সহিহ বুখারী > সুস্পষ্ট ও ধীরে কুরআন তিলাওয়াত করা।

সহিহ বুখারী ৫০৪৩

أبو النعمان حدثنا مهدي بن ميمون حدثنا واصل عن أبي وائل عن عبد الله قال غدونا على عبد الله فقال رجل قرأت المفصل البارحة فقال هذا كهذ الشعر إنا قد سمعنا القراءة وإني لأحفظ القرناء التي كان يقرأ بهن النبي صلى الله عليه وسلم ثماني عشرة سورة من المفصل وسورتين من آل حم

আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) সূত্রে ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) বলেন, আমরা একদিন সকালে ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ)- এর কাছে গেলাম। একজন লোক বলল, গতকাল রাতে আমি মুফাস্‌সাল সূরাসমূহ পাঠ করেছি। এ কথা শুনে ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, এত শীঘ্র পাঠ করা যেন কবিতা পাঠের মতো; অথচ আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর পাঠ শুনেছি এবং তা আমার ভালভাবে মনে আছে। নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে যে সমস্ত সুরাহ পাঠ করতে আমি শুনেছি, তার সংখ্যা মুফাস্‌সাল হতে আঠারটি এবং ‘আলিফ-লাম হামিম’ হতে দু’টি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৭০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৭৪)

আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) সূত্রে ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) বলেন, আমরা একদিন সকালে ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ)- এর কাছে গেলাম। একজন লোক বলল, গতকাল রাতে আমি মুফাস্‌সাল সূরাসমূহ পাঠ করেছি। এ কথা শুনে ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, এত শীঘ্র পাঠ করা যেন কবিতা পাঠের মতো; অথচ আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর পাঠ শুনেছি এবং তা আমার ভালভাবে মনে আছে। নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে যে সমস্ত সুরাহ পাঠ করতে আমি শুনেছি, তার সংখ্যা মুফাস্‌সাল হতে আঠারটি এবং ‘আলিফ-লাম হামিম’ হতে দু’টি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৭০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৭৪)

أبو النعمان حدثنا مهدي بن ميمون حدثنا واصل عن أبي وائل عن عبد الله قال غدونا على عبد الله فقال رجل قرأت المفصل البارحة فقال هذا كهذ الشعر إنا قد سمعنا القراءة وإني لأحفظ القرناء التي كان يقرأ بهن النبي صلى الله عليه وسلم ثماني عشرة سورة من المفصل وسورتين من آل حم


সহিহ বুখারী ৫০৪৪

قتيبة بن سعيد حدثنا جرير عن موسى بن أبي عائشة عن سعيد بن جبير عن ابن عباس في قوله {لا تحرك بهٰ لسانك لتعجل بهٰ} قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا نزل جبريل بالوحي وكان مما يحرك به لسانه وشفتيه فيشتد عليه وكان يعرف منه فأنزل الله الآية التي في {لا أقسم بيوم القيامة}{لا تحرك بهٰ لسانك لتعجل بهٰإن علينا جمعه فإن علينا أن نجمعه في صدرك وقرآنه فإذا قرأناه فاتبع قرآنه فإذا أنزلناه فاستمع ثم إن علينا بيانه} قال إن علينا أن نبينه بلسانك قال وكان إذا أتاه جبريل أطرق فإذا ذهب قرأه كما وعده الله.

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র বাণীঃ “হে নবী! আপনার জিহবাকে তাড়াতাড়ি মুখস্থ করার জন্য নাড়াবেন না।” আল্লাহ্‌র এই কালাম সম্পর্কে তিনি বলেন, যখনই জিব্‌রীল (আঃ) ওয়াহী নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট আসতেন, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুব তাড়াতাড়ি জিহবা এবং ঠোঁট নাড়াতেন এবং এটা তার জন্য খুব কঠিন হত। আর এ অবস্থা সহজেই অন্যজনে আঁচ করতে পারত। এ অবস্থার প্রেক্ষাপটে আল্লাহ্ তা’আলা সূরা ক্বিয়ামাহ এর এ আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “হে নবী! তাড়াতাড়ি ওয়াহী মুখস্থ করার জন্য আপনি আপনার জিহবা নাড়াবেন না। এ মুখস্থ করিয়ে দেয়া ও পাঠ করিয়ে দেয়ার দায়িত্ব আমারই। যখন আমি তা পাঠ করতে থাকি, তখন আপনি সে পাঠকে মনোযোগ সহকারে শুনতে থাকুন। পরে এর অর্থ বুঝিয়ে দেয়াও আমার দায়িত্ব।” সুতরাং যখন জিব্‌রীল (আঃ) পাঠ করেন আপনি তার অনুসরণ করুন। এরপর থেকে জিবরীল (আঃ) বলে যেতেন তখন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চুপ থাকতেন। যখন তিনি চলে যেতেন, আল্লাহ্‌র ওয়াদা অনুযায়ী তিনি তা পাঠ করতেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৭১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৭৭৫)

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র বাণীঃ “হে নবী! আপনার জিহবাকে তাড়াতাড়ি মুখস্থ করার জন্য নাড়াবেন না।” আল্লাহ্‌র এই কালাম সম্পর্কে তিনি বলেন, যখনই জিব্‌রীল (আঃ) ওয়াহী নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট আসতেন, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুব তাড়াতাড়ি জিহবা এবং ঠোঁট নাড়াতেন এবং এটা তার জন্য খুব কঠিন হত। আর এ অবস্থা সহজেই অন্যজনে আঁচ করতে পারত। এ অবস্থার প্রেক্ষাপটে আল্লাহ্ তা’আলা সূরা ক্বিয়ামাহ এর এ আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “হে নবী! তাড়াতাড়ি ওয়াহী মুখস্থ করার জন্য আপনি আপনার জিহবা নাড়াবেন না। এ মুখস্থ করিয়ে দেয়া ও পাঠ করিয়ে দেয়ার দায়িত্ব আমারই। যখন আমি তা পাঠ করতে থাকি, তখন আপনি সে পাঠকে মনোযোগ সহকারে শুনতে থাকুন। পরে এর অর্থ বুঝিয়ে দেয়াও আমার দায়িত্ব।” সুতরাং যখন জিব্‌রীল (আঃ) পাঠ করেন আপনি তার অনুসরণ করুন। এরপর থেকে জিবরীল (আঃ) বলে যেতেন তখন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চুপ থাকতেন। যখন তিনি চলে যেতেন, আল্লাহ্‌র ওয়াদা অনুযায়ী তিনি তা পাঠ করতেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৭১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৭৭৫)

قتيبة بن سعيد حدثنا جرير عن موسى بن أبي عائشة عن سعيد بن جبير عن ابن عباس في قوله {لا تحرك بهٰ لسانك لتعجل بهٰ} قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا نزل جبريل بالوحي وكان مما يحرك به لسانه وشفتيه فيشتد عليه وكان يعرف منه فأنزل الله الآية التي في {لا أقسم بيوم القيامة}{لا تحرك بهٰ لسانك لتعجل بهٰإن علينا جمعه فإن علينا أن نجمعه في صدرك وقرآنه فإذا قرأناه فاتبع قرآنه فإذا أنزلناه فاستمع ثم إن علينا بيانه} قال إن علينا أن نبينه بلسانك قال وكان إذا أتاه جبريل أطرق فإذا ذهب قرأه كما وعده الله.


সহিহ বুখারী > ‘মাদ’ সহকারে কিরাআত।

সহিহ বুখারী ৫০৪৫

مسلم بن إبراهيم حدثنا جرير بن حازم الأزدي حدثنا قتادة قال سألت أنس بن مالك عن قراءة النبي صلى الله عليه وسلم فقال كان يمد مدا.

ক্বাতাদাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ)- কে নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ‘কিরাআত’ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (কোন কোন ক্ষেত্রে শব্দকে) দীর্ঘায়িত করে পাঠ করতেন।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৭২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৭৬)

ক্বাতাদাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ)- কে নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ‘কিরাআত’ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (কোন কোন ক্ষেত্রে শব্দকে) দীর্ঘায়িত করে পাঠ করতেন।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৭২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৭৬)

مسلم بن إبراهيم حدثنا جرير بن حازم الأزدي حدثنا قتادة قال سألت أنس بن مالك عن قراءة النبي صلى الله عليه وسلم فقال كان يمد مدا.


সহিহ বুখারী ৫০৪৬

عمرو بن عاصم حدثنا همام عن قتادة قال سئل أنس كيف كانت قراءة النبي صلى الله عليه وسلم فقال كانت مدا ثم قرأ بسم الله الرحمٰن الرحيم يمد ببسم الله ويمد بالرحمن ويمد بالرحيم.

ক্বাতাদাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আনাস (রাঃ)- কে নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)– এর ‘কিরাআত’ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো যে, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর ‘কিরাআত’ কেমন ছিল? উত্তরে তিনি বললেন, কোন কোন ক্ষেত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দীর্ঘ করতেন। এরপর তিনি ‘বিস্‌মিল্লা-হির রহমা-নির রহীম’ তিলাওয়াত করে শোনালেন এবং তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘বিসমিল্লাহ্’ ‘আর রহমান’, ‘আর রহীম’ পড়ার সময় দীর্ঘায়িত করতেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৭৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৭৭)

ক্বাতাদাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আনাস (রাঃ)- কে নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)– এর ‘কিরাআত’ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো যে, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর ‘কিরাআত’ কেমন ছিল? উত্তরে তিনি বললেন, কোন কোন ক্ষেত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দীর্ঘ করতেন। এরপর তিনি ‘বিস্‌মিল্লা-হির রহমা-নির রহীম’ তিলাওয়াত করে শোনালেন এবং তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘বিসমিল্লাহ্’ ‘আর রহমান’, ‘আর রহীম’ পড়ার সময় দীর্ঘায়িত করতেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৭৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৭৭)

عمرو بن عاصم حدثنا همام عن قتادة قال سئل أنس كيف كانت قراءة النبي صلى الله عليه وسلم فقال كانت مدا ثم قرأ بسم الله الرحمٰن الرحيم يمد ببسم الله ويمد بالرحمن ويمد بالرحيم.


সহিহ বুখারী > আত্‌তারজী’ (ছন্দময় সুমধুর সুরে পাঠ করা)

সহিহ বুখারী ৫০৪৭

آدم بن أبي إياس حدثنا شعبة حدثنا أبو إياس قال سمعت عبد الله بن مغفل قال رأيت النبي صلى الله عليه وسلم يقرأ وهو على ناقته أو جمله وهي تسير به وهو يقرأ سورة الفتح أو من سورة الفتح قراءة لينة يقرأ وهو يرجع.

‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু মুগাফ্‌ফাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উষ্ট্রির পিঠে অথবা উটের পিঠে আরোহিত অবস্থায় যখন উষ্ট্রটি চলছিল, তখন আমি তিলাওয়াত করতে দেখেছি। তিনি ‘সূরা ফাত্‌হ’ বা ‘সূরা ফাত্‌হ’র অংশ বিশেষ অত্যন্ত নরম এবং মধুর ছন্দোময় সুরে পাঠ করছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৭৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৭৮)

‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু মুগাফ্‌ফাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উষ্ট্রির পিঠে অথবা উটের পিঠে আরোহিত অবস্থায় যখন উষ্ট্রটি চলছিল, তখন আমি তিলাওয়াত করতে দেখেছি। তিনি ‘সূরা ফাত্‌হ’ বা ‘সূরা ফাত্‌হ’র অংশ বিশেষ অত্যন্ত নরম এবং মধুর ছন্দোময় সুরে পাঠ করছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৭৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৭৮)

آدم بن أبي إياس حدثنا شعبة حدثنا أبو إياس قال سمعت عبد الله بن مغفل قال رأيت النبي صلى الله عليه وسلم يقرأ وهو على ناقته أو جمله وهي تسير به وهو يقرأ سورة الفتح أو من سورة الفتح قراءة لينة يقرأ وهو يرجع.


সহিহ বুখারী > মধুর কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াত করা।

সহিহ বুখারী ৫০৪৮

محمد بن خلف أبو بكر حدثنا أبو يحيى الحماني حدثنا بريد بن عبد الله بن أبي بردة عن جده أبي بردة عن أبي موسى عن النبي صلى الله عليه وسلم قال له يا أبا موسى لقد أوتيت مزمارا من مزامير آل داود.

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে লক্ষ্য করে বললেন, হে আবূ মূসা! তোমাকে দাঊদ (আঃ)- এর সুমধুর কণ্ঠ দান করা হয়েছে।[মুসলিম ৬/৩৪, হাঃ ৭৯৩, আহমাদ ২৩০৩০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৭৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৭৯)

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে লক্ষ্য করে বললেন, হে আবূ মূসা! তোমাকে দাঊদ (আঃ)- এর সুমধুর কণ্ঠ দান করা হয়েছে।[মুসলিম ৬/৩৪, হাঃ ৭৯৩, আহমাদ ২৩০৩০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৭৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৭৯)

محمد بن خلف أبو بكر حدثنا أبو يحيى الحماني حدثنا بريد بن عبد الله بن أبي بردة عن جده أبي بردة عن أبي موسى عن النبي صلى الله عليه وسلم قال له يا أبا موسى لقد أوتيت مزمارا من مزامير آل داود.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00