সহিহ বুখারী > মুখস্থ কুরআন পাঠ করা।

সহিহ বুখারী ৫০৩০

قتيبة بن سعيد حدثنا يعقوب بن عبد الرحمن عن أبي حازم عن سهل بن سعد أن امرأة جاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله جئت لأهب لك نفسي فنظر إليها رسول الله صلى الله عليه وسلم فصعد النظر إليها وصوبه ثم طأطأ رأسه فلما رأت المرأة أنه لم يقض فيها شيئا جلست فقام رجل من أصحابه فقال يا رسول الله إن لم يكن لك بها حاجة فزوجنيها فقال هل عندك من شيء فقال لا والله يا رسول الله قال اذهب إلى أهلك فانظر هل تجد شيئا فذهب ثم رجع فقال لا والله يا رسول الله ما وجدت شيئا قال انظر ولو خاتما من حديد فذهب ثم رجع فقال لا والله يا رسول الله ولا خاتما من حديد ولكن هذا إزاري قال سهل ما له رداء فلها نصفه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما تصنع بإزارك إن لبسته لم يكن عليها منه شيء وإن لبسته لم يكن عليك شيء فجلس الرجل حتى طال مجلسه ثم قام فرآه رسول الله صلى الله عليه وسلم موليا فأمر به فدعي فلما جاء قال ماذا معك من القرآن قال معي سورة كذا وسورة كذا وسورة كذا عدها قال أتقرؤهن عن ظهر قلبك قال نعم قال اذهب فقد ملكتكها بما معك من القرآن.

সাহল ইব্‌নু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা এক মহিলা রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমি আমার জীবনকে আপনার জন্য দান করতে এসেছি। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার দিকে তাকিয়ে তার আপাদমস্তক লক্ষ্য করে মাথা নিচু করলেন। মহিলাটি যখন দেখল যে নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন ফয়সালা দিচ্ছেন না তখন সে বসে পড়ল। এমন সময় রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সহাবীদের একজন বলল, যদি আপনার কোন প্রয়োজন না থাকে, তবে ঐ মহিলাটির সঙ্গে আমার শাদী দিয়ে দিন। তিনি বললেন, তোমার কাছে কি কিছু আছে? সে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আল্লাহ্‌র কসম কিছুই নেই। তিনি বললেন, তুমি তোমার পরিজনের কাছে ফিরে যাও এবং দেখ কিছু পাও কি-না! এরপর লোকটি চলে গেল এবং ফিরে এসে বলল, আল্লাহ্‌র কসম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমি কিছুই পেলাম না। নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, দেখ একটি লোহার আংটি হলেও! তারপর সে চলে গেল এবং ফিরে এসে বলল, আল্লাহ্‌র কসম, একটি লোহার আংটিও পেলাম না; কিন্তু এই যে আমার তহবন্দ আছে। সাহ্‌ল (রাঃ) বলেন, তার কোন চাদর ছিল না। অথচ লোকটি বলল, আমার তহবন্দের অর্ধেক দিতে পারি। এ কথা শুনে রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এ তহবন্দ দিয়ে কী হবে? যদি তুমি পরিধান কর, তাহলে মহিলাটির কোন আবরণ থাকবে না। আর যদি সে পরিধান করে, তোমার কোন আবরন থাকবে না। লোকটি বসে পড়লো, অনেকক্ষণ সে বসে থাকল। এরপর সে উঠে দাঁড়াল। রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ফিরে যেতে দেখে তাকে ডেকে আনলেন। যখন সে ফিরে আসল, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমার কুরআনের কতটুকু মুখস্থ আছে? সে উত্তরে বলল, অমুক অমুক সূরা মুখস্থ আছে। সে এমনিভাবে একে একে উল্লেখ করতে থাকল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি এ সকল সূরা মুখস্থ তিলাওয়াত করতে পার? সে উত্তর করল, হাঁ! তখন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যাও তুমি যে পরিমাণ কুরআন মুখস্ত রেখেছ, তার বিনিময়ে এ মহিলাটির তোমার সঙ্গে বিবাহ দিলাম। [২৩১০; মুসলিম ১৬/১২, হাঃ ১৪২৫, আহমাদ ২২৯১৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৫৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৬০)

সাহল ইব্‌নু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা এক মহিলা রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমি আমার জীবনকে আপনার জন্য দান করতে এসেছি। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার দিকে তাকিয়ে তার আপাদমস্তক লক্ষ্য করে মাথা নিচু করলেন। মহিলাটি যখন দেখল যে নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন ফয়সালা দিচ্ছেন না তখন সে বসে পড়ল। এমন সময় রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সহাবীদের একজন বলল, যদি আপনার কোন প্রয়োজন না থাকে, তবে ঐ মহিলাটির সঙ্গে আমার শাদী দিয়ে দিন। তিনি বললেন, তোমার কাছে কি কিছু আছে? সে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আল্লাহ্‌র কসম কিছুই নেই। তিনি বললেন, তুমি তোমার পরিজনের কাছে ফিরে যাও এবং দেখ কিছু পাও কি-না! এরপর লোকটি চলে গেল এবং ফিরে এসে বলল, আল্লাহ্‌র কসম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমি কিছুই পেলাম না। নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, দেখ একটি লোহার আংটি হলেও! তারপর সে চলে গেল এবং ফিরে এসে বলল, আল্লাহ্‌র কসম, একটি লোহার আংটিও পেলাম না; কিন্তু এই যে আমার তহবন্দ আছে। সাহ্‌ল (রাঃ) বলেন, তার কোন চাদর ছিল না। অথচ লোকটি বলল, আমার তহবন্দের অর্ধেক দিতে পারি। এ কথা শুনে রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এ তহবন্দ দিয়ে কী হবে? যদি তুমি পরিধান কর, তাহলে মহিলাটির কোন আবরণ থাকবে না। আর যদি সে পরিধান করে, তোমার কোন আবরন থাকবে না। লোকটি বসে পড়লো, অনেকক্ষণ সে বসে থাকল। এরপর সে উঠে দাঁড়াল। রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ফিরে যেতে দেখে তাকে ডেকে আনলেন। যখন সে ফিরে আসল, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমার কুরআনের কতটুকু মুখস্থ আছে? সে উত্তরে বলল, অমুক অমুক সূরা মুখস্থ আছে। সে এমনিভাবে একে একে উল্লেখ করতে থাকল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি এ সকল সূরা মুখস্থ তিলাওয়াত করতে পার? সে উত্তর করল, হাঁ! তখন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যাও তুমি যে পরিমাণ কুরআন মুখস্ত রেখেছ, তার বিনিময়ে এ মহিলাটির তোমার সঙ্গে বিবাহ দিলাম। [২৩১০; মুসলিম ১৬/১২, হাঃ ১৪২৫, আহমাদ ২২৯১৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৫৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৬০)

قتيبة بن سعيد حدثنا يعقوب بن عبد الرحمن عن أبي حازم عن سهل بن سعد أن امرأة جاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله جئت لأهب لك نفسي فنظر إليها رسول الله صلى الله عليه وسلم فصعد النظر إليها وصوبه ثم طأطأ رأسه فلما رأت المرأة أنه لم يقض فيها شيئا جلست فقام رجل من أصحابه فقال يا رسول الله إن لم يكن لك بها حاجة فزوجنيها فقال هل عندك من شيء فقال لا والله يا رسول الله قال اذهب إلى أهلك فانظر هل تجد شيئا فذهب ثم رجع فقال لا والله يا رسول الله ما وجدت شيئا قال انظر ولو خاتما من حديد فذهب ثم رجع فقال لا والله يا رسول الله ولا خاتما من حديد ولكن هذا إزاري قال سهل ما له رداء فلها نصفه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما تصنع بإزارك إن لبسته لم يكن عليها منه شيء وإن لبسته لم يكن عليك شيء فجلس الرجل حتى طال مجلسه ثم قام فرآه رسول الله صلى الله عليه وسلم موليا فأمر به فدعي فلما جاء قال ماذا معك من القرآن قال معي سورة كذا وسورة كذا وسورة كذا عدها قال أتقرؤهن عن ظهر قلبك قال نعم قال اذهب فقد ملكتكها بما معك من القرآن.


সহিহ বুখারী > কুরআন মাজীদ বারবার তিলাওয়াত করা ও স্মরণ রাখা।

সহিহ বুখারী ৫০৩৩

محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة عن بريد عن أبي بردة عن أبي موسى عن النبي صلى الله عليه وسلم قال تعاهدوا القرآن فوالذي نفسي بيده لهو أشد تفصيا من الإبل في عقلها.

আবূ মুসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমরা কুরআনের প্রতি লক্ষ্য রাখবে। আল্লাহ্‌র কসম! যাঁর হাতে আমার জীবন! কুরআন বাঁধন ছাড়া উটের চেয়েও দ্রুত গতিতে দৌড়ে যায়।[মুসলিম ৬/৩৩, হাঃ ৭৯১, আহমাদ ১৯৫৬৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৫৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৬৩)

আবূ মুসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমরা কুরআনের প্রতি লক্ষ্য রাখবে। আল্লাহ্‌র কসম! যাঁর হাতে আমার জীবন! কুরআন বাঁধন ছাড়া উটের চেয়েও দ্রুত গতিতে দৌড়ে যায়।[মুসলিম ৬/৩৩, হাঃ ৭৯১, আহমাদ ১৯৫৬৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৫৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৬৩)

محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة عن بريد عن أبي بردة عن أبي موسى عن النبي صلى الله عليه وسلم قال تعاهدوا القرآن فوالذي نفسي بيده لهو أشد تفصيا من الإبل في عقلها.


সহিহ বুখারী ৫০৩২

محمد بن عرعرة حدثنا شعبة عن منصور عن أبي وائل عن عبد الله قال قال النبي صلى الله عليه وسلم بئس ما لأحدهم أن يقول نسيت آية كيت وكيت بل نسي واستذكروا القرآن فإنه أشد تفصيا من صدور الرجال من النعم حدثنا عثمان حدثنا جرير عن منصور مثله تابعه بشر عن ابن المبارك عن شعبة وتابعه ابن جريج عن عبدة عن شقيق سمعت عبد الله سمعت النبي صلى الله عليه وسلم

‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, এটা খুবই খারাপ কথা যে, তোমাদের মধ্যে কেউ বলবে, আমি কুরআনের অমুক অমুক আয়াত ভুলে গেছি; বরং তাকে ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে। সুতরাং তোমরা কুরআন তিলাওয়াত করতে থাক কেননা, তা মানুষের অন্তর থেকে উটের চেয়েও দ্রুত গতিতে চলে যায়। [৫০৩৯; মুসলিম ৬/৩৩, হাঃ ৭৯০, আহমাদ ৩৬২০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৫৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৬২)

‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, এটা খুবই খারাপ কথা যে, তোমাদের মধ্যে কেউ বলবে, আমি কুরআনের অমুক অমুক আয়াত ভুলে গেছি; বরং তাকে ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে। সুতরাং তোমরা কুরআন তিলাওয়াত করতে থাক কেননা, তা মানুষের অন্তর থেকে উটের চেয়েও দ্রুত গতিতে চলে যায়। [৫০৩৯; মুসলিম ৬/৩৩, হাঃ ৭৯০, আহমাদ ৩৬২০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৫৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৬২)

محمد بن عرعرة حدثنا شعبة عن منصور عن أبي وائل عن عبد الله قال قال النبي صلى الله عليه وسلم بئس ما لأحدهم أن يقول نسيت آية كيت وكيت بل نسي واستذكروا القرآن فإنه أشد تفصيا من صدور الرجال من النعم حدثنا عثمان حدثنا جرير عن منصور مثله تابعه بشر عن ابن المبارك عن شعبة وتابعه ابن جريج عن عبدة عن شقيق سمعت عبد الله سمعت النبي صلى الله عليه وسلم


সহিহ বুখারী ৫০৩১

عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن نافع عن ابن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إنما مثل صاحب القرآن كمثل صاحب الإبل المعقلة إن عاهد عليها أمسكها وإن أطلقها ذهبت.

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি অন্তরে কুরআন গেঁথে (মুখস্ত) রাখে তার দৃষ্টান্ত হচ্ছে ঐ মালিকের ন্যায়, যে উট বেঁধে রাখে। যদি সে উট বেঁধে রাখে, তবে সে উট তার নিয়ন্ত্রণে থাকে, কিন্তু সে বাঁধন খুলে দেয়, তবে তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।[মুসলিম ৬/৩৩, হাঃ ৭৮৯, আহমাদ ৪৬৬৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৫৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৬১)

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি অন্তরে কুরআন গেঁথে (মুখস্ত) রাখে তার দৃষ্টান্ত হচ্ছে ঐ মালিকের ন্যায়, যে উট বেঁধে রাখে। যদি সে উট বেঁধে রাখে, তবে সে উট তার নিয়ন্ত্রণে থাকে, কিন্তু সে বাঁধন খুলে দেয়, তবে তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।[মুসলিম ৬/৩৩, হাঃ ৭৮৯, আহমাদ ৪৬৬৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৫৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৬১)

عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن نافع عن ابن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إنما مثل صاحب القرآن كمثل صاحب الإبل المعقلة إن عاهد عليها أمسكها وإن أطلقها ذهبت.


সহিহ বুখারী > জন্তুর পিঠে বসে কুরআন পাঠ করা।

সহিহ বুখারী ৫০৩৪

حجاج بن منهال حدثنا شعبة قال أخبرني أبو إياس قال سمعت عبد الله بن مغفل قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم فتح مكة وهو يقرأ على راحلته سورة الفتح.

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু মুগাফফাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মাক্কাহ বিজয়ের দিন আমি রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে (উটের পিঠে) আরোহন অবস্থায় ‘সুরাহ আল্‌ ফাত্‌হ’ তিলাওয়াত করতে দেখেছি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৬০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৬৪)

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু মুগাফফাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মাক্কাহ বিজয়ের দিন আমি রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে (উটের পিঠে) আরোহন অবস্থায় ‘সুরাহ আল্‌ ফাত্‌হ’ তিলাওয়াত করতে দেখেছি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৬০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৬৪)

حجاج بن منهال حدثنا شعبة قال أخبرني أبو إياس قال سمعت عبد الله بن مغفل قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم فتح مكة وهو يقرأ على راحلته سورة الفتح.


সহিহ বুখারী > শিশুদের কুরআন শিক্ষাদান।

সহিহ বুখারী ৫০৩৬

يعقوب بن إبراهيم حدثنا هشيم أخبرنا أبو بشر عن سعيد بن جبير عن ابن عباس جمعت المحكم في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت له وما المحكم قال المفصل.

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘মুহকাম সূরাসমূহ আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)– এর জীবদ্দশায় মুখস্থ করেছিলাম। রাবী সা‘ঈদ (রহঃ) বলেন, আমি তাঁকে প্রশ্ন করলাম, ‘মুহকাম’ অর্থ কী? তিনি বললেন, মুফাস্‌সাল।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৬২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৬৬)

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘মুহকাম সূরাসমূহ আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)– এর জীবদ্দশায় মুখস্থ করেছিলাম। রাবী সা‘ঈদ (রহঃ) বলেন, আমি তাঁকে প্রশ্ন করলাম, ‘মুহকাম’ অর্থ কী? তিনি বললেন, মুফাস্‌সাল।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৬২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৬৬)

يعقوب بن إبراهيم حدثنا هشيم أخبرنا أبو بشر عن سعيد بن جبير عن ابن عباس جمعت المحكم في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت له وما المحكم قال المفصل.


সহিহ বুখারী ৫০৩৫

موسى بن إسماعيل حدثنا أبو عوانة عن أبي بشر عن سعيد بن جبير قال إن الذي تدعونه المفصل هو المحكم قال وقال ابن عباس توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا ابن عشر سنين وقد قرأت المحكم.

সা‘ঈদ ইব্‌নু যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে সকল সূরাকে তোমরা মুফাস্‌সাল [১৬০] বলো, তা হচ্ছে মুহ্‌কাম।[১৬১] রাবী বলেন, ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, যখন আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইন্তিকাল করেন, তখন আমার বয়স দশ বছর এবং আমি ঐ বয়সেই মুহ্‌কাম আয়াতসমূহ শিখে নিয়েছিলাম।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৬১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৬৫)

সা‘ঈদ ইব্‌নু যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে সকল সূরাকে তোমরা মুফাস্‌সাল [১৬০] বলো, তা হচ্ছে মুহ্‌কাম।[১৬১] রাবী বলেন, ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, যখন আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইন্তিকাল করেন, তখন আমার বয়স দশ বছর এবং আমি ঐ বয়সেই মুহ্‌কাম আয়াতসমূহ শিখে নিয়েছিলাম।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৬১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৬৫)

موسى بن إسماعيل حدثنا أبو عوانة عن أبي بشر عن سعيد بن جبير قال إن الذي تدعونه المفصل هو المحكم قال وقال ابن عباس توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا ابن عشر سنين وقد قرأت المحكم.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00