সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাতিব (ওয়াহী লিখক)
সহিহ বুখারী ৪৯৮৯
يحيى بن بكير حدثنا الليث عن يونس عن ابن شهاب أن ابن السباق قال إن زيد بن ثابت قال أرسل إلي أبو بكر رضي الله عنه قال إنك كنت تكتب الوحي لرسول الله صلى الله عليه وسلم فاتبع القرآن فتتبعت حتى وجدت آخر سورة التوبة آيتين مع أبي خزيمة الأنصاري لم أجدهما مع أحد غيره{لقد جاءكم رسول من أنفسكم عزيز عليه ما عنتم} إلى آخرها.
যায়দ ইব্নু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ বকর (রাঃ) আমাকে ডেকে পাঠালেন এবং বললেন, তুমি রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর ওয়াহী লিখতে। সুতরাং তুমি কুরআনের আয়াতগুলো খোঁজ কর। এরপর আমি খোঁজ করলাম। অবশেষে সূরা তওবার শেষ দু’টো আয়াত আমি আবূ খুযায়মা আনসারী (রাঃ)- এর কাছে পেলাম। তিনি ছাড়া আর কারো কাছে আমি এর সন্ধান পাইনি। আয়াত দু’টো হচ্ছে এইঃ “তোমাদের কাছে এসেছেন তোমাদেরই মধ্য থেকে একজন রসূল। তার পক্ষে অতি দুঃসহ-দুর্বহ সেসব বিষয় যা তোমাদেরকে বিপন্ন করে, তিনি তোমাদের অতিশয় হিতকামী, মু’মিনদের প্রতি বড়ই স্নেহশীল, খুবই দয়ালু। এতদসত্ত্বেও তারা যদি মুখ ফিরিয়ে নেয় তবে আপনি বলে দিন- আমার জন্য আল্লাহ্ই যথেষ্ট, তিনি ব্যতীত অন্য কোন মা’বুদ নেই। তাঁরই উপর আমি ভরসা করি এবং তিনি বিরাট আরশের অধিপতি”- (সূরা আত্-তাওবাহ ৯/১২৮-১২৯)।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬১৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬২৩)
যায়দ ইব্নু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ বকর (রাঃ) আমাকে ডেকে পাঠালেন এবং বললেন, তুমি রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর ওয়াহী লিখতে। সুতরাং তুমি কুরআনের আয়াতগুলো খোঁজ কর। এরপর আমি খোঁজ করলাম। অবশেষে সূরা তওবার শেষ দু’টো আয়াত আমি আবূ খুযায়মা আনসারী (রাঃ)- এর কাছে পেলাম। তিনি ছাড়া আর কারো কাছে আমি এর সন্ধান পাইনি। আয়াত দু’টো হচ্ছে এইঃ “তোমাদের কাছে এসেছেন তোমাদেরই মধ্য থেকে একজন রসূল। তার পক্ষে অতি দুঃসহ-দুর্বহ সেসব বিষয় যা তোমাদেরকে বিপন্ন করে, তিনি তোমাদের অতিশয় হিতকামী, মু’মিনদের প্রতি বড়ই স্নেহশীল, খুবই দয়ালু। এতদসত্ত্বেও তারা যদি মুখ ফিরিয়ে নেয় তবে আপনি বলে দিন- আমার জন্য আল্লাহ্ই যথেষ্ট, তিনি ব্যতীত অন্য কোন মা’বুদ নেই। তাঁরই উপর আমি ভরসা করি এবং তিনি বিরাট আরশের অধিপতি”- (সূরা আত্-তাওবাহ ৯/১২৮-১২৯)।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬১৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬২৩)
يحيى بن بكير حدثنا الليث عن يونس عن ابن شهاب أن ابن السباق قال إن زيد بن ثابت قال أرسل إلي أبو بكر رضي الله عنه قال إنك كنت تكتب الوحي لرسول الله صلى الله عليه وسلم فاتبع القرآن فتتبعت حتى وجدت آخر سورة التوبة آيتين مع أبي خزيمة الأنصاري لم أجدهما مع أحد غيره{لقد جاءكم رسول من أنفسكم عزيز عليه ما عنتم} إلى آخرها.
সহিহ বুখারী ৪৯৯০
عبيد الله بن موسى عن إسرائيل عن أبي إسحاق عن البراء قال لما نزلت{لا يستوي القاعدون من المؤمنين ....والمجاهدون في سبيل الله} قال النبي صلى الله عليه وسلم ادع لي زيدا وليجئ باللوح والدواة والكتف أو الكتف والدواة ثم قال اكتب{لا يستوي القاعدون} وخلف ظهر النبي صلى الله عليه وسلم عمرو بن أم مكتوم الأعمى قال يا رسول الله فما تأمرني فإني رجل ضرير البصر فنزلت مكانها{لا يستوي القاعدون من المؤمنين والمجاهدون في سبيل الله غير أولي الضرر}.
বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (আরবি) আয়াতটি অবতীর্ণ হলে নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যায়দকে আমার কাছে ডেকে আন এবং তাকে বল সে যেন কাষ্ঠখণ্ড, দোয়াত এবং কাঁধের হাড় (রাবী বলেন- অথবা তিনি বলছেন, কাঁধের হাড় এবং দোয়াত) নিয়ে আসে। এরপর তিনি বললেন, লিখ। এ সময় অন্ধ সহাবী আম্র ইব্নু উম্মু মাকতূম (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর পেছনে বসা ছিলেন। তিনি বললেন, আমি তো অন্ধ, আমার ব্যাপারে আপনার কী নির্দেশ? এ কথার প্রেক্ষিতে পূর্বোক্ত আয়াতের পরিবর্তে অবতীর্ণ হলঃ “সমান নয় সেসব মু’মিন যারা বিনা ওজরে ঘরে বসে থাকে এবং ঐসব মু’মিন যারা আল্লাহ্র পথে নিজেদের জানমাল দিয়ে জিহাদ করে” – (সূরা আন-নিসা ৪/৯৫)।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬১৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬২৪)
বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (আরবি) আয়াতটি অবতীর্ণ হলে নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যায়দকে আমার কাছে ডেকে আন এবং তাকে বল সে যেন কাষ্ঠখণ্ড, দোয়াত এবং কাঁধের হাড় (রাবী বলেন- অথবা তিনি বলছেন, কাঁধের হাড় এবং দোয়াত) নিয়ে আসে। এরপর তিনি বললেন, লিখ। এ সময় অন্ধ সহাবী আম্র ইব্নু উম্মু মাকতূম (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর পেছনে বসা ছিলেন। তিনি বললেন, আমি তো অন্ধ, আমার ব্যাপারে আপনার কী নির্দেশ? এ কথার প্রেক্ষিতে পূর্বোক্ত আয়াতের পরিবর্তে অবতীর্ণ হলঃ “সমান নয় সেসব মু’মিন যারা বিনা ওজরে ঘরে বসে থাকে এবং ঐসব মু’মিন যারা আল্লাহ্র পথে নিজেদের জানমাল দিয়ে জিহাদ করে” – (সূরা আন-নিসা ৪/৯৫)।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬১৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬২৪)
عبيد الله بن موسى عن إسرائيل عن أبي إسحاق عن البراء قال لما نزلت{لا يستوي القاعدون من المؤمنين ....والمجاهدون في سبيل الله} قال النبي صلى الله عليه وسلم ادع لي زيدا وليجئ باللوح والدواة والكتف أو الكتف والدواة ثم قال اكتب{لا يستوي القاعدون} وخلف ظهر النبي صلى الله عليه وسلم عمرو بن أم مكتوم الأعمى قال يا رسول الله فما تأمرني فإني رجل ضرير البصر فنزلت مكانها{لا يستوي القاعدون من المؤمنين والمجاهدون في سبيل الله غير أولي الضرر}.
সহিহ বুখারী > কুরআন সাত উপ (আঞ্চলিক) ভাষায় অবতীর্ণ হয়েছে।
সহিহ বুখারী ৪৯৯১
سعيد بن عفير قال حدثني الليث قال حدثني عقيل عن ابن شهاب قال حدثني عبيد الله بن عبد الله أن عبد الله بن عباس رضي الله عنهما حدثه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أقرأني جبريل على حرف فراجعته فلم أزل أستزيده ويزيدني حتى انتهى إلى سبعة أحرف
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, জিব্রীল (আঃ) আমাকে একভাবে কুরআন শিক্ষা দিয়েছেন। এরপর আমি তাঁকে অন্যভাবে পাঠ করার জন্য অনুরোধ করতে লাগলাম এবং বার বার অন্যভাবে পাঠ করার জন্য ক্রমাগত অনুরোধ করতে থাকলে তিনি আমার জন্য তিলাওয়াতের পদ্ধতি বাড়িয়ে যেতে লাগলেন। অবশেষে তিনি সাত আঞ্চলিক ভাষায় তিলাওয়াত করে সমাপ্ত করলেন।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬২০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬২৫)
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, জিব্রীল (আঃ) আমাকে একভাবে কুরআন শিক্ষা দিয়েছেন। এরপর আমি তাঁকে অন্যভাবে পাঠ করার জন্য অনুরোধ করতে লাগলাম এবং বার বার অন্যভাবে পাঠ করার জন্য ক্রমাগত অনুরোধ করতে থাকলে তিনি আমার জন্য তিলাওয়াতের পদ্ধতি বাড়িয়ে যেতে লাগলেন। অবশেষে তিনি সাত আঞ্চলিক ভাষায় তিলাওয়াত করে সমাপ্ত করলেন।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬২০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬২৫)
سعيد بن عفير قال حدثني الليث قال حدثني عقيل عن ابن شهاب قال حدثني عبيد الله بن عبد الله أن عبد الله بن عباس رضي الله عنهما حدثه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أقرأني جبريل على حرف فراجعته فلم أزل أستزيده ويزيدني حتى انتهى إلى سبعة أحرف
সহিহ বুখারী ৪৯৯২
سعيد بن عفير قال حدثني الليث قال حدثني عقيل عن ابن شهاب قال حدثني عروة بن الزبير أن المسور بن مخرمة وعبد الرحمن بن عبد القاري حدثاه أنهما سمعا عمر بن الخطاب يقول سمعت هشام بن حكيم بن حزام يقرأ سورة الفرقان في حياة رسول الله صلى الله عليه وسلم فاستمعت لقراءته فإذا هو يقرأ على حروف كثيرة لم يقرئنيها رسول الله صلى الله عليه وسلم فكدت أساوره في الصلاة فتصبرت حتى سلم فلببته بردائه فقلت من أقرأك هذه السورة التي سمعتك تقرأ قال أقرأنيها رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت كذبت فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أقرأنيها على غير ما قرأت فانطلقت به أقوده إلى رسول الله صلى الله عليه وسلمفقلت إني سمعت هذا يقرأ بسورة الفرقان على حروف لم تقرئنيها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أرسله اقرأ يا هشام فقرأ عليه القراءة التي سمعته يقرأ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم كذلك أنزلت ثم قال اقرأ يا عمر فقرأت القراءة التي أقرأني فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم كذلك أنزلت إن هذا القرآن أنزل على سبعة أحرف فاقرءوا ما تيسر منه.
‘উমার ইব্নুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হিশাম ইব্নু হাকীম (রাঃ)- কে রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)– এর জীবদ্দশায় সূরা ফুরকান তিলাওয়াত করতে শুনেছি এবং গভীর মনোযোগ দিয়ে আমি তাঁর কিরাআত শুনেছি। তিনি বিভিন্নভাবে কিরায়াত পাঠ করেছেন; অথচ রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে এভাবে শিক্ষা দেননি। এ কারণে সলাতের মাঝে আমি তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য আমি উদ্যত হয়ে পড়েছিলাম, কিন্তু বড় কষ্টে নিজেকে সামলে নিলাম। তারপর সে সালাম ফিরালে আমি চাদর দিয়ে তার গলা পেঁচিয়ে ধরলাম এবং জিজ্ঞেস করলাম, তোমাকে এ সূরা যেভাবে পাঠ করতে শুনলাম, এভাবে তোমাকে কে শিক্ষা দিয়েছে? সে বলল, রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)– ই আমাকে এভাবে শিক্ষা দিয়েছেন। আমি বললাম, তুমি মিথ্যা বলছ। কারণ, তুমি যেভাবে পাঠ করেছ, এর থেকে ভিন্ন ভাবে রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে শিক্ষা দিয়েছেন। এরপর আমি তাকে জোর করে টেনে রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)– এর কাছে নিয়ে গেলাম এবং বললাম, আপনি আমাকে সূরা ফুরকান যেভাবে পাঠ করতে শিখিয়েছেন এ লোককে আমি এর থেকে ভিন্নভাবে তা পাঠ করতে শুনেছি। এ কথা শুনে রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাকে ছেড়ে দাও। হিশাম, তুমি পাঠ করে শোনাও। তারপর সে সেভাবে পাঠ করে শোনাল, যেভাবে আমি তাঁকে পাঠ করতে শুনেছি। তখন আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এভাবেই অবতীর্ণ করা হয়েছে। এরপর বললেন, হে ‘উমার! তুমিও পড়। সুতরাং আমাকে তিনি যেভাবে শিক্ষা দিয়েছেন, সেভাবেই আমি পাঠ করলাম। এবারও রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এভাবেও কুরআন অবতীর্ণ করা হয়েছে। এ কুরআন সাত আঞ্চলিক ভাষায় অবতীর্ণ করা হয়েছে। সুতরাং তোমাদের জন্য যা বেশি সহজ, সেভাবেই তোমরা পাঠ কর।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬২১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬২৬)
‘উমার ইব্নুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হিশাম ইব্নু হাকীম (রাঃ)- কে রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)– এর জীবদ্দশায় সূরা ফুরকান তিলাওয়াত করতে শুনেছি এবং গভীর মনোযোগ দিয়ে আমি তাঁর কিরাআত শুনেছি। তিনি বিভিন্নভাবে কিরায়াত পাঠ করেছেন; অথচ রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে এভাবে শিক্ষা দেননি। এ কারণে সলাতের মাঝে আমি তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য আমি উদ্যত হয়ে পড়েছিলাম, কিন্তু বড় কষ্টে নিজেকে সামলে নিলাম। তারপর সে সালাম ফিরালে আমি চাদর দিয়ে তার গলা পেঁচিয়ে ধরলাম এবং জিজ্ঞেস করলাম, তোমাকে এ সূরা যেভাবে পাঠ করতে শুনলাম, এভাবে তোমাকে কে শিক্ষা দিয়েছে? সে বলল, রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)– ই আমাকে এভাবে শিক্ষা দিয়েছেন। আমি বললাম, তুমি মিথ্যা বলছ। কারণ, তুমি যেভাবে পাঠ করেছ, এর থেকে ভিন্ন ভাবে রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে শিক্ষা দিয়েছেন। এরপর আমি তাকে জোর করে টেনে রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)– এর কাছে নিয়ে গেলাম এবং বললাম, আপনি আমাকে সূরা ফুরকান যেভাবে পাঠ করতে শিখিয়েছেন এ লোককে আমি এর থেকে ভিন্নভাবে তা পাঠ করতে শুনেছি। এ কথা শুনে রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাকে ছেড়ে দাও। হিশাম, তুমি পাঠ করে শোনাও। তারপর সে সেভাবে পাঠ করে শোনাল, যেভাবে আমি তাঁকে পাঠ করতে শুনেছি। তখন আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এভাবেই অবতীর্ণ করা হয়েছে। এরপর বললেন, হে ‘উমার! তুমিও পড়। সুতরাং আমাকে তিনি যেভাবে শিক্ষা দিয়েছেন, সেভাবেই আমি পাঠ করলাম। এবারও রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এভাবেও কুরআন অবতীর্ণ করা হয়েছে। এ কুরআন সাত আঞ্চলিক ভাষায় অবতীর্ণ করা হয়েছে। সুতরাং তোমাদের জন্য যা বেশি সহজ, সেভাবেই তোমরা পাঠ কর।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬২১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬২৬)
سعيد بن عفير قال حدثني الليث قال حدثني عقيل عن ابن شهاب قال حدثني عروة بن الزبير أن المسور بن مخرمة وعبد الرحمن بن عبد القاري حدثاه أنهما سمعا عمر بن الخطاب يقول سمعت هشام بن حكيم بن حزام يقرأ سورة الفرقان في حياة رسول الله صلى الله عليه وسلم فاستمعت لقراءته فإذا هو يقرأ على حروف كثيرة لم يقرئنيها رسول الله صلى الله عليه وسلم فكدت أساوره في الصلاة فتصبرت حتى سلم فلببته بردائه فقلت من أقرأك هذه السورة التي سمعتك تقرأ قال أقرأنيها رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت كذبت فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أقرأنيها على غير ما قرأت فانطلقت به أقوده إلى رسول الله صلى الله عليه وسلمفقلت إني سمعت هذا يقرأ بسورة الفرقان على حروف لم تقرئنيها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أرسله اقرأ يا هشام فقرأ عليه القراءة التي سمعته يقرأ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم كذلك أنزلت ثم قال اقرأ يا عمر فقرأت القراءة التي أقرأني فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم كذلك أنزلت إن هذا القرآن أنزل على سبعة أحرف فاقرءوا ما تيسر منه.
সহিহ বুখারী > কুরআন সংকলন
সহিহ বুখারী ৪৯৯৫
أبو الوليد حدثنا شعبة أنبأنا أبو إسحاق سمع البراء بن عازب رضي الله عنه قال تعلمت{سبح اسم ربك} الأعلى قبل أن يقدم النبي صلى الله عليه وسلم.
বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনা্য় আসার পূর্বে আমি سَبِّحْ اسْمَ رَبِّكَ সূরাটি শিখেছি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬২৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬২৯)
বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনা্য় আসার পূর্বে আমি سَبِّحْ اسْمَ رَبِّكَ সূরাটি শিখেছি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬২৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬২৯)
أبو الوليد حدثنا شعبة أنبأنا أبو إسحاق سمع البراء بن عازب رضي الله عنه قال تعلمت{سبح اسم ربك} الأعلى قبل أن يقدم النبي صلى الله عليه وسلم.
সহিহ বুখারী ৪৯৯৪
آدم حدثنا شعبة عن أبي إسحاق قال سمعت عبد الرحمن بن يزيد بن قيس سمعت ابن مسعود يقول في بني إسرائيل والكهف ومريم وطه والأنبياء إنهن من العتاق الأول وهن من تلادي.
ইব্নু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তিনি সূরা বানী ইসরাঈল, সূরা কাহ্ফ, সূরা মারিয়াম, সূরা ত্বাহা এবং সূরা আম্বিয়া সম্পর্কে বলতেন যে, এগুলো হচ্ছে আমার সর্বপ্রথম সম্পদ এবং এগুলো আমার পুরাতন সম্পত্তি।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬২৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬২৮)
ইব্নু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তিনি সূরা বানী ইসরাঈল, সূরা কাহ্ফ, সূরা মারিয়াম, সূরা ত্বাহা এবং সূরা আম্বিয়া সম্পর্কে বলতেন যে, এগুলো হচ্ছে আমার সর্বপ্রথম সম্পদ এবং এগুলো আমার পুরাতন সম্পত্তি।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬২৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬২৮)
آدم حدثنا شعبة عن أبي إسحاق قال سمعت عبد الرحمن بن يزيد بن قيس سمعت ابن مسعود يقول في بني إسرائيل والكهف ومريم وطه والأنبياء إنهن من العتاق الأول وهن من تلادي.
সহিহ বুখারী ৪৯৯৬
عبدان عن أبي حمزة عن الأعمش عن شقيق قال قال عبد الله لقد تعلمت النظائر التي كان النبي صلى الله عليه وسلم يقرؤهن اثنين اثنين في كل ركعة فقام عبد الله ودخل معه علقمة وخرج علقمة فسألناه فقال عشرون سورة من أول المفصل على تأليف ابن مسعود آخرهن الحواميم{حمالدخان} و{عم يتساءلون}.
‘আব্দুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সমপর্যায়ের ঐ সূরাগুলো সম্পর্কে আমি খুব অবগত আছি, যা নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি রাক‘আতে জোড়া জোড়া পাঠ করতেন। তারপর ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) দাঁড়ালেন এবং ‘আলক্বামাহ (রহ.) তাকে অনুসরণ করলেন। যখন ‘আলক্বামাহ (রহ.) বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসলেন তখন আমরা তাকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, এগুলো হচ্ছে মোট বিশটি সূরা, ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ)-এর সংকলন মুতাবিক মুফাস্সাল থেকে যার শুরু এবং যার শেষ হচ্ছে الْحَوَامِيْمُ অর্থাৎ ‘হামীম’ ‘আদ্দুখান’ এবং ‘আম্মা ইয়াতাসা আলুন’। [৭৭৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬২৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৩০)
‘আব্দুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সমপর্যায়ের ঐ সূরাগুলো সম্পর্কে আমি খুব অবগত আছি, যা নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি রাক‘আতে জোড়া জোড়া পাঠ করতেন। তারপর ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) দাঁড়ালেন এবং ‘আলক্বামাহ (রহ.) তাকে অনুসরণ করলেন। যখন ‘আলক্বামাহ (রহ.) বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসলেন তখন আমরা তাকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, এগুলো হচ্ছে মোট বিশটি সূরা, ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ)-এর সংকলন মুতাবিক মুফাস্সাল থেকে যার শুরু এবং যার শেষ হচ্ছে الْحَوَامِيْمُ অর্থাৎ ‘হামীম’ ‘আদ্দুখান’ এবং ‘আম্মা ইয়াতাসা আলুন’। [৭৭৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬২৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৩০)
عبدان عن أبي حمزة عن الأعمش عن شقيق قال قال عبد الله لقد تعلمت النظائر التي كان النبي صلى الله عليه وسلم يقرؤهن اثنين اثنين في كل ركعة فقام عبد الله ودخل معه علقمة وخرج علقمة فسألناه فقال عشرون سورة من أول المفصل على تأليف ابن مسعود آخرهن الحواميم{حمالدخان} و{عم يتساءلون}.
সহিহ বুখারী ৪৯৯৩
إبراهيم بن موسى أخبرنا هشام بن يوسف أن ابن جريج أخبرهم قال وأخبرني يوسف بن ماهك قال إني عند عائشة أم المؤمنين رضي الله عنها إذ جاءها عراقي فقال أي الكفن خير قالت ويحك وما يضرك قال يا أم المؤمنين أريني مصحفك قالت لم قال لعلي أولف القرآن عليه فإنه يقرأ غير مؤلف قالت وما يضرك أيه قرأت قبل إنما نزل أول ما نزل منه سورة من المفصل فيها ذكر الجنة والنار حتى إذا ثاب الناس إلى الإسلام نزل الحلال والحرام ولو نزل أول شيء لا تشربوا الخمر لقالوا لا ندع الخمر أبدا ولو نزل لا تزنوا لقالوا لا ندع الزنا أبدا لقد نزل بمكة على محمد صلى الله عليه وسلم وإني لجارية ألعب{بل الساعة موعدهم والساعة أدهٰى وأمر} وما نزلت سورة البقرة والنساء إلا وأنا عنده قال فأخرجت له المصحف فأملت عليه آي السور.
ইউসুফ ইব্নু মাহিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর কাছে ছিলাম। এমন সময় এক ইরাকী ব্যক্তি এসে তাঁকে জিজ্ঞেস করলঃ কোন্ ধরনের কাফন শ্রেষ্ঠ? তিনি বললেন, আফ্সোস তোমার প্রতি! এতে তোমার কী ক্ষতি? তারপর লোকটি বলল, হে উম্মুল মু’মিনীন! আমাকে আপনি আপনার কুরআনের কপি দেখান। তিনি বললেন, কেন? লোকটি বলল, এ তারতীবে কুরআনকে বিন্যস্ত করার জন্য। কারণ লোকেরা তাকে অবিন্যস্তভাবে পাঠ করে। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, তোমরা এর যে অংশই আগে পাঠ কর না কেন, এতে তোমাদের কোন ক্ষতি নেই। (الْمُفَصَّلِ) মুফাস্সাল সূরাহ সমূহের মাঝে প্রথমত ঐ সূরাগুলো অবতীর্ণ হয়েছে যার মধ্যে জান্নাত ও জাহান্নামের উল্লেখ রয়েছে। তারপর যখন লোকেরা দলে দলে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে লাগল তখন হালাল-হারামের বিধান সম্বলিত সূরাগুলো অবতীর্ণ হয়েছে। যদি প্রথমেই এ আয়াত অবতীর্ণ হত যে, তোমরা মদ পান করো না, তাহলে লোকেরা বলত, আমরা কখনো মদপান ত্যাগ করব না। যদি শুরুতে অবতীর্ণ হতো তোমার ব্যভিচার করো না, তাহলে তারা বলত আমরা কখনো অবৈধ যৌনাচার ত্যাগ করব না। আমি যখন খেলাধূলার বয়সী একজন বালিকা তখন মক্কা্য় মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি নিম্নলিখিত আয়াতগুলো অবতীর্ণ হয়ঃ بَلِ السَّاعَةُ مَوْعِدُهُمْ وَالسَّاعَةُ أَدْهٰى وَأَمَرُّ মানে, ‘‘অধিকন্তু ক্বিয়ামাত তাদের শাস্তির নির্ধারিত কাল এবং ক্বিয়ামাত হবে কঠিনতর ও তিক্ততর।’’ (বিধান সম্বলিত) সূরাহ বাকারাহ ও সূরাহ নিসা আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে থাকাকালীন অবস্থায় অবতীর্ণ হয়। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর ‘আয়িশাহ (রাঃ) তাঁর কাছে সংরক্ষিত কুরআনের কপি বের করলেন এবং সূরাসমূহ লেখালেন। [৪৮৭৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬২২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬২৭)
ইউসুফ ইব্নু মাহিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর কাছে ছিলাম। এমন সময় এক ইরাকী ব্যক্তি এসে তাঁকে জিজ্ঞেস করলঃ কোন্ ধরনের কাফন শ্রেষ্ঠ? তিনি বললেন, আফ্সোস তোমার প্রতি! এতে তোমার কী ক্ষতি? তারপর লোকটি বলল, হে উম্মুল মু’মিনীন! আমাকে আপনি আপনার কুরআনের কপি দেখান। তিনি বললেন, কেন? লোকটি বলল, এ তারতীবে কুরআনকে বিন্যস্ত করার জন্য। কারণ লোকেরা তাকে অবিন্যস্তভাবে পাঠ করে। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, তোমরা এর যে অংশই আগে পাঠ কর না কেন, এতে তোমাদের কোন ক্ষতি নেই। (الْمُفَصَّلِ) মুফাস্সাল সূরাহ সমূহের মাঝে প্রথমত ঐ সূরাগুলো অবতীর্ণ হয়েছে যার মধ্যে জান্নাত ও জাহান্নামের উল্লেখ রয়েছে। তারপর যখন লোকেরা দলে দলে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে লাগল তখন হালাল-হারামের বিধান সম্বলিত সূরাগুলো অবতীর্ণ হয়েছে। যদি প্রথমেই এ আয়াত অবতীর্ণ হত যে, তোমরা মদ পান করো না, তাহলে লোকেরা বলত, আমরা কখনো মদপান ত্যাগ করব না। যদি শুরুতে অবতীর্ণ হতো তোমার ব্যভিচার করো না, তাহলে তারা বলত আমরা কখনো অবৈধ যৌনাচার ত্যাগ করব না। আমি যখন খেলাধূলার বয়সী একজন বালিকা তখন মক্কা্য় মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি নিম্নলিখিত আয়াতগুলো অবতীর্ণ হয়ঃ بَلِ السَّاعَةُ مَوْعِدُهُمْ وَالسَّاعَةُ أَدْهٰى وَأَمَرُّ মানে, ‘‘অধিকন্তু ক্বিয়ামাত তাদের শাস্তির নির্ধারিত কাল এবং ক্বিয়ামাত হবে কঠিনতর ও তিক্ততর।’’ (বিধান সম্বলিত) সূরাহ বাকারাহ ও সূরাহ নিসা আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে থাকাকালীন অবস্থায় অবতীর্ণ হয়। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর ‘আয়িশাহ (রাঃ) তাঁর কাছে সংরক্ষিত কুরআনের কপি বের করলেন এবং সূরাসমূহ লেখালেন। [৪৮৭৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬২২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬২৭)
إبراهيم بن موسى أخبرنا هشام بن يوسف أن ابن جريج أخبرهم قال وأخبرني يوسف بن ماهك قال إني عند عائشة أم المؤمنين رضي الله عنها إذ جاءها عراقي فقال أي الكفن خير قالت ويحك وما يضرك قال يا أم المؤمنين أريني مصحفك قالت لم قال لعلي أولف القرآن عليه فإنه يقرأ غير مؤلف قالت وما يضرك أيه قرأت قبل إنما نزل أول ما نزل منه سورة من المفصل فيها ذكر الجنة والنار حتى إذا ثاب الناس إلى الإسلام نزل الحلال والحرام ولو نزل أول شيء لا تشربوا الخمر لقالوا لا ندع الخمر أبدا ولو نزل لا تزنوا لقالوا لا ندع الزنا أبدا لقد نزل بمكة على محمد صلى الله عليه وسلم وإني لجارية ألعب{بل الساعة موعدهم والساعة أدهٰى وأمر} وما نزلت سورة البقرة والنساء إلا وأنا عنده قال فأخرجت له المصحف فأملت عليه آي السور.
সহিহ বুখারী > জিব্রীল (আঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে কুরআন মাজীদ শুনতেন ও শুনাতেন।
সহিহ বুখারী ৪৯৯৭
يحيى بن قزعة حدثنا إبراهيم بن سعد عن الزهري عن عبيد الله بن عبد الله عن ابن عباس رضي الله عنهما قال كان النبي صلى الله عليه وسلم أجود الناس بالخير وأجود ما يكون في شهر رمضان لأن جبريل كان يلقاه في كل ليلة في شهر رمضان حتى ينسلخ يعرض عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم القرآن فإذا لقيه جبريل كان أجود بالخير من الريح المرسلة.
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কল্যাণের কাজে ছিলেন সর্বাধিক দানশীল, বিশেষভাবে রমাযান মাসে। (তাঁর দানশীলতার কোন সীমা ছিল না) কেননা, রমাযান মাসের শেষ পর্যন্ত প্রত্যেক রাত্রে জিব্রীল (আঃ) তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন এবং তিনি তাঁকে কুরআন তিলাওয়াত করে শোনাতেন। যখন জিব্রীল (আঃ) তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন তখন তিনি কল্যাণের জন্য প্রবাহমান বায়ুর চেয়েও বেশি দানশীল হতেন।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬২৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৩১)
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কল্যাণের কাজে ছিলেন সর্বাধিক দানশীল, বিশেষভাবে রমাযান মাসে। (তাঁর দানশীলতার কোন সীমা ছিল না) কেননা, রমাযান মাসের শেষ পর্যন্ত প্রত্যেক রাত্রে জিব্রীল (আঃ) তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন এবং তিনি তাঁকে কুরআন তিলাওয়াত করে শোনাতেন। যখন জিব্রীল (আঃ) তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন তখন তিনি কল্যাণের জন্য প্রবাহমান বায়ুর চেয়েও বেশি দানশীল হতেন।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬২৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৩১)
يحيى بن قزعة حدثنا إبراهيم بن سعد عن الزهري عن عبيد الله بن عبد الله عن ابن عباس رضي الله عنهما قال كان النبي صلى الله عليه وسلم أجود الناس بالخير وأجود ما يكون في شهر رمضان لأن جبريل كان يلقاه في كل ليلة في شهر رمضان حتى ينسلخ يعرض عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم القرآن فإذا لقيه جبريل كان أجود بالخير من الريح المرسلة.
সহিহ বুখারী ৪৯৯৮
خالد بن يزيد حدثنا أبو بكر عن أبي حصين عن أبي صالح عن أبي هريرة قال كان يعرض على النبي صلى الله عليه وسلم القرآن كل عام مرة فعرض عليه مرتين في العام الذي قبض فيه وكان يعتكف كل عام عشرا فاعتكف عشرين في العام الذي قبض فيه
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, প্রতি বছর জিব্রীল (আঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে একবার কুরআন মাজীদ শোনাতেন ও শুনতেন। কিন্তু যে বছর তাঁর ওফাত হয় সে বছর তিনি রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে দু’বার শুনিয়েছেন। প্রতি বছর নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমাযানে দশ দিন ই’তিকাফ করতেন। কিন্তু যে বছর তাঁর ওফাত হয় সে বছর তিনি বিশ দিন ই’তিকাফ করেন।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬২৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৩২)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, প্রতি বছর জিব্রীল (আঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে একবার কুরআন মাজীদ শোনাতেন ও শুনতেন। কিন্তু যে বছর তাঁর ওফাত হয় সে বছর তিনি রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে দু’বার শুনিয়েছেন। প্রতি বছর নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমাযানে দশ দিন ই’তিকাফ করতেন। কিন্তু যে বছর তাঁর ওফাত হয় সে বছর তিনি বিশ দিন ই’তিকাফ করেন।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬২৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৩২)
خالد بن يزيد حدثنا أبو بكر عن أبي حصين عن أبي صالح عن أبي هريرة قال كان يعرض على النبي صلى الله عليه وسلم القرآن كل عام مرة فعرض عليه مرتين في العام الذي قبض فيه وكان يعتكف كل عام عشرا فاعتكف عشرين في العام الذي قبض فيه