সহিহ বুখারী > চারের অধিক বিয়ে না করা সম্পর্কে।

সহিহ বুখারী ৫০৯৮

محمد أخبرنا عبدة عن هشام عن أبيه عن عائشة وإن خفتم ألا تقسطوا في اليتامٰى قالت اليتيمة تكون عند الرجل وهو وليها فيتزوجها علٰى مالها ويسيء صحبتها ولا يعدل في مالها فليتزوج ما طاب له“ من النساء سواها مثنٰى وثلاث ورباع.

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘যদি তোমরা ভয় কর ইয়াতীমদের মধ্যে পূর্ণ ইনসাফ কায়িম করতে পারবে না’– (সূরাহ আন্‌-নিসা ৪/৩) – এ আয়াতের ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ আয়াত ঐ সমস্ত ইয়াতীম বালিকাদের সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে, যাদের অভিভাবক তাদের সম্পদের লোভে বিয়ে করে। কিন্তু তাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে এবং তাদের সম্পত্তিকে ইনসাফের সঙ্গে রক্ষণাবেক্ষণ করে না। তার জন্য সঠিক পন্থা এই যে, ঐ বালিকাদের ছাড়া মহিলাদের মধ্য থেকে তার ইচ্ছা অনুযায়ী দু’জন অথবা তিনজন অথবা চারজনকে বিয়ে করতে পারবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭২৭)

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘যদি তোমরা ভয় কর ইয়াতীমদের মধ্যে পূর্ণ ইনসাফ কায়িম করতে পারবে না’– (সূরাহ আন্‌-নিসা ৪/৩) – এ আয়াতের ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ আয়াত ঐ সমস্ত ইয়াতীম বালিকাদের সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে, যাদের অভিভাবক তাদের সম্পদের লোভে বিয়ে করে। কিন্তু তাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে এবং তাদের সম্পত্তিকে ইনসাফের সঙ্গে রক্ষণাবেক্ষণ করে না। তার জন্য সঠিক পন্থা এই যে, ঐ বালিকাদের ছাড়া মহিলাদের মধ্য থেকে তার ইচ্ছা অনুযায়ী দু’জন অথবা তিনজন অথবা চারজনকে বিয়ে করতে পারবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭২৭)

محمد أخبرنا عبدة عن هشام عن أبيه عن عائشة وإن خفتم ألا تقسطوا في اليتامٰى قالت اليتيمة تكون عند الرجل وهو وليها فيتزوجها علٰى مالها ويسيء صحبتها ولا يعدل في مالها فليتزوج ما طاب له“ من النساء سواها مثنٰى وثلاث ورباع.


সহিহ বুখারী > (আল্লাহ্‌ বলেন,), “তোমাদের জন্য দুধমাকে (বিয়ে) হারাম করা হয়েছে।” (সূরাহ আন্‌-নিসা ৪/২৩)

সহিহ বুখারী ৫০৯৯

إسماعيل قال حدثني مالك عن عبد الله بن أبي بكر عن عمرة بنت عبد الرحمٰن أن عائشة زوج النبيصلى الله عليه وسلم أخبرتها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان عندها وأنها سمعت صوت رجل يستأذن في بيت حفصة قالت فقلت يا رسول الله هٰذا رجل يستأذن في بيتك فقال النبي صلى الله عليه وسلم أراه“ فلانا لعم حفصة من الرضاعة قالت عائشة لو كان فلان حيا لعمها من الرضاعة دخل علي فقال نعم الرضاعة تحرم ما تحرم الولادة.

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সহধর্মিণী ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ঘরে বসে ছিলেন। এমন সময় শুনলেন এক ব্যক্তি হাফসাহ (রাঃ) - এর ঘরে প্রবেশ করার অনুমতি চাচ্ছেন। তিনি বলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! লোকটি আপনার ঘরে প্রবেশের অনুমতি চাচ্ছে। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন বলেন, আমি জানি, সে ব্যক্তি হাফ্‌সার দুধের সম্পর্কের চাচা। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, যদি অমুক ব্যক্তি বেঁচে থাকত সে দুধ সম্পর্কে আমার চাচা হত (তাহলে কি আমি তার সঙ্গে দেখা করতে পারতাম)? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, হাঁ, রক্ত সম্পর্কের কারণে যাদের সঙ্গে বিয়ে নিষিদ্ধ, দুধ সম্পর্কের কারণেও তাদের সঙ্গে বিয়ে নিষিদ্ধ।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭২৮)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সহধর্মিণী ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ঘরে বসে ছিলেন। এমন সময় শুনলেন এক ব্যক্তি হাফসাহ (রাঃ) - এর ঘরে প্রবেশ করার অনুমতি চাচ্ছেন। তিনি বলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! লোকটি আপনার ঘরে প্রবেশের অনুমতি চাচ্ছে। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন বলেন, আমি জানি, সে ব্যক্তি হাফ্‌সার দুধের সম্পর্কের চাচা। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, যদি অমুক ব্যক্তি বেঁচে থাকত সে দুধ সম্পর্কে আমার চাচা হত (তাহলে কি আমি তার সঙ্গে দেখা করতে পারতাম)? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, হাঁ, রক্ত সম্পর্কের কারণে যাদের সঙ্গে বিয়ে নিষিদ্ধ, দুধ সম্পর্কের কারণেও তাদের সঙ্গে বিয়ে নিষিদ্ধ।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭২৮)

إسماعيل قال حدثني مالك عن عبد الله بن أبي بكر عن عمرة بنت عبد الرحمٰن أن عائشة زوج النبيصلى الله عليه وسلم أخبرتها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان عندها وأنها سمعت صوت رجل يستأذن في بيت حفصة قالت فقلت يا رسول الله هٰذا رجل يستأذن في بيتك فقال النبي صلى الله عليه وسلم أراه“ فلانا لعم حفصة من الرضاعة قالت عائشة لو كان فلان حيا لعمها من الرضاعة دخل علي فقال نعم الرضاعة تحرم ما تحرم الولادة.


সহিহ বুখারী ৫১০০

مسدد حدثنا يحيٰى عن شعبة عن قتادة عن جابر بن زيد عن ابن عباس قال قيل للنبي صلى الله عليه وسلم ألا تتزوج ابنة حمزة قال إنها ابنة أخي من الرضاعة وقال بشر بن عمر حدثنا شعبة سمعت قتادة سمعت جابر بن زيد مثله.

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রসূলু্ল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলল, আপনি কেন হামযাহ (রাঃ) - এর মেয়েকে বিয়ে করছেন না? তিনি বললেন, সে আমার দুধ সম্পর্কের ভাইয়ের মেয়ে। বিশ্‌র ... জাবির বিন যায়দ থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭২৯)

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রসূলু্ল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলল, আপনি কেন হামযাহ (রাঃ) - এর মেয়েকে বিয়ে করছেন না? তিনি বললেন, সে আমার দুধ সম্পর্কের ভাইয়ের মেয়ে। বিশ্‌র ... জাবির বিন যায়দ থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭২৯)

مسدد حدثنا يحيٰى عن شعبة عن قتادة عن جابر بن زيد عن ابن عباس قال قيل للنبي صلى الله عليه وسلم ألا تتزوج ابنة حمزة قال إنها ابنة أخي من الرضاعة وقال بشر بن عمر حدثنا شعبة سمعت قتادة سمعت جابر بن زيد مثله.


সহিহ বুখারী ৫১০১

الحكم بن نافع أخبرنا شعيب عن الزهري قال أخبرني عروة بن الزبير أن زينب بنت أبي سلمة أخبرته“ أن أم حبيبة بنت أبي سفيان أخبرتها أنها قالت يا رسول الله انكح أختي بنت أبي سفيان فقال أوتحبين ذلك فقلت نعم لست لك بمخلية وأحب من شاركني في خير أختي فقال النبي صلى الله عليه وسلم إن ذلك لا يحل لي قلت فإنا نحدث أنك تريد أن تنكح بنت أبي سلمة قال بنت أم سلمة قلت نعم فقال لو أنها لم تكن ربيبتي في حجري ما حلت لي إنها لابنة أخي من الرضاعة أرضعتني وأبا سلمة ثويبة فلا تعرضن علي بناتكن ولا أخواتكن قال عروة وثويبة مولاة لأبي لهب كان أبو لهب أعتقها فأرضعت النبي صلى الله عليه وسلم فلما مات أبو لهب أريه“ بعض أهله„ بشر حيبة قال له“ ماذا لقيت قال أبو لهب لم ألق بعدكم غير أني سقيت في هٰذه„ بعتاقتي ثويبة

উম্মু হাবীবা বিনতে আবূ সুফ্‌ইয়ান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি আমার বোন আবূ সুফিয়ানের কন্যাকে বিয়ে করুন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি কি এটা পছন্দ কর? তিনি উত্তর করলেন, হাঁ। এখন তো আমি আপনার একক স্ত্রী নই এবং আমি চাই যে, আমার বোনও আমার সাথে উত্তম কাজে অংশীদার হোক। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উত্তর দিলেন, এটা আমার জন্য হালাল নয়। আমি বললাম, আমরা শুনতে পেলাম, আপনি নাকি আবূ সালামার মেয়েকে বিয়ে করতে চান। তিনি বললেন, তুমি বলতে চাচ্ছ যে, আমি উম্মু সালামার মেয়েকে বিয়ে করতে চাই। আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, যদি সে আমার প্রতিপালিতা কন্যা না হত, তাহলেও তাকে বিয়ে করা হালাল হত না। কেননা, সে দুধ সম্পর্কের দিক দিয়ে আমার ভাতিজী। কেননা, আমাকে এবং আবূ সালামাকে সুওয়াইবা দুধ পান করিয়েছে। সুতরাং, তোমরা তোমাদের কন্যা ও বোনদেরকে বিয়ের জন্য পেশ করো না। ‘উরওয়া (রাঃ) বর্ণনা করেন, সুওয়াইবা ছিল আবূ লাহাবের দাসী এবং সে তাকে আযাদ করে দিয়েছিল। এরপর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে দুধ পান করায়। আবূ লাহাব যখন মারা গেল, তার একজন আত্মীয় তাকে স্বপ্নে দেখল যে, সে ভীষণ কষ্টের মধ্যে নিপতিত আছে। তাকে জিজ্ঞেস করল, তোমার সঙ্গে কেমন ব্যবহার করা হয়েছে। আবূ লাহাব বলল, যখন থেকে তোমাদের হতে দূরে আছি, তখন থেকেই ভীষণ কষ্টে আছি। কিন্তু সুওয়াইবাকে আযাদ করার কারণে কিছু পানি পান করতে পারছি। [৫১০৬, ৫১০৭, ৫১২৩, ৫৩৭২; মুসলিম ১৭/৪, হাঃ ১৪৪৯, আহমাদ ২৭৪৮২](আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৩০)

উম্মু হাবীবা বিনতে আবূ সুফ্‌ইয়ান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি আমার বোন আবূ সুফিয়ানের কন্যাকে বিয়ে করুন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি কি এটা পছন্দ কর? তিনি উত্তর করলেন, হাঁ। এখন তো আমি আপনার একক স্ত্রী নই এবং আমি চাই যে, আমার বোনও আমার সাথে উত্তম কাজে অংশীদার হোক। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উত্তর দিলেন, এটা আমার জন্য হালাল নয়। আমি বললাম, আমরা শুনতে পেলাম, আপনি নাকি আবূ সালামার মেয়েকে বিয়ে করতে চান। তিনি বললেন, তুমি বলতে চাচ্ছ যে, আমি উম্মু সালামার মেয়েকে বিয়ে করতে চাই। আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, যদি সে আমার প্রতিপালিতা কন্যা না হত, তাহলেও তাকে বিয়ে করা হালাল হত না। কেননা, সে দুধ সম্পর্কের দিক দিয়ে আমার ভাতিজী। কেননা, আমাকে এবং আবূ সালামাকে সুওয়াইবা দুধ পান করিয়েছে। সুতরাং, তোমরা তোমাদের কন্যা ও বোনদেরকে বিয়ের জন্য পেশ করো না। ‘উরওয়া (রাঃ) বর্ণনা করেন, সুওয়াইবা ছিল আবূ লাহাবের দাসী এবং সে তাকে আযাদ করে দিয়েছিল। এরপর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে দুধ পান করায়। আবূ লাহাব যখন মারা গেল, তার একজন আত্মীয় তাকে স্বপ্নে দেখল যে, সে ভীষণ কষ্টের মধ্যে নিপতিত আছে। তাকে জিজ্ঞেস করল, তোমার সঙ্গে কেমন ব্যবহার করা হয়েছে। আবূ লাহাব বলল, যখন থেকে তোমাদের হতে দূরে আছি, তখন থেকেই ভীষণ কষ্টে আছি। কিন্তু সুওয়াইবাকে আযাদ করার কারণে কিছু পানি পান করতে পারছি। [৫১০৬, ৫১০৭, ৫১২৩, ৫৩৭২; মুসলিম ১৭/৪, হাঃ ১৪৪৯, আহমাদ ২৭৪৮২](আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৩০)

الحكم بن نافع أخبرنا شعيب عن الزهري قال أخبرني عروة بن الزبير أن زينب بنت أبي سلمة أخبرته“ أن أم حبيبة بنت أبي سفيان أخبرتها أنها قالت يا رسول الله انكح أختي بنت أبي سفيان فقال أوتحبين ذلك فقلت نعم لست لك بمخلية وأحب من شاركني في خير أختي فقال النبي صلى الله عليه وسلم إن ذلك لا يحل لي قلت فإنا نحدث أنك تريد أن تنكح بنت أبي سلمة قال بنت أم سلمة قلت نعم فقال لو أنها لم تكن ربيبتي في حجري ما حلت لي إنها لابنة أخي من الرضاعة أرضعتني وأبا سلمة ثويبة فلا تعرضن علي بناتكن ولا أخواتكن قال عروة وثويبة مولاة لأبي لهب كان أبو لهب أعتقها فأرضعت النبي صلى الله عليه وسلم فلما مات أبو لهب أريه“ بعض أهله„ بشر حيبة قال له“ ماذا لقيت قال أبو لهب لم ألق بعدكم غير أني سقيت في هٰذه„ بعتاقتي ثويبة


সহিহ বুখারী > যারা বলে দু’বছরের পরে দুধপান করালে দুধের সম্পর্ক স্থাপন হবে না।

সহিহ বুখারী ৫১০২

حدثنا أبو الوليد، حدثنا شعبة، عن الأشعث، عن أبيه، عن مسروق، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل عليها وعندها رجل، فكأنه تغير وجهه، كأنه كره ذلك فقالت إنه أخي‏.‏ فقال ‏ "‏ انظرن ما إخوانكن، فإنما الرضاعة من المجاعة ‏"‏‏.‏

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কাছে এলেন। সে সময় এক লোক তার কাছে বসা ছিল। এরপর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর চেহারায় ক্রোধের ভাব প্রকাশ পেল, যেন তিনি এ ব্যাপারে অসন্তুষ্ট হয়েছেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, এ আমার ভাই। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যাচাই করে দেখ, তোমাদের ভাই কারা? কেননা দুধের সম্পর্ক কেবল তখনই কার্যকরী হবে যখন দুধই হল শিশুর প্রধান খাদ্য। [১২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৩১)

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কাছে এলেন। সে সময় এক লোক তার কাছে বসা ছিল। এরপর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর চেহারায় ক্রোধের ভাব প্রকাশ পেল, যেন তিনি এ ব্যাপারে অসন্তুষ্ট হয়েছেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, এ আমার ভাই। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যাচাই করে দেখ, তোমাদের ভাই কারা? কেননা দুধের সম্পর্ক কেবল তখনই কার্যকরী হবে যখন দুধই হল শিশুর প্রধান খাদ্য। [১২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৩১)

حدثنا أبو الوليد، حدثنا شعبة، عن الأشعث، عن أبيه، عن مسروق، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل عليها وعندها رجل، فكأنه تغير وجهه، كأنه كره ذلك فقالت إنه أخي‏.‏ فقال ‏ "‏ انظرن ما إخوانكن، فإنما الرضاعة من المجاعة ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > দুগ্ধ পানকারী হল দুগ্ধদাত্রীর স্বামীর দুগ্ধ-সন্তান।

সহিহ বুখারী ৫১০৩

عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن ابن شهاب عن عروة بن الزبير عن عائشة أن أفلح أخا أبي القعيس جاء يستأذن عليها وهو عمها من الرضاعة بعد أن نزل الحجاب فأبيت أن آذن له“ فلما جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم أخبرته“ بالذي صنعت فأمرني أن آذن له.

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, পর্দার আয়াত অবতীর্ণ হবার পর তাঁর [‘আয়িশার (রাঃ)] দুধ সম্পর্কীয় চাচা আবূল কু’আয়াসের ভাই ‘আফলাহ্‌’ তাঁর ঘরে প্রবেশের অনুমতি চাইল। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানালাম। এরপর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এলেন। আমি যা করেছি, সে সম্পর্কে তাঁকে জানালাম। তিনি তাকে ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দিতে আমাকে নির্দেশ দিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৩২)

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, পর্দার আয়াত অবতীর্ণ হবার পর তাঁর [‘আয়িশার (রাঃ)] দুধ সম্পর্কীয় চাচা আবূল কু’আয়াসের ভাই ‘আফলাহ্‌’ তাঁর ঘরে প্রবেশের অনুমতি চাইল। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানালাম। এরপর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এলেন। আমি যা করেছি, সে সম্পর্কে তাঁকে জানালাম। তিনি তাকে ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দিতে আমাকে নির্দেশ দিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৩২)

عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن ابن شهاب عن عروة بن الزبير عن عائشة أن أفلح أخا أبي القعيس جاء يستأذن عليها وهو عمها من الرضاعة بعد أن نزل الحجاب فأبيت أن آذن له“ فلما جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم أخبرته“ بالذي صنعت فأمرني أن آذن له.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00