সহিহ বুখারী > ইহ্রামকারীর বিয়ে।
সহিহ বুখারী ৫১১৪
مالك بن إسماعيل أخبرنا ابن عيينة أخبرنا عمرو حدثنا جابر بن زيد قال أنبأنا ابن عباس تزوج النبي صلى الله عليه وسلم وهو محرم.
জাবির ইব্নু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) আমাদেরকে জানিয়েছেন যে, ইহ্রাম অবস্থায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিবাহ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৪১)
জাবির ইব্নু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) আমাদেরকে জানিয়েছেন যে, ইহ্রাম অবস্থায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিবাহ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৪১)
مالك بن إسماعيل أخبرنا ابن عيينة أخبرنا عمرو حدثنا جابر بن زيد قال أنبأنا ابن عباس تزوج النبي صلى الله عليه وسلم وهو محرم.
সহিহ বুখারী > অবশেষে রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুত’আহ বিয়ে নিষেধ করেছেন।
সহিহ বুখারী ৫১১৫
مالك بن إسماعيل حدثنا ابن عيينة أنه“ سمع الزهري يقول أخبرني الحسن بن محمد بن علي وأخوه“ عبد الله بن محمد عن أبيهما أن عليا قال لابن عباس إن النبي صلى الله عليه وسلم نهٰى عن المتعة وعن لحوم الحمر الأهلية زمن خيبر.
হাসান ইব্নু মুহাম্মাদ ইব্নু ‘আলী ও তাঁর ভাই ‘আবদুল্লাহ্ তাঁদের পিতা থেকে বর্নিতঃ
‘আলী (রাঃ) ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) - কে বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বর যুদ্ধে মুত’আহ বিয়ে এবং গৃহপালিত গাধার গোশ্ত খাওয়া নিষেধ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৪২)
হাসান ইব্নু মুহাম্মাদ ইব্নু ‘আলী ও তাঁর ভাই ‘আবদুল্লাহ্ তাঁদের পিতা থেকে বর্নিতঃ
‘আলী (রাঃ) ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) - কে বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বর যুদ্ধে মুত’আহ বিয়ে এবং গৃহপালিত গাধার গোশ্ত খাওয়া নিষেধ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৪২)
مالك بن إسماعيل حدثنا ابن عيينة أنه“ سمع الزهري يقول أخبرني الحسن بن محمد بن علي وأخوه“ عبد الله بن محمد عن أبيهما أن عليا قال لابن عباس إن النبي صلى الله عليه وسلم نهٰى عن المتعة وعن لحوم الحمر الأهلية زمن خيبر.
সহিহ বুখারী ৫১১৭
علي حدثنا سفيان قال عمرو عن الحسن بن محمد عن جابر بن عبد الله وسلمة بن الأكوع قالا كنا في جيش فأتانا رسول رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إنه“ قد أذن لكم أن تستمتعوا فاستمتعوا.
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্ এবং সালাম আকওয়া‘ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা কোন এক সেনাবাহিনীতে ছিলাম এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রেরিত এক ব্যক্তি আমাদের নিকট এসে বললেন, তোমাদেরকে মুত‘আহ বিয়ের অনুমতি দেয়া হয়েছে। সুতরাং তোমরা মুত‘আহ করতে পার। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৪৪)
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্ এবং সালাম আকওয়া‘ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা কোন এক সেনাবাহিনীতে ছিলাম এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রেরিত এক ব্যক্তি আমাদের নিকট এসে বললেন, তোমাদেরকে মুত‘আহ বিয়ের অনুমতি দেয়া হয়েছে। সুতরাং তোমরা মুত‘আহ করতে পার। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৪৪)
علي حدثنا سفيان قال عمرو عن الحسن بن محمد عن جابر بن عبد الله وسلمة بن الأكوع قالا كنا في جيش فأتانا رسول رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إنه“ قد أذن لكم أن تستمتعوا فاستمتعوا.
সহিহ বুখারী ৫১১৬
محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن أبي جمرة قال سمعت ابن عباس سئل عن متعة النساء فرخص فقال له“ مولى له“ إنما ذ‘لك في الحال الشديد وفي النساء قلة أو نحوه“ فقال ابن عباس نعم.
আবূ জামরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি মহিলাদের মুত’আহ বিয়ে সম্পর্কে ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে প্রশ্ন করতে শুনেছি, তখন তিনি তার অনুমতি দেন। তাঁর আযাদকৃত গোলাম তাঁকে বললেন যে, এরূপ হুকুম নিতান্ত প্রয়োজন ও মহিলাদের স্বল্পতা ইত্যাদির কারণেই ছিল? ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, হাঁ। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৪৩)
আবূ জামরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি মহিলাদের মুত’আহ বিয়ে সম্পর্কে ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে প্রশ্ন করতে শুনেছি, তখন তিনি তার অনুমতি দেন। তাঁর আযাদকৃত গোলাম তাঁকে বললেন যে, এরূপ হুকুম নিতান্ত প্রয়োজন ও মহিলাদের স্বল্পতা ইত্যাদির কারণেই ছিল? ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, হাঁ। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৪৩)
محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن أبي جمرة قال سمعت ابن عباس سئل عن متعة النساء فرخص فقال له“ مولى له“ إنما ذ‘لك في الحال الشديد وفي النساء قلة أو نحوه“ فقال ابن عباس نعم.
সহিহ বুখারী ৫১১৮
علي حدثنا سفيان قال عمرو عن الحسن بن محمد عن جابر بن عبد الله وسلمة بن الأكوع قالا كنا في جيش فأتانا رسول رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إنه“ قد أذن لكم أن تستمتعوا فاستمتعوا.
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ এবং সালাম আকওয়া‘ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা কোন এক সেনাবাহিনীতে ছিলাম এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রেরিত এক ব্যক্তি আমাদের নিকট এসে বললেন, তোমাদেরকে মুত‘আহ বিয়ের অনুমতি দেয়া হয়েছে। সুতরাং তোমরা মুত‘আহ করতে পার। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৪৪)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ এবং সালাম আকওয়া‘ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা কোন এক সেনাবাহিনীতে ছিলাম এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রেরিত এক ব্যক্তি আমাদের নিকট এসে বললেন, তোমাদেরকে মুত‘আহ বিয়ের অনুমতি দেয়া হয়েছে। সুতরাং তোমরা মুত‘আহ করতে পার। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৪৪)
علي حدثنا سفيان قال عمرو عن الحسن بن محمد عن جابر بن عبد الله وسلمة بن الأكوع قالا كنا في جيش فأتانا رسول رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إنه“ قد أذن لكم أن تستمتعوا فاستمتعوا.
সহিহ বুখারী ৫১১৯
وقال ابن أبي ذئب حدثني إياس بن سلمة بن الأكوع عن أبيه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أيما رجل وامرأة توافقا فعشرة ما بينهما ثلاث ليال فإن أحبا أن يتزايدا أو يتتاركا تتاركا فما أدري أشيء كان لنا خاصة أم للناس عام. قال أبو عبد الله وبينه“ علي عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه“ منسوخ.
ইব্নু আবূ যিব থেকে বর্নিতঃ
আয়াস ইবনু সালামাহ ইবনু আকওয়া‘ তার পিতা সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, যে কোন পুরুষ এবং মহিলা উভয়ে (মুত‘আহ করতে) একমত হলে তাদের পরস্পরের এ সম্পর্ক তিন রাতের জন্য গণ্য হবে। এরপর তারা ইচ্ছে করলে এর চেয়ে অধিক সময় স্থায়ী করতে পারে অথবা বিচ্ছিন্ন হতে চাইলে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। (বর্ণনাকারী বলেন) আমরা জানি না এ ব্যবস্থা শুধু আমাদের জন্য নির্দিষ্ট ছিল, না সকল মানুষের জন্য ছিল।[মুসলিম ১৬/২, হাঃ ১৪০৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৪৪) আবূ ‘আবদুল্লাহ্ (ইমাম বুখারী) বলেন, ‘আলী (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এটা পরিষ্কার করে ব’লে দিয়েছেন, মুতা‘আ বিবাহ প্রথা রহিত হয়ে গেছে। [মুসলিম ১৬/২, হাঃ ১৪০৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৪৪)
ইব্নু আবূ যিব থেকে বর্নিতঃ
আয়াস ইবনু সালামাহ ইবনু আকওয়া‘ তার পিতা সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, যে কোন পুরুষ এবং মহিলা উভয়ে (মুত‘আহ করতে) একমত হলে তাদের পরস্পরের এ সম্পর্ক তিন রাতের জন্য গণ্য হবে। এরপর তারা ইচ্ছে করলে এর চেয়ে অধিক সময় স্থায়ী করতে পারে অথবা বিচ্ছিন্ন হতে চাইলে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। (বর্ণনাকারী বলেন) আমরা জানি না এ ব্যবস্থা শুধু আমাদের জন্য নির্দিষ্ট ছিল, না সকল মানুষের জন্য ছিল।[মুসলিম ১৬/২, হাঃ ১৪০৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৪৪) আবূ ‘আবদুল্লাহ্ (ইমাম বুখারী) বলেন, ‘আলী (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এটা পরিষ্কার করে ব’লে দিয়েছেন, মুতা‘আ বিবাহ প্রথা রহিত হয়ে গেছে। [মুসলিম ১৬/২, হাঃ ১৪০৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৪৪)
وقال ابن أبي ذئب حدثني إياس بن سلمة بن الأكوع عن أبيه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أيما رجل وامرأة توافقا فعشرة ما بينهما ثلاث ليال فإن أحبا أن يتزايدا أو يتتاركا تتاركا فما أدري أشيء كان لنا خاصة أم للناس عام. قال أبو عبد الله وبينه“ علي عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه“ منسوخ.
সহিহ বুখারী > স্ত্রীলোকের সৎ পুরুষের কাছে নিজেকে (বিয়ের উদ্দেশে) পেশ করা।
সহিহ বুখারী ৫১২১
سعيد بن أبي مريم حدثنا أبو غسان قال حدثني أبو حازم عن سهل بن سعد أن امرأة عرضت نفسها على النبيصلى الله عليه وسلم فقال له“ رجل يا رسول الله زوجنيها فقال ما عندك قال ما عندي شيء قال اذهب فالتمس ولو خاتما من حديد فذهب ثم رجع فقال لا والله ما وجدت شيئا ولا خاتما من حديد ولٰكن هٰذا إزاري ولها نصفه“ قال سهل وما له“ رداء فقال النبي صلى الله عليه وسلم وما تصنع بإزارك إن لبسته“ لم يكن عليها منه“ شيء وإن لبسته“ لم يكن عليك منه“ شيء فجلس الرجل حتٰى إذا طال مجلسه“ قام فرآه النبي صلى الله عليه وسلمفدعاه“أو دعي له“ فقال له“ ماذا معك من القرآن فقال معي سورة كذا وسورة كذا لسور يعددها فقال النبي صلى الله عليه وسلم أملكناكها بما معك من القرآن.
সাহ্ল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একজন মহিলা এসে রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে নিজেকে পেশ করলেন। এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রসূল! তাকে আমার সঙ্গে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ করিয়ে দিন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমার কাছে কি আছে? সে উত্তর দিল, আমার কাছে কিছুই নেই। রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যাও, তালাশ কর, কোন কিছু পাও কিনা? দেখ যদি একটি লোহার আংটিও পাও। লোকটি চলে গেল এবং ফিরে এসে বলল, কিছুই পেলাম না এমনকি একটি লোহার আংটিও না; কিন্তু আমার এ তহবন্দখানা আছে। এর অর্ধেকাংশ তার জন্য। সাহ্ল (রাঃ) বলেন, তার দেহে কোন চাদর ছিল না। অতএব নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমার তহবন্দ দিয়ে সে কি করবে? যদি তুমি এটা পর, মহিলার শরীরে কিছুই থাকবে না, আর যদি এটা সে পরে তবে তোমার শরীরে কিছুই থাকবে না। এরপর লোকটি অনেকক্ষণ বসে রইল। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে চলে যেতে দেখে ডাকলেন বা তাকে ডাকানো হল এবং বললেন, তুমি কুরআন কতটুকু জান? সে বলল, আমার অমুক অমুক সূরা মূখস্থ আছে এবং সে সূরাগুলোর উল্লেখ করল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি যে পরিমাণ কুরআন জান, তার বিনিময়ে তোমাকে এর সঙ্গে বিয়ে দিলাম। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৪৬)
সাহ্ল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একজন মহিলা এসে রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে নিজেকে পেশ করলেন। এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রসূল! তাকে আমার সঙ্গে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ করিয়ে দিন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমার কাছে কি আছে? সে উত্তর দিল, আমার কাছে কিছুই নেই। রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যাও, তালাশ কর, কোন কিছু পাও কিনা? দেখ যদি একটি লোহার আংটিও পাও। লোকটি চলে গেল এবং ফিরে এসে বলল, কিছুই পেলাম না এমনকি একটি লোহার আংটিও না; কিন্তু আমার এ তহবন্দখানা আছে। এর অর্ধেকাংশ তার জন্য। সাহ্ল (রাঃ) বলেন, তার দেহে কোন চাদর ছিল না। অতএব নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমার তহবন্দ দিয়ে সে কি করবে? যদি তুমি এটা পর, মহিলার শরীরে কিছুই থাকবে না, আর যদি এটা সে পরে তবে তোমার শরীরে কিছুই থাকবে না। এরপর লোকটি অনেকক্ষণ বসে রইল। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে চলে যেতে দেখে ডাকলেন বা তাকে ডাকানো হল এবং বললেন, তুমি কুরআন কতটুকু জান? সে বলল, আমার অমুক অমুক সূরা মূখস্থ আছে এবং সে সূরাগুলোর উল্লেখ করল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি যে পরিমাণ কুরআন জান, তার বিনিময়ে তোমাকে এর সঙ্গে বিয়ে দিলাম। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৪৬)
سعيد بن أبي مريم حدثنا أبو غسان قال حدثني أبو حازم عن سهل بن سعد أن امرأة عرضت نفسها على النبيصلى الله عليه وسلم فقال له“ رجل يا رسول الله زوجنيها فقال ما عندك قال ما عندي شيء قال اذهب فالتمس ولو خاتما من حديد فذهب ثم رجع فقال لا والله ما وجدت شيئا ولا خاتما من حديد ولٰكن هٰذا إزاري ولها نصفه“ قال سهل وما له“ رداء فقال النبي صلى الله عليه وسلم وما تصنع بإزارك إن لبسته“ لم يكن عليها منه“ شيء وإن لبسته“ لم يكن عليك منه“ شيء فجلس الرجل حتٰى إذا طال مجلسه“ قام فرآه النبي صلى الله عليه وسلمفدعاه“أو دعي له“ فقال له“ ماذا معك من القرآن فقال معي سورة كذا وسورة كذا لسور يعددها فقال النبي صلى الله عليه وسلم أملكناكها بما معك من القرآن.
সহিহ বুখারী ৫১২০
علي بن عبد الله حدثنا مرحوم بن عبد العزيز بن مهران قال سمعت ثابتا البناني قال كنت عند أنس وعنده“ ابنة له“ قال أنس جاءت امرأة إلٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم تعرض عليه نفسها قالت يا رسول الله ألك بي حاجة فقالت بنت أنس ما أقل حياءها وا سوأتاه وا سوأتاه قال هي خير منك رغبت في النبي صلى الله عليه وسلم فعرضت عليه نفسها.
সাবিত আল বুনানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আনাস (রাঃ) - এর কাছে ছিলাম। তখন তাঁর কাছে তাঁর কন্যাও ছিলেন। আনাস (রাঃ) বললেন, একজন মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে নিজেকে সমর্পণ করতে এসে বলল, হে আল্লাহ্র রসূল! আপনার কি আমার প্রয়োজন আছে? এ কথা শুনে আনাস (রাঃ) - এর কন্যা বললেন, সেই মহিলা কতই না নির্লজ্জ, ছি: লজ্জার কথা। আনাস (রাঃ) বললেন, সে মহিলা তোমার চেয়ে উত্তম, সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সাহচর্য পেতে অনুরাগী হয়েছিল। এ কারনেই সে নিজেকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে পেশ করেছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৪৫)
সাবিত আল বুনানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আনাস (রাঃ) - এর কাছে ছিলাম। তখন তাঁর কাছে তাঁর কন্যাও ছিলেন। আনাস (রাঃ) বললেন, একজন মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে নিজেকে সমর্পণ করতে এসে বলল, হে আল্লাহ্র রসূল! আপনার কি আমার প্রয়োজন আছে? এ কথা শুনে আনাস (রাঃ) - এর কন্যা বললেন, সেই মহিলা কতই না নির্লজ্জ, ছি: লজ্জার কথা। আনাস (রাঃ) বললেন, সে মহিলা তোমার চেয়ে উত্তম, সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সাহচর্য পেতে অনুরাগী হয়েছিল। এ কারনেই সে নিজেকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে পেশ করেছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৪৫)
علي بن عبد الله حدثنا مرحوم بن عبد العزيز بن مهران قال سمعت ثابتا البناني قال كنت عند أنس وعنده“ ابنة له“ قال أنس جاءت امرأة إلٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم تعرض عليه نفسها قالت يا رسول الله ألك بي حاجة فقالت بنت أنس ما أقل حياءها وا سوأتاه وا سوأتاه قال هي خير منك رغبت في النبي صلى الله عليه وسلم فعرضت عليه نفسها.
সহিহ বুখারী > নিজের কন্যা অথবা বোনকে বিয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে কোন নেক্কার পরহেজগার ব্যক্তির সামনে পেশ করা।
সহিহ বুখারী ৫১২২
عبد العزيز بن عبد الله حدثنا إبراهيم بن سعد عن صالح بن كيسان عن ابن شهاب قال أخبرني سالم بن عبد الله أنه“ سمع عبد الله بن عم ر يحدث أن عمر بن الخطاب حين تأيمت حفصة بنت عمر من خنيس بن حذافة السهمي وكان من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم فتوفي بالمدينة فقال عمر بن الخطاب أتيت عثمان بن عفان فعرضت عليه حفصة فقال سأنظر في أمري فلبثت ليالي ثم لقيني فقال قد بدا لي أن لا أتزوج يومي هٰذا قال عمر فلقيت أبا بكر الصديق فقلت إن شئت زوجتك حفصة بنت عمر فصمت أبو بكر فلم يرجع إلي شيئا وكنت أوجد عليه مني علٰى عثمان فلبثت ليالي ثم خطبها رسول الله صلى الله عليه وسلم فأنكحتها إياه“ فلقيني أبو بكر فقال لعلك وجدت علي حين عرضت علي حفصة فلم أرجع إليك شيئا قال عمر قلت نعم قال أبو بكر فإنه“ لم يمنعني أن أرجع إليك فيما عرضت علي إلا أني كنت علمت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد ذكرها فلم أكن لأفشي سر رسول الله صلى الله عليه وسلم ولو تركها رسول الله صلى الله عليه وسلم قبلتها.
ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যখন ‘উমার (রাঃ) - এর কন্যা হাফসাহ (রাঃ) খুনায়স ইব্নু হুযাইফাহ সাহমীর মৃত্যুতে বিধবা হলেন, তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর একজন সাহাবী ছিলেন এবং মদীনায় ইন্তিকাল করেন। ‘উমার ইব্নুল খাত্তাব (রাঃ) বলেন, আমি ‘উসমান ইব্নু ‘আফ্ফান (রাঃ) - এর কাছে গেলাম এবং হাফসাকে বিয়ে করার জন্য প্রস্তাব দিলাম; তখন তিনি বললেন, আমি এ ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করে দেখি। এরপর আমি কয়েক রাত অপেক্ষা করলাম, তারপর আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বললেন, আমার কাছে এটা প্রকাশ পেয়েছে যে, যেন এখন আমি তাকে বিয়ে না করি। ‘উমার (রাঃ) বলেন, তারপর আমি আবূ বক্র সিদ্দিক (রাঃ) - এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলাম এবং বললাম, যদি আপনি চান তাহলে আপনার সঙ্গে ‘উমরের কন্যা হাফসাকে বিয়ে দেই। আবূ বকর (রাঃ) নিরব থাকলেন এবং প্রতি-উত্তরে আমাকে কিছুই বললেন না। এতে আমি ‘উসমান (রাঃ) - এর চেয়ে অধিক অসন্তুষ্ট হলাম, তারপর আমি কয়েক রাত অপেক্ষা করলাম। তারপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাফসাকে বিয়ের জন্য প্রস্তাব পাঠালেন এবং হাফসাকে আমি তার সঙ্গে বিয়ে দিলাম। এরপর আবূ বকর (রাঃ) আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বললেন, সম্ভবত আপনি আমার উপর অসন্তুষ্ট হয়েছেন। আপনি যখন হাফসাকে আমার জন্য পেশ করেন তখন আমি কোন উত্তর দেইনি। ‘উমার (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হাঁ। আবূ বকর (রাঃ) বললেন, আপনার প্রস্তাবে সাড়া দিতে কোন কিছুই আমাকে বিরত করেনি; এ ছাড়া যে, আমি জানি, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাফসার বিষয় উল্লেখ করেছেন আর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর গোপন ভেদ প্রকাশ আমার পক্ষে কখনও সম্ভব নয়। যদি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা ত্যাগ করতেন তাহলে আমি হাফসাকে গ্রহন করতাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৪৭)
ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যখন ‘উমার (রাঃ) - এর কন্যা হাফসাহ (রাঃ) খুনায়স ইব্নু হুযাইফাহ সাহমীর মৃত্যুতে বিধবা হলেন, তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর একজন সাহাবী ছিলেন এবং মদীনায় ইন্তিকাল করেন। ‘উমার ইব্নুল খাত্তাব (রাঃ) বলেন, আমি ‘উসমান ইব্নু ‘আফ্ফান (রাঃ) - এর কাছে গেলাম এবং হাফসাকে বিয়ে করার জন্য প্রস্তাব দিলাম; তখন তিনি বললেন, আমি এ ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করে দেখি। এরপর আমি কয়েক রাত অপেক্ষা করলাম, তারপর আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বললেন, আমার কাছে এটা প্রকাশ পেয়েছে যে, যেন এখন আমি তাকে বিয়ে না করি। ‘উমার (রাঃ) বলেন, তারপর আমি আবূ বক্র সিদ্দিক (রাঃ) - এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলাম এবং বললাম, যদি আপনি চান তাহলে আপনার সঙ্গে ‘উমরের কন্যা হাফসাকে বিয়ে দেই। আবূ বকর (রাঃ) নিরব থাকলেন এবং প্রতি-উত্তরে আমাকে কিছুই বললেন না। এতে আমি ‘উসমান (রাঃ) - এর চেয়ে অধিক অসন্তুষ্ট হলাম, তারপর আমি কয়েক রাত অপেক্ষা করলাম। তারপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাফসাকে বিয়ের জন্য প্রস্তাব পাঠালেন এবং হাফসাকে আমি তার সঙ্গে বিয়ে দিলাম। এরপর আবূ বকর (রাঃ) আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বললেন, সম্ভবত আপনি আমার উপর অসন্তুষ্ট হয়েছেন। আপনি যখন হাফসাকে আমার জন্য পেশ করেন তখন আমি কোন উত্তর দেইনি। ‘উমার (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হাঁ। আবূ বকর (রাঃ) বললেন, আপনার প্রস্তাবে সাড়া দিতে কোন কিছুই আমাকে বিরত করেনি; এ ছাড়া যে, আমি জানি, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাফসার বিষয় উল্লেখ করেছেন আর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর গোপন ভেদ প্রকাশ আমার পক্ষে কখনও সম্ভব নয়। যদি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা ত্যাগ করতেন তাহলে আমি হাফসাকে গ্রহন করতাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৪৭)
عبد العزيز بن عبد الله حدثنا إبراهيم بن سعد عن صالح بن كيسان عن ابن شهاب قال أخبرني سالم بن عبد الله أنه“ سمع عبد الله بن عم ر يحدث أن عمر بن الخطاب حين تأيمت حفصة بنت عمر من خنيس بن حذافة السهمي وكان من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم فتوفي بالمدينة فقال عمر بن الخطاب أتيت عثمان بن عفان فعرضت عليه حفصة فقال سأنظر في أمري فلبثت ليالي ثم لقيني فقال قد بدا لي أن لا أتزوج يومي هٰذا قال عمر فلقيت أبا بكر الصديق فقلت إن شئت زوجتك حفصة بنت عمر فصمت أبو بكر فلم يرجع إلي شيئا وكنت أوجد عليه مني علٰى عثمان فلبثت ليالي ثم خطبها رسول الله صلى الله عليه وسلم فأنكحتها إياه“ فلقيني أبو بكر فقال لعلك وجدت علي حين عرضت علي حفصة فلم أرجع إليك شيئا قال عمر قلت نعم قال أبو بكر فإنه“ لم يمنعني أن أرجع إليك فيما عرضت علي إلا أني كنت علمت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد ذكرها فلم أكن لأفشي سر رسول الله صلى الله عليه وسلم ولو تركها رسول الله صلى الله عليه وسلم قبلتها.
সহিহ বুখারী ৫১২৩
قتيبة حدثنا الليث عن يزيد بن أبي حبيب عن عراك بن مالك أن زينب بنت أبي سلمة أخبرته“ أن أم حبيبة قالت لرسول الله صلى الله عليه وسلم إنا قد تحدثنا أنك ناكح درة بنت أبي سلمة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أعلٰى أم سلمة لو لم أنكح أم سلمة ما حلت لي إن أباها أخي من الرضاعة.
ইরাক ইব্নু মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যাইনাব বিন্তে আবূ সালামাহ (রাঃ) তাঁর কাছে বর্ণনা করেছেন যে, উম্মু হাবীবা (রাঃ) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে বলেছেন, আপনি দুররাহ্ বিন্তে আবূ সালামাকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন। এ কথা আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, উম্মু সালামাহ থাকতে আমি তাকে বিয়ে করব? যদি আমি উম্মু সালামাকে বিয়ে না-ও করতাম, তবুও সে আমার জন্য হালাল হত না। কেননা তার পিতা আমার দুধভাই। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৪৮)
ইরাক ইব্নু মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যাইনাব বিন্তে আবূ সালামাহ (রাঃ) তাঁর কাছে বর্ণনা করেছেন যে, উম্মু হাবীবা (রাঃ) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে বলেছেন, আপনি দুররাহ্ বিন্তে আবূ সালামাকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন। এ কথা আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, উম্মু সালামাহ থাকতে আমি তাকে বিয়ে করব? যদি আমি উম্মু সালামাকে বিয়ে না-ও করতাম, তবুও সে আমার জন্য হালাল হত না। কেননা তার পিতা আমার দুধভাই। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৪৮)
قتيبة حدثنا الليث عن يزيد بن أبي حبيب عن عراك بن مالك أن زينب بنت أبي سلمة أخبرته“ أن أم حبيبة قالت لرسول الله صلى الله عليه وسلم إنا قد تحدثنا أنك ناكح درة بنت أبي سلمة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أعلٰى أم سلمة لو لم أنكح أم سلمة ما حلت لي إن أباها أخي من الرضاعة.