সহিহ বুখারী > “দু’ বোনকে একত্রে বিয়ে করা (হালাল নয়) তবে অতীতে যা হয়ে গেছে।” (সূরাহ আন্‌-নিসা ৪/২৩)

সহিহ বুখারী ৫১০৭

عبد الله بن يوسف حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب أن عروة بن الزبير أخبره“ أن زينب بنت أبي سلمة أخبرته“ أن أم حبيبة قالت قلت يا رسول الله انكح أختي بنت أبي سفيان قال وتحبين قلت نعم لست لك بمخلية وأحب من شاركني في خير أختي فقال النبي صلى الله عليه وسلم إن ذلك لا يحل لي قلت يا رسول الله فوالله إنا لنتحدث أنك تريد أن تنكح درة بنت أبي سلمة قال بنت أم سلمة فقلت نعم قال فوالله لو لم تكن في حجري ما حلت لي إنها لابنة أخي من الرضاعة أرضعتني وأبا سلمة ثويبة فلا تعرضن علي بناتكن ولا أخواتكن.

উম্মু হাবীবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি আমার বোন আবূ সুফ্‌ইয়ানের কন্যাকে বিয়ে করুন। তিনি বলেন, তুমি কি তা পছন্দ কর? আমি বললাম, হ্যাঁ, আমি তো আপনার একমাত্র স্ত্রী নই এবং আমি যাকে সবচেয়ে ভালবাসি, তার সঙ্গে আমার বোনকেও অংশীদার বানাতে চাই। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এটা আমার জন্য হালাল নয়। আমি বললাম, আল্লাহ্‌র কসম! আমরা শুনেছি যে আপনি আবূ সালামার কন্যা দুররাকে বিয়ে করতে চান। তিনি বললেন, তুমি কি উম্মু সালামার কন্যার কথা বলছ? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, আল্লাহ্‌র কসম, যদি সে আমার সৎ কন্যা নাও হতো তবুও তাকে বিয়ে করা আমার জন্য হালাল হতো না। কারণ সে হচ্ছে আমার দুধ সম্পর্কীয় ভাইয়ের কন্যা। সুওয়াইবা আমাকে এবং তার পিতা আবূ সালামাকে দুধ পান করিয়েছিলেন। সুতরাং তোমাদের কন্যা বা বোনদের বিয়ের ব্যাপারে আমার কাছে প্রস্তাব করো না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৩৫)

উম্মু হাবীবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি আমার বোন আবূ সুফ্‌ইয়ানের কন্যাকে বিয়ে করুন। তিনি বলেন, তুমি কি তা পছন্দ কর? আমি বললাম, হ্যাঁ, আমি তো আপনার একমাত্র স্ত্রী নই এবং আমি যাকে সবচেয়ে ভালবাসি, তার সঙ্গে আমার বোনকেও অংশীদার বানাতে চাই। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এটা আমার জন্য হালাল নয়। আমি বললাম, আল্লাহ্‌র কসম! আমরা শুনেছি যে আপনি আবূ সালামার কন্যা দুররাকে বিয়ে করতে চান। তিনি বললেন, তুমি কি উম্মু সালামার কন্যার কথা বলছ? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, আল্লাহ্‌র কসম, যদি সে আমার সৎ কন্যা নাও হতো তবুও তাকে বিয়ে করা আমার জন্য হালাল হতো না। কারণ সে হচ্ছে আমার দুধ সম্পর্কীয় ভাইয়ের কন্যা। সুওয়াইবা আমাকে এবং তার পিতা আবূ সালামাকে দুধ পান করিয়েছিলেন। সুতরাং তোমাদের কন্যা বা বোনদের বিয়ের ব্যাপারে আমার কাছে প্রস্তাব করো না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৩৫)

عبد الله بن يوسف حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب أن عروة بن الزبير أخبره“ أن زينب بنت أبي سلمة أخبرته“ أن أم حبيبة قالت قلت يا رسول الله انكح أختي بنت أبي سفيان قال وتحبين قلت نعم لست لك بمخلية وأحب من شاركني في خير أختي فقال النبي صلى الله عليه وسلم إن ذلك لا يحل لي قلت يا رسول الله فوالله إنا لنتحدث أنك تريد أن تنكح درة بنت أبي سلمة قال بنت أم سلمة فقلت نعم قال فوالله لو لم تكن في حجري ما حلت لي إنها لابنة أخي من الرضاعة أرضعتني وأبا سلمة ثويبة فلا تعرضن علي بناتكن ولا أخواتكن.


সহিহ বুখারী > কোন মহিলার আপন ফুফু যদি কোন পুরুষের স্ত্রী হয়, তবে ঐ মহিলা যেন উক্ত পুরুষকে বিয়ে না করে।

সহিহ বুখারী ৫১০৯

عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يجمع بين المرأة وعمتها ولا بين المرأة وخالتها.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কেউ যেন ফুফু ও তার ভাতিজীকে এবং খালা এবং তার বোনঝিকে একত্রে বিয়ে না করে। [৫১১০; মুসলিম ১৬/৩, হাঃ ১৪০৮, আহমাদ ১০০০২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৩৭)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কেউ যেন ফুফু ও তার ভাতিজীকে এবং খালা এবং তার বোনঝিকে একত্রে বিয়ে না করে। [৫১১০; মুসলিম ১৬/৩, হাঃ ১৪০৮, আহমাদ ১০০০২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৩৭)

عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يجمع بين المرأة وعمتها ولا بين المرأة وخالتها.


সহিহ বুখারী ৫১০৮

عبدان أخبرنا عبد الله أخبرنا عاصم عن الشعبي سمع جابرا قال نهٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن تنكح المرأة علٰى عمتها أو خالتها. وقال داود وابن عون عن الشعبي عن أبي هريرة

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন মহিলার আপন ফুফু বা খালা কোন পুরুষের স্ত্রী হলে ঐ মহিলা যেন উক্ত পুরুষকে বিয়ে না করে। অপর এক সূত্রে এই হাদীসটি আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৩৬)

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন মহিলার আপন ফুফু বা খালা কোন পুরুষের স্ত্রী হলে ঐ মহিলা যেন উক্ত পুরুষকে বিয়ে না করে। অপর এক সূত্রে এই হাদীসটি আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৩৬)

عبدان أخبرنا عبد الله أخبرنا عاصم عن الشعبي سمع جابرا قال نهٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن تنكح المرأة علٰى عمتها أو خالتها. وقال داود وابن عون عن الشعبي عن أبي هريرة


সহিহ বুখারী ৫১১০

عبدان أخبرنا عبد الله قال أخبرني يونس عن الزهري قال حدثني قبيصة بن ذؤيب أنه“ سمع أبا هريرة يقول نهى النبي صلى الله عليه وسلم أن تنكح المرأة علٰى عمتها والمرأة وخالتها فنر‘ى خالة أبيها بتلك المنزلة.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাউকে একসঙ্গে ফুফু ও ভ্রাতুষ্পুত্রী এবং খালা ও তার বোনের মেয়েকে বিয়ে করতে নিষেধ করেছেন। অধঃস্তন রাবী যুহরী বলেছেন, আমরা স্ত্রীর পিতার খালার ব্যাপারেও এ নির্দেশ জানি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৩৮)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাউকে একসঙ্গে ফুফু ও ভ্রাতুষ্পুত্রী এবং খালা ও তার বোনের মেয়েকে বিয়ে করতে নিষেধ করেছেন। অধঃস্তন রাবী যুহরী বলেছেন, আমরা স্ত্রীর পিতার খালার ব্যাপারেও এ নির্দেশ জানি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৩৮)

عبدان أخبرنا عبد الله قال أخبرني يونس عن الزهري قال حدثني قبيصة بن ذؤيب أنه“ سمع أبا هريرة يقول نهى النبي صلى الله عليه وسلم أن تنكح المرأة علٰى عمتها والمرأة وخالتها فنر‘ى خالة أبيها بتلك المنزلة.


সহিহ বুখারী ৫১১১

لأن عروة حدثني عن عائشة قالت حرموا من الرضاعة ما يحرم من النسب.

‘উরওয়া আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রক্তের সম্পর্কের কারণে যা হারাম, দুধ পানের কারণেও এসব তোমরা হারাম মনে করো।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৩৮)

‘উরওয়া আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রক্তের সম্পর্কের কারণে যা হারাম, দুধ পানের কারণেও এসব তোমরা হারাম মনে করো।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৩৮)

لأن عروة حدثني عن عائشة قالت حرموا من الرضاعة ما يحرم من النسب.


সহিহ বুখারী > আশ্‌-শিগার বা বদল বিয়ে।

সহিহ বুখারী ৫১১২

حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن نافع، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن الشغار، والشغار أن يزوج الرجل ابنته على أن يزوجه الآخر ابنته، ليس بينهما صداق‏.‏

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আশ্‌শিগার নিষিদ্ধ করেছেন। ‘আশ্‌-শিগার’ হলো: কোন ব্যাক্তি নিজের কন্যাকে অন্য এক ব্যক্তির পুত্রের সঙ্গে বিবাহ দিবে এবং তার কন্যা নিজের পুত্রের জন্য আনবে এবং দু কন্যাই মাহ্‌র পাবে না।[৬৯৬০; মুসলিম ১৬/৬, হাঃ ১৪১৫, আহমাদ ৪৫২৬] ](আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৩৯)

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আশ্‌শিগার নিষিদ্ধ করেছেন। ‘আশ্‌-শিগার’ হলো: কোন ব্যাক্তি নিজের কন্যাকে অন্য এক ব্যক্তির পুত্রের সঙ্গে বিবাহ দিবে এবং তার কন্যা নিজের পুত্রের জন্য আনবে এবং দু কন্যাই মাহ্‌র পাবে না।[৬৯৬০; মুসলিম ১৬/৬, হাঃ ১৪১৫, আহমাদ ৪৫২৬] ](আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৩৯)

حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن نافع، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن الشغار، والشغار أن يزوج الرجل ابنته على أن يزوجه الآخر ابنته، ليس بينهما صداق‏.‏


সহিহ বুখারী > কোন মহিলা কোন পুরুষের কাছে নিজেকে সমর্পন করতে পারে কিনা?

সহিহ বুখারী ৫১১৩

حدثنا محمد بن سلام، حدثنا ابن فضيل، حدثنا هشام، عن أبيه، قال كانت خولة بنت حكيم من اللائي وهبن أنفسهن للنبي صلى الله عليه وسلم فقالت عائشة أما تستحي المرأة أن تهب نفسها للرجل فلما نزلت ‏{‏ترجئ من تشاء منهن‏}‏ قلت يا رسول الله ما أرى ربك إلا يسارع في هواك‏.‏ رواه أبو سعيد المؤدب ومحمد بن بشر وعبدة عن هشام عن أبيه عن عائشة يزيد بعضهم على بعض‏.‏

হিশামের পিতা ‘উরওয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে সব মহিলা নিজেদেরকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট সমর্পণ করেছিলেন, খাওলা বিনতে হাকীম তাদেরই একজন ছিলেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, মহিলাদের কি লজ্জা হয় না যে, নিজেদেকে পুরুষের কাছে সমর্পণ করছে? কিন্তু যখন কুরআনের এ আয়াত অবতীর্ণ হল- “হে মুহাম্মাদ! তোমাকে অধিকার দেয়া হল যে, নিজ স্ত্রীগণের মধ্য থেকে যাকে ইচ্ছা আলাদা রাখতে পার...।” (আল-আহযাব: ৫১) ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার মনে হয়, আপনার রব আপনার মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করার ত্বরিৎ ব্যবস্থা নিচ্ছেন। উক্ত হাদীসটি আবূ সা’ঈদ মুয়াদ্দিব, মুহাম্মাদ ইব্‌নু বিশ্‌র এবং ‘আবদাহ্‌ হিশাম থেকে আর হিশাম তার পিতা হতে একে অপরের চেয়ে কিছু বর্ধিতভাবে ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৪০)

হিশামের পিতা ‘উরওয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে সব মহিলা নিজেদেরকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট সমর্পণ করেছিলেন, খাওলা বিনতে হাকীম তাদেরই একজন ছিলেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, মহিলাদের কি লজ্জা হয় না যে, নিজেদেকে পুরুষের কাছে সমর্পণ করছে? কিন্তু যখন কুরআনের এ আয়াত অবতীর্ণ হল- “হে মুহাম্মাদ! তোমাকে অধিকার দেয়া হল যে, নিজ স্ত্রীগণের মধ্য থেকে যাকে ইচ্ছা আলাদা রাখতে পার...।” (আল-আহযাব: ৫১) ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার মনে হয়, আপনার রব আপনার মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করার ত্বরিৎ ব্যবস্থা নিচ্ছেন। উক্ত হাদীসটি আবূ সা’ঈদ মুয়াদ্দিব, মুহাম্মাদ ইব্‌নু বিশ্‌র এবং ‘আবদাহ্‌ হিশাম থেকে আর হিশাম তার পিতা হতে একে অপরের চেয়ে কিছু বর্ধিতভাবে ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৪০)

حدثنا محمد بن سلام، حدثنا ابن فضيل، حدثنا هشام، عن أبيه، قال كانت خولة بنت حكيم من اللائي وهبن أنفسهن للنبي صلى الله عليه وسلم فقالت عائشة أما تستحي المرأة أن تهب نفسها للرجل فلما نزلت ‏{‏ترجئ من تشاء منهن‏}‏ قلت يا رسول الله ما أرى ربك إلا يسارع في هواك‏.‏ رواه أبو سعيد المؤدب ومحمد بن بشر وعبدة عن هشام عن أبيه عن عائشة يزيد بعضهم على بعض‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00