সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর যে সব সহাবী ক্বারী ছিলেন।

সহিহ বুখারী ৪৯৯৯

إبراهيم عن مسروق ذكر عبد الله بن عمرو عبد الله بن مسعود فقال لا أزال أحبه سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول خذوا القرآن من أربعة من عبد الله بن مسعود وسالم ومعاذ بن جبل وأبي بن كعب.

মাসরুক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু আম্‌র ‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু মাসউদের কথা উল্লেখ পূর্বক বলেছেন, আমি তাঁকে ঐ সময় থেকে ভালবাসি, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে আমি বলতে শুনেছি যে, তোমরা চার ব্যক্তি থেকে কুরআন শিক্ষা কর- ‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু মাস’উদ (রাঃ), সালিম (রাঃ), মু’আয (রাঃ) এবং উবাই ইব্‌নু কা’ব (রাঃ)। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬২৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৩৩)

মাসরুক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু আম্‌র ‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু মাসউদের কথা উল্লেখ পূর্বক বলেছেন, আমি তাঁকে ঐ সময় থেকে ভালবাসি, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে আমি বলতে শুনেছি যে, তোমরা চার ব্যক্তি থেকে কুরআন শিক্ষা কর- ‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু মাস’উদ (রাঃ), সালিম (রাঃ), মু’আয (রাঃ) এবং উবাই ইব্‌নু কা’ব (রাঃ)। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬২৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৩৩)

إبراهيم عن مسروق ذكر عبد الله بن عمرو عبد الله بن مسعود فقال لا أزال أحبه سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول خذوا القرآن من أربعة من عبد الله بن مسعود وسالم ومعاذ بن جبل وأبي بن كعب.


সহিহ বুখারী ৫০০০

عمر بن حفص حدثنا أبي حدثنا الأعمش حدثنا شقيق بن سلمة قال خطبنا عبد الله بن مسعود فقال والله لقد أخذت من في رسول الله صلى الله عليه وسلم بضعا وسبعين سورة والله لقد علم أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم أني من أعلمهم بكتاب الله وما أنا بخيرهم قال شقيق فجلست في الحلق أسمع ما يقولون فما سمعت رادا يقول غير ذلك

শাকীক ইব্‌ন সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা ‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু মাস’উদ (রাঃ) আমাদের সামনে ভাষণ দিলেন এবং বললেন, আল্লাহ্‌র শপথ! সত্তরেরও কিছু অধিক সূরা আমি রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর মুখ থেকে হাসিল করেছি। আল্লাহ্‌র কসম! নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সহাবীরা জানেন, আমি তাঁদের চেয়ে আল্লাহ্‌র কিতাব সম্বন্ধে অধিক জ্ঞাত; অথচ আমি তাঁদের মধ্যে সর্বোত্তম নই। শাকীক (রহঃ) বলেন, সাহাবীগণ তাঁর কথা শুনে কী বলেন তা শোনার জন্য আমি মাজলিসে বসে থাকলাম, কিন্তু আমি কাউকে অন্যরকম কথা বলে আপত্তি করতে শুনিনি।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬২৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৩৪)

শাকীক ইব্‌ন সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা ‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু মাস’উদ (রাঃ) আমাদের সামনে ভাষণ দিলেন এবং বললেন, আল্লাহ্‌র শপথ! সত্তরেরও কিছু অধিক সূরা আমি রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর মুখ থেকে হাসিল করেছি। আল্লাহ্‌র কসম! নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সহাবীরা জানেন, আমি তাঁদের চেয়ে আল্লাহ্‌র কিতাব সম্বন্ধে অধিক জ্ঞাত; অথচ আমি তাঁদের মধ্যে সর্বোত্তম নই। শাকীক (রহঃ) বলেন, সাহাবীগণ তাঁর কথা শুনে কী বলেন তা শোনার জন্য আমি মাজলিসে বসে থাকলাম, কিন্তু আমি কাউকে অন্যরকম কথা বলে আপত্তি করতে শুনিনি।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬২৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৩৪)

عمر بن حفص حدثنا أبي حدثنا الأعمش حدثنا شقيق بن سلمة قال خطبنا عبد الله بن مسعود فقال والله لقد أخذت من في رسول الله صلى الله عليه وسلم بضعا وسبعين سورة والله لقد علم أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم أني من أعلمهم بكتاب الله وما أنا بخيرهم قال شقيق فجلست في الحلق أسمع ما يقولون فما سمعت رادا يقول غير ذلك


সহিহ বুখারী ৫০০১

محمد بن كثير أخبرنا سفيان عن الأعمش عن إبراهيم عن علقمة قال كنا بحمص فقرأ ابن مسعود سورة يوسف فقال رجل ما هكذا أنزلت قال قرأت على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال أحسنت ووجد منه ريح الخمر فقال أتجمع أن تكذب بكتاب الله وتشرب الخمر فضربه الحد

‘আলক্বামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা হিম্‌স শহরে ছিলাম। এ সময় ইব্‌নু মাস’উদ (রাঃ) সূরা ইউসুফ তিলাওয়াত করলেন। তখন এক ব্যক্তি বললেন, এটা এভাবে অবতীর্ণ হয়নি। এ কথা শুনে ইব্‌নু মাস’উদ (রাঃ) বললেন, আমি রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সামনে এ সূরা তিলাওয়াত করেছি। তিনি বলেছেন, তুমি সুন্দর পড়েছ। এ সময় তিনি ঐ লোকটির মুখ থেকে মদের গন্ধ পেলেন। তাই তিনি তাকে বললেন, তুমি আল্লাহ্‌র কিতাব সম্পর্কে মিথ্যা বলা এবং মদ পানের অপরাধ এক সঙ্গে করেছ? এরপর তিনি তার ওপর নির্ধারিত শাস্তি জারি করলেন।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৩৫)

‘আলক্বামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা হিম্‌স শহরে ছিলাম। এ সময় ইব্‌নু মাস’উদ (রাঃ) সূরা ইউসুফ তিলাওয়াত করলেন। তখন এক ব্যক্তি বললেন, এটা এভাবে অবতীর্ণ হয়নি। এ কথা শুনে ইব্‌নু মাস’উদ (রাঃ) বললেন, আমি রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সামনে এ সূরা তিলাওয়াত করেছি। তিনি বলেছেন, তুমি সুন্দর পড়েছ। এ সময় তিনি ঐ লোকটির মুখ থেকে মদের গন্ধ পেলেন। তাই তিনি তাকে বললেন, তুমি আল্লাহ্‌র কিতাব সম্পর্কে মিথ্যা বলা এবং মদ পানের অপরাধ এক সঙ্গে করেছ? এরপর তিনি তার ওপর নির্ধারিত শাস্তি জারি করলেন।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৩৫)

محمد بن كثير أخبرنا سفيان عن الأعمش عن إبراهيم عن علقمة قال كنا بحمص فقرأ ابن مسعود سورة يوسف فقال رجل ما هكذا أنزلت قال قرأت على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال أحسنت ووجد منه ريح الخمر فقال أتجمع أن تكذب بكتاب الله وتشرب الخمر فضربه الحد


সহিহ বুখারী ৫০০২

عمر بن حفص حدثنا أبي حدثنا الأعمش حدثنا مسلم عن مسروق قال قال عبد الله والله الذي لا إله غيره ما أنزلت سورة من كتاب الله إلا أنا أعلم أين أنزلت ولا أنزلت آية من كتاب الله إلا أنا أعلم فيم أنزلت ولو أعلم أحدا أعلم مني بكتاب الله تبلغه الإبل لركبت إليه

মাসরুক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্‌র কসম! যিনি ছাড়া কোন ইলাহ্‌ নেই, আল্লাহ্‌র কিতাবের অবতীর্ণ প্রতিটি সূরা সম্পর্কেই আমি জানি যে, তা কোথায় অবতীর্ণ হয়েছে এবং প্রতিটি আয়াত সম্পর্কেই আমি জানি যে, তা কোন্ ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে। আমি যদি জানতাম যে, কোন ব্যক্তি আল্লাহ্‌র কিতাব সম্পর্কে আমার চেয়ে অধিক জ্ঞাত এবং সেখানে উট পৌঁছতে পারে, তাহলে সওয়ার হয়ে সেখানে পৌঁছে যেতাম।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৩৬)

মাসরুক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্‌র কসম! যিনি ছাড়া কোন ইলাহ্‌ নেই, আল্লাহ্‌র কিতাবের অবতীর্ণ প্রতিটি সূরা সম্পর্কেই আমি জানি যে, তা কোথায় অবতীর্ণ হয়েছে এবং প্রতিটি আয়াত সম্পর্কেই আমি জানি যে, তা কোন্ ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে। আমি যদি জানতাম যে, কোন ব্যক্তি আল্লাহ্‌র কিতাব সম্পর্কে আমার চেয়ে অধিক জ্ঞাত এবং সেখানে উট পৌঁছতে পারে, তাহলে সওয়ার হয়ে সেখানে পৌঁছে যেতাম।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৩৬)

عمر بن حفص حدثنا أبي حدثنا الأعمش حدثنا مسلم عن مسروق قال قال عبد الله والله الذي لا إله غيره ما أنزلت سورة من كتاب الله إلا أنا أعلم أين أنزلت ولا أنزلت آية من كتاب الله إلا أنا أعلم فيم أنزلت ولو أعلم أحدا أعلم مني بكتاب الله تبلغه الإبل لركبت إليه


সহিহ বুখারী ৫০০৪

معلى بن أسد حدثنا عبد الله بن المثنى قال حدثني ثابت البناني وثمامة عن أنس بن مالك قال مات النبي صلى الله عليه وسلم ولم يجمع القرآن غير أربعة أبو الدرداء ومعاذ بن جبل وزيد بن ثابت وأبو زيد قال ونحن ورثناه

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইন্তিকাল করলেন। তখন চারজন ব্যতীত আর কেউ কুরআন সংগ্রহ করেননি। তাঁরা হলেন আবুদ্ দারদা (রাঃ), মু’আয ইব্‌নু জাবাল (রাঃ), যায়দ ইব্‌নু সাবিত (রাঃ) এবং আবূ যায়দ (রাঃ)। আনাস (রাঃ) বলেন, আমরা আবূ যায়দ (রাঃ)- এর উত্তরসুরী।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৩৮)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইন্তিকাল করলেন। তখন চারজন ব্যতীত আর কেউ কুরআন সংগ্রহ করেননি। তাঁরা হলেন আবুদ্ দারদা (রাঃ), মু’আয ইব্‌নু জাবাল (রাঃ), যায়দ ইব্‌নু সাবিত (রাঃ) এবং আবূ যায়দ (রাঃ)। আনাস (রাঃ) বলেন, আমরা আবূ যায়দ (রাঃ)- এর উত্তরসুরী।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৩৮)

معلى بن أسد حدثنا عبد الله بن المثنى قال حدثني ثابت البناني وثمامة عن أنس بن مالك قال مات النبي صلى الله عليه وسلم ولم يجمع القرآن غير أربعة أبو الدرداء ومعاذ بن جبل وزيد بن ثابت وأبو زيد قال ونحن ورثناه


সহিহ বুখারী ৫০০৩

حفص بن عمر حدثنا همام حدثنا قتادة قال سألت أنس بن مالك من جمع القرآن على عهد النبي صلى الله عليه وسلم قال أربعة كلهم من الأنصار أبي بن كعب ومعاذ بن جبل وزيد بن ثابت وأبو زيد تابعه الفضل عن حسين بن واقد عن ثمامة عن أنس

ক্বাতাদাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ)- কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সময় কোন্ কোন্ ব্যক্তি কুরআন সংগ্রহ করেছেন? তিনি বললেন, চারজন এবং তাঁরা চারজনই ছিলেন আনসার সহাবী। তাঁরা হলেনঃ উবাই ইব্‌নু কা’ব (রাঃ), মু’আয ইব্‌নু জাবাল (রাঃ), যায়দ ইব্‌নু সাবিত (রাঃ) এবং আবূ যায়দ (রাঃ)। (অন্য সানাদে) ফাদল (রহঃ) ..... আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে এ রকমই বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৩৭)

ক্বাতাদাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ)- কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সময় কোন্ কোন্ ব্যক্তি কুরআন সংগ্রহ করেছেন? তিনি বললেন, চারজন এবং তাঁরা চারজনই ছিলেন আনসার সহাবী। তাঁরা হলেনঃ উবাই ইব্‌নু কা’ব (রাঃ), মু’আয ইব্‌নু জাবাল (রাঃ), যায়দ ইব্‌নু সাবিত (রাঃ) এবং আবূ যায়দ (রাঃ)। (অন্য সানাদে) ফাদল (রহঃ) ..... আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে এ রকমই বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৩৭)

حفص بن عمر حدثنا همام حدثنا قتادة قال سألت أنس بن مالك من جمع القرآن على عهد النبي صلى الله عليه وسلم قال أربعة كلهم من الأنصار أبي بن كعب ومعاذ بن جبل وزيد بن ثابت وأبو زيد تابعه الفضل عن حسين بن واقد عن ثمامة عن أنس


সহিহ বুখারী ৫০০৫

صدقة بن الفضل أخبرنا يحيى عن سفيان عن حبيب بن أبي ثابت عن سعيد بن جبير عن ابن عباس قال قال عمر أبي أقرؤنا وإنا لندع من لحن أبي وأبي يقول أخذته من في رسول الله صلى الله عليه وسلم فلا أتركه لشيء قال الله تعالى {ما ننسخ من اٰية أو ننسها نأت بخير منها أو مثلها}.

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উমার (রাঃ) বলেছেন, ‘আলী (রাঃ) আমাদের মধ্যে সর্বোত্তম বিচারক এবং উবাই (রাঃ) আমাদের মধ্যে সর্বোত্তম কারী। এতদ্‌সত্ত্বেও তিনি যা তিলাওয়াত করেছেন, আমরা তার কিছু অংশ বাদ দিই, অথচ তিনি বলছেন, আমি তা আল্লাহ্‌র রাসূলের যবান থেকে শুনেছি, কোন কিছুর বিনিময়ে আমি তা ত্যাগ করব না। আল্লাহ্‌ বলেছেন, “আমি কোন আয়াত রহিত করলে কিংবা ভুলিয়ে দিলে তা হতে উত্তম কিংবা তার মত কোন আয়াত এনে দিই।” (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৩৯)

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উমার (রাঃ) বলেছেন, ‘আলী (রাঃ) আমাদের মধ্যে সর্বোত্তম বিচারক এবং উবাই (রাঃ) আমাদের মধ্যে সর্বোত্তম কারী। এতদ্‌সত্ত্বেও তিনি যা তিলাওয়াত করেছেন, আমরা তার কিছু অংশ বাদ দিই, অথচ তিনি বলছেন, আমি তা আল্লাহ্‌র রাসূলের যবান থেকে শুনেছি, কোন কিছুর বিনিময়ে আমি তা ত্যাগ করব না। আল্লাহ্‌ বলেছেন, “আমি কোন আয়াত রহিত করলে কিংবা ভুলিয়ে দিলে তা হতে উত্তম কিংবা তার মত কোন আয়াত এনে দিই।” (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৩৯)

صدقة بن الفضل أخبرنا يحيى عن سفيان عن حبيب بن أبي ثابت عن سعيد بن جبير عن ابن عباس قال قال عمر أبي أقرؤنا وإنا لندع من لحن أبي وأبي يقول أخذته من في رسول الله صلى الله عليه وسلم فلا أتركه لشيء قال الله تعالى {ما ننسخ من اٰية أو ننسها نأت بخير منها أو مثلها}.


সহিহ বুখারী > সূরা ফাতিহার ফযীলত

সহিহ বুখারী ৫০০৬

علي بن عبد الله حدثنا يحيى بن سعيد حدثنا شعبة قال حدثني خبيب بن عبد الرحمن عن حفص بن عاصم عن أبي سعيد بن المعلى قال كنت أصلي فدعاني النبي صلى الله عليه وسلم فلم أجبه قلت يا رسول الله إني كنت أصلي قال ألم يقل الله {استجيبوا لله وللرسول إذا دعاكم} ثم قال ألا أعلمك أعظم سورة في القرآن قبل أن تخرج من المسجد فأخذ بيدي فلما أردنا أن نخرج قلت يا رسول الله إنك قلت لأعلمنك أعظم سورة من القرآن قال {الحمد لله رب العٰلمين} هي السبع المثاني والقرآن العظيم الذي أوتيته

আবূ সা’ঈদ ইব্‌নু মু’আল্লা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সলাত আদায়রত ছিলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে ডাকলেন; কিন্তু আমি তাঁর ডাকে সাড়া দিলাম না। পরে আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমি সলাত আদায়রত ছিলাম। তিনি বললেন, আল্লাহ্‌ তা’আলা কি বলেননি, “হে মু’মিনগণ! আল্লাহ্‌ ও রসূল যখন তোমাদেরকে আহবান করেন তখন আল্লাহ্‌ ও রসূলের আহবানে সাড়া দাও”। (সূরা আল-আনফাল ৮/২৪) তারপর তিনি বললেন, তোমার মাসজিদ থেকে বের হওয়ার আগে আমি কি তোমাকে কুরআনের সর্বশ্রেষ্ঠ সূরা শিক্ষা দেব না? তখন তিনি আমারা হাত ধরলেন। যখন আমরা মাসজিদ থেকে বের হতে ইচ্ছা করলাম তখন আমি বললাম, আপনি তো বলেছেন মাসজিদ থেকে বের হওয়ার আগে আমাকে কুরআনের সর্বশ্রেষ্ঠ সূরার কথা বলবেন। তিনি বললেন, সেটা হলঃ “আল হামদুলিল্লাহ রাব্বিল ‘আলামীন”। এটা পুনঃ পুনঃ পঠিত সাতটি আয়াত এবং কুরআন আজীম যা আমাকে দেয়া হয়েছে।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৮৪০)

আবূ সা’ঈদ ইব্‌নু মু’আল্লা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সলাত আদায়রত ছিলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে ডাকলেন; কিন্তু আমি তাঁর ডাকে সাড়া দিলাম না। পরে আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমি সলাত আদায়রত ছিলাম। তিনি বললেন, আল্লাহ্‌ তা’আলা কি বলেননি, “হে মু’মিনগণ! আল্লাহ্‌ ও রসূল যখন তোমাদেরকে আহবান করেন তখন আল্লাহ্‌ ও রসূলের আহবানে সাড়া দাও”। (সূরা আল-আনফাল ৮/২৪) তারপর তিনি বললেন, তোমার মাসজিদ থেকে বের হওয়ার আগে আমি কি তোমাকে কুরআনের সর্বশ্রেষ্ঠ সূরা শিক্ষা দেব না? তখন তিনি আমারা হাত ধরলেন। যখন আমরা মাসজিদ থেকে বের হতে ইচ্ছা করলাম তখন আমি বললাম, আপনি তো বলেছেন মাসজিদ থেকে বের হওয়ার আগে আমাকে কুরআনের সর্বশ্রেষ্ঠ সূরার কথা বলবেন। তিনি বললেন, সেটা হলঃ “আল হামদুলিল্লাহ রাব্বিল ‘আলামীন”। এটা পুনঃ পুনঃ পঠিত সাতটি আয়াত এবং কুরআন আজীম যা আমাকে দেয়া হয়েছে।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৮৪০)

علي بن عبد الله حدثنا يحيى بن سعيد حدثنا شعبة قال حدثني خبيب بن عبد الرحمن عن حفص بن عاصم عن أبي سعيد بن المعلى قال كنت أصلي فدعاني النبي صلى الله عليه وسلم فلم أجبه قلت يا رسول الله إني كنت أصلي قال ألم يقل الله {استجيبوا لله وللرسول إذا دعاكم} ثم قال ألا أعلمك أعظم سورة في القرآن قبل أن تخرج من المسجد فأخذ بيدي فلما أردنا أن نخرج قلت يا رسول الله إنك قلت لأعلمنك أعظم سورة من القرآن قال {الحمد لله رب العٰلمين} هي السبع المثاني والقرآن العظيم الذي أوتيته


সহিহ বুখারী ৫০০৭

محمد بن المثنى حدثنا وهب حدثنا هشام عن محمد عن معبد عن أبي سعيد الخدري قال كنا في مسير لنا فنزلنا فجاءت جارية فقالت إن سيد الحي سليم وإن نفرنا غيب فهل منكم راق فقام معها رجل ما كنا نأبنه برقية فرقاه فبرأ فأمر له بثلاثين شاة وسقانا لبنا فلما رجع قلنا له أكنت تحسن رقية أو كنت ترقي قال لا ما رقيت إلا بأم الكتاب قلنا لا تحدثوا شيئا حتى نأتي أو نسأل النبي صلى الله عليه وسلم فلما قدمنا المدينة ذكرناه للنبي صلى الله عليه وسلم فقال وما كان يدريه أنها رقية اقسموا واضربوا لي بسهم وقال أبو معمر حدثنا عبد الوارث حدثنا هشام حدثنا محمد بن سيرين حدثني معبد بن سيرين عن أبي سعيد الخدري بهذا.

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমরা সফরে চলছিলাম। (পথিমধ্যে) অবতরণ করলাম। তখন একটি বালিকা এসে বলল, এখানকার গোত্রের সরদারকে সাপে কেটেছে। আমাদের পুরুষগণ বাড়িতে নেই। অতএব, আপনাদের মধ্যে এমন কেউ আছেন কি, যিনি ঝাড়-ফুঁক করতে পারেন? তখন আমাদের মধ্য থেকে একজন ঐ বালিকাটির সঙ্গে গেলেন। যদিও আমরা ভাবিনি যে সে ঝাড়-ফুঁক জানে। এরপর সে ঝাড়-ফুঁক করল এবং গোত্রের সরদার সুস্থ হয়ে উঠল। এতে সর্দার খুশী হয়ে তাকে ত্রিশটি বক্‌রী দান করলেন এবং আমাদের সকলকে দুধ পান করালেন। ফিরে আসার পথে আমারা জিজ্ঞেস করলাম, তুমি ভালভাবে ঝাড়-ফুঁক করতে জান (অথবা রাবীর সন্দেহ) তুমি কি ঝাড়-ফুঁক করতে পার? সে উত্তর করল, না, আমি তো কেবল উম্মুল কিতাব- সূরা ফাতিহা দিয়েই ঝাড়-ফুঁক করেছি। আমরা তখন বললাম, যতক্ষণ না আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে পৌছে তাঁকে জিজ্ঞেস করি ততক্ষণ কেউ কিছু বলবে না। এরপর আমরা মদিনায় পৌছে নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে ঘটনাটি বললাম। তিনি বললেন, সে কেমন করে জানল যে, তা (সূরা ফাতিহা) রোগ আরোগ্যের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে? তোমরা নিজেদের মধ্যে এগুলো বন্টন করে নাও এবং আমার জন্যও একটা ভাগ রেখো। আবূ মা’মার ..... আবূ সা’ঈদ থেকে এ রকমই বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৪১)

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমরা সফরে চলছিলাম। (পথিমধ্যে) অবতরণ করলাম। তখন একটি বালিকা এসে বলল, এখানকার গোত্রের সরদারকে সাপে কেটেছে। আমাদের পুরুষগণ বাড়িতে নেই। অতএব, আপনাদের মধ্যে এমন কেউ আছেন কি, যিনি ঝাড়-ফুঁক করতে পারেন? তখন আমাদের মধ্য থেকে একজন ঐ বালিকাটির সঙ্গে গেলেন। যদিও আমরা ভাবিনি যে সে ঝাড়-ফুঁক জানে। এরপর সে ঝাড়-ফুঁক করল এবং গোত্রের সরদার সুস্থ হয়ে উঠল। এতে সর্দার খুশী হয়ে তাকে ত্রিশটি বক্‌রী দান করলেন এবং আমাদের সকলকে দুধ পান করালেন। ফিরে আসার পথে আমারা জিজ্ঞেস করলাম, তুমি ভালভাবে ঝাড়-ফুঁক করতে জান (অথবা রাবীর সন্দেহ) তুমি কি ঝাড়-ফুঁক করতে পার? সে উত্তর করল, না, আমি তো কেবল উম্মুল কিতাব- সূরা ফাতিহা দিয়েই ঝাড়-ফুঁক করেছি। আমরা তখন বললাম, যতক্ষণ না আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে পৌছে তাঁকে জিজ্ঞেস করি ততক্ষণ কেউ কিছু বলবে না। এরপর আমরা মদিনায় পৌছে নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে ঘটনাটি বললাম। তিনি বললেন, সে কেমন করে জানল যে, তা (সূরা ফাতিহা) রোগ আরোগ্যের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে? তোমরা নিজেদের মধ্যে এগুলো বন্টন করে নাও এবং আমার জন্যও একটা ভাগ রেখো। আবূ মা’মার ..... আবূ সা’ঈদ থেকে এ রকমই বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৪১)

محمد بن المثنى حدثنا وهب حدثنا هشام عن محمد عن معبد عن أبي سعيد الخدري قال كنا في مسير لنا فنزلنا فجاءت جارية فقالت إن سيد الحي سليم وإن نفرنا غيب فهل منكم راق فقام معها رجل ما كنا نأبنه برقية فرقاه فبرأ فأمر له بثلاثين شاة وسقانا لبنا فلما رجع قلنا له أكنت تحسن رقية أو كنت ترقي قال لا ما رقيت إلا بأم الكتاب قلنا لا تحدثوا شيئا حتى نأتي أو نسأل النبي صلى الله عليه وسلم فلما قدمنا المدينة ذكرناه للنبي صلى الله عليه وسلم فقال وما كان يدريه أنها رقية اقسموا واضربوا لي بسهم وقال أبو معمر حدثنا عبد الوارث حدثنا هشام حدثنا محمد بن سيرين حدثني معبد بن سيرين عن أبي سعيد الخدري بهذا.


সহিহ বুখারী > সূরাহ আল-বাকারাহ্‌র ফযীলত।

সহিহ বুখারী ৫০০৮

محمد بن كثير أخبرنا شعبة عن سليمان عن إبراهيم عن عبد الرحمن عن أبي مسعود عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من قرأ بالآيتين.

আবূ মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিন বলেন, যে দু’টি আয়াত তিলাওয়াত করে .....। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৪২)

আবূ মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিন বলেন, যে দু’টি আয়াত তিলাওয়াত করে .....। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৪২)

محمد بن كثير أخبرنا شعبة عن سليمان عن إبراهيم عن عبد الرحمن عن أبي مسعود عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من قرأ بالآيتين.


সহিহ বুখারী ৫০০৯

الرحمن بن يزيد عن أبي مسعود قال قال النبي صلى الله عليه وسلم من قرأ بالآيتين من آخر سورة البقرة في ليلة كفتاه.

আবূ মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কেউ যদি রাতে সূরা বাকারার শেষ দু’টি আয়াত পাঠ করে, সেটাই তার জন্য যথেষ্ট। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৪২)

আবূ মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কেউ যদি রাতে সূরা বাকারার শেষ দু’টি আয়াত পাঠ করে, সেটাই তার জন্য যথেষ্ট। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৪২)

الرحمن بن يزيد عن أبي مسعود قال قال النبي صلى الله عليه وسلم من قرأ بالآيتين من آخر سورة البقرة في ليلة كفتاه.


সহিহ বুখারী ৫০১০

وقال عثمان بن الهيثم حدثنا عوف عن محمد بن سيرين عن أبي هريرة قال وكلني رسول الله صلى الله عليه وسلم بحفظ زكاة رمضان فأتاني آت فجعل يحثو من الطعام فأخذته فقلت لأرفعنك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقص الحديث فقال إذا أويت إلى فراشك فاقرأ آية الكرسي لن يزال معك من الله حافظ ولا يقربك شيطان حتى تصبح وقال النبي صلى الله عليه وسلم صدقك وهو كذوب ذاك شيطان.

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে রমাযানে যাকাতের মাল হিফাজতের দায়িত্ব দিলেন। এক সময় এক ব্যক্তি এসে খাদ্য-সামগ্রী উঠিয়ে নেয়ার উপক্রম করল। আমি তাকে ধরে ফেললাম এবং বললাম, আমি তোমাকে আল্লাহ্‌র নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে নিয়ে যাব। এরপর পুরো হাদীস বর্ণনা করেন। তখন লোকটি বলল, যখন আপনি ঘুমাতে যাবেন, তখন আয়াতুল কুরসী পাঠ করবেন। এর কারণে আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে একজন পাহারাদার নিযুক্ত হবে এবং ভোর পর্যন্ত শয়তান আপনার কাছে আসতে পারবে না। নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (ঘটনা শুনে) বললেন, (যে তোমার কাছে এসেছিল) সে সত্য কথা বলেছে, যদিও সে বড় মিথ্যাচারী শায়ত্বন।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৪২)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে রমাযানে যাকাতের মাল হিফাজতের দায়িত্ব দিলেন। এক সময় এক ব্যক্তি এসে খাদ্য-সামগ্রী উঠিয়ে নেয়ার উপক্রম করল। আমি তাকে ধরে ফেললাম এবং বললাম, আমি তোমাকে আল্লাহ্‌র নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে নিয়ে যাব। এরপর পুরো হাদীস বর্ণনা করেন। তখন লোকটি বলল, যখন আপনি ঘুমাতে যাবেন, তখন আয়াতুল কুরসী পাঠ করবেন। এর কারণে আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে একজন পাহারাদার নিযুক্ত হবে এবং ভোর পর্যন্ত শয়তান আপনার কাছে আসতে পারবে না। নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (ঘটনা শুনে) বললেন, (যে তোমার কাছে এসেছিল) সে সত্য কথা বলেছে, যদিও সে বড় মিথ্যাচারী শায়ত্বন।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৪২)

وقال عثمان بن الهيثم حدثنا عوف عن محمد بن سيرين عن أبي هريرة قال وكلني رسول الله صلى الله عليه وسلم بحفظ زكاة رمضان فأتاني آت فجعل يحثو من الطعام فأخذته فقلت لأرفعنك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقص الحديث فقال إذا أويت إلى فراشك فاقرأ آية الكرسي لن يزال معك من الله حافظ ولا يقربك شيطان حتى تصبح وقال النبي صلى الله عليه وسلم صدقك وهو كذوب ذاك شيطان.


সহিহ বুখারী > সূরা কাহ্‌ফের ফযীলত।

সহিহ বুখারী ৫০১১

عمرو بن خالد حدثنا زهير حدثنا أبو إسحاق عن البراء بن عازب قال كان رجل يقرأ سورة الكهف وإلى جانبه حصان مربوط بشطنين فتغشته سحابة فجعلت تدنو وتدنو وجعل فرسه ينفر فلما أصبح أتى النبي صلى الله عليه وسلم فذكر ذلك له فقال تلك السكينة تنزلت بالقرآن.

বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি ‘সূরা কাহ্‌ফ’ তিলাওয়াত করছিলেন। তার ঘোড়াটি দু’টি রশি দিয়ে তার পাশে বাঁধা ছিল। তখন এক টুকরো মেঘ এসে তার উপর ছায়া দান করল। মেঘখণ্ড ক্রমেই নিচের দিকে নেমে আসতে লাগল। আর তার ঘোড়াটি ভয়ে লাফালাফী শুরু করে দিল। সকাল বেলা যখন লোকটি নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে উক্ত ঘটনার কথা ব্যক্ত করেন, তখন তিনি বললেন, এ ছিল আস্‌সাকিনা (প্রশান্তি), যা কুরআন তিলাওয়াতের কারণে নাযিল হয়েছিল।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৪৩)

বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি ‘সূরা কাহ্‌ফ’ তিলাওয়াত করছিলেন। তার ঘোড়াটি দু’টি রশি দিয়ে তার পাশে বাঁধা ছিল। তখন এক টুকরো মেঘ এসে তার উপর ছায়া দান করল। মেঘখণ্ড ক্রমেই নিচের দিকে নেমে আসতে লাগল। আর তার ঘোড়াটি ভয়ে লাফালাফী শুরু করে দিল। সকাল বেলা যখন লোকটি নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে উক্ত ঘটনার কথা ব্যক্ত করেন, তখন তিনি বললেন, এ ছিল আস্‌সাকিনা (প্রশান্তি), যা কুরআন তিলাওয়াতের কারণে নাযিল হয়েছিল।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৪৩)

عمرو بن خالد حدثنا زهير حدثنا أبو إسحاق عن البراء بن عازب قال كان رجل يقرأ سورة الكهف وإلى جانبه حصان مربوط بشطنين فتغشته سحابة فجعلت تدنو وتدنو وجعل فرسه ينفر فلما أصبح أتى النبي صلى الله عليه وسلم فذكر ذلك له فقال تلك السكينة تنزلت بالقرآن.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00