সহিহ বুখারী > ঐ নারীদের দোয়া যারা কনেকে সাজায় এবং বরকে উপহার দেয়।
সহিহ বুখারী ৫১৫৬
فروة بن أبي المغراء حدثنا علي بن مسهر عن هشام عن أبيه عن عائشة تزوجني النبي صلى الله عليه وسلم فأتتني أمي فأدخلتني الدار فإذا نسوة منالأنصار في البيت فقلن على الخير والبركة وعلٰى خير طائر.
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বিয়ে করেন তখন আমার মা আমার কাছে এলেন এবং আমাকে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করালেন, আমি সেখানে কয়েকজন আনসারী মহিলাকে দেখলাম। তারা কল্যাণ, বারাকাত ও সৌভাগ্য কামনা করে দু’আ করছিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৭৯)
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বিয়ে করেন তখন আমার মা আমার কাছে এলেন এবং আমাকে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করালেন, আমি সেখানে কয়েকজন আনসারী মহিলাকে দেখলাম। তারা কল্যাণ, বারাকাত ও সৌভাগ্য কামনা করে দু’আ করছিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৭৯)
فروة بن أبي المغراء حدثنا علي بن مسهر عن هشام عن أبيه عن عائشة تزوجني النبي صلى الله عليه وسلم فأتتني أمي فأدخلتني الدار فإذا نسوة منالأنصار في البيت فقلن على الخير والبركة وعلٰى خير طائر.
সহিহ বুখারী > জিহাদে যাবার পূর্বে যে স্ত্রীর সঙ্গে মিলিত হতে চায়।
সহিহ বুখারী ৫১৫৭
محمد بن العلاء حدثنا عبد الله بن المبارك عن معمر عن همام عن أبي هريرة عن النبيصلى الله عليه وسلم قال غزا نبي من الأنبياء فقال لقومه„ لا يتبعني رجل ملك بضع امرأة وهو يريد أن يبني بها ولم يبن بها.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, নবীগণের মধ্য থেকে কোন একজন নবী জিহাদের জন্য বের হলেন এবং নিজ লোকদেরকে বললেন, ঐ ব্যক্তি যেন আমার সঙ্গে জিহাদে না যায়, যে বিয়ে করেছে এবং স্ত্রীর সঙ্গে মিলিত হতে চায় অথচ এখনও মিলন হয়নি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৮০)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, নবীগণের মধ্য থেকে কোন একজন নবী জিহাদের জন্য বের হলেন এবং নিজ লোকদেরকে বললেন, ঐ ব্যক্তি যেন আমার সঙ্গে জিহাদে না যায়, যে বিয়ে করেছে এবং স্ত্রীর সঙ্গে মিলিত হতে চায় অথচ এখনও মিলন হয়নি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৮০)
محمد بن العلاء حدثنا عبد الله بن المبارك عن معمر عن همام عن أبي هريرة عن النبيصلى الله عليه وسلم قال غزا نبي من الأنبياء فقال لقومه„ لا يتبعني رجل ملك بضع امرأة وهو يريد أن يبني بها ولم يبن بها.
সহিহ বুখারী > যে ব্যক্তি নয় বছরের মেয়ের সঙ্গে বাসর করে।
সহিহ বুখারী ৫১৫৮
قبيصة بن عقبة حدثنا سفيان عن هشام بن عروة عن عروة تزوج النبي صلى الله عليه وسلم عائشة وهي بنت ست سنين وبنٰى بها وهي بنت تسع ومكثت عنده“ تسعا.
‘উরওয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আয়িশা (রাঃ) - কে বিয়ে করেন তখন তাঁর বয়স ছিল ছয় বছর এবং যখন বাসর করেন তখন তাঁর বয়স ছিল নয় বছর এবং নয় বছর তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সঙ্গে জীবন কাটান।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৮১)
‘উরওয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আয়িশা (রাঃ) - কে বিয়ে করেন তখন তাঁর বয়স ছিল ছয় বছর এবং যখন বাসর করেন তখন তাঁর বয়স ছিল নয় বছর এবং নয় বছর তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সঙ্গে জীবন কাটান।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৮১)
قبيصة بن عقبة حدثنا سفيان عن هشام بن عروة عن عروة تزوج النبي صلى الله عليه وسلم عائشة وهي بنت ست سنين وبنٰى بها وهي بنت تسع ومكثت عنده“ تسعا.
সহিহ বুখারী > সফরে বাসর করা সম্পর্কে।
সহিহ বুখারী ৫১৫৯
محمد بن سلام أخبرنا إسماعيل بن جعفر عن حميد عن أنس قال أقام النبي صلى الله عليه وسلم بين خيبر والمدينة ثلاثا يبنٰى عليه بصفية بنت حيي فدعوت المسلمين إلٰى وليمته„ فما كان فيها من خبز ولا لحم أمر بالأنطاع فألقي فيها من التمر والأقط والسمن فكانت وليمته“ فقال المسلمون إحد‘ى أمهات المؤمنين أو مما ملكت يمينه“ فقالوا إن حجبها فهي من أمهات المؤمنين وإن لم يحجبها فهي مما ملكت يمينه“ فلما ارتحل وطٰى لها خلفه“ ومد الحجاب بينها وبين الناس.
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিনদিন মদীনা এবং খায়বরের মধ্যবর্তী কোন স্থানে অবস্থান করেন। সেখানে তিনি সফিয়্যাহ বিনতে হুইয়াই (রাঃ) - এর সঙ্গে মিলিত হন। এরপর আমি মুসলিমদেরকে ওয়ালীমার জন্য দাওয়াত করি, তাতে রুটি ও গোশত ছিল না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চামড়ার দস্তরখান বিছাবার জন্য আদেশ করলেন এবং তাতে খেজুর, পনির এবং মাখন রাখা হল। এটাই রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর ওয়ালীমা। মুসলিমেরা একে অপরকে বলতে লাগল, সফীয়্যাহ কি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর স্ত্রী হিসাবে গণ্য হবেন, না ক্রীতদাসী হিসাবে। সকলে বলল, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যদি তাকে পর্দার ভিতরে রাখেন তাহলে তিনি ইম্মুহাতুল মু’মিনীনদের মধ্যে গণ্য হবেন। আর যদি পর্দায় না রাখেন, তাহলে ক্রীতদাসী হিসাবে গণ্য হবে। এরপর যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রওয়ানা হলেন, তাকে উটের পিঠে তাঁর পেছনে বসালেন এবং তার জন্য লোকদের থেকে পর্দার ব্যবস্থা করলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৮২)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিনদিন মদীনা এবং খায়বরের মধ্যবর্তী কোন স্থানে অবস্থান করেন। সেখানে তিনি সফিয়্যাহ বিনতে হুইয়াই (রাঃ) - এর সঙ্গে মিলিত হন। এরপর আমি মুসলিমদেরকে ওয়ালীমার জন্য দাওয়াত করি, তাতে রুটি ও গোশত ছিল না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চামড়ার দস্তরখান বিছাবার জন্য আদেশ করলেন এবং তাতে খেজুর, পনির এবং মাখন রাখা হল। এটাই রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর ওয়ালীমা। মুসলিমেরা একে অপরকে বলতে লাগল, সফীয়্যাহ কি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর স্ত্রী হিসাবে গণ্য হবেন, না ক্রীতদাসী হিসাবে। সকলে বলল, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যদি তাকে পর্দার ভিতরে রাখেন তাহলে তিনি ইম্মুহাতুল মু’মিনীনদের মধ্যে গণ্য হবেন। আর যদি পর্দায় না রাখেন, তাহলে ক্রীতদাসী হিসাবে গণ্য হবে। এরপর যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রওয়ানা হলেন, তাকে উটের পিঠে তাঁর পেছনে বসালেন এবং তার জন্য লোকদের থেকে পর্দার ব্যবস্থা করলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৮২)
محمد بن سلام أخبرنا إسماعيل بن جعفر عن حميد عن أنس قال أقام النبي صلى الله عليه وسلم بين خيبر والمدينة ثلاثا يبنٰى عليه بصفية بنت حيي فدعوت المسلمين إلٰى وليمته„ فما كان فيها من خبز ولا لحم أمر بالأنطاع فألقي فيها من التمر والأقط والسمن فكانت وليمته“ فقال المسلمون إحد‘ى أمهات المؤمنين أو مما ملكت يمينه“ فقالوا إن حجبها فهي من أمهات المؤمنين وإن لم يحجبها فهي مما ملكت يمينه“ فلما ارتحل وطٰى لها خلفه“ ومد الحجاب بينها وبين الناس.