সহিহ বুখারী > “তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভাই, ভাই - এর ছেলে, বোনের ছেলে, নিজেদের মহিলাগণ, স্বীয় মালিকানাধীন দাসী, পুরুষদের মধ্যে যৌন কামনামুক্ত পুরুষ আর নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ বালক ছাড়া অন্যের কাছে নিজেদের শোভা সৌন্দর্য প্রকাশ না করে।” (সূরাহ আন্-নূর ২৪/৩১)
সহিহ বুখারী ৫২৪৮
قتيبة بن سعيد حدثنا سفيان عن أبي حازم قال اختلف الناس بأي شيء دووي جرح رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم أحد فسألوا سهل بن سعد الساعدي وكان من آخر من بقي من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم بالمدينة فقال وما بقي من الناس أحد أعلم به„ مني كانت فاطمة عليها السلام تغسل الدم عن وجهه„ وعلي يأتي بالماء علٰى ترسه„ فأخذ حصير فحرق فحشي به„ جرحه.
আবূ হাযিম থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, উহুদের দিন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর ক্ষতস্থানে কী ঔষধ লাগানো হয়েছিল, এ নিয়ে লোকদের মধ্যে মতভেদ সৃষ্টি হল। পরে তারা সাহ্ল ইব্নু সা’দ সা’ঈদীকে জিজ্ঞেস করল, যিনি মদীনার অবশিষ্ট নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সাহাবীগণের সর্বশেষ ছিলেন। তিনি বললেন, এ ব্যপারে আমার চেয়ে অধিক অভিজ্ঞ কোন ব্যক্তি অবশিষ্ট নেই। ফাতিমাহ (রাঃ) তাঁর মুখমণ্ডল হতে রক্ত ধুয়ে দিচ্ছিলেন আর ‘আলী (রাঃ) ঢালে করে পানি আনছিলেন। পরে একটি চাটাই পুড়িয়ে, তা ক্ষতস্থানে চারপাশে লাগিয়ে দেয়া হল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৬৮)
আবূ হাযিম থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, উহুদের দিন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর ক্ষতস্থানে কী ঔষধ লাগানো হয়েছিল, এ নিয়ে লোকদের মধ্যে মতভেদ সৃষ্টি হল। পরে তারা সাহ্ল ইব্নু সা’দ সা’ঈদীকে জিজ্ঞেস করল, যিনি মদীনার অবশিষ্ট নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সাহাবীগণের সর্বশেষ ছিলেন। তিনি বললেন, এ ব্যপারে আমার চেয়ে অধিক অভিজ্ঞ কোন ব্যক্তি অবশিষ্ট নেই। ফাতিমাহ (রাঃ) তাঁর মুখমণ্ডল হতে রক্ত ধুয়ে দিচ্ছিলেন আর ‘আলী (রাঃ) ঢালে করে পানি আনছিলেন। পরে একটি চাটাই পুড়িয়ে, তা ক্ষতস্থানে চারপাশে লাগিয়ে দেয়া হল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৬৮)
قتيبة بن سعيد حدثنا سفيان عن أبي حازم قال اختلف الناس بأي شيء دووي جرح رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم أحد فسألوا سهل بن سعد الساعدي وكان من آخر من بقي من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم بالمدينة فقال وما بقي من الناس أحد أعلم به„ مني كانت فاطمة عليها السلام تغسل الدم عن وجهه„ وعلي يأتي بالماء علٰى ترسه„ فأخذ حصير فحرق فحشي به„ جرحه.
সহিহ বুখারী > যারা বয়ঃপ্রাপ্ত হয়নি। (সুরাহ্ আন্-নূর ২৪/৫৮)
সহিহ বুখারী ৫২৪৯
أحمد بن محمد أخبرنا عبد الله أخبرنا سفيان عن عبد الرحمٰن بن عابس سمعت ابن عباس سأله“ رجل شهدت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم العيد أضحى أو فطرا قال نعم ولولا مكاني منه“ ما شهدته“ يعني من صغره„ قال خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلٰى ثم خطب ولم يذكر أذانا ولا إقامة ثم أتٰى النساء فوعظهن وذكرهن وأمرهن بالصدقة فرأيتهن يهوين إلٰى آذانهن وحلوقهن يدفعن إلٰى بلال ثم ارتفع هو وبلال إلٰى بيته.
‘আবদুর রহমান ইব্নু আব্বাস থেকে বর্নিতঃ
আমি এক ব্যক্তিকে ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) - এর নিকট প্রশ্ন করতে শুনেছি যে, আপনি আযহা বা ফিতরের কোন ঈদে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন? তিনি উত্তর দিলেন, ‘হ্যাঁ’। অবশ্য তাঁর সঙ্গে আমার এত ঘনিষ্ঠতা না থাকলে স্বল্প বয়সের কারণে আমি তাঁর সঙ্গে উপস্থিত হতে পারতাম না। তিনি (আরও) বলেন, রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হলেন। তারপর সলাত আদায় করলেন, এরপর খুৎবাহ দিলেন। ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) আযান ও ইকামাতের কথা উল্লেখ করেননি। এরপর তিনি মহিলাদের কাছে এলেন এবং তাদেরকে ওয়াজ ও নাসীহাত করলেন ও তাদেরকে সদাকাহ করার আদেশ দিলেন। (রাবী বলেন,) আমি দেখলাম, তারা তাদের কর্ণ ও কন্ঠের দিকে হাত প্রসারিত করে (গয়নাগুলো) বিলালের কাছে অর্পণ করছে। এরপর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও বিলাল (রাঃ) গৃহে প্রত্যাবর্তন করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৬৯)
‘আবদুর রহমান ইব্নু আব্বাস থেকে বর্নিতঃ
আমি এক ব্যক্তিকে ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) - এর নিকট প্রশ্ন করতে শুনেছি যে, আপনি আযহা বা ফিতরের কোন ঈদে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন? তিনি উত্তর দিলেন, ‘হ্যাঁ’। অবশ্য তাঁর সঙ্গে আমার এত ঘনিষ্ঠতা না থাকলে স্বল্প বয়সের কারণে আমি তাঁর সঙ্গে উপস্থিত হতে পারতাম না। তিনি (আরও) বলেন, রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হলেন। তারপর সলাত আদায় করলেন, এরপর খুৎবাহ দিলেন। ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) আযান ও ইকামাতের কথা উল্লেখ করেননি। এরপর তিনি মহিলাদের কাছে এলেন এবং তাদেরকে ওয়াজ ও নাসীহাত করলেন ও তাদেরকে সদাকাহ করার আদেশ দিলেন। (রাবী বলেন,) আমি দেখলাম, তারা তাদের কর্ণ ও কন্ঠের দিকে হাত প্রসারিত করে (গয়নাগুলো) বিলালের কাছে অর্পণ করছে। এরপর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও বিলাল (রাঃ) গৃহে প্রত্যাবর্তন করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৬৯)
أحمد بن محمد أخبرنا عبد الله أخبرنا سفيان عن عبد الرحمٰن بن عابس سمعت ابن عباس سأله“ رجل شهدت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم العيد أضحى أو فطرا قال نعم ولولا مكاني منه“ ما شهدته“ يعني من صغره„ قال خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلٰى ثم خطب ولم يذكر أذانا ولا إقامة ثم أتٰى النساء فوعظهن وذكرهن وأمرهن بالصدقة فرأيتهن يهوين إلٰى آذانهن وحلوقهن يدفعن إلٰى بلال ثم ارتفع هو وبلال إلٰى بيته.
সহিহ বুখারী > কোন ব্যক্তি তার সাথীকে বলা যে, তোমরা কি গত রাতে যৌন সঙ্গম করেছ? এবং ধমক দেয়া কালে কোন ব্যক্তির নিজ কন্যার কোমরে আঘাত করা।
সহিহ বুখারী ৫২৫০
عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن عبد الرحمٰن بن القاسم عن أبيه عن عائشة قالت عاتبني أبو بكر وجعل يطعنني بيده„ في خاصرتي فلا يمنعني من التحرك إلا مكان رسول الله صلى الله عليه وسلم ورأسه“ علٰى فخذي.
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ বকর (রাঃ) আমাকে ভৎর্সনা করলেন এবং আমার কোমরে তাঁর হাত দ্বারা খোঁচা দিলেন। আমার ঊরুর ওপর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর মস্তক থাকার কারণে আমি নড়াচড়া করতে পারিনি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৭০)
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ বকর (রাঃ) আমাকে ভৎর্সনা করলেন এবং আমার কোমরে তাঁর হাত দ্বারা খোঁচা দিলেন। আমার ঊরুর ওপর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর মস্তক থাকার কারণে আমি নড়াচড়া করতে পারিনি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৭০)
عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن عبد الرحمٰن بن القاسم عن أبيه عن عائشة قالت عاتبني أبو بكر وجعل يطعنني بيده„ في خاصرتي فلا يمنعني من التحرك إلا مكان رسول الله صلى الله عليه وسلم ورأسه“ علٰى فخذي.