সহিহ বুখারী > কোন ব্যক্তির কোন স্ত্রীর বিয়ের সময় অন্যদেরকে বিয়ের সময়ের ওয়ালীমার চেয়ে বড় ধরণের ওয়ালীমার ব্যবস্থা করা।
সহিহ বুখারী ৫১৭১
مسدد حدثنا حماد بن زيد عن ثابت قال ذكر تزويج زينب بنت جحش عند أنس فقال ما رأيت النبي صلى الله عليه وسلم أولم علٰى أحد من نسائه„ ما أولم عليها أولم بشاة.
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যায়নাবের বিয়ের আলোচনায় আনাস (রাঃ) উপস্থিত হয়ে তিনি বললেন, যায়নাব বিনতে জাহাশের সঙ্গে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর বিয়ের সময় যে ওয়ালীমার ব্যবস্থা করা হয়েছিল, তার চেয়ে বড় ওয়ালীমার ব্যবস্থা তাঁর অন্য কোন স্ত্রীর বিয়েতে আমি দেখিনি। এতে তিনি একটি ছাগল দ্বারা ওয়ালীমা করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৯৩)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যায়নাবের বিয়ের আলোচনায় আনাস (রাঃ) উপস্থিত হয়ে তিনি বললেন, যায়নাব বিনতে জাহাশের সঙ্গে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর বিয়ের সময় যে ওয়ালীমার ব্যবস্থা করা হয়েছিল, তার চেয়ে বড় ওয়ালীমার ব্যবস্থা তাঁর অন্য কোন স্ত্রীর বিয়েতে আমি দেখিনি। এতে তিনি একটি ছাগল দ্বারা ওয়ালীমা করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৯৩)
مسدد حدثنا حماد بن زيد عن ثابت قال ذكر تزويج زينب بنت جحش عند أنس فقال ما رأيت النبي صلى الله عليه وسلم أولم علٰى أحد من نسائه„ ما أولم عليها أولم بشاة.
সহিহ বুখারী > একটি ছাগলের চেয়ে কম কিছুর দ্বারা ওয়ালীমা করা।
সহিহ বুখারী ৫১৭২
محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن منصور بن صفية عن أمه„ صفية بنت شيبة قالت أولم النبي صلى الله عليه وسلم علٰى بعض نسائه„ بمدين من شعير.
সফীয়্যাহ বিন্তে শাইবাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কোন এক স্ত্রীর বিয়েতে দুই মুদ (চার সের) যব দ্বারা ওয়ালীমার ব্যবস্থা করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৯৪)
সফীয়্যাহ বিন্তে শাইবাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কোন এক স্ত্রীর বিয়েতে দুই মুদ (চার সের) যব দ্বারা ওয়ালীমার ব্যবস্থা করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৯৪)
محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن منصور بن صفية عن أمه„ صفية بنت شيبة قالت أولم النبي صلى الله عليه وسلم علٰى بعض نسائه„ بمدين من شعير.
সহিহ বুখারী > ওয়ালীমার দাওয়াত গ্রহণ করা কর্তব্য। যদি কেউ একাধারে সাত দিন অথবা অনুরূপ অধিক দিন ওয়ালীমার ব্যবস্থা করে।
সহিহ বুখারী ৫১৭৩
عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا دعي أحدكم إلى الوليمة فليأتها.
‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কাউকে ওয়ালীমার দাওয়াত করা হলে তা অবশ্যই গ্রহণ করবে।[৫১৭৯; মুসলিম ১৬/১৫, হাঃ ১৪২৯, আহমাদ ৪৯৪৯](আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৯৫)
‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কাউকে ওয়ালীমার দাওয়াত করা হলে তা অবশ্যই গ্রহণ করবে।[৫১৭৯; মুসলিম ১৬/১৫, হাঃ ১৪২৯, আহমাদ ৪৯৪৯](আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৯৫)
عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا دعي أحدكم إلى الوليمة فليأتها.
সহিহ বুখারী ৫১৭৬
قتيبة بن سعيد حدثنا عبد العزيز بن أبي حازم عن أبي حازم عن سهل بن سعد قال دعا أبو أسيد الساعدي رسول الله صلى الله عليه وسلم في عرسه„ وكانت امرأته“ يومئذ خادمهم وهي العروس قال سهل تدرون ما سقت رسول الله صلى الله عليه وسلم أنقعت له“ تمرات من الليل فلما أكل سقته“ إياه.
সাহ্ল ইব্নু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ উসায়দা আস্ সা’ঈদী (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে তার বিয়ে উপলক্ষে ওয়ালীমায় দাওয়াত করলেন। তাঁর নববধূ সেদিন খাদ্য পরিবেশন করছিলেন। সাহ্ল বলেন, তোমরা কি জান, সে দিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে কী পানীয় দেয়া হয়েছিল? সারারাত ধরে কিছু খেজুর পানির মধ্যে ভিজিয়ে রেখে তা থেকে তৈরি পানীয়। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন খাওয়া শেষ করলেন, তখন তাঁকে ঐ পানীয়ই পান করতে দেয়া হল। [৫১৮২, ৫১৮৩, ৫৫৯১, ৫৫৯৭, ৬৬৮৫; মুসলিম ৩৬/৯, হাঃ ২০০৬, আহমাদ ৭২৮৩](আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৯৮)
সাহ্ল ইব্নু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ উসায়দা আস্ সা’ঈদী (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে তার বিয়ে উপলক্ষে ওয়ালীমায় দাওয়াত করলেন। তাঁর নববধূ সেদিন খাদ্য পরিবেশন করছিলেন। সাহ্ল বলেন, তোমরা কি জান, সে দিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে কী পানীয় দেয়া হয়েছিল? সারারাত ধরে কিছু খেজুর পানির মধ্যে ভিজিয়ে রেখে তা থেকে তৈরি পানীয়। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন খাওয়া শেষ করলেন, তখন তাঁকে ঐ পানীয়ই পান করতে দেয়া হল। [৫১৮২, ৫১৮৩, ৫৫৯১, ৫৫৯৭, ৬৬৮৫; মুসলিম ৩৬/৯, হাঃ ২০০৬, আহমাদ ৭২৮৩](আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৯৮)
قتيبة بن سعيد حدثنا عبد العزيز بن أبي حازم عن أبي حازم عن سهل بن سعد قال دعا أبو أسيد الساعدي رسول الله صلى الله عليه وسلم في عرسه„ وكانت امرأته“ يومئذ خادمهم وهي العروس قال سهل تدرون ما سقت رسول الله صلى الله عليه وسلم أنقعت له“ تمرات من الليل فلما أكل سقته“ إياه.
সহিহ বুখারী ৫১৭৫
الحسن بن الربيع حدثنا أبو الأحوص عن الأشعث عن معاوية بن سويد قال البراء بن عازب أمرنا النبي صلى الله عليه وسلم بسبع ونهانا عن سبع أمرنا بعيادة المريض واتباع الجنازة وتشميت العاطس وإبرار القسم ونصر المظلوم وإفشاء السلام وإجابة الداعي ونهانا عن خواتيم الذهب وعن آنية الفضة وعن المياثر والقسية والإستبرق والديباج تابعه“ أبو عوانة والشيباني عن أشعث في إفشاء السلام.
বারাআ ইব্নু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে সাতটি কাজ করতে বলেছেন এবং সাতটি কাজ করতে নিষেধ করেছেন। তিনি আমাদেরকে রোগীর সেবা করার, জানাযায় অংশগ্রহণ করার, হাঁচি দিলে তার জবাব দেয়ার, কসম পুরা করায় সহযোগিতা করার, মজলুমকে সাহায্য করার, সালামের বিস্তার করার এবং কেউ দাওয়াত দিলে তা কবূল করার নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া তিনি আমাদের নিষেধ করেছেন স্বর্ণের আংটি পরতে, রুপার পাত্র ব্যবহার করতে, ঘোড়ার পিঠের ওপরে রেশমী গদি ব্যবহার করতে এবং ‘কাস্সিয়া’ বা পাতলা রেশমী কাপড় এবং দ্বিবাজ ব্যবহার করতে। আবূ ‘আওয়ানাহ এবং শায়বানী আশ্আস সূত্রে সালামের বিস্তারের কথা সমর্থন করে বর্ণনা করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৯৭)
বারাআ ইব্নু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে সাতটি কাজ করতে বলেছেন এবং সাতটি কাজ করতে নিষেধ করেছেন। তিনি আমাদেরকে রোগীর সেবা করার, জানাযায় অংশগ্রহণ করার, হাঁচি দিলে তার জবাব দেয়ার, কসম পুরা করায় সহযোগিতা করার, মজলুমকে সাহায্য করার, সালামের বিস্তার করার এবং কেউ দাওয়াত দিলে তা কবূল করার নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া তিনি আমাদের নিষেধ করেছেন স্বর্ণের আংটি পরতে, রুপার পাত্র ব্যবহার করতে, ঘোড়ার পিঠের ওপরে রেশমী গদি ব্যবহার করতে এবং ‘কাস্সিয়া’ বা পাতলা রেশমী কাপড় এবং দ্বিবাজ ব্যবহার করতে। আবূ ‘আওয়ানাহ এবং শায়বানী আশ্আস সূত্রে সালামের বিস্তারের কথা সমর্থন করে বর্ণনা করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৯৭)
الحسن بن الربيع حدثنا أبو الأحوص عن الأشعث عن معاوية بن سويد قال البراء بن عازب أمرنا النبي صلى الله عليه وسلم بسبع ونهانا عن سبع أمرنا بعيادة المريض واتباع الجنازة وتشميت العاطس وإبرار القسم ونصر المظلوم وإفشاء السلام وإجابة الداعي ونهانا عن خواتيم الذهب وعن آنية الفضة وعن المياثر والقسية والإستبرق والديباج تابعه“ أبو عوانة والشيباني عن أشعث في إفشاء السلام.
সহিহ বুখারী ৫১৭৪
مسدد حدثنا يحيٰى عن سفيان قال حدثني منصور عن أبي وائل عن أبي موسٰى عن النبي صلى الله عليه وسلم قال فكوا العاني وأجيبوا الداعي وعودوا المريض.
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, বন্দীদেরকে মুক্তি দাও, দাওয়াত কবুল কর এবং রোগীদের সেবা কর।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৯৬)
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, বন্দীদেরকে মুক্তি দাও, দাওয়াত কবুল কর এবং রোগীদের সেবা কর।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৯৬)
مسدد حدثنا يحيٰى عن سفيان قال حدثني منصور عن أبي وائل عن أبي موسٰى عن النبي صلى الله عليه وسلم قال فكوا العاني وأجيبوا الداعي وعودوا المريض.
সহিহ বুখারী > যে দাওয়াত কবূল করে না, সে যেন আল্লাহ্ এবং তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর অবাধ্য হল।
সহিহ বুখারী ৫১৭৭
عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن ابن شهاب عنالأعرج عن أبي هريرة أنه“ كان يقول شر الطعام طعام الوليمة يدعٰى لها الأغنياء ويترك الفقراء ومن ترك الدعوة فقد عصى الله ورسوله“ صلى الله عليه وسلم.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যে ওয়ালীমায় কেবল ধনীদেরকে দাওয়াত করা হয় এবং গরীবদেরকে দাওয়াত করা হয় না সেই ওয়ালীমা সবচেয়ে নিকৃষ্ট। যে ব্যক্তি দাওয়াত কবুল করে না, সে আল্লাহ্ এবং তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সঙ্গে অবাধ্যতা করে। [মুসলিম ১৬/১৪, হাঃ ১৪৩২, আহমাদ ৭২৮৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৯৯)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যে ওয়ালীমায় কেবল ধনীদেরকে দাওয়াত করা হয় এবং গরীবদেরকে দাওয়াত করা হয় না সেই ওয়ালীমা সবচেয়ে নিকৃষ্ট। যে ব্যক্তি দাওয়াত কবুল করে না, সে আল্লাহ্ এবং তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সঙ্গে অবাধ্যতা করে। [মুসলিম ১৬/১৪, হাঃ ১৪৩২, আহমাদ ৭২৮৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৯৯)
عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن ابن شهاب عنالأعرج عن أبي هريرة أنه“ كان يقول شر الطعام طعام الوليمة يدعٰى لها الأغنياء ويترك الفقراء ومن ترك الدعوة فقد عصى الله ورسوله“ صلى الله عليه وسلم.