সহিহ বুখারী > ‘সারীদ’ প্রসঙ্গে

সহিহ বুখারী ৫৪১৮

محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن عمرو بن مرة الجملي عن مرة الهمداني عن أبي موسٰى الأشعري عن النبي صلى الله عليه وسلم قال كمل من الرجال كثير ولم يكمل من النساء إلا مريم بنت عمران وآسية امرأة فرعون وفضل عائشة علٰى النساء كفضل الثريد علٰى سائر الطعام.

আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পুরুষদের মধ্যে অনেকেই কামেল হতে পেরেছে। কিন্তু স্ত্রীলোকদের মধ্য ‘ইমরান কন্যা মারইয়াম এবং ফিরাউন পত্নী আসিয়া ছাড়া অন্য কেউই কামেল হতে পারেনি। স্ত্রী লোকদের মধ্যে ‘আয়িশাহ্‌র মর্যাদাও তেমন, খাদ্যের মধ্যে যেমন সারীদের মর্যাদা।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯১১)

আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পুরুষদের মধ্যে অনেকেই কামেল হতে পেরেছে। কিন্তু স্ত্রীলোকদের মধ্য ‘ইমরান কন্যা মারইয়াম এবং ফিরাউন পত্নী আসিয়া ছাড়া অন্য কেউই কামেল হতে পারেনি। স্ত্রী লোকদের মধ্যে ‘আয়িশাহ্‌র মর্যাদাও তেমন, খাদ্যের মধ্যে যেমন সারীদের মর্যাদা।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯১১)

محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن عمرو بن مرة الجملي عن مرة الهمداني عن أبي موسٰى الأشعري عن النبي صلى الله عليه وسلم قال كمل من الرجال كثير ولم يكمل من النساء إلا مريم بنت عمران وآسية امرأة فرعون وفضل عائشة علٰى النساء كفضل الثريد علٰى سائر الطعام.


সহিহ বুখারী ৫৪১৯

عمرو بن عون حدثنا خالد بن عبد الله عن أبي طوالة عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم قال فضل عائشة علٰى النساء كفضل الثريد علٰى سائر الطعام.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সমস্ত স্ত্রী লোকদের মধ্যে ‘আয়িশাহ্‌র মর্যাদা তেমন, খাদ্যের মধ্যে যেমন সারীদের মর্যাদা। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯১২)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সমস্ত স্ত্রী লোকদের মধ্যে ‘আয়িশাহ্‌র মর্যাদা তেমন, খাদ্যের মধ্যে যেমন সারীদের মর্যাদা। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯১২)

عمرو بن عون حدثنا خالد بن عبد الله عن أبي طوالة عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم قال فضل عائشة علٰى النساء كفضل الثريد علٰى سائر الطعام.


সহিহ বুখারী ৫৪২০

عبد الله بن منير سمع أبا حاتم الأشهل بن حاتم حدثنا ابن عون عن ثمامة بن أنس عن أنس قال دخلت مع النبي صلى الله عليه وسلم علٰى غلام له“ خياط فقدم إليه قصعة فيها ثريد قال وأقبل علٰى عمله„ قال فجعل النبي صلى الله عليه وسلم يتتبع الدباء قال فجعلت أتتبعه“ فأضعه“ بين يديه قال فما زلت بعد أحب الدباء.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে তাঁর এক দর্জি গোলামের বাড়ীতে গেলাম। সে তাঁর সম্মুখে সারীদের পেয়ালা হাজির করল এবং নিজের কাজে লেগে গেল। আনাস (রাঃ) বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কদু বেছে নিতে শুরু করলে আমি কদুর টুকরাগুলো বেছে তাঁর সামনে দিতে লাগলাম এবং তখন থেকে আমি কদু পছন্দ করতে শুরু করি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯১৩)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে তাঁর এক দর্জি গোলামের বাড়ীতে গেলাম। সে তাঁর সম্মুখে সারীদের পেয়ালা হাজির করল এবং নিজের কাজে লেগে গেল। আনাস (রাঃ) বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কদু বেছে নিতে শুরু করলে আমি কদুর টুকরাগুলো বেছে তাঁর সামনে দিতে লাগলাম এবং তখন থেকে আমি কদু পছন্দ করতে শুরু করি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯১৩)

عبد الله بن منير سمع أبا حاتم الأشهل بن حاتم حدثنا ابن عون عن ثمامة بن أنس عن أنس قال دخلت مع النبي صلى الله عليه وسلم علٰى غلام له“ خياط فقدم إليه قصعة فيها ثريد قال وأقبل علٰى عمله„ قال فجعل النبي صلى الله عليه وسلم يتتبع الدباء قال فجعلت أتتبعه“ فأضعه“ بين يديه قال فما زلت بعد أحب الدباء.


সহিহ বুখারী > ভুনা বক্‌রী এবং স্কন্ধ ও পার্শ্বদেশ

সহিহ বুখারী ৫৪২১

هدبة بن خالد حدثنا همام بن يحيٰى عن قتادة قال كنا نأتي أنس بن مالك وخبازه“ قائم قال كلوا فما أعلم النبي صلى الله عليه وسلم رأٰى رغيفا مرققا حتٰى لحق بالله ولا رأٰى شاة سميطا بعينه„ قط.

ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা আনাস ইবনু মালিকের কাছে গেলাম। তাঁর বাবুর্চি সেখানে দাঁড়িয়ে ছিল। তিনি বললেনঃ আহার কর! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্‌র সঙ্গে মিলিত হবার পূর্ব পর্যন্ত পাতলা রুটি দেখেছেন বলে আমার জানা নেই এবং তিনি ভুনা বকরী কখনও চোখে দেখেননি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯১৪)

ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা আনাস ইবনু মালিকের কাছে গেলাম। তাঁর বাবুর্চি সেখানে দাঁড়িয়ে ছিল। তিনি বললেনঃ আহার কর! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্‌র সঙ্গে মিলিত হবার পূর্ব পর্যন্ত পাতলা রুটি দেখেছেন বলে আমার জানা নেই এবং তিনি ভুনা বকরী কখনও চোখে দেখেননি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯১৪)

هدبة بن خالد حدثنا همام بن يحيٰى عن قتادة قال كنا نأتي أنس بن مالك وخبازه“ قائم قال كلوا فما أعلم النبي صلى الله عليه وسلم رأٰى رغيفا مرققا حتٰى لحق بالله ولا رأٰى شاة سميطا بعينه„ قط.


সহিহ বুখারী ৫৪২২

محمد بن مقاتل أخبرنا عبد الله أخبرنا معمر عن الزهري عن جعفر بن عمرو بن أمية الضمري عن أبيه قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يحتز من كتف شاة فأكل منها فدعي إلٰى الصلاة فقام فطرح السكين فصلٰى ولم يتوضأ.

‘আম্‌র ইবনু উমাইয়্যাহ যামরী (রাঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বকরীর ঘাড় থেকে গোশ্‌ত কাটতে দেখেছি। তিনি তা থেকে আহার করলেন। তারপর যখন সলাতের দিকে আহ্বান করা হল, তখন তিনি উঠলেন এবং চাকুটি রেখে দিয়ে সলাত আদায় করলেন। অথচ তিনি (নতুন করে) অযূ করেননি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯১৫)

‘আম্‌র ইবনু উমাইয়্যাহ যামরী (রাঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বকরীর ঘাড় থেকে গোশ্‌ত কাটতে দেখেছি। তিনি তা থেকে আহার করলেন। তারপর যখন সলাতের দিকে আহ্বান করা হল, তখন তিনি উঠলেন এবং চাকুটি রেখে দিয়ে সলাত আদায় করলেন। অথচ তিনি (নতুন করে) অযূ করেননি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯১৫)

محمد بن مقاتل أخبرنا عبد الله أخبرنا معمر عن الزهري عن جعفر بن عمرو بن أمية الضمري عن أبيه قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يحتز من كتف شاة فأكل منها فدعي إلٰى الصلاة فقام فطرح السكين فصلٰى ولم يتوضأ.


সহিহ বুখারী > পূর্ববর্তী মনীষীগণ তাঁদের বাড়ীতে ও সফরে গোশ্‌ত এবং অন্যান্য যেসব খাদ্য সঞ্চিত রাখতেন।

সহিহ বুখারী ৫৪২৪

عبد الله بن محمد حدثنا سفيان عن عمرو عن عطاء عن جابر قال كنا نتزود لحوم الهدي علٰى عهد النبي صلى الله عليه وسلم إلى المدينة تابعه“ محمد عن ابن عيينة وقال ابن جريج قلت لعطاء أقال حتٰى جئنا المدينة قال لا.

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে আমরা কুরবানীর গোশ্‌ত মাদীনাহ পর্যন্ত সফরের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করতাম। মুহাম্মাদ (রহঃ) ইবনু ‘উয়াইনাহ থেকে এরকমই বর্ণনা করেছেন। ইবনু জুরাইয বলেন, আমি ‘আত্বাকে জিজ্ঞেস করলাম, জাবির (রাঃ) কি এ কথা বলেছেন যে, ‘এমন কি আমরা মাদীনাহ পর্যন্ত এলাম’। তিনি বললেনঃ না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯১৭)

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে আমরা কুরবানীর গোশ্‌ত মাদীনাহ পর্যন্ত সফরের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করতাম। মুহাম্মাদ (রহঃ) ইবনু ‘উয়াইনাহ থেকে এরকমই বর্ণনা করেছেন। ইবনু জুরাইয বলেন, আমি ‘আত্বাকে জিজ্ঞেস করলাম, জাবির (রাঃ) কি এ কথা বলেছেন যে, ‘এমন কি আমরা মাদীনাহ পর্যন্ত এলাম’। তিনি বললেনঃ না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯১৭)

عبد الله بن محمد حدثنا سفيان عن عمرو عن عطاء عن جابر قال كنا نتزود لحوم الهدي علٰى عهد النبي صلى الله عليه وسلم إلى المدينة تابعه“ محمد عن ابن عيينة وقال ابن جريج قلت لعطاء أقال حتٰى جئنا المدينة قال لا.


সহিহ বুখারী ৫৪২৩

خلاد بن يحيٰى حدثنا سفيان عن عبد الرحمٰن بن عابس عن أبيه قال قلت لعائشة أنهٰى النبي صلى الله عليه وسلم أن تؤكل لحوم الأضاحي فوق ثلاث قالت ما فعله“ إلا في عام جاع الناس فيه فأراد أن يطعم الغني الفقير وإن كنا لنرفع الكراع فنأكله“ بعد خمس عشرة قيل ما اضطركم إليه فضحكت قالت ما شبع آل محمد صلى الله عليه وسلم من خبز بر مأدوم ثلاثة أيام حتٰى لحق بالله وقال ابن كثير أخبرنا سفيان حدثنا عبد الرحمٰن بن عابس بهذا.

‘আবিস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ) -কে জিজ্ঞেস করলামঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি কুরবানীর গোশ্‌ত তিন দিনের অধিক সময় খেতে নিষেধ করেছেন? তিনি বললেনঃ সেই বছরেই কেবল নিষেধ করেছিলেন, যে বছর মানুষ অনাহারের কবলে পড়েছিল। তিনি চেয়েছিলেন যেন ধনীরা গরীবদের খাওয়ায়। আমরা তো বকরীর পায়াগুলো তুলে রাখতাম এবং পনের দিন পর তা খেতাম। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলঃ কিসে আপনাদের এগুলো খেতে বাধ্য করত? তিনি হেসে বললেনঃ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্‌র সঙ্গে মিলিত হবার পূর্ব পর্যন্ত তাঁর পরিবার পরিজন এক নাগাড়ে তিনদিন তরকারীসহ গমের রুটি পেট ভরে খাননি। অন্য সনদে ইবনু কাসীর বলেছেন, সুফিয়ান (রহঃ) ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আবিস সূত্রে উক্ত হাদীসটি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯১৬)

‘আবিস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ) -কে জিজ্ঞেস করলামঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি কুরবানীর গোশ্‌ত তিন দিনের অধিক সময় খেতে নিষেধ করেছেন? তিনি বললেনঃ সেই বছরেই কেবল নিষেধ করেছিলেন, যে বছর মানুষ অনাহারের কবলে পড়েছিল। তিনি চেয়েছিলেন যেন ধনীরা গরীবদের খাওয়ায়। আমরা তো বকরীর পায়াগুলো তুলে রাখতাম এবং পনের দিন পর তা খেতাম। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলঃ কিসে আপনাদের এগুলো খেতে বাধ্য করত? তিনি হেসে বললেনঃ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্‌র সঙ্গে মিলিত হবার পূর্ব পর্যন্ত তাঁর পরিবার পরিজন এক নাগাড়ে তিনদিন তরকারীসহ গমের রুটি পেট ভরে খাননি। অন্য সনদে ইবনু কাসীর বলেছেন, সুফিয়ান (রহঃ) ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আবিস সূত্রে উক্ত হাদীসটি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯১৬)

خلاد بن يحيٰى حدثنا سفيان عن عبد الرحمٰن بن عابس عن أبيه قال قلت لعائشة أنهٰى النبي صلى الله عليه وسلم أن تؤكل لحوم الأضاحي فوق ثلاث قالت ما فعله“ إلا في عام جاع الناس فيه فأراد أن يطعم الغني الفقير وإن كنا لنرفع الكراع فنأكله“ بعد خمس عشرة قيل ما اضطركم إليه فضحكت قالت ما شبع آل محمد صلى الله عليه وسلم من خبز بر مأدوم ثلاثة أيام حتٰى لحق بالله وقال ابن كثير أخبرنا سفيان حدثنا عبد الرحمٰن بن عابس بهذا.


সহিহ বুখারী > হায়স প্রসঙ্গে

সহিহ বুখারী ৫৪২৫

قتيبة حدثنا إسماعيل بن جعفر عن عمرو بن أبي عمرو مولى المطلب بن عبد الله بن حنطب أنه“ سمع أنس بن مالك يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لأ÷بي طلحة التمس غلاما من غلمانكم يخدمني فخرج بي أبو طلحة يردفني وراءه“فكنت أخدم رسول الله صلى الله عليه وسلم كلما نزل فكنت أسمعه“ يكثر أن يقول اللهم إني أعوذ بك من الهم والحزن والعجز والكسل والبخل والجبن وضلع الدين وغلبة الرجال فلم أزل أخدمه“ حتٰى أقبلنا من خيبر وأقبل بصفية بنت حيي قد حازها فكنت أراه“ يحوي لها وراءه“ بعباءة أو بكساء ثم يردفها وراءه“ حتٰى إذا كنا بالصهباء صنع حيسا في نطع ثم أرسلني فدعوت رجالا فأكلوا وكان ذ‘لك بناءه“ بها ثم أقبل حتٰى إذا بدا له“ أحد قال هٰذا جبل يحبنا ونحبه“ فلما أشرف على المدينة قال اللهم إني أحرم ما بين جبليها مثل ما حرم به„ إبراهيم مكة اللهم بارك لهم في مدهم وصاعهم.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ ত্বলহাকে বললেনঃ তোমাদের ছেলেদের মধ্য থেকে একটি ছেলে খুঁজে আন, যে আমার খেদমত করবে। আবূ ত্বলহা আমাকেই তার সাওয়ারীর পেছনে বসিয়ে নিয়ে আসলেন। তাই আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমত করতে থাকলাম। যখনই তিনি কোন মনযিলে অবতরণ করতেন, আমি তাকে প্রায়ই বলেত শুনতাম, আয় আল্লাহ! আমি তোমার কাছে, অস্বস্তি, দুশ্চিন্তা, অক্ষমতা, অলসতা, কৃপণতা, ভীরুতা ঋণের ভার এবং মানুষের আধিপত্য থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আর আমি সর্বদা তাঁর খিদমতে নিয়োজিত ছিলাম। এই অবস্থায় আমরা খাইবার থেকে প্রত্যাবর্তন করলাম। তিনি [রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ] গনীমত হিসাবে প্রাপ্ত সফিয়্যা বিন্‌ত হুয়ায়কে সঙ্গে নিয়ে ফিরলেন। আমি লক্ষ্য করলাম, তিনি তাঁর সাওয়ার করলেন। এভাবে যখন ‘আম্‌র সাহ্‌বা নামক স্থানে হাজির হলাম, তখন তিনি চামড়ার দস্তরখানে হাইস তৈরী করলেন। তারপর তিনি আমাকে পাঠালেন। আমি লোকজনকে দাওয়াত করলাম। (তারা এসে) আহার করল। এই ছিল তাঁর সঙ্গে তাঁর বাসর যাপন। তারপর তিনি এগিয়ে চললেন। ওহুদ পর্বত নজরে পড়ল, তিনি বললেনঃ এ পর্বতটি আমাদের ভালবাসে এবং আমরাও তাকে ভালোবাসি। [৪৩] তারপর যখন মাদীনাহ তার নজরে পড়ল, তখন তিনি বললেনঃ আল্লাহ্‌! আমি এর দু’ পর্বতের মধ্যবর্তী এলাকাকে হরম (সম্মানিত) বলে ঘোষণা করছি, যেভাবে ইবরাহীম (আরবী) মাক্কাহকে হরম (সম্মানিত) বলে ঘোষণা করেছিলেন। হ্যাঁ আল্লাহ্‌! এর অধিবাসীদের মুদ্‌ ও সা‘ এর মধ্যে বারাকাত দাও।[৩৭১; মুসলিম ১৫/৮৫, হাঃ ১৩৬৫, আহমাদ ১২৬১২] আধুনিক প্রকাশনী- ৫০২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯১৮)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ ত্বলহাকে বললেনঃ তোমাদের ছেলেদের মধ্য থেকে একটি ছেলে খুঁজে আন, যে আমার খেদমত করবে। আবূ ত্বলহা আমাকেই তার সাওয়ারীর পেছনে বসিয়ে নিয়ে আসলেন। তাই আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমত করতে থাকলাম। যখনই তিনি কোন মনযিলে অবতরণ করতেন, আমি তাকে প্রায়ই বলেত শুনতাম, আয় আল্লাহ! আমি তোমার কাছে, অস্বস্তি, দুশ্চিন্তা, অক্ষমতা, অলসতা, কৃপণতা, ভীরুতা ঋণের ভার এবং মানুষের আধিপত্য থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আর আমি সর্বদা তাঁর খিদমতে নিয়োজিত ছিলাম। এই অবস্থায় আমরা খাইবার থেকে প্রত্যাবর্তন করলাম। তিনি [রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ] গনীমত হিসাবে প্রাপ্ত সফিয়্যা বিন্‌ত হুয়ায়কে সঙ্গে নিয়ে ফিরলেন। আমি লক্ষ্য করলাম, তিনি তাঁর সাওয়ার করলেন। এভাবে যখন ‘আম্‌র সাহ্‌বা নামক স্থানে হাজির হলাম, তখন তিনি চামড়ার দস্তরখানে হাইস তৈরী করলেন। তারপর তিনি আমাকে পাঠালেন। আমি লোকজনকে দাওয়াত করলাম। (তারা এসে) আহার করল। এই ছিল তাঁর সঙ্গে তাঁর বাসর যাপন। তারপর তিনি এগিয়ে চললেন। ওহুদ পর্বত নজরে পড়ল, তিনি বললেনঃ এ পর্বতটি আমাদের ভালবাসে এবং আমরাও তাকে ভালোবাসি। [৪৩] তারপর যখন মাদীনাহ তার নজরে পড়ল, তখন তিনি বললেনঃ আল্লাহ্‌! আমি এর দু’ পর্বতের মধ্যবর্তী এলাকাকে হরম (সম্মানিত) বলে ঘোষণা করছি, যেভাবে ইবরাহীম (আরবী) মাক্কাহকে হরম (সম্মানিত) বলে ঘোষণা করেছিলেন। হ্যাঁ আল্লাহ্‌! এর অধিবাসীদের মুদ্‌ ও সা‘ এর মধ্যে বারাকাত দাও।[৩৭১; মুসলিম ১৫/৮৫, হাঃ ১৩৬৫, আহমাদ ১২৬১২] আধুনিক প্রকাশনী- ৫০২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯১৮)

قتيبة حدثنا إسماعيل بن جعفر عن عمرو بن أبي عمرو مولى المطلب بن عبد الله بن حنطب أنه“ سمع أنس بن مالك يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لأ÷بي طلحة التمس غلاما من غلمانكم يخدمني فخرج بي أبو طلحة يردفني وراءه“فكنت أخدم رسول الله صلى الله عليه وسلم كلما نزل فكنت أسمعه“ يكثر أن يقول اللهم إني أعوذ بك من الهم والحزن والعجز والكسل والبخل والجبن وضلع الدين وغلبة الرجال فلم أزل أخدمه“ حتٰى أقبلنا من خيبر وأقبل بصفية بنت حيي قد حازها فكنت أراه“ يحوي لها وراءه“ بعباءة أو بكساء ثم يردفها وراءه“ حتٰى إذا كنا بالصهباء صنع حيسا في نطع ثم أرسلني فدعوت رجالا فأكلوا وكان ذ‘لك بناءه“ بها ثم أقبل حتٰى إذا بدا له“ أحد قال هٰذا جبل يحبنا ونحبه“ فلما أشرف على المدينة قال اللهم إني أحرم ما بين جبليها مثل ما حرم به„ إبراهيم مكة اللهم بارك لهم في مدهم وصاعهم.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00