সহিহ বুখারী > ফাতিমা বিন্ত কায়সের ঘটনা
সহিহ বুখারী ৫৩২১
إسماعيل حدثنا مالك عن يحيٰى بن سعيد عن القاسم بن محمد وسليمان بن يسار أنه“ سمعهما يذكران أن يحيٰى بن سعيد بن العاص طلق بنت عبد الرحمٰن بن الحكم فانتقلها عبد الرحمٰن فأرسلت عائشة أم المؤمنين إلٰى مروان بن الحكم وهو أمير المدينة اتق الله وارددها إلٰى بيتها قال مروان في حديث سليمان إن عبد الرحمٰن بن الحكم غلبني وقال القاسم بن محمد أوما بلغك شأن فاطمة بنت قيس قالت لا يضرك أن لا تذكر حديث فاطمة فقال مروان بن الحكم إن كان بك شر فحسبك ما بين هذين من الشر.
কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ ও সুলাইমান ইবনু ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা’ঈদ ইবনু আস (রহঃ) ‘আবদুর রহমান ইবনু হাকাম এর কন্যাকে ত্বলাক্ব দিলে ‘আবদুর রহমান তাকে উম্মুল মু’মিনীন 'আয়িশা (রাঃ)- এর কাছে নিয়ে গেলে, তিনি মাদীনাহ্র শাসনকর্তা মারওয়ানের কাছে বলে পাঠালেনঃ আল্লাহকে ভয় কর, আর তাকে তার ঘরে ফিরিয়ে দাও। মারওয়ান বলেন, সুলাইমানের বর্ণনায় ‘আবদুর রহমান আমাকে যুক্তিতে হারিয়ে দিয়েছে। কাসিম ইবনু মুহাম্মাদের বর্ণনায় তিনি বলেন, ফাতিমাহ বিন্ত কায়সের ঘটনা কি আপনার কাছে পৌঁছেনি? তিনি বললেনঃ ('আয়িশা) ফাতিমাহ বিন্ত কায়সের ঘটনা মনে না রাখলে তোমার কোন ক্ষতি হবে না। মারওয়ান বললেনঃ যদি মনে করেন ফাতিমাহ্কে বের করার পেছনে তার মন্দ আচরণ কাজ করেছে, তবে বলব, এখানে সে মন্দ আচরণ বিদ্যমান আছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮২৬)
কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ ও সুলাইমান ইবনু ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা’ঈদ ইবনু আস (রহঃ) ‘আবদুর রহমান ইবনু হাকাম এর কন্যাকে ত্বলাক্ব দিলে ‘আবদুর রহমান তাকে উম্মুল মু’মিনীন 'আয়িশা (রাঃ)- এর কাছে নিয়ে গেলে, তিনি মাদীনাহ্র শাসনকর্তা মারওয়ানের কাছে বলে পাঠালেনঃ আল্লাহকে ভয় কর, আর তাকে তার ঘরে ফিরিয়ে দাও। মারওয়ান বলেন, সুলাইমানের বর্ণনায় ‘আবদুর রহমান আমাকে যুক্তিতে হারিয়ে দিয়েছে। কাসিম ইবনু মুহাম্মাদের বর্ণনায় তিনি বলেন, ফাতিমাহ বিন্ত কায়সের ঘটনা কি আপনার কাছে পৌঁছেনি? তিনি বললেনঃ ('আয়িশা) ফাতিমাহ বিন্ত কায়সের ঘটনা মনে না রাখলে তোমার কোন ক্ষতি হবে না। মারওয়ান বললেনঃ যদি মনে করেন ফাতিমাহ্কে বের করার পেছনে তার মন্দ আচরণ কাজ করেছে, তবে বলব, এখানে সে মন্দ আচরণ বিদ্যমান আছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮২৬)
إسماعيل حدثنا مالك عن يحيٰى بن سعيد عن القاسم بن محمد وسليمان بن يسار أنه“ سمعهما يذكران أن يحيٰى بن سعيد بن العاص طلق بنت عبد الرحمٰن بن الحكم فانتقلها عبد الرحمٰن فأرسلت عائشة أم المؤمنين إلٰى مروان بن الحكم وهو أمير المدينة اتق الله وارددها إلٰى بيتها قال مروان في حديث سليمان إن عبد الرحمٰن بن الحكم غلبني وقال القاسم بن محمد أوما بلغك شأن فاطمة بنت قيس قالت لا يضرك أن لا تذكر حديث فاطمة فقال مروان بن الحكم إن كان بك شر فحسبك ما بين هذين من الشر.
সহিহ বুখারী ৫৩২২
إسماعيل حدثنا مالك عن يحيٰى بن سعيد عن القاسم بن محمد وسليمان بن يسار أنه“ سمعهما يذكران أن يحيٰى بن سعيد بن العاص طلق بنت عبد الرحمٰن بن الحكم فانتقلها عبد الرحمٰن فأرسلت عائشة أم المؤمنين إلٰى مروان بن الحكم وهو أمير المدينة اتق الله وارددها إلٰى بيتها قال مروان في حديث سليمان إن عبد الرحمٰن بن الحكم غلبني وقال القاسم بن محمد أوما بلغك شأن فاطمة بنت قيس قالت لا يضرك أن لا تذكر حديث فاطمة فقال مروان بن الحكم إن كان بك شر فحسبك ما بين هذين من الشر.
কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ ও সুলাইমান ইবনু ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা’ঈদ ইবনু আস (রহঃ) ‘আবদুর রহমান ইবনু হাকাম এর কন্যাকে ত্বলাক্ব দিলে ‘আবদুর রহমান তাকে উম্মুল মু’মিনীন 'আয়িশা (রাঃ)- এর কাছে নিয়ে গেলে, তিনি মাদীনাহ্র শাসনকর্তা মারওয়ানের কাছে বলে পাঠালেনঃ আল্লাহকে ভয় কর, আর তাকে তার ঘরে ফিরিয়ে দাও। মারওয়ান বলেন, সুলাইমানের বর্ণনায় ‘আবদুর রহমান আমাকে যুক্তিতে হারিয়ে দিয়েছে। কাসিম ইবনু মুহাম্মাদের বর্ণনায় তিনি বলেন, ফাতিমাহ বিন্ত কায়সের ঘটনা কি আপনার কাছে পৌঁছেনি? তিনি বললেনঃ ('আয়িশা) ফাতিমাহ বিন্ত কায়সের ঘটনা মনে না রাখলে তোমার কোন ক্ষতি হবে না। মারওয়ান বললেনঃ যদি মনে করেন ফাতিমাহ্কে বের করার পেছনে তার মন্দ আচরণ কাজ করেছে, তবে বলব, এখানে সে মন্দ আচরণ বিদ্যমান আছে।( মুসলিম ১৮/৬, হাঃ ১৪৮১] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮২৬)
কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ ও সুলাইমান ইবনু ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা’ঈদ ইবনু আস (রহঃ) ‘আবদুর রহমান ইবনু হাকাম এর কন্যাকে ত্বলাক্ব দিলে ‘আবদুর রহমান তাকে উম্মুল মু’মিনীন 'আয়িশা (রাঃ)- এর কাছে নিয়ে গেলে, তিনি মাদীনাহ্র শাসনকর্তা মারওয়ানের কাছে বলে পাঠালেনঃ আল্লাহকে ভয় কর, আর তাকে তার ঘরে ফিরিয়ে দাও। মারওয়ান বলেন, সুলাইমানের বর্ণনায় ‘আবদুর রহমান আমাকে যুক্তিতে হারিয়ে দিয়েছে। কাসিম ইবনু মুহাম্মাদের বর্ণনায় তিনি বলেন, ফাতিমাহ বিন্ত কায়সের ঘটনা কি আপনার কাছে পৌঁছেনি? তিনি বললেনঃ ('আয়িশা) ফাতিমাহ বিন্ত কায়সের ঘটনা মনে না রাখলে তোমার কোন ক্ষতি হবে না। মারওয়ান বললেনঃ যদি মনে করেন ফাতিমাহ্কে বের করার পেছনে তার মন্দ আচরণ কাজ করেছে, তবে বলব, এখানে সে মন্দ আচরণ বিদ্যমান আছে।( মুসলিম ১৮/৬, হাঃ ১৪৮১] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮২৬)
إسماعيل حدثنا مالك عن يحيٰى بن سعيد عن القاسم بن محمد وسليمان بن يسار أنه“ سمعهما يذكران أن يحيٰى بن سعيد بن العاص طلق بنت عبد الرحمٰن بن الحكم فانتقلها عبد الرحمٰن فأرسلت عائشة أم المؤمنين إلٰى مروان بن الحكم وهو أمير المدينة اتق الله وارددها إلٰى بيتها قال مروان في حديث سليمان إن عبد الرحمٰن بن الحكم غلبني وقال القاسم بن محمد أوما بلغك شأن فاطمة بنت قيس قالت لا يضرك أن لا تذكر حديث فاطمة فقال مروان بن الحكم إن كان بك شر فحسبك ما بين هذين من الشر.
সহিহ বুখারী ৫৩২৩
محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن عبد الرحمٰن بن القاسم عن أبيه عن عائشة أنها قالت ما لفاطمة ألا تتقي الله يعني في قولها لا سكنٰى ولا نفقة.
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ ফাতিমার কী হল? সে কেন আল্লাহকে ভয় করছে না অর্থাৎ তার এ কথায় যে, ত্বলাকপ্রাপ্তা নারী (তার স্বামীর থেকে) খাদ্য ও বাসস্থান কিছুই পাবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮২৭)
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ ফাতিমার কী হল? সে কেন আল্লাহকে ভয় করছে না অর্থাৎ তার এ কথায় যে, ত্বলাকপ্রাপ্তা নারী (তার স্বামীর থেকে) খাদ্য ও বাসস্থান কিছুই পাবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮২৭)
محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن عبد الرحمٰن بن القاسم عن أبيه عن عائشة أنها قالت ما لفاطمة ألا تتقي الله يعني في قولها لا سكنٰى ولا نفقة.
সহিহ বুখারী ৫৩২৪
محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن عبد الرحمٰن بن القاسم عن أبيه عن عائشة أنها قالت ما لفاطمة ألا تتقي الله يعني في قولها لا سكنٰى ولا نفقة.
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ ফাতিমার কী হল? সে কেন আল্লাহকে ভয় করছে না অর্থাৎ তার এ কথায় যে, ত্বলাকপ্রাপ্তা নারী (তার স্বামীর থেকে) খাদ্য ও বাসস্থান কিছুই পাবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮২৭)
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ ফাতিমার কী হল? সে কেন আল্লাহকে ভয় করছে না অর্থাৎ তার এ কথায় যে, ত্বলাকপ্রাপ্তা নারী (তার স্বামীর থেকে) খাদ্য ও বাসস্থান কিছুই পাবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮২৭)
محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن عبد الرحمٰن بن القاسم عن أبيه عن عائشة أنها قالت ما لفاطمة ألا تتقي الله يعني في قولها لا سكنٰى ولا نفقة.
সহিহ বুখারী ৫৩২৫
عمرو بن عباس حدثنا ابن مهدي حدثنا سفيان عن عبد الرحمٰن بن القاسم عن أبيه قال عروة بن الزبير لعائشة ألم تري إلٰى فلانة بنت الحكم طلقها زوجها البتة فخرجت فقالت بئس ما صنعت قال ألم تسمعي في قول فاطمة قالت أما إنه“ ليس لها خير في ذكر هٰذا الحديث وزاد ابن أبي الزناد عن هشام عن أبيه عابت عائشة أشد العيب وقالت إن فاطمة كانت في مكان وحش فخيف علٰى ناحيتها فلذ‘لك أرخص لها النبي صلى الله عليه وسلم.
কাসিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রহঃ) 'আয়িশা (রাঃ)- কে জিজ্ঞেস করলঃ আপনি কি জানেন না, হাকামের কন্যা অমুককে তার স্বামী তিন ত্বলাক্ব দিলে, সে (তার পিত্রালয়ে) চলে গিয়েছিল। 'আয়িশা বললেনঃ সে মন্দ কাজ করেছে। ‘উরওয়াহ বললেনঃ আপনি কি ফাতিমার কথা শোনেননি, তিনি বললেনঃ এ হাদীস বর্ণনায় তার কোন কল্যাণ নেই। ইব্নু আবুয্যিনাদ হিশাম সূত্রে তার (হিশামের) পিতা থেকে আরও বর্ণনা করেন যে, 'আয়িশা (রাঃ) এ কথাকে অত্যন্ত দূষণীয় মনে করেন। তিনি আরও বলেন, ফাতিমা একটা ভীতিকর স্থানে থাকত, তার উপর ভয়ভীতির আশঙ্কা থাকায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে (স্থান পরিবর্তনের) রুখসত দেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮২৮)
কাসিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রহঃ) 'আয়িশা (রাঃ)- কে জিজ্ঞেস করলঃ আপনি কি জানেন না, হাকামের কন্যা অমুককে তার স্বামী তিন ত্বলাক্ব দিলে, সে (তার পিত্রালয়ে) চলে গিয়েছিল। 'আয়িশা বললেনঃ সে মন্দ কাজ করেছে। ‘উরওয়াহ বললেনঃ আপনি কি ফাতিমার কথা শোনেননি, তিনি বললেনঃ এ হাদীস বর্ণনায় তার কোন কল্যাণ নেই। ইব্নু আবুয্যিনাদ হিশাম সূত্রে তার (হিশামের) পিতা থেকে আরও বর্ণনা করেন যে, 'আয়িশা (রাঃ) এ কথাকে অত্যন্ত দূষণীয় মনে করেন। তিনি আরও বলেন, ফাতিমা একটা ভীতিকর স্থানে থাকত, তার উপর ভয়ভীতির আশঙ্কা থাকায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে (স্থান পরিবর্তনের) রুখসত দেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮২৮)
عمرو بن عباس حدثنا ابن مهدي حدثنا سفيان عن عبد الرحمٰن بن القاسم عن أبيه قال عروة بن الزبير لعائشة ألم تري إلٰى فلانة بنت الحكم طلقها زوجها البتة فخرجت فقالت بئس ما صنعت قال ألم تسمعي في قول فاطمة قالت أما إنه“ ليس لها خير في ذكر هٰذا الحديث وزاد ابن أبي الزناد عن هشام عن أبيه عابت عائشة أشد العيب وقالت إن فاطمة كانت في مكان وحش فخيف علٰى ناحيتها فلذ‘لك أرخص لها النبي صلى الله عليه وسلم.
সহিহ বুখারী ৫৩২৬
عمرو بن عباس حدثنا ابن مهدي حدثنا سفيان عن عبد الرحمٰن بن القاسم عن أبيه قال عروة بن الزبير لعائشة ألم تري إلٰى فلانة بنت الحكم طلقها زوجها البتة فخرجت فقالت بئس ما صنعت قال ألم تسمعي في قول فاطمة قالت أما إنه“ ليس لها خير في ذكر هٰذا الحديث وزاد ابن أبي الزناد عن هشام عن أبيه عابت عائشة أشد العيب وقالت إن فاطمة كانت في مكان وحش فخيف علٰى ناحيتها فلذ‘لك أرخص لها النبي صلى الله عليه وسلم.
কাসিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রহঃ) 'আয়িশা (রাঃ)- কে জিজ্ঞেস করলঃ আপনি কি জানেন না, হাকামের কন্যা অমুককে তার স্বামী তিন ত্বলাক্ব দিলে, সে (তার পিত্রালয়ে) চলে গিয়েছিল। 'আয়িশা বললেনঃ সে মন্দ কাজ করেছে। ‘উরওয়াহ বললেনঃ আপনি কি ফাতিমার কথা শোনেননি, তিনি বললেনঃ এ হাদীস বর্ণনায় তার কোন কল্যাণ নেই। ইব্নু আবুয্যিনাদ হিশাম সূত্রে তার (হিশামের) পিতা থেকে আরও বর্ণনা করেন যে, 'আয়িশা (রাঃ) এ কথাকে অত্যন্ত দূষণীয় মনে করেন। তিনি আরও বলেন, ফাতিমা একটা ভীতিকর স্থানে থাকত, তার উপর ভয়ভীতির আশঙ্কা থাকায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে (স্থান পরিবর্তনের) রুখসত দেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮২৮)
কাসিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রহঃ) 'আয়িশা (রাঃ)- কে জিজ্ঞেস করলঃ আপনি কি জানেন না, হাকামের কন্যা অমুককে তার স্বামী তিন ত্বলাক্ব দিলে, সে (তার পিত্রালয়ে) চলে গিয়েছিল। 'আয়িশা বললেনঃ সে মন্দ কাজ করেছে। ‘উরওয়াহ বললেনঃ আপনি কি ফাতিমার কথা শোনেননি, তিনি বললেনঃ এ হাদীস বর্ণনায় তার কোন কল্যাণ নেই। ইব্নু আবুয্যিনাদ হিশাম সূত্রে তার (হিশামের) পিতা থেকে আরও বর্ণনা করেন যে, 'আয়িশা (রাঃ) এ কথাকে অত্যন্ত দূষণীয় মনে করেন। তিনি আরও বলেন, ফাতিমা একটা ভীতিকর স্থানে থাকত, তার উপর ভয়ভীতির আশঙ্কা থাকায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে (স্থান পরিবর্তনের) রুখসত দেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮২৮)
عمرو بن عباس حدثنا ابن مهدي حدثنا سفيان عن عبد الرحمٰن بن القاسم عن أبيه قال عروة بن الزبير لعائشة ألم تري إلٰى فلانة بنت الحكم طلقها زوجها البتة فخرجت فقالت بئس ما صنعت قال ألم تسمعي في قول فاطمة قالت أما إنه“ ليس لها خير في ذكر هٰذا الحديث وزاد ابن أبي الزناد عن هشام عن أبيه عابت عائشة أشد العيب وقالت إن فاطمة كانت في مكان وحش فخيف علٰى ناحيتها فلذ‘لك أرخص لها النبي صلى الله عليه وسلم.
সহিহ বুখারী > স্বামীর গৃহে অবস্থান করলে যদি ত্বলাক্বপ্রাপ্তা নারী তার স্বামীর পরিবারের লোকজনের গালমন্দ দেয়ার বা তার ঘরে চোর ইত্যাদির প্রবেশ করার ভয় করে।
সহিহ বুখারী ৫৩২৭
حبان أخبرنا عبد الله أخبرنا ابن جريج عن ابن شهاب عن عروة أن عائشة أنكرت ذ‘لك علٰى فاطمة.
উরওয়াহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, 'আয়িশা (রাঃ) ফাতিমার কথাকে অগ্রাহ্য করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮২৯)
উরওয়াহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, 'আয়িশা (রাঃ) ফাতিমার কথাকে অগ্রাহ্য করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮২৯)
حبان أخبرنا عبد الله أخبرنا ابن جريج عن ابن شهاب عن عروة أن عائشة أنكرت ذ‘لك علٰى فاطمة.
সহিহ বুখারী ৫৩২৮
حبان أخبرنا عبد الله أخبرنا ابن جريج عن ابن شهاب عن عروة أن عائشة أنكرت ذ‘لك علٰى فاطمة.
উরওয়াহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, 'আয়িশা (রাঃ) ফাতিমার কথাকে অগ্রাহ্য করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮২৯)
উরওয়াহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, 'আয়িশা (রাঃ) ফাতিমার কথাকে অগ্রাহ্য করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮২৯)
حبان أخبرنا عبد الله أخبرنا ابن جريج عن ابن شهاب عن عروة أن عائشة أنكرت ذ‘لك علٰى فاطمة.
সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহর বাণীঃ “তাদের জন্য গোপন করা বৈধ হবে না যা আল্লাহ তাদের জরায়ুতে সৃষ্টি করেছেন” (সূরাহ আল-বাক্বরাহ ২:২২৮) হায়িয বা গর্ভসঞ্চার
সহিহ বুখারী ৫৩২৯
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا شعبة، عن الحكم، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت لما أراد رسول الله صلى الله عليه وسلم أن ينفر إذا صفية على باب خبائها كئيبة، فقال لها " عقرى ـ أو حلقى ـ إنك لحابستنا أكنت أفضت يوم النحر ". قالت نعم. قال " فانفري إذا ".
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (হাজ্জ শেষে) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন রওয়ানা হওয়ার ইচ্ছা করলেন, তখন সফীয়্যাহ (রাঃ) দুঃখিত হয়ে স্বীয় তাঁবুর দরজায় দাঁড়িয়ে গেলেন। তিনি তাকে বললেনঃ বড় সমস্যায় ভুগছি, তুমি তো আমাদের আটকে রাখবে। আচ্ছা তুমি কি তাওয়াফে যিয়ারত সম্পন্ন করেছ? বললেনঃ হাঁ। তিনি বললেনঃ তা হলে এখন বেরিয়ে পড়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৩০)
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (হাজ্জ শেষে) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন রওয়ানা হওয়ার ইচ্ছা করলেন, তখন সফীয়্যাহ (রাঃ) দুঃখিত হয়ে স্বীয় তাঁবুর দরজায় দাঁড়িয়ে গেলেন। তিনি তাকে বললেনঃ বড় সমস্যায় ভুগছি, তুমি তো আমাদের আটকে রাখবে। আচ্ছা তুমি কি তাওয়াফে যিয়ারত সম্পন্ন করেছ? বললেনঃ হাঁ। তিনি বললেনঃ তা হলে এখন বেরিয়ে পড়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৩০)
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا شعبة، عن الحكم، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت لما أراد رسول الله صلى الله عليه وسلم أن ينفر إذا صفية على باب خبائها كئيبة، فقال لها " عقرى ـ أو حلقى ـ إنك لحابستنا أكنت أفضت يوم النحر ". قالت نعم. قال " فانفري إذا ".
সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহ্র বাণীঃ “ত্বলাক্বপ্রাপ্তাদের স্বামীরা (ইদ্দাতের মধ্যে) তাদের ফিরিয়ে আনার অগ্রাধিকার রাখে।” (সূরাহ আল-বাক্বারাহঃ ২২৮)
সহিহ বুখারী ৫৩৩০
حدثني محمد، أخبرنا عبد الوهاب، حدثنا يونس، عن الحسن، قال زوج معقل أخته فطلقها تطليقة.
হাসান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ মা’কাল তার বোনকে বিয়ে দিয়েছিল, অতঃপর তার স্বামী তাকে এক ত্বলাক্ব দেয়।(আধুনিক প্রকাশনী- নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৩১)
হাসান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ মা’কাল তার বোনকে বিয়ে দিয়েছিল, অতঃপর তার স্বামী তাকে এক ত্বলাক্ব দেয়।(আধুনিক প্রকাশনী- নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৩১)
حدثني محمد، أخبرنا عبد الوهاب، حدثنا يونس، عن الحسن، قال زوج معقل أخته فطلقها تطليقة.
সহিহ বুখারী ৫৩৩১
وحدثني محمد بن المثنى، حدثنا عبد الأعلى، حدثنا سعيد، عن قتادة، حدثنا الحسن، أن معقل بن يسار، كانت أخته تحت رجل فطلقها، ثم خلى عنها حتى انقضت عدتها، ثم خطبها فحمي معقل من ذلك أنفا فقال خلى عنها وهو يقدر عليها، ثم يخطبها فحال بينه وبينها، فأنزل الله {وإذا طلقتم النساء فبلغن أجلهن فلا تعضلوهن} إلى آخر الآية، فدعاه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقرأ عليه، فترك الحمية واستقاد لأمر الله.
হাসান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, মা’কাল ইবনু ইয়াসারের বোন এক ব্যক্তির বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ ছিল। সে তাকে ত্বলাক্ব দিল। পুনরায় ফিরিয়ে আনল না, এভাবে তার ইদ্দাত শেষ হয়ে গেলে সে আবার তার কাছে বিয়ের প্রস্তাব দিল। মা’কাল (রাঃ) এতে রাগান্বিত হলেন, তিনি বললেন, সময় মত ফিরিয়ে নিল না, এখন আবার প্রস্তাব দিচ্ছে। তিনি তাদের মাঝে (বিয়ের ব্যাপারে) বাধা হয়ে দাঁড়ালেন। এরপর আল্লাহ তা’আলা এ আয়াতটি অবতীর্ণ করেনঃ তোমরা যখন স্ত্রীদেরকে ত্বলাক্ব দাও এবং তারা তাদের ইদ্দাত পূর্ণ করে, তখন তারা নিজেদের স্বামীদেরকে বিবাহ করতে চাইলে তোমরা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করো না......... (সূরাহ আল-বাক্বারা ২/২৩২)। এরপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ডাকলেন এবং তার সম্মুখে আয়াতটি পাঠ করলেন। তিনি তার অহমিকা পরিত্যাগ করতঃ আল্লাহ্র আদেশের আনুগত্য করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৩২)
হাসান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, মা’কাল ইবনু ইয়াসারের বোন এক ব্যক্তির বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ ছিল। সে তাকে ত্বলাক্ব দিল। পুনরায় ফিরিয়ে আনল না, এভাবে তার ইদ্দাত শেষ হয়ে গেলে সে আবার তার কাছে বিয়ের প্রস্তাব দিল। মা’কাল (রাঃ) এতে রাগান্বিত হলেন, তিনি বললেন, সময় মত ফিরিয়ে নিল না, এখন আবার প্রস্তাব দিচ্ছে। তিনি তাদের মাঝে (বিয়ের ব্যাপারে) বাধা হয়ে দাঁড়ালেন। এরপর আল্লাহ তা’আলা এ আয়াতটি অবতীর্ণ করেনঃ তোমরা যখন স্ত্রীদেরকে ত্বলাক্ব দাও এবং তারা তাদের ইদ্দাত পূর্ণ করে, তখন তারা নিজেদের স্বামীদেরকে বিবাহ করতে চাইলে তোমরা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করো না......... (সূরাহ আল-বাক্বারা ২/২৩২)। এরপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ডাকলেন এবং তার সম্মুখে আয়াতটি পাঠ করলেন। তিনি তার অহমিকা পরিত্যাগ করতঃ আল্লাহ্র আদেশের আনুগত্য করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৩২)
وحدثني محمد بن المثنى، حدثنا عبد الأعلى، حدثنا سعيد، عن قتادة، حدثنا الحسن، أن معقل بن يسار، كانت أخته تحت رجل فطلقها، ثم خلى عنها حتى انقضت عدتها، ثم خطبها فحمي معقل من ذلك أنفا فقال خلى عنها وهو يقدر عليها، ثم يخطبها فحال بينه وبينها، فأنزل الله {وإذا طلقتم النساء فبلغن أجلهن فلا تعضلوهن} إلى آخر الآية، فدعاه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقرأ عليه، فترك الحمية واستقاد لأمر الله.
সহিহ বুখারী ৫৩৩২
قتيبة حدثنا الليث عن نافع أن ابن عمر بن الخطاب طلق امرأة له“ وهي حائض تطليقة واحدة فأمره“ رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يراجعها ثم يمسكها حتٰى تطهر ثم تحيض عنده“ حيضة أخر‘ى ثم يمهلها حتٰى تطهر من حيضها فإن أراد أن يطلقها فليطلقها حين تطهر من قبل أن يجامعها فتلك العدة التي أمر الله أن تطلق لها النساء وكان عبد الله إذا سئل عن ذ‘لك قال لأحدهم إن كنت طلقتها ثلاثا فقد حرمت عليك حتٰى تنكح زوجا غيرك وزاد فيه غيره“ عن الليث حدثني نافع قال ابن عمر لو طلقت مرة أو مرتين فإن النبي صلى الله عليه وسلم أمرني بهذا.
নাফি (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, ইবনু ‘উমার (রাঃ) তাঁর স্ত্রীকে ঋতুবতী অবস্থায় এক ত্বলাক্ব দেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে আদেশ দিলেন, তিনি যেন তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনেন এবং মহিলা পবিত্র হয়ে আবার ঋতুবতী হয়ে পরবর্তী পবিত্রা অবস্থা আসা পর্যন্ত তাকে নিজের কাছে রাখেন। পবিত্র অবস্থায় যদি তাকে ত্বলাক্ব দিতে চায় তবে সঙ্গমের পূর্বে ত্বলাক দিতে হবে। এটাই ইদ্দাত, যে সময় স্ত্রীদেরকে ত্বলাক্ব দেয়ার জন্য আল্লাহ আদেশ দিয়েছেন। ‘আবদুল্লাহকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি তাদের বলেনঃ তুমি যদি তাকে তিন ত্বলাক্ব দিয়ে দাও, তবে স্ত্রীলোকটি অন্য স্বামী গ্রহণ না করা পর্যন্ত তোমার জন্য হারাম হয়ে যাবে। অন্য বর্ণনায় ইব্ন ‘উমার (রাঃ) বলতেন, ‘তুমি যদি এক বা দু’ত্বলাক্ব দিতে’ কারণ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে এরকমই নির্দেশ দিয়েছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৩৩)
নাফি (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, ইবনু ‘উমার (রাঃ) তাঁর স্ত্রীকে ঋতুবতী অবস্থায় এক ত্বলাক্ব দেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে আদেশ দিলেন, তিনি যেন তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনেন এবং মহিলা পবিত্র হয়ে আবার ঋতুবতী হয়ে পরবর্তী পবিত্রা অবস্থা আসা পর্যন্ত তাকে নিজের কাছে রাখেন। পবিত্র অবস্থায় যদি তাকে ত্বলাক্ব দিতে চায় তবে সঙ্গমের পূর্বে ত্বলাক দিতে হবে। এটাই ইদ্দাত, যে সময় স্ত্রীদেরকে ত্বলাক্ব দেয়ার জন্য আল্লাহ আদেশ দিয়েছেন। ‘আবদুল্লাহকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি তাদের বলেনঃ তুমি যদি তাকে তিন ত্বলাক্ব দিয়ে দাও, তবে স্ত্রীলোকটি অন্য স্বামী গ্রহণ না করা পর্যন্ত তোমার জন্য হারাম হয়ে যাবে। অন্য বর্ণনায় ইব্ন ‘উমার (রাঃ) বলতেন, ‘তুমি যদি এক বা দু’ত্বলাক্ব দিতে’ কারণ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে এরকমই নির্দেশ দিয়েছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৩৩)
قتيبة حدثنا الليث عن نافع أن ابن عمر بن الخطاب طلق امرأة له“ وهي حائض تطليقة واحدة فأمره“ رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يراجعها ثم يمسكها حتٰى تطهر ثم تحيض عنده“ حيضة أخر‘ى ثم يمهلها حتٰى تطهر من حيضها فإن أراد أن يطلقها فليطلقها حين تطهر من قبل أن يجامعها فتلك العدة التي أمر الله أن تطلق لها النساء وكان عبد الله إذا سئل عن ذ‘لك قال لأحدهم إن كنت طلقتها ثلاثا فقد حرمت عليك حتٰى تنكح زوجا غيرك وزاد فيه غيره“ عن الليث حدثني نافع قال ابن عمر لو طلقت مرة أو مرتين فإن النبي صلى الله عليه وسلم أمرني بهذا.