সহিহ বুখারী > সব কালামের উপর কুরআনের শ্রেষ্ঠত্ব।

সহিহ বুখারী ৫০২০

هدبة بن خالد أبو خالد حدثنا همام حدثنا قتادة حدثنا أنس بن مالك عن أبي موسى الأشعري عن النبي صلى الله عليه وسلم قال مثل الذي يقرأ القرآن كالأترجة طعمها طيب وريحها طيب والذي لا يقرأ القرآن كالتمرة طعمها طيب ولا ريح لها ومثل الفاجر الذي يقرأ القرآن كمثل الريحانة ريحها طيب وطعمها مر ومثل الفاجر الذي لا يقرأ القرآن كمثل الحنظلة طعمها مر ولا ريح لها.

আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে ব্যক্তি কুরআন তিলাওয়াত করে, তার দৃষ্টান্ত হচ্ছে এ লেবুর মত যা সুস্বাদু এবং সুগন্ধযুক্ত। আর যে ব্যক্তি (মু’মিন) কুরআন পাঠ করে না, তাঁর দৃষ্টান্ত হচ্ছে এমন খেজুরের মত, যা সুগন্ধহীন, কিন্তু খেতে সুস্বাদু। আর ফাসিক-ফাজির ব্যক্তি যে কুরআন পাঠ করে, তাঁর দৃষ্টান্ত হচ্ছে রায়হান জাতীয় লতার মত, যার সুগন্ধ আছে, কিন্তু খেতে বিস্বাদ। আর ঐ ফাসিক যে কুরআন একেবারেই পাঠ করে না, তার দৃষ্টান্ত হচ্ছে ঐ মাকাল ফলের মত, যা খেতেও বিস্বাদ এবং যার কোন সুগন্ধও নেই। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৪৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৫০)

আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে ব্যক্তি কুরআন তিলাওয়াত করে, তার দৃষ্টান্ত হচ্ছে এ লেবুর মত যা সুস্বাদু এবং সুগন্ধযুক্ত। আর যে ব্যক্তি (মু’মিন) কুরআন পাঠ করে না, তাঁর দৃষ্টান্ত হচ্ছে এমন খেজুরের মত, যা সুগন্ধহীন, কিন্তু খেতে সুস্বাদু। আর ফাসিক-ফাজির ব্যক্তি যে কুরআন পাঠ করে, তাঁর দৃষ্টান্ত হচ্ছে রায়হান জাতীয় লতার মত, যার সুগন্ধ আছে, কিন্তু খেতে বিস্বাদ। আর ঐ ফাসিক যে কুরআন একেবারেই পাঠ করে না, তার দৃষ্টান্ত হচ্ছে ঐ মাকাল ফলের মত, যা খেতেও বিস্বাদ এবং যার কোন সুগন্ধও নেই। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৪৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৫০)

هدبة بن خالد أبو خالد حدثنا همام حدثنا قتادة حدثنا أنس بن مالك عن أبي موسى الأشعري عن النبي صلى الله عليه وسلم قال مثل الذي يقرأ القرآن كالأترجة طعمها طيب وريحها طيب والذي لا يقرأ القرآن كالتمرة طعمها طيب ولا ريح لها ومثل الفاجر الذي يقرأ القرآن كمثل الريحانة ريحها طيب وطعمها مر ومثل الفاجر الذي لا يقرأ القرآن كمثل الحنظلة طعمها مر ولا ريح لها.


সহিহ বুখারী ৫০২১

مسدد عن يحيى عن سفيان حدثني عبد الله بن دينار قال سمعت ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إنما أجلكم في أجل من خلا من الأمم كما بين صلاة العصر ومغرب الشمس ومثلكم ومثل اليهود والنصارى كمثل رجل استعمل عمالا فقال من يعمل لي إلى نصف النهار على قيراط فعملت اليهود فقال من يعمل لي من نصف النهار إلى العصر على قيراط فعملت النصارى ثم أنتم تعملون من العصر إلى المغرب بقيراطين قيراطين قالوا نحن أكثر عملا وأقل عطاء قال هل ظلمتكم من حقكم قالوا لا قال فذاك فضلي أوتيه من شئت.

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, অতীতের জাতিসমুহের সঙ্গে তোমাদের জীবনকালের তুলনা হচ্ছে আসর ও মাগরিবের সলাতের মধ্যবর্তী সময়কালের মত। তোমাদের এবং ইয়াহূদী-নাসারাদের দৃষ্টান্ত হচ্ছে ঐ ব্যক্তির ন্যায়, যে শ্রমিকদের কাজে নিযুক্ত করে তাদেরকে বলল, “তোমাদের মধ্যে কে এক কীরাতের বিনিময়ে দ্বি-প্রহর পর্যন্ত কাজ করবে?” ইয়াহূদীরা কাজ করল। তারপর সেই ব্যক্তি আবার বলল, তোমাদের মধ্যে কে এক কীরাতের বিনিময়ে দুপুর থেকে আসর পর্যন্ত কাজ করবে? নাসারারা কাজ করল। এরপর তোমরা (মুসলিমরা) আসরের সালাতের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত প্রত্যেকে দু’ কীরাতের বিনিময় কাজ করেছ। তারা বলল, আমরা কম মজুরী নিয়েছি এবং অধিক কাজ করেছি। তিনি (আল্লাহ্‌) বললেন, আমি কি তোমাদের অধিকারের ব্যপারে যুল্‌ম করেছি? তারা উত্তরে বলবে, না। এরপর আল্লাহ্‌ বলবেন, এটা আমার দয়া, আমি যাকে ইচ্ছে দিয়ে থাকি।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৪৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৫১)

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, অতীতের জাতিসমুহের সঙ্গে তোমাদের জীবনকালের তুলনা হচ্ছে আসর ও মাগরিবের সলাতের মধ্যবর্তী সময়কালের মত। তোমাদের এবং ইয়াহূদী-নাসারাদের দৃষ্টান্ত হচ্ছে ঐ ব্যক্তির ন্যায়, যে শ্রমিকদের কাজে নিযুক্ত করে তাদেরকে বলল, “তোমাদের মধ্যে কে এক কীরাতের বিনিময়ে দ্বি-প্রহর পর্যন্ত কাজ করবে?” ইয়াহূদীরা কাজ করল। তারপর সেই ব্যক্তি আবার বলল, তোমাদের মধ্যে কে এক কীরাতের বিনিময়ে দুপুর থেকে আসর পর্যন্ত কাজ করবে? নাসারারা কাজ করল। এরপর তোমরা (মুসলিমরা) আসরের সালাতের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত প্রত্যেকে দু’ কীরাতের বিনিময় কাজ করেছ। তারা বলল, আমরা কম মজুরী নিয়েছি এবং অধিক কাজ করেছি। তিনি (আল্লাহ্‌) বললেন, আমি কি তোমাদের অধিকারের ব্যপারে যুল্‌ম করেছি? তারা উত্তরে বলবে, না। এরপর আল্লাহ্‌ বলবেন, এটা আমার দয়া, আমি যাকে ইচ্ছে দিয়ে থাকি।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৪৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৫১)

مسدد عن يحيى عن سفيان حدثني عبد الله بن دينار قال سمعت ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إنما أجلكم في أجل من خلا من الأمم كما بين صلاة العصر ومغرب الشمس ومثلكم ومثل اليهود والنصارى كمثل رجل استعمل عمالا فقال من يعمل لي إلى نصف النهار على قيراط فعملت اليهود فقال من يعمل لي من نصف النهار إلى العصر على قيراط فعملت النصارى ثم أنتم تعملون من العصر إلى المغرب بقيراطين قيراطين قالوا نحن أكثر عملا وأقل عطاء قال هل ظلمتكم من حقكم قالوا لا قال فذاك فضلي أوتيه من شئت.


সহিহ বুখারী > কিতাবুল্লাহ্‌র ওয়াসিয়্যাত

সহিহ বুখারী ৫০২২

محمد بن يوسف حدثنا مالك بن مغول حدثنا طلحة قال سألت عبد الله بن أبي أوفى آوصى النبي صلى الله عليه وسلم فقال لا فقلت كيف كتب على الناس الوصية أمروا بها ولم يوص قال أوصى بكتاب الله

ত্বলহা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু আবূ ‘আওফা (রাঃ)– কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি কোন ওয়াসিয়্যাত করে গেছেন? তিনি বললেন, না। তখন আমি বললাম, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজে কোন ওয়াসিয়্যাত করে যাননি, তখন কী করে মানুষের জন্য ওয়াসিয়্যাত করাকে (কুরাআন মাজীদে) বাধ্যতামূলক করা হল এবং তাদেরকে এজন্য নির্দেশ দেয়া হল। জবাবে তিনি বললেন, তিনি (নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] আল্লাহ্‌র কিতাব (অনুসরণ)– এর ওয়াসিয়্যাত করে গেছেন।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৪৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৫২)

ত্বলহা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু আবূ ‘আওফা (রাঃ)– কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি কোন ওয়াসিয়্যাত করে গেছেন? তিনি বললেন, না। তখন আমি বললাম, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজে কোন ওয়াসিয়্যাত করে যাননি, তখন কী করে মানুষের জন্য ওয়াসিয়্যাত করাকে (কুরাআন মাজীদে) বাধ্যতামূলক করা হল এবং তাদেরকে এজন্য নির্দেশ দেয়া হল। জবাবে তিনি বললেন, তিনি (নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] আল্লাহ্‌র কিতাব (অনুসরণ)– এর ওয়াসিয়্যাত করে গেছেন।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৪৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৫২)

محمد بن يوسف حدثنا مالك بن مغول حدثنا طلحة قال سألت عبد الله بن أبي أوفى آوصى النبي صلى الله عليه وسلم فقال لا فقلت كيف كتب على الناس الوصية أمروا بها ولم يوص قال أوصى بكتاب الله


সহিহ বুখারী > যার জন্য কুরআন যথেষ্ট নয়।

সহিহ বুখারী ৫০২৪

علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن الزهري عن أبي سلمة بن عبد الرحمن عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ما أذن الله لشيء ما أذن للنبي صلى الله عليه وسلم أن يتغنى بالقرآن قال سفيان تفسيره يستغني به.

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহ্‌ তা‘আলা কোন বিষয়ের প্রতি এরূপ কান লাগিয়ে শুনেন না যেরূপ তিনি নবীর সুমধুর তিলাওয়াত শুনেন। সুফ্‌ইয়ান (রহঃ) বলেন, কুরআনই তার জন্য যথেষ্ট।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৫০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৫৪)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহ্‌ তা‘আলা কোন বিষয়ের প্রতি এরূপ কান লাগিয়ে শুনেন না যেরূপ তিনি নবীর সুমধুর তিলাওয়াত শুনেন। সুফ্‌ইয়ান (রহঃ) বলেন, কুরআনই তার জন্য যথেষ্ট।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৫০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৫৪)

علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن الزهري عن أبي سلمة بن عبد الرحمن عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ما أذن الله لشيء ما أذن للنبي صلى الله عليه وسلم أن يتغنى بالقرآن قال سفيان تفسيره يستغني به.


সহিহ বুখারী ৫০২৩

يحيى بن بكير قال حدثني الليث عن عقيل عن ابن شهاب قال أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن عن أبي هريرة أنه كان يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يأذن الله لشيء ما أذن للنبي أن يتغنى بالقرآن وقال صاحب له يريد يجهر به.

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ তা’আলা কোন বিষয়ের প্রতি ঐরূপ কান লাগিয়ে শুনেন না যেরূপ তিনি নবীর সুমধুর তিলাওয়াত শুনেন। রাবী বলেন, এর অর্থ সুস্পষ্ট করে আওয়াজের সঙ্গে কুরআন পাঠ করা। [৫০২৩, ৫০২৪, ৭৪৮২, ৭৫৪৪; মুসলিম ৬/৩৪, হাঃ ৭৯২, আহমাদ ৭৬৭৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৪৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৫৩)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ তা’আলা কোন বিষয়ের প্রতি ঐরূপ কান লাগিয়ে শুনেন না যেরূপ তিনি নবীর সুমধুর তিলাওয়াত শুনেন। রাবী বলেন, এর অর্থ সুস্পষ্ট করে আওয়াজের সঙ্গে কুরআন পাঠ করা। [৫০২৩, ৫০২৪, ৭৪৮২, ৭৫৪৪; মুসলিম ৬/৩৪, হাঃ ৭৯২, আহমাদ ৭৬৭৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৪৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৫৩)

يحيى بن بكير قال حدثني الليث عن عقيل عن ابن شهاب قال أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن عن أبي هريرة أنه كان يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يأذن الله لشيء ما أذن للنبي أن يتغنى بالقرآن وقال صاحب له يريد يجهر به.


সহিহ বুখারী > কুরআন তিলাওয়াতকারী হবার আকাঙ্ক্ষা পোষণ করা।

সহিহ বুখারী ৫০২৫

أبو اليمان أخبرنا شعيب عن الزهري قال حدثني سالم بن عبد الله أن عبد الله بن عمر قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا حسد إلا على اثنتين رجل آتاه الله الكتاب وقام به آناء الليل ورجل أعطاه الله مالا فهو يتصدق به آناء الليل والنهار.

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, দুটি বিষয় ছাড়া অন্য কোন বিষয়ে ঈর্ষা করা যায় না। প্রথম, যাকে আল্লাহ্‌ তা’আলা কিতাবের জ্ঞান দান করেছেন এবং তিনি তা থেকে গভীর রাতে তিলাওয়াত করেন। দ্বিতীয়ত, যাকে আল্লাহ্‌ তা'আলা সম্পদ দান করেছেন এবং তিনি সেই সম্পদ দিন-রাত দান করতে থাকেন।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৬১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৫৫)

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, দুটি বিষয় ছাড়া অন্য কোন বিষয়ে ঈর্ষা করা যায় না। প্রথম, যাকে আল্লাহ্‌ তা’আলা কিতাবের জ্ঞান দান করেছেন এবং তিনি তা থেকে গভীর রাতে তিলাওয়াত করেন। দ্বিতীয়ত, যাকে আল্লাহ্‌ তা'আলা সম্পদ দান করেছেন এবং তিনি সেই সম্পদ দিন-রাত দান করতে থাকেন।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৬১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৫৫)

أبو اليمان أخبرنا شعيب عن الزهري قال حدثني سالم بن عبد الله أن عبد الله بن عمر قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا حسد إلا على اثنتين رجل آتاه الله الكتاب وقام به آناء الليل ورجل أعطاه الله مالا فهو يتصدق به آناء الليل والنهار.


সহিহ বুখারী ৫০২৬

علي بن إبراهيم حدثنا روح حدثنا شعبة عن سليمان سمعت ذكوان عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا حسد إلا في اثنتين رجل علمه الله القرآن فهو يتلوه آناء الليل وآناء النهار فسمعه جار له فقال ليتني أوتيت مثل ما أوتي فلان فعملت مثل ما يعمل ورجل آتاه الله مالا فهو يهلكه في الحق فقال رجل ليتني أوتيت مثل ما أوتي فلان فعملت مثل ما يعمل.

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, দু’ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কারও সাথে ঈর্ষা করা যায় না। এক ব্যক্তি, যাকে আল্লাহ্‌ তা’আলা কুরআন শিক্ষা দিয়েছেন এবং সে তা দিন-রাত তিলাওয়াত করে। আর তা শুনে তার প্রতিবেশীরা তাকে বলে, হায়! আমাদেরকে যদি এমন জ্ঞান দেওয়া হত, যেমন অমুককে দেওয়া হয়েছে, তাহলে আমিও তার মত 'আমাল করতাম। অন্য আর এক ব্যক্তি, যাকে আল্লাহ্‌ সম্পদ দান করেছেন এবং সে সম্পদ সত্য ও ন্যায়ের পথে খরচ করে। এ অবস্থা দেখে অন্য এক ব্যক্তি বলেঃ হায়! আমাকে যদি অমুক ব্যক্তির মত সম্পদ দেয়া হত, তাহলে সে যেমন ব্যয় করছে, আমিও তেমন ব্যয় করতাম।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৫২, ই.ফা . ৪৬৫৬)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, দু’ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কারও সাথে ঈর্ষা করা যায় না। এক ব্যক্তি, যাকে আল্লাহ্‌ তা’আলা কুরআন শিক্ষা দিয়েছেন এবং সে তা দিন-রাত তিলাওয়াত করে। আর তা শুনে তার প্রতিবেশীরা তাকে বলে, হায়! আমাদেরকে যদি এমন জ্ঞান দেওয়া হত, যেমন অমুককে দেওয়া হয়েছে, তাহলে আমিও তার মত 'আমাল করতাম। অন্য আর এক ব্যক্তি, যাকে আল্লাহ্‌ সম্পদ দান করেছেন এবং সে সম্পদ সত্য ও ন্যায়ের পথে খরচ করে। এ অবস্থা দেখে অন্য এক ব্যক্তি বলেঃ হায়! আমাকে যদি অমুক ব্যক্তির মত সম্পদ দেয়া হত, তাহলে সে যেমন ব্যয় করছে, আমিও তেমন ব্যয় করতাম।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৫২, ই.ফা . ৪৬৫৬)

علي بن إبراهيم حدثنا روح حدثنا شعبة عن سليمان سمعت ذكوان عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا حسد إلا في اثنتين رجل علمه الله القرآن فهو يتلوه آناء الليل وآناء النهار فسمعه جار له فقال ليتني أوتيت مثل ما أوتي فلان فعملت مثل ما يعمل ورجل آتاه الله مالا فهو يهلكه في الحق فقال رجل ليتني أوتيت مثل ما أوتي فلان فعملت مثل ما يعمل.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00