেছনে পড়ে গেলেন। তাঁরা ছিলে ইহরাম বাঁধা অবস্থায়। আর তিনি ছিলেন ইহ্রাম বিহীন। তিনি একটি বন্য গাধা দেখতে পেয়ে তার ঘোড়ার উপর উঠলেন। তারপর সাথীদেরকে অনুরোধ করলেন তাঁর হাতে তাঁর চাবুক তুলে দিতে। তাঁরা অস্বীকার করলেন। অবশেষে তিনি নিজেই সেটি তুলে নিলেন এবং গাধাটির পিছনে দ্রুত গতিতে ছুটলেন এবং সেটিকে হত্যা করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীদের কেউ কেউ তা খেলেন, আবার কেউ কেউ তা খেতে অস্বীকার করলেন। পরিশেষে তাঁরা যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে পৌঁছালেন তখন তাঁরা এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলেন। তিনি বললেনঃ এটি তো এমন খাদ্য যা আল্লাহ তা’আলা তোমাদের খাওয়ার জন্য দিয়েছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৮১)
আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলেন। অবশেষে তিনি মক্কার কোন রাস্তা পর্যন্ত পৌঁছালে তিনি তাঁর কয়েকজন সঙ্গীসহ পেছনে পড়ে গেলেন। তাঁরা ছিলে ইহরাম বাঁধা অবস্থায়। আর তিনি ছিলেন ইহ্রাম বিহীন। তিনি একটি বন্য গাধা দেখতে পেয়ে তার ঘোড়ার উপর উঠলেন। তারপর সাথীদেরকে অনুরোধ করলেন তাঁর হাতে তাঁর চাবুক তুলে দিতে। তাঁরা অস্বীকার করলেন। অবশেষে তিনি নিজেই সেটি তুলে নিলেন এবং গাধাটির পিছনে দ্রুত গতিতে ছুটলেন এবং সেটিকে হত্যা করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীদের কেউ কেউ তা খেলেন, আবার কেউ কেউ তা খেতে অস্বীকার করলেন। পরিশেষে তাঁরা যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে পৌঁছালেন তখন তাঁরা এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলেন। তিনি বললেনঃ এটি তো এমন খাদ্য যা আল্লাহ তা’আলা তোমাদের খাওয়ার জন্য দিয়েছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৮১)
إسماعيل قال حدثني مالك عن أبي النضر مولٰى عمر بن عبيد الله عن نافع مولٰى أبي قتادة عن أبي قتادة أنه“ كان مع رسول الله صلى الله عليه وسلم حتٰى إذا كان ببعض طريق مكة تخلف مع أصحاب له“ محرمين وهو غير محرم فرأٰى حمارا وحشيا فاستو‘ى علٰى فرسه„ ثم سأل أصحابه“ أن يناولوه“ سوطا فأبوا فسألهم رمحه“ فأبوا فأخذه“ ثم شد على الحمار فقتله“ فأكل منه“ بعض أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبٰى بعضهم فلما أدركوا رسول الله صلى الله عليه وسلم سألوه“ عن ذ‘لك فقال إنما هي طعمة أطعمكموها الله.
সহিহ বুখারী > পর্বতে শিকার করা
সহিহ বুখারী ৫৪৯২
يحيٰى بن سليمان الجعفي قال حدثني ابن وهب أخبرنا عمرو أن أبا النضر حدثه“ عن نافع مولٰى أبي قتادة وأبي صالح مولٰى التوأمة سمعت أبا قتادة قال كنت مع النبي صلى الله عليه وسلم فيما بين مكة والمدينة وهم محرمون وأنا رجل حل علٰى فرس وكنت رقاء على الجبال فبينا أنا علٰى ذ‘لك إذ رأيت الناس متشوفين لشيء فذهبت أنظر فإذا هو حمار وحش فقلت لهم ما هٰذا قالوا لا ندري قلت هو حمار وحشي فقالوا هو ما رأيت وكنت نسيت سوطي فقلت لهم ناولوني سوطي فقالوا لا نعينك عليه فنزلت فأخذته“ ثم ضربت في أثره„ فلم يكن إلا ذ‘ك حتٰى عقرته“ فأتيت إليهم فقلت لهم قوموا فاحتملوا قالوا لا نمسه“ فحملته“ حتٰى جئتهم به„ فأبٰى بعضهم وأكل بعضهم فقلت لهم أنا أستوقف لكم النبي صلى الله عليه وسلمفأدركته“ فحدثته الحديث فقال لي أبقي معكم شيء منه“ قلت نعم فقال كلوا فهو طعم أطعمكموه الله.
আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি মাক্কাহ ও মদীনার মধ্যবর্তী সফরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম। অন্যরা ছিলেন ইহ্রাম বাঁধা অবস্থায়। আর আমি ছিলাম ইহ্রাম বিহীন এবং ঘোড়ার উপর সাওয়ার। পর্বত আরোহণে আমি ছিলাম দক্ষ। এমন সময়ে আমি লোকজনকে দেখলাম যে, তারা আগ্রহ নিয়ে কি যেন দেখছে। কাজেই আমিও দেখতে লাগলাম। হটাৎ দেখি একটি বন্য গাধা। আমি লোকজনকে জিজ্ঞেস করলামঃ এটি কি? তারা উত্তর দিলঃ আমরা জানি না। আমি বললামঃ এটি বন্য গাধা? তারা বললঃ এটি তাই তুমি যা দেখেছ। আমি আমার চাবুকের কথা ভুলে গিয়েছিলাম, তাই তাদের বললামঃ আমাকে আমার চাবুকটি তুলে দাও। তারা বললঃ আমরা তোমাকে এ ব্যাপারে সাহায্য করব না। কাজেই আমি নেমে চাবুকটি তুলে নিলাম। তারপর সেটির পেছনে ছুটলাম। অবশেষে আমি সেটিকে ঘায়েল করলাম এবং তাদের কাছে নিয়ে এসে বললামঃ যাও, এটাকে তুলে নিয়ে এসো। তারা বললঃ আমরা ওটিকে স্পর্শ করব না। তখন আমি নিজেই সেটিকে তুলে তাদের কাছে নিয়ে এলাম। তাদের মধ্যে কয়েকজন তা খেতে অসম্মতি প্রকাশ করল। আর কয়েকজন তা খেল। আমি বললামঃ আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট থেকে তোমাদের জন্য এ সম্পর্কে জেনে নেব। এরপর আমি তাঁকে পেলাম এবং এ ঘটনা শুনালাম। তিনি আমাকে বললেনঃ তোমাদের সঙ্গে সেটির অবশিষ্ট আছে কি? আমি বললামঃ হাঁ। তিনি বললেনঃ খাও। কারণ, এটি তো এমন খাদ্য যা আল্লাহ তোমাদের খাওয়ার জন্য দিয়েছেন।আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৮৩)
আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি মাক্কাহ ও মদীনার মধ্যবর্তী সফরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম। অন্যরা ছিলেন ইহ্রাম বাঁধা অবস্থায়। আর আমি ছিলাম ইহ্রাম বিহীন এবং ঘোড়ার উপর সাওয়ার। পর্বত আরোহণে আমি ছিলাম দক্ষ। এমন সময়ে আমি লোকজনকে দেখলাম যে, তারা আগ্রহ নিয়ে কি যেন দেখছে। কাজেই আমিও দেখতে লাগলাম। হটাৎ দেখি একটি বন্য গাধা। আমি লোকজনকে জিজ্ঞেস করলামঃ এটি কি? তারা উত্তর দিলঃ আমরা জানি না। আমি বললামঃ এটি বন্য গাধা? তারা বললঃ এটি তাই তুমি যা দেখেছ। আমি আমার চাবুকের কথা ভুলে গিয়েছিলাম, তাই তাদের বললামঃ আমাকে আমার চাবুকটি তুলে দাও। তারা বললঃ আমরা তোমাকে এ ব্যাপারে সাহায্য করব না। কাজেই আমি নেমে চাবুকটি তুলে নিলাম। তারপর সেটির পেছনে ছুটলাম। অবশেষে আমি সেটিকে ঘায়েল করলাম এবং তাদের কাছে নিয়ে এসে বললামঃ যাও, এটাকে তুলে নিয়ে এসো। তারা বললঃ আমরা ওটিকে স্পর্শ করব না। তখন আমি নিজেই সেটিকে তুলে তাদের কাছে নিয়ে এলাম। তাদের মধ্যে কয়েকজন তা খেতে অসম্মতি প্রকাশ করল। আর কয়েকজন তা খেল। আমি বললামঃ আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট থেকে তোমাদের জন্য এ সম্পর্কে জেনে নেব। এরপর আমি তাঁকে পেলাম এবং এ ঘটনা শুনালাম। তিনি আমাকে বললেনঃ তোমাদের সঙ্গে সেটির অবশিষ্ট আছে কি? আমি বললামঃ হাঁ। তিনি বললেনঃ খাও। কারণ, এটি তো এমন খাদ্য যা আল্লাহ তোমাদের খাওয়ার জন্য দিয়েছেন।আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৮৩)
يحيٰى بن سليمان الجعفي قال حدثني ابن وهب أخبرنا عمرو أن أبا النضر حدثه“ عن نافع مولٰى أبي قتادة وأبي صالح مولٰى التوأمة سمعت أبا قتادة قال كنت مع النبي صلى الله عليه وسلم فيما بين مكة والمدينة وهم محرمون وأنا رجل حل علٰى فرس وكنت رقاء على الجبال فبينا أنا علٰى ذ‘لك إذ رأيت الناس متشوفين لشيء فذهبت أنظر فإذا هو حمار وحش فقلت لهم ما هٰذا قالوا لا ندري قلت هو حمار وحشي فقالوا هو ما رأيت وكنت نسيت سوطي فقلت لهم ناولوني سوطي فقالوا لا نعينك عليه فنزلت فأخذته“ ثم ضربت في أثره„ فلم يكن إلا ذ‘ك حتٰى عقرته“ فأتيت إليهم فقلت لهم قوموا فاحتملوا قالوا لا نمسه“ فحملته“ حتٰى جئتهم به„ فأبٰى بعضهم وأكل بعضهم فقلت لهم أنا أستوقف لكم النبي صلى الله عليه وسلمفأدركته“ فحدثته الحديث فقال لي أبقي معكم شيء منه“ قلت نعم فقال كلوا فهو طعم أطعمكموه الله.
সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহ্র ইরশাদঃ তোমাদের জন্য সমুদ্রের শিকার হালাল করা হয়েছে . . .. . . .. . . .. . । (সূরাহ আল-মায়িদাহ ৫/৯৬)
সহিহ বুখারী ৫৪৯৪
عبد الله بن محمد أخبرنا سفيان عن عمرو قال سمعت جابرا يقول بعثنا النبي صلى الله عليه وسلم ثلاث مائة راكب وأميرنا أبو عبيدة نرصد عيرا لقريش فأصابنا جوع شديد حتٰى أكلنا الخبط فسمي جيش الخبط وألقى البحر حوتا يقال له العنبر فأكلنا نصف شهر وادهنا بودكه„ حتٰى صلحت أجسامنا قال فأخذ أبو عبيدة ضلعا من أضلاعه„ فنصبه“ فمر الراكب تحته“ وكان فينا رجل فلما اشتد الجوع نحر ثلاث جزائر ثم ثلاث جزائر ثم نهاه“ أبو عبيدة.
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের তিনশ’ সাওয়ার পাঠালেন- আমাদের সেনাপতি ছিলেন আবূ ‘উবাদাহ (রাঃ)। উদ্দেশ্য ছিল আমরা যেন কুরাইশদের একটি কাফেলার অপেক্ষা করি। তখন আমাদের অত্যান্ত ক্ষিধে পেল। এমন কি আমরা ............ (গাছের পাতা) খেতে আরম্ভ করলাম। ফলে এ বাহিনীর নামকরণ করা হয় “জায়শুল খাবত”। তখন সমুদ্র আম্বর নামক একটি মাছ পাড়ে নিক্ষেপ করে। আমরা এটি অর্ধমাস আহার করলাম। আমরা এর চর্বি তেল রুপে গায়ে মাখতাম। ফলে আমাদের শরীর সতেজ হতে উঠে। আবূ ‘উবাইদাহ (রাঃ) মাছটির পাঁজরের কাঁটাগুলোর একটি খাড়া করে ধরলেন, তখন একজন আশ্বারোহী তার নিচ দিয়ে অতিক্রম করে গেল। আমাদের মধ্যে (কায়েস ইবনু না’দ) এক ব্যাক্তি ছিলেন, খাদ্যাভাব তখন ভীষণ আকার ধারণ করেছিল। তখন তিনি তিনটি উট যবাহ করেন। তারপর আরো তিনটি যবহ করেন। এরপর আবূ ‘উবাইদাহ (রাঃ) তাঁকে নিষেধ করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৮৫)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের তিনশ’ সাওয়ার পাঠালেন- আমাদের সেনাপতি ছিলেন আবূ ‘উবাদাহ (রাঃ)। উদ্দেশ্য ছিল আমরা যেন কুরাইশদের একটি কাফেলার অপেক্ষা করি। তখন আমাদের অত্যান্ত ক্ষিধে পেল। এমন কি আমরা ............ (গাছের পাতা) খেতে আরম্ভ করলাম। ফলে এ বাহিনীর নামকরণ করা হয় “জায়শুল খাবত”। তখন সমুদ্র আম্বর নামক একটি মাছ পাড়ে নিক্ষেপ করে। আমরা এটি অর্ধমাস আহার করলাম। আমরা এর চর্বি তেল রুপে গায়ে মাখতাম। ফলে আমাদের শরীর সতেজ হতে উঠে। আবূ ‘উবাইদাহ (রাঃ) মাছটির পাঁজরের কাঁটাগুলোর একটি খাড়া করে ধরলেন, তখন একজন আশ্বারোহী তার নিচ দিয়ে অতিক্রম করে গেল। আমাদের মধ্যে (কায়েস ইবনু না’দ) এক ব্যাক্তি ছিলেন, খাদ্যাভাব তখন ভীষণ আকার ধারণ করেছিল। তখন তিনি তিনটি উট যবাহ করেন। তারপর আরো তিনটি যবহ করেন। এরপর আবূ ‘উবাইদাহ (রাঃ) তাঁকে নিষেধ করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৮৫)
عبد الله بن محمد أخبرنا سفيان عن عمرو قال سمعت جابرا يقول بعثنا النبي صلى الله عليه وسلم ثلاث مائة راكب وأميرنا أبو عبيدة نرصد عيرا لقريش فأصابنا جوع شديد حتٰى أكلنا الخبط فسمي جيش الخبط وألقى البحر حوتا يقال له العنبر فأكلنا نصف شهر وادهنا بودكه„ حتٰى صلحت أجسامنا قال فأخذ أبو عبيدة ضلعا من أضلاعه„ فنصبه“ فمر الراكب تحته“ وكان فينا رجل فلما اشتد الجوع نحر ثلاث جزائر ثم ثلاث جزائر ثم نهاه“ أبو عبيدة.
সহিহ বুখারী ৫৪৯৩
مسدد حدثنا يحيٰى عن ابن جريج قال أخبرني عمرو أنه“ سمع جابرا يقول غزونا جيش الخبط وأمر أبو عبيدة فجعنا جوعا شديدا فألقى البحر حوتا ميتا لم ير مثله“ يقال له العنبر فأكلنا منه“ نصف شهر فأخذ أبو عبيدة عظما من عظامه„ فمر الراكب تحته.
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা ‘জায়শুল খাবত’ অভিযানে ছিলাম। আমাদের সেনাপতি করা হয়েছিল আবূ ‘উবাইদাহ (রাঃ)-কে। এক সময় আমরা অত্যাধিক ক্ষুধার্ত হয়ে পড়লে, সমুদ্র এমন একটি মৃত মাছ তীরে নিক্ষেপ করল যে, এত বড় মাছ কখনো দেখা যায়নি। এটকে ‘আম্বর’ বলা হয়। আমরা অর্ধমাস এটি খেলাম। আবূ ‘উবাদাহ (রাঃ) এর একটি হাড় তুলে ধরলেন এবং এর নীচে দিয়ে একজন অশ্বারোহী (অনায়াসে) অতিক্রম করে গেল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৮৪)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা ‘জায়শুল খাবত’ অভিযানে ছিলাম। আমাদের সেনাপতি করা হয়েছিল আবূ ‘উবাইদাহ (রাঃ)-কে। এক সময় আমরা অত্যাধিক ক্ষুধার্ত হয়ে পড়লে, সমুদ্র এমন একটি মৃত মাছ তীরে নিক্ষেপ করল যে, এত বড় মাছ কখনো দেখা যায়নি। এটকে ‘আম্বর’ বলা হয়। আমরা অর্ধমাস এটি খেলাম। আবূ ‘উবাদাহ (রাঃ) এর একটি হাড় তুলে ধরলেন এবং এর নীচে দিয়ে একজন অশ্বারোহী (অনায়াসে) অতিক্রম করে গেল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৮৪)
مسدد حدثنا يحيٰى عن ابن جريج قال أخبرني عمرو أنه“ سمع جابرا يقول غزونا جيش الخبط وأمر أبو عبيدة فجعنا جوعا شديدا فألقى البحر حوتا ميتا لم ير مثله“ يقال له العنبر فأكلنا منه“ نصف شهر فأخذ أبو عبيدة عظما من عظامه„ فمر الراكب تحته.