সহিহ বুখারী > মুশরিক নারী মুসলমান হলে তার বিবাহ ও ইদ্দাত।
সহিহ বুখারী ৫২৮৭
وقال عطاء عن ابن عباس كانت قريبة بنت أبي أمية عند عمر بن الخطاب فطلقها فتزوجها معاوية بن أبي سفيان وكانت أم الحكم بنت أبي سفيان تحت عياض بن غنم الفهري فطلقها فتزوجها عبد الله بن عثمان الثقفي.
আত্বা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আত্বা (রহঃ) ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, আবূ উমাইয়্যার কন্যা করীবাহা ‘উমার ইবনু খাত্তাবের সঙ্গে বিবাহে আবদ্ধ ছিল। তিনি তাকে ত্বলাক্ব দিলে মু‘আবিয়াহ ইবনু আবূ সুফ্ইয়ান তাকে বিয়ে করেন। আর আবূ সুফ্ইয়ানের কন্যা উম্মুল হাকাম ইয়ায ইবনু গান্ম ফিহ্রীর সঙ্গে বিবাহে আবদ্ধ ছিল। তিনি তাকে ত্বলাক্ব দিলে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উসমান সাকাফী (রাঃ) তাকে বিয়ে করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৯৪)
আত্বা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আত্বা (রহঃ) ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, আবূ উমাইয়্যার কন্যা করীবাহা ‘উমার ইবনু খাত্তাবের সঙ্গে বিবাহে আবদ্ধ ছিল। তিনি তাকে ত্বলাক্ব দিলে মু‘আবিয়াহ ইবনু আবূ সুফ্ইয়ান তাকে বিয়ে করেন। আর আবূ সুফ্ইয়ানের কন্যা উম্মুল হাকাম ইয়ায ইবনু গান্ম ফিহ্রীর সঙ্গে বিবাহে আবদ্ধ ছিল। তিনি তাকে ত্বলাক্ব দিলে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উসমান সাকাফী (রাঃ) তাকে বিয়ে করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৯৪)
وقال عطاء عن ابن عباس كانت قريبة بنت أبي أمية عند عمر بن الخطاب فطلقها فتزوجها معاوية بن أبي سفيان وكانت أم الحكم بنت أبي سفيان تحت عياض بن غنم الفهري فطلقها فتزوجها عبد الله بن عثمان الثقفي.
সহিহ বুখারী ৫২৮৬
إبراهيم بن موسٰى أخبرنا هشام عن ابن جريج وقال عطاء عن ابن عباس كان المشركون علٰى منزلتين من النبي صلى الله عليه وسلم والمؤمنين كانوا مشركي أهل حرب يقاتلهم ويقاتلونه“ ومشركي أهل عهد لا يقاتلهم ولا يقاتلونه“ وكان إذا هاجرت امرأة من أهل الحرب لم تخطب حتٰى تحيض وتطهر فإذا طهرت حل لها النكاح فإن هاجر زوجها قبل أن تنكح ردت إليه وإن هاجر عبد منهم أو أمة فهما حران ولهما ما للمهاجرين ثم ذكر من أهل العهد مثل حديث مجاهد وإن هاجر عبد أو أمة للمشركين أهل العهد لم يردوا وردت أثمانهم.
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মু‘মিনদের ব্যাপারে মুশরিকরা দু’দলে বিভক্ত ছিল। একদল ছিল হারবী মুশরিক, তিনি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতেন এবং তারাও তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করত। অন্যদল ছিল চুক্তিবদ্ধ মুশরিক। তিনি তাদের সাথে যুদ্ধ করতেন না এবং তারাও তাঁর সাথে যুদ্ধ করত না। হারবীদের কোন মহিলা যদি হিজরাত করে (মুসলমানদের) কাছে চলে আসত, তাহলে সে ঋতুবতী হয়ে পুনরায় পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত তার কাছে বিয়ের প্রস্তাব দেয়া হতো না। পবিত্র হওয়ার পর তার সাথে বিবাহ বৈধ হত। তবে যদি বিয়ের পূর্বেই তার স্বামী হিজরাত করত, তাহলে মহিলাকে তাঁর কাছেই ফিরিয়ে দিতে হত। আর যদি তাদের কোন দাস বা দাসী হিজরাত করত, তাহলে তারা আযাদ হয়ে যেত এবং মুহাজিরদের সমান অধিকার লাভ করত। এরপর বর্ণনাকারী (‘আত্বা) চুক্তিবদ্ধ মুশরিকদের সম্পর্কে মুজাহিদের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। যদি চুক্তিবদ্ধ মুশরিকদের কোন দাস বা দাসী হিজরাত করে আসত, তাহলে তাদেরকে পুনরায় পাঠিয়ে দেয়া হতো না। তবে তাদের মূল্য ফিরিয়ে দেয়া হতো।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মু‘মিনদের ব্যাপারে মুশরিকরা দু’দলে বিভক্ত ছিল। একদল ছিল হারবী মুশরিক, তিনি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতেন এবং তারাও তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করত। অন্যদল ছিল চুক্তিবদ্ধ মুশরিক। তিনি তাদের সাথে যুদ্ধ করতেন না এবং তারাও তাঁর সাথে যুদ্ধ করত না। হারবীদের কোন মহিলা যদি হিজরাত করে (মুসলমানদের) কাছে চলে আসত, তাহলে সে ঋতুবতী হয়ে পুনরায় পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত তার কাছে বিয়ের প্রস্তাব দেয়া হতো না। পবিত্র হওয়ার পর তার সাথে বিবাহ বৈধ হত। তবে যদি বিয়ের পূর্বেই তার স্বামী হিজরাত করত, তাহলে মহিলাকে তাঁর কাছেই ফিরিয়ে দিতে হত। আর যদি তাদের কোন দাস বা দাসী হিজরাত করত, তাহলে তারা আযাদ হয়ে যেত এবং মুহাজিরদের সমান অধিকার লাভ করত। এরপর বর্ণনাকারী (‘আত্বা) চুক্তিবদ্ধ মুশরিকদের সম্পর্কে মুজাহিদের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। যদি চুক্তিবদ্ধ মুশরিকদের কোন দাস বা দাসী হিজরাত করে আসত, তাহলে তাদেরকে পুনরায় পাঠিয়ে দেয়া হতো না। তবে তাদের মূল্য ফিরিয়ে দেয়া হতো।
إبراهيم بن موسٰى أخبرنا هشام عن ابن جريج وقال عطاء عن ابن عباس كان المشركون علٰى منزلتين من النبي صلى الله عليه وسلم والمؤمنين كانوا مشركي أهل حرب يقاتلهم ويقاتلونه“ ومشركي أهل عهد لا يقاتلهم ولا يقاتلونه“ وكان إذا هاجرت امرأة من أهل الحرب لم تخطب حتٰى تحيض وتطهر فإذا طهرت حل لها النكاح فإن هاجر زوجها قبل أن تنكح ردت إليه وإن هاجر عبد منهم أو أمة فهما حران ولهما ما للمهاجرين ثم ذكر من أهل العهد مثل حديث مجاهد وإن هاجر عبد أو أمة للمشركين أهل العهد لم يردوا وردت أثمانهم.
সহিহ বুখারী > যিম্মি বা হারবীর কোন মুশরিক বা খৃষ্টান স্ত্রী যদি ইসলাম গ্রহণ করে।
সহিহ বুখারী ৫২৮৮
حدثنا ابن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب،. وقال إبراهيم بن المنذر حدثني ابن وهب، حدثني يونس، قال ابن شهاب أخبرني عروة بن الزبير، أن عائشة ـ رضى الله عنها ـ زوج النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قالت كانت المؤمنات إذا هاجرن إلى النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم يمتحنهن بقول الله تعالى {يا أيها الذين آمنوا إذا جاءكم المؤمنات مهاجرات فامتحنوهن} إلى آخر الآية قالت عائشة فمن أقر بهذا الشرط من المؤمنات فقد أقر بالمحنة، فكان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أقررن بذلك من قولهن قال لهن رسول الله صلى الله عليه وسلم " انطلقن فقد بايعتكن "، لا والله ما مست يد رسول الله صلى الله عليه وسلم يد امرأة قط، غير أنه بايعهن بالكلام، والله ما أخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم على النساء إلا بما أمره الله يقول لهن إذا أخذ عليهن " قد بايعتكن ". كلاما.
উরওয়াহ ইব্নু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সহধর্মিণী 'আয়িশা (রাঃ) বলেন, ঈমানদার নারী যখন হিজরাত করে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে আসত, তখন তিনি আল্লাহর এ নির্দেশঃ- “হে মু‘মিনগণ! ঈমানদার নারীরা যখন তোমাদের কাছে হিজরাত করে আসে তখন তাদেরকে পরখ করে দেখ” অনুসারে তাদেরকে পরখ করতেন। (তারা সত্যিই ঈমান এনেছে কি না) ....... (আয়াতের শেষ পর্যন্ত)।” (সূরাহ আল-মুমতাহিনাহ ৬০ : ১০) 'আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ ঈমানদার নারীদের মধ্যে যারা (আয়াতে উল্লেখিত) শর্তাবলী মেনে নিত, তারা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হত। তাই যখনই তারা এ সম্পর্কে মুখে স্বীকারোক্তি করত তখনই রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে বলতেন যাও, আমি তোমাদের বাই‘আত গ্রহণ করেছি। আল্লাহ্র কসম! কথার দ্বারা বাই‘আত গ্রহণ ব্যতীত রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর হাত কখনো কোন নারীর হাত স্পর্শ করেনি। আল্লাহ্র কসম! তিনি কেবল সেসব বিষয়েই বাই‘আত গ্রহণ করতেন, যে সব বিষয়ে বাই‘আত গ্রহণ করার জন্য আল্লাহ তাকে নির্দেশ দিয়েছেন। বাই‘আত গ্রহণ শেষে তিনি বলতেনঃ আমি কথা দ্বারা তোমাদের বাই‘আত গ্রহণ করলাম।[২৭১৩; মুসলিম ৩৩/২১, হাঃ ১৮৬৬, আহমাদ ২৬৩৮৬] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৯৫)
উরওয়াহ ইব্নু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সহধর্মিণী 'আয়িশা (রাঃ) বলেন, ঈমানদার নারী যখন হিজরাত করে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে আসত, তখন তিনি আল্লাহর এ নির্দেশঃ- “হে মু‘মিনগণ! ঈমানদার নারীরা যখন তোমাদের কাছে হিজরাত করে আসে তখন তাদেরকে পরখ করে দেখ” অনুসারে তাদেরকে পরখ করতেন। (তারা সত্যিই ঈমান এনেছে কি না) ....... (আয়াতের শেষ পর্যন্ত)।” (সূরাহ আল-মুমতাহিনাহ ৬০ : ১০) 'আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ ঈমানদার নারীদের মধ্যে যারা (আয়াতে উল্লেখিত) শর্তাবলী মেনে নিত, তারা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হত। তাই যখনই তারা এ সম্পর্কে মুখে স্বীকারোক্তি করত তখনই রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে বলতেন যাও, আমি তোমাদের বাই‘আত গ্রহণ করেছি। আল্লাহ্র কসম! কথার দ্বারা বাই‘আত গ্রহণ ব্যতীত রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর হাত কখনো কোন নারীর হাত স্পর্শ করেনি। আল্লাহ্র কসম! তিনি কেবল সেসব বিষয়েই বাই‘আত গ্রহণ করতেন, যে সব বিষয়ে বাই‘আত গ্রহণ করার জন্য আল্লাহ তাকে নির্দেশ দিয়েছেন। বাই‘আত গ্রহণ শেষে তিনি বলতেনঃ আমি কথা দ্বারা তোমাদের বাই‘আত গ্রহণ করলাম।[২৭১৩; মুসলিম ৩৩/২১, হাঃ ১৮৬৬, আহমাদ ২৬৩৮৬] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৯৫)
حدثنا ابن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب،. وقال إبراهيم بن المنذر حدثني ابن وهب، حدثني يونس، قال ابن شهاب أخبرني عروة بن الزبير، أن عائشة ـ رضى الله عنها ـ زوج النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قالت كانت المؤمنات إذا هاجرن إلى النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم يمتحنهن بقول الله تعالى {يا أيها الذين آمنوا إذا جاءكم المؤمنات مهاجرات فامتحنوهن} إلى آخر الآية قالت عائشة فمن أقر بهذا الشرط من المؤمنات فقد أقر بالمحنة، فكان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أقررن بذلك من قولهن قال لهن رسول الله صلى الله عليه وسلم " انطلقن فقد بايعتكن "، لا والله ما مست يد رسول الله صلى الله عليه وسلم يد امرأة قط، غير أنه بايعهن بالكلام، والله ما أخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم على النساء إلا بما أمره الله يقول لهن إذا أخذ عليهن " قد بايعتكن ". كلاما.
সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহর বাণীঃ “যারা নিজেদের স্ত্রীদের নিকট না যাওয়ার জন্য শপথ গ্রহণ করে, তাদের জন্য চার মাসের অবকাশ আছে। যদি তারা উক্ত সময়ের মধ্যে ফিরে আসে, তবে নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। এবং তারা যদি তালাক দেয়ার সংকল্প করে, তবে আল্লাহ সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ।” (সূরাহ আল -বাক্বারা ২/২২৬-২২৭)
সহিহ বুখারী ৫২৯০
قتيبة حدثنا الليث عن نافع أن ابن عمر كان يقول في الإيلاء الذي سمٰى الله لا يحل لأحد بعد الأجل إلا أن يمسك بالمعروف أو يعزم بالطلاق كما أمر الله عز وجل.
নাফি' (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, ইবনু ‘উমার (রাঃ) যে ‘ঈলার কথা আল্লাহ উল্লেখ করেছেন সে সম্পর্কে বলতেন, সময়সীমা উত্তীর্ণ হওয়ার পরে প্রত্যেকেরই উচিত হয় স্ত্রীকে সততার সাথে গ্রহণ করবে, না হয় ত্বলাক্ব দেয়ার সিদ্ধান্ত নিবে, যেমনভাবে আল্লাহ তা‘আলা আদেশ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৯৭)
নাফি' (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, ইবনু ‘উমার (রাঃ) যে ‘ঈলার কথা আল্লাহ উল্লেখ করেছেন সে সম্পর্কে বলতেন, সময়সীমা উত্তীর্ণ হওয়ার পরে প্রত্যেকেরই উচিত হয় স্ত্রীকে সততার সাথে গ্রহণ করবে, না হয় ত্বলাক্ব দেয়ার সিদ্ধান্ত নিবে, যেমনভাবে আল্লাহ তা‘আলা আদেশ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৯৭)
قتيبة حدثنا الليث عن نافع أن ابن عمر كان يقول في الإيلاء الذي سمٰى الله لا يحل لأحد بعد الأجل إلا أن يمسك بالمعروف أو يعزم بالطلاق كما أمر الله عز وجل.
সহিহ বুখারী ৫২৯১
و قال لي إسماعيل حدثني مالك عن نافع عن ابن عمر إذا مضت أربعة أشهر يوقف حتٰى يطلق ولا يقع عليه الطلاق حتٰى يطلق ويذكر ذ‘لك عن عثمان وعلي وأبي الدرداء وعائشة واثني عشر رجلا من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم.
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইসমাঈল আমাকে আরও বলেছেন, মালিক (রহঃ) নাফি' এর সূত্রে ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, চার মাস অতিক্রান্ত হয়ে গেলে ত্বলাক্ব দেয়া পর্যন্ত তাকে আটকে রাখা হবে। আর ত্বলাক্ব না দেয়া পর্যন্ত ত্বলাক্ব প্রযোজ্য হবেনা। উসমান, ‘আলী, আবুদ্ দারদা, 'আয়িশা (রাঃ) এবং আরও বারজন সহাবী থেকেও অনুরূপ উল্লেখ করা হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৯৭)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইসমাঈল আমাকে আরও বলেছেন, মালিক (রহঃ) নাফি' এর সূত্রে ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, চার মাস অতিক্রান্ত হয়ে গেলে ত্বলাক্ব দেয়া পর্যন্ত তাকে আটকে রাখা হবে। আর ত্বলাক্ব না দেয়া পর্যন্ত ত্বলাক্ব প্রযোজ্য হবেনা। উসমান, ‘আলী, আবুদ্ দারদা, 'আয়িশা (রাঃ) এবং আরও বারজন সহাবী থেকেও অনুরূপ উল্লেখ করা হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৯৭)
و قال لي إسماعيل حدثني مالك عن نافع عن ابن عمر إذا مضت أربعة أشهر يوقف حتٰى يطلق ولا يقع عليه الطلاق حتٰى يطلق ويذكر ذ‘لك عن عثمان وعلي وأبي الدرداء وعائشة واثني عشر رجلا من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم.
সহিহ বুখারী ৫২৮৯
إسماعيل بن أبي أويس عن أخيه عن سليمان عن حميد الطويل أنه“ سمع أنس بن مالك يقول آلٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم من نسائه„ وكانت انفكت رجله“ فأقام في مشربة له“ تسعا وعشرين ثم نزل فقالوا يا رسول الله آليت شهرا فقال الشهر تسع وعشرون.
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার তাঁর স্ত্রীদের ব্যাপারে ঈলা (কাছে না যাওয়ার শপথ ) করলেন। সে সময় তাঁর পা মচকে গিয়েছিল। তিনি তাঁর কক্ষের মাচায় উনত্রিশ দিন অবস্থান করেন। অতঃপর সেখান থেকে নেমে আসেন। লোকেরা বললঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আপনি তো এক মাসের শপথ করেছিলেন। তিনি বললেনঃ উনত্রিশ দিনেও মাস হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৯৬)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার তাঁর স্ত্রীদের ব্যাপারে ঈলা (কাছে না যাওয়ার শপথ ) করলেন। সে সময় তাঁর পা মচকে গিয়েছিল। তিনি তাঁর কক্ষের মাচায় উনত্রিশ দিন অবস্থান করেন। অতঃপর সেখান থেকে নেমে আসেন। লোকেরা বললঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আপনি তো এক মাসের শপথ করেছিলেন। তিনি বললেনঃ উনত্রিশ দিনেও মাস হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৯৬)
إسماعيل بن أبي أويس عن أخيه عن سليمان عن حميد الطويل أنه“ سمع أنس بن مالك يقول آلٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم من نسائه„ وكانت انفكت رجله“ فأقام في مشربة له“ تسعا وعشرين ثم نزل فقالوا يا رسول الله آليت شهرا فقال الشهر تسع وعشرون.
সহিহ বুখারী > নিরুদ্দিষ্ট ব্যক্তির পরিবার ও তার সম্পদের বিধান।
সহিহ বুখারী ৫২৯২
علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن يحيٰى بن سعيد عن يزيد مولى المنبعث أن النبي صلى الله عليه وسلم سئل عن ضالة الغنم فقال خذها فإنما هي لك أو لأ÷خيك أو للذئب وسئل عن ضالة الإبل فغضب واحمرت وجنتاه“ وقال ما لك ولها معها الحذاء والسقاء تشرب الماء وتأكل الشجر حتٰى يلقاها ربها وسئل عن اللقطة فقال اعرف وكاءها وعفاصها وعرفها سنة فإن جاء من يعرفها وإلا فاخلطها بمالك قال سفيان فلقيت ربيعة بن أبي عبد الرحمٰن قال سفيان ولم أحفظ عنه“ شيئا غير هٰذا فقلت أرأيت حديث يزيد مولٰى المنبعث في أمر الضالة هو عن زيد بن خالد قال نعم قال يحيٰى ويقول ربيعة عن يزيد مولى المنبعث عن زيد بن خالد قال سفيان فلقيت ربيعة فقلت له.
মুনবাইস-এর আযাদকৃত গোলাম ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে হারানো বকরীর ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেনঃ ওটাকে ধরে নাও। কেননা, ওটা হয় তোমার জন্য, না হয় তোমার (অন্য) ভাইয়ের জন্য অথবা নেকড়ের জন্য। তাঁকে হারানো উটের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি রেগে গেলেন এবং তাঁর উভয় গন্ডদেশ লাল হয়ে গেল। এরপর তিনি বললেনঃ ওটা নিয়ে তোমার চিন্তা কেন? তার সঙ্গে (চলার জন্য) পায়ের তলায় ক্ষুর ও (পানাহারের জন্য) পেটে মশক আছে। সে পানি পান করতে থাকবে এবং বৃক্ষ-লতা খেতে থাকবে, আর এর মধ্যে মালিক তার সন্ধান লাভ করবে। তাঁকে লুকাতা (হারানো প্রাপ্তি) সম্বন্ধে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেনঃ প্রাপ্ত বস্তুর থলে ও মাথার বন্ধনটা চিনে নাও এবং এক বছর পর্যন্ত এর ঘোষণা দিতে থাক। যদি এর শনাক্তকারী (মালিক) আসে, তবে ভালো কথা, নচেৎ এটাকে তোমার মালের সাথে মিলিয়ে নাও। সুফ্ইয়ান বলেনঃ আমি রাবী‘আ ইবনু আবূ ‘আবদুর রহমানের সঙ্গে দেখা করে উল্লিখিত কথাগুলো ছাড়া আর কিছুই পাইনি। আমি বললামঃ হারানো প্রাণীর ব্যাপারে মুনবাইস এর আযাদকৃত গোলাম ইয়াযীদের হাদীসটি কি যায়দ ইবনু খালিদ হতে বর্ণিত? তিনি বললেন, হাঁ। ইয়াহইয়া বলেন, রাবী‘আ বলতেনঃ হাদীসটি মুনবাইস-এর আযাদকৃত গোলাম ইয়াযীদ-এর মাধ্যমে যায়দ ইবনু খালিদ হতে বর্ণনাকৃত। সুফ্ইয়ান বললেনঃ আমি রাবী‘আর সঙ্গে দেখা করে এ সম্পর্কে আলোচনা করলাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৯৮)
মুনবাইস-এর আযাদকৃত গোলাম ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে হারানো বকরীর ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেনঃ ওটাকে ধরে নাও। কেননা, ওটা হয় তোমার জন্য, না হয় তোমার (অন্য) ভাইয়ের জন্য অথবা নেকড়ের জন্য। তাঁকে হারানো উটের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি রেগে গেলেন এবং তাঁর উভয় গন্ডদেশ লাল হয়ে গেল। এরপর তিনি বললেনঃ ওটা নিয়ে তোমার চিন্তা কেন? তার সঙ্গে (চলার জন্য) পায়ের তলায় ক্ষুর ও (পানাহারের জন্য) পেটে মশক আছে। সে পানি পান করতে থাকবে এবং বৃক্ষ-লতা খেতে থাকবে, আর এর মধ্যে মালিক তার সন্ধান লাভ করবে। তাঁকে লুকাতা (হারানো প্রাপ্তি) সম্বন্ধে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেনঃ প্রাপ্ত বস্তুর থলে ও মাথার বন্ধনটা চিনে নাও এবং এক বছর পর্যন্ত এর ঘোষণা দিতে থাক। যদি এর শনাক্তকারী (মালিক) আসে, তবে ভালো কথা, নচেৎ এটাকে তোমার মালের সাথে মিলিয়ে নাও। সুফ্ইয়ান বলেনঃ আমি রাবী‘আ ইবনু আবূ ‘আবদুর রহমানের সঙ্গে দেখা করে উল্লিখিত কথাগুলো ছাড়া আর কিছুই পাইনি। আমি বললামঃ হারানো প্রাণীর ব্যাপারে মুনবাইস এর আযাদকৃত গোলাম ইয়াযীদের হাদীসটি কি যায়দ ইবনু খালিদ হতে বর্ণিত? তিনি বললেন, হাঁ। ইয়াহইয়া বলেন, রাবী‘আ বলতেনঃ হাদীসটি মুনবাইস-এর আযাদকৃত গোলাম ইয়াযীদ-এর মাধ্যমে যায়দ ইবনু খালিদ হতে বর্ণনাকৃত। সুফ্ইয়ান বললেনঃ আমি রাবী‘আর সঙ্গে দেখা করে এ সম্পর্কে আলোচনা করলাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৯৮)
علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن يحيٰى بن سعيد عن يزيد مولى المنبعث أن النبي صلى الله عليه وسلم سئل عن ضالة الغنم فقال خذها فإنما هي لك أو لأ÷خيك أو للذئب وسئل عن ضالة الإبل فغضب واحمرت وجنتاه“ وقال ما لك ولها معها الحذاء والسقاء تشرب الماء وتأكل الشجر حتٰى يلقاها ربها وسئل عن اللقطة فقال اعرف وكاءها وعفاصها وعرفها سنة فإن جاء من يعرفها وإلا فاخلطها بمالك قال سفيان فلقيت ربيعة بن أبي عبد الرحمٰن قال سفيان ولم أحفظ عنه“ شيئا غير هٰذا فقلت أرأيت حديث يزيد مولٰى المنبعث في أمر الضالة هو عن زيد بن خالد قال نعم قال يحيٰى ويقول ربيعة عن يزيد مولى المنبعث عن زيد بن خالد قال سفيان فلقيت ربيعة فقلت له.