সহিহ বুখারী > কোন্ কোন্ মহিলাকে বিয়ে করা হালাল এবং কোন্ কোন্ মহিলাকে বিয়ে করা হারাম।
সহিহ বুখারী ৫১০৫
وقال لنا أحمد بن حنبل حدثنا يحيى بن سعيد، عن سفيان، حدثني حبيب، عن سعيد، عن ابن عباس، حرم من النسب سبع، ومن الصهر سبع. ثم قرأ {حرمت عليكم أمهاتكم} الآية. وجمع عبد الله بن جعفر بين ابنة علي وامرأة علي. وقال ابن سيرين لا بأس به. وكرهه الحسن مرة ثم قال لا بأس به. وجمع الحسن بن الحسن بن علي بين ابنتى عم في ليلة، وكرهه جابر بن زيد للقطيعة، وليس فيه تحريم لقوله تعالى {وأحل لكم ما وراء ذلكم} وقال عكرمة عن ابن عباس إذا زنى بأخت امرأته لم تحرم عليه امرأته. ويروى عن يحيى الكندي عن الشعبي وأبي جعفر، فيمن يلعب بالصبي إن أدخله فيه، فلا يتزوجن أمه، ويحيى هذا غير معروف، لم يتابع عليه. وقال عكرمة عن ابن عباس إذا زنى بها لم تحرم عليه امرأته. ويذكر عن أبي نصر أن ابن عباس حرمه. وأبو نصر هذا لم يعرف بسماعه من ابن عباس. ويروى عن عمران بن حصين وجابر بن زيد والحسن وبعض أهل العراق تحرم عليه. وقال أبو هريرة لا تحرم حتى يلزق بالأرض يعني يجامع. وجوزه ابن المسيب وعروة والزهري. وقال الزهري قال علي لا تحرم. وهذا مرسل.
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত। তিনি বলেন, রক্তের সম্পর্কের সাতজন ও বৈবাহিক সম্পর্কের সাতজন নারীকে বিয়ে করা হারাম। এরপর তিনি এ আয়াত পাঠ করলেন: “তোমাদের জন্যে তোমাদের মায়েদের বিয়ে করা হারাম করা হয়েছে।” (সূরাহ আন-নিসা: ২৪) ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু জা’ফর (রহঃ) একসঙ্গে ‘আলী (রাঃ) - এর স্ত্রী [১৩] ও কন্যাকে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ করেন (তারা উভয়েই সৎ-মা ও সৎ-কন্যা ছিল) ইব্নু শিরীন বলেন, এতে দোষের কিছু নেই। কিন্তু হাসান বসরী (রহঃ) প্রথমত এ মত পছন্দ করেননি; কিন্তু পরে বলেন, এতে দোষের কিছুই নেই। কিন্তু হাসান ইব্নু হাসান ইব্নু ‘আলী একই রাতে দুই চাচাত বোনকে একই সঙ্গে বিয়ে করেন। জাবির ইব্নু যায়দ সম্পর্কচ্ছেদের আশংকায় এটা মাকরূহ মনে করেছেন; কিন্তু এটা হারাম নয়। যেমন আল্লাহ্ তা’আলা বলেন, “এসব ছাড়া আর যত মেয়ে লোক রয়েছে তা তোমাদের জন্য হালাল করে দেয়া হয়েছে।” (আন-নিসা: ২৪) ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, যদি কেউ তার শালীর সঙ্গে অবৈধ যৌন মিলন করে তবে তার স্ত্রী তার জন্য হারাম হয়ে যায় না। শা’বী এবং আবূ জা’ফর বলেন, যদি কেউ কোন বালকের সঙ্গে সমকামে লিপ্ত হয়, তবে তার মা তার জন্য বিয়ে করা হারাম হয়ে যাবে। ইকরামাহ (রাঃ)... ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কেউ যদি শাশুড়ির সঙ্গে যৌন মিলনে লিপ্ত হয়, তবে তার স্ত্রী হারাম হয় না। আবূ নাসর ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, হারাম হয়ে যাবে। ‘ইমরান ইব্নু হুসায়ন (রাঃ) জাবির ইব্নু যায়দ (রাঃ) আল হাসান (রহঃ) এবং কতিপয় ইরাকবাসী থেকে বর্ণনা করেন যে, তার স্ত্রীর সঙ্গে বিয়ের সম্পর্ক হারাম হয়ে যাবে। উপরোক্ত ব্যাপারে আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেছেন যে, স্ত্রীর সঙ্গে বিয়ের সম্পর্ক ততক্ষণ হারাম হয় না, যতক্ষণ না কেউ তার শাশুড়ির সঙ্গে অবৈধ যৌন মিলনে লিপ্ত হয়। ইব্নু মুসাইয়িব, ‘উরওয়া (রাঃ) এবং যুহ্রী এমতাবস্থায় স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক রাখা বৈধ বলেছেন। যুহ্রী বলেন, ‘আলী (রাঃ) বলেছেন, হারাম হয় না। ওখানে যুহ্রীর কথা মুরসাল অর্থাৎ এ কথা যুহুরী ‘আলী (রাঃ) থেকে শোনেননি। (আ.প্র. অনুচ্ছেদ, ই.ফা. অনুচ্ছেদ)
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত। তিনি বলেন, রক্তের সম্পর্কের সাতজন ও বৈবাহিক সম্পর্কের সাতজন নারীকে বিয়ে করা হারাম। এরপর তিনি এ আয়াত পাঠ করলেন: “তোমাদের জন্যে তোমাদের মায়েদের বিয়ে করা হারাম করা হয়েছে।” (সূরাহ আন-নিসা: ২৪) ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু জা’ফর (রহঃ) একসঙ্গে ‘আলী (রাঃ) - এর স্ত্রী [১৩] ও কন্যাকে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ করেন (তারা উভয়েই সৎ-মা ও সৎ-কন্যা ছিল) ইব্নু শিরীন বলেন, এতে দোষের কিছু নেই। কিন্তু হাসান বসরী (রহঃ) প্রথমত এ মত পছন্দ করেননি; কিন্তু পরে বলেন, এতে দোষের কিছুই নেই। কিন্তু হাসান ইব্নু হাসান ইব্নু ‘আলী একই রাতে দুই চাচাত বোনকে একই সঙ্গে বিয়ে করেন। জাবির ইব্নু যায়দ সম্পর্কচ্ছেদের আশংকায় এটা মাকরূহ মনে করেছেন; কিন্তু এটা হারাম নয়। যেমন আল্লাহ্ তা’আলা বলেন, “এসব ছাড়া আর যত মেয়ে লোক রয়েছে তা তোমাদের জন্য হালাল করে দেয়া হয়েছে।” (আন-নিসা: ২৪) ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, যদি কেউ তার শালীর সঙ্গে অবৈধ যৌন মিলন করে তবে তার স্ত্রী তার জন্য হারাম হয়ে যায় না। শা’বী এবং আবূ জা’ফর বলেন, যদি কেউ কোন বালকের সঙ্গে সমকামে লিপ্ত হয়, তবে তার মা তার জন্য বিয়ে করা হারাম হয়ে যাবে। ইকরামাহ (রাঃ)... ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কেউ যদি শাশুড়ির সঙ্গে যৌন মিলনে লিপ্ত হয়, তবে তার স্ত্রী হারাম হয় না। আবূ নাসর ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, হারাম হয়ে যাবে। ‘ইমরান ইব্নু হুসায়ন (রাঃ) জাবির ইব্নু যায়দ (রাঃ) আল হাসান (রহঃ) এবং কতিপয় ইরাকবাসী থেকে বর্ণনা করেন যে, তার স্ত্রীর সঙ্গে বিয়ের সম্পর্ক হারাম হয়ে যাবে। উপরোক্ত ব্যাপারে আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেছেন যে, স্ত্রীর সঙ্গে বিয়ের সম্পর্ক ততক্ষণ হারাম হয় না, যতক্ষণ না কেউ তার শাশুড়ির সঙ্গে অবৈধ যৌন মিলনে লিপ্ত হয়। ইব্নু মুসাইয়িব, ‘উরওয়া (রাঃ) এবং যুহ্রী এমতাবস্থায় স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক রাখা বৈধ বলেছেন। যুহ্রী বলেন, ‘আলী (রাঃ) বলেছেন, হারাম হয় না। ওখানে যুহ্রীর কথা মুরসাল অর্থাৎ এ কথা যুহুরী ‘আলী (রাঃ) থেকে শোনেননি। (আ.প্র. অনুচ্ছেদ, ই.ফা. অনুচ্ছেদ)
وقال لنا أحمد بن حنبل حدثنا يحيى بن سعيد، عن سفيان، حدثني حبيب، عن سعيد، عن ابن عباس، حرم من النسب سبع، ومن الصهر سبع. ثم قرأ {حرمت عليكم أمهاتكم} الآية. وجمع عبد الله بن جعفر بين ابنة علي وامرأة علي. وقال ابن سيرين لا بأس به. وكرهه الحسن مرة ثم قال لا بأس به. وجمع الحسن بن الحسن بن علي بين ابنتى عم في ليلة، وكرهه جابر بن زيد للقطيعة، وليس فيه تحريم لقوله تعالى {وأحل لكم ما وراء ذلكم} وقال عكرمة عن ابن عباس إذا زنى بأخت امرأته لم تحرم عليه امرأته. ويروى عن يحيى الكندي عن الشعبي وأبي جعفر، فيمن يلعب بالصبي إن أدخله فيه، فلا يتزوجن أمه، ويحيى هذا غير معروف، لم يتابع عليه. وقال عكرمة عن ابن عباس إذا زنى بها لم تحرم عليه امرأته. ويذكر عن أبي نصر أن ابن عباس حرمه. وأبو نصر هذا لم يعرف بسماعه من ابن عباس. ويروى عن عمران بن حصين وجابر بن زيد والحسن وبعض أهل العراق تحرم عليه. وقال أبو هريرة لا تحرم حتى يلزق بالأرض يعني يجامع. وجوزه ابن المسيب وعروة والزهري. وقال الزهري قال علي لا تحرم. وهذا مرسل.
সহিহ বুখারী > “এবং (তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে) তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে যার সাথে সঙ্গত হয়েছ তার পূর্ব স্বামীর ঔরসজাত মেয়ে যারা তোমাদের তত্ত্বাবধানে আছে।” (সূরাহ আন্-নিসা ৪/২৩)
সহিহ বুখারী ৫১০৬
الحميدي حدثنا سفيان حدثنا هشام عن أبيه عن زينب عن أم حبيبة قالت قلت يا رسول الله هل لك في بنت أبي سفيان قال فأفعل ماذا قلت تنكح قال أتحبين قلت لست لك بمخلية وأحب من شركني فيك أختي قال إنها لا تحل لي قلت بلغني أنك تخطب قال ابنة أم سلمة قلت نعم قال لو لم تكن ربيبتي ما حلت لي أرضعتني وأباها ثويبة فلا تعرضن علي بناتكن ولا أخواتكن وقال الليث حدثنا هشام درة بنت أبي سلمة.
উম্মু হাবীবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আপনি কি আবূ সুফিয়ানের কন্যার ব্যাপারে আগ্রহী? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উত্তর দিলেন, তাকে দিয়ে আমার কী হবে? আমি বললাম, তাকে আপনি বিয়ে করবেন। তিনি প্রশ্ন করলেন, তুমি কি তা পছন্দ করবে? আমি বললাম, হাঁ। এখন তো আমি একাই আপনার স্ত্রী নই। সুতরাং আমি চাই, আমার বোনও আমার সঙ্গে কল্যাণে অংশীদার হোক। তিনি বললেন, তাকে বিয়ে করা আমার জন্য হালাল নয়। আমি বললাম, আমরা শুনেছি যে, আপনি আবূ সালামার কন্যা দুররাকে বিয়ে করার জন্য পয়গাম পাঠিয়েছেন। তিনি প্রশ্ন করলেন, উম্মু সালামার কন্যা? আমি বললাম, হাঁ। তিনি বললেন, সে আমার প্রতিপালিতা সৎ কন্যা যদি নাও হতো তবুও তাকে বিয়ে করা আমার জন্য হালাল হতো না। কেননা সুয়াইবিয়া আমাকে ও তার পিতাকে দুধ পান করিয়েছিলেন। সুতরাং বিয়ের জন্য তোমাদের কন্যা বা বোন কাউকে পেশ করো না। লায়স বলেন, হিশাম দুররা বিনত আবী সালামার নাম বলেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৩৪)
উম্মু হাবীবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আপনি কি আবূ সুফিয়ানের কন্যার ব্যাপারে আগ্রহী? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উত্তর দিলেন, তাকে দিয়ে আমার কী হবে? আমি বললাম, তাকে আপনি বিয়ে করবেন। তিনি প্রশ্ন করলেন, তুমি কি তা পছন্দ করবে? আমি বললাম, হাঁ। এখন তো আমি একাই আপনার স্ত্রী নই। সুতরাং আমি চাই, আমার বোনও আমার সঙ্গে কল্যাণে অংশীদার হোক। তিনি বললেন, তাকে বিয়ে করা আমার জন্য হালাল নয়। আমি বললাম, আমরা শুনেছি যে, আপনি আবূ সালামার কন্যা দুররাকে বিয়ে করার জন্য পয়গাম পাঠিয়েছেন। তিনি প্রশ্ন করলেন, উম্মু সালামার কন্যা? আমি বললাম, হাঁ। তিনি বললেন, সে আমার প্রতিপালিতা সৎ কন্যা যদি নাও হতো তবুও তাকে বিয়ে করা আমার জন্য হালাল হতো না। কেননা সুয়াইবিয়া আমাকে ও তার পিতাকে দুধ পান করিয়েছিলেন। সুতরাং বিয়ের জন্য তোমাদের কন্যা বা বোন কাউকে পেশ করো না। লায়স বলেন, হিশাম দুররা বিনত আবী সালামার নাম বলেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৩৪)
الحميدي حدثنا سفيان حدثنا هشام عن أبيه عن زينب عن أم حبيبة قالت قلت يا رسول الله هل لك في بنت أبي سفيان قال فأفعل ماذا قلت تنكح قال أتحبين قلت لست لك بمخلية وأحب من شركني فيك أختي قال إنها لا تحل لي قلت بلغني أنك تخطب قال ابنة أم سلمة قلت نعم قال لو لم تكن ربيبتي ما حلت لي أرضعتني وأباها ثويبة فلا تعرضن علي بناتكن ولا أخواتكن وقال الليث حدثنا هشام درة بنت أبي سلمة.
সহিহ বুখারী > “দু’ বোনকে একত্রে বিয়ে করা (হালাল নয়) তবে অতীতে যা হয়ে গেছে।” (সূরাহ আন্-নিসা ৪/২৩)
সহিহ বুখারী ৫১০৭
عبد الله بن يوسف حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب أن عروة بن الزبير أخبره“ أن زينب بنت أبي سلمة أخبرته“ أن أم حبيبة قالت قلت يا رسول الله انكح أختي بنت أبي سفيان قال وتحبين قلت نعم لست لك بمخلية وأحب من شاركني في خير أختي فقال النبي صلى الله عليه وسلم إن ذلك لا يحل لي قلت يا رسول الله فوالله إنا لنتحدث أنك تريد أن تنكح درة بنت أبي سلمة قال بنت أم سلمة فقلت نعم قال فوالله لو لم تكن في حجري ما حلت لي إنها لابنة أخي من الرضاعة أرضعتني وأبا سلمة ثويبة فلا تعرضن علي بناتكن ولا أخواتكن.
উম্মু হাবীবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আপনি আমার বোন আবূ সুফ্ইয়ানের কন্যাকে বিয়ে করুন। তিনি বলেন, তুমি কি তা পছন্দ কর? আমি বললাম, হ্যাঁ, আমি তো আপনার একমাত্র স্ত্রী নই এবং আমি যাকে সবচেয়ে ভালবাসি, তার সঙ্গে আমার বোনকেও অংশীদার বানাতে চাই। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এটা আমার জন্য হালাল নয়। আমি বললাম, আল্লাহ্র কসম! আমরা শুনেছি যে আপনি আবূ সালামার কন্যা দুররাকে বিয়ে করতে চান। তিনি বললেন, তুমি কি উম্মু সালামার কন্যার কথা বলছ? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, আল্লাহ্র কসম, যদি সে আমার সৎ কন্যা নাও হতো তবুও তাকে বিয়ে করা আমার জন্য হালাল হতো না। কারণ সে হচ্ছে আমার দুধ সম্পর্কীয় ভাইয়ের কন্যা। সুওয়াইবা আমাকে এবং তার পিতা আবূ সালামাকে দুধ পান করিয়েছিলেন। সুতরাং তোমাদের কন্যা বা বোনদের বিয়ের ব্যাপারে আমার কাছে প্রস্তাব করো না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৩৫)
উম্মু হাবীবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আপনি আমার বোন আবূ সুফ্ইয়ানের কন্যাকে বিয়ে করুন। তিনি বলেন, তুমি কি তা পছন্দ কর? আমি বললাম, হ্যাঁ, আমি তো আপনার একমাত্র স্ত্রী নই এবং আমি যাকে সবচেয়ে ভালবাসি, তার সঙ্গে আমার বোনকেও অংশীদার বানাতে চাই। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এটা আমার জন্য হালাল নয়। আমি বললাম, আল্লাহ্র কসম! আমরা শুনেছি যে আপনি আবূ সালামার কন্যা দুররাকে বিয়ে করতে চান। তিনি বললেন, তুমি কি উম্মু সালামার কন্যার কথা বলছ? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, আল্লাহ্র কসম, যদি সে আমার সৎ কন্যা নাও হতো তবুও তাকে বিয়ে করা আমার জন্য হালাল হতো না। কারণ সে হচ্ছে আমার দুধ সম্পর্কীয় ভাইয়ের কন্যা। সুওয়াইবা আমাকে এবং তার পিতা আবূ সালামাকে দুধ পান করিয়েছিলেন। সুতরাং তোমাদের কন্যা বা বোনদের বিয়ের ব্যাপারে আমার কাছে প্রস্তাব করো না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৩৫)
عبد الله بن يوسف حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب أن عروة بن الزبير أخبره“ أن زينب بنت أبي سلمة أخبرته“ أن أم حبيبة قالت قلت يا رسول الله انكح أختي بنت أبي سفيان قال وتحبين قلت نعم لست لك بمخلية وأحب من شاركني في خير أختي فقال النبي صلى الله عليه وسلم إن ذلك لا يحل لي قلت يا رسول الله فوالله إنا لنتحدث أنك تريد أن تنكح درة بنت أبي سلمة قال بنت أم سلمة فقلت نعم قال فوالله لو لم تكن في حجري ما حلت لي إنها لابنة أخي من الرضاعة أرضعتني وأبا سلمة ثويبة فلا تعرضن علي بناتكن ولا أخواتكن.
সহিহ বুখারী > কোন মহিলার আপন ফুফু যদি কোন পুরুষের স্ত্রী হয়, তবে ঐ মহিলা যেন উক্ত পুরুষকে বিয়ে না করে।
সহিহ বুখারী ৫১০৯
عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يجمع بين المرأة وعمتها ولا بين المرأة وخالتها.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কেউ যেন ফুফু ও তার ভাতিজীকে এবং খালা এবং তার বোনঝিকে একত্রে বিয়ে না করে। [৫১১০; মুসলিম ১৬/৩, হাঃ ১৪০৮, আহমাদ ১০০০২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৩৭)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কেউ যেন ফুফু ও তার ভাতিজীকে এবং খালা এবং তার বোনঝিকে একত্রে বিয়ে না করে। [৫১১০; মুসলিম ১৬/৩, হাঃ ১৪০৮, আহমাদ ১০০০২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৩৭)
عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يجمع بين المرأة وعمتها ولا بين المرأة وخالتها.
সহিহ বুখারী ৫১০৮
عبدان أخبرنا عبد الله أخبرنا عاصم عن الشعبي سمع جابرا قال نهٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن تنكح المرأة علٰى عمتها أو خالتها. وقال داود وابن عون عن الشعبي عن أبي هريرة
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন মহিলার আপন ফুফু বা খালা কোন পুরুষের স্ত্রী হলে ঐ মহিলা যেন উক্ত পুরুষকে বিয়ে না করে। অপর এক সূত্রে এই হাদীসটি আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৩৬)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন মহিলার আপন ফুফু বা খালা কোন পুরুষের স্ত্রী হলে ঐ মহিলা যেন উক্ত পুরুষকে বিয়ে না করে। অপর এক সূত্রে এই হাদীসটি আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৩৬)
عبدان أخبرنا عبد الله أخبرنا عاصم عن الشعبي سمع جابرا قال نهٰى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن تنكح المرأة علٰى عمتها أو خالتها. وقال داود وابن عون عن الشعبي عن أبي هريرة
সহিহ বুখারী ৫১১০
عبدان أخبرنا عبد الله قال أخبرني يونس عن الزهري قال حدثني قبيصة بن ذؤيب أنه“ سمع أبا هريرة يقول نهى النبي صلى الله عليه وسلم أن تنكح المرأة علٰى عمتها والمرأة وخالتها فنر‘ى خالة أبيها بتلك المنزلة.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাউকে একসঙ্গে ফুফু ও ভ্রাতুষ্পুত্রী এবং খালা ও তার বোনের মেয়েকে বিয়ে করতে নিষেধ করেছেন। অধঃস্তন রাবী যুহরী বলেছেন, আমরা স্ত্রীর পিতার খালার ব্যাপারেও এ নির্দেশ জানি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৩৮)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাউকে একসঙ্গে ফুফু ও ভ্রাতুষ্পুত্রী এবং খালা ও তার বোনের মেয়েকে বিয়ে করতে নিষেধ করেছেন। অধঃস্তন রাবী যুহরী বলেছেন, আমরা স্ত্রীর পিতার খালার ব্যাপারেও এ নির্দেশ জানি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৩৮)
عبدان أخبرنا عبد الله قال أخبرني يونس عن الزهري قال حدثني قبيصة بن ذؤيب أنه“ سمع أبا هريرة يقول نهى النبي صلى الله عليه وسلم أن تنكح المرأة علٰى عمتها والمرأة وخالتها فنر‘ى خالة أبيها بتلك المنزلة.
সহিহ বুখারী ৫১১১
لأن عروة حدثني عن عائشة قالت حرموا من الرضاعة ما يحرم من النسب.
‘উরওয়া আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রক্তের সম্পর্কের কারণে যা হারাম, দুধ পানের কারণেও এসব তোমরা হারাম মনে করো।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৩৮)
‘উরওয়া আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রক্তের সম্পর্কের কারণে যা হারাম, দুধ পানের কারণেও এসব তোমরা হারাম মনে করো।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৩৮)
لأن عروة حدثني عن عائشة قالت حرموا من الرضاعة ما يحرم من النسب.