সহিহ বুখারী > মু’মিন ব্যক্তি এক পেটে খায়।

সহিহ বুখারী ৫৩৯৩

محمد بن بشار حدثنا عبد الصمد حدثنا شعبة عن واقد بن محمد عن نافع قال كان ابن عمر لا يأكل حتٰى يؤتٰى بمسكين يأكل معه“ فأدخلت رجلا يأكل معه“ فأكل كثيرا فقال يا نافع لا تدخل هٰذا علي سمعت النبي صلى الله عليه وسلميقول المؤمن يأكل في معى واحد والكافر يأكل في سبعة أمعاء.

মুহাম্মাদ ইবনু বাশ্‌শার (রহঃ) নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) ততক্ষণ পর্যন্ত আহার করতেন না যতক্ষণ না তাঁর সঙ্গের খাওয়ার জন্য একজন মিসকীনকে ডেকে আনা হতো। একদা আমি তাঁর সঙ্গে বসে খাওয়ার জন্য এক ব্যক্তিকে নিয়ে আসলাম। লোকটি খুব অধিক আহার করল। তিনি বললেনঃ নাফি’! এমন মানুষ কে আমার কাছে নিয়ে আসবে না। আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি, মু’মিন এক পেটে খায়। আর কাফির সাত পেটে খায়।[৫৩৯৪; মুসলিম ৩৬/৩৪, হাঃ ২০৬০, আহমাদ ১৫২২০] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৮৮)

মুহাম্মাদ ইবনু বাশ্‌শার (রহঃ) নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) ততক্ষণ পর্যন্ত আহার করতেন না যতক্ষণ না তাঁর সঙ্গের খাওয়ার জন্য একজন মিসকীনকে ডেকে আনা হতো। একদা আমি তাঁর সঙ্গে বসে খাওয়ার জন্য এক ব্যক্তিকে নিয়ে আসলাম। লোকটি খুব অধিক আহার করল। তিনি বললেনঃ নাফি’! এমন মানুষ কে আমার কাছে নিয়ে আসবে না। আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি, মু’মিন এক পেটে খায়। আর কাফির সাত পেটে খায়।[৫৩৯৪; মুসলিম ৩৬/৩৪, হাঃ ২০৬০, আহমাদ ১৫২২০] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৮৮)

محمد بن بشار حدثنا عبد الصمد حدثنا شعبة عن واقد بن محمد عن نافع قال كان ابن عمر لا يأكل حتٰى يؤتٰى بمسكين يأكل معه“ فأدخلت رجلا يأكل معه“ فأكل كثيرا فقال يا نافع لا تدخل هٰذا علي سمعت النبي صلى الله عليه وسلميقول المؤمن يأكل في معى واحد والكافر يأكل في سبعة أمعاء.


সহিহ বুখারী ৫৩৯৫

علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن عمرو قال كان أبو نهيك رجلا أكولا فقال له ابن عمر إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن الكافر يأكل في سبعة أمعاء فقال فأنا أومن بالله ورسوله.

‘আম্‌র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আবূ নাহীক খুব বেশী ভোজনকারী লোক ছিলেন। ইবনু ‘উমার (রাঃ) তাঁকে বললেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কাফির সাত পেটে খায়। আবূ নাহীক বললেনঃ আমি তো আল্লাহ্‌ ও তাঁর রসূলের প্রতি ঈমান পোষণ করি। [৫৩৯৪; মুসলিম ৩৬/৩৪, হাঃ ২০৬০, ২০৬১, আহমাদ ১৫২২০] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৯০)

‘আম্‌র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আবূ নাহীক খুব বেশী ভোজনকারী লোক ছিলেন। ইবনু ‘উমার (রাঃ) তাঁকে বললেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কাফির সাত পেটে খায়। আবূ নাহীক বললেনঃ আমি তো আল্লাহ্‌ ও তাঁর রসূলের প্রতি ঈমান পোষণ করি। [৫৩৯৪; মুসলিম ৩৬/৩৪, হাঃ ২০৬০, ২০৬১, আহমাদ ১৫২২০] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৯০)

علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن عمرو قال كان أبو نهيك رجلا أكولا فقال له ابن عمر إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن الكافر يأكل في سبعة أمعاء فقال فأنا أومن بالله ورسوله.


সহিহ বুখারী ৫৩৯৭

سليمان بن حرب حدثنا شعبة عن عدي بن ثابت عن أبي حازم عن أبي هريرة أن رجلا كان يأكل أكلا كثيرا فأسلم فكان يأكل أكلا قليلا فذكر ذ‘لك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال إن المؤمن يأكل في معى واحد والكافر يأكل في سبعة أمعاء.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক লোক খুব বেশী পরিমাণে আহার করত। লোকটি মুসলিম হলে অল্প আহার করতে লাগল। ব্যপারটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক কাছে উল্লেখ করা হলে তিনি বললেনঃ মু’মিন এক পেটে খায়, আর কাফির খায় সাত পেটে।[৫৩৯৯; মুসলিম ৩৬/৩৫, হাঃ ৬০৬৩, ৬০৬৪, আহমাদ ৭৭৭৭] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৯২)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক লোক খুব বেশী পরিমাণে আহার করত। লোকটি মুসলিম হলে অল্প আহার করতে লাগল। ব্যপারটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক কাছে উল্লেখ করা হলে তিনি বললেনঃ মু’মিন এক পেটে খায়, আর কাফির খায় সাত পেটে।[৫৩৯৯; মুসলিম ৩৬/৩৫, হাঃ ৬০৬৩, ৬০৬৪, আহমাদ ৭৭৭৭] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৯২)

سليمان بن حرب حدثنا شعبة عن عدي بن ثابت عن أبي حازم عن أبي هريرة أن رجلا كان يأكل أكلا كثيرا فأسلم فكان يأكل أكلا قليلا فذكر ذ‘لك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال إن المؤمن يأكل في معى واحد والكافر يأكل في سبعة أمعاء.


সহিহ বুখারী ৫৩৯৪

محمد بن سلام أخبرنا عبدة عن عبيد الله عن نافع عن ابن عمر قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن المؤمن يأكل في معى واحد وإن الكافر أو المنافق فلا أدري أيهما قال عبيد الله يأكل في سبعة أمعاء وقال ابن بكير حدثنا مالك عن نافع عن ابن عمر عن النبيصلى الله عليه وسلم بمثله.

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মু’মিন এক পেটে খায় আর কাফির অথবা বলেছেন, মুনাফিক; রাবী বলেন, এ দু’টি শব্দের মধ্যে আমার সন্দেহ আছে যে, বর্ণনাকারী কোনটি বলেছেন- ‘উবাইদুল্লাহ বলেনঃ সাত পেটে খায়। ইবনু বুকাইর বলেন, মালিক (রহঃ) নাফি’ (রহঃ)-এর সূত্রে ইবনু ‘উমার থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে একই রকম হাদীস বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৮৯)

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মু’মিন এক পেটে খায় আর কাফির অথবা বলেছেন, মুনাফিক; রাবী বলেন, এ দু’টি শব্দের মধ্যে আমার সন্দেহ আছে যে, বর্ণনাকারী কোনটি বলেছেন- ‘উবাইদুল্লাহ বলেনঃ সাত পেটে খায়। ইবনু বুকাইর বলেন, মালিক (রহঃ) নাফি’ (রহঃ)-এর সূত্রে ইবনু ‘উমার থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে একই রকম হাদীস বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৮৯)

محمد بن سلام أخبرنا عبدة عن عبيد الله عن نافع عن ابن عمر قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن المؤمن يأكل في معى واحد وإن الكافر أو المنافق فلا أدري أيهما قال عبيد الله يأكل في سبعة أمعاء وقال ابن بكير حدثنا مالك عن نافع عن ابن عمر عن النبيصلى الله عليه وسلم بمثله.


সহিহ বুখারী ৫৩৯৬

إسماعيل قال حدثني مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يأكل المسلم في معى واحد والكافر يأكل في سبعة أمعاء.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মু’মিন এক পেটে খায় আর কাফির সাত পেটে খায়। [৩৭][৫৩৯৭; মুসলিম ৩৬/৩৫, হাঃ ২০৬২, ২০৬৩, আহমাদ ৭৭৭৭] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৯১)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মু’মিন এক পেটে খায় আর কাফির সাত পেটে খায়। [৩৭][৫৩৯৭; মুসলিম ৩৬/৩৫, হাঃ ২০৬২, ২০৬৩, আহমাদ ৭৭৭৭] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৯১)

إسماعيل قال حدثني مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يأكل المسلم في معى واحد والكافر يأكل في سبعة أمعاء.


সহিহ বুখারী > হেলান দিয়ে আহার করা।

সহিহ বুখারী ৫৩৯৯

عثمان بن أبي شيبة أخبرنا جرير عن منصور عن علي بن الأقمر عن أبي جحيفة قال كنت عند النبي صلى الله عليه وسلم فقال لرجل عنده“ لا آكل وأنا متكئ.

আবূ জুহাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ছিলাম। তিনি তাঁর নিকট উপবিষ্ট জনৈক ব্যক্তিকে বললেনঃ আমি হেলান দিয়ে খাবার খাই না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৯৪)

আবূ জুহাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ছিলাম। তিনি তাঁর নিকট উপবিষ্ট জনৈক ব্যক্তিকে বললেনঃ আমি হেলান দিয়ে খাবার খাই না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৯৪)

عثمان بن أبي شيبة أخبرنا جرير عن منصور عن علي بن الأقمر عن أبي جحيفة قال كنت عند النبي صلى الله عليه وسلم فقال لرجل عنده“ لا آكل وأنا متكئ.


সহিহ বুখারী ৫৩৯৮

أبو نعيم حدثنا مسعر عن علي بن الأقمر سمعت أبا جحيفة يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا آكل متكئا.

আবূ জুহাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি হেলান দিয়ে খাদ্য গ্রহন করি না। [৩৮](আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৯৩)

আবূ জুহাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি হেলান দিয়ে খাদ্য গ্রহন করি না। [৩৮](আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৯৩)

أبو نعيم حدثنا مسعر عن علي بن الأقمر سمعت أبا جحيفة يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا آكل متكئا.


সহিহ বুখারী > ভুনা গোশ্‌ত সম্বন্ধে

সহিহ বুখারী ৫৪০০

علي بن عبد الله حدثنا هشام بن يوسف أخبرنا معمر عن الزهري عن أبي أمامة بن سهل عن ابن عباس عن خالد بن الوليد قال أتي النبي صلى الله عليه وسلم بضب مشوي فأهو‘ى إليه ليأكل فقيل له“ إنه“ ضب فأمسك يده“ فقال خالد أحرام هو قال لا ولٰكنه“ لا يكون بأرض قومي فأجدني أعافه“ فأكل خالد ورسول الله صلى الله عليه وسلم ينظر قال مالك عن ابن شهاب بضب محنوذ.

খালিদ ইবনু ওয়ালীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নাবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট ভুনা যবব আনা হলে তিনি তা খাওয়ার উদ্দেশে হাত বাড়ালেন। তখন তাঁকে বলা হলোঃ এটাতো যবব, এতে তিনি হাত গুটিয়ে নিলেন। খালিদ জিজ্ঞেস করলেনঃ এটা কি হারাম? তিনি বললেনঃ না। যেহেতু এটা আমাদের এলাকায় নেই তাই আমি এটা খাওয়া পছন্দ করি না। তারপর খালিদ তা খেতে থাকলেন, আর রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামদেখছিলেন। মালিক, ইবনু শিহাব হতেبِضَبٍّ مَشْوِيٍّ এর স্থলে)بِضَبٍّ مَحْنُوذٍ বলেছেন। [৫৩৯১] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৯৫)

খালিদ ইবনু ওয়ালীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নাবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট ভুনা যবব আনা হলে তিনি তা খাওয়ার উদ্দেশে হাত বাড়ালেন। তখন তাঁকে বলা হলোঃ এটাতো যবব, এতে তিনি হাত গুটিয়ে নিলেন। খালিদ জিজ্ঞেস করলেনঃ এটা কি হারাম? তিনি বললেনঃ না। যেহেতু এটা আমাদের এলাকায় নেই তাই আমি এটা খাওয়া পছন্দ করি না। তারপর খালিদ তা খেতে থাকলেন, আর রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামদেখছিলেন। মালিক, ইবনু শিহাব হতেبِضَبٍّ مَشْوِيٍّ এর স্থলে)بِضَبٍّ مَحْنُوذٍ বলেছেন। [৫৩৯১] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৯৫)

علي بن عبد الله حدثنا هشام بن يوسف أخبرنا معمر عن الزهري عن أبي أمامة بن سهل عن ابن عباس عن خالد بن الوليد قال أتي النبي صلى الله عليه وسلم بضب مشوي فأهو‘ى إليه ليأكل فقيل له“ إنه“ ضب فأمسك يده“ فقال خالد أحرام هو قال لا ولٰكنه“ لا يكون بأرض قومي فأجدني أعافه“ فأكل خالد ورسول الله صلى الله عليه وسلم ينظر قال مالك عن ابن شهاب بضب محنوذ.


সহিহ বুখারী > খাযীরা সম্পর্কে

সহিহ বুখারী ৫৪০১

يحيٰى بن بكير حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب قال أخبرني محمود بن الربيع الأنصاري أن عتبان بن مالك وكان من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ممن شهد بدرا من الأنصار أنه“ أتٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إني أنكرت بصري وأنا أصلي لقومي فإذا كانت الأمطار سال الوادي الذي بيني وبينهم لم أستطع أن آتي مسجدهم فأصلي لهم فوددت يا رسول الله أنك تأتي فتصلي في بيتي فأتخذه“ مصلى فقال سأفعل إن شاء الله قال عتبان فغدا رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبو بكر حين ارتفع النهار فاستأذن النبي صلى الله عليه وسلم فأذنت له“ فلم يجلس حتٰى دخل البيت ثم قال لي أين تحب أن أصلي من بيتك فأشرت إلٰى ناحية من البيت فقام النبي صلى الله عليه وسلم فكبر فصففنا فصلٰى ركعتين ثم سلم وحبسناه“ علٰى خزير صنعناه“ فثاب في البيت رجال من أهل الدار ذوو عدد فاجتمعوا فقال قائل منهم أين مالك بن الدخشن فقال بعضهم ذ‘لك منافق لا يحب الله ورسوله“ قال النبي صلى الله عليه وسلم لا تقل ألا تراه“ قال لا إلٰه إلا الله يريد بذ‘لك وجه الله قال الله ورسوله“ أعلم قال قلنا فإنا نر‘ى وجهه“ ونصيحته“ إلى المنافقين فقال فإن الله حرم علٰى النار من قال لا إلٰه إلا الله يبتغي بذ‘لك وجه الله قال ابن شهاب ثم سألت الحصين بن محمد الأنصاري أحد بني سالم وكان من سراتهم عن حديث محمود فصدقه.

ইয়াহ্ইয়া ইবনু বুকাইর (রহঃ) ‘ইতবান ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ছিলেন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক বদর যুদ্ধে অংশ গ্রহণকারী আনসান সাহাবীদের একজন। একবার তিনি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বলেনঃ হে আল্লাহর রসূল! আমার দৃষ্টিশক্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে। আমি আমার গোত্রের লোকদের নিতে সলাত আদায় করি। কিন্তু বৃষ্টি হলে আমার ও তাদের মধ্যকার উপত্যকায় পানি প্রবাহিত হয়। তখন আমি তাদের মসজিদে আসতে পারি না যে, তাদের নিয়ে সলাত আদায় করব। তাই হে আল্লাহর রসূল! আমার আকাঙ্ক্ষা, আপনি এসে যদি আমার ঘরে সলাত আদায় করতেন, তাহলে আমি সে স্থান সলাতের জন্য নির্ধারণ করে নিতাম। তিনি বললেনঃ ইন্‌শাআল্লাহ্‌ আমি শীঘ্রই তা করব। ‘ইতবান (রাঃ) বলেনঃ পূর্ণরূপে সূর্য কিছু উপরে উঠলে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও আবূ বকর (রাঃ) আসলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনুমতি চাইলেন। আমি তাকে অনুমতি দিলাম। তিনি না বসেই সঙ্গে সঙ্গেই ঘরে প্রবেশ করে আমাকে বললেনঃ তোমার ঘরের কোন স্থানে আমার সলাত আদায় করা তোমার পছন্দ? আমি ঘরের এক দিকে ইশারা করলাম। তিনি সেখানে দাঁড়িয়ে তাকবীর বললেন। আমরা কাতার বাঁধলাম। তিনি দু’রাক’আত সলাত আদায় করে সালাম ফিরালেন। আমরা যে হাযীরা প্রস্তুত করেছিলাম তা খাওয়ার জন্য তাঁকে বসালাম। তাঁর মহল্লার বহু সংখ্যক লোক প্রবেশ করতে লাগল। তারপর তারা সমবেত হলে তাদের একজন বলল, মালিক ইবনু দুখশান কোথায়? আরেকজন বললঃ সে মুনাফিক? অন্য একজন বললঃ সে মুনাফিক, সে আল্লাহ্‌ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে ভালবাসে না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এমন কথা বলো না। তুমি কি জান না, সে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ পড়েছে? লোকটি বললঃ আল্লাহ্‌ ও তাঁর রসূল-ই ভাল জানেন। সে আবার বললঃ কিন্তু আমরা যে মুনাফিকদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ও তাদের প্রতি শুভ কামনা দেখতে পাই? তিনি বললেনঃ আল্লাহ্‌ তো জাহান্নামকে ঐলোকের জন্য হারাম করে দিয়েছেন যে আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টি অর্জনের আশায় ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ পাঠ করবে। ইবনু শিহাব বলেনঃ এরপর আমি হুসাইন ইবনু মুহাম্মাদ আনসারী, যিনি ছিলেন বানূ সালিমের একজন নেতৃস্থানীয় লোক, তাকে মাহমূদের এ হাদীসের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি এর সত্যতা স্বীকার করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৯৬)

ইয়াহ্ইয়া ইবনু বুকাইর (রহঃ) ‘ইতবান ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ছিলেন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক বদর যুদ্ধে অংশ গ্রহণকারী আনসান সাহাবীদের একজন। একবার তিনি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বলেনঃ হে আল্লাহর রসূল! আমার দৃষ্টিশক্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে। আমি আমার গোত্রের লোকদের নিতে সলাত আদায় করি। কিন্তু বৃষ্টি হলে আমার ও তাদের মধ্যকার উপত্যকায় পানি প্রবাহিত হয়। তখন আমি তাদের মসজিদে আসতে পারি না যে, তাদের নিয়ে সলাত আদায় করব। তাই হে আল্লাহর রসূল! আমার আকাঙ্ক্ষা, আপনি এসে যদি আমার ঘরে সলাত আদায় করতেন, তাহলে আমি সে স্থান সলাতের জন্য নির্ধারণ করে নিতাম। তিনি বললেনঃ ইন্‌শাআল্লাহ্‌ আমি শীঘ্রই তা করব। ‘ইতবান (রাঃ) বলেনঃ পূর্ণরূপে সূর্য কিছু উপরে উঠলে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও আবূ বকর (রাঃ) আসলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনুমতি চাইলেন। আমি তাকে অনুমতি দিলাম। তিনি না বসেই সঙ্গে সঙ্গেই ঘরে প্রবেশ করে আমাকে বললেনঃ তোমার ঘরের কোন স্থানে আমার সলাত আদায় করা তোমার পছন্দ? আমি ঘরের এক দিকে ইশারা করলাম। তিনি সেখানে দাঁড়িয়ে তাকবীর বললেন। আমরা কাতার বাঁধলাম। তিনি দু’রাক’আত সলাত আদায় করে সালাম ফিরালেন। আমরা যে হাযীরা প্রস্তুত করেছিলাম তা খাওয়ার জন্য তাঁকে বসালাম। তাঁর মহল্লার বহু সংখ্যক লোক প্রবেশ করতে লাগল। তারপর তারা সমবেত হলে তাদের একজন বলল, মালিক ইবনু দুখশান কোথায়? আরেকজন বললঃ সে মুনাফিক? অন্য একজন বললঃ সে মুনাফিক, সে আল্লাহ্‌ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে ভালবাসে না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এমন কথা বলো না। তুমি কি জান না, সে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ পড়েছে? লোকটি বললঃ আল্লাহ্‌ ও তাঁর রসূল-ই ভাল জানেন। সে আবার বললঃ কিন্তু আমরা যে মুনাফিকদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ও তাদের প্রতি শুভ কামনা দেখতে পাই? তিনি বললেনঃ আল্লাহ্‌ তো জাহান্নামকে ঐলোকের জন্য হারাম করে দিয়েছেন যে আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টি অর্জনের আশায় ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ পাঠ করবে। ইবনু শিহাব বলেনঃ এরপর আমি হুসাইন ইবনু মুহাম্মাদ আনসারী, যিনি ছিলেন বানূ সালিমের একজন নেতৃস্থানীয় লোক, তাকে মাহমূদের এ হাদীসের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি এর সত্যতা স্বীকার করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৯৬)

يحيٰى بن بكير حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب قال أخبرني محمود بن الربيع الأنصاري أن عتبان بن مالك وكان من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ممن شهد بدرا من الأنصار أنه“ أتٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إني أنكرت بصري وأنا أصلي لقومي فإذا كانت الأمطار سال الوادي الذي بيني وبينهم لم أستطع أن آتي مسجدهم فأصلي لهم فوددت يا رسول الله أنك تأتي فتصلي في بيتي فأتخذه“ مصلى فقال سأفعل إن شاء الله قال عتبان فغدا رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبو بكر حين ارتفع النهار فاستأذن النبي صلى الله عليه وسلم فأذنت له“ فلم يجلس حتٰى دخل البيت ثم قال لي أين تحب أن أصلي من بيتك فأشرت إلٰى ناحية من البيت فقام النبي صلى الله عليه وسلم فكبر فصففنا فصلٰى ركعتين ثم سلم وحبسناه“ علٰى خزير صنعناه“ فثاب في البيت رجال من أهل الدار ذوو عدد فاجتمعوا فقال قائل منهم أين مالك بن الدخشن فقال بعضهم ذ‘لك منافق لا يحب الله ورسوله“ قال النبي صلى الله عليه وسلم لا تقل ألا تراه“ قال لا إلٰه إلا الله يريد بذ‘لك وجه الله قال الله ورسوله“ أعلم قال قلنا فإنا نر‘ى وجهه“ ونصيحته“ إلى المنافقين فقال فإن الله حرم علٰى النار من قال لا إلٰه إلا الله يبتغي بذ‘لك وجه الله قال ابن شهاب ثم سألت الحصين بن محمد الأنصاري أحد بني سالم وكان من سراتهم عن حديث محمود فصدقه.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00