সহিহ বুখারী > পরিতৃপ্ত হওয়া পর্যন্ত আহার করা।
সহিহ বুখারী ৫৩৮৩
حدثنا مسلم، حدثنا وهيب، حدثنا منصور، عن أمه، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ توفي النبي صلى الله عليه وسلم حين شبعنا من الأسودين التمر والماء.
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইন্তেকাল হল। সে সময় আমরা দু’টি কালো জিনিস খেজুর ও পানি খেয়ে তৃপ্ত হলাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৭৮)
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইন্তেকাল হল। সে সময় আমরা দু’টি কালো জিনিস খেজুর ও পানি খেয়ে তৃপ্ত হলাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৭৮)
حدثنا مسلم، حدثنا وهيب، حدثنا منصور، عن أمه، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ توفي النبي صلى الله عليه وسلم حين شبعنا من الأسودين التمر والماء.
সহিহ বুখারী ৫৩৮২
موسٰى حدثنا معتمر عن أبيه قال وحدث أبو عثمان أيضا عن عبد الرحمٰن بن أبي بكر قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم ثلاثين ومائة فقال النبي صلى الله عليه وسلم هل مع أحد منكم طعام فإذا مع رجل صاع من طعام أو نحوه“ فعجن ثم جاء رجل مشرك مشعان طويل بغنم يسوقها فقال النبي صلى الله عليه وسلم أبيع أم عطية أو قال هبة قال لا بل بيع قال فاشتر‘ى منه“ شاة فصنعت فأمر نبي الله صلى الله عليه وسلم بسواد البطن يشو‘ى وايم الله ما من الثلاثين ومائة إلا قد حز له“ حزة من سواد بطنها إن كان شاهدا أعطاها إياه“ وإن كان غائبا خبأها له“ ثم جعل فيها قصعتين فأكلنا أجمعون وشبعنا وفضل في القصعتين فحملته“ على البعير أو كما قال.
‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ বাক্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ একবার আমরা একশ’ ত্রিশ জন লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের কারো কাছে কিছু খাবার আছে কি? দেখা গেল, জনৈক ব্যক্তির কাছে প্রায় এক সা’ পরিমাণ খাবার আছে। এগুলো গুলিয়ে খামীর করা হলো। তারপর দীর্ঘ দেহী, দীর্ঘ কেশী এক মুশরিক ব্যক্তি একটা বক্রী হাঁকিয়ে নিয়ে আসল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এটা কি বিক্রির জন্য, না উপঢৌকন অথবা তিনি বললেনঃ দানের জন্য? লোকটি বললোঃ না, আমি বরং বিক্রি করব। তিনি তার নিকট হতে সেটি কিনে নিলেন। পরে সেটি যব্হ করে বানানো হল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কলিজা ইত্যাদি ভুনা করার আদেশ দিলেন। আল্লাহর শপথ! তিনি একশ’ ত্রিশজনের প্রত্যেককেই এক টুকরা করে কলিজা ইত্যাদি দিলেন। যারা হাযির ছিল তাদের তো দিলেনই। আর যারা অনুপস্থিত ছিল তাদের জন্যও তিনি টুকরাগুলো উঠিয়ে রাখলেন। তারপর খাবারগুলো দু’টো পাত্রে রাখলেন। আমরা সকলে তৃপ্তিসহ আহার করলাম। এরপরও দু’ পাত্রে খাবার অবশিষ্ট থাকল। আমি তা উটের পিঠে তুলে নিলাম। কিংবা রাবী যা বলেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৭৭)
‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ বাক্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ একবার আমরা একশ’ ত্রিশ জন লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের কারো কাছে কিছু খাবার আছে কি? দেখা গেল, জনৈক ব্যক্তির কাছে প্রায় এক সা’ পরিমাণ খাবার আছে। এগুলো গুলিয়ে খামীর করা হলো। তারপর দীর্ঘ দেহী, দীর্ঘ কেশী এক মুশরিক ব্যক্তি একটা বক্রী হাঁকিয়ে নিয়ে আসল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এটা কি বিক্রির জন্য, না উপঢৌকন অথবা তিনি বললেনঃ দানের জন্য? লোকটি বললোঃ না, আমি বরং বিক্রি করব। তিনি তার নিকট হতে সেটি কিনে নিলেন। পরে সেটি যব্হ করে বানানো হল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কলিজা ইত্যাদি ভুনা করার আদেশ দিলেন। আল্লাহর শপথ! তিনি একশ’ ত্রিশজনের প্রত্যেককেই এক টুকরা করে কলিজা ইত্যাদি দিলেন। যারা হাযির ছিল তাদের তো দিলেনই। আর যারা অনুপস্থিত ছিল তাদের জন্যও তিনি টুকরাগুলো উঠিয়ে রাখলেন। তারপর খাবারগুলো দু’টো পাত্রে রাখলেন। আমরা সকলে তৃপ্তিসহ আহার করলাম। এরপরও দু’ পাত্রে খাবার অবশিষ্ট থাকল। আমি তা উটের পিঠে তুলে নিলাম। কিংবা রাবী যা বলেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৭৭)
موسٰى حدثنا معتمر عن أبيه قال وحدث أبو عثمان أيضا عن عبد الرحمٰن بن أبي بكر قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم ثلاثين ومائة فقال النبي صلى الله عليه وسلم هل مع أحد منكم طعام فإذا مع رجل صاع من طعام أو نحوه“ فعجن ثم جاء رجل مشرك مشعان طويل بغنم يسوقها فقال النبي صلى الله عليه وسلم أبيع أم عطية أو قال هبة قال لا بل بيع قال فاشتر‘ى منه“ شاة فصنعت فأمر نبي الله صلى الله عليه وسلم بسواد البطن يشو‘ى وايم الله ما من الثلاثين ومائة إلا قد حز له“ حزة من سواد بطنها إن كان شاهدا أعطاها إياه“ وإن كان غائبا خبأها له“ ثم جعل فيها قصعتين فأكلنا أجمعون وشبعنا وفضل في القصعتين فحملته“ على البعير أو كما قال.
সহিহ বুখারী ৫৩৮১
إسماعيل قال حدثني مالك عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة أنه“ سمع أنس بن مالك يقول قال أبو طلحة لأم سليم لقد سمعت صوت رسول الله صلى الله عليه وسلم ضعيفا أعرف فيه الجوع فهل عندك من شيء فأخرجت أقراصا من شعير ثم أخرجت خمارا لها فلفت الخبز ببعضه„ ثم دسته“ تحت ثوبي وردتني ببعضه„ ثم أرسلتني إلٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فذهبت به„ فوجدت رسول الله صلى الله عليه وسلم في المسجد ومعه الناس فقمت عليهم فقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم أرسلك أبو طلحة فقلت نعم قال بطعام قال فقلت نعم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لمن معه“ قوموا فانطلق وانطلقت بين أيديهم حتٰى جئت أبا طلحة فقال أبو طلحة يا أم سليم قد جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم بالناس وليس عندنا من الطعام ما نطعمهم فقالت الله ورسوله“ أعلم قال فانطلق أبو طلحة حتٰى لقيرسول الله صلى الله عليه وسلم فأقبل أبو طلحة ورسول الله صلى الله عليه وسلم حتٰى دخلا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم هلمي يا أم سليم ما عندك فأتت بذ‘لك الخبز فأمر به„ ففت وعصرت أم سليم عكة لها فأدمته“ ثم قال فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم ما شاء الله أن يقول ثم قال ائذن لعشرة فأذن لهم فأكلوا حتٰى شبعوا ثم خرجوا ثم قال ائذن لعشرة فأذن لهم فأكلوا حتٰى شبعوا ثم خرجوا ثم قال ائذن لعشرة فأذن لهم فأكلوا حتٰى شبعوا ثم خرجوا ثم أذن لعشرة فأكل القوم كلهم وشبعوا والقوم ثمانون رجلا
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আবূ ত্বলহা (রাঃ) উম্মু সুলাইমকে বললেনঃ আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দুর্বল কণ্ঠসুর শুনে বুঝতে পারলাম তিনি ক্ষুধার্ত। তোমার নিকট (খাবার) কিছু আছে কি? তখন উম্মু সুলাইম কয়েকটি যবের রুটি বের করলেন। তারপর তার ওড়না বের করে এর একাংশ দ্বারা রুটিগুলো পেঁচিয়ে আমার কাপড়ের মধ্যে গুঁজে দিলেন এবং অন্য অংশ আমার গায়ে জড়িয়ে দিয়ে আমাকে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পাঠালেন। আনাস (রাঃ) বলেনঃ আমি এগুলো নিয়ে গেলাম এবং রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে মাসজিদে পেলাম। তাঁর সঙ্গে অনেক লোক। আমি তাঁদের কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ আবূ ত্বলহা তোমাকে পাঠিয়েছে? আমি বললামঃ হাঁ। তখন তিনি বললেনঃ খাবার জন্য? আমি বললামঃ হাঁ। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার সাথীদেরকে বললেনঃ ওঠ। তারপর তিনি চললেন। আমিও তাদের আগে আগে চলতে লাগলাম। অবশেষে আবূ ত্বলহার কাছে এসে পৌঁছলাম। আবূ ত্বলহা বললেনঃ হে উম্মু সুলাইম! রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তো অনেক লোক নিয়ে এসেছেন। অথচ আমাদের কাছে এ পরিমাণ খাবার নাই যা তাদের খাওয়াব। উম্মু সুলাইম বললেনঃ আল্লাহ ও তাঁর রসূল-ই ভাল জানেন। আনাস (রাঃ) বলেনঃ তারপর আবূ ত্বলহা গিয়ে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন। তারপর আবূ তালহা ও রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে ঘরে প্রবেশ করলেন। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উম্মু সুলাইমকে ডেকে বললেনঃ তোমার কাছে যা আছে তা নিয়ে আস। উম্মূ সুলাইম ঐ রুটি নিয়ে আসলেন। তিনি আদেশ করলে তা টুকুরা করা হলো। উম্মু সুলাইম (ঘি বা মধুর) পাত্র নিংড়িয়ে তাকেই ব্যঞ্জন বানালেন। তারপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাশাআল্লাহ, এতে যা পড়ার পড়লেন। এরপর বললেনঃ দশজনকে আসতে অনুমতি দাও। তাদের আসতে বলা হলে তারা তৃপ্ত হয়ে আহার করল এবং তারা বেরিয়ে গেলা। আবার বললেনঃ দশজনকে অনুমতি দাও। তাদের অনুমতি দেওয়া হলো। তারা আহার করে তৃপ্ত হলো এবং চলে গেল। এরপর আরো দশজনকে অনুমতি দেওয়া হলো। সকলেই আহার করল এবং তৃপ্ত হলো। তারা মোট আশি জন লোক ছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৭৬)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আবূ ত্বলহা (রাঃ) উম্মু সুলাইমকে বললেনঃ আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দুর্বল কণ্ঠসুর শুনে বুঝতে পারলাম তিনি ক্ষুধার্ত। তোমার নিকট (খাবার) কিছু আছে কি? তখন উম্মু সুলাইম কয়েকটি যবের রুটি বের করলেন। তারপর তার ওড়না বের করে এর একাংশ দ্বারা রুটিগুলো পেঁচিয়ে আমার কাপড়ের মধ্যে গুঁজে দিলেন এবং অন্য অংশ আমার গায়ে জড়িয়ে দিয়ে আমাকে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পাঠালেন। আনাস (রাঃ) বলেনঃ আমি এগুলো নিয়ে গেলাম এবং রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে মাসজিদে পেলাম। তাঁর সঙ্গে অনেক লোক। আমি তাঁদের কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ আবূ ত্বলহা তোমাকে পাঠিয়েছে? আমি বললামঃ হাঁ। তখন তিনি বললেনঃ খাবার জন্য? আমি বললামঃ হাঁ। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার সাথীদেরকে বললেনঃ ওঠ। তারপর তিনি চললেন। আমিও তাদের আগে আগে চলতে লাগলাম। অবশেষে আবূ ত্বলহার কাছে এসে পৌঁছলাম। আবূ ত্বলহা বললেনঃ হে উম্মু সুলাইম! রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তো অনেক লোক নিয়ে এসেছেন। অথচ আমাদের কাছে এ পরিমাণ খাবার নাই যা তাদের খাওয়াব। উম্মু সুলাইম বললেনঃ আল্লাহ ও তাঁর রসূল-ই ভাল জানেন। আনাস (রাঃ) বলেনঃ তারপর আবূ ত্বলহা গিয়ে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন। তারপর আবূ তালহা ও রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে ঘরে প্রবেশ করলেন। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উম্মু সুলাইমকে ডেকে বললেনঃ তোমার কাছে যা আছে তা নিয়ে আস। উম্মূ সুলাইম ঐ রুটি নিয়ে আসলেন। তিনি আদেশ করলে তা টুকুরা করা হলো। উম্মু সুলাইম (ঘি বা মধুর) পাত্র নিংড়িয়ে তাকেই ব্যঞ্জন বানালেন। তারপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাশাআল্লাহ, এতে যা পড়ার পড়লেন। এরপর বললেনঃ দশজনকে আসতে অনুমতি দাও। তাদের আসতে বলা হলে তারা তৃপ্ত হয়ে আহার করল এবং তারা বেরিয়ে গেলা। আবার বললেনঃ দশজনকে অনুমতি দাও। তাদের অনুমতি দেওয়া হলো। তারা আহার করে তৃপ্ত হলো এবং চলে গেল। এরপর আরো দশজনকে অনুমতি দেওয়া হলো। সকলেই আহার করল এবং তৃপ্ত হলো। তারা মোট আশি জন লোক ছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৭৬)
إسماعيل قال حدثني مالك عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة أنه“ سمع أنس بن مالك يقول قال أبو طلحة لأم سليم لقد سمعت صوت رسول الله صلى الله عليه وسلم ضعيفا أعرف فيه الجوع فهل عندك من شيء فأخرجت أقراصا من شعير ثم أخرجت خمارا لها فلفت الخبز ببعضه„ ثم دسته“ تحت ثوبي وردتني ببعضه„ ثم أرسلتني إلٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فذهبت به„ فوجدت رسول الله صلى الله عليه وسلم في المسجد ومعه الناس فقمت عليهم فقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم أرسلك أبو طلحة فقلت نعم قال بطعام قال فقلت نعم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لمن معه“ قوموا فانطلق وانطلقت بين أيديهم حتٰى جئت أبا طلحة فقال أبو طلحة يا أم سليم قد جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم بالناس وليس عندنا من الطعام ما نطعمهم فقالت الله ورسوله“ أعلم قال فانطلق أبو طلحة حتٰى لقيرسول الله صلى الله عليه وسلم فأقبل أبو طلحة ورسول الله صلى الله عليه وسلم حتٰى دخلا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم هلمي يا أم سليم ما عندك فأتت بذ‘لك الخبز فأمر به„ ففت وعصرت أم سليم عكة لها فأدمته“ ثم قال فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم ما شاء الله أن يقول ثم قال ائذن لعشرة فأذن لهم فأكلوا حتٰى شبعوا ثم خرجوا ثم قال ائذن لعشرة فأذن لهم فأكلوا حتٰى شبعوا ثم خرجوا ثم قال ائذن لعشرة فأذن لهم فأكلوا حتٰى شبعوا ثم خرجوا ثم أذن لعشرة فأكل القوم كلهم وشبعوا والقوم ثمانون رجلا
সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহ্র বাণীঃ অন্ধের জন্য দোষ নেই,......... যাতে তোমরা বুঝতে পার। (সূরাহ আন্-নূর ২৪/৬১)
সহিহ বুখারী ৫৩৮৪
علي بن عبد الله حدثنا سفيان قال يحيٰى بن سعيد سمعت بشير بن يسار يقول حدثنا سويد بن النعمان قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إلٰى خيبر فلما كنا بالصهباء قال يحيٰى وهي من خيبر علٰى روحة دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم بطعام فما أتي إلا بسويق فلكناه“ فأكلنا منه“ ثم دعا بماء فمضمض ومضمضنا فصلٰى بنا المغرب ولم يتوضأ قال سفيان سمعته“ منه“ عودا وبدءا.
সুওয়ায়দ ইবনু নু’মান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে খাইবারের দিকে বের হলাম। আমরা সাহ্বা (খাইবারের এক মঞ্জিল দূরে অবস্থিত) নামক স্থানে পৌঁছলে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাবার আনতে বললেন। কিন্তু ছাতু ব্যতীত আর কিছুই আনা হলো না। আমরা তা-ই গুলে খেলাম। তারপর তিনি পানি আনতে বললেন এবং তিনি কুলি করলেন, আমরাও কুলি করলাম। তারপর তিনি আমাদের নিয়ে মাগরিবের সলাত আদায় করলেন; আর তিনি অযূ করলেন না। সুফিয়ান বলেনঃ আমি ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদের কাছে হাদীসটি শুরু হতে শেষ পর্যন্ত শুনেছি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৭৯)
সুওয়ায়দ ইবনু নু’মান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে খাইবারের দিকে বের হলাম। আমরা সাহ্বা (খাইবারের এক মঞ্জিল দূরে অবস্থিত) নামক স্থানে পৌঁছলে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাবার আনতে বললেন। কিন্তু ছাতু ব্যতীত আর কিছুই আনা হলো না। আমরা তা-ই গুলে খেলাম। তারপর তিনি পানি আনতে বললেন এবং তিনি কুলি করলেন, আমরাও কুলি করলাম। তারপর তিনি আমাদের নিয়ে মাগরিবের সলাত আদায় করলেন; আর তিনি অযূ করলেন না। সুফিয়ান বলেনঃ আমি ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদের কাছে হাদীসটি শুরু হতে শেষ পর্যন্ত শুনেছি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৭৯)
علي بن عبد الله حدثنا سفيان قال يحيٰى بن سعيد سمعت بشير بن يسار يقول حدثنا سويد بن النعمان قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إلٰى خيبر فلما كنا بالصهباء قال يحيٰى وهي من خيبر علٰى روحة دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم بطعام فما أتي إلا بسويق فلكناه“ فأكلنا منه“ ثم دعا بماء فمضمض ومضمضنا فصلٰى بنا المغرب ولم يتوضأ قال سفيان سمعته“ منه“ عودا وبدءا.
সহিহ বুখারী > নরম রুটি খাওয়া এবং টেবিল ও (চামড়ার) দস্তরখানে খাওয়া।
সহিহ বুখারী ৫৩৮৫
محمد بن سنان حدثنا همام عن قتادة قال كنا عند أنس وعنده“ خباز له“ فقال ما أكل النبي صلى الله عليه وسلم خبزا مرققا ولا شاة مسموطة حتٰى لقي الله.
ক্বাতাদাহ (রাঃ থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমরা আনাস (রাঃ)-এর কাছে ছিলাম। তাঁর সঙ্গে তাঁর বাবুর্চিও ছিল। তিনি বললেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্র সঙ্গে মিলিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত পাতলা নরম রুটি এবং ভূনা বক্রীর গোশ্ত খাননি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৮০)
ক্বাতাদাহ (রাঃ থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমরা আনাস (রাঃ)-এর কাছে ছিলাম। তাঁর সঙ্গে তাঁর বাবুর্চিও ছিল। তিনি বললেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্র সঙ্গে মিলিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত পাতলা নরম রুটি এবং ভূনা বক্রীর গোশ্ত খাননি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৮০)
محمد بن سنان حدثنا همام عن قتادة قال كنا عند أنس وعنده“ خباز له“ فقال ما أكل النبي صلى الله عليه وسلم خبزا مرققا ولا شاة مسموطة حتٰى لقي الله.
সহিহ বুখারী ৫৩৮৭
ابن أبي مريم أخبرنا محمد بن جعفر أخبرني حميد أنه“ سمع أنسا يقول قام النبي صلى الله عليه وسلم يبني بصفية فدعوت المسلمين إلٰى وليمته„ أمر بالأنطاع فبسطت فألقي عليها التمر والأقط والسمن وقال عمرو عن أنس بنٰى بها النبي صلى الله عليه وسلم ثم صنع حيسا في نطع.
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফীয়্যাহ্র সঙ্গে বাসর করার জন্য অবস্থান করলেন। আমি তাঁর ওলীমার জন্য মুসলিমদের দাওয়াত করলাম। তাঁর নির্দেশে দস্তরখান বিছানো হলো। তারপর তার উপর খেজুর, পনির ও ঘি ঢালা হলো। ‘আমর আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সঙ্গে বাসর করলেন এবং চামড়ার দস্তরখানে ‘হায়স’ (ঘি, খেজুর ইত্যাদি মিশিয়ে বানানো খাবার) তৈরী করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৮২)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফীয়্যাহ্র সঙ্গে বাসর করার জন্য অবস্থান করলেন। আমি তাঁর ওলীমার জন্য মুসলিমদের দাওয়াত করলাম। তাঁর নির্দেশে দস্তরখান বিছানো হলো। তারপর তার উপর খেজুর, পনির ও ঘি ঢালা হলো। ‘আমর আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সঙ্গে বাসর করলেন এবং চামড়ার দস্তরখানে ‘হায়স’ (ঘি, খেজুর ইত্যাদি মিশিয়ে বানানো খাবার) তৈরী করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৮২)
ابن أبي مريم أخبرنا محمد بن جعفر أخبرني حميد أنه“ سمع أنسا يقول قام النبي صلى الله عليه وسلم يبني بصفية فدعوت المسلمين إلٰى وليمته„ أمر بالأنطاع فبسطت فألقي عليها التمر والأقط والسمن وقال عمرو عن أنس بنٰى بها النبي صلى الله عليه وسلم ثم صنع حيسا في نطع.
সহিহ বুখারী ৫৩৮৬
علي بن عبد الله حدثنا معاذ بن هشام قال حدثني أبي عن يونس قال علي هو الإسكاف عن قتادة عن أنس قال ما علمت النبي صلى الله عليه وسلم أكل علٰى سكرجة قط ولا خبز له“ مرقق قط ولا أكل علٰى خوان قط قيل لقتادة فعلام كانوا يأكلون قال علٰى السفر.
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনও ‘সুকুর্জা’ অর্থাৎ ছোট ছোট পাত্রে আহার করেছেন, তার জন্য কখনও নরম রুটি বানানো হয়েছে কিংবা তিনি কখনো টেবিলের উপর আহার করেছেন বলে আমি জানি না। ক্বাতাদাহকে জিজ্ঞেস করা হলো, তাহলে তাঁরা কিসের উপর আহার করতেন। তিনি বললেনঃ দস্তরখানের উপর।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৮১)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনও ‘সুকুর্জা’ অর্থাৎ ছোট ছোট পাত্রে আহার করেছেন, তার জন্য কখনও নরম রুটি বানানো হয়েছে কিংবা তিনি কখনো টেবিলের উপর আহার করেছেন বলে আমি জানি না। ক্বাতাদাহকে জিজ্ঞেস করা হলো, তাহলে তাঁরা কিসের উপর আহার করতেন। তিনি বললেনঃ দস্তরখানের উপর।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৮১)
علي بن عبد الله حدثنا معاذ بن هشام قال حدثني أبي عن يونس قال علي هو الإسكاف عن قتادة عن أنس قال ما علمت النبي صلى الله عليه وسلم أكل علٰى سكرجة قط ولا خبز له“ مرقق قط ولا أكل علٰى خوان قط قيل لقتادة فعلام كانوا يأكلون قال علٰى السفر.
সহিহ বুখারী ৫৩৮৯
أبو النعمان حدثنا أبو عوانة عن أبي بشر عن سعيد بن جبير عن ابن عباس أن أم حفيد بنت الحارث بن حزن خالة ابن عباس أهدت إلى النبي صلى الله عليه وسلم سمنا وأقطا وأضبا فدعا بهن فأكلن علٰى مائدته„ وتركهن النبي صلى الله عليه وسلم كالمستقذر لهن ولو كن حراما ما أكلن علٰى مائدة النبي صلى الله عليه وسلم ولا أمر بأكلهن.
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর খালা হাফীদ বিন্ত হারিস ইবনু হায্ন (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে ঘি, পনির এবং যব্ব হাদিয়া দিলেন। তিনি এগুলো তাঁর কাছে আনতে বললেন। তারপর এগুলো তার দস্তরখানে খাওয়া হলো। তিনি অপছন্দনীয় মনে করে যব্বগুলো খেলেন না। এগুলো হারাম হলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দস্তরখানে তা খাওয়া হতো না। আর তিনি এগুলো খাওয়ার অনুমতিও দিতেন না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৮৪)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর খালা হাফীদ বিন্ত হারিস ইবনু হায্ন (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে ঘি, পনির এবং যব্ব হাদিয়া দিলেন। তিনি এগুলো তাঁর কাছে আনতে বললেন। তারপর এগুলো তার দস্তরখানে খাওয়া হলো। তিনি অপছন্দনীয় মনে করে যব্বগুলো খেলেন না। এগুলো হারাম হলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দস্তরখানে তা খাওয়া হতো না। আর তিনি এগুলো খাওয়ার অনুমতিও দিতেন না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৮৪)
أبو النعمان حدثنا أبو عوانة عن أبي بشر عن سعيد بن جبير عن ابن عباس أن أم حفيد بنت الحارث بن حزن خالة ابن عباس أهدت إلى النبي صلى الله عليه وسلم سمنا وأقطا وأضبا فدعا بهن فأكلن علٰى مائدته„ وتركهن النبي صلى الله عليه وسلم كالمستقذر لهن ولو كن حراما ما أكلن علٰى مائدة النبي صلى الله عليه وسلم ولا أمر بأكلهن.
সহিহ বুখারী ৫৩৮৮
محمد أخبرنا أبو معاوية حدثنا هشام عن أبيه وعن وهب بن كيسان قال كان أهل الشأم يعيرون ابن الزبير يقولون يا ابن ذات النطاقين فقالت له“ أسماء يا بني إنهم يعيرونك بالنطاقين هل تدري ما كان النطاقان إنما كان نطاقي شققته“ نصفين فأوكيت قربة رسول الله صلى الله عليه وسلم بأحدهما وجعلت في سفرته„ آخر قال فكان أهل الشأم إذا عيروه“ بالنطاقين يقول إيها والإله تلك شكاة ظاهر عنك عارها.
ওয়াহ্ব ইবনু কায়সান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সিরিয়াবাসীরা ইবনু যুবায়রকে ইবনু যাতান নিতাকায়ন’ বলে লজ্জা দিত। আসমা (রাঃ) তাকে বললেনঃ হে আমার প্রিয় পুত্র! তারা তোমাকে ‘নিতাকায়ন’ বলে লজ্জা দিয়েছে? তুমি কি ‘নিতাকায়’ (দু’ কোমরবন্দ) সমন্ধে কিছু জান? আসলে তা ছিল আমারই কোমরবন্দ যা দু’ভাগ করে আমি এক অংশ দিয়ে (হিজরাতের সময়) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খাবারের থলি মুখ বেঁধে দিয়েছিলাম। আর অপর অংশ দস্তরখান বানিয়ে দিয়েছিলাম। এরপর থেকে সিরিয়া বাসীরা যখনই তাঁকে ‘নিতাকায়ন’ বলে লজ্জা দিতে চাইত, তিনি বলতেনঃ তোমরা সত্যই বলছ। আল্লাহ্র শপথ! এটি এমন এক অভিযোগ যা তোমা থেকে লজ্জা আরো দূর করে দেয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৮৩)
ওয়াহ্ব ইবনু কায়সান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সিরিয়াবাসীরা ইবনু যুবায়রকে ইবনু যাতান নিতাকায়ন’ বলে লজ্জা দিত। আসমা (রাঃ) তাকে বললেনঃ হে আমার প্রিয় পুত্র! তারা তোমাকে ‘নিতাকায়ন’ বলে লজ্জা দিয়েছে? তুমি কি ‘নিতাকায়’ (দু’ কোমরবন্দ) সমন্ধে কিছু জান? আসলে তা ছিল আমারই কোমরবন্দ যা দু’ভাগ করে আমি এক অংশ দিয়ে (হিজরাতের সময়) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খাবারের থলি মুখ বেঁধে দিয়েছিলাম। আর অপর অংশ দস্তরখান বানিয়ে দিয়েছিলাম। এরপর থেকে সিরিয়া বাসীরা যখনই তাঁকে ‘নিতাকায়ন’ বলে লজ্জা দিতে চাইত, তিনি বলতেনঃ তোমরা সত্যই বলছ। আল্লাহ্র শপথ! এটি এমন এক অভিযোগ যা তোমা থেকে লজ্জা আরো দূর করে দেয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৮৩)
محمد أخبرنا أبو معاوية حدثنا هشام عن أبيه وعن وهب بن كيسان قال كان أهل الشأم يعيرون ابن الزبير يقولون يا ابن ذات النطاقين فقالت له“ أسماء يا بني إنهم يعيرونك بالنطاقين هل تدري ما كان النطاقان إنما كان نطاقي شققته“ نصفين فأوكيت قربة رسول الله صلى الله عليه وسلم بأحدهما وجعلت في سفرته„ آخر قال فكان أهل الشأم إذا عيروه“ بالنطاقين يقول إيها والإله تلك شكاة ظاهر عنك عارها.
সহিহ বুখারী > ছাতু
সহিহ বুখারী ৫৩৯০
سليمان بن حرب حدثنا حماد عن يحيٰى عن بشير بن يسار عن سويد بن النعمان أنه“ أخبره“ أنهم كانوا مع النبي صلى الله عليه وسلم بالصهباء وهي علٰى روحة من خيبر فحضرت الصلاة فدعا بطعام فلم يجده“ إلا سويقا فلاك منه“ فلكنا معه“ ثم دعا بماء فمضمض ثم صلٰى وصلينا ولم يتوضأ.
সুওয়ায়দ ইবনু নু’মান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁরা একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ‘সাহ্বা’ নামক স্থানে উপস্থিত ছিলেন। সাহ্বা ছিল খায়বার থেকে এক মন্যিলের দূরত্বে। সলাতের সময় হলে তিনি খাবার আনতে বললেন। কিন্তু ছাতু ব্যতীত আর কিছুই পেলেন না। তিনি তাই মুখ নাড়াচাড়া করলেন, আমরাও তাঁর সঙ্গে মুখে নাড়াচাড়া করলাম। তারপর তিনি পানি আনালেন এবং কুলি করে সলাত আদায় করলেন। আমরাও তাঁর সঙ্গে সলাত আদায় করলাম। আর তিনি ওযু করলেন না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৮৫)
সুওয়ায়দ ইবনু নু’মান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁরা একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ‘সাহ্বা’ নামক স্থানে উপস্থিত ছিলেন। সাহ্বা ছিল খায়বার থেকে এক মন্যিলের দূরত্বে। সলাতের সময় হলে তিনি খাবার আনতে বললেন। কিন্তু ছাতু ব্যতীত আর কিছুই পেলেন না। তিনি তাই মুখ নাড়াচাড়া করলেন, আমরাও তাঁর সঙ্গে মুখে নাড়াচাড়া করলাম। তারপর তিনি পানি আনালেন এবং কুলি করে সলাত আদায় করলেন। আমরাও তাঁর সঙ্গে সলাত আদায় করলাম। আর তিনি ওযু করলেন না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৮৫)
سليمان بن حرب حدثنا حماد عن يحيٰى عن بشير بن يسار عن سويد بن النعمان أنه“ أخبره“ أنهم كانوا مع النبي صلى الله عليه وسلم بالصهباء وهي علٰى روحة من خيبر فحضرت الصلاة فدعا بطعام فلم يجده“ إلا سويقا فلاك منه“ فلكنا معه“ ثم دعا بماء فمضمض ثم صلٰى وصلينا ولم يتوضأ.