সহিহ বুখারী > কোন মহিলা তার দেখা আরেক মহিলার দেহের বর্ণনা নিজের স্বামীর কাছে দিবে না।
সহিহ বুখারী ৫২৪১
عمر بن حفص بن غياث حدثنا أبي حدثنا الأعمش قال حدثني شقيق قال سمعت عبد الله قال قال النبي صلى الله عليه وسلم لا تباشر المرأة المرأة فتنعتها لزوجها كأنه“ ينظر إليها.
‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: কোন নারী যেন তার দেখা অন্য নারীর দেহের বর্ণনা নিজ স্বামীর নিকট এমনভাবে না দেয়, যেন সে তাকে (ঐ নারীকে) দেখতে পাচ্ছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৬১)
‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: কোন নারী যেন তার দেখা অন্য নারীর দেহের বর্ণনা নিজ স্বামীর নিকট এমনভাবে না দেয়, যেন সে তাকে (ঐ নারীকে) দেখতে পাচ্ছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৬১)
عمر بن حفص بن غياث حدثنا أبي حدثنا الأعمش قال حدثني شقيق قال سمعت عبد الله قال قال النبي صلى الله عليه وسلم لا تباشر المرأة المرأة فتنعتها لزوجها كأنه“ ينظر إليها.
সহিহ বুখারী ৫২৪০
محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن منصور عن أبي وائل عن عبد الله بن مسعود قال قال النبي صلى الله عليه وسلم لا تباشر المرأة المرأة فتنعتها لزوجها كأنه“ ينظر إليها.
‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: কোন নারী যেন তার দেখা অন্য নারীর দেহের বর্ণনা নিজ স্বামীর নিকট এমনভাবে না দেয়, যেন সে তাকে (ঐ নারীকে) চাক্ষুস দেখতে পাচ্ছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৬০)
‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: কোন নারী যেন তার দেখা অন্য নারীর দেহের বর্ণনা নিজ স্বামীর নিকট এমনভাবে না দেয়, যেন সে তাকে (ঐ নারীকে) চাক্ষুস দেখতে পাচ্ছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৬০)
محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن منصور عن أبي وائل عن عبد الله بن مسعود قال قال النبي صلى الله عليه وسلم لا تباشر المرأة المرأة فتنعتها لزوجها كأنه“ ينظر إليها.
সহিহ বুখারী > কোন ব্যক্তির এ কথা বলা যে, নিশ্চয়ই আজ রাতে সে তার সকল স্ত্রীর সঙ্গে মিলিত হবে।
সহিহ বুখারী ৫২৪২
محمود حدثنا عبد الرزاق أخبرنا معمر عن ابن طاوس عن أبيه عن أبي هريرة قال قال سليمان بن داود عليهما السلام لأطوفن الليلة بمائة امرأة تلد كل امرأة غلاما يقاتل في سبيل الله فقال له الملك قل إن شاء الله فلم يقل ونسي فأطاف بهن ولم تلد منهن إلا امرأة نصف إنسان قال النبي صلى الله عليه وسلم لو قال إن شاء الله لم يحنث وكان أرجٰى لحاجته.
আবূ হুরায়রার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, দাউদ (আঃ) - এর পুত্র সুলায়মান (আঃ) একদা বলেছিলেন, নিশ্চয়ই আজ রাতে আমি আমার একশ’ স্ত্রীর সঙ্গে মিলিত হব এবং তাদের প্রত্যেকেই একটি করে পুত্র সন্তান প্রসব করবে, যারা আল্লাহ্র পথে জিহাদ করবে। এ কথা শুনে একজন ফেরেশতা বলেছিলেন, আপনি ‘ইন্শাআল্লাহ্’ বলুন; কিন্তু তিনি এ কথা ভুলক্রমে বলেননি। এরপর তিনি তার স্ত্রীগণের সঙ্গে মিলিত হলেন; কিন্তু তাদের কেউ কোন সন্তান প্রসব করল না। কেবল এক স্ত্রী একটি অপূর্ণাঙ্গ সন্তান প্রসব করল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যদি সুলায়মান (আঃ) ‘ইন্শাআল্লাহ্’ বলেতেন, তাহলে তাঁর শপথ ভঙ্গ হত না। আর তাতেই ভালোভাবে তার আশা মিটত।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৪৮৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৬২)
আবূ হুরায়রার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, দাউদ (আঃ) - এর পুত্র সুলায়মান (আঃ) একদা বলেছিলেন, নিশ্চয়ই আজ রাতে আমি আমার একশ’ স্ত্রীর সঙ্গে মিলিত হব এবং তাদের প্রত্যেকেই একটি করে পুত্র সন্তান প্রসব করবে, যারা আল্লাহ্র পথে জিহাদ করবে। এ কথা শুনে একজন ফেরেশতা বলেছিলেন, আপনি ‘ইন্শাআল্লাহ্’ বলুন; কিন্তু তিনি এ কথা ভুলক্রমে বলেননি। এরপর তিনি তার স্ত্রীগণের সঙ্গে মিলিত হলেন; কিন্তু তাদের কেউ কোন সন্তান প্রসব করল না। কেবল এক স্ত্রী একটি অপূর্ণাঙ্গ সন্তান প্রসব করল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যদি সুলায়মান (আঃ) ‘ইন্শাআল্লাহ্’ বলেতেন, তাহলে তাঁর শপথ ভঙ্গ হত না। আর তাতেই ভালোভাবে তার আশা মিটত।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৪৮৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৬২)
محمود حدثنا عبد الرزاق أخبرنا معمر عن ابن طاوس عن أبيه عن أبي هريرة قال قال سليمان بن داود عليهما السلام لأطوفن الليلة بمائة امرأة تلد كل امرأة غلاما يقاتل في سبيل الله فقال له الملك قل إن شاء الله فلم يقل ونسي فأطاف بهن ولم تلد منهن إلا امرأة نصف إنسان قال النبي صلى الله عليه وسلم لو قال إن شاء الله لم يحنث وكان أرجٰى لحاجته.
সহিহ বুখারী > দীর্ঘ অনুপস্থিতির পর রাতে পরিবারের নিকট ঘরে প্রবেশ করা উচিত নয়, যাতে করে কোন কিছু তাকে আপন পরিবার সম্পর্কে সন্দিহান করে তোলে, অথবা তাদের অপ্রীতিকর কিছু চোখে পড়ে।
সহিহ বুখারী ৫২৪৩
آدم حدثنا شعبة حدثنا محارب بن دثار قال سمعت جابر بن عبد الله قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يكره“ أن يأتي الرجل أهله“ طروقا.
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফর থেকে এসে রাতে ঘরে প্রবেশ করা অপছন্দ করতেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৬৩)
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফর থেকে এসে রাতে ঘরে প্রবেশ করা অপছন্দ করতেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৬৩)
آدم حدثنا شعبة حدثنا محارب بن دثار قال سمعت جابر بن عبد الله قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يكره“ أن يأتي الرجل أهله“ طروقا.
সহিহ বুখারী ৫২৪৪
محمد بن مقاتل أخبرنا عبد الله أخبرنا عاصم بن سليمان عن الشعبي أنه“ سمع جابر بن عبد الله يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أطال أحدكم الغيبة فلا يطرق أهله“ ليلا.
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কেউ দীর্ঘদিন প্রবাসে কাটিয়ে রাতে আকস্মিকভাবে তার ঘরে যেন প্রবেশ না করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৬৪)
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কেউ দীর্ঘদিন প্রবাসে কাটিয়ে রাতে আকস্মিকভাবে তার ঘরে যেন প্রবেশ না করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৬৪)
محمد بن مقاتل أخبرنا عبد الله أخبرنا عاصم بن سليمان عن الشعبي أنه“ سمع جابر بن عبد الله يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أطال أحدكم الغيبة فلا يطرق أهله“ ليلا.
সহিহ বুখারী > সন্তান কামনা করা।
সহিহ বুখারী ৫২৪৫
مسدد عن هشيم عن سيار عن الشعبي عن جابر قال كنت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزوة فلما قفلنا تعجلت علٰى بعير قطوف فلحقني راكب من خلفي فالتفت فإذا أنا برسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما يعجلك قلت إني حديث عهد بعرس قال فبكرا تزوجت أم ثيبا قلت بل ثيبا قال فهلا جارية تلاعبها وتلاعبك قال فلما قدمنا ذهبنا لندخل فقال أمهلوا حتٰى تدخلوا ليلا أي عشاء لكي تمتشط الشعثة وتستحد المغيبة قال وحدثني الثقة أنه“ قال في هٰذا الحديث الكيس الكيس يا جابر يعني الولد.
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কোন এক যুদ্ধে আমি রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সঙ্গে ছিলাম। যখন আমরা ফিরে আসছিলাম, আমি আমার ধীর গতিসম্পন্ন উটকে দ্রুত হাঁকালাম। তখন আমার পিছনে একজন আরোহী এসে মিলিত হলেন। তাকিয়ে দেখলাম যে, তিনি রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। তিনি বললেন, তোমার এ ব্যস্ততা কেন? আমি বললাম, আমি সদ্য বিয়ে করেছি। তিনি বললেন, কুমারী, না পুর্ব-বিবাহিতা বিয়ে করেছ? আমি বললাম, পূর্ব বিবাহিতা। তিনি বললেন, কুমারী করলে না কেন? তুমি তার সঙ্গে আমোদ-প্রমোদ করতে, আর সেও তোমার সঙ্গে আমোদ-প্রমোদ করত। (রাবী) বলেন, আমরা মদীনায় পৌঁছে নিজ নিজ বাড়িতে প্রবেশ করতে চাইলাম। রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা অপেক্ষা কর - পরে রাতে অর্থাৎ এশা নাগাদ ঘরে যাবে, যাতে নারী তার অবিন্যস্ত চুল আঁচড়ে নিতে পারে এবং প্রবাসী স্বামীর স্ত্রী ক্ষুর ব্যবহার করতে পারে। (রাবী) বলেন, আমাকে নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি বলেছেন, রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ হাদীসে এও বলেছেন যে, হে জাবির। বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দাও, বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দাও। অর্থাৎ সন্তান কামনা কর। [২৩](আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৬৫)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কোন এক যুদ্ধে আমি রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সঙ্গে ছিলাম। যখন আমরা ফিরে আসছিলাম, আমি আমার ধীর গতিসম্পন্ন উটকে দ্রুত হাঁকালাম। তখন আমার পিছনে একজন আরোহী এসে মিলিত হলেন। তাকিয়ে দেখলাম যে, তিনি রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। তিনি বললেন, তোমার এ ব্যস্ততা কেন? আমি বললাম, আমি সদ্য বিয়ে করেছি। তিনি বললেন, কুমারী, না পুর্ব-বিবাহিতা বিয়ে করেছ? আমি বললাম, পূর্ব বিবাহিতা। তিনি বললেন, কুমারী করলে না কেন? তুমি তার সঙ্গে আমোদ-প্রমোদ করতে, আর সেও তোমার সঙ্গে আমোদ-প্রমোদ করত। (রাবী) বলেন, আমরা মদীনায় পৌঁছে নিজ নিজ বাড়িতে প্রবেশ করতে চাইলাম। রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা অপেক্ষা কর - পরে রাতে অর্থাৎ এশা নাগাদ ঘরে যাবে, যাতে নারী তার অবিন্যস্ত চুল আঁচড়ে নিতে পারে এবং প্রবাসী স্বামীর স্ত্রী ক্ষুর ব্যবহার করতে পারে। (রাবী) বলেন, আমাকে নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি বলেছেন, রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ হাদীসে এও বলেছেন যে, হে জাবির। বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দাও, বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দাও। অর্থাৎ সন্তান কামনা কর। [২৩](আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৬৫)
مسدد عن هشيم عن سيار عن الشعبي عن جابر قال كنت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزوة فلما قفلنا تعجلت علٰى بعير قطوف فلحقني راكب من خلفي فالتفت فإذا أنا برسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما يعجلك قلت إني حديث عهد بعرس قال فبكرا تزوجت أم ثيبا قلت بل ثيبا قال فهلا جارية تلاعبها وتلاعبك قال فلما قدمنا ذهبنا لندخل فقال أمهلوا حتٰى تدخلوا ليلا أي عشاء لكي تمتشط الشعثة وتستحد المغيبة قال وحدثني الثقة أنه“ قال في هٰذا الحديث الكيس الكيس يا جابر يعني الولد.
সহিহ বুখারী ৫২৪৬
محمد بن الوليد حدثنا محمد بن جعفر حدثنا شعبة عن سيار عن الشعبي عن جابر بن عبد الله أن النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا دخلت ليلا فلا تدخل علٰى أهلك حتٰى تستحد المغيبة وتمتشط الشعثة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم فعليك بالكيس الكيس تابعه“ عبيد الله عن وهب عن جابر عن النبي صلى الله عليه وسلم في الكيس.
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, সফর থেকে রাতে প্রত্যাবর্তন করে গৃহে প্রবেশ করবে না, যতক্ষণ না অনুপস্থিত স্বামীর স্ত্রী ক্ষুর ব্যবহার করতে পারে এবং এলোকেশী স্ত্রী চিরুনি করে নিতে পারে। (রাবী), বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমার কর্তব্য সন্তান কামনা করা, সন্তান কামনা করা। [৪৪৩] ‘উবাইদুল্লাহ্ (রহঃ) ওয়াহাব (রহঃ) থেকে জাবির (রাঃ) - এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে ‘সন্তান অন্বেষণ’ শব্দটি উল্লেখ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৬৬)
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, সফর থেকে রাতে প্রত্যাবর্তন করে গৃহে প্রবেশ করবে না, যতক্ষণ না অনুপস্থিত স্বামীর স্ত্রী ক্ষুর ব্যবহার করতে পারে এবং এলোকেশী স্ত্রী চিরুনি করে নিতে পারে। (রাবী), বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমার কর্তব্য সন্তান কামনা করা, সন্তান কামনা করা। [৪৪৩] ‘উবাইদুল্লাহ্ (রহঃ) ওয়াহাব (রহঃ) থেকে জাবির (রাঃ) - এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে ‘সন্তান অন্বেষণ’ শব্দটি উল্লেখ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৬৬)
محمد بن الوليد حدثنا محمد بن جعفر حدثنا شعبة عن سيار عن الشعبي عن جابر بن عبد الله أن النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا دخلت ليلا فلا تدخل علٰى أهلك حتٰى تستحد المغيبة وتمتشط الشعثة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم فعليك بالكيس الكيس تابعه“ عبيد الله عن وهب عن جابر عن النبي صلى الله عليه وسلم في الكيس.