সহিহ বুখারী > ‘‘নিশ্চয় এর একত্রীকরণ ও পাঠ করিয়ে দেয়ার দায়িত্ব আমার।’’ (সূর আল-ক্বিয়ামাহ ৭৫/১৭)

সহিহ বুখারী ৪৯২৮

عبيد الله بن موسى عن إسرائيل عن موسى بن أبي عائشة أنه سأل سعيد بن جبير عن قوله تعالى {لا تحرك بهٰ لسانك} قال وقال ابن عباس كان يحرك شفتيه إذا أنزل عليه فقيل له {لا تحرك بهٰ لسانك} يخشى أن ينفلت منه {إن علينا جمعه” وقراٰنه} أن نجمعه في صدرك وقرآنه أن تقرأه {فإذا قرأناه} يقول أنزل عليه {فاتبع قراٰنه” ج -ثم إن علينا بيانه”} أن نبينه على لسانك.

মূসা ইব্‌নু আবূ ‘আয়িশাহ (রহ.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি لاَ تُحَرِّكْ بِهِ لِسَانَكَ আল্লাহ্‌র এই বাণী সম্পর্কে সা‘ঈদ ইব্‌নু যুবায়র (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করার পর তিনি বললেন, ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর প্রতি যখন ওয়াহী অবতীর্ণ করা হত, তখন তিনি তাঁর ঠোঁট দু’টো দ্রুত নাড়তেন। তখন তাঁকে বলা হল, তাড়াতাড়ি ওয়াহী আয়ত্ত করার জন্য তুমি তোমার জিহ্বা নাড়বে না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ওয়াহী ভুলে যাবার আশংকায় এমন করতেন। নিশ্চয়ই এ কুরআন সংরক্ষণ ও পাঠ করিয়ে দেয়ার দায়িত্ব আমারই। অর্থাৎ আমি নিজেই তাকে তোমার স্মৃতিতে সংরক্ষণ করব। তাই আমি যখন তা পাঠ করব অর্থাৎ যখন তোমার প্রতি ওয়াহী অবতীর্ণ হতে থাকবে, তখন তুমি তার অনুসরণ করবে। এরপর তা বর্ণনা করার দাযিত্ব আমারই অর্থাৎ এ কুরআনকে তোমার মুখ দিয়ে বর্ণনা করিয়ে দেয়ার দায়িত্ব আমার। [৫] (আ.প্র. ৪৫৫৯, ই.ফা. ৪৫৬৩)

মূসা ইব্‌নু আবূ ‘আয়িশাহ (রহ.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি لاَ تُحَرِّكْ بِهِ لِسَانَكَ আল্লাহ্‌র এই বাণী সম্পর্কে সা‘ঈদ ইব্‌নু যুবায়র (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করার পর তিনি বললেন, ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর প্রতি যখন ওয়াহী অবতীর্ণ করা হত, তখন তিনি তাঁর ঠোঁট দু’টো দ্রুত নাড়তেন। তখন তাঁকে বলা হল, তাড়াতাড়ি ওয়াহী আয়ত্ত করার জন্য তুমি তোমার জিহ্বা নাড়বে না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ওয়াহী ভুলে যাবার আশংকায় এমন করতেন। নিশ্চয়ই এ কুরআন সংরক্ষণ ও পাঠ করিয়ে দেয়ার দায়িত্ব আমারই। অর্থাৎ আমি নিজেই তাকে তোমার স্মৃতিতে সংরক্ষণ করব। তাই আমি যখন তা পাঠ করব অর্থাৎ যখন তোমার প্রতি ওয়াহী অবতীর্ণ হতে থাকবে, তখন তুমি তার অনুসরণ করবে। এরপর তা বর্ণনা করার দাযিত্ব আমারই অর্থাৎ এ কুরআনকে তোমার মুখ দিয়ে বর্ণনা করিয়ে দেয়ার দায়িত্ব আমার। [৫] (আ.প্র. ৪৫৫৯, ই.ফা. ৪৫৬৩)

عبيد الله بن موسى عن إسرائيل عن موسى بن أبي عائشة أنه سأل سعيد بن جبير عن قوله تعالى {لا تحرك بهٰ لسانك} قال وقال ابن عباس كان يحرك شفتيه إذا أنزل عليه فقيل له {لا تحرك بهٰ لسانك} يخشى أن ينفلت منه {إن علينا جمعه” وقراٰنه} أن نجمعه في صدرك وقرآنه أن تقرأه {فإذا قرأناه} يقول أنزل عليه {فاتبع قراٰنه” ج -ثم إن علينا بيانه”} أن نبينه على لسانك.


সহিহ বুখারী > আল্লাহর বাণীঃ সুতরাং আমি যখন তা পাঠ করি, তখন আপনি সেই পাঠের অনুসরণ করুন। (সূরাহ আল-ক্বিয়ামাহ ৭৫/১৮)

সহিহ বুখারী ৪৯২৯

قتيبة بن سعيد حدثنا جرير عن موسى بن أبي عائشة عن سعيد بن جبير عن ابن عباس في قوله {لا تحرك بهٰ لسانك لتعجل بهٰ} قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا نزل جبريل بالوحي وكان مما يحرك به لسانه وشفتيه فيشتد عليه وكان يعرف منه فأنزل الله الآية التي في {لآ أقسم بيوم القيٰمة لا تحرك بهٰ لسانك لتعجل بهٰط- إن علينا جمعه” وقراٰنه} قال علينا أن نجمعه في صدرك وقرآنه {فإذا قرأناه فاتبع قرآنه} فإذا أنزلناه فاستمع {) ثم إن علينا بيانه”} علينا أن نبينه بلسانك قال فكان إذا أتاه جبريل أطرق فإذا ذهب قرأه كما وعده الله عز وجل {أولٰى لك فأولٰى} توعد

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আল্লাহ্‌র বাণী ঃ لاَ تُحَرِّكْ بِهِ لِسَانَكَ لِتَعْجَلَ بِهِ এ আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন যে, জিবরীল (‘আ.) যখন ওয়াহী নিয়ে আসতেন তখন রসূল তাঁর জিহ্বা ও ঠোঁট দু’টো দ্রুত নাড়তেন। এটা তাঁর জন্য কষ্টসাধ্য হত এবং তাঁর চেহারা দেখেই বোঝা যেত। তাই আল্লাহ্ তা‘আলা ঃ “তাড়াতাড়ি ওয়াহী আয়ত্ত করার জন্য তোমার জিহ্বা সঞ্চালন করবে না; এ কুরআন সংরক্ষণ ও পাঠ করিয়ে দেয়ার দায়িত্ব আমারই” অবতীর্ণ করলেন। এতে আল্লাহ ইরশাদ করেছেন ঃ এ কুরআনকে আপনার বক্ষে সংরক্ষিত করা ও পড়িয়ে দেয়ার ভার আমার উপর। সুতরাং আমি যখন তা পাঠ করি, তুমি সে পাঠের অনুসরণ কর, অর্থাৎ আমি যখন ওয়াহী অবতীর্ণ করি তখন তুমি মনোযোগ দিয়ে শুন। তারপর এর বিস্তারিত ব্যাখ্যার দায়িত্ব আমারই। অর্থাৎ তোমার মুখে তা বর্ণনা করার দায়িত্ব আমারই। রাবী বলেন, এরপর জিব্রীল (‘আ.) চলে গেলে আল্লাহ্‌র ওয়াদা ثُمَّ إِنَّ عَلَيْنَا بَيَانَهُ মুতাবিক তিনি তা পাঠ করতেন। أَوْلَى لَكَ فَأَوْلَى দুর্ভোগ তোমার জন্য, দুর্ভোগ! تَوَعُّدٌ এ আয়াতে ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে। [৫; মুসলিম ৪/৩২, হাঃ ৪৪৮, আহমাদ ৩১৯১] (আ.প্র. ৪৫৬০, ই.ফা. ৪৫৬৪)

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আল্লাহ্‌র বাণী ঃ لاَ تُحَرِّكْ بِهِ لِسَانَكَ لِتَعْجَلَ بِهِ এ আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন যে, জিবরীল (‘আ.) যখন ওয়াহী নিয়ে আসতেন তখন রসূল তাঁর জিহ্বা ও ঠোঁট দু’টো দ্রুত নাড়তেন। এটা তাঁর জন্য কষ্টসাধ্য হত এবং তাঁর চেহারা দেখেই বোঝা যেত। তাই আল্লাহ্ তা‘আলা ঃ “তাড়াতাড়ি ওয়াহী আয়ত্ত করার জন্য তোমার জিহ্বা সঞ্চালন করবে না; এ কুরআন সংরক্ষণ ও পাঠ করিয়ে দেয়ার দায়িত্ব আমারই” অবতীর্ণ করলেন। এতে আল্লাহ ইরশাদ করেছেন ঃ এ কুরআনকে আপনার বক্ষে সংরক্ষিত করা ও পড়িয়ে দেয়ার ভার আমার উপর। সুতরাং আমি যখন তা পাঠ করি, তুমি সে পাঠের অনুসরণ কর, অর্থাৎ আমি যখন ওয়াহী অবতীর্ণ করি তখন তুমি মনোযোগ দিয়ে শুন। তারপর এর বিস্তারিত ব্যাখ্যার দায়িত্ব আমারই। অর্থাৎ তোমার মুখে তা বর্ণনা করার দায়িত্ব আমারই। রাবী বলেন, এরপর জিব্রীল (‘আ.) চলে গেলে আল্লাহ্‌র ওয়াদা ثُمَّ إِنَّ عَلَيْنَا بَيَانَهُ মুতাবিক তিনি তা পাঠ করতেন। أَوْلَى لَكَ فَأَوْلَى দুর্ভোগ তোমার জন্য, দুর্ভোগ! تَوَعُّدٌ এ আয়াতে ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে। [৫; মুসলিম ৪/৩২, হাঃ ৪৪৮, আহমাদ ৩১৯১] (আ.প্র. ৪৫৬০, ই.ফা. ৪৫৬৪)

قتيبة بن سعيد حدثنا جرير عن موسى بن أبي عائشة عن سعيد بن جبير عن ابن عباس في قوله {لا تحرك بهٰ لسانك لتعجل بهٰ} قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا نزل جبريل بالوحي وكان مما يحرك به لسانه وشفتيه فيشتد عليه وكان يعرف منه فأنزل الله الآية التي في {لآ أقسم بيوم القيٰمة لا تحرك بهٰ لسانك لتعجل بهٰط- إن علينا جمعه” وقراٰنه} قال علينا أن نجمعه في صدرك وقرآنه {فإذا قرأناه فاتبع قرآنه} فإذا أنزلناه فاستمع {) ثم إن علينا بيانه”} علينا أن نبينه بلسانك قال فكان إذا أتاه جبريل أطرق فإذا ذهب قرأه كما وعده الله عز وجل {أولٰى لك فأولٰى} توعد


সহিহ বুখারী > পরিচ্ছেদ নাই।

সহিহ বুখারী ৪৯৩০

محمود حدثنا عبيد الله عن إسرائيل عن منصور عن إبراهيم عن علقمة عن عبد الله رضي الله عنه قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنزلت عليه {والمرسلات} وإنا لنتلقاها من فيه فخرجت حية فابتدرناها فسبقتنا فدخلت جحرها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم وقيت شركم كما وقيتم شرها.

‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম। এমন সময় তাঁর প্রতি অবতীর্ণ হল সূরাহ মুরসলাত। আমরা তাঁর মুখে শুনে সেটি শিখছিলাম। তখন একটি সাপ বেরিয়ে এল। আমরা ওদিকে দৌড়ে গেলাম, কিন্তু সাপটি আমাদের থেকে দ্রুত চলে গিয়ে গর্তে ঢুকে পড়ল। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ওটাও তোমাদের অনিষ্ট হতে বেঁচে গেল, তোমরা যেন ওটার অনিষ্ট হতে রক্ষা পেলে। [১৮৩০; মুসলিম ৩৯/৩৭, হাঃ ২২৩৪, আহমাদ ৪৩৫৭] (আ.প্র. ৪৫৬১, ই.ফা. ৪৫৬৫)

‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম। এমন সময় তাঁর প্রতি অবতীর্ণ হল সূরাহ মুরসলাত। আমরা তাঁর মুখে শুনে সেটি শিখছিলাম। তখন একটি সাপ বেরিয়ে এল। আমরা ওদিকে দৌড়ে গেলাম, কিন্তু সাপটি আমাদের থেকে দ্রুত চলে গিয়ে গর্তে ঢুকে পড়ল। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ওটাও তোমাদের অনিষ্ট হতে বেঁচে গেল, তোমরা যেন ওটার অনিষ্ট হতে রক্ষা পেলে। [১৮৩০; মুসলিম ৩৯/৩৭, হাঃ ২২৩৪, আহমাদ ৪৩৫৭] (আ.প্র. ৪৫৬১, ই.ফা. ৪৫৬৫)

محمود حدثنا عبيد الله عن إسرائيل عن منصور عن إبراهيم عن علقمة عن عبد الله رضي الله عنه قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنزلت عليه {والمرسلات} وإنا لنتلقاها من فيه فخرجت حية فابتدرناها فسبقتنا فدخلت جحرها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم وقيت شركم كما وقيتم شرها.


সহিহ বুখারী ৪৯৩১

عبدة بن عبد الله أخبرنا يحيى بن آدم عن إسرائيل عن منصور بهذا وعن إسرائيل عن الأعمش عن إبراهيم عن علقمة عن عبد الله مثله وتابعه أسود بن عامر عن إسرائيل وقال حفص وأبو معاوية وسليمان بن قرم عن الأعمش عن إبراهيم عن الأسود قال يحيى بن حماد أخبرنا أبو عوانة عن مغيرة عن إبراهيم عن علقمة عن عبد الله وقال ابن إسحاق عن عبد الرحمن بن الأسود عن أبيه عن عبد الله. حدثنا قتيبة حدثنا جرير عن الأعمش عن إبراهيم عن الأسود قال قال عبد الله بينا نحن مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في غار إذ نزلت عليه {والمرسلات} فتلقيناها من فيه وإن فاه لرطب بها إذ خرجت حية فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم عليكم اقتلوها قال فابتدرناها فسبقتنا قال فقال وقيت شركم كما وقيتم شرها.

‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইসরাঈল সূত্রে আসওয়াদ ইব্‌নু ‘আমির পূর্বের হাদীসটির অনুসরণ করেছেন। (অন্য সানাদে) হাফ্স, আবূ মু‘আবীয়াহ এবং সুলাইমান ইব্‌নু কারম (রহ.)....‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (অপর এক সানাদে) ইব্‌নু ইসহাক (রহ.)....‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে ঠিক এমনি বর্ণনা করেছেন। [১৮৩০] (ই.ফা. ৪৫৬৬) ‘আবদুল্লাহ্ (ইব্‌নু মাস‘ঊদ) (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, এক গুহার মধ্যে আমরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম। এমন সময় তাঁর প্রতি অবতীর্ণ হল সূরাহ ওয়াল মুরসলাত। আমরা তাঁর মুখ থেকে সেটা গ্রহণ করছিলাম। এ সুরার তিলাওয়াতে তখনও রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মুখ সিক্ত ছিঁঁল, হঠাৎ একটি সাপ বেরিয়ে এল। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “তোমরা ওটাকে মেরে ফেল।” ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বলেন, আমরা সেদিকে দৌড়ে গেলাম, কিন্তু সাপটি আমাদের আগে চলে গেল। বর্ণনাকারী বলেন, তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ওটা তোমাদের অনিষ্ট হতে বেঁচে গেল যেমনি তোমরা এর অনিষ্ট হতে বেঁচে গেলে। (আ.প্র. ৪৫৬২, ই.ফা. ৪৫৬৭)

‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইসরাঈল সূত্রে আসওয়াদ ইব্‌নু ‘আমির পূর্বের হাদীসটির অনুসরণ করেছেন। (অন্য সানাদে) হাফ্স, আবূ মু‘আবীয়াহ এবং সুলাইমান ইব্‌নু কারম (রহ.)....‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (অপর এক সানাদে) ইব্‌নু ইসহাক (রহ.)....‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে ঠিক এমনি বর্ণনা করেছেন। [১৮৩০] (ই.ফা. ৪৫৬৬) ‘আবদুল্লাহ্ (ইব্‌নু মাস‘ঊদ) (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, এক গুহার মধ্যে আমরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম। এমন সময় তাঁর প্রতি অবতীর্ণ হল সূরাহ ওয়াল মুরসলাত। আমরা তাঁর মুখ থেকে সেটা গ্রহণ করছিলাম। এ সুরার তিলাওয়াতে তখনও রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মুখ সিক্ত ছিঁঁল, হঠাৎ একটি সাপ বেরিয়ে এল। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “তোমরা ওটাকে মেরে ফেল।” ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বলেন, আমরা সেদিকে দৌড়ে গেলাম, কিন্তু সাপটি আমাদের আগে চলে গেল। বর্ণনাকারী বলেন, তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ওটা তোমাদের অনিষ্ট হতে বেঁচে গেল যেমনি তোমরা এর অনিষ্ট হতে বেঁচে গেলে। (আ.প্র. ৪৫৬২, ই.ফা. ৪৫৬৭)

عبدة بن عبد الله أخبرنا يحيى بن آدم عن إسرائيل عن منصور بهذا وعن إسرائيل عن الأعمش عن إبراهيم عن علقمة عن عبد الله مثله وتابعه أسود بن عامر عن إسرائيل وقال حفص وأبو معاوية وسليمان بن قرم عن الأعمش عن إبراهيم عن الأسود قال يحيى بن حماد أخبرنا أبو عوانة عن مغيرة عن إبراهيم عن علقمة عن عبد الله وقال ابن إسحاق عن عبد الرحمن بن الأسود عن أبيه عن عبد الله. حدثنا قتيبة حدثنا جرير عن الأعمش عن إبراهيم عن الأسود قال قال عبد الله بينا نحن مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في غار إذ نزلت عليه {والمرسلات} فتلقيناها من فيه وإن فاه لرطب بها إذ خرجت حية فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم عليكم اقتلوها قال فابتدرناها فسبقتنا قال فقال وقيت شركم كما وقيتم شرها.


সহিহ বুখারী > আল্লাহর বাণীঃ যা অট্টালিকা সদৃশ বড় বড় স্ফুলিঙ্গ নিক্ষেপ করবে। (সূরাহ আল-মুরসলাত ৭৭/৩২)

সহিহ বুখারী ৪৯৩২

محمد بن كثير أخبرنا سفيان حدثنا عبد الرحمن بن عابس قال سمعت ابن عباس {إنها ترمي بشرر كالقصر} قال كنا نرفع الخشب بقصر ثلاثة أذرع أو أقل فنرفعه للشتاء فنسميه القصر.

‘আবদুর রহমান ইব্‌নু আবিস (রহ.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ঐ আয়াতের ব্যাখ্যায় ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, আমরা তিন গজ বা এর চেয়ে ছোট কাঠের খণ্ড জোগাড় করে শীতকালের জন্য উঠিয়ে রাখতাম। এটাকেই আমরা বলতাম الْقَصَرَ। [৪৯৩৩] (আ.প্র. ৪৫৬৩, ই.ফা. ৪৫৬৮)

‘আবদুর রহমান ইব্‌নু আবিস (রহ.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ঐ আয়াতের ব্যাখ্যায় ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, আমরা তিন গজ বা এর চেয়ে ছোট কাঠের খণ্ড জোগাড় করে শীতকালের জন্য উঠিয়ে রাখতাম। এটাকেই আমরা বলতাম الْقَصَرَ। [৪৯৩৩] (আ.প্র. ৪৫৬৩, ই.ফা. ৪৫৬৮)

محمد بن كثير أخبرنا سفيان حدثنا عبد الرحمن بن عابس قال سمعت ابن عباس {إنها ترمي بشرر كالقصر} قال كنا نرفع الخشب بقصر ثلاثة أذرع أو أقل فنرفعه للشتاء فنسميه القصر.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00