সহিহ বুখারী > তোমার স্ত্রীর তোমার ওপর অধিকার আছে।

সহিহ বুখারী ৫১৯৯

محمد بن مقاتل أخبرنا عبد الله أخبرنا الأوزاعي قال حدثني يحيٰى بن أبي كثير قال حدثني أبو سلمة بن عبد الرحمٰن قال حدثني عبد الله بن عمرو بن العاص قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يا عبد الله ألم أخبر أنك تصوم النهار وتقوم الليل قلت بلٰى يا رسول الله قال فلا تفعل صم وأفطر وقم ونم فإن لجسدك عليك حقا وإن لعينك عليك حقا وإن لزوجك عليك حقا.

‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘আম্‌র ইব্‌নুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেন, হে ‘আবদুল্লাহ্‌! আমাকে কি এ খবর প্রদান করা হয়নি যে, তুমি রাতভর ‘ইবাদতে দাঁড়িয়ে থাক এবং দিনভর সিয়াম পালন কর? আমি বললাম, হ্যাঁ, হে আল্লাহ্‌র রসূল! তিনি বললেন, তুমি এরূপ করো না, বরং সিয়ামও পালন কর, ইফতারও কর, রাত জেগে ‘ইবাদত কর এবং নিদ্রাও যাও। তোমার শরীরেরও তোমার ওপর হক আছে; তোমার চোখেরও তোমার উপর হক আছে এবং তোমার স্ত্রীরও তোমার ওপর হক আছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮২০)

‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘আম্‌র ইব্‌নুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেন, হে ‘আবদুল্লাহ্‌! আমাকে কি এ খবর প্রদান করা হয়নি যে, তুমি রাতভর ‘ইবাদতে দাঁড়িয়ে থাক এবং দিনভর সিয়াম পালন কর? আমি বললাম, হ্যাঁ, হে আল্লাহ্‌র রসূল! তিনি বললেন, তুমি এরূপ করো না, বরং সিয়ামও পালন কর, ইফতারও কর, রাত জেগে ‘ইবাদত কর এবং নিদ্রাও যাও। তোমার শরীরেরও তোমার ওপর হক আছে; তোমার চোখেরও তোমার উপর হক আছে এবং তোমার স্ত্রীরও তোমার ওপর হক আছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮২০)

محمد بن مقاتل أخبرنا عبد الله أخبرنا الأوزاعي قال حدثني يحيٰى بن أبي كثير قال حدثني أبو سلمة بن عبد الرحمٰن قال حدثني عبد الله بن عمرو بن العاص قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يا عبد الله ألم أخبر أنك تصوم النهار وتقوم الليل قلت بلٰى يا رسول الله قال فلا تفعل صم وأفطر وقم ونم فإن لجسدك عليك حقا وإن لعينك عليك حقا وإن لزوجك عليك حقا.


সহিহ বুখারী > স্ত্রী স্বামীগৃহের রক্ষক।

সহিহ বুখারী ৫২০০

عبدان أخبرنا عبد الله أخبرنا موسٰى بن عقبة عن نافع عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال كلكم راع وكلكم مسئول عن رعيته„ والأمير راع والرجل راع علٰى أهل بيته„ والمرأة راعية علٰى بيت زوجها وولده„ فكلكم راع وكلكم مسئول عن رعيته.

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের প্রত্যেকেই এক একজন রক্ষক এবং তোমারা প্রত্যেকেই নিজ অধীনস্থদের ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত হবে। আমীর রক্ষক, একজন ব্যক্তি তার পরিবারের লোকদের রক্ষক, একজন নারী তার স্বামীর গৃহের ও সন্তানদের রক্ষক। এ ব্যাপারে তোমরা প্রত্যেকেই রক্ষক, আর তোমাদের প্রত্যেককেই নিজ নিজ অধীনস্থ লোকদের রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮২১)

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের প্রত্যেকেই এক একজন রক্ষক এবং তোমারা প্রত্যেকেই নিজ অধীনস্থদের ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত হবে। আমীর রক্ষক, একজন ব্যক্তি তার পরিবারের লোকদের রক্ষক, একজন নারী তার স্বামীর গৃহের ও সন্তানদের রক্ষক। এ ব্যাপারে তোমরা প্রত্যেকেই রক্ষক, আর তোমাদের প্রত্যেককেই নিজ নিজ অধীনস্থ লোকদের রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮২১)

عبدان أخبرنا عبد الله أخبرنا موسٰى بن عقبة عن نافع عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال كلكم راع وكلكم مسئول عن رعيته„ والأمير راع والرجل راع علٰى أهل بيته„ والمرأة راعية علٰى بيت زوجها وولده„ فكلكم راع وكلكم مسئول عن رعيته.


সহিহ বুখারী > পুরুষগণ নারীদের উপর কর্তৃত্বশীল এ কারণে যে, আল্লাহ তাদের এককে অন্যের উপর মর্যাদা প্রদান করেছেন......... নিশ্চয় আল্লাহ সর্বোচ্চ, সর্বশ্রেষ্ঠ। (সূরাহ আন্‌-নিসা ৪/৩৪)

সহিহ বুখারী ৫২০১

خالد بن مخلد حدثنا سليمان قال حدثني حميد عن أنس قال آلٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم من نسائه„ شهرا وقعد في مشربة له“ فنزل لتسع وعشرين فقيل يا رسول الله إنك آليت علٰى شهر قال إن الشهر تسع وعشرون.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শপথ করলেন যে, এক মাসের মধ্যে তিনি স্ত্রীদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করবেন না। তিনি নিজস্ব একটি উঁচু কামরায় অবস্থান করছিলেন। ঊনত্রিশ দিন অতিবাহিত হলে তিনি সেখান থেকে নিচে নেমে এলেন। তাঁকে বলা হলো, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি শপথ করেছেন যে, এক মাসের মধ্যে কোন স্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত করবেন না। তিনি বললেন, মাস ঊনত্রিশ দিনেও হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮২২)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শপথ করলেন যে, এক মাসের মধ্যে তিনি স্ত্রীদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করবেন না। তিনি নিজস্ব একটি উঁচু কামরায় অবস্থান করছিলেন। ঊনত্রিশ দিন অতিবাহিত হলে তিনি সেখান থেকে নিচে নেমে এলেন। তাঁকে বলা হলো, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি শপথ করেছেন যে, এক মাসের মধ্যে কোন স্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত করবেন না। তিনি বললেন, মাস ঊনত্রিশ দিনেও হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮২২)

خالد بن مخلد حدثنا سليمان قال حدثني حميد عن أنس قال آلٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم من نسائه„ شهرا وقعد في مشربة له“ فنزل لتسع وعشرين فقيل يا رسول الله إنك آليت علٰى شهر قال إن الشهر تسع وعشرون.


সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর আপন স্ত্রীদের সঙ্গে আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত এবং তাদের কক্ষের বাইরে অন্য কক্ষে অবস্থানের ঘটনা।

সহিহ বুখারী ৫২০৩

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا مروان بن معاوية، حدثنا أبو يعفور، قال تذاكرنا عند أبي الضحى فقال حدثنا ابن عباس، قال أصبحنا يوما ونساء النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم يبكين، عند كل امرأة منهن أهلها، فخرجت إلى المسجد، فإذا هو ملآن من الناس فجاء عمر بن الخطاب فصعد إلى النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم وهو في غرفة له، فسلم فلم يجبه أحد، ثم سلم فلم يجبه أحد، ثم سلم فلم يجبه أحد، فناداه فدخل على النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم فقال أطلقت نساءك فقال ‏ "‏ لا ولكن آليت منهن شهرا ‏"‏‏.‏ فمكث تسعا وعشرين، ثم دخل على نسائه‏.‏

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা একদিন প্রত্যুষে দেখতে পেলাম নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর স্ত্রীগণ কাঁদছেন এবং তাঁদের প্রত্যেকের সঙ্গে পরিবারের লোকজনও রয়েছে। আমি মসজিদে গেলাম এবং সেখানকার অবস্থা ছিল জনাকীর্ণ। ‘উমার ইব্‌নু খাত্তাব (রাঃ) সেখানে এলেন এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর উপরস্থিত কক্ষে আরোহণ করলেন এবং সালাম করলেন, কিন্তু নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন উত্তর দিলেন না। পুনরায় তিনি সালাম দিলেন; কিন্তু কোনরূপ সাড়া দিল না। আবার তিনি সালাম দিলেন; কিন্তু কেউ কোনরূপ জবাব দিল না। এরপর খাদিমকে ডাকলেন এবং তিনি ভেতরে প্রবেশ করলেন এবং জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কি আপনার স্ত্রীগণকে ত্বলাক্ব দিয়েছেন? তিনি বললেন, না, কিন্তু আমি শপথ করেছি যে, তাদের কাছে এক মাস পর্যন্ত যাব না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঊনত্রিশ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করে তাঁর স্ত্রীগণের কাছে গমণ করেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮২৪)

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা একদিন প্রত্যুষে দেখতে পেলাম নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর স্ত্রীগণ কাঁদছেন এবং তাঁদের প্রত্যেকের সঙ্গে পরিবারের লোকজনও রয়েছে। আমি মসজিদে গেলাম এবং সেখানকার অবস্থা ছিল জনাকীর্ণ। ‘উমার ইব্‌নু খাত্তাব (রাঃ) সেখানে এলেন এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর উপরস্থিত কক্ষে আরোহণ করলেন এবং সালাম করলেন, কিন্তু নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন উত্তর দিলেন না। পুনরায় তিনি সালাম দিলেন; কিন্তু কোনরূপ সাড়া দিল না। আবার তিনি সালাম দিলেন; কিন্তু কেউ কোনরূপ জবাব দিল না। এরপর খাদিমকে ডাকলেন এবং তিনি ভেতরে প্রবেশ করলেন এবং জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কি আপনার স্ত্রীগণকে ত্বলাক্ব দিয়েছেন? তিনি বললেন, না, কিন্তু আমি শপথ করেছি যে, তাদের কাছে এক মাস পর্যন্ত যাব না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঊনত্রিশ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করে তাঁর স্ত্রীগণের কাছে গমণ করেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮২৪)

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا مروان بن معاوية، حدثنا أبو يعفور، قال تذاكرنا عند أبي الضحى فقال حدثنا ابن عباس، قال أصبحنا يوما ونساء النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم يبكين، عند كل امرأة منهن أهلها، فخرجت إلى المسجد، فإذا هو ملآن من الناس فجاء عمر بن الخطاب فصعد إلى النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم وهو في غرفة له، فسلم فلم يجبه أحد، ثم سلم فلم يجبه أحد، ثم سلم فلم يجبه أحد، فناداه فدخل على النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم فقال أطلقت نساءك فقال ‏ "‏ لا ولكن آليت منهن شهرا ‏"‏‏.‏ فمكث تسعا وعشرين، ثم دخل على نسائه‏.‏


সহিহ বুখারী ৫২০২

أبو عاصم عن ابن جريج ح و حدثني محمد بن مقاتل أخبرنا عبد الله أخبرنا ابن جريج قال أخبرني يحيٰى بن عبد الله بن صيفي أن عكرمة بن عبد الرحمٰن بن الحارث أخبره“ أن أم سلمة أخبرته“ أن النبي صلى الله عليه وسلم حلف لا يدخل علٰى بعض أهله„ شهرا فلما مضٰى تسعة وعشرون يوما غدا عليهن أو راح فقيل له“ يا نبي الله حلفت أن لا تدخل عليهن شهرا قال إن الشهر يكون تسعة وعشرين يوما.

উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শপথ গ্রহণ করলেন যে, এক মাসের মধ্যে তাঁর কতিপয় স্ত্রীর নিকট তিনি গমন করবেন না। কিন্তু যখন ঊনত্রিশ দিন অতিবাহিত হল তখন তিনি সকালে কিংবা বিকালে তাঁদের কাছে গেলেন। কোন একজন তাঁকে বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি শপথ করেছেন এক মাসের মধ্যে কোন স্ত্রীর কাছে যাবেন না। তিনি বললেন, মাস ঊনত্রিশ দিনেও হয়। [১৯১০; মুসলিম ১৩/৪, হাঃ ১০৮৫, আহমাদ ২৬৭৪৫](আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮২৩)

উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শপথ গ্রহণ করলেন যে, এক মাসের মধ্যে তাঁর কতিপয় স্ত্রীর নিকট তিনি গমন করবেন না। কিন্তু যখন ঊনত্রিশ দিন অতিবাহিত হল তখন তিনি সকালে কিংবা বিকালে তাঁদের কাছে গেলেন। কোন একজন তাঁকে বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি শপথ করেছেন এক মাসের মধ্যে কোন স্ত্রীর কাছে যাবেন না। তিনি বললেন, মাস ঊনত্রিশ দিনেও হয়। [১৯১০; মুসলিম ১৩/৪, হাঃ ১০৮৫, আহমাদ ২৬৭৪৫](আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮২৩)

أبو عاصم عن ابن جريج ح و حدثني محمد بن مقاتل أخبرنا عبد الله أخبرنا ابن جريج قال أخبرني يحيٰى بن عبد الله بن صيفي أن عكرمة بن عبد الرحمٰن بن الحارث أخبره“ أن أم سلمة أخبرته“ أن النبي صلى الله عليه وسلم حلف لا يدخل علٰى بعض أهله„ شهرا فلما مضٰى تسعة وعشرون يوما غدا عليهن أو راح فقيل له“ يا نبي الله حلفت أن لا تدخل عليهن شهرا قال إن الشهر يكون تسعة وعشرين يوما.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00